Al Iman Ruqyah & Hijama Therapy Centre

  • Home
  • Al Iman Ruqyah & Hijama Therapy Centre

Al Iman Ruqyah & Hijama Therapy Centre জ্বীন,জাদু,বদনজর ও প্যারানরমাল সমস্যার জন্য রুকইয়াহ ও হিজামার চিকিৎসা নিতে যোগাযোগ করুন।
✆ 01636063796 (what's app)
✆ 01618799233 (what's app)

রোজার দিনে রুকইয়ার ব্যাপারে ১০ টিপস…------------------রোজার মধ্যে সময় সুযোগ আর বরকতের জন্য অনেকেই রুকইয়াহ করেন। যেহেতু ব...
18/02/2026

রোজার দিনে রুকইয়ার ব্যাপারে ১০ টিপস…
------------------
রোজার মধ্যে সময় সুযোগ আর বরকতের জন্য অনেকেই রুকইয়াহ করেন। যেহেতু বড় বড় শয়তান এই সময় বন্দি থাকে, প্রতিদিন দোয়া কবুল হয় – তাই রুকইয়াহ করে উপকারও বেশি হয়। এই সময়ে কিছু টিপস খেয়াল রাখলে ইনশাআল্লাহ আমরা বেশি ফায়দা পাব…

১. তিলাওয়াত শোনার চেয়ে নিজে বেশি তিলাওয়াত করার চেষ্টা করুন।[1]
সুন্নাহ হিসেবে নিয়মিত তিলাওয়াত করে কোরআন খতম দেয়ার চেষ্টা তো করবেনই। এর বাইরে রুকইয়ার জন্য নির্দিষ্ট আয়াত বা সুরাগুলোও সময় নিয়ে পড়বেন।

২. রোজার শুরুর দিকে ভারি / কঠিন রুটিনের রুকইয়াহগুলো করার চেষ্টা করুন। যাতে শেষ দশকে দোয়া এবং ইবাদাতে বেশি সময় দিতে পারেন। তখন রুকইয়াহ কমিয়ে অল্প করলেও হয়ে যায়। সম্ভব হলে শুরুতেই ৭দিনের ডিটক্স রুকইয়াহ[2] করে ফেলুন। ডিটক্সের সাথে সাথে বেশি করে তিলাওয়াত। এরপর সহজ কোন নিয়ম শুরু করলেন।

৩. অন্য সময় রুকইয়ার পানি যেটা সকালে খেতেন, ওইটা সাহরির পরে খাবেন। আর রাতেরটা মাগরিব অথবা এশার পরে। ইনশাআল্লাহ যথেষ্ট হবে।

৪. অনেক বেশি বেশি দোয়া করুন। অনেক বেশি। প্রয়োজনীয় বিষয়ের জন্য বারবার দোয়া করতে থাকুন। দোয়ার পাশাপাশি এসময়ে দরুদ এবং ইস্তিগফারের পরিমাণ বাড়ানোও জরুরি। চাইতে থাকুন। কল্যাণ থাকলে অবশ্যই আল্লাহ্‌ দিয়ে দিবে।

৫. যাদের জটিল বা পূরানো শারিরীক রোগব্যাধি আছে, বাচ্চা শিশুর সমস্যা আছে।[3] তারাও এই সময়টাকে কাজে লাগাতে পারেন। অন্য যেকোনো সময়ের চাইতে এই মাসে কোরআনের প্রভাব বেশি দেখা যায়।

৬. যারা বিভিন্ন গুনাহের আসক্তিতে পড়েছেন। তাদের জন্য এই মাসে প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করা বেশি জরুরী। পর্ণগ্রাফি এডিকশন থেকে মুক্তির জন্য বেশি বেশি সুরা নূর আর বাক্বারা তিলাওয়াত করা এবং শোনা উপকারী। এছাড়া “রুকইয়াহ যিনা” এর আয়াতগুলোও পড়া যায়।
চাইলে এসব তিলাওয়াতের পর পানিতে ফুঁ দিয়ে রাখতে পারেন। সন্ধ্যার পর এবং ভোরে কুপ্রবৃত্তি দমনের নিয়াতে, আসক্তি থেকে মুক্তির নিয়াতে পান করলেন।

৭. ওয়াসওয়াসা সমস্যা থাকলে সেটা তাড়ানোর জন্য প্ল্যান হাতে নিন। সমস্যা কম থাকলে ওয়াসওয়াসা সমস্যার প্রাথমিক পরামর্শগুলো ৭-৭দিন, আর বেশি থাকলে ওগুলোর পাশাপাশি প্রতিদিন সুরা বাকারা পুরাটা শুনবেন / পড়বেন। ইনশাআল্লাহ দুই সপ্তাহ পর বিরাট চেঞ্জ চলে আসবে।
(প্রয়োজনীয় লিংক শেষে যুক্ত করা হয়েছে)

৮. নিয়মিত দান-সাদকাহ দিতে চেষ্টা করুন। যাকাতের হিসাব থাকলে পরিশোধ করে ফেলুন। হাদিসে আছে, তোমাদের সম্পদের হিফাজত করো যাকাতের মাধ্যমে, আর রোগের চিকিৎসা করো সাদকার মাধ্যমে।

৯. সাধ্যের অতিরিক্ত চাপ নেবেন না। এমন কিছু করতে যাবেন না, যাতে কদিন পর বাকি সবকিছুর দম ফুরিয়ে যাওয়ার ভয় হয়। যতটুকু ইবাদত সাধ্যে কুলাবে, অল্প হলেও নিয়মিত করতে থাকুন।
রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ্‌ ত’আলার নিকট সবচেয়ে প্রিয় আমল হল স্থায়ী আমলগুলো, যদিও এর পরিমাণ অল্প হয়। (বুখারি)

১০. রুকইয়াহ করতে থাকলে রোজার মাস শেষ হওয়ার সাথে সাথেই বাদ দিয়ে দিবেন না। সুস্থতাকে স্থায়ী করতে দীর্ঘদিন রুকইয়াহ এবং সর্বদা হিফাজতের আমল চালিয়ে যান।[4]

বোনাস টিপস: রাতে বিছানায় শুয়ে সুবহানাল্লাহ ৩৩বার, আলহামদুলিল্লাহ ৩৩বার, আল্লাহু আকবার ৩৪বার পড়তে পারেন। তাহলে একেতো অনেকগুলো সওয়াব হবে, এরপর সারাদিনের বাকি কাজকর্ম সহজ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ্‌ এই রমাযান মাস থেকে আমাদের সর্বোচ্চ উপকৃত হওয়ার তাওফিক দিন। সঠিকভাবে সবগুলো রোজা সমাপ্ত করার তাওফিক দিন। আমিন!
-------------
প্রয়োজনীয় লিংক:
[1] https://ruqyahbd.org/pdf
[2] https://ruqyahbd.org/blog/308/7-days-detox
[3] https://ruqyahbd.org/blog/927/self-ruqyah-guide-baby
[4] https://ruqyahbd.org/blog/387/protection-from-evils-magic-jinn

18/02/2026

রমজান মাসে সেলফ রুকইয়াহ : সুস্থতার বৈজ্ঞানিক ও ইসলামিক ব্যাখ্যা।
~রাক্বি আব্দুল মালিক হাফিজাহুল্লাহ

parasomnia একটি জ্বিন-ঘটিত সমস্যা।এ রোগের সিম্পটম:১. ঘুমের মধ্যে হাটা (sleepwalking)। ২. ঘুমের মধ্যে কথা বলা (sleeptalki...
17/02/2026

parasomnia একটি জ্বিন-ঘটিত সমস্যা।

এ রোগের সিম্পটম:

১. ঘুমের মধ্যে হাটা (sleepwalking)।
২. ঘুমের মধ্যে কথা বলা (sleeptalking)।
৩. পেশেন্টের রাতের এক্টিভিটির কিছুই সকালে মনে না থাকা।
৪. ঘুমের মধ্যে চিৎকার করা, ভয় পাওয়া, ঘুম থেকে উঠে যেয়ে বসে যাওয়া অথবা দাড়িয়ে যাওয়া (Sleep Terrors)
৫. দ্রুত শ্বাসপ্রশ্বাস, অস্থিরতা (Anxiety & suffocation)
৬. ঘুম থেকে ওঠার পর মাথা কাজ না করা, এলোমেলো আচরণ করা ( Confusional Arousals)।
৭. ঘুমের মধ্যে লাথি দেয়া অথবা হাত দিয়ে আঘাত করা।
৮. স্বপ্নে ভয়ংকর স্বপ্ন দেখা।
৯. স্বপ্নে খাবার খাওয়া।
১০. প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পরও বিছানায় পেশাব করা।

08/02/2026

স্বপ্নে নিয়মিত নিজে খাওয়া, কেউ খাওয়ানো ও ঘুম থেকে উঠে তার স্বাদ অনুভব হওয়া বা পেট ভরা মনে হওয়া- সিহরের লক্ষন।

07/02/2026

রুকইয়াহ করার গুরুত্ব—
শায়খুল ইসলাম ইবন তাইমিয়্যাহ (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন:
الرُّقْيَةُ أَعْظَمُ الأَدْوِيَةِ، فَإِنَّهَا دَوَاءٌ رُوحَانِيٌّ
রুকইয়াহ হলো চিকিৎসার সর্বোত্তম মাধ্যম,
কারণ এটি একটি আত্মিক (আধ্যাত্মিক) চিকিৎসা।

— মাজমূ‘ আল-ফাতাওয়া, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ২৬৫

যারা প্রতিনিয়ত যাদুতে আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের জন্য যাদু নষ্টের সহজ রুকইয়াহ- উক্ত নির্দেশনাগুলো এক সপ্তাহ ফলো করুন।যাদু নষ্...
04/02/2026

যারা প্রতিনিয়ত যাদুতে আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের জন্য যাদু নষ্টের সহজ রুকইয়াহ-

উক্ত নির্দেশনাগুলো এক সপ্তাহ ফলো করুন।
যাদু নষ্টের নিয়তে সূরা নাজম পুরা এক বসায় পাঁচ বার তেলাওয়াত করুন।

সামনে পানি এবং অলিভ অয়েল রাখুন। প্রতিবার সূরা শেষ করে তাতে থু থু মিশ্রিত ফুঁ দিন।

আপনার ফুঁ দেওয়া পানি প্রতি নামাজের পর এক গ্লাস করে পান করুন এবং গোসলের পানির সাথে এক গ্লাস পানি মিশিয়ে ৭-৮ টি বরই পাতা পেস্ট করে গোসলের পানির সাথে মিশিয়ে গোসল করুন।

গোসলের পর রুকইয়াহ করা অলিভ অয়েল সারা শরীরে ভালো করে ম্যাসাজ করুন। এবং রুকইয়াহ চলাকালিন আপনার শরিরে চিহ্নিত যে স্থানগুলোতে ব্যথা হয়েছে সেখানে ভালো করে ম্যাসাজ করুন।

সাথে সব ধরনের গোনাহ থেকে বিরত থাকুন,পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামাতের সাথে আদায় করুন মহিলা হলে আউয়াল ওয়াক্তে সালাতে পড়ে নিবেন।

সকাল সন্ধ্যার আজকার গুলো করুন। বেশি বেশি দোয়ার এহতেমাম করুন। এবং রাক্কির গাইডলাইন মেনে চলুন ইনশাআল্লাহ যাদু নষ্ট হয়ে যাবে। বি-ইযনিল্লাহ

অভিজ্ঞ রাক্কিদের পরামর্শ ব্যতীত রুকইয়াহ্ না করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এতে সমস্যা আরো জটিল আকার ধারণ করতে পারে অজ্ঞতার কারণে।

সরাসরি রুকইয়াহ করতে চাইলে ইনবক্সে মেসেজ দিন অথবা হোয়াটসঅ্যাপে নক করুন।

এপ্যায়েন্টমেন্ট নেওয়ার জন্য যোগাযোগ করুন।
✆01636063796 (What’s app)
✆01618799233 (What’s app)

03/02/2026

যাদের অধীনে জিন থাকে, তারা কি অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী?

আমরা অনেকেই এমন ব্যক্তির কথা শুনে মুগ্ধ হই যারা দাবি করে, "আমার হুকুমে জিন চলে" বা "আমি জিন বন্দি করেছি।" আমরা মনে করি তারা হয়তো বড় কোনো বুজুর্গ। কিন্তু উম্মাহর অনুসরণীয় আলেমগণ এ বিষয়ে আমাদের কী সতর্কবার্তা দিয়েছেন?

ভুল বনাম সঠিক:

কোরআন তিলাওয়াত করলেই যেমন জাদুকর মুমিন হয়ে যায় না, তেমনি জিন বশ করার দাবি করলেই কেউ সঠিক রাকি বা চিকিৎসক হয় না। ভিডিওটিতে খুব সহজ একটি উপমার মাধ্যমে এই জটিল বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়েছে।

সিদ্ধান্ত আপনার:
আপনি কি চিকিৎসার নামে জাদুকর বা ভণ্ডদের কাছে যাচ্ছেন? সত্যটা জানলে হয়তো আপনি শিউরে উঠবেন। ভিডিওটি না টেনে সম্পূর্ণ দেখুন এবং সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য বুঝে নিন।
© রাকি আব্দুল মালিক

আপনারা যারা নীচের সমস্যাগুলোয় ভুগছেন তারা অবশ্যই অন্যান্য ট্রিটমেন্ট নেওয়ার পাশাপাশি রুকইয়াহ করবেন (আমাদের কাছেই করা লাগ...
02/02/2026

আপনারা যারা নীচের সমস্যাগুলোয় ভুগছেন তারা অবশ্যই অন্যান্য ট্রিটমেন্ট নেওয়ার পাশাপাশি রুকইয়াহ করবেন (আমাদের কাছেই করা লাগবে এমন না, যেখানে বেটার মনে হবে যাবেন)। নীচের সমস্যাগুলোর সাথে বদনজর ও জ্বীন যাদুর সমস্যা খুবই প্রাসঙ্গিক—

১) যেকোনো হরমোনাল রোগ/ ইম্ব্যালেন্স

২) স্কিন বা এলার্জিজনিত সমস্যা

৩) অটো ইমিউন ডিজিজ

৪) যেকোনো সাইকোলজিক্যাল সমস্যা বা মানসিক রোগ

৫) নার্ভাস সিস্টেম সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা

৬) যেকোনো রোগ বা অসুস্থতা যা দিনের পর দিন মেডিকেল ট্রিটমেন্ট নিয়ে নিয়ন্ত্রনে রাখতে হচ্ছে।

৭) এংজাইটি, ফোবিয়া, ডিপ্রেশন, তীব্র রাগ, জেদ, ধৈর্যহীনতা

৮) দিনের পর দিন অলসতা, নিস্তেজভাব ও প্রোডাক্টিভিটি কমে যাওয়া

৯) শরীরের স্বাস্থ্যহানি ও গ্রোথ না হওয়া। অথবা অতিরিক্ত অনিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য হয়ে যাওয়া।

১০) খাবার দাবারে সমস্যা

১১) ঘুমের সমস্যা

১২) রিপ্রোডাক্টিভ সিস্টেমে কোনো ব্লকেজ বা সমস্যা

১৩) চেহারার তীব্র সমস্যা যা অন্য কোনো ট্রিটমেন্ট এ ধরছেনা।

১৪) যেকোনো আসক্তি যা ছাড়তে চেয়েও পারছেন না।

🔲 পানি পান করার ক্ষেত্রে বা বমি করার ক্ষেত্রে কোনো বিধি নিষেধ না থাকলে অবশ্যই রুকইয়াহতে ইস্তিফরাগ (রুকইয়াহর পদ্ধতিতে বমি) করানো হচ্ছে তা নিশ্চিত করবেন।

🔲 একবার রুকইয়াহ করেই সমাধান হবেনা। সঠিকভাবে রুকইয়াহ চিকিৎসা হওয়ার পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু সময় পর্যন্ত চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে।

উপরের পরামর্শে দ্বিমত থাকলে হয় জানার চেষ্টা করবেন অথবা এড়িয়ে যাবেন।

ধন্যবাদ।

01/02/2026

জিন শয়তান নাকি মানুষ শয়তান—কে বেশি ভয়ানক?

মালিক বিন দিনার (রহিমাহুল্লাহ) বলেন:

«إِنَّ شَيَاطِينَ الْإِنْسِ أَشَدُّ عَلَيَّ مِنْ شَيَاطِينِ الْجِنِّ، وَذَلِكَ أَنِّي إِذَا تَعَوَّذْتُ بِاللَّهِ ذَهَبَ عَنِّي شَيْطَانُ الْجِنِّ، وَشَيْطَانُ الْإِنْسِ يَجِيئُنِي فَيَجُرُّنِي إِلَى الْمَعَاصِي عِيَانًا».

“আমার কাছে জিন শয়তানের চেয়ে মানবরুপী শয়তান বেশি ভয়ানক। এর কারণ হলো, আমি যখন আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি, তখন জিন শয়তান আমার থেকে পালিয়ে যায়। কিন্তু মানব শয়তান আমার কাছে এসে আমাকে সচক্ষে (বা প্রকাশ্যে) গুনাহের দিকে টেনে নিয়ে যায়।”

📚 ইমাম কুরতুবী (রহিমাহুল্লাহ) তাঁর তাফসীর গ্রন্থ ‘আল-জামি লি-আহকামিল কুরআন’-এ সূরা আল-আন‘আমের ১১২ নং আয়াতের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে এই উক্তিটি উদ্ধৃত করেছেন।
(খণ্ড: ৭, পৃষ্ঠা: ৬৭)

অনেক বোন আছেন যারা এই লজ্জাজনক পরিস্থিতির সম্মুখীন হোন। কিন্তু এতই স্পর্শকাতর বিষয় যে কারো সাথে পরামর্শও করতে পারেন না; ...
29/01/2026

অনেক বোন আছেন যারা এই লজ্জাজনক পরিস্থিতির সম্মুখীন হোন। কিন্তু এতই স্পর্শকাতর বিষয় যে কারো সাথে পরামর্শও করতে পারেন না; ঘুমের মধ্যে জিন-শাইত্বান দ্বারা শারীরিক ভাবে হেনস্তা হওয়া, কারো কারো ক্ষেত্রে শাইত্বান দ্বারা ইন্টিমেসিটা এতই রিয়েলিস্টিক হয় যে তারা স্পষ্ট অনুভব করতে পারেন, খুবই বিব্রতকর আর অনাকাঙ্ক্ষিত এবং অপ্রীতিকর বটে। অনেক সময় এর থেকেও নিকৃষ্ট যেমন, মাহরামদের নিয়ে স্বপ্নে দেখা, সমকামিতা এমনকি জীব জন্তু নিয়েও অশ্লীল স্বপ্ন দেখেন অনেকে। শুধু যে বোনদেরই হয় তা না, অনেক ভাইও এই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন। এসব শাইত্বান কে আশিক জিন বা জানি (জিনাকারী শাইত্বান) বলা হয়।

আরো কিছু লক্ষণ প্রতীয়মান হয় যেমন,

-ঘুম থেকে উঠলেই লজ্জাস্থানে ব্যাথা অনুভব করা
-অনিয়মিত পিরিয়ড
-সাদা স্রাব (লিউকোরিয়া)
-লজ্জাস্থানে জ্বালাপোড়া, চুলকানি
-হরমোনাল ইম্ব্যালেন্স (ইস্ট্রোজেন বৃদ্ধি), চেহারা, শরীরে অনাকাঙ্ক্ষিত লোম
-গাইনোকলজিক্যাল নানান জটিলতা, অসুস্ততা
-স্বামী স্ত্রীর মধ্যে অকারণেই দীর্ঘদিন শারীরিক মিলন না হওয়া, বা অনিচ্ছা চলে আসা কিংবা মিলিত হতে গেলেই কোনো একজনের অনীহা চলে আসা
-পুরুষদের ক্ষেত্রে ইরেক্টাইল ডিসফাংশন, এজুস্পার্মিয়া (স্পার্ম কাউন্ট জিরো)
-ঘৃণা থাকা স্বত্তেও সমলিঙ্গের প্রতি অনিচ্ছাকৃত আকর্ষণ বা সমকামিতার প্রতি এটাচড ফীল করা
-ঘন ঘন প্রস্রাবের রাস্তায় ইনফেকশন হওয়া

লক্ষণ গুলো বিদ্যমান হলে সরাসরি রুক্বইয়াহ করা উচিৎ। তবে শুধু ঘুমের মধ্যে এবং স্বপ্নে এ ধরণের অভিজ্ঞতা যেন না হয় সেজন্য কিছু সেল্ফ রুক্বইয়াহ অনুসরণ করা যায় যাতে আল্লাহ চাহে তো কিছুটা উপকার পাওয়া যেতে পারে:

প্রথমে কিছু আয়াত দেয়া হলো, আয়াতগুলো পড়ে সাপ্লিমেন্ট প্রস্তুত করতে হবে।

সূরা আল-বাক্বারাহ:১৬৯, ২৬৮
সূরা আলে-ইমরান: ১৪, ১৩৫
সূরা আল-আ'রাফ: ৩৩
সূরা ইউসূফ :২৩,২৪
সূরা আল ইসরা : ৩২
সূরা সফফাত :১-১০

১, প্রতিদিন ১০/১৫ মিনিট করে উপরের আয়াত গুলো তলপেটে, আওরাহ ( লজ্জাস্থান, উরু) তে হাত রেখে (কাপড়ের উপর) তিলাওয়াত করবে।

২, ৫০০ এমএল এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েলে ৩-৫ এমএল ভালো সুগন্ধি আতর (অথবা আম্বর/কস্তুরি) মিশিয়ে উপরের আয়াত গুলো তিলাওয়াত করে তেলের মিশ্রনে হালকা থুথুসহ ফু দিবে। ঘুমের আগে তেল নাভি থেকে হাটু পর্যন্ত কিছুক্ষন মাসাজ করে ঘুমাবে।

৩, হিজামা করা এক্ষেত্রে সর্বোত্তম পাশাপাশি সরাসরি রুক্বইয়াহ করা।

৪, আওরাহ/আশিক জিন সংক্রান্ত রুক্বইয়াহ শুনবে বেশি বেশি

বিদ্র: যেসব আয়াত কঠিন লাগে সেখানে দুই একটা আয়াত রিপিট করে পড়তে থাকলেও হবে।

Al Iman Ruqyah & Hijama Therapy Centre

28/01/2026

বিচ্ছেদের যাদুতে আক্রান্ত স্বামী- স্ত্রী পরষ্পরকে প্রচন্ডভাবে সন্দেহ করা শুরু করে। যেটি একপ্রকার ট্রমা তে রূপান্তরিত হয়।

26/01/2026

রুকীয়াহ ফলপ্রসূ হওয়ার জন্য -
* ধৈর্য সহকারে আমল করা।
* দু' য়া করা।
* হতাশ না হওয়া।

Address

West Madar Bari

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Iman Ruqyah & Hijama Therapy Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram