25/03/2026
❝ধরো তুমি চাইলেই দরজা বন্ধ করে নিজের ঘরে একা সময় কাটাতে পারো, আবার চাইলেই বন্ধুদের ডেকে আড্ডা দিতে পারো। কিন্তু বাসার যদি কোনো দরজা-জানালা না থাকে? তখন? তখন যে কেউ যখন-তখন তোমার বাসায় ঢুকে পড়বে, তোমার জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে, তোমাকে ডিস্টার্ব করবে। তখন তোমার কেমন লাগবে?
ঠিক একই ব্যাপার আমাদের মনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। আমাদের মনেরও একটা সীমানা দরকার হয় এ কারণে। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় একে আমরা পার্সোনাল বাউন্ডারি বা ব্যক্তিগত সীমানা বলে থাকি।
ঠিক যেমন বাসায় একটি বাউন্ডারি দেওয়া থাকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখার জন্য, তেমনি আমাদেরও একটি অদৃশ্য বাউন্ডারি প্রয়োজন নিজেদের ইমোশনালি সুরক্ষিত রাখার জন্য।
অনেক সময় আমরা মনে করি সবাইকে খুশি রাখা, সবসময় উপলব্ধ থাকা, বা নিজের অনুভূতিগুলো চেপে রাখা মানেই ভালো মানুষ হওয়া। কিন্তু বাস্তবে এই অভ্যাসগুলো ধীরে ধীরে আমাদের মানসিক শক্তিকে ক্ষয় করে। যখন কোনো বাউন্ডারি থাকে না, তখন অন্যের প্রত্যাশা, চাপ, কিংবা আবেগ আমাদের উপর ভর করে বসে। আমরা নিজেরাই বুঝতে পারি না কোথায় আমরা শেষ, আর অন্যরা কোথায় শুরু।
পার্সোনাল বাউন্ডারি আমাদের শেখায়
-নিজের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিতে
-অপ্রয়োজনীয় অপরাধবোধ ছাড়াই ‘না’ বলতে
-সম্পর্কের মধ্যে স্বাস্থ্যকর দূরত্ব বজায় রাখতে
-নিজের আবেগকে বুঝতে ও সুরক্ষিত রাখতে
একটি সুস্থ বাউন্ডারি কখনো দেয়াল না, এটি দরজার মতো। তুমি চাইলে খুলবে, চাইলে বন্ধ করবে। এটি বিচ্ছিন্নতা নয়, বরং কনশাস একটা কানেকশন তৈরি করা।❞
Payel Barua examines how the limits we set within ourselves shape not only our emotional safety but also the quality of our relationships and sense of identity. These invisible boundaries determine who gets access to us, what we accept, and where we choose to say no.
Download the PsychTalks Digest to read the full article now.