07/01/2026
"বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম" (পরম করুণাময়, পরম দয়াময় আল্লাহর নামে) পাঠ করলে কাজে বরকত আসে, আল্লাহ খুশি হন, শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে সুরক্ষা মেলে এবং এটি আল্লাহর রহমত ও সাহায্য লাভের একটি শক্তিশালী মাধ্যম, যা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতা ও পুণ্য অর্জনে সহায়ক, কারণ এটি আল্লাহকে স্মরণ করিয়ে দেয় এবং তাঁর সাহায্য প্রার্থনার প্রতীক, যা কোরআন ও হাদিসে গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম পাঠের প্রধান ফজিলতগুলো:
বরকত ও সফলতা: যেকোনো ভালো কাজ "বিসমিল্লাহ" বলে শুরু করলে তাতে বরকত (প্রাচুর্য) যুক্ত হয় এবং কাজটি সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
শয়তানের প্রতিরোধ: এটি শয়তানের কুমন্ত্রণা ও প্রভাব থেকে মুমিনকে রক্ষা করে।
আল্লাহর সাহায্য ও রহমত: আল্লাহর নাম স্মরণ করার মাধ্যমে তাঁর করুণা ও সাহায্য লাভ করা যায়, যা বান্দার ডাকে সাড়া দিতে আল্লাহকে উদ্বুদ্ধ করে।
কাজের পূর্ণতা: যে কাজ "বিসমিল্লাহ" ছাড়া শুরু হয়, তা অসম্পূর্ণ থেকে যায় বলে হাদিসে উল্লেখ আছে।
কোরআনের বরকত: পবিত্র কোরআনের ১১৪টি সূরার মধ্যে ৯ নম্বর সুরা তাওবা ছাড়া বাকি ১১৩টি সূরাই "বিসমিল্লাহ" দিয়ে শুরু হয়েছে, যা এর গুরুত্ব প্রমাণ করে।
আত্মিক শান্তি ও সুরক্ষা: এটি আল্লাহর নৈকট্য লাভের একটি উপায় এবং পড়লে মানসিক শান্তি ও নিরাপত্তা পাওয়া যায়।
বিভিন্ন আমল ও তার ফজিলত:
৬০০ বার পাঠ: এটি লিখে সাথে রাখলে বা পাঠ করলে আল্লাহ সেই ব্যক্তির প্রভাব সুপ্রতিষ্ঠিত করেন এবং কেউ তার ক্ষতি করতে পারে না।
১০০ বার পাঠ: এটি পড়লে অপরিসীম শান্তি, কষ্ট থেকে সুরক্ষা এবং ক্ষমা পাওয়া যায়।
২১ বার পাঠ: ঘুমানোর আগে ২১ বার পড়লে শয়তানের ওয়াসওয়াসা, চুরি ও আকস্মিক মৃত্যু থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়।
গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা:
"বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম" শুধু একটি বাক্য নয়, বরং এটি আল্লাহর প্রতি পূর্ণ তাওয়াক্কুল (নির্ভরশীলতা) ও বিশ্বাসের একটি নিদর্শন, যা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহর স্মরণ ও সন্তুষ্টির সাথে কাজ করার প্রেরণা জোগায়।