HealthMax হেলথম্যক্স ডক্টরস এন্ড ফার্মা ভোলা

  • Home
  • Bangladesh
  • Bhola
  • HealthMax হেলথম্যক্স ডক্টরস এন্ড ফার্মা ভোলা

HealthMax হেলথম্যক্স ডক্টরস এন্ড ফার্মা ভোলা স্বাস্থ্যসেবার সর্বোচ্চ ঠিকানা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা চিকিৎসা ও ঔষধ সবই এখানে।

11/01/2026

স্বামীর অধিকার, তার প্রতি কৃতজ্ঞতা হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ!
ওয়াজ-মাহফিল, ইউটিউব, ভার্চুয়াল সবখানেই নারীর হক, নিয়ে আলোচনা হয়! কিন্তু বেচারা স্বামীর!?

হিপোক্রেসি বাদ দিয়ে দেখে নেন—একজন স্ত্রীর কি-কর্তব্য এবং রাসূল তার উদ্দেশ্যে কী-কী বলে গিয়েছেন!!

প্রথমত বৈধকর্মে ও আদেশে স্বামীর আনুগত্য, স্ত্রীর কর্তব্য।
প্রিয় নবী (ﷺ) বলেন:
إِذَا صَلَّتِ الْمَرْأَةُ خَمْسَهَا، وَصَامَتْ شَهْرَهَا، وَحَصَّنَتْ فَرْجَهَا، وَأَطَاعَتْ بَعْلَهَا، دَخَلَتْ مِنْ أَيِّ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ شَاءَتْ.
রমণী পাঁচ ওয়াক্তের নামায, রমযানের, ইজ্জতের হিফাযত ও স্বামীর আনুগত্য করলে জান্নাতের যে-কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে।

শ্রেষ্ঠ রমণী সেই, যার প্রতি তার স্বামী দৃকপাত করলে সে—তাকে খোশ করে দেয়, কোন আদেশ করলে তা পালন করে এবং তার জীবন ও সম্পদে স্বামীর বিরুদ্ধাচরণ করে না।

প্রিয় নবী (ﷺ) বলেন:
لَوْ كُنْتُ آمِرًا أَحَدًا أَنْ يَسْجُدَ لِأَحَدٍ لَأَمَرْتُ الْمَرْأَةَ أَنْ تَسْجُدَ لِزَوْجِهَا.
যদি আমি কাউকে কারো জন্য সিজদা করতে আদেশ করতাম, তাহলে নারীকে আদেশ করতাম, সে যেন তার স্বামীকে সিজদা করে।

مِن حَقِّ الزَّوجِ عَلَى زَوجَتِهِ إن سَالَ دَماً وَقَيحاً وَصَديداً فَلَحَسَتهُ بِلِسَانِهَا مَا أَدَّتْ حَقَّهُ.
স্ত্রীর কাছে স্বামীর এমন অধিকার আছে যে, স্বামীর শরীর থেকে রক্ত, পুঁজ ও পচা তরল বের হয়, আর স্ত্রী তা জিহ্বা দিয়ে চেটে ফেলে— তবুও সে স্বামীর পূর্ণ হক আদায় করতে পারবে না!

মেয়েরা যদি নিজ স্বামীর হক (যথার্থরূপে) জানতো, তাহলে তার দুপুর অথবা রাতের খাবার খেয়ে শেষ না করা পর্যন্ত সে (তার পাশে) দাঁড়িয়ে থাকতো।

فَوَالَّذِى نَفْسِى بِيَدِهِ لاَ تُؤَدِّى الْمَرْأَةُ حَقَّ رَبِّهَا عَزَّ وَجَلَّ حَتَّى تُؤَدِّىَ حَقَّ زَوْجِهَا كُلِّهِ
তাঁর শপথ যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! নারী আল্লাহ হক ততক্ষণ পর্যন্ত আদায় করতে পারে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না সে —তার স্বামীর হক আদায় করেছে।

اثْنَانِ لا تُجَاوِزُ صَلاتُهُمَا رُءُوسَهُمَا : عَبْدٌ آبِقٌ مِنْ مَوَالِيهِ حَتَّى يَرْجِعَ إِلَيْهِمْ ، وَامْرَأَةٌ عَصَتْ زَوْجَهَا حَتَّى تَرْجِعَ.
দুই ব্যক্তির নামায (কবুল হয় না) সেই ক্রীতদাস যে তার প্রভুর নিকট থেকে পলায়ন করেছে, এবং যে স্ত্রী তার স্বামীর অবাধ্যাচরণ করেছে, সে তার বাধ্য না হওয়া পর্যন্ত!

অন্য হাদিসে আসছে—তিন ব্যক্তির নামায কবুল হয় না, তন্মধ্যে একশ্রেণী হলো— রাত্রে সঙ্গমের উদ্দেশ্যে স্বামী ডাকলে যে স্ত্রী তাতে অসম্মত হয়।

إِذَا دَعَا الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ إِلَى فِرَاشِهِ فَأَبَتْ، لَعَنَتْهَا الْمَلَائِكَةُ حَتَّى تُصْبِحَ.
(وفي رواية: حَتَّى يَرْضَى عَنْهَا)
স্বামী দাম্পত্যের জন্য ডাকলে স্ত্রী অকারণে অস্বীকার করলে—স্বামী সন্তুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত (বা সকাল পর্যন্ত) ফেরেশতারা তার ওপর অভিশাপ দিতে থাকেন!

স্বামীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা!
لَا يَنْظُرُ اللَّهُ إِلَى امْرَأَةٍ لَا تَشْكُرُ لِزَوْجِهَا وَهِيَ لَا تَسْتَغْنِي عَنْهُ.
যে নারী স্বামীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না— অথচ সে স্বামীর ওপর নির্ভরশীল—আল্লাহ তার দিকে দৃষ্টিও দেন না!

وَنِسَاؤُكُمْ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ: الْوَدُودُ الْعَؤُودُ عَلَى زَوْجِهَا، الَّتِي إِذَا غَضِبَ جَاءَتْ حَتَّى تَضَعَ يَدَهَا فِي يَدِهِ، ثُمَّ تَقُولُ: لَا أَذُوقُ غَمْضًا حَتَّى تَرْضَى.
জান্নাতী স্ত্রী সেই নারী—যিনি স্বামীর প্রতি ভালোবাসাময় ও অনুগত! ভুল হলে অহংকার না করে বারবার স্বামীর কাছে ফিরে আসেন। স্বামী রাগ করলে কাছে এসে হাত ধরে বলেন— আপনি সন্তুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত আমি ঘুমাব না।

অসংখ্য হাদিছ এখানে উল্লেখ করিনি! পরিশেষে চোখ বন্ধ করে বলেন! এমন স্ত্রী বাংলাদেশে কতো পার্সেন্ট আছে!?

07/12/2025

নেক সন্তান আল্লাহর নেয়ামত।

♥বন্ধ্যাত্ব কোন অভিশাপ নয়
♥সঠিক চিকিৎসায় বন্ধ্যাত্ব রোগ ভাল হয়৷
♥অপ্রয়োজনীয় সিজার কে বর্জন করুন৷
♥নিরাপদ নরমাল ডেলিভারিকে উৎসাহিত করুন।

মহিলাদের যাবতীয় রোগের সুচিকিৎসায় নিশ্চিন্তে চলে আসুন আমাদের ঠিকানায়।

এমবিবিএস, পিজিটি (গাইনী&অবস্)
ডিএমইউ (আল্ট্রা) সিএমইউডি
উচ্চতর প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত
মা ও শিশু রোগের চিকিৎসক
ডাঃ হুমায়রা

চেম্বারঃ
হেলথম্যাক্স ডক্টরস এন্ড ফার্মা
সদর টাউন পুলিশ ফাঁড়ির সামনে,
কালীনাথ বাজার, ভোলা।
প্রতিদিন :
সকাল ৯ থেকে দুপুর ১ টা
বিকেল ৫ টা থেকে রাত ৯ টা
আর্থিক অসচ্ছল রোগীদের জন্য ভিজিট ফ্রী
(শুক্রবার সকাল ৯ টা-১১ টা)
সিরিয়ালের জন্য : 01842-767210

🤰 গর্ভাবস্থায় TT টিকা (Tetanus Toxoid) ডোজ গাইড:-💉 TT টিকা কেন জরুরি?-মায়ের জন্য নিরাপদ: মাকে ধনুষ্টঙ্কার (Tetanus) সং...
14/11/2025

🤰 গর্ভাবস্থায় TT টিকা (Tetanus Toxoid) ডোজ গাইড:-
💉 TT টিকা কেন জরুরি?
-মায়ের জন্য নিরাপদ: মাকে ধনুষ্টঙ্কার (Tetanus) সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।
-নবজাতকের টিটানাস প্রতিরোধে সাহায্য করে

📝 ডোজের সংখ্যা ও সময়সূচি:-
1️⃣ TT1 – যেকোনো সময়, প্রথম ডোজ
2️⃣ TT2 – TT1 এর ৪ সপ্তাহ পরে
3️⃣ TT3 – TT2 এর ৬ মাস পরে
4️⃣ TT4 – TT3 এর ১ বছর পরে
5️⃣ TT5 – TT4 এর ১ বছর পরে

ℹ️ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:-
যদি আগে TT টিকা না নেওয়া থাকে, তাহলে গর্ভাবস্থায় প্রথমে TT1, এরপর ৪ সপ্তাহ পর TT2 দেওয়া হয়।
আর যদি আগের গর্ভাবস্থায় বা আগে TT1 নেওয়া থাকে, তাহলে শুধু TT2 (বুস্টার ডোজ) দেওয়াই যথেষ্ট।

জানা থাকলে উপকারে আসতে পারে পিজি হাসপাতালের ১ নং এবং ২ নং আউটডোরে কোথায় কোন বিভাগ এবং সকল তথ্য।পোস্টটি শেয়ার করে অন্যকে ...
24/10/2025

জানা থাকলে উপকারে আসতে পারে
পিজি হাসপাতালের ১ নং এবং ২ নং আউটডোরে কোথায় কোন বিভাগ এবং সকল তথ্য।
পোস্টটি শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিবেন।

➡️(২নং আউটডোর পরিচিতি)

বেজমেন্ট -১:
ল্যাবরেটরি সার্ভিস সেন্টার ( ওয়ান পয়েন্ট)
পূবালী ব্যাংকের বুথ
রিসিপ্ট কাউন্টার
ব্লাড কালেকশন কাউন্টার

নিচতলা :
পূবালী ব্যাংকের টিকেট কাউন্টার
হাসপাতাল ফার্মেসী
অভ্যর্থনা ও তথ্য কেন্দ্র
report delivery counter
ART ( এআরটি) সেন্টার

দ্বিতীয় তলা :
*জেনারেল সার্জারি বিভাগ কক্ষ, ২০১-২০৩
*হেপাটোবিলিয়ারি এন্ড প্যানক্রিয়াটিক সার্জারি কক্ষ, ২০৪
*নাক কান ও গলা বিভাগ কক্ষ, ২০৯-২১৩
*ব্রেষ্ট ক্লিনিক ডাটা এন্টি, কক্ষ : ২১৭
*ব্রেষ্ট এন্ড এন্ডোক্রাইন সার্জারি কক্ষ, ২০৫
*জেনারেল সার্জারি বিভাগ, কক্ষ: ২০৬-২০৮
*ইউরোলজি বিভাগ, কক্ষ: ২১৪-২১৫

তৃতীয় তলা :
*ইনফার্টিলিটি কক্ষ, ৩০১
*আল্ট্রাসনোগ্রাম কক্ষ, ৩০৩
*গাইনোকোলজিক্যাল অনকোলজি কক্ষ, ৩০৫
*পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিক কক্ষ, ৩০৯
*রেন্ট কালেক্টর অফিস ও প্রধান রোগী ভর্তি কাউন্টার কক্ষ, ৩১৪
*অবস্ অ্যান্ড গাইনি ( পিএমটিসিটি) কক্ষ, ৩০২
*ফিটোম্যাটারানাল কক্ষ, ৩০৪
*অবস্ অ্যান্ড গাইনি বিভাগ কক্ষ ৩০৬- ৩০৮
*শিশু সার্জারি বিভাগ কক্ষ, ৩১০-৩১১
*নিউরো সার্জারি বিভাগ কক্ষ, ৩১২-৩১৩

চতুর্থ তলা :
*চক্ষুবিজ্ঞান বিভাগ কক্ষ, ৪০১-৪০৫
*চক্ষুবিজ্ঞান বিভাগ ও কমিউনিটি অফথালমোলজি বিভাগ রেটিনা ক্লিনিক কক্ষ, ৪০৫
*অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগ কক্ষ, ৪০৬-৪০৯

পঞ্চম তলা :
ডে কেয়ার ও টি

ষষ্ঠতলা :
ল্যাবরেটরি মেডিসিন

সপ্তম তলা :
ভাইরোলজি বিভাগ

অষ্টম তলা :
বায়োকেমেস্টি এন্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগ

নবমতলা :
ফিজিওলজি বিভাগ

দশমতলা :
এনামটি বিভাগ

১১ তম তলা :
ফার্মাকোলজি বিভাগ

১২ তম তলা :
পদ্মা মেঘনা ও যমুনা পরীক্ষা হল

➡️আসুন এবার আমরা ১ নং আউটডোর সম্পর্কে বিস্তারিত জানি।
(১ নং আউটডোর পরিচিতি)

বেজমেন্ট -১:
ল্যাবরেটরি সার্ভিস সেন্টার ( ওয়ান পয়েন্ট)
পূবালী ব্যাংকের বুথ
রিসিপ্ট কাউন্টার
ব্লাড কালেকশন কাউন্টার

নিচ তলা:
পূবালী ব্যাংক টিকেট কাউন্টার, হাসপাতাল ফার্মেসী, অভ্যর্থনা ও তথ্য কেন্দ্র, রিপোর্ট ডেলিভারী কাউন্টার, সমাজসেবা তথ্য কেন্দ্র

২য় তলা:
*ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগ, কক্ষ: ২০১–২০৬
*কার্ডিওলজি বিভাগ, কক্ষ: ২০৮–২১১
*বক্ষব্যাধি বিভাগ, কক্ষ: ২১৬–২১৭
*কার্ডিয়াক সার্জারী, কক্ষ: ২০৭
*ফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগ, কক্ষ: ২১২–২১৫।

৩য় তলা:
*ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার ওয়ার্ড, কক্ষ: ৩০১
*নিউরোলজী বিভাগ, কক্ষ: ৩০২
*ই.পি.আই, কক্ষ: ৩০৩
*শিশু নেফ্রোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৩০৪
*শিশু গ্যাষ্ট্রোএন্ট্রোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৩০৫
*শিশু সার্জারি, কক্ষ: ৩০৬–৩০৯
*নিউরো মেডিসিন বিভাগ, কক্ষ: ৩১০–৩১৩
*নবজাতক বিভাগ, কক্ষ: ৩১৪
*শিশু রিউমাটোলজি এন্ড এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৩১৫–৩১৬

৪র্থ তলা
*কিডনী বিভাগ, কক্ষ: ৪০১–৪০২
*হেমাটোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৪০৩–৪০৪
*লিভার বিভাগ, কক্ষ: ৪০৫–৪০৬
*গ্যাষ্ট্রোএন্ট্রোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৪০৭–৪০৮
*রিউমাটোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৪০৯–৪১০
*শিশু হেমাটোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৪১১–৪১২

৫ম তলা:
*চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগ, কক্ষ: ৫০১–৫০৫
*এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৫০৬–৫১০
*মনোরোগবিদ্যা বিভাগ, কক্ষ: ৫১২–৫১৫
*অনকোলজি বিভাগ, কক্ষ: ৫০৫–৫০৮
*পেইন ক্লিনিক এন্ড প্যালিয়েটিভ কেয়ার, কক্ষ: ৫১১

৬ষ্ঠ তলা:
*ইউরোলজি (রিজিওনাল ট্রেনিং সেন্টার), কক্ষ: ৬০১
*ভাসকুলার সার্জারি, কক্ষ: ৬০২–৬০৬
*কোলোরেক্টাল সার্জারি, কক্ষ: ৬০৭
*অনকোলজিক ক্লিনিক, কক্ষ: ৬১০
*কর্ণিয়া ক্লিনিক, কক্ষ: ৬১১
*আরবোভাইরাল ক্লিনিক, কক্ষ: ৬১১
*পিসিআর ল্যাবরেটরি (ভাইরোলজি বিভাগ), কক্ষ: ৬১২
এক্সট্রা কপির কর্নার
পূবালী ব্যাংক শাখা (ট্রেজারি বিভাগ)

৭ম তলা:
*নজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি এন্ড এন্ডোডন্টিক বিভাগ, কক্ষ: ৭০১–৭০৩
*পেডিয়াট্রিক ডেন্টিস্ট্রি বিভাগ

৮ম তলা:
*কনজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি এন্ড এন্ডোডন্টিক বিভাগ

৯ম তলা:
*প্রস্থডন্টিক বিভাগ

১০ম তলা:
*ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিভাগ

১১তম তলা:
*অর্থোডন্টিক বিভাগ

১২তম তলা:
রূপসা হল
মমতাময়ী পরীক্ষা হল

পোস্টটিতে সবাই লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করুন।
পিজি হাসপাতালের তথ্য

আফগানিস্তানে মার্কিনিরা ২০০১ সালের পর থেকে সামরিক হস্তক্ষেপের পাশাপাশি উন্নয়ন ও পুনর্গঠনের নামে একটা প্রজেক্ট চালিয়েছিল।...
22/10/2025

আফগানিস্তানে মার্কিনিরা ২০০১ সালের পর থেকে সামরিক হস্তক্ষেপের পাশাপাশি উন্নয়ন ও পুনর্গঠনের নামে একটা প্রজেক্ট চালিয়েছিল।
আম্রিকা মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে আফগানিস্তানে সয়াবিন তেল উৎপাদন ও খাওয়ানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ওখানে ভালো সয়াবিন হয় নাই, আর আফগানরা সয়াবিন খায়ওনি। পুরা প্রজেক্টটাই লস গেছে!

ঐখানে USDA (United States Department of Agriculture), ASA (American Soybean Association) ও বিভিন্ন NGO মিলে ২০১০ সালে SARAI (Soybeans in Agricultural Renewal of Afghanistan Initiative) নামে এক প্রজেক্ট শুরু করে। উদ্দেশ্য ছিল আফগানদের দিয়ে সয়াবিন চাষ করান, প্রক্রিয়াজাত সয়াবিন তেল ও ময়দা উৎপাদন এবং ফুড সাপ্লাইয়ে সয়াবিন অন্তর্ভুক্ত করা।

সয়াবিন পরিপক্ব হতে আড়াই থেকে চার মাস সময় নেয়। আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলে এই সময়ের মধ্যে ঠাণ্ডা ও তুষারপাত শুরু হয়ে যায়। ফলে সয়াবিন পুরোপুরি পরিপক্ব হওয়ার আগেই নষ্ট হয়ে কৃষকদের অনেক ক্ষতি হয় এবং তারা সয়াবিন চাষে উৎসাহ হারিয়ে ফেলে।

চাষ ভালো না হওয়ায় আম্রিকা পরবর্তীতে ৪,০০০ মেট্রিক টন সয়াবিন নিজ দেশ থেকে আফগানিস্তানে পাঠায়। এই সয়াবিন দিয়ে প্রসেসড তেল ও খাদ্য তৈরি করে বিতরণ করা হয়। কিন্তু স্থানীয় জনগণের টেস্টবাডে সয়াবিন‑ভিত্তিক খাদ্য গ্রহণযোগ্যতা পায় নাই!
আফগানদের ডায়েটে কখনোই সয়াবিন ছিল না। তারা সাধারণত মাংস, গমের রুটি (নান), চাল ও দুধজাত খাবার খেয়ে অভ্যস্ত। যখন সয়াবিন দিয়ে তৈরি খাবার, যেমন সয়াবিন আটা দিয়ে নান, সয়াবিন তেল দিয়ে রান্না খাবার এসব খাওয়ানো হয়, তখন তারা স্বাদ অপছন্দ করে আর খাইতে রাজি হয় নাই।

এভাবেই আফগানিস্তানে আম্রিকার ব্যাপকভাবে সয়াবিন উৎপাদন ও গ্রহণযোগ্যতা তৈরির বিগ বাজেট প্রজেক্ট ফেল করে! এই প্রজেক্টে ওদের প্রায় ৩৪.৪ মিলিয়ন ডলার জলে গেছিলো!
প্রকৃতিতে সয়াবিন কখনই মানুষের খাদ্য হিসেবে সৃষ্টি হয়নি। প্রকৃতিতে সয়াবিনের কাজ মাটির স্বাস্থ্য ভাল করা। সয়াবিন মাটির সাথে সিমবায়োটিক সম্পর্ক গড়ে নাইট্রোজেন সংবন্ধন (Nitrogen Fixation) করে। এর শিকড়ে বসবাসকারী রাইজোবিয়া ব্যাকটেরিয়া বাতাসের নাইট্রোজেনকে মাটিতে বেঁধে ফেলে, যা পরবর্তী ফসলের জন্য জমিকে উর্বর করে তোলে।
এছাড়াও, সয়ে প্রাকৃতিকভাবেই কীটনাশক উপস্থিত! পোকামাকড়, ছত্রাক ও রোগবালাই থেকে বাঁচতে সয়াবিনের মধ্যে ফাইটোইস্ট্রোজেন, লেকটিনস, গয়ট্রোজেন ও ট্রিপসিন ইনহিবিটর তৈরি হয়েছে।

প্রাচীন এশিয়ায় চীন ও জাপানে সয় খাওয়া শুরু হয় খ্রিস্টপূর্ব ১১ শতাব্দীতে। ইতিহাস বলছে, প্রাচীন এশিয়ায় সয়াবিনের অত্যন্ত সীমিত ও সতর্ক ব্যবহার ছিল। চীনা ও জাপানি সংস্কৃতিতে এটা দীর্ঘ গাঁজন (Fermentation) প্রক্রিয়ার পরই (মিসো, সস, নাট্টো ইত্যাদি বানিয়ে) শুধুমাত্র খাওয়ার প্রচলন ছিল। অর্থাৎ গাঁজনের মাধ্যমে এর টক্সিন কমিয়ে খাওয়া হতো। আর তা পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে না, বরং মশলা বা কন্ডিমেন্ট হিসেবে।
পৃথিবীর কোনো ঐতিহ্যবাহী কালচারই সয়কে প্রধান প্রোটিন উৎস হিসেবে ব্যবহার করেনি। কিন্তু পাশ্চাত্যের ফুড ইন্ডাস্ট্রি এই সতর্কতাকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছে।
২০ শতাব্দীর শুরুতে ১৯২০-৩০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে সয়াবিন চাষ বৃদ্ধি পায়, বিশেষত পশুখাদ্য ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল তেলের (ভোজ্যতেল নয়!) উৎস হিসেবে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যখন প্রোটিনের বিকল্প উৎস খোঁজা হচ্ছিল, তখন কৌশলে সস্তা প্রোটিন হিসেবে মানুষের ডায়েটে সয়াবিন ঢুকিয়ে দেওয়া হয়।

ধীরে ধীরে কর্পোরেট লবিস্ট ও মার্কেট স্ট্রাটেজিস্টরা একে মানুষের খাদ্য হিসেবে চালিয়ে দিতে সক্ষম হয়। ১৯৭০-৮০ সালে 'সুপারফুড' প্রপাগাণ্ডা সয় ইন্ডাস্ট্রির মার্কেটিংয়ে বিপ্লব আনে। তারা এমন প্রপাগাণ্ডা চালালো যে, মানুষের মাঝে সয়াবিন 'সুপারফুড' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলো। অথচ এর পেছনে কেবলমাত্র বাণিজ্যিক স্বার্থ ছাড়া কোনও শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক ভিত্তি ছিলনা।

"সয় হার্টের জন্য ভালো", "ক্যান্সার রোধ করে" এসব অপ্রমাণিত দাবিও ছড়ানো হয়! ভেগান ও ভেজিটেরিয়ান মুভমেন্ট-কে কাজে লাগিয়ে সয়কে প্রোটিনের বিকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়। মার্কিন সরকার সয়াবিন চাষকে ব্যাপক ভর্তুকি দেয়, ফলে এটি সস্তা ও সহজলভ্য হয়ে ওঠে। সয়া প্রোটিন আইসোলেট আবিষ্কার করে প্রসেসড ফুডে যোগ করা শুরু হয়।

মনসান্টো ১৯৯৬ সালে জেনেটিকালি মডিফায়েড রাউন্ডআপ-রেডি সয়াবিন চালু করে। ফলে, সয়বিন চাষ আরো লাভজনক ও ব্যাপক হয়। বর্তমানে বিশ্বের সয়াবিন উৎপাদন প্রায় পুরোটাই জিএমও।

প্রকৃতির নিয়ম উপেক্ষা করে, কান্ডজ্ঞান হারিয়ে ও সস্তা পেয়ে মানুষ এমন একটি খাদ্যকে প্রোটিন ও ফ্যাটের উৎস বানিয়ে ফেলেছে যা তাদের হরমোনাল সিস্টেমকে বিগড়ে দিচ্ছে, প্রজনন ক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং নানা মেটাবলিক সমস্যা সৃষ্টি করছে।
এটা জীবনের সাথে এক ধরনের তামাশা করা, যার পরিণতি কেউ এখনই বুঝতে পারছে না। কিন্তু সয়াবিনের এই উত্থানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ভয়াবহ মূল্য গুনতে হতে পারে!
নিউট্রিশন সায়েন্টিস্ট ও এন্টি-এজিং এক্সপার্ট ড. কায়লা ড্যানিয়েল তাঁর বই The Whole Soy Story-তে বিশদভাবে রিসার্চ ও এনালাইসিস সহকারে সয়াবিনের ভয়াবহতা বর্ণনা করেছেন। তিনি সয়াবিনকে মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য হিসেবে প্রচারের বিরুদ্ধে জোরালোভাবে সতর্ক করেছেন।
ড. কায়লা ড্যানিয়েলের গবেষণা ও বিশ্লেষণ সয় ইন্ডাস্ট্রির প্রপাগান্ডার বিপরীতে পাল্টা এক গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক বক্তব্য হিসেবে স্বীকৃত।

ড. ড্যানিয়েলের মতে, সয়াবিনে বিদ্যমান বিভিন্ন কেমিক্যাল, যেমন ফাইটোইস্ট্রোজেন (বিশেষত আইসোফ্লেভোন জেনিস্টেন ও ডেইডজেইন), গয়ট্রোজেন, ফাইটিক অ্যাসিড এবং ট্রিপসিন ইনহিবিটর মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর! এই যৌগগুলো শরীরের হরমোনাল ভারসাম্যকে বিঘ্নিত করে, হজম প্রক্রিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি করে এবং পুষ্টি শোষণে বাধা দেয়।

তাঁর গবেষণায় দেখা গেছে, সয়াবিনে থাকা ফাইটোইস্ট্রোজেন যৌগ জেনিস্টেন (Genistein) মানবদেহের এস্ট্রোজেন রিসেপ্টরের প্রতি অস্বাভাবিকভাবে আকৃষ্ট হয়। ফলে এটি সহজেই কোষে প্রবেশ করে এবং এস্ট্রোজেন হরমোনের রিসেপ্টরের সাথে এমনভাবে বন্ধন তৈরি করে যা স্বাভাবিক হরমোনাল কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটায়!
এছাড়াও, সয় খাওয়া কার্ডিওভাসকুলার হেলথের জন্যও হুমকি! এটি ধমনীতে কোলেস্টেরল জমার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে!

নারীর প্রজনন স্বাস্থ্যের উপর সয়ের প্রভাব অত্যন্ত বিপজ্জনক!
জেনিস্টেন নারীদের প্রজননক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের ফলিকল স্টিমুলেটিং হরমোন (FSH) এবং লুটিনাইজিং হরমোন (LH) এর স্বাভাবিক নিঃসরণ ব্যাহত করে। এর ফলে ডিম্বস্ফোটন অনিয়মিত হয়ে পড়ে, ডিম্বাণুর গুণগত মান কমে যায় এবং মাসিক চক্রে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। দীর্ঘমেয়াদে এটি নারীর উর্বরতা হ্রাসে সরাসরি ভূমিকা রাখে।
গর্ভাবস্থায় সয়বিন খেলে তা ভ্রূণের হরমোনাল বিকাশে বিপজ্জনক প্রভাব ফেলতে পারে!
জেনিস্টেন ডিম্বাণুর ক্রোমোজোমাল অস্বাভাবিকতা (অ্যানিউপ্লয়ডি) বাড়ায়, যা গর্ভধারণে ব্যর্থতা বা গর্ভপাতের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে!

পুরুষদের ক্ষেত্রে সয়ের প্রভাব আরও ভয়াবহ!
জেনিস্টেন টেস্টোস্টেরন হরমোনকে এস্ট্রোজেনে রূপান্তরিত করার মাধ্যমে পুরুষের হরমোনাল ভারসাম্য সম্পূর্ণ বিগড়ে দিতে পারে! জেনিস্টেন টেস্টোস্টেরনকে এস্ট্রাডিওলে রূপান্তরিত করে। ফলে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে এস্ট্রোজেনের আধিক্য দেখা দেয়। তখন শুক্রাণুর সংখ্যা ও গুণগত মান কমে, যৌন সমস্যা (যেমন ইরেক্টাইল ডিসফাংশন, যৌনক্রিয়ায় উদ্দীপনা হ্রাস) দেখা দেয় এবং প্রোস্টেটের উপরও ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে!

শিশুদের জন্য সয়-ভিত্তিক খাদ্য অত্যন্ত ক্ষতিকর!
ড. ড্যানিয়েলের মতে, খাদ্যের মাধ্যমে সয় ফাইটোইস্ট্রোজেনের সংস্পর্শে আসা মেয়েশিশুদের অকালেই বয়ঃসন্ধি শুরু হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে!
আর ছেলেশিশুদের ক্ষেত্রে এটি সুস্থ-স্বাভাবিক যৌন বিকাশে বাধা সৃষ্টি করতে পারে!!
(বর্তমান প্রজন্মে একটি বিশেষ সমস্যা প্রকট হচ্ছে। কেন তাহলে এবার বুঝুন।)

ড. ড্যানিয়েল বলেছেন যে, আধুনিক ফুড ইন্ডাস্ট্রি সয়কে একটি সুপারফুড বা হেলদি অপশন হিসেবে মার্কেটিং করলেও প্রকৃতপক্ষে প্রসেসড সয় প্রোডাক্ট (যেমন সয়া প্রোটিন আইসোলেট, সয়া দুধ, টোফু ইত্যাদি) স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর! এমনকি ফার্মেন্টেড সয় প্রোডাক্ট (মিসো, টেম্পেহ, নাট্টো) তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সেগুলো বেশি পরিমাণে খেলে বিপদ ডেকে আনতে পারে!
সয়াবিন একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফসল। যা কখনই মানুষের খাদ্য হওয়ার জন্য প্রকৃতিতে তৈরি হয়নি। আধুনিক বিশ্বে সয়ের ব্যাপক ব্যবহার একটি ভয়ানক হেলথ ক্রাইসিস তৈরি করেছে। মানুষের মাঝে থাইরয়েড ডিসঅর্ডার, অটোইমিউন রোগ, হজমের সমস্যা এবং প্রজনন স্বাস্থ্যের এত অবনতির পেছনে সয়ের ভূমিকা অত্যন্ত ব্যাপক!
সয়াবিন প্রাকৃতিকভাবে বি/ষা/ক্ত। সয়াবিনের ফাইটোইস্ট্রোজেন এক শক্তিশালী এন্ডোক্রাইন ডিসরাপ্টর।
যে মা-বাবা সন্তান নিবে তারা যদি নিয়মিত সয়াবিন তেল খায় তাদের সন্তানরা এটার বাজে ফ্যাট দিয়ে তৈরী হবে। অর্থাৎ মায়ের গর্ভ থেকেই শিশু রোগগ্রস্থ হয়ে জন্মাবে এবং মোটামুটি পৃথিবীর এমন কোন রোগ নেই যা তাদের হবেনা! একটা বিল্ডিং তৈরীতে সিমেন্টের সাথে মাটি মিশিয়ে দিলে বিল্ডিং যেমন দূর্বল হবে, সয়াবিনের বাজে ফ্যাট দিয়ে তৈরী শরীর, মস্তিষ্কেরও একই অবস্থা হবে!

আপনি জানলে অস্থির হবেন যে, বিশ্ব মোড়ল আবদার করছে, শর্ত চাপাচ্ছে আমরা যেন সয়াবিন তেল খাই!

এই বছর বাংলাদেশকে দেওয়া আম্রিকান অর্গানাইজেশন USTR এর চিঠিতে বিভিন্ন মার্কিন মানসনদ বাংলাদেশকে বিনাপ্রশ্নে মেনে নিতে বলা হয়েছে! আর যেসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনো আইন প্রণয়ন কিংবা স্ট্যান্ডার্ড স্থাপন করতে পারেনি, সেসব ক্ষেত্রে মার্কিন স্ট্যান্ডার্ড প্রতিস্থাপন করতে বলা হয়েছে। যাতে মার্কিন পণ্য অবাধে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে।

বাংলাদেশকে দেওয়া USTR এর ৬ টা বাণিজ্যিক শর্তের একটা হলো- সামরিক বাহিনী ও সরকারি সংস্থার জন্য মার্কিন সয়াবিন তেল আমদানি বাড়াতে হবে এবং সয়াবিন সংরক্ষণের জন্য মার্কিন কোম্পানির অংশীদারিত্বে অবকাঠামো নির্মাণ করতে হবে।
ফ্যাক্টরিতে সয়াবিন তেল নিষ্কাশনে হেক্সেন ব্যবহৃত হয়। হেক্সেন এক্সট্রাকশন প্রক্রিয়ায় সয়াবিন বীজ থেকে সর্বোচ্চ পরিমাণ তেল নিষ্কাশন হয়। এখানে সয়াবিন গুঁড়ো করে হেক্সেনে ভেজানো হয় যাতে ৯৯% পর্যন্ত তেল নিষ্কাশন করা যায়। এই হেক্সেন হলো অক্টেনের মতো পেট্রোলিয়ামজাত যৌগ, যা সরাসরি বি/ষা/ক্ত।

এই তেল মানুষের পাকস্থলীর জন্য উপযুক্ত না। যার কারণে দীর্ঘদিন খেলে গাট লাইনিং/পাকস্হলীর প্রাচীর নষ্ট হয়ে যায়। যেখান থেকে শুরু হয় পেটের যত সমস্যা। একবার এই প্রাচীর নষ্ট হলেই শুরু হবে গ্যাস্ট্রিক, আলসার, আইবিএস, এসিড রিফ্ল্যাক্স, জার্ড ইত্যাদি। এরপর আরো আছে ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড ও ট্রান্স ফ্যাট থেকে প্রদাহ, হৃদরোগ ও লিভারের যত সমস্যা!
এজন্যই ত বর্তমানে গ্যাস্ট্রো-লিভারের ডাক্তারদের সিরিয়াল পাওয়া কঠিন।
আর বাকী সব বাদ, এদেশে শুধু গ্যাস্ট্রিকের ঔষধের বাজারই প্রতিবছর ১০,০০০ থেকে ২০,০০০ কোটি টাকার!
বাঙালির জন্য নিত্যদিনের রান্নাবান্নায় বর্তমানে সবচেয়ে উত্তম তেল হলো দেশি সরিষার তেল। কথা শেষ!
স্বাস্থ্যকর ও সহজলভ্য এই সরিষার তেল পরিমিতভাবে নিয়মিত খেলে কোনো সমস্যা নাই।

আর যাদের আরো ভালো অপশন দরকার তাদের জন্য রয়েছে:
- অলিভ অয়েল (কাঁচা খাওয়া ও হালকা আঁচে রান্নার জন্য)
- কোকোনাট অয়েল (কাঁচা খাওয়া ও মাঝারি তাপে রান্নার জন্য)
- তিলের তেল (রান্নার জন্য)
- ঘি (উচ্চ তাপে ভাজাপোড়ার জন্য)

19/10/2025

রাসুল (ﷺ‎) যখন সবার মাঝে বসে থাকতেন, তাঁকে আলাদা করে চেনা যেতো না। তাঁর জন্য সবার থেকে আলাদা কোন উঁচু আসন বা চেয়ারও থাকতো না। অপরিচিত কেউ এলে তাকে জিজ্ঞেস করতে হত, তোমাদের মধ্যে মুহাম্মদ কে? সাহাবীদেরকে নিয়ে কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন হলে, তিনি থাকতেন সবার পেছনে। এমন ভাবে সবার সাথে মিশে যেতেন, প্রয়োজন পড়তো তাঁকে খুঁজে নেয়ার।

তিনি যখন কারো সাথে মুসাফাহা করতেন, ততক্ষণ পর্যন্ত নিজের হাত সরিয়ে নিতেন না, যতক্ষণ না মুসাফাহাকারী নিজের হাত সরিয়ে নেন। কারো সাথে যখন কথা বলতেন, তাঁর দিকে ফিরে কথা বলতেন। বাঁকা চোখে অন্য দিকে তাকিয়ে থাকতেন না। অধিকাংশ সময়ই তাঁর ঠোটে লেগে থাকতো মুচকি হাসি।

দূর থেকে কেউ তাঁকে দেখলে তাঁর ব্যক্তিত্ত্বের কারনে ভয় পেতো। কিন্তু তাঁর সাথে মিশতে শুরু করলেই তিনি হয়ে উঠতেন সবচেয়ে প্রিয়।

তিনি ছিলেন সবচেয়ে সম্ভ্রান্ত বংশের মানুষ। সবচেয়ে সুন্দর, সবচেয়ে প্রভাবশালী। তিনি ছিলেন আল্লাহর রাসুল (স), তিনি হবেন সর্বপ্রথম সুপারিশকারী। পৃথিবীতে যদি কারো জন্য অহংকার করা জায়েজ থাকতো, তাহলে অহংকার করার সবচেয়ে বড় হকদার ছিলেন আল্লাহর রাসুল (স)। অথচ এই মানুষটিই ছিলেন সবচেয়ে বেশি নিরহঙ্কারী, সবচেয়ে বেশি বিনয়ী।

সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম!
আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম 'আলা নাবিইয়্যিনা মুহাম্মাদ!

মানবতার কল্যাণে
HealthMax হেলথম্যক্স ডক্টরস এন্ড ফার্মা ভোলা

অনেক সময় মা–বাবা হঠাৎ খেয়াল করেন বাচ্চার মাথা একদম গোল হচ্ছে না, বরং এক পাশে একটু চ্যাপ্টা বা বাঁকা দেখাচ্ছে । এতে ভয় পে...
18/10/2025

অনেক সময় মা–বাবা হঠাৎ খেয়াল করেন বাচ্চার মাথা একদম গোল হচ্ছে না, বরং এক পাশে একটু চ্যাপ্টা বা বাঁকা দেখাচ্ছে । এতে ভয় পেয়ে অনেকে ভাবে, “এটা কি কোনো বড় সমস্যা ?”

আসলে না !
এই অবস্থার নাম Positional Plagiocephaly (পজিশনাল প্লাজিওসেফালি) মানে, এক ভঙ্গিতে বেশি সময় শোয়ানোর কারণে মাথার হাড়ে সামান্য চাপ পড়ে এবং মাথার আকৃতি একটু বদলে যায় ।

কেন এমন হয়❓

শিশুকে সবসময় পিঠের ওপর শোয়ানো হয় ফলে মাথার পেছনে চাপ পড়ে । অনেক বাবা–মা “টামি টাইম (Tummy Time)” দেন না মানে, বাচ্চাকে পেটের ওপর শুইয়ে কিছুক্ষণ খেলতে দেন না । কিছু শিশুর ঘাড়ের পেশি শক্ত হয়ে যায় (Torticollis) তাই তারা সবসময় একদিকেই তাকায়, আর সেই দিকটা চ্যাপ্টা হয় ।
অনেক সময় শিশুকে ঘন্টার পর ঘন্টা কার সিট, বেবি চেয়ার বা দোলনায় বসিয়ে রাখা হয় ।

প্রতিদিন শিশুকে কিছু সময় পেটের ওপর শুইয়ে রাখুন (টামি টাইম) এতে ঘাড় ও পিঠের পেশি শক্ত হয়, মাথাও সমানভাবে বাড়ে ।

শিশুকে মাঝে মাঝে ডান, বাম ও সোজা ভঙ্গিতে শুইয়ে রাখুন ।

দুধ খাওয়ানোর সময় কখনো ডান, কখনো
বাঁ হাতে নিন ।

বাচ্চাকে বেশি করে গোদে নিন, বুকের কাছে রাখুন. এতে মাথায় চাপ পড়ে না ।

যদি ঘাড় কাত মনে হয়, তাহলে শিশু বিশেষজ্ঞ বা ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শে হালকা ব্যায়াম করান ।

যদি মাথার চ্যাপ্টা অংশটা বেশি স্পষ্ট হয় অথবা শিশু সবসময় একদিকেই তাকায়, তাহলে দেরি না করে ডাক্তারকে দেখান ।

কিছু ক্ষেত্রে ডাক্তাররা “হেলমেট থেরাপি” দেন,
যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মাথার আকৃতি ঠিক করতে সাহায্য করে ।

এই সমস্যা খুব সাধারণ এবং সচেতন থাকলে সহজেই প্রতিরোধ করা যায় । আপনার বাচ্চাকে ভালোবাসুন, সময় দিন, ভঙ্গি বদলান দেখবেন, মাথার গঠন ঠিক হয়ে যাবে নিজের মতোই ।
_____________________________
পোস্টটি শেয়ার করুন
হয়তো আপনার এক শেয়ারে কোনো মা-বাবা তাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে অযথা দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পাবেন ইনশাআল্লাহ !

15/10/2025

🩺
সুস্থ মানুষের জন্য টিকা সবসময় উপকারী নয়

> “In a well-nourished, healthy organism with strong vitality, the artificial stimulus of vaccination can often create more imbalance than benefit.”
— p. 297

যাদের শরীর পুষ্ট, মানসিকভাবে শক্তিশালী ও জীবনীশক্তি প্রবল,
তাদের ক্ষেত্রে টিকার কৃত্রিম উদ্দীপনা উপকারের চেয়ে ক্ষতি বা ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করতে পারে।

📖 রেফারেন্স:
George Vithoulkas, The Science of Homeopathy
(Chapter 8: Vaccination, p. 290–297, Narayana Verlag edition)

> “Vaccines may serve the weak, but natural vitality protects the strong.” — Prof. George Vithoulkas

HealthMax হেলথম্যক্স ডক্টরস এন্ড ফার্মা ভোলা

রাজু, বয়স ৩৫ । চাকরি করে, সংসার সামলায়, ব্যস্ত জীবন । কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছে — প্রস্রাবের সঙ্গে ফেনা উঠছে । প্রথমে ভাবল...
15/10/2025

রাজু, বয়স ৩৫ । চাকরি করে, সংসার সামলায়, ব্যস্ত জীবন । কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছে — প্রস্রাবের সঙ্গে ফেনা উঠছে । প্রথমে ভাবল, “হয়তো জোরে গেছে, তাই ফেনা উঠেছে ।” দিন কেটে গেল… ফেনা রয়ে গেল ।

স্ত্রী বলল, “একবার ডাক্তারের কাছে যাও ।”
সে হাসল —“এত ছোট জিনিসে ডাক্তার লাগবে ?”
আর সেই হাসিটাই একদিন মিলিয়ে গেল যখন পরীক্ষায় ধরা পড়ল, তার কিডনির ফিল্টার (glomerulus) লিক করছে প্রোটিন ।
রোগের নাম Proteinuria
অর্থাৎ প্রস্রাবে প্রোটিন বেরিয়ে যাওয়া ।

কেন হয় প্রস্রাবে ফেনা❓
যখন কিডনি দুর্বল হয়ে পড়ে, রক্তের প্রোটিন ঠিকভাবে আটকে রাখতে পারে না, ফলে প্রোটিন প্রস্রাবের সঙ্গে বের হয়ে ফেনা তৈরি করে ।

অতিরিক্ত প্রোটিন = কিডনির ক্ষতি, দীর্ঘমেয়াদে এর মানে = Chronic Kidney Disease (CKD)

সম্ভাব্য কারণ:
• অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস
• উচ্চ রক্তচাপ
• নেফ্রাইটিস বা কিডনির প্রদাহ
• অতিরিক্ত প্রোটিনযুক্ত খাবার বা সাপ্লিমেন্ট
• কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

কি করবেন❓
1. Urine R/E ও Urine Protein test দিন ।
2. Serum Creatinine, eGFR করে কিডনির কার্যক্ষমতা দেখুন ।
3. রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন ।
4 লবণ ও প্রোটিন কম খান, পানি ঠিকভাবে পান করুন ।
5. নেফ্রোলজিস্টের পরামর্শ নিন — দেরি নয়, দ্রুত ।

অনেক সময় রোগীরা বলেন
“অনেক ডাক্তার তো বলে এটা কোনো সমস্যা না !”

সত্য হলো সব ফেনা মানেই রোগ নয়,
কিন্তু স্থায়ীভাবে ফেনা দেখা গেলে সেটি প্রোটিন লসের ইঙ্গিত হতে পারে ।

American Journal of Kidney Diseases (AJKD, 2021):

“Persistent foamy urine can be an early indicator of proteinuria and chronic kidney disease, even before serum creatinine levels rise.”

National Kidney Foundation (NKF):

“Occasional foam in urine is common and may result from speed or dehydration,
but persistent foaminess warrants evaluation for protein loss.”

Mayo Clinic Health Information:

“If urine remains foamy over time, especially with swelling or fatigue,
it may indicate kidney damage and needs medical testing.”

ছোট উপসর্গ কখনোই ছোট নয় ।
প্রস্রাবে ফেনা মানেই দেহের ভেতরে একটি সতর্ক ঘণ্টা বেজে উঠেছে । শুনে নিন, অবহেলা নয়; আজই পদক্ষেপ নিন ।
©

HealthMax হেলথম্যক্স ডক্টরস এন্ড ফার্মা ভোলা

🪴 আচ্ছা বলুন তো, কোনটি তুলনামূলক উত্তম— জন্মনিয়ন্ত্রণ (কন্ট্রাসেপশান) না ভ্রূণহত্যা (এবোর্শান)?আমাদের উত্তর হচ্ছে- দুটির...
15/10/2025

🪴 আচ্ছা বলুন তো, কোনটি তুলনামূলক উত্তম— জন্মনিয়ন্ত্রণ (কন্ট্রাসেপশান) না ভ্রূণহত্যা (এবোর্শান)?

আমাদের উত্তর হচ্ছে- দুটির মধ্যে বিবেচনা করা হলে অবশ্যই জন্মনিয়ন্ত্রণ উত্তম।

কেন? ইসলামী শরীয়ত কী বলে? হ্যা, সেটাও এরকমই।

কন্ট্রাসেপশান বা জন্মনিয়ন্ত্রণ এর বৈধ পদ্ধতি আছে, অবৈধ পদ্ধতিও আছে। স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ (Vasectomy, Tubectomy) হারাম। তবে অস্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ শর্ত সাপেক্ষে জায়েয। যেসব পদ্ধতিতে শারীরিক ক্ষতি আছে, সেগুলো অপছন্দনীয়। আর যেগুলোতে তা নেই, তা তুলনামূলক উত্তম। যেমন- আজল (Coitus interruptus), ব্যারিয়ার মেথড (Condom) ইত্যাদি।

বিপরীতে, গর্ভপাত অধিকাংশ ফুক্বাহায়ে কেরামের মতেই হারাম। তবে হাদীসের ভাষ্যমতে ১২০ দিনের আগে যেহেতু রূহ ফুকে দেয়া হয়না, তাই হানাফী আলেমদের মতে ১২০ দিনের আগ পর্যন্ত গর্ভপাত করা মাকরূহ। আর ১২০ দিনের পর একেবারেই হারাম। অন্যদিকে অন্যান্য কয়েকটি মাযহাব মতে, বিশেষ কারণ ছাড়া যেকোন পর্যায়েই গর্ভপাত হারাম।

আবার মেডিকেল সাইন্স মতে আমরা জানি যে, একটা ভ্রূণের হার্টবীট প্রথম ২-৩ সপ্তাহের মধ্যেই এসে যায়। তাই রূহ ফুকে দেয়া না হলেও সেটা একটি জীবন্ত মানব ভ্রূণ, যার হৃদযন্ত্রের কাজ চলমান- এটুকু অস্বীকার করার উপায় নেই।

মাযহাবের ইখতিলাফ এড়িয়ে যদি সহজে বিষয়টি বোঝাতে চাই, তাহলে তা হচ্ছে—
যে ভ্রূণের বয়স যত বেশি, তা হত্যা করা তত বেশি গুনাহ। প্রথমে মাকরূহে তানযীহি, তারপর মাকরূহে তাহরীমি, তারপর হারাম; হারামের মধ্যে আবার ভ্রূণের বয়স যত বাড়বে গুনাহের পরিমাণ তত বাড়বে।

সেখানে, বৈধ কারণে কন্ট্রাসেপশান মোটামুটি জায়েয (স্থায়ী পদ্ধতি ব্যতীত)। যদিও অধিক সন্তান আল্লাহর কাছে অধিক পছন্দনীয়। আবার আমরা চাইলেও যে সবসময় সন্তানের আগমন বন্ধ করতে পারি তা নয়, আল্লাহ চাইলে যেকোন ভাবেই সন্তান পাঠাতে পারেন।

🔻তবে এই তুলনামূলক প্রশ্নটি আমরা কেন করলাম?

আমরা যারা ডাক্তারি প্র‍্যাক্টিস করি, আমাদের কাছে প্রায়ই অনেক বোন ইনবক্সে এসে জানতে চান—

❝আমরা তো কোন জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করিনি। বাচ্চার বাবারও বিষয়টি পছন্দ না৷ এখন পেটে বাচ্চা এসে গেছে৷ এবোর্শান করা জায়েয হবে কিনা?❞

এই সতর্কবাণীটুকু মূলত সেইসব দম্পতির জন্যই। আপনারা যদি জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার না করেন, তাহলে আপনারা এটুকু জানার কথা যে, আল্লাহ চাইলে যে কোন সন্তান দিবেন (পদ্ধতি ব্যবহার করার পরও দিতে পারেন আল্লাহ চাইলে, সেটা ভিন্ন বিষয়)। তার মানে, আপনারা সন্তানের বাবা-মা হতে মানসিকভাবে প্রস্তুত আছেন। তাই যদি হয়, তাহলে বাচ্চা পেটে এসে যাওয়ার পর কেন তাকে হত্যা করতে চাইছেন? এখন কেন এবোর্শান জায়েয হওয়ার ফতোয়া খুজছেন? আল্লাহর অসন্তুষ্টির ভয়ে যদি জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিই গ্রহণ না করে থাকেন, তাহলে আল্লাহ যে বাচ্চাটাকে আপনার গর্ভে ইতোমধ্যে পাঠিয়েই দিয়েছেন, তাকে হত্যা করতে চাইছেন কেন?

আর যদি বাচ্চা গর্ভে চলে আসলে তাকে রাখবেন না, এমন চিন্তাই থাকে, তাহলে বাচ্চা আসার পথটাই বন্ধ রাখার চেষ্টা করতেন! অবশ্যই একটা জীবিত প্রাণ হত্যা করা সে যত ছোটই হোক, আর শুক্রাণু-ডিম্বাণু মিলে জাইগোট তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়াটাকে বাধা দেয়া এক পর্যায়ের গুনাহ না- তাই না??

ফতোয়া দেয়া বা জন্মনিয়ন্ত্রণকে উৎসাহিত করা আমাদের এই পোস্টের উদ্দেশ্য না। অধিক সন্তান আল্লাহর পছন্দের। রাসূল সা. হাশরের মাঠে তার উম্মতের অধিক সংখ্যা নিয়ে গর্ববোধ করবেন। তাই আমরা বিশেষ কারণ ছাড়া মায়েদের অধিক সন্তান গ্রহণকেই উৎসাহিত করি। এই লেখাটি তাদের জন্য, যারা নিজেদের স্বার্থে হোক বা আল্লাহর ভয়ে হোক, জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করেন না; কিন্তু বাচ্চা গর্ভে চলে আসার পর তাকে হত্যা করার ফতোয়া খুজতে শুরু করে দেন। তাদেরকে এটুকুই বলবো-

Prevention is better than cure. Taking contraceptive is better than killing your concepted fetus. 💔

গর্ভপাতের অনুমতি আমরা দিতে পারিনা, ফতোয়ার জন্য বরং কোন মুফতির সাথে যোগাযোগ করুন।

আর আমরা চাইবো- আল্লাহ যখন সন্তান দিয়েই দিয়েছেন, নিতান্তই বাধ্য না হলে তাকে আল্লাহর উপর ভরসা করে রেখে দিন। রিযিকের মালিক আল্লাহ, সহজ করার মালিকও তিনিই। হতে পারে, এই সন্তানটিই আপনাদের ইহকাল ও পরকালের পাথেয় হবে, ইনশাআল্লাহ।

HealthMax হেলথম্যক্স ডক্টরস এন্ড ফার্মা ভোলা

আজকে এক ভদ্রমহিলা মারা গেলেন। ৮৪ বছর বয়স হয়েছিলো উনার, আল্লাহ পাক নিয়ে গেলেন। উনার মারা যাওয়ার ব্যপারটা ইন্টারেস্টিং না।...
15/10/2025

আজকে এক ভদ্রমহিলা মারা গেলেন। ৮৪ বছর বয়স হয়েছিলো উনার, আল্লাহ পাক নিয়ে গেলেন। উনার মারা যাওয়ার ব্যপারটা ইন্টারেস্টিং না। কুল্লু নাফসিন যাইকাতুল মওঊত, মারা তো সবাইকেই যেতে হবে একদিন। ইন্টারেস্টিং হলো, উনি যেই প্রক্রিয়াটায় মারা গিয়েছেন, সেই প্রক্রিয়াটায়।

বয়স্ক এই ভদ্রমহিলার একজন নয়, দুইজন নয়, পাঁচ পাঁচজন সন্তান রয়েছে, সবাই ই বিবাহিত। তিন ছেলে দুই মেয়ের এই গর্বিত মা জননী তিন ছেলেকে পুরান ঢাকায় তিনটি দোকান ভাগ করে দিয়েছেন। ছেলেদের সংসারের জয়েন্ট ফ্যামিলিতে থাকতেন। উনার মৃত্যুর প্রক্রিয়াটা শুরু হয় মাসখানেকের কিছু আগে।

মাসখানেক আগে থেকে প্রতিদিন তিনি বলতেন, "আমার না বুকে অনেক ব্যথা করে। আগে কম করতো, এখন অনেক বেশী করে।" ব্যথাটা কোথায় করে, সেটা জিজ্ঞেস করলে তিনি বুকের নির্দিষ্ট একটা পিনপয়েন্ট লোকেশন দেখাতেন। সন্তানরা বললো, "গ্যাসের ব্যথা, তুমি গ্যাসের ট্যাবলেট খাও।"

গ্যাসের ট্যাবলেট খাওয়া হলো একের পর এক, ব্যথা গেলো না। ভদ্রমহিলার অভিযোগ করতেই থাকলেন। তিনি বসা থেকে উঠতে গেলে বুকে ব্যথা পান, দাঁড়ানো থেকে বসতে গেলেও বুকে ব্যথা পান, এমনকি নি:শ্বাস নিতে গেলেও বুকে ব্যথা পান। সপ্তাহখানেক পরে তিনি ছেলেদেরকে আলাদা আলাদা করে ডেকে নিয়ে অনুরোধ করে বললেন, "আমাকে একটা ডাক্তার দেখাও না তোমরা!! বুকের ব্যথাটায় অনেক কষ্ট পাচ্ছি।"

ডাক্তার দেখানো হলো না। তবে এই ফ্যামিলিটার একটা দু:সম্পর্কের আত্মীয় আছে, যিনি কিছুদিন আগে এমবিবিএস পাশ করে এখন একজন সার্জন হিসেবে কাজ করছেন। সেই সার্জনের সাথে কনসাল্ট করা হলো, ফোনে।

কমবয়সী সেই ডাক্তার সিম্পটম শুনেই বললো, অসুখটা সুইমিংপুলের পানির মত পরিষ্কার, সমস্যাটা কার্ডিয়াক। আপনারা এক্ষণি একটা ইকোকার্ডিওগ্রাম করান, সাথে আরও দুটো টেস্ট করাবেন। দ্রুত ট্রিটমেন্টে চলে না গেলে বিপদ কিন্তু বাড়বে।

তিনটা টেস্ট করাতে সাড়ে চার হাজার টাকার মত লাগবে শুনে সন্তানরা সেগুলো করালেন না। তারা ইস্যুটা চাপা দিয়ে ফেলার জন্য বললেন, "আরে ধূর, এত টাকার টেস্ট লাগবে না। প্রবলেমটা মনে হয় গ্যাসেরই। মা খায় না ঠিকমতো, খাওয়াটা রুটিনমাফিক করলেই সব ঠিক হয়ে যাবে।"

ব্যথা গেলো না। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েই চললো। এরই মাঝে তারা একজনকে ডাক্তার সাজিয়ে বাসায় এনে ভদ্রমহিলার চেকাপ করানোর নাটকও করলেন। তাকে শান্ত করার জন্য জানানো হলো, "আপনার কিছুই হয় নাই। খাওয়াদাওয়াটা রুটিনমাফিক করবেন। সব ঠিক হয়ে যাবে।"

এভাবে দুই সপ্তাহ চলার পরে বয়স্ক ভদ্রমহিলা হুট করে একদিন পড়ে গেলেন, তার মুখ বেঁকে গেলো, কথা বলা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলো। যেই সাড়ে চার হাজার টাকার টেস্ট সন্তানরা করাতে চাচ্ছিলো না, সেই টেস্টগুলোই তাকে হাসপাতালে এডমিট করার পরে করানো হলো। উনার শরীরে হোয়াইট ব্লাড সেল পাওয়া গেলো দেড় লাখ। এখন আইসিইউ ছাড়া উপায় নেই।

বাসায় তিন ভাইয়ের মিটিং বসলো। মায়ের দিয়ে যাওয়া পুরান ঢাকার তিনটা দোকান দিয়ে পেট চালানো তিন ভাইয়ের একজন বললো, "আইসিইউতে অনেক খরচ, এত টাকা কোথায় পাবো?? উই আর অল ব্রোক!!" বাকি দুই ভাই বিনা প্রশ্নে সম্মতি দিলো।

সেই কমবয়সী ডাক্তারটা এই ঘটনা জানার পরে নিজ উদ্যোগে নিজের চ্যানেল দিয়ে NICVD তে একটা আইসিইউ বেড জোগাড় করে দিলেন, যেখানে পার ডে তে খরচ পড়বে মাত্র দেড় হাজার টাকা। এই বেড পাওয়া আর লটারি পাওয়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য নাই। সরকারি এবং এত সস্তা আইসিইউ বাংলাদেশে আর কোথাও নাই।

কমবয়সী ডাক্তারটা বয়স্ক মহিলার ছেলেদের শুধু হাত পায়ে ধরা বাকি রাখলেন ওখানে ভর্তি করানোর জন্য। এত অনুরোধেও কাজ হলো না, তারা মা কে ভর্তি করালো না। ঠিক সেই মুহূর্তটায় পরিষ্কার হয়ে গেলো, তাদের মায়ের চিকিৎসার জন্য টাকা জিনিসটা আসলে কখনোই ইস্যু ছিলো না।

তাকে বাসায় নিয়ে এসে একটা অক্সিজেন সিলিন্ডার লাগিয়ে বিছানায় ফেলে রাখা হলো। মাঝেমধ্যে গা হাত পা টিপে মুছিয়ে দেয়া হলো। মাতৃসেবার নামে এই ভন্ডামি করে তারা এই বয়স্ক ভদ্রমহিলার মৃত্যুর অপেক্ষা করে গেলো।

মানুষের শরীরে হোয়াইট ব্লাড সেল বা WBC এর স্বাভাবিক রেঞ্জ হলো চার থেকে এগারো হাজার। WBC যখন ৬০-৭০ হাজারে যায়, তখন শরীরের ভিতরের সবকিছু আগুনে পুড়ে যাওয়ার অনুভূতি হয়। জ্ঞান থাকলে মানুষটা যন্ত্রণায় চিৎকার করতে থাকে, বরফ খেতে চায়, গায়ে পানি ঢালতে চায়।

এই ভদ্রমহিলার WBC ছিলো দেড় লাখ!! শরীরের ভিতর দিক থেকে পুড়ে যাওয়ার যেই যন্ত্রণাটা তিনি পেয়েছেন, সেটা এমনকি বর্ণনা করাও সম্ভব না।

ভদ্রমহিলা আজকে মারা গিয়েছেন। কারও মৃত্যুতে আলহামদুলিল্লাহ পড়া উচিৎ না, কিন্তু আমি পড়লাম। উনার সকল যন্ত্রণার অবসান করে দেয়ার মত দয়া দেখানোর জন্য আমি আল্লাহপাকের দরবারে শুকরিয়া আদায় করলাম।

আইসিইউ ম্যানেজ করে দেয়া সেই ডাক্তার দুই ঘন্টা সময় নিয়ে আমাকে ঘটনাটা বলেছেন। শেষদিকে কান্না আটকানোর জন্য উনি কথা বলতে পারছিলেন না। ভাঙা ভাঙা গলায় আমাকে বললেন, "এই মহিলার এক ছেলের বউ ইনফার্টাইল, কোনোদিন বাচ্চা হবে না। এটা জানার পরেও এই মহিলা কোনোদিন মনের ভুলেও ছেলের বউকে কোনোদিন খোঁটা দিয়ে কথা বলেন নাই। ছেলেকে আরেকটা বিয়েও করতে বলেন নাই। সেই মায়ের সাথে কিভাবে পারলো এত নিষ্ঠুর হতে এরা?? মায়ের লিখে দেয়া দোকান থেকে ইনকাম করে খাচ্ছে। সেই মায়ের চিকিংসার সময় এই কাজটা এরা কিভাবে করলো??"

কিছু কিছু সময় আসে, যখন মানুষ আসলে শুধু প্রশ্নটাই করতে চায়। উত্তর পাওয়াটা তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ না, প্রশ্ন করার ফ্লোর পাওয়াটাই গুরুত্বপূর্ণ।

আমি এক অখন্ড নীরবতার মধ্যে এই প্রশ্নটাকে বহমান নদীর কচুরিপানার মত ভেসে যেতে দিলাম।

©

Address

সদর রোড, ভোলা
Bhola
8300

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HealthMax হেলথম্যক্স ডক্টরস এন্ড ফার্মা ভোলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share