Huma গর্ভবতী মা ও শিশুদের স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য ও যত্নের পরামর্শ। সুস্থ মাতৃত্ব ও শিশুর সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য আমাদের সাথে থাকুন।

02/01/2026

বুকের দুধ তৈরির মূল মন্ত্র হলো "Demand and Supply"। বাচ্চা যত বেশি দুধ টানবে, আপনার শরীর তত বেশি দুধ তৈরি করবে। দুধ কম আসছে ভেবে খাওয়ানো বন্ধ করবেন না, বরং বারবার বাচ্চাকে দিন।

নবজাতক বা ছোট বাচ্চা হঠাৎ দুধ না খেলে মায়েরা দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এর পেছনে কিছু সাধারণ কারণ থাকে ...
02/01/2026

নবজাতক বা ছোট বাচ্চা হঠাৎ দুধ না খেলে মায়েরা দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এর পেছনে কিছু সাধারণ কারণ থাকে ⟡

✦ মুখে ঘা বা Oral Thrush
বাচ্চার জিহ্বা বা মুখের ভেতরে সাদা স্তরের মতো ঘা থাকলে দুধ টানতে ব্যথা হয়।
➤ এমন লক্ষণ দেখলে দ্রুত ডাক্তারকে জানান।

✦ পেটে গ্যাস বা পেট ফাঁপা
গ্যাস জমে থাকলে বাচ্চা অস্বস্তি বোধ করে এবং দুধ নিতে চায় না।
➤ দুধ খাওয়ানোর পর অবশ্যই কাঁধে তুলে আলতো করে পিঠ চাপড়ে ঢেকুর তোলান ⟣

✦ নাক বন্ধ থাকা
নাক বন্ধ থাকলে বাচ্চা একসাথে শ্বাস ও দুধ নিতে পারে না।
➤ দুধ খাওয়ানোর আগে Norsol ড্রপ দিয়ে নাক পরিষ্কার করুন ✿

✦ খাওয়ানোর পজিশন ঠিক না হওয়া
বাচ্চা যদি ঠিকমতো স্তনবৃন্ত ও এর চারপাশ না ধরে, তাহলে সে দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যায়।
➤ ল্যাচিং ঠিক আছে কি না খেয়াল করুন ❖

✦ অতিরিক্ত ক্লান্ত বা ঘুম ঘুম ভাব
খুব বেশি ঘুম পেলে বা দুর্বল লাগলে বাচ্চা দুধ এড়িয়ে যেতে পারে।
➤ অল্প জাগিয়ে নিয়ে শান্ত পরিবেশে খাওয়ানোর চেষ্টা করুন ✦

✦ মায়ের দুধের প্রবাহ হঠাৎ বেশি বা কম হওয়া
দুধ খুব দ্রুত বা খুব ধীরে এলে বাচ্চা বিরক্ত হতে পারে।
➤ পজিশন পরিবর্তন করে খাওয়ানোর চেষ্টা করুন ⟡

01/01/2026

থার্টি ফার্স্ট নাইটের সেই রোমাঞ্চকর রাতের ফল পেতে আর মাত্র ৩ সপ্তাহ! সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ যারা মা হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন, লক্ষণের দিকে খেয়াল রাখুন। শুভ খবর আসছে খুব শীঘ্রই! 🤫🤰

01/01/2026

গর্ভাবস্থার ২৮ সপ্তাহে শ্বাসকষ্ট হওয়া বেশ সাধারণ, যা সাধারণত সন্তান জন্ম দেওয়ার আগ পর্যন্ত অর্থাৎ ৪০ সপ্তাহ পর্যন্ত কম-বেশি থাকতে পারে। তবে ডেলিভারির ১-২ সপ্তাহ আগে যখন বাচ্চা নিচের দিকে (পেলভিসে) নেমে আসে, তখন ফুসফুসের ওপর চাপ কমে যায় এবং শ্বাস নিতে কিছুটা আরাম বোধ হয়।

✅ নিরাপদ সময়সীমা▫️ ৩৯ সপ্তাহ (Full Term): শিশুর ফুসফুস ও মস্তিষ্ক পুরোপুরি প্রস্তুত▫️ ৪০ সপ্তাহ: সম্ভাব্য ডিউ ডেট▫️ ৪১ স...
01/01/2026

✅ নিরাপদ সময়সীমা
▫️ ৩৯ সপ্তাহ (Full Term): শিশুর ফুসফুস ও মস্তিষ্ক পুরোপুরি প্রস্তুত
▫️ ৪০ সপ্তাহ: সম্ভাব্য ডিউ ডেট
▫️ ৪১ সপ্তাহ পর্যন্ত: সবকিছু স্বাভাবিক থাকলে অপেক্ষা করা যায়

⚠️ কখন ঝুঁকি বাড়ে?
❌ ৪১ সপ্তাহ পার হলেও ব্যথা না উঠলে
❌ জরায়ুর পানি কমে গেলে
❌ শিশুর নড়াচড়া কমে গেলে
❌ প্লাসেন্টা ঠিকমতো কাজ না করলে
👉 এসব ক্ষেত্রে দেরি না করে চিকিৎসকের সিদ্ধান্ত খুব জরুরি।

💉 ডাক্তারের সিদ্ধান্ত:
বর্তমানে বেশিরভাগ ডাক্তার ৪০–৪১ সপ্তাহের মধ্যে নিজে থেকে ব্যথা না উঠলে
ইনডাকশন (ওষুধ দিয়ে ব্যথা তোলা) দেওয়ার পরামর্শ দেন।

🚨 সতর্ক সংকেত
নিচের যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে যান:
▫️ শিশুর নড়াচড়া কম
▫️ পানি ভেঙে যাওয়া
▫️ রক্তক্ষরণ
▫️ তীব্র মাথাব্যথা বা চোখে ঝাপসা

✨ মনে রাখবেন: প্রতিটি গর্ভাবস্থা আলাদা। নিজের ও শিশুর নিরাপত্তার জন্য ডাক্তারের পরামর্শই চূড়ান্ত।

গর্ভাবস্থার শেষ সময়টা মানেই দুশ্চিন্তা, অপেক্ষা আর নানা প্রশ্ন 🤍 নিচে কিছু নিরাপদ ও চিকিৎসাসম্মত উপায় দেওয়া হলো—🌿 ১. কিছ...
31/12/2025

গর্ভাবস্থার শেষ সময়টা মানেই দুশ্চিন্তা, অপেক্ষা আর নানা প্রশ্ন 🤍 নিচে কিছু নিরাপদ ও চিকিৎসাসম্মত উপায় দেওয়া হলো—
🌿 ১. কিছু প্রাকৃতিক পদ্ধতি চেষ্টা করতে পারেন:-
◾ হালকা হাঁটাহাঁটি 🚶‍♀️
প্রতিদিন ২০–৩০ মিনিট ধীরে হাঁটুন। এতে বাচ্চার মাথা নিচে নামতে সাহায্য করে এবং জরায়ুমুখে চাপ পড়ে।

◾ সহজ ব্যায়াম 🤸‍♀️
ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে স্কোয়াট বা পেলভিক ফ্লোর ব্যায়াম করতে পারেন। এটি প্রসবের রাস্তা প্রস্তুত করতে সহায়ক।

◾ গরম পানি ও বিশ্রাম 🚿
হালকা গরম পানিতে গোসল করলে শরীর ও মন দুটোই আরাম পায় এবং প্রসবের হরমোন নিঃসরণে সহায়তা করে।

🍽 ২. খাবারের দিকেও নজর দিন
◾ খেজুর 🌴
শেষ দিকে প্রতিদিন ৪–৬টি খেজুর খেলে প্রসব সহজ ও দ্রুত হতে পারে (যদি ডায়াবেটিস না থাকে)।

◾ পর্যাপ্ত পানি পান করুন 💧
শরীর হাইড্রেট থাকলে সংকোচন ভালোভাবে কাজ করে।

🩺 ৩. ডাক্তারের পরামর্শ খুবই জরুরি

◾ নিয়মিত চেকআপ
ডাক্তার বাচ্চার হার্টবিট, গর্ভের পানি ও আপনার অবস্থা পরীক্ষা করবেন।

◾ ইন্ডাকশন (Induction)
৪০ সপ্তাহ পার হলেও যদি ব্যথা না ওঠে, তাহলে প্রয়োজনে ডাক্তার ওষুধ দিয়ে প্রসব বেদনা শুরু করতে পারেন।

🚨 কখন দেরি না করে হাসপাতালে যাবেন?
⚠ প্রসব পথ দিয়ে হঠাৎ পানি ভাঙলে
⚠ রক্তপাত শুরু হলে
⚠ শিশুর নড়াচড়া আগের তুলনায় কমে গেলে
⚠ তীব্র মাথা ব্যথা বা চোখে ঝাপসা দেখলে
👉 এই অবস্থায় ব্যথার অপেক্ষা করবেন না।

30/12/2025

অ্যান্টেরিয়র প্লাসেন্টা (ফুল সামনে থাকা) কুশনের মতো কাজ করে বলে বাচ্চার সরাসরি ধাক্কা জরায়ুর দেয়ালে পৌঁছাতে দেরি হয়, তাই নড়াচড়া বুঝতে সাধারণত ২৪ থেকে ২৮ সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

30/12/2025

কোনো শারীরিক জটিলতা না থাকলে ৩৯ সপ্তাহে সিজার করাকে আদর্শ (Ideal) ধরা হয়। ৩৯ সপ্তাহ পূর্ণ হলে শিশুর ফুসফুস এবং মস্তিষ্ক পুরোপুরি বিকশিত হয়। এতে জন্মের পর শিশুর শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

29/12/2025

Anterior Placenta হওয়া খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। এতে বাচ্চার পুষ্টি বা বৃদ্ধিতে কোনো সমস্যা হয় না। শুধুমাত্র বাচ্চার নড়াচড়া বুঝতে বা হার্টবিট শুনতে কিছুটা সময় বেশি লাগে।

🌸 মায়ের দুধ বাড়ানোর সহজ ও কার্যকর উপায় 🌸✨ ১. স্কিন টু স্কিন কন্টাক্ট• শিশুকে খালি বুকে শুইয়ে রাখুন (ডায়াপার ছাড়া)• এতে অ...
29/12/2025

🌸 মায়ের দুধ বাড়ানোর সহজ ও কার্যকর উপায় 🌸
✨ ১. স্কিন টু স্কিন কন্টাক্ট
• শিশুকে খালি বুকে শুইয়ে রাখুন (ডায়াপার ছাড়া)
• এতে অক্সিটোসিন হরমোন বাড়ে, দুধ নামানো সহজ হয়

✨ ২. ঘন ঘন সাকশন / পাম্পিং
• প্রতি ২ ঘণ্টা অন্তর বাচ্চাকে ব্রেস্টফিড করান
• যদি বাচ্চা টানতে না চায়, পাম্প ব্যবহার করুন—দুধ তৈরি বাড়াতে সাহায্য করে

✨ ৩. সঠিক ল্যাচিং
• বোঁটার চারপাশের কালো অংশ (Ar**la) যত বেশি সম্ভব মুখে দিতে হবে
• ভুল ল্যাচিং হলে দুধের প্রবাহ কম হয়

✨ ৪. পানি ও পুষ্টিকর খাবার
• দিনে ৩–৪ লিটার পানি পান করুন
• কালিজিরা, লাউ, মেথি, ওটস, রসুন দুধ বাড়াতে সাহায্য করে

✨ ৫. মানসিক চাপ কমানো ও বিশ্রাম
• সি-সেকশনের পর শরীর রিকভার করতে সময় লাগে
• দিনে অন্তত ৭–৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন
• চাপ কমালে দুধের উৎপাদন ঠিক থাকে

✨ ৬. গ্যালাক্টাগগ ঔষধ
• ঘরোয়া পদ্ধতিতে দুধ না বাড়লে ডাক্তার পরামর্শে Domperidone বা হার্বাল সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে

💡 জরুরি বিষয়
• বাচ্চার ওজন ঠিক আছে কি না দেখুন
• দিনে ৬–৮ বার প্রস্রাব করছে কি না লক্ষ্য করুন
• যদি ঠিক থাকে, তাহলে বাচ্চা পর্যাপ্ত দুধ পাচ্ছে
• প্রয়োজন হলে শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শে সাময়িক ফর্মুলা দেওয়া যায়

28/12/2025

গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস হলে রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যায়। এতে বাচ্চার ওজন অস্বাভাবিকভাবে বেশি হওয়ার পাশাপাশি ফুসফুসের পরিপক্বতা দেরিতে হতে পারে, যা জন্মের পর শ্বাস নিতে সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

✦ কখন প্রথম আল্ট্রাসাউন্ড করা হয়? ⏳❖ সাধারণত গর্ভাবস্থার ৬–৯ সপ্তাহের মধ্যে❖ সবচেয়ে উপযুক্ত সময় ধরা হয় ৭ম সপ্তাহের কাছাক...
28/12/2025

✦ কখন প্রথম আল্ট্রাসাউন্ড করা হয়? ⏳
❖ সাধারণত গর্ভাবস্থার ৬–৯ সপ্তাহের মধ্যে
❖ সবচেয়ে উপযুক্ত সময় ধরা হয় ৭ম সপ্তাহের কাছাকাছি

✦ কেন এই আল্ট্রাসাউন্ড জরুরি? 🩺
এই স্ক্যানের মাধ্যমে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিশ্চিত করা হয়:

❖ হার্টবিট (Heartbeat)
◦ ৬–৭ সপ্তাহে সাধারণত ভ্রূণের হৃদস্পন্দন শনাক্ত করা যায়

❖ ভ্রূণের অবস্থান
◦ ভ্রূণ জরায়ুর ভেতরে সঠিক স্থানে আছে কি না
◦ একটোপিক প্রেগন্যান্সির ঝুঁকি আছে কি না

❖ সম্ভাব্য প্রসবের তারিখ (EDD)
◦ এই সময়ের আল্ট্রাসাউন্ড থেকেই সবচেয়ে নির্ভুল EDD নির্ধারণ করা যায়

❖ ভ্রূণের সংখ্যা
◦ একাধিক ভ্রূণ (যমজ) রয়েছে কি না জানা যায়

Address

কালিবাড়ি রোড, ভোলা সদর ভোলা
Barishal
8300

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Huma posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Huma:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram