Bagmara Medical Centre

Bagmara Medical Centre বাগমারা দক্ষিণ বাজার, গ্লোবাল টাওয়ার?

আসসালামু আলাইকুম!
16/09/2022

আসসালামু আলাইকুম!

23/10/2018

Bagmara medical center.
A modern computerized diagonostic complex

06/03/2018

আসুন,
সেবা নিন,
সুস্থ থাকুন।

24/11/2017

#পেয়ারা
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এক প্রপার
সুপারে ফুড হচ্ছে, এই পেয়ারা।
পেয়ারা উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন সি এবং
খাদ্য আশঁ সমৃদ্ধ রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণে
রাখে।।।

11/11/2017

জেনে নিন কারা রক্তদান করতে পারবেন না? -
☞ ১) কুকুরের কামড়ের ইনজেকশন যারা নিয়েছেন,
তারা ইনজেকশন-এর কোর্স শেষ হওয়ার পর ১ বছর
রক্তদান করবেন না।
☞ ২) বড় অপারেশন যাদের হয়েছে তারা ১ বছর
পর্যন্ত রক্তদান করবেন না। ছোট অপারেশন হলে ৬
মাস পর্যন্ত রক্তদান অনুচিত।
☞ ৩) কোন কারণে যদি কেউ রক্ত গ্রহণ করে থাকেন,
তবে তিনিও এক বছর রক্তদান করতে পারবেন না।
☞ ৪) জন্ডিস, ম্যালেরিয়া বা টাইফয়েড রোগ হলে,
সুস্থ হওয়ার পর আরও ৬ মাস রক্তদান করবেন না।
☞ ৫) যারা হাসপাতালে গিয়ে দাঁত ফেলেছেন, নাক বা
কানে ছিদ্র করিয়েছেন, বা শরীরে উল্কি/ ট্যাটু
করিয়েছেন, তারাও ৬ মাস রক্তদানে অক্ষম।
☞ ৬) গত ৬ মাসের মধ্যে যে মহিলার গর্ভপাত হয়েছে,
বা যিনি বর্তমানে সন্তান- সম্ভবা, তিনিও রক্তদান
করতে পারবেন না।
☞ ৭) যে মহিলার সন্তান এখনও মাতৃদুগ্ধ পান করে,
তিনি রক্তদান করবেন না।
☞ ৮) যে মহিলা বর্তমানে ঋতুচক্রের মধ্যে আছেন
(মাসের নির্দিষ্ট ৫/৬ দিন) তিনি রক্তদান করবেন
না।
☞ ৯) যার কোন চর্মরোগ বা যৌনরোগ আছে, তিনি
সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার পরও ৬ মাস পর্যন্ত রক্তদান
করবেন না।
☞ ১০) যে ব্যক্তি বর্তমানে কোন ধরণের
অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খাচ্ছেন, তিনি কোর্স শেষ না
হওয়া পর্যন্ত রক্তদান করবেন না।
☞ ১১) যিনি গত বারো ঘণ্টার মধ্যে সুরাপান করেছেন,
তিনি রক্তদান করবেন না। কোন ব্যক্তি যদি নিয়মিত
সুরাপানে বা নেশা সেবনে (Drugs) অভ্যস্ত হন, তা
হলে তার কাছ থেকে রক্ত গ্রহণ না করাই উচিৎ।
☞ ১২) যে ব্যক্তি একাধিক সঙ্গীর সঙ্গে যৌন সংসর্গে
অভ্যস্ত, তার কাছ থেকে রক্ত সংগ্রহ অনুচিত। পতিতা
পল্লীর লোকজন, জেলের কয়েদী বা দূরগামী ট্রাকের
ড্রাইভারদের কাছ থেকে কখনোই রক্ত সংগ্রহ করতে
নেই।
☞ ১৩) মানসিক ভাবে অবসাদগ্রস্ত ব্যক্তি বা মানসিক
রোগীদের কাছ থেকে রক্ত গ্রহণ করা উচিৎ নয়।
☞ ১৪) একবার রক্তদান করে ৯০ দিনের মধ্যে আর
রক্তদান করা অনুচিত।
- উপরোক্ত নির্দেশিকার বাইরেও কিছু কিছু প্রশ্ন
কা’রো থাকতেই পারে। প্রতিটি রক্তদান শিবিরে
একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক উপস্থিত থাকেন। প্রশ্ন এবং
সংশয়ের কথা সেই চিকিৎসকের কাছে সরাসরি
জিজ্ঞেস করে নেওয়া উচিৎ।

18/08/2017

আসুন, সেবা নিন, সুস্থ থাকুন।

10/06/2017

ছোট্ট একটি স্বাস্থ্য টিপস,
আশা করি সবার উপকার হবে :-
যে কাজটি করলে আর কখনোই আপনার
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকবে না!.
আমাদের দেশে গ্যাস্টিকের সমস্যা নেই
এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়াই যাবে
না। এই সমস্যাটি মূলত ভাজাপোড়া
খাবার খেলেই বেশি হয়ে থাকে।
অনেকেরই এ সব খাবার খাওয়ার পরে
পেট ব্যথা বা বুকে ব্যথা কিংবা বদ
হজম হয়।.
অথচ এই সমস্যা দূর করার জন্য ওষুধ
না খেয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে
নিচের যেকোন একটি নিয়ম মানলেই
চলবে।
১। আধা ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা আদা নিন।
তারপর অল্প একটু লবন মাখিয়ে খেয়ে
ফেলুন। আদা খাওয়ার কিছুক্ষণ পর এক
কাপ কুসুম গরম পানি খান। গভীর রাতে
আর গ্যস্ট্রিকের সমস্যা হবে না।
অথবা
২। এক গ্লাস পানি একটি হাড়িতে নিয়ে
চুলায় বসান। এর আগে এক ইঞ্চি
পরিমাণ কাঁচা হলুদ পানিতে দিয়ে দিন।
পানি অন্তত পাঁচ মিনিট ফুটতে দিন।
তারপর নামিয়ে আনুন। পানি ঠাণ্ডা হলে
হলুদসহ খেয়ে ফেলুন। গ্যাস্ট্রিক
দৌঁড়ে পালাবে।
আপনারা লাইক ও শেয়ার না করলে তথ্য দেয়ার আগ্রহ মরে যায় ।
তাই পেজটিকে জীবিত রাখতে নিয়মিত লাইক এবং শেয়ার করুন । .
√ পোষ্ট টা কেমন লেগেছে কমেন্টে জানাবেন। আপনার যদি কমেন্ট করতে কষ্ট হয়, তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন..
T= (Thanks) N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir).. আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা ভাল ভাল পোষ্ট দিতে সাহস পাই।........ধন্যবাদ

08/06/2017

ব্রণ এবং ব্রণের দাগ কিভাবে দূর করা যায়…
আমাদের ত্বকের তৈল গ্রন্থি ব্যাটেরিয়া দ্বারা
আক্রান্ত হলে এর আকৃতি বৃদ্ধি পায় তখন এর ভিতরে পুঁজ
জমা হতে থাকে, যা ধীরে ধীরে বর্ন পরিবর্তন
করেব্রণের আকার ধারণ করে। এটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই
বংশগত। ব্রণকে অনেকেই pimple, zit বা spot বলে থাকে।
সাধারণত টিনেজাররাই সমস্যায় বেশি ভোগে। বাজারে
ব্রণ দূর করার জন্য নানারকম কসমেটিক্স/ঔষধ পাওয়া
যায়।সেগুলো ব্যবহার করারআগে নিচের ঘরোয়া
পদ্ধতিগুলো অনুসরন করতে পারেন। ঘরোয়া পদ্ধতি্তে ব্রণ
এবং ব্রণেরদাগ দুর করার কিছু সহজ উপায়ঃ
কাঁচা হলুদ এবং চন্দনকাঠের গুঁড়ো ব্রণের জন্য খুবই
কার্যকর দুটো উপাদান। সমপরিমাণ বাটা কাঁচা হলুদ
এবংচন্দন কাঠের গুঁড়ো একত্রে নিয়ে এতে পরিমাণ মত
পানি মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করতে হবে।মিশ্রণটি এরপর
ব্রণ আক্রান্ত জায়গায় লাগিয়ে রেখে কিছুক্ষন পর
শুকিয়ে গেলে মুখঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
এই মিশ্রণটি শুধুমাত্র ব্রণদূর করার কাজ করে না বরং
ব্রণের দাগ দূর করতেও সাহায্য করে।
আপেল এবং মুধ এর মিশ্রণহচ্ছে ব্রণের দাগ দূর করার
সবচেয়ে জনপ্রিয় ঘরোয়া পদ্ধতি। প্রথমে আপেলের
পেষ্ট তৈরিকরে তাতে ৪-৬ ফোঁটা মধু মিশাতে হবে।
মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষন অপেক্ষা করেএরপর মুখ
ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এটি ত্বকের
টানটান ভাব বজায় রাখেএবং কমপ্লেকশন হালকা করে।
সপ্তাহে ৫-৬ বার এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।
আপনিকয়েকদিনের মধ্যে পরিবর্তনটা অনুভব করতে
পারবেন।
ব্রণের জন্য তুলসি পাতাররস খুব উপকারী।কারণ তুলসি
পাতায় আছে আয়ূরবেদিক গুণ।শুধুমাত্র তুলসি পাতার রস
ব্রণআক্রান্ত অংশে লাগিয়ে রেখে শুকিয়ে যাওয়া
পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।এরপর কুসুম গরমপানি দিয়ে
মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।
প্রথমে চন্দন কাঠের গুড়োঁরসাথে গোলাপ জল মিশিয়ে
পেষ্ট তৈরি করুন। এরপর এতে ২-৩ ফোঁটা লেবুর রস মিশাণ।
গোলাপজল অনেকের ত্বকের সাথে এডজাষ্ট হয় না।তারা
সেইক্ষেত্রে গোলাপ জলের পরিবর্তে মুধব্যবহার করতে
পারেন।এই পেষ্ট আপনার ব্রণের দাগ দূর করতে সাহায্য
করবে।সপ্তাহে ৩-৪দিন ব্যবহার করতে পারলে ভাল ফল
পাওয়া যাবে।
এছাড়া রাতে শোয়ার আগেডিমের সাদা অংশ ব্রণ
আক্রান্ত জায়গায় মেসেজ করে সারারাত রাখতে
পারেন।এটি আপনারত্বকের খসখসে ভাব দূর করে।সবচেয়ে
ভাল হয় যদি এর সাথে লেবুর রস যোগ করা যায়।
আপনিএটি সারারাতও রাখতে পারেন আবার আধ ঘন্টা
পরও ধুয়ে ফেলতে পারেন।
প্রতিদিন ৯-১০ গ্লাস পানিখান।
প্রতিদিন রাতের খাবারের পরযেকোন ধরনের মৌসুমি
ফল খান। এটি আপনার ত্বককে সতেজ রাখবে।যতটা সম্ভব
তেলযুক্ত বাফাষ্ট ফুড জাতীয় খাবার পরিহার করুন।
সবসময় বাহির থেকে আসামাত্র মুখ ফেসওয়াস দিয়ে ধুয়ে
ফেলুন। এছাড়া হালকা গরম পানির স্টীম নিতে পারেন।
এতেকরে ত্বকে জমে থাকা ধুলোবালি পরিষ্কার হয়ে
যাবে।
যারা বহুদিন যাবত ব্রণসমস্যায় ভুগছেন,কোন কিছুতেই
কাজ হচ্ছে না,তারা আর দেরি না করে কোন
অভিজ্ঞডাক্তারের শরণাপন্ন হোন

07/06/2017

মাথা ব্যথা মারাত্বক একটি জিনিস,
যা কম বেশী সবার ই থাকে,পোষ্টটি পড়ে দেখুনঃ
হয়তো কাজে আসবে, ইনশাআল্লাহ।

১০ মিনিটে মাথা ব্যথা দূর করার
তিনটি প্রাকৃতিক উপায়
মাথা ব্যথার সমস্যা অনেকেরই
আছে,
কারো মাইগ্রেন আবার
কারো এমনিতেই। এই
ব্যথা হুট করে শুরু হয়ে যায়
এবং এতোটাই
তীব্র যে কোনো কাজই ঠিক মত
করা যায় না।
মাথা ব্যথা কখনো মাথার এক
পাশে আবার
কখনো উভয় পাশেই প্রচন্ড চাপ অনুভূত
হয়ে ব্যথা হয়।
অনেকে দুচোখে ঝাপসা দেখে থাকেন এই
সময়।
মাথা ব্যথার, বিশেষ করে মাইগ্রেনের
ব্যথার কোনো স্থায়ী উপশম নেই।
তবে ব্যথা শুরু হওয়ার পর তা দ্রুত দূর
করার
জন্য করতে পারেন বিশেষ কিছু কাজ।
আদা চিবোন এবং আদা চা পান করুন
আদায় রয়েছে ‘প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন
সিনথেসিস’
যা অ্যাসপিরিন এবং ব্যথানাশক
ঔষধে ব্যবহার করা হয়। তাই
মাথা ব্যথা শুরু
হওয়া মাত্র
আদা ছিলে নিয়ে চিবনো শুরু
করুন। এতে ব্যথা উপশম হবে দ্রুত।
এছাড়া এক
কাপ পানিতে আদা সামান্য
ছেঁচে নিয়ে ফুটিয়ে সামান্য মধু
দিয়ে পান
করতে পারেন আদা চা। এতেও দূর
হবে মাথা ব্যথা দ্রুত।
পিপারমিন্ট অয়েল ম্যাসাজ করুন
বাজারে পিপারমিন্ট অয়েল
কিনতে পাওয়া যায়।
যারা মাথা ব্যথার
সমস্যায় ভুগে থাকেন
তারা পিপারমিন্ট
অয়েল হাতের নাগালে রাখতে পারেন।
এছাড়া বাসায় তৈরি করতে পারেন
পিপারমিন্ট অয়েল। কিছু
তাজা পুদিনা পাতা ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে নিয়ে একটি পরিষ্কার
পাত্রে সামান্য পিষে নিন। এরপর
এতে ১
কাপ অলিভ অয়েল কিংবা অ্যালমন্ড
অয়েল
দিয়ে রেখে দিন ২৪ ঘণ্টা। এরপর
পুদিনা পাতা ছেঁকে তেল আলাদা করুন।
এভাবে একই তেলে আবার একই
ভাবে পুদিনা পাতা পিষে ২/৩ দিন
একই
পদ্ধতি পালন করুন।
তৈরি হয়ে যাবে পিপারমিন্ট অয়েল।
এই তেল
দিয়ে মাথা ম্যাসাজ
করলে মাথা ব্যথা দ্রুত
দূর হয়।
কাঠবাদাম বাদাম খান
অনেকে মাথা ব্যথা শুরু হতেই
ব্যথানাশক ঔষধ
খেয়ে ফেলেন যার পার্শ্বপ্রতিক্র
রিয়া অনেক
বেশি ক্ষতিকর। তাই ঔষধ
না খেলে বাদাম
খাওয়ার অভ্যাস করুন। অনেক সময়
মানসিক
চাপের কারণে মাথা ব্যথা শুরু
হয়ে যায়।
তখন ব্যথা কমানোর জন্য
একমুঠো বা দুইমুঠো কাঠবাদাম খান।
কাঠবাদামে রয়েছে ‘স্যালিসিন’
যা ব্যথা উপশমে কাজ করে।

পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে পড়ার সুযোগ করে.দিন.

14/05/2017

শুভ সকাল
صباح الخير
Good Morning

আজ রোববার
১৪ মে ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ
১৭ শাবান ১৪৩৮ হিজরী
৩১ বৈশাখ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

এখন গ্রীষ্মকাল
আজকের সূর্যোদয় ০৫:১৬ ও সূর্যাস্ত ৬:৩২ মিনিটে

সতর্ক থাকুন, নিরাপদে থাকুন
আনন্দময় হোক আপনার সারাদিন

13/05/2017

এই গরমে ভালো থাকুন,সুস্থ থাকুন।
আমাদের দেশে বছরের বেশির ভাগ সময় জুড়ে
থাকে গরমকাল। কড়া রোদ, তপ্ত আবহাওয়া,
অনবরত ঘামে পানিশূন্যতা ইত্যাদি থাকে
গরমকালে নিত্যসঙ্গী। তাই বলে কি গরমকালের
ইতিবাচক দিক নেই? আছে তো! এ সময় পাওয়া
যায় মজার মজার সব রসালো ফল। এছাড়া শিশুদের
থাকে গ্রীষ্মকালীন ছুটি।
তাই আনন্দের হুল্লোড়ও থাকে কম না! এসব
কারণে গরমকে উপভোগও করেন অনেকে।
অনবরত
তাপমাত্রার পরিবর্তনের কারণে নিজেকে এ সময়
সুস্থ রাখাটাও জরুরি। নিজেকে সুস্থ ও ভালো
রাখার কিছু উপায় রইলো এখানে।
পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন :
গরমে প্রচন্ড তাপের কারণে শরীরে পানিশূন্যতা
দেখা দেয়। তাই বেশি করে পানি পান করুন। পানি
স্বল্পতা এড়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের স্যুপ,
গরম দুধ, ফলের রস খেতে পারেন। মাঝে মাঝে
ডাবের পানি খান। দুধ ছাড়া চা তিন চার ফোঁটা
লেবুর রস দিয়ে খেতে পারেন। এতে পানির কাজ
করার পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও কাজ
করবে।
নিয়ম মেনে খাবার খান :
শর্করা জাতীয় খাবার শরীরের শক্তি বজায়
রেখে
শরীর কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। খাবারে
প্রোটিনের পরিমাণ এ সময় কম রাখাই ভালো।
মৌসুমি শাকসবজি ও ফল যেমন তরমুজ, বাঙ্গি,
সফেদা, ক্ষিরা, আনারস ইত্যাদি যথেষ্ট পরিমাণে
খান। এসব খাবারের মধ্যে উপস্থিত আঁশ ও
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের সজীবতা বজায়
রাখে
ও হজমে সহায়তা করে।
টাটকা ফল ও সবজিতে উপস্থিত বায়োটিন ত্বক
ও চুল ভালো রাখে। ফলমূল ও শাকসবজির
পাশাপাশি গোটাদানাশস্য, সয়াবিনজাতীয় প্রোটিন
সমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন। অ্যালার্জির
ধাত থাকলে, ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হলে রিফাইনড
কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার যেমন চিনি, ময়দা,
গমজাতীয় খাবার খাওয়া কমিয়ে দিন।
ত্বক ও চুলের যত্ন নিন :
গরমে বাতাসের আর্দ্রতা যেমন বেড়ে যায়,
তেমনি
ত্বকের আর্দ্রতাও বাড়তে থাকে। ঘরের ভিতর
এবং বাইরের তাপমাত্রায় যেহেতু পার্থক্য থাকে,
তাই ত্বকের আর্দ্রতার ভারসাম্যও নষ্ট হয়ে
যায়। স্বাভাবিকভাবেই তখন ত্বকে নানান সমস্যা
দেখা দেয়। তাই দিনে তিন চারবার ভালো
ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়া দরকার।
পানি দিয়ে মুখ ধোয়ার পর ভেজা ভাব থাকতে
থাকতেই ময়েশ্চারাইজার লাগান। গরমে শরীরের
অয়েল গ্ল্যান্ড থেকে তেল বেশি নিঃসৃত হয়
বলে
হাত-পায়ের ত্বক তেলতেলে হয়ে যায়। এতে
শরীরে ময়লা আটকায় বেশি। গোসলে ভালো
মানের
সাবান বা শাওয়ার জেল ব্যবহার করুন। মাঝে মাঝে
পার্লারে বা বাড়িতেই ম্যানিকিওর, পেডিকিওর
করুন।
গরমকালের তপ্ত আবহাওয়া ও সূর্যের অতিবেগুনী
রশ্মির কারণে চুলের উজ্জ্বলতা নষ্ট হয়ে যায়।
চুলের আগা ফাটে, নিষ্প্রাণ হয়ে যায়, এমনকি
চুলের গ্রোথ পর্যন্ত কমে যায়। খুশকির সমস্যা
দেখা দেয় এবং চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা দ্বিগুণ
বেড়ে যায়। তাই চুলে নিয়মিত তেল লাগানো
উচিত।
সপ্তাহে দুই বারের বেশি শ্যাম্পু না করাই ভালো।
চুলের ময়েশ্চার বজায় রাখার জন্য শ্যাম্পু করার
পর ভালো মানের কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।
সঠিক পোশাক বাছুন :
গরমকালে সুতি, লিনেনের মতো তাপ সুপরিবাহী
পোশাক পরুন। এতে গরম ভাব কম লাগবে।
পোশাকে হালকা রং বেছে নিন। অতিরিক্ত ফিটিং
জামাকাপড় এড়িয়ে চলুন। অনেকেই বাচ্চাদের
ঠাণ্ডা লাগা থেকে বাঁচানোর জন্য অতিরিক্ত
কাপড় পরিয়ে দেন। এটা করবেন না।
বাচ্চারা যেহেতু এক জায়গায় স্থির হয়ে থাকে না,
ছুটোছুটি করতে থাকে, ফলে শরীর সহজেই
ঘেমে
যায়, যার থেকে শরীর খারাপ হতে পারে।
ভেবেচিন্তে পোশাক বাছুন যা তাদের জন্য
আরামদায়ক হয়।
খেলাধুলা করুন :
কায়িক শ্রম শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
বৃদ্ধি
করে। তবে একঘেয়ে ব্যায়াম করতে ভালো না
লাগলে খেলাধুলা করতে পারেন। রোলার স্কেটিং,
সাইকেলিং, সাঁতার গরমকালের জন্য আদর্শ খেলা।
বন্ধুবান্ধবদের খেলায় সামিল করে নিন। এতে
আপনি আরো বেশি উপভোগ করতে পারবেন।

Address

Bagmara Bazar, Opposite Of Global Tower
Cumilla
3570

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Friday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00

Telephone

1831311298

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bagmara Medical Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram