18/02/2026
গর্ভবতী অবস্থায় রোজা রাখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল বিষয়। ইসলামে গর্ভবতী নারীদের জন্য বিশেষ শিথিলতা দেওয়া হয়েছে। আপনার এবং আপনার অনাগত সন্তানের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরি:
১. চিকিৎসকের পরামর্শ (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ)
সবার শারীরিক অবস্থা এক রকম থাকে না। তাই রোজা রাখার আগে অবশ্যই আপনার গাইনোকোলজিস্টের সাথে কথা বলুন।
আপনার যদি ডায়াবেটিস (Gestational Diabetes), উচ্চ রক্তচাপ, বা রক্তশূন্যতা থাকে, তবে চিকিৎসক সাধারণত রোজা রাখতে নিষেধ করতে পারেন।
২. রোজা রাখলে যে খাবারগুলোর দিকে নজর দেবেন
আপনি যদি শারীরিকভাবে সক্ষম হন এবং রোজা রাখেন, তবে সেহরি ও ইফতারে পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখুন:
👉প্রচুর পানি পান করুন: ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত সময়ে অল্প অল্প করে বারবার পানি পান করুন যাতে ডিহাইড্রেশন না হয়।
👉জটিল শর্করা (Complex Carbs): সেহরিতে ওটস, লাল চালের ভাত বা রুটি খান, যা অনেকক্ষণ শক্তি দেয়।
👉প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম: দুধ, ডিম, মাছ, মাংস ও ডাল ডায়েটে রাখুন।
👉ফল ও ফাইবার: কোষ্ঠকাঠিন্য এড়াতে প্রচুর শাকসবজি ও আঁশযুক্ত ফল খান।
৩. কখন রোজা ভেঙে ফেলা উচিত (বিপদচিহ্ন)
রোজার অবস্থায় নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত রোজা ভেঙে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন:
⛔অত্যধিক ক্লান্তি বা মাথা ঘোরা।
⛔চোখে ঝাপসা দেখা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।
⛔পেটে তীব্র ব্যথা বা সংকোচন অনুভব করা।
⛔গর্ভের সন্তানের নড়াচড়া স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যাওয়া।
⛔প্রচণ্ড তৃষ্ণা এবং প্রস্রাব খুব গাঢ় রঙের হওয়া।
ডাঃ শিখা সাহা
এক্স অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (গাইনি এন্ড অবস)
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
☎️০১৭৬৬৬৬৩২০০,০১৭৬৬৬৬১১১০
Prof. Dr. shikha Rani Saha, Women's Health Aid