Baitur Ruqyah

Baitur Ruqyah প্রচলিত তাবিজ কবজ সহ অন্যান্য শিরক,কুফর এর বিপরীতে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে প্যারানরমাল সমস্যা তথা বদনজর,জিন,জাদু জনিত শারীরিক ও মানসিক রোগের চিকিৎসা।

16/06/2025

জিন জাদুতে আক্রান্তদের পাশে থাকুন! এগুলি কোন ফ্যালনা ব্যাপার না। জিন,জাদুর কথা কুরআনে এসেছে। এগুলি বিশ্বাস করা ব্যাকডেটেড/ ক্ষেত হয়ে যাবেন এসব চিন্তা দূর করুন। এটা বাস্তবতা।
এসবে আক্রান্ত হলে ক্যারিয়ার,পরিবার,জীবন সব ধংস হয়ে যেতে পারে। নানারকম রোগ এমন কি প্যারালাইসিস/পংগুত্ব অথবা ক্যান্সারের মত রোগ হতে পারে। হতাশা,অস্থিরতা,অতিরিক্ত রাগ/কল্পনা,ঘুমের সমস্যা,স্রিজোফোনিয়া সহ নানারকম মানসিক রোগ হতে পারে। মানুষ আত্মহত্যা পর্যন্ত করতে পারে। এসবের অনেককিছুই আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান সমাধান দিতে পারেনা।
এজন্য এ সমস্ত ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ান। তাঁদের অবহেলা করবেন না। তাঁদের কস্টগুলি বুঝার চেষ্টা করুন। নানারকম কবিরাজ/বৈদ্য/সাইকিয়াট্রিস্ট এসবে যেয়ে অবস্থা খিচুড়ি না পাকিয়ে যথাযথ চিকিৎসা তথা রুকইয়াহ আশ শারইয়াহ করুন। যেটার মাধ্যমে আল্লাহর ইচ্ছায় রোগি সম্পূর্ন সুস্থ হওয়া সম্ভব, ইনশাআল্লাহ।মনে রাখবেন, যে কুরআন দিয়ে সুস্থ হবেনা, সে দুনিয়ার আর অন্য কিছু দিয়েও সুস্থ হবেনা।

16/06/2025

এপয়েন্টমেন্ট নেয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই যে প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে হবে ---

১। রুকইয়াহ কী? কিভাবে করে?

২। রোগী কে, তার বয়স (নাম দেয়ার দরকার নাই), রোগীর সাথে আপনার সম্পর্ক কী?

৩। রোগী ফরজ, ওয়াজিবগুলো ঠিকমত আদায় করেন? কবীরা গুনাহ থেকে বিরত থাকার চেস্টা করেন কিনা? সুন্নাহগুলি যথাসম্ভব মেনে চলেন কিন? যেমন: মাহরাম-গায়রে মাহরাম মেইনটেইন করে পর্দা না করা কবিরা গুনাহ, টাকনুর নিচে কাপড় পরা ছেলের জন্য কবীরাহ গুনাহ। সুদ, ঘুষ খাওয়া কবিরা গুনাহ। দাড়ি মুণ্ডন করা কবিরা গুনাহ। বিয়ে বহির্ভূত ছেলে মেয়েদের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক কবিরা গুনাহ। এসব কতটুকু মেনে চলেন?

৪। রোগীর সমস্যার সংক্ষিপ্ত বিবরণ এবং কতদিন ধরে সমস্যা।

৫। এর আগে কী কী চিকিৎসা নিয়েছেন। (তাবিজ/কবিরাজি সহ)

৬। মানসিক রোগের ডাক্তারের কাছে যাওয়া হয়েছে কিনা। হলে কোন ওষুধ কি খাচ্ছেন?

৭। আগে কখনো নিজে নিজে বা রাকিকে দিয়ে রুকইয়াহ করিয়েছেন কিনা।

৮। বর্তমানে সেলফ (নিজে নিজে) রুকইয়াহ করছেন কিনা।

৯। রুকইয়ার বিষয়ে গার্ডিয়ানের সম্মতি আছে কিনা।

১০। সকাল সন্ধ্যার সুরক্ষার আমল করেন কি?

১১। যথানিয়মে সাজেশন ফলো করা ও রেগুলার নিয়মমাফিক আপডেট দেয়ার ইচ্ছা আছে কিনা।

১২। কবিরা গুনাহে থাকলে সেসব ছাড়ার ব্যাপারে যত্নশীল হবার ব্যাপারে আন্তরিক কিনা। সব ধরনের তাবিজ নষ্ট করতে পারবেন কিনা।

06/06/2025

কোন চিকিৎসক, রাকি বা কবিরাজের মধ্যে এ সমস্ত লক্ষণ বা আলামতের কোন একটিও পাওয়া গেলে নিঃসন্দেহে বুঝা যাবে যে সে একজন জাদুকর। আলামতগুলি নিম্নরূপঃ
১। রোগীর নাম ও মা (মাঝেমধ্যে বাবার) নাম জিজ্ঞেস করা।
২। রোগীর কোন ব্যবহৃত জিনিস বা চিহ্ন গ্রহণ করা। যেমনঃ কাপড়, টুপী, রুমাল,চিরুনি ইত্যাদি।
৩। জবাই করার জন্য কোন নির্দিষ্ট জীব-জন্তু চাওয়া, কখনও তার রক্ত ব্যথার স্থানে মাখান বা বিরান ঘর বা জায়গায় তা নিক্ষেপ করা।
৪। রহস্যময় মায়াজাল বা মন্ত্র লিখা।
৫ । অস্পষ্ট তন্ত্ৰ-মন্ত্র ও মায়াজাল পাঠ করা। কোন পীর আউলিয়ার নাম নেওয়া, অথবা অপরিচিত কোন নাম নিবে আর বলবে এটা আল্লাহর একটি বিশেষ নাম। অথচ আল্লাহর সেরকম নাম আপনি কোথাও পাবেন না।
৬।মাটিতে বা বিভিন্ন জায়গায় দাগকাটা।
৭।হাজিরা দেখা, "ইস্তিখারা" করা।
৮। রোগীকে নানারকম/ চতুর্ভূজ নক্সা বানিয়ে দেয়া, যাতে থাকে অক্ষর বা নম্বর।
৯।জিনের সাহায্য নেওয়া। অনেক সময় বলবে- এরা মুমিন জিন, ভাল পরহেজগার জিন, এসব ঢাহা মিথ্যা কথা। এসব সব শয়তান।ভাল জিনেরা এসব করেনা।
১০। রোগীকে এক নির্ধারিত সময় এক কক্ষে (যাতে আলো প্রবেশ করে না।) লোকদের অন্তরালে থাকার নির্দেশ দেয়া।
১১। রোগীকে এক নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যা সাধারণত ৪০ দিন হয়ে থাকে পানি স্পর্শ করতে নিষেধ করা। এ লক্ষণ দ্বারা বুঝা যাবে যে,জাদুকর যে জিন ব্যবহার করে সে খ্রিস্টান।
১২। রোগীকে কোন জিনিস মাটিতে পুতে রাখতে দেয়া। কোন উঁচু স্থান যেমন গাছে কোন কিছু বেঁধে রাখতে বলা। বা কোন কিছু পুড়িয়ে ফেলতে বলা কিংবা পানিতে ফেলে দিতে বলা বিশেষ করে বোতলে বা মাছের সাথে বেঁধে।
১৩ । রোগীকে কিছু পাতা,মরিচ,আগরবাতি, লেখা কাগজদিয়ে তা জ্বালিয়ে তা থেকে ধোয়া গ্রহণ করতে বলা।
১৪ । অস্পষ্ট কালাম, নকশা বা কথা দ্বারা তাবীজ,আংটি বানিয়ে দেয়া ।
১৫। রোগী কিছু বলার আগেই নিজেই নাম, ঠিকানা ও সেই সমস্যা বলে দেয়া।
১৬। ছিন্ন-ছিন্ন অক্ষর লিখে রোগীকে নক্সা বা তাবিজ বানিয়ে দেয়া বা কোন সাদা পাথরে লিখে দেয়া ও তা ধুয়ে পানি পান করতে বলা ।
১৭।ঘরের বিভিন্ন কোনায় কোনায় নকশা, হাড় ঝুলিয়ে রাখতে বলা
১৮।কোন বিশেষ জায়গার মাটি,পানি নিয়ে আসতে বলা বা ব্যবহার করতে বলা।
১৯।কোন হালাল খাবারের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া। যেমনঃ মাছ খাওয়া যাবেনা, গরুর মাংস খাওয়া যাবেনা এরকম।
২০। সমুদ্রে, নদী, পুকুর/ঘাটে নিয়ে বিশেষ সময়ে গোসল করানো। অথবা সমুদ্রে,নদীতে,পুকুরে,খালেবিলে কিছু ফেলে দিতে বলা।
২১। কোন বিশেষ সময়ে নোংরা খাবার খায় এমন কোন প্রাণীকে খুজে বের করে সেটিকে খাবার খাওয়াতে বলা। যেমন রাত ২টার সময় কালো কুকুর খুঁজে বের করে রুটি খাওয়াতে বলা।
২২। চিকিৎসা/তিলাওয়াত/ তন্ত্রমন্ত্র পাঠ করার সময় হাত বা আংগুল নাড়ানো, আংগুল দ্বারা ইশারা করতে থাকা। এটা ইম্পর্টেন্ট একটা ইস্যু।
২৩। আংগুলের ইশারায় শত/হাজারো/লাখো জিন মেরে ফেলার ঘোষণা দেওয়া।

ইত্যাদি
আপনি যদি এসব লক্ষণ জেনে বুঝতে পারেন যে, সে জাদুকর তবে আপনি অবশ্যই তার নিকট যাওয়া থেকে সতর্ক হয়ে যাবেন নচেৎ আপনার প্রতি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বাণী প্রযোজ্য হয়ে যাবেঃ
(من أتى كا هنا فصدقه بما يقول فقد كفر بما أنزل على محمد)
অর্থাৎ “যে ব্যক্তি গণকের নিকট এসে সে যা বলল তা বিশ্বাস করল, সে অবশ্যই মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতি যা অবতীর্ণ করা হয়েছে তা অস্বীকার করল।” (হাসান সনদে বাজ্জার বর্ণনা করেন এবং আহমদ ও হাকেম বর্ণনা করেন )
এছাড়া কুরআন হাদিস অনুযায়ী জাদুতে লিপ্ত হওয়া কুফরি এবং শিরক। আখিরাতে এসব ব্যক্তিদের কোন স্থান নেই, জান্নাত তাদের জন্য হারাম।
সুতরাং এসব বিধ্বংসী কাজ থেকে বিরত থেকে নিজের দুনিয়া ও আখিরাত দুইটাকেই হেফাজত করুন।কোন সমস্যা হলে রুকইয়াহ আশ শারইয়াহ করুন, যেটা ইসলামে অনুমোদিত। কিন্তু কখনোই কুফরি নয়!
আল্লাহ তৌফিক দিন, আমিন!

জাদু এভাবে করা হয়েছে তার কারণ হলঃ১/ভিক্টিম এর নাম ও মায়ের নাম জাদু করার ক্ষেত্রে দরকার হয়। নাম যে উপাদানের সাথে মিলে যায়...
26/05/2025

জাদু এভাবে করা হয়েছে তার কারণ হলঃ
১/ভিক্টিম এর নাম ও মায়ের নাম জাদু করার ক্ষেত্রে দরকার হয়। নাম যে উপাদানের সাথে মিলে যায় সেখানেই জাদুর জিনিস রাখতে হয়। এক্ষেত্রে ভিক্টিমের নাম পানির সাথে মিলেছে। একই কারণে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর জাদু করে পরিত্যক্ত কুয়ার পানিতে রাখা হয়েছিল।কিভাবে নাম বিভিন্ন উপাদানের সাথে মিলানো হয় সেটি ভিন্ন আলোচনা।
২/জাদুর জিনিস যেন খুঁজে না পাওয়া যায় অথবা পাওয়াটা অনেক কস্টকর হয়।
৩/শিং মাছ অল্প পানিতে বেঁচে থাকতে পারে।যেখানে পানি কম যেমন কাদা,ধানক্ষেত,গর্ত জাতীয় জায়গায়ও এরা বেঁচে থাকে।
৪/সুতার গিট যদি জোরে দেওয়া হয় তাহলে মাছ কস্ট পায়, সেখানে ক্ষত হয়,আস্তে আস্তে ক্ষত ও ব্যথা বাড়তে থাকে। যার প্রভাব ভিক্টিমের উপর পড়ে।

আল্লাহ এসব শিরক,কফুরি ও প্রাণহরণকারী ফিতনা থেকে আমাদের হেফাজত করুন,আমিন।

এই যাদুটি করা হয় কাউকে দাস বানিয়ে রাখার জন্য। পছন্দ/অপছন্দের  ব্যাক্তিটি যেন দাস হয়ে থাকে বা বশীভুত হয়ে থাকে তার জন্য কি...
19/05/2025

এই যাদুটি করা হয় কাউকে দাস বানিয়ে রাখার জন্য। পছন্দ/অপছন্দের ব্যাক্তিটি যেন দাস হয়ে থাকে বা বশীভুত হয়ে থাকে তার জন্য কিছু মানুষ যাদুকরের (বর্তমান যুগে তথাকথিত কবিরাজ/বৈদ্য/হুজুর শ্রেনীর ) কাছে যেয়ে নিজের শরীরে এধরণের যাদু অঙ্কন করে নেয়। সেই সাথে যাদুকরের সাথে যিনাতেও লিপ্ত হয়।
মুলত এই যাদু করতে বেশিরভাগ নারীরাই যাদুকরের কাছে যেয়ে থাকে। তবে পুরুষেরাও যায়।
অনেক ভাবেই এই যাদুটি করা হয় (সব প্রক্রিয়াই জঘন্য,কুফর এবং শিরকে পূর্ণ )। একেক জন একেক নিয়মে এই যাদু করে থাকে।
**আগত নারী বা পুরুষকে দিয়ে শয়তান ও যাদুকরের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করানো হয়।
**ব্যাক্তি কে বস্ত্রহীন করা হয়।
**তার গোপনাঙ্গ সহ শরীরের বিভিস্থানে বিভিন্ন চিত্র বা ছক আকারে অথবা কোন শিরকি দুয়া লিখা হয়।
**তার সাথে যাদুকর যিনায় লিপ্ত হয়। পুরুষ হোক বা নারী যাদুকর সবার সাথেই যিনা করে জিন শয়তানকে খুশি করার জন্য।
(ফিতনা যেন না ছড়ায় কিছু অংশ সাদা করে মুছে দেওয়া হল)

আল্লাহ আমাদের সবাইকে এসব ঈমান বিধ্বংসী কার্যকলাপ থেকে হেফাজত করুন,আমিন।

⛔ব্লাক ম্যাজিক বা কালো জাদু -মানুষ কতটা ভয়ংকর তা এই কবুতর টা দেখে বুঝা যাচ্ছে ৷একজনের ভাল আর একজন দেখতে পারেনা  । কালোজা...
21/10/2022

⛔ব্লাক ম্যাজিক বা কালো জাদু -
মানুষ কতটা ভয়ংকর তা এই কবুতর টা দেখে বুঝা যাচ্ছে ৷একজনের ভাল আর একজন দেখতে পারেনা । কালোজাদু মানুষ কে আর একটা পরিবার কে ধ্বংস করে দেয়। এই কবুতরটার মুখ কসটেপ দিয়ে পেচিয়ে গলায় তাবিজ বেঁধে ছেড়ে দিয়েছে। উদ্দেশ্য কবুতরটা না খেতে পেরে শুকিয়ে কাঠ হয়ে মরে যাবে আর যাকে এই কবুতরের দ্বারা কালোজাদু করা হয়েছে তাঁরও একই দশা হবে ......!!
সমাজের প্রচলিত ভাষায় যাকে বলে বান মারা। বানমারার নানারকম পদ্ধতি আছে যেগুলি সম্পুর্ণ কুফর/শিরক। যে ব্যক্তি এই কাজ করল সে তার আখিরাতকে ধংস করে ফেলল!
আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন এবং হেফাজত করুন আমিন!

আপনারা যারা নিজেদের অথবা সন্তান বা পরিবারের বাচ্চাদের  ছবি সোশাল মিডিয়াতে দেন তাঁদের জন্য এই পোস্ট। বাচ্চাদের যাদুগ্রস্থ...
20/10/2022

আপনারা যারা নিজেদের অথবা সন্তান বা পরিবারের বাচ্চাদের ছবি সোশাল মিডিয়াতে দেন তাঁদের জন্য এই পোস্ট।
বাচ্চাদের যাদুগ্রস্থ হওয়ার কথা যদি কাউকে বলা হয় অনেকেই বলে থাকে সেতো নবজাতক শিশু তাকে কে যাদু করবে ? কিন্তু বাচ্চাদেরকেও কত ভয়ংকর ভাবে যাদু করা হয় তার প্রমাণ হলো এই যাদু করা ছবিটি।
এই বাচ্চাটাকে অসুস্থ বানানো ও শরীরে ক্যান্সার তৈরি করার জন্য যাদুটা করা হয়েছে যার প্রভাব পুরো মাথাসহ চেহারায় ছড়িয়ে পড়বে।
এই প্রভাবগুলো চেহারা ও মাথায় ছড়িয়ে পড়ার পরে রোগাক্রান্ত হবে অসংখ্য সমস্যা তৈরি হবে কিন্তু এর উৎস কি সেটা হয়তো অনেকেই জানবে না।
আমার জানা নাই এই বাচ্চাটির অবশেষে কি হয়েছিল তবে এমন হাজারো বাচ্চা হয়তো আমাদের সমাজে আছে যারা যাদুর শিকার হয়ে হয়তো এই সুন্দর পৃথিবীর নেয়ামতগুলো উপভোগ করতে পারবে না। আর পারবে না তার বাবা-মায়ের মুখে হাসি ফুটাতে।
মানুষ কত নিষ্ঠুর ছোট বাচ্চাটির উপারেও হিংসার প্রতিফলন ঘটাতে সামান্য দ্বিধাবোধ করেনি। হিংসা বিদ্বেষ এতটাই খারাপ যা মানুষকে অমানুষে রূপান্তরিত করে।
আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন, আমিন!

03/09/2022

জিন জাদুতে আক্রান্তদের পাশে থাকুন! তাদের কস্টগুলি একটু হলেও বুঝার চেস্টা করুন!
এই দুনিয়াতে জিন যাদুগ্রস্থ ব্যক্তিদের মত অসহায় আর কেউ আছে কিনা সন্দেহ আছে!
এই সমস্যাটা আসলে এমন , যে ধরাও যায়না, ছোয়াও যায়না।
এই অসহায় মানুষদের অসহায়ত্বটা একটু ভিন্ন রকম, সাধারণ মানুষ অসহায় হয় কোন কিছু না থাকার কারণে। আর জিন যাদুগ্রস্থ ব্যক্তিরা সবকিছু থাকা সত্ত্বেও অসহায়।
কিভাবে???
তাদের পরিবার থাকতে পারে, সম্পদ থাকতে পারে সব কিছুই থাকতে পারে, কিন্তু তাদের কষ্টগুলো কেউ বুঝেনা অথবা তাদের জিন যাদু কেন্দ্রিক অসুস্থতা একদমই কেয়ার করে না।
অনেক সময়ই মানসিক সমস্যা বলে চালিয়ে দিতে চায়। অথচ এই সমস্যাগুলি ক্যান্সারের চাইতেও মারাত্মক! ধুকে ধুকে আস্তে আস্তে মৃত্যু পর্যন্ত হয়ে যায়।
পরিবার বা অন্য সব জায়গা থেকে বঞ্চিত হতে হতে এক সময় ঘিরে ধরে বিশাল হতাশা। যেখানে ইন্ধন যোগায় জিন বা জাদু।
সবকিছু মিলিয়েই তৈরি হয় বিশাল এক কষ্টের পাহাড় আর সেই পাহাড় থেকে প্রবাহিত হয় দুটি ঝরনা নীরবতায় ভাবে আর দুচোখ বেয়ে প্রবাহিত হয় সেই কষ্টের পাহাড়ি ঝর্ণার পানি।
ভিতর থেকে কেউ একজন আক্ষেপ নিয়ে বলে হায়
এভাবেই কি শেষ হবে আমার জীবন ??
হয়ত এক সময় আত্মহত্যার মত কঠিন কাজও করে ফেলে অবলিলায়!
এজন্য সমস্ত ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ান। তাঁদের অবহেলা করবেন না। তাঁদের কস্টগুলি বুঝার চেষ্টা করুন। সঠিক উপায়ে তাঁদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন। আর এই অবস্থার একমাত্র বৈধ চিকিৎসা হল-রুকইয়াহ আশ শারইয়াহ। যেটার মাধ্যমে আল্লাহর ইচ্ছায় রোগি সম্পূর্ন হওয়া সম্ভব, ইনশাআল্লাহ।

03/05/2022

تَقَبَّلَ اللّهُ مِنَّ وَ مِنْكُمْ
"তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম"

🌙 ঈদ মোবারক!!

হটাত তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লেন। অসুখের মাত্রা বেড়েই চললো। কিছুদিন যাওয়ার পর একটি স্বপ্ন দেখলেন। তিনি দেখলেন দুজন লোক। একজন ম...
08/04/2022

হটাত তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লেন। অসুখের মাত্রা বেড়েই চললো। কিছুদিন যাওয়ার পর একটি স্বপ্ন দেখলেন। তিনি দেখলেন দুজন লোক। একজন মাথার কাছে, অপরজন পায়ের কাছে বসা। একজন আরেকজনকে প্রশ্ন করছে-
'এই ব্যক্তিটির কিসের কস্ট'?
'উনাকে জাদু করা হয়েছে'?
'কে জাদু করেছে?'
'লাবিদ ইবনে আসাম'
'সেটি (জাদুর জিনিসপত্র) কোথায় রাখা আছে'?
'জারওয়ান কুপের মধ্যে'।

কোনো গল্প নয়, বাস্তব ঘটনা বলছি। ঘুম ভাঙ্গার পর তিনি ডেকে পাঠালেন কয়েকজনকে। কুয়ার কাছে তারা গিয়ে দেখলেন কুয়ার পানি মেহেদির রঙের মত হয়ে আছে । পানি তোলা হলো। নীচে পাওয়া গেল পাথর। তার নীচে আরেকটি পাথর।উভয়টার মাঝে চাপা দেয়া চুল, চিরুনির দানা ইত্যাদি। যাতে এগারোটি গিঁট দেয়া। কার সাথে ঘটছে এসব? তিনি আল্লাহর নবী এবং রাসুল মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। ঐ সময় সূরা ফালাক ও নাস নাযিল হলো। একেকটা আয়াত নাযিলের সাথে সাথে একেকটা গিঁট খুলতে লাগলো।
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুস্থ হয়ে ওঠলেন তাৎক্ষণিক। (সহিহ বুখারি দ্রষ্টব্য)

একটাবার চিন্তা করে কি দেখবেন যদি আল্লাহর হাবিব, রাসুলুল্লাহ (সা) এর সাথেই যদি জাদুর ঘটনা ঘটতে পারে তাহলে আমাদের সাথে কি ঘটতে পারেনা? আর, আল্লাহ কেন তাঁর রাসুল (সা) কে জাদুতে আক্রান্ত হতে দিলেন?আসলে ইসলাম একটি পূর্ণাংগ জীবন বিধান। আল্লাহ জানতেন যে যুগযুগ ধরে জাদু ব্যাপারটা থাকবে, কিছু মানুষ জাদু করবে,কিছু মানুষ আক্রান্ত হবে। আর তাই আল্লাহ তাঁর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মাধ্যমে জাদুতে আক্রান্ত হওয়ার একটি নমুনা এবং আক্রান্ত হলে করণীয় কি সেটি তুলে ধরেছেন।

এই পুরো পৃথিবী তথা আমাদের এই ভারতীয় উপমহাদেশে জাদুর চর্চা হয়ে আসছে যুগযুগ ধরে।আমাদের এই সমাজে এটি যেন এখন ডালভাত! অমুককে বশীভূত করতে হবে! জাদু করে ফেল! বিচ্ছেদ (স্বামী-স্ত্রী/বাবা-মা-সন্তান-ভাইবোন অথবা অমুকের সাথে তমুকের) ঘটাতে হবে?বিয়ে বন্ধ রাখতে হবে? জাদু করে ফেল!অমুকের ব্যবসা বাণিজ্য,চাকরি নস্ট করতে হবে? জাদু করে ফেল! এমনকি গর্ভের সন্তান নস্ট করতে এবং মানুষ হত্যা করতে পর্যন্ত এই জাদুর আশ্রয় নেওয়া হয়!!আর এসবকে আমাদের সমাজে বলে-বানমারা, "তদবির" করা। মানুষ এই কাজটি করে হিংসা থেকে, শত্রুতা থেকে, অথবা অনেক সময় ভালবাসা থেকেও!বশীভুত করার ব্যপারটা মানুষ অনেকসময় এই ভালবাসা থেকেই করে!! অনেক সময় মানুষ নিজে এটি করে অথবা সমাজের বিভিন্ন তান্ত্রিক,বৈদ্য অথবা নামধারি "হুজুর" এর কাছে যেয়ে প্রচুর টাকা নষ্ট করে এই কাজগুলি করে থাকে। অথচ ইসলাম বলে-এগুলি সম্পুর্ণ কুফর! এবং অনেক ক্ষেত্রে শিরকও বটে। আর অধিকাংশ মানুষ এটা যে কুফর,সে যে তার নিজের
জন্য জাহান্নামের আগুণ কিনে নিচ্ছে সেটি বুঝতেও পারেনা! সে যেমন আখিরাত হারায় সেই সাথে দুনিয়াতেও নানা সমস্যায় আক্রান্ত হয়। কারণ জাদুর একটা প্রভাব যে জাদু করেছে তার নিজের উপরেও পড়ে। আর এভাবে সে নিজে ধ্বংস হয় এবং অন্য কাউকে জাদুতে আক্রান্ত করে সেই নিরিহ ভিক্টিমের জীবনকেও দুর্বিসহ করে তোলে!

আমাদের এই পোস্টটি আসলে দুধরণের মানুষকেই সতর্ক করা। যিনি এসব করছেন তাকে সতর্ক করা যে কখনো এসব কুফরিতে লিপ্ত হবেন না এবং যিনি অলরেডি আক্রান্ত হয়েছেন তাকেও এটি বলা যে আপনি হতাশ হবেন না, আল্লাহ চাইলে আপনি এই জাদু সংক্রান্ত সমস্যা থেকে মুক্ত হতে পারবেন। যেভাবে রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হয়েছিলিন। মানে অবশ্যই সেটি ইসলামে বলা সঠিক পদ্ধতি, পবিত্র কুরআন এবং হাদিসে বর্ণিত দুয়ার মাধ্যমে চিকিৎসা নিয়ে, যাকে বলা হয় রুকিইয়াহ শরিয়াহ।

আসলে নানারকম জাদুর নানারকম প্রভাব আছে। যারা নিজেদেরকে জাদুগ্রস্থ মনে করছেন অথবা বুঝতে পারছেন না কিভাবে যাচাই করবেন আসলেই আপনি জাদুগ্রস্থ কিনা তাদের জন্য এই পোস্ট উপকারী হবে ইনশাআল্লাহ। নিচের লক্ষণগুলো মিলিয়ে দেখুন আপনার সাথে কতগুলো লক্ষণ মিলেঃ-
১। চোখের অবস্থা অস্বাভাবিক বা অসুন্দর লাগা।
২। কোন কারণ ছাড়াই শরীর গরম থাকা।
৩। ব্যাকপেইন। বিশেষত মেরুদণ্ডের নিচের দিকে ব্যথা করা।
৪। (মহিলাদের ক্ষেত্রে) অনিয়মিত মাসিক (পুরুষদের ক্ষেত্রে) প্রস্রাবে ইনফেকশন এর সমস্যা।
৫। প্রায়সময় পেট ব্যথা থাকা।
৬। দীর্ঘদিন চিকিৎসা করেও কোন রোগ ভালো না হওয়া।
৭। তীব্র মাথা ব্যথা, ঔষধ খেয়েও তেমন লাভ হয়না।
৮। হঠাৎ করে কারো প্রতি তীব্র ঘৃণা বা তীব্র ভালোলাগা অনুভব হওয়া।
৯। পরিবার, বাসা, সমাজের প্রতি তীব্র বিতৃষ্ণা থাকা।
১০। বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত খুব অস্বস্তিতে ভুগা অথবা মেজাজ খারাপ থাকা।
১১। কোন কারণ ছাড়াই বাড়ি থেকে দৌড় দিয়ে বের হয়ে যেতে ইচ্ছা হওয়া।
১২। শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে অতিরিক্ত ব্যথা হওয়া।
১৩। ঠিকমত ঘুমাতে না পারা। ঘুমালেও ভয়ংকর স্বপ্ন দেখা।
১৪। স্বপ্নে কোনো গাড়ি বা প্রাণিকে আক্রমণ করতে বা ধাওয়া করতে দেখা (যেমনঃ
কুকুর, বিড়াল, গরু, মহিষ, বাঘ, সিংহ, সাপ)।
১৫। স্বপ্নে কোন ফাঁকা বাড়ি, মরুভূমি বা গোরস্থানে হাঁটাচলা করতে দেখা।
১৬। স্বপ্নে বিভিন্ন যায়গায় পানি দেখা (যেমন সাগর, নদী, পুকুর, ইত্যাদি)।
১৭। স্বপ্নে ঘনঘন কোথাও আগুন জ্বলতে বা কিছু পোড়াতে দেখা।
১৮। স্বপ্নে নিজেকে উড়তে দেখা বা কোন পাখি অথবা বড়বড় গাছ দেখা।
১৯।বারবার গর্ভের সন্তান নস্ট হয়ে যাওয়া
২০।কোন উল্লেখযোগ্য কারণ ছাড়াই বিয়ে বারবার বিয়ে ভেঙ্গে যাওয়া
২১।পড়াশুনা বা অন্যান্য কাজে মনো্যোগ না দিতে পারা
২২।চাকরি,ব্যবসা-বাণিজ্যে ধ্বস নামা। ইত্যাদি

আপনি যদি নিজের আক্রান্ত মনে করেন, তাহলে অবশ্যই ইনশাআল্লাহতায়ালা আপনি সঠিক গাইডলাইনের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

শিডিউল দেওয়ার জন্য আমাদের সরাসরি কল করুন অথবা ইনবক্সে মেসেজ করুন।ধন্যবাদ।

22/03/2022

আসসালামু আলাইকুম।
ঢাকা এবং টাংগাইলের অধিবাসি যারা আছেন,
জিন,জাদু,বদনজর, অসওয়াসা ইত্যাদি সংক্রান্ত প্যারানরমাল যে কোন বিষয়ে পরামর্শ নিতে অথবা সরাসরি রুকিয়া করার জন্য শিডিউল নিতে ইনবক্স করুন। অথবা কল করুনঃ 01857636944 এই নাম্বারে। এই নাম্বারটির মাধ্যমে হোটসআপেও কন্টাক্ট করতে পারেন। জাজাকাল্লাহু খাইরন।

Address

Chittagong
4203

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Baitur Ruqyah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Baitur Ruqyah:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram