Abir-Abdullah

Abir-Abdullah This is my personal page. Here I share my personal opinion.

 #রোগী_কথনঃ #হাইড্রকেফালাসঃ_বাচ্চার_জন্মগত_এক_ত্রুটির_নামঢাকা মেডিকেল কলেজে ডিউটি আওয়ারের শেষে লাইব্রেরিতে বসতাম। এফসিপি...
01/09/2025

#রোগী_কথনঃ
#হাইড্রকেফালাসঃ_বাচ্চার_জন্মগত_এক_ত্রুটির_নাম

ঢাকা মেডিকেল কলেজে ডিউটি আওয়ারের শেষে লাইব্রেরিতে বসতাম। এফসিপিএস সেকেন্ড পার্টের পড়ার জন্য। সতেরো থেকে একুশ এই চার বছরের আমার প্রতিটি বিকেল, সন্ধ্যা রাতের প্রথমাংশ মলাটবন্দী হয়ে আছে সেখানে। আমার পড়ার টেবিলে, বইয়ের পাতায়। কত যে পরিশ্রম, সাধনা আর একাগ্রতা জমেছিলো, জানতো টেবিলে রাখা ছোট্ট সবুজ গাছটি আর জানতো দেয়াল ঘড়িটা। আজ সে গল্প থাক। আজ অন্য গল্প বলবো।

লাইব্রেরিতে যেতে হয় শিশু সার্জারী ওয়ার্ডের সামনে দিয়ে। যারা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসেছেন তারা জানেন এখানে রোগী কেমন উপচে পড়ে। সারাদেশ থেকে জটিল থেকে জটিলতর রোগীরা রেফার্ড হয়ে আসে। শেষ ভরসা হিসাবে। এখান থেকে অন্য কোথাও সাধারণত পাঠানো হয় না। কাজেই বিছানা, ফ্লোর বারান্দা, করিডোর, চিপাচুপা সব জায়গায় রোগী আর রোগী। এভাবেই দিনের পর দিন চলে হাসপাতালের কর্মযজ্ঞ। দিন দিনের মতো যায়, রাত রাতের মতো। ডাক্তার আমরা জেগে থাকি, জেগে থাকেন আমাদের রোগীরা। এ এক যুদ্ধক্ষেত্র। সবাই লড়ছি অদৃশ্য শত্রুর বিরুদ্ধে। কখনো আমরা জিতি, কখনো পরাজয় বরণ করি।

তো যা বলছিলাম। যাওয়া আসার পথে শিশু সার্জারী ওয়ার্ডের বারান্দায় দেখতাম, এক মা তার বাচ্চাটাকে পরম যত্ন করছেন। কখনো কখনো বাবাও। বাচ্চাটার মাথা অস্বাভাবিক বড়। হাত পা লিকলিকে। চোখগুলো আধবোজা। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় রোগটাকে বলা হয়, হাইড্রোকেফালাস।

হাইড্রোকেফালাস রোগে আক্রান্তদের ব্রেনের চারপাশে যে ফ্লুইড বা পানি থাকে তা ড্রেনেজ হয় না। ড্রেজিং সিস্টেমের গন্ডগোলের জন্য পথ ব্লক হয়ে যায়। ফলে দিনের পর দিন সেরেব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড জমে জমে মাথা বড় হয়ে যায়। মাথার প্রেশার বেড়ে যায়, ব্রেইন টিস্যুর পুরুত্ব কমে যায় এবং ফেসিয়াল আউটলুক বিকৃত হয়ে যায়। শারীরিক এবং মানসিক গঠনও বাধাগ্রস্ত হয়।

কেনো এমন হয়?
অনেক কারনেই হতে পারে। তার মধ্যে ট্রমা, টিউমার, ইনফেকশন, টিবি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। জন্মগত কারণেও হয়। এর সাথে অন্যান্য জন্মগত ত্রুটি এবং বংশগত ত্রুটিও থাকতে পারে।

ডায়াগনোসিসঃ
মায়ের পেটে থাকা অবস্থায় ডায়াগনোসিস করা যায়। একটা ভালো মানের আল্ট্রাসোনোগ্রাম রিপোর্ট যথেষ্ট ডায়াগনোসিস করতে।

চিকিৎসাঃ
চিকিৎসায় ভালো হবে কিনা নির্ভর করে অনেক কিছুর উপর। যেমন- কি কারণে হলো, ক্রোমোজোমাল ও অন্য কোনো ত্রুটি আছে কিনা এবং কি পরিমান ব্রেইন টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার উপর। সান্ট অপারেশন নামে একধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি আছে ব্রেইনের ড্রেনেজ সিস্টেমকে সচল রাখার জন্য। আরো নিত্য নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি আবিস্কার হচ্ছে।

প্রতিরোধ কিভাবে করা যায়?
কথায় আছে প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর। প্রিকনসেপশনাল কাউন্সিলিং এবং কেয়ার খুব গুরুত্বপূর্ণ এসব ক্ষেত্রে। অর্থাৎ প্রেগন্যান্সির আগে থেকেই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কেনন এটা রিকার করতে পারে।

শতকরা কতো ভাগ এই রোগ রিকার করতে মানে পুনরায় হতে পারে?
শতকরা পাঁচ ভাগ ক্ষেত্রে। কাজেই বাচ্চা নেওয়ার আগেই স্ত্রী এবং প্রসূতিরোগ বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নেওয়া এবংযেসব কারনে হয় সেসব রোগ মায়ের থাকলে চিকিৎসা করিয়ে প্রেগন্যান্সি নেওয়া জরুরি। তাছাড়া ফলিক এসিড গর্ভধারণের তিনমাস আগে থেকেই সেবন করা জরুরি এবং গর্ভাবস্থায় নিয়মিত চেক-আপে থাকা জরুরি।

লাইব্রেরিতে যাওয়ার পথে বাচ্চাটাকে দেখে যাওয়া আমার রুটিনে পরিনত হয়েছিলো। একদিন দেখি বাচ্চাটা নাই। মনটা ধ্বক করে উঠলো। খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম, এই পৃথিবীর জার্নি তার শেষ হয়েছে।

সুস্থ হবে না জেনেও দিনের পর দিন মা বাবা যে যত্নটাই না করেছে, তা ছিলো দেখার মতো। শেষ দিনটি পর্যন্ত তারা লড়ে গেছেন। স্যলুট তাদের। মা বাবারা মনেহয় এমনি হয়। পৃথিবীর সকল মা বাবার জন্য রইল গভীর শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা। তোমরা ছাড়া আমরা সন্তানেরা আসলেই কিছুই না।

©
ডা. ছাবিকুন নাহার

মানসিক অসুস্থতা …………………….মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে মানুষের উদাসীনতা নতুন নয়। এমনকি মানসিক রোগ নিয়ে রয়েছে নানা অসচেতনতা, ভ্র...
03/07/2025

মানসিক অসুস্থতা
…………………….

মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে মানুষের উদাসীনতা নতুন নয়। এমনকি মানসিক রোগ নিয়ে রয়েছে নানা অসচেতনতা, ভ্রান্ত ধারণা এবং ভুল বিশ্বাস। মানসিক সমস্যাকে কেউবা আবার পাগল, উদ্ভট বা বিকৃত মানসিকতার সাথেও তুলনা করেন।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সস্টিটিউটের ২০১৮ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে ১৮ শতাংশ মানুষ কোন না কোন মানসিক রোগে আক্রান্ত।এর মধ্যে শুধু এক শতাংশ মানুষ জটিল মানসিক রোগে আক্রান্ত বলে বলছেন চিকিৎসক এবং মনোবিদেরা।

সাধারণত উদ্বেগ-জনিত মানসিক রোগ, বিষন্নতাবোধ এবং শুচিবায়ু সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে সবচেয়ে মানুষ তাদের শরণাপন্ন হন।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কোন না কোনো শারীরিক উপসর্গ নিয়ে রোগীরা আসেন। বিষণ্ণতা বা উদ্বেগ যে কোন মানসিক সমস্যা বা তার কারণ - এ নিয়ে সচেতনতা নেই বেশিরভাগের।
বাংলাদেশে যে ১০টি মানসিক সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে বেশি যায় মানুষ সেগুলো নিয়ে আলোচনা করব।
আজ প্রথম পর্বে পাঁচটি মানসিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা করব।
ক) বিষণ্ণতা(Depressive disorder)
খ) উদ্বেগ (Panic Disorder)
গ) Generalised Anxiety Disorder
ঘ) শুচিবায়ু(Obsessive Compulsive Disorder)
ঙ) ব‍্যাক্তিত্বজনিত ত্রুটি( Personality Disorder)

বিষণ্ণতা বা ডিপ্রেসিভ ডিজঅর্ডার
….. ……. …… ……. ………

বিষণ্ণতাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফলে শুরুতেই এর প্রতি যথাযথ দৃষ্টি না দিলে এ থেকে গুরুতর সমস্যা তৈরি হতে পারে।
মনোচিকিৎসকরা বলছেন, বিষণ্ণতায় আক্রান্তদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা তৈরি হয়ে থাকে।
যদিও বিষণ্ণতা বলতে অনেকে মন খারাপকে বুঝে থাকেন।
কিন্তু চিকিৎসকরা জানান, যদি দীর্ঘমেয়াদে যেমন দুই সপ্তাহ টানা মন খারাপ থাকলে, অথবা যেসব কাজে আগে আনন্দ লাগতো তাতে আর আনন্দ না পাওয়ার মতো হলে এটিকে বিষণ্ণতার লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
বিষণ্ণতা মানুষের মনের একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া।
একজন মানুষের কোনো বিষয়ে প্রত্যাশা পূরণ না হওয়া বা এ ধরণের নানা কারণে মন বিষণ্ণ হতেই পারে।
এ রোগ হলে যেসব শারীরিক উপসর্গ দেখা দেয় সেগুলো হল:
১।রোগী শারীরিকভাবে খুব দুর্বল বোধ করতে পারে।
২।ঘুমের সমস্যা এ রোগের অন্যতম উপসর্গ।
৩।রাতে ঘুম না হওয়া বা ঘুমের যে তৃপ্তি সেই বোধ না হওয়া।
৪।শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে জয়েন্টে ব্যথা ,মাথাব্যথা হতে পারে।
৫।পেটের সমস্যা হতে পারে।
৬।হাত-পা জ্বালাপোড়া করা।
৭।অস্থিরতা বোধ করে রোগী।

উদ্বেগ-জনিত রোগ বা প্যানিক ডিজঅর্ডার
……. ……. ……..

এ রোগে সবচেয়ে সাধারণ যে বিষয়টি রোগীর হয় তা হলো প্যানিক অ্যাটাক। প্যানিক অ্যাটাক হলে হয়তোবা পাঁচ থেকে দশ মিনিটের মধ্যে উপসর্গ তীব্র হয়।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়ার পর দেখা যায় রোগী শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ।
যে শারীরিক উপসর্গগুলো এ রোগে দেখা দেয় সেগুলো হল:
১।হঠাৎ করে বুক ধড়ফড় করা বা বুকে সাংঘাতিক রকমের চাপ লাগা।
২। বুকে ব্যথা হয় এমন অনুভূতি হয়, মনে হবে এখনই স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক হবে।
৩।শ্বাসকষ্ট হয়। এটি এ রোগের অন্যতম লক্ষণ। এতে মনে হবে রোগী দমবন্ধ হয়ে মারা যাবে।
৪।ভীতিমূলক চিন্তা, নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া।
৫।ঘন ঘন ঘুম ভেঙ্গে যাওয়া।
৬।রোগী দুঃস্বপ্ন দেখে।

জেনারালাইজড অ্যাংজাইটি ডিজঅর্ডার
…. ……. ….

এ সমস্যায় রোগী সবসময় সবকিছুতে উদ্বেগ বোধ করে। ছোটখাট সবকিছুতে আশঙ্কা হয় রোগীর। টেনশন এ রোগীর নিত্যসঙ্গী।
মনোচিকিৎসকরা জানান, রোগী সবসময় অস্থির বোধ করে, মেজাজ খিটখিটে থাকে। কাজে মনোযোগ কম থাকে এবং ভুলে যায়।
এ রোগে রোগীর মনে হবে সে সবকিছু ভুলে যাচ্ছে, আগের মত মনে রাখতে পারছে না।
এ রোগে যেসব শারীরিক সমস্যা হয় সেগুলো হলো:
১।রোগী খুব দুর্বল অনুভব করে ও ক্লান্ত বোধ করে।
২।বুক ধড়ফড় করবে কিন্তু প্যানিক অ্যাটাকের মত অত তীব্র হবে না।
৩।মাঝে মাঝে শ্বাস নিতে কষ্ট হয় রোগীর।
৪।পেটে চাপ অনুভব করে, খাবার হজম হয় না ঠিকমতো।
৫।কোষ্ঠকাঠিন্য হয় এ রোগে আক্রান্ত হলে।

যখন কেউ জেনারালাইজড এংজাইটি ডিজঅর্ডারে ভোগে তখন তার ব্রেইন কিছুটা রিঅ্যাক্ট করে।
নিউরো কেমিক্যালসগুলা শরীরের যে নানা রকমের সিস্টেম আছে, আমাদের যেমন হার্টের সিস্টেম, নিঃশ্বাসের প্রক্রিয়া এটাকে নানাভাবে প্রভাবিত করে। যার কারণে শারীরিক নানা উপসর্গ হতে পারে।

শুচিবায়ু বা অবসেসিভ কম্পালসিভ ডিজঅর্ডার

শুচিবায়ুর কথা কমবেশি আমরা সবাই জানলেও এটি কখন রোগের পর্যায়ে পড়ে, তা নিয়ে মানুষ সচেতন নয়।
মনোচিকিৎসকরা বলছেন, কোন ব্যক্তি যে কোনো কাজ একাধিকবার, বা অপ্রয়োজনীয়ভাবে বারবার করতে চাইলে, যখন তার মনে হয় কাজটি শেষ হয় নাই এরকম ধারণা আসে এবং সে ওই কাজটি বারবার করতে চায় এই প্রবণতাকেই শুচিবায়ু বা অবসেসিভ কম্পালসিভ ডিজঅর্ডার বলে।
এ ধরনের রোগীরা অনেক সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা একই ধরনের কাজ করে চলে। তাদের মাথায় একবার যে চিন্তা ঢুকে সেটাই তারা বারবার চিন্তা করতে থাকে।
মনোচিকিৎসকরা বলছেন, রোগী নিজে জানে এই চিন্তা অনর্থক, অর্থহীন। তবুও যেন বাধ্য হয়ে তাকে এই চিন্তা করতে হয়।
যারা শুচিবায়ু রোগে যারা ভোগেন তারা সাধারণত সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করেন। কাজকর্ম ধীর গতিতে করেন এবং সবসময় টেনশন করেন এ ধরনের রোগীরা। একটু বদমেজাজি থাকেন তারা।
মেয়েদের মধ্যে শুচিবায়ুর প্রকোপ ছেলেদের চেয়ে একটু বেশি।

ব্যক্তিত্ব-জনিত ত্রুটি বা পারসোনালিটি ডিজঅর্ডার
…. …..

এ ধরনের রোগীরা নিজেকে আঘাত করে যে কোন ঘটনা ঘটায়।
ব্যক্তিত্ব-জনিত ত্রুটি থাকলে হঠাৎ করে ব্যক্তি নিজের হাত কেটে ফেলে, আত্মহত্যার চেষ্টা করা, হঠাৎ করে ঘুমের ওষুধ খাওয়াসহ নানাভাবে নিজেকে আঘাত করার মানসিকতা থাকে।
যাদের নানা রকমের ত্রুটিপূর্ণ ব্যক্তিত্ব থাকে এদেরও কো-মরবিডলি ডিপ্রেশন ও অ্যাঙজাইটি থাকে। কিন্তু তাদের বেসিক ডায়াগনোসিস থাকে পারসোনালিটি ডিসঅর্ডার।

বাকী পাঁচটি মানসিক অসুস্থতা নিয়ে অন‍্য আরেকদিন আলাপ করব।

ডা. আবুয়াল হাসান
এমবিবিএস,এফসিপিএস
কনসালটেন্ট(মেডিসিন)
ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল

Celebrating my 3rd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
05/05/2025

Celebrating my 3rd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

রিমন তোমার জন্য বাচ্চা মেয়েটা হসপিটালে ভর্তি ।তুমি যেখানেই থাকো না কেন সাবধান হয়ে যাও ।এবার হারপিক খেয়েছে পরের বার অন...
05/05/2025

রিমন তোমার জন্য বাচ্চা মেয়েটা হসপিটালে ভর্তি ।
তুমি যেখানেই থাকো না কেন সাবধান হয়ে যাও ।
এবার হারপিক খেয়েছে পরের বার অন্য কিছু খেলে রিমন তুমি মামলা খেয়ে যাবে ।

সবাই ভাবে আমি ভালো আছি… কিন্তু ভেতরে যেন ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছি…(এই অনুভূতি যদি আপনার হয়, তাহলে এই পোস্টটা আপনার জন্য।)...
16/04/2025

সবাই ভাবে আমি ভালো আছি… কিন্তু ভেতরে যেন ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছি…
(এই অনুভূতি যদি আপনার হয়, তাহলে এই পোস্টটা আপনার জন্য।)

ডিপ্রেশন মানে আপনি দুর্বল না। বরং আপনি প্রতিদিনের এক নীরব যোদ্ধা।
কিন্তু যেকোনো যোদ্ধার মতো আপনাকেও বিশ্রাম নিতে হবে, নিজেকে ভালোবাসতে হবে।

ডিপ্রেশন থেকে মুক্তির ৫টি বাস্তবিক উপায়ঃ

১. নিজের অনুভূতি লুকাবেন না:
একজন বন্ধু, পরিবার বা কাউন্সেলরের সঙ্গে শেয়ার করুন। নিজের কষ্ট প্রকাশ করাই প্রথম সাহস।

২. হাঁটা বা ব্যায়াম করুন:
প্রতিদিন মাত্র ১৫ মিনিট হাঁটলেই মস্তিষ্কে “হ্যাপি হরমোন” তৈরি হয়। এটা আপনাকে হালকা করে দেবে।

৩. ঘুম ও খাদ্য ঠিক করুন:
রাত জেগে থাকা, বা অনিয়মিত খাওয়া ডিপ্রেশন আরও বাড়িয়ে দেয়। শরীর ঠিক থাকলে মনও স্থির থাকে।

৪. একা থাকবেন না:
বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান—even if it’s online. মন খারাপের সময় কাউকে পাশে পাওয়া এক ধরনের ওষুধ।

৫. প্রফেশনাল সাহায্য নিতে দ্বিধা করবেন না:
মনোরোগ চিকিৎসক বা কাউন্সেলরের সাহায্য নেয়া একদমই লজ্জার কিছু না—এটা একটা বুদ্ধিমানের সিদ্ধান্ত।

আপনি একা নন। আপনি গুরুত্বপূর্ণ।
জীবন কঠিন, কিন্তু আপনি তার চেয়েও শক্তিশালী।

#ডিপ্রেশন #মানসিক_স্বাস্থ্য #ভালোথাকুন #আপনি_একাই_নন

15/03/2025

আজ ১৫ তারিখ আপনার( ৬ -৫৯)মাস বয়সী শিশুকে ভিটামিন এ খাওয়াতে ভুলবেন না।ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন সফল হোক।

Major⤵️
05/01/2025

Major⤵️

05/01/2025

জাজ্ঞে ফেসবুক আজকে ডালিম দিয়ে রোজা ভা/ঙ্গলো।

05/01/2025

মেজর ডালিমকে ধন্যবাদ তাহসান রোজা টপিক কে উচ্ছন্নে পাঠানোর জন্য

Address

Barisal

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abir-Abdullah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Abir-Abdullah:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category