Sajal's Diet Falsafa

Sajal's Diet Falsafa খাবারকে ভয় পেয়ে নয়, সুস্থ থাকুন খাবারকে ভালোবেসে!! Many diseases that can be reversed through diet can never be cured through medicine.

If you feel exhausted to treat your Chronic diseases like diabetes, heart disease, stroke, osteoporosis, fatty liver, obesity, ovarian cysts or reproductive complications,
A proper diet with a proper lifestyle may become the best thing ever happened to you. Food is the medicine of future.

02/02/2026

প্রায়ই দেখা যায় ডায়েট করতে গেলে প্রথমে একটু ওজন কমে তারপর একই জায়গায় আটকে যায়।

এটা কেন হয়, আর কিইবা এ থেকে মুক্তির উপায়??

মুহাম্মদ সজল
ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট

আগে বলা হত যারা প্রচুর(দিনে ৩০০+ গ্রাম) গাঢ় সবুজ শাক খান, আবার রক্ত পাতলা করার ওষুধ আইমিন ব্লাড থিনারও নেন, তাদের ক্ষেত্...
01/02/2026

আগে বলা হত যারা প্রচুর(দিনে ৩০০+ গ্রাম) গাঢ় সবুজ শাক খান, আবার রক্ত পাতলা করার ওষুধ আইমিন ব্লাড থিনারও নেন, তাদের ক্ষেত্রে কোন কোন ক্ষেত্রে সম্ভাবনা থাকে, গাঢ় সবুজ শাকে থাকা ভিটামিন কে-১ আপনার ব্লাড থিনারের রক্ত পাতলা করার ইফেক্ট কমিয়ে দিতে পারে। আবার, ভিটামিন কে-১ আপনার প্রয়োজনও হয় একটা কোফ্যাক্টর হিসেবে।

২০১৯ সালে এটা নিয়ে বাল্টিমোর কনভেশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত মেরিকান সোসাইটি ফর নিউট্রিশন কনফারেন্সে একটা পেপার প্রেজেন্ট করা হয়, যেখানে উল্লেখ করা হয়, আসলে খাবার থেকে এক্সট্রা ভিটামিন কে-১ যতটুকুই নেয়া হোক না কেন, তা বেশ স্লোলি এবজর্ব ও ইউটিলাইজড হয়। পাশাপাশি কে-১ যতটা না ব্লাডকে জমিয়ে দেয় তারচেয়ে বেশি হোমিওস্ট্যাসিস মেইনটেইন করে। ফলে রক্ত অতি ঘন বা অতি পাতলা কোনটাই হয় না। এছাড়া, ডার্ক গ্রিন লিফি ভেজিটেবলস বা কড়া সবুজ শাকে থাকা ভিটামিন সি কমপ্লেক্স, পলিফেনলস আবার ব্লাডকে থিনিং ইফেক্ট দেয়।

ভিটামিনের সাথে ড্রাগের কাজের ধরনের তফাত অনেক। ভিটামিনের কাজের ধরন হয় মূলত বায়োকেমিক্যাল প্রসেসগুলোকে ব্যালেন্সিং করা, যেকোন একদিকে একচেটিয়া নিয়ে যাওয়া নয়।

তাই, যারা ভিটামিন কের সাথে ব্লাড থিনার খাচ্ছেন, তারা দিনে ৩০০ গ্রামের বেশি গাঢ় সবুজ শাক অতি সহজেই খেতে পারবেন, অসুবিধা নেই ইনশা আল্লাহ।

ডেস্ক জব হোল্ডারদের ওজন নিয়ন্ত্রনের আটটি হেলথ হ্যাকঃ পার্ট সিক্সমানুষের শরীরটা তৈরি মূলত লম্বা সময় ধরে হাটার জন্য। সেটা ...
31/01/2026

ডেস্ক জব হোল্ডারদের ওজন নিয়ন্ত্রনের আটটি হেলথ হ্যাকঃ পার্ট সিক্স

মানুষের শরীরটা তৈরি মূলত লম্বা সময় ধরে হাটার জন্য। সেটা কতটুকু??

মেন্স হেলথ ম্যাগাজিন বলছে, এখন থেকে দুশো বছর আগে, ১৮০০ সালে মানুষ এভারেজ হাটতো দিনে ১৫ হাজার স্টেপ।
এখন থেকে একশো বছর আগে, ১৯০০ সালে মানুষ দিনে এভারেজ ১০-১২ হাজার স্টেপ হাটতো। এখন মানুষ গড়ে হাটে সাড়ে চার থেকে পাচ হাজার স্টেপ। মানে, আমাদের গত দুইশো বছরে হাটা কমেছে ৭০%।

মানুষের শরীর দিনে গড়ে ৬ থেকে ২০ কিলোমিটার হাটার জন্য তৈরি। চেম্বারে কেউ আসলে যখন বলি দিনে ৪-৬ কিলোমিটার হাটতে, অনেকেই অবাক হন। অথচ এইটা বেয়ার মিনিমাম, এর কম মুভমেন্ট করলে ব্রেইন ভাববে আপনি এত ধনী যে আপনার মুভমেন্ট প্রয়োজন নাই। ব্রেইন তখন ওয়েট গেইনিং মেকানিজম স্টার্ট করে দেবে।

শুধু এটাই না।

মানুষ এখন তার ১০ বছর বয়স থেকেই স্কুল-কলেজের কল্যানে দিনে ৬-১২ ঘন্টা বসে থাকে। এই বসে থাকাটা চলে প্রায় সারাজীবন। জীবনের প্রায় ৩০% সময় বসে থাকা আমাদেরকে একটা ডিফল্ট ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের শিকারে পরিনত করে।

এর সাথে যোগ করুন, ব্যবহারের অভাবে কমতে থাকা নিতম্ব ও পায়ের পেশী। বয়সের কারনে ৩০ বছরের পরে প্রতি দশ বছরে আমরা গড়ে ৫ শতাংশ মাসল হারাই। এই মাসলগুলো আমরা সবচেয়ে বেশি হারাই পা, হাত ও নিতম্ব থেকে।

অথচ আমাদের শরীরের সবচে বড় স্কেলেটাল মাসলগুলোই থাকে এই অঙ্গগুলিতে।

যেহেতু স্কেলেটাল মাসল সবচে বেশি গ্লুকোজ জমায় ও বার্ন করে, আপনি স্কেলেটাল মাসল হারানোর সাথে সাথে দ্রুতগতিতে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্ট হয়ে ওঠেন।

জব লাইফ শুরুর পরের ১০ বছরের মধ্যেই অনেকে অতিরিক্ত ওজন, হাই কোলেস্টেরল এবং ডায়বেটিসে আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম প্রধান কারন হচ্ছে কোয়াড্রিসেপ্স-হ্যামস্ট্রিং মাসল গ্রুপ এবং গ্লুটিয়াল মাসল গ্রুপকে ব্যবহার না করা।

এই মাসলগুলোকে ইন্যাক্টিভ রেখে বেশিরভাগ মানুষ খাওয়া কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রন, ভুড়ি কমাতে চায়। বাস্তবে এটা অসম্ভব।

তাই আপনি যদি ডেস্ক জব করেও নিজের ওজন স্বাভাবিক রাখতে চান, আপনার অবশ্যই লেগ ও গ্লুটসের ওপরে জোর দেবেন। এতে আপনার ওজন এক অদৃশ্য মেকানিজমে কন্ট্রোলে থাকবে, সাথে আপনি দূরে থাকবেন ডায়বেটিস ও ইরেক্টাইল ডিজফাংশান থেকেও।

ডেস্ক জব হোল্ডারদের ওজন নিয়ন্ত্রনের আটটা হেলথ হ্যাকঃ পার্ট ফাইভবাসার বাইরে লম্বা সময় থাকেন, প্রচুর বসে থাকতে হয়(দিনে ৮+ঘ...
30/01/2026

ডেস্ক জব হোল্ডারদের ওজন নিয়ন্ত্রনের আটটা হেলথ হ্যাকঃ পার্ট ফাইভ

বাসার বাইরে লম্বা সময় থাকেন, প্রচুর বসে থাকতে হয়(দিনে ৮+ঘন্টা) এবং এরপরেও চান যেন ওজন না বাড়ে, তারা কি করবেন??

ফলৌ দিজ এইট হ্যাক্স।

পাচ নম্বর হ্যাক হচ্ছে নো স্ন্যাকিং।

অফিস কালচারের সবচেয়ে বড় ক্ষতিকর দিকই হচ্ছে এক্সেসিভ স্ন্যাকিং।

উদাহরন দেই।
সকাল এগারোটার দিকে এক কাপ দুধ চা/মিল্ক কফি/চিনি দিয়ে রঙ চা, সাথে দুইটা বিস্কিট। প্রায়ই এর সাথে একটা কলা/আপেল অথবা একটা কেক/দুই তিনটা সিঙ্গাড়া/সমুচা। অনেকেই এই চা/কফির বেলায় এক কাপে আটকে থাকেন না। তাদের দরকার হয় দফায় দফায় দিনে ৮-১০ কাপ চা/কফি। কমোডে বসলে দশ মিনিটের আগে নড়তে না পারলে কি হবে?? চা কফি চাই-ই চাই।

এরপর দুপুরে ভাত খেয়ে বসে থাকা তো আছেই, দেখা যায় চারটা পাচটার দিকে আবার খাচ্ছেন কোক/ফান্টা/পেপসি, একটা চিপ্স বা পপকর্ন।

সন্ধ্যা ৭টা/রাত ৮টার দিকে মোগলাই পরোটা/ফ্রাইড চিকেন/চিকেন তন্দুরী, গ্রিল্ড চিকেনের সাথে নান, পিৎজা, অথবা, আর কিছু না খেলেও ন্যুডলস/পাস্তা।

রাত ১০টা/১১টায় ডিনারে ভাত খেয়ে ১২টা-১টার দিকে ফোন স্ক্রল করতে করতে আবার 'কিছু একটা' খাবার তাড়না!!

এই যে প্রতিটা মিল, প্রতিটা মিলের একটা করে ফলাফল আছে।

ইনসুলিন স্পাইক।

প্রতিবার এই মিলগুলি থেকে পাওয়া ইনসুলিন স্পাইক আপনার প্যানক্রিয়াসকে একটু একটু করে কাহিল করে, আপনার লিভারকে একটু একটু করে চর্বিতে মোড়ায়।

যারা ডেস্ক জব করেন কিন্তু ওজন-পেটের মেদ নিয়ন্ত্রনে রাখতে চান, আপনাদের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে, কিছুতেই বাইরের খাবার না খাওয়া। একেবারেই না, একেবারেই না।

যা খাবেন, বাসাতেই খাবেন।

এবং অফিসে যা খাবেন, বাসা থেকে ক্যারি করবেন।

জিরো স্ন্যাকিং শুধু আপনাকে বাড়তি ওজন থেকেই বাচাবে তা না, দেখবেন অনেকটা হাতখরচও বাচবে।

ডেস্ক জব হোল্ডারদের ওজন নিয়ন্ত্রনের আটটা হেলথ হ্যাকঃ পার্ট ফোরবাসার বাইরে লম্বা সময় থাকেন, প্রচুর বসে থাকতে হয়(দিনে ৮+ঘন...
29/01/2026

ডেস্ক জব হোল্ডারদের ওজন নিয়ন্ত্রনের আটটা হেলথ হ্যাকঃ পার্ট ফোর

বাসার বাইরে লম্বা সময় থাকেন, প্রচুর বসে থাকতে হয়(দিনে ৮+ঘন্টা) এবং এরপরেও চান যেন ওজন না বাড়ে, তারা কি করবেন??

ফলৌ দিজ এইট হ্যাক্স।

ডিনার ৭টার আগে সেরে ফেলা।

ডিনার সেটা যাই হোক, ৭টার মধ্যে সেরে ফেলেন। এরচে দেরি করে আপনার কোন গেইন হবে না।

আমাদের শরীর সন্ধ্যা ৭টার পর থেকে সার্কাডিয়ান রিদমের মাধ্যমে অটোম্যাটিক্যালি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স তৈরি করতে শুরু করে। শুধু যে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সই তৈরি করতে শুরু করে তাই-না, বরঞ্চ ডাইজেস্টিভ এনজাইম(গ্যাস্ট্রিক+প্যানক্রিয়াটিক) এবং স্টমাক এসিড সিক্রেশনও রাত ৮টার পর থেকেই কমতে শুরু করে। আমাদের পরিপাকতন্ত্র রাত ৮টার পর খাবার হজমের জন্য তৈরি না, আমাদের মগজও রাত ৮টার পর খাবার প্রস্তুতিতে থাকে না।

ফলে, রাত ৮টার পর খাবার খেলে তার ফল হয়, ম্যাক্সিমাম ইনসুলিন সিক্রেশন। রাতের একটা হেভি ডিনার আপনার ফাস্টিং এবং খাবার পরের ব্লাড গ্লুকোজ দুটোই ম্যাক্সিমাম লেভেলে নিতে সহায়তা করে।

দুর্ভাগ্যজনক হচ্ছে, আমাদের সমস্ত অফিস পরবর্তী আড্ডা, পার্টি, দাওয়াত, প্রোগ্রাম আমরা যেহেতু সন্ধ্যার পরেই করতে বাধ্য হই, আমাদের দিনের সবচেয়ে ভারী খাওয়াটা শেষমেশ রাত ৯-১০টার দিকেই হয়।

যারা ওজনকে নিয়ন্ত্রনে রাখতে চান, এই সহজ নিয়মটা মানুন, সন্ধ্যা ৭টার পরে খাবার নয়।

ডেস্ক জব হোল্ডারদের ওজন নিয়ন্ত্রনের আটটা হেলথ হ্যাকঃ পার্ট থ্রিবাসার বাইরে লম্বা সময় থাকেন, প্রচুর বসে থাকতে হয়(দিনে ৮+ঘ...
28/01/2026

ডেস্ক জব হোল্ডারদের ওজন নিয়ন্ত্রনের আটটা হেলথ হ্যাকঃ পার্ট থ্রি

বাসার বাইরে লম্বা সময় থাকেন, প্রচুর বসে থাকতে হয়(দিনে ৮+ঘন্টা) এবং এরপরেও চান যেন ওজন না বাড়ে, তারা কি করবেন??

ফলৌ দিজ এইট হ্যাক্স।

প্রথমেই আমরা বলেছি সকালের মিলটা বড় নিতে হবে, কারন এটাই সেই মিল যা থেকে আপনি সারাদিনের বেশিরভাগ কাজের শক্তিটা পাবেন। এই মিল যদি আপনি হালকা নেন, তাহলে বারবার ক্ষুধা লাগতে থাকবে আর বেশিরভাগ মানুষই এই ভুলটা করেন।

দ্বিতীয় হ্যাকে আমরা বলেছি ১ ঘন্টা পরপর ৫ মিনিট করে হাটতে। এভাবে আমরা অফিসে থেকেই দিনে ৩.৫ কিলোমিটার হেটে ফেলতে পারি।

তৃতীয় হ্যাকে আমরা লাঞ্চ নিয়ে আলাপ করবো।

হেভি ব্রেকফাস্টের পর লাঞ্চে আসলে আমাদের দরকার হবে এমন মিল যার ক্যালরি ভ্যালু খুব বেশি না কিন্তু স্যাটাইটি বা তৃপ্তি দেবে বেশি এবং গ্লুকোজ লেভেল লম্বা সময় ধরে স্বাভাবিক করে রাখবে।

যেহেতু ব্রেকফাস্টে আপনার বেশ খানিকটা প্রোটিন নেয়া হয়েছে এবং কার্ব কম নেয়া হয়েছে, আপনি লাঞ্চে ৬০% কার্ব নেবেন, ১৫-২০% প্রোটিন আর ২০-২৫% ফ্যাট নেবেন। কিন্তু এই কার্বগুলো হবে স্লো কার্ব। এখানে আপনার হাইটের ইঞ্চিকে ৮ দিয়ে গুন করে ক্যালরি নেবেন(মেয়েরা), পুরুষরা নেবেন ১০ দিয়ে গুন করে।
তো এভাবে খেলে, লাঞ্চে আপনার খাওয়া হবে প্রায়ঃ-
২৫০ গ্রাম বাদামী/লাল/কালো চালের ভাত(এটা ভাতের ওজন৷ চালের ওজন ৭০-৮০ গ্রাম হবে এখানে)
এটা কিন্তু অনেকখানি ভাত।
এরপর, সবজি খেতে পারবেন আরো প্রায় ২০০ গ্রাম। আলু-মিষ্টি কুমড়া-কচুকে এখানে সবজি হিসেবে না ধরলেই আপনার লাভ।

এরপরেও আপনি ৫০ গ্রাম মসুর দিয়ে রান্না করা ডাল খেতে পারবেন, যা প্রায় এক কাপ ঘন ডালের সমান।

এতকিছুর পর আপনার পেটে যেটুকু জায়গা থাকবে সেখানে ১২০-১৫০ গ্রাম মাছ/মাংস যোগ করলে আশা করি আর ক্ষুধা লাগবে না।
এই পুরো রান্নায় ১ টেবিল চামচের বেশি এক্সট্রা তেলের প্রয়োজন নেই।

একটু চেষ্টা করলে এই খাবারটা বাসায়ই তৈরি করে অফিসে নেয়া সম্ভব, তাই শুধু শুধু বাইরের খাবার
খেয়ে পেটের ও স্বাস্থ্যের বারোটা বাজানোর প্রয়োজন নেই।

যারা ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখতে চান, তারা বেলা ১১টা-বিকেল ৫টা, এই সময়ের বাইরে কার্বোবাইড্রেট না খাওয়াই ভাল।

আর হ্যা, সব দোষ ভাতের ওপর দিয়ে লাভ নেই। আমরা সবচে বেশি কার্ব খাই স্ন্যাক্সের মাধ্যমে, নিজের অজান্তে। ভাতের ক্যালরি কাউন্ট খুব বেশি না এবং একটু স্ট্র‍্যাটেজিক হলে ভাত খেয়েও ডায়েট করা যায়।

তবে সেটা হয়তো আপনার প্রিয় সাদা ভাত না!!

ডেস্ক জব হোল্ডারদের ওজন নিয়ন্ত্রনের আটটা হেলথ হ্যাকঃ পর্ব-২আমরা অনেকেই ডেস্কে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকি। এতে আমাদের সম্পু...
27/01/2026

ডেস্ক জব হোল্ডারদের ওজন নিয়ন্ত্রনের আটটা হেলথ হ্যাকঃ পর্ব-২

আমরা অনেকেই ডেস্কে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকি। এতে আমাদের সম্পুর্ন দেহের ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়ে, আর দুর্বল হয় লোয়ার ব্যাকসহ উরুর মাংসপেশীও। ক্রমেই এই মাংসপেশীতে ক্ষয় দেখা দেয় এবং এরপর শুরু হয় মেরুদন্ডের হাড়ের দুর্বলতা।

আমরা যারা নিজেদের ওজনকে স্বাভাবিক রাখতে চাই, আমাদের একটা অতি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হওয়া উচিত কোনমতেই যেন আমাদের ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বেড়ে না যায়। এটা বেড়ে গেলেই ওজন কমানো বেশ কঠিন হয়ে পড়ে আর বাড়তে থাকে ডায়বেটিসের ঝুকি।

এই সমস্যা এড়ানোর খুব সহজ উপায় হচ্ছে প্রতি ঘন্টায় পাচ মিনিট হাটার চেষ্টা করা। আপনার অফিস আওয়ার যদি ৯টা-৬টা হয়ে থাকে এবং প্রতি ঘন্টা পর আপনি ৫ মিনিট করে হাটার চেষ্টা করেন, ৮টা ব্রেকে আপনি হাটবেন প্রায় ৪০ মিনিট, প্রায় ৩.৫ কিলোমিটার, তেমন কোন চেষ্টা ছাড়াই।

এটা কোন ছোটখাট ব্যাপার না কারন শহরের জীবনে দিনে ৪-৫ কিলোমিটার টানা হাটার সময় বের করা বেশ কঠিন ব্যাপার, সেখানে অফিস আওয়ারেই ৩-৩.৫ কিলো হেটে ফেলাটা আপনাকে অনেকখানি এগিয়ে দেবে।

আর এতে আপনার লো ব্যাক পেইন কমবে প্রায় ২৩% ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের ঝুকি কমবে অন্তত ১৭.৫%।

ডেস্ক জব হোল্ডারদের ওজন নিয়ন্ত্রনের আটটা হেলথ হ্যাকঃবাসার বাইরে লম্বা সময় থাকেন, প্রচুর বসে থাকতে হয়(দিনে ৮+ঘন্টা) এবং এ...
26/01/2026

ডেস্ক জব হোল্ডারদের ওজন নিয়ন্ত্রনের আটটা হেলথ হ্যাকঃ

বাসার বাইরে লম্বা সময় থাকেন, প্রচুর বসে থাকতে হয়(দিনে ৮+ঘন্টা) এবং এরপরেও চান যেন ওজন না বাড়ে, তারা কি করবেন??

ফলৌ দিজ এইট হ্যাক্স।

১)দিনের প্রথম মিলটা হবে বেশ বড়, আপনার হাইট যত ইঞ্চি তাকে ১২ দিয়ে গুন করলে যত ক্যালরি হয় অন্তত তত ক্যালরি থাকলে ভাল। ধরেন আপনার হাইট ৫ ফুট, আপনাকে সেক্ষেত্রে ৭২০+ ক্যালরির একটা মিল প্রথম মিলে নিতে হবে।

এই মিলে রাখতে পারেন অন্তত ৩০০ গ্রাম ভেজিটেবলস, মাছ/গরু/মুরগী অন্তত ১৫০ গ্রাম, ৩০-৫০ গ্রাম ফুল ফাইবার রাইস বা বার্লি বা ছোলাবুট এবং মোট ফ্যাট নিতে পারেন ১ থেকে ২ টেবিল চামচ।

সুবিধাঃ

এই মিলটা হাই প্রোটিন, মডারেট ফ্যাট এবং হাই ফাইবার(প্রায় ৯-১৩ গ্রামের মত ডায়েটারি ফাইবার এখানে থাকবে)। ফলে এটা লম্বা সময় ধরে আপনাকে এনার্জি যেমন দিতে পারবে তেমনি আপনার ব্লাড গ্লুকোজও স্টেবল থাকবে। ইনসুলিন স্পাইক কম হওয়াতে আপনার লাঞ্চ পর্যন্ত ইনসুলিন লেভেল মডারেটলি লো থাকবে, ফলে এটা আপনার ওয়েট বাড়তে বাধা দেবে।

ফ্যাট ও প্রোটিনের স্যাটাইটি স্কোর খুবই হাই। স্যাটাইটি স্কোর হচ্ছে সেই জিনিস যা ইন্ডিকেট করে কোন খাবার আমাদের ব্রেইনে কতটুকু তৃপ্তির অনুভুতি তৈরি করে।

তাহলে মোদ্দাকথাঃ
-নিজের হাইটকে ইঞ্চিতে নিয়ে ১২ দিয়ে গুন দিন-পেয়ে যাবেন ক্যালরির মাপ
-এনিম্যাল প্রোটিন নেবেন আপনার হাইটের ইঞ্চি মাপের অন্তত আড়াই গুন
-সবজি নেবেন প্রোটিনের ওজনের দ্বিগুন
-কার্ব নেবেন ফুল ফাইবার ওয়ালা

এখন, এখানে একটা লুপহোল আছে, যা ফুলফিল না করলে এই মিল নেয়ার পরেই আপনার চিট করতে ইচ্ছা করবে।

সেটা কি??

সেটা হচ্ছে সল্ট। এমনিতে যতটুকু সল্ট নেন সকালের মিলে তারচেয়ে হাফ চিমটি বেশি নিয়েন, নয়তো শুধু চিট করতে ইচ্ছা করবে।

26/01/2026

নতুন মেরিকান ডায়েটারি গাইডলাইন নিয়ে আপনাদের মতামত কি??

আমাদের ক্যাম্পাসের এক সিনিয়র, আরমান ভাই(ছদ্মনাম) কিছুদিন আগে আমাকে জানালেন যে ওনার কিছু ভাল্লাগে না, রাতে ঘুমও আসে না। ও...
25/01/2026

আমাদের ক্যাম্পাসের এক সিনিয়র, আরমান ভাই(ছদ্মনাম) কিছুদিন আগে আমাকে জানালেন যে ওনার কিছু ভাল্লাগে না, রাতে ঘুমও আসে না। ওনার একমাত্র পছন্দের কাজ হচ্ছে ফোন স্ক্রল করে রিলস দেখা।

ভাইয়ের মেজাজ মর্জি প্রায় সময়ই খারাপ থাকে। কোন কিছুতে ফোকাস একেবারেই রাখতে পারেন না। অল্পতেই উত্তেজিত হয়ে পড়েন আর এটা ওটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করেন। আবার, কাজ করতে গেলে দেখা যায় এনার্জি নাই।

ইদানীং সেক্স ড্রাইভও কমে গেছে, ভাবীকে দেখলে নাকি একটু বিরক্তই লাগে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, ভাই ভাবী কি রাগারাগি বেশি করে??

ভাই উত্তর দিলেন, নাহ।

তাইলে বিরক্ত কেন লাগে??
এমনেই।

ওহ।

বলতে বলতে ভাই ফোন স্ক্রল করা শুরু করলেন।

আরমান ভাইয়ের এই অবস্থা হচ্ছে এক প্রকার ডোপামিন ডেফিসিয়েন্ট অথবা ডোপামিন এডিকশন স্টেট।

কয়েক সপ্তাহ পর আবার একদিন ভাই ফোন দিলেন।
এবার শুনলাম, ভাইয়ের মেমোরি উইকনেস শুরু হয়েছে। সেই সাথে যখন তখন উড়াধুড়া ক্ষুধা লাগা।

ভাইকে বললাম চেম্বারে আসেন। আমার চেম্বারে আসা তো একটু ভেজালেরই ব্যাপার বটে। আসতে আসতে মোটামুটি ৩ সপ্তাহ লেগে গেল।

আমি ভাইকে কয়েকটা সিম্পল ট্রিক ফলো করতে বললাম, ১৫ দিন যাবত। প্রয়োজনে অফিস থেকে সিক লিভ নিতে হবে তাও এইটা করতেই হবে।

মাস দুই চেষ্টা করে ভাই ছুটিটা ম্যানেজ করলেন।

১)সন্ধ্যার পর থেকে অন্ধকারে থাকা। বাটন ফোন ইউজ করা।
২)জিরো সুগার-কোন প্রকার সুগার না খাওয়া
৩)প্রতিদিন ৪০ হাজার আইইউ ভিটামিন ডি নেয়া(ভিটামিন ডি লেভেল চেক করে এরপর বলেছি, সবার জন্য এটা প্রযোজ্য না)
৪)দিনে ১ ঘন্টা করে রোদে থাকা
৫)টিভি দেখা অফ করে দেয়া
৬)অন্তত ৩০ মিনিট কুড়াল দিয়ে কাঠ কাটা অথবা কোদাল দিয়ে মাটি কাটা বা লনের ঘাস কাটা(এটা শারীরিক শক্তির পাশাপাশি ফোকাস ডেভেলপমেন্টে কাজে আসে)
৭)দিনে অন্তত ৩০০ গ্রাম গরুর গোশত খাওয়া
৮)ভাত-রুটি-আলু না খেয়ে ছোলা-বার্লি-খেজুর খাওয়া
৯)দিনে অন্তত ১ ঘন্টা হাটা
১০)সচেতন ভাবে নাক দিয়ে নি:শ্বাস নেয়া।

১৫ দিন পর আরমান ভাই তাজা।

ওনার বেশিরভাগ সমস্যাই ৭-৮ দিন থেকেই ঠিক হয়ে গেছে।

এখন উনি আগের মত প্রবলেম হলেই বাটন ফোনে শিফট করেন।

যাদের এংজাইটি, মেজাজের ভারসাম্যহীনতা, ফোকাসের অভাব, মেমরি উইকনেস এবং সেক্স ড্রাইভ কমে যাবার সমস্যা আছে, এই দশটা ট্রিক ফলো করার জন্য ১৫ দিন না পারেন, ৭ দিনের একটা ব্রেকে যান। সম্ভব হলে অবশ্যই এর সাথে যোগ করবেন স্ট্রেন্থ ট্রেইনিং।

জীবন একটাই, বেচে থাকাটা উপভোগ করার জন্য মাঝে মাঝে এসব করতে হয়।

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং শুরু করবেন কিভাবে??ওকে, গুড কোশ্চেন।প্রথম করনীয় কাজ হচ্ছে, কোন সময় থেকে কোন সময় আপনার পক্ষে আসলে ন...
24/01/2026

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং শুরু করবেন কিভাবে??

ওকে, গুড কোশ্চেন।

প্রথম করনীয় কাজ হচ্ছে, কোন সময় থেকে কোন সময় আপনার পক্ষে আসলে না খেয়ে থাকা সম্ভব, সেটা খুজে বের করা।
ধরেন আজকে আপনি আমার পোস্ট দেখে ইন্টারমিটেন্ট শুরু করলেন, তারপর কালকে অফিস করার সময় মাথা ঘুরে পড়ে গেলেন।

এটা কি ঘটতে পারে?? খুব স্বাভাবিকভাবেই ঘটতে পারে।

এজন্য, আমি যেটা বলি সবাইকে, ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করার সময় অবশ্যই আপনার ইটিং উইন্ডো আর ফাস্টিং উইন্ডো নিজে থেকে সিলেক্ট করবেন, অন্য কাউকে সিলেক্ট করতে দেবেন না। কারন আপনার জীবনটা অন্য কেউ যাপন করে না।

আগে একটু বলে নেই, সবার হয়তো জানার কথা না, বিভিন্ন ধরনের ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং আছে।

১৪ঃ১০
১৫ঃ৯
১৬ঃ৮
১৮ঃ৬
২০ঃ৪
২৪ঃ২৪
২৪ঃ১২
৩০ঃ১২
৩২ঃ১৬
৩৬ঃ২৪
৪৮ঃ২৪ (শুনে ভয় পেতে পারেন) এই গুলো সবই বিভিন্ন ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিংএর ফাস্টিং আর ইটিং উইন্ডো।

যাদের এখনো কোন মেজর মেডিক্যাল ইস্যুজ নাই, তারা ১৪ঃ১০-১৬ঃ৮ করলেই ইনাফ, সপ্তাহে তিনদিন করলেই হবে, দেখবেন ফ্যাটি লিভার বা ভিসেরাল ফ্যাট আপনার শরীরে জায়গা পাবে না সহজে।

এখন কিভাবে করবেন, সেদিকে আসি।

প্রথম ইস্যু-হাইড্রেশনঃ পানিশুন্যতায় ভোগা যাবে না। তাই বিটুইন দ্যা মিলস, যথেষ্ট পানি খেতে হবে।

দ্বিতীয় ইস্যুঃ মিনারেলাইজেশানঃ বিশেষভাবে সোডিয়াম, পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম, প্লাস কার্বনেট-ফসফেটের ব্যালেন্স মেইনটেইন করে যাওয়া। সোডিয়াম-পটাসিয়াম-ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতিতে আপনার ব্লাড প্রেসার লেভেলের বারোটা বাজবে, হার্টবিট লাগামছাড়া হওয়ার ভয় থাকবে। ফাস্টিং চলাকালে তাই যথেষ্ট মিনারেল, ইভেন কিছুক্ষেত্রে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি মিনারেল নিতে হবে।

তৃতীয় ইস্যুঃম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্টস। আপনার ক্যালরি ডেফিসিটে থাকার দরকার আছে কিনা, নিউট্রিশনিস্টের সাথে কথা বলে নেবেন। অনেকক্ষেত্রেই ক্যালরি ডেফিসিটে থাকার আসলে দরকারই থাকে না।

চতুর্থ ইস্যুঃ মিল ডিস্ট্রিবিউশন। আপনি সাহরী না খেয়ে বাজে ভাবে রোযা রাখতে চেষ্টা করবেন না, সেটা ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং হবে না। ডায়েট আর ইবাদতকে গুলায়ে ফেলবেন না দয়া করে। অবশ্যই রাতে/ভোরে খাবেন এবং সেটা হবে একটা হেভি মিল। আপনার কাজ করার জন্য শক্তির প্রয়োজন আছে। পাশাপাশি ফাস্ট ব্রেক করার পর যে মিলটা নেবেন সেটা যেন আপনাকে কাহিল না করে।

লাস্টঃ ফ্যাট খাওয়া। কি ধরনের ফ্যাট খাচ্ছেন তার ওপর নির্ভর করে আপনার ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিংয়ের ফল কি হবে। সাধারনের জন্য আমি প্রেফার করবো, ৫০% স্যাচুরেটেড, ২০% মনো আনস্যাচুরেটেড এবং ৩০% পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট খেতে। তবে, ব্যক্তিভেদে এটা ভিন্ন হতে পারে।

এই বিষয়গুলি নিয়ে ভাবলে আপনি বুঝতে পারবেন ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং আপনার জন্য কেমন হতে পারে।

সতর্কতাঃ ইনসুলিন নিচ্ছেন এমন রোগীরা বা ব্লাড প্রেসার-হার্ট ডিজিজের সমস্যা আছে এমন রোগীরা ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং একা একা করবেন না।

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং একজন মানুষের পুরো জীবনকেই বদলে দিতে পারে যদি আপনি সঠিকভাবে করতে পারেন।

আয়রনের অভাবে আক্রান্ত অনেকে মনে করেন, পালংশাকে অনেক আয়রন এবং ঘটনাটা আসলেই সত্যি। বাস্তবে প্রতি একশো গ্রাম পালংশাকে আয়রন ...
23/01/2026

আয়রনের অভাবে আক্রান্ত অনেকে মনে করেন, পালংশাকে অনেক আয়রন এবং ঘটনাটা আসলেই সত্যি। বাস্তবে প্রতি একশো গ্রাম পালংশাকে আয়রন থাকে মাত্র ২.৭ মিলিগ্রাম, যেটা এমনকি গরুর গোশতের চাইতেও বেশি।

কিন্তু একটা ঝামেলা আছে, যেকারনে আয়রনের জন্য পালংশাক খেলে জীবনেও আপনার এনিমিয়া ভাল হবে না।

ঝামেলাটার নাম হচ্ছে, অক্সালেট।

পালংশাকে অক্সালেট থাকে একশো গ্রামে ৬০০-১২০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত, যা রান্না করলে কমে ১০০-২০০ মিলিগ্রামে পৌছায়। এই অক্সালেট একটা এন্টাই নিউট্রিয়েন্ট, মানে এটা পুষ্টি শোষনে বাধা দেয়।

আবার, পালংশাকে থাকা আয়রন হচ্ছে নন হিম আয়রন। এটা ব্লাডে থাকা হিমোগ্লোবিন ও কোষে থাকা ফেরিটিন সরাসরি বাড়াতে পারে না।

ফলে, গরুর গোশতের চেয়ে পালংশাকে আয়রন বেশি থাকার পরেও, পালংশাকে থাকা বিপুল আয়রনের মাত্র ১.৫% আমাদের শরীরে শোষিত হয়, প্রতি একশো গ্রাম পালংশাক থেকে টেকনিক্যালি আমরা শোষন করতে পারি মাত্র ০.০৪৪ মিলিগ্রাম আয়রন। কিন্তু একশো গ্রাম গরুর গোশত থেকে আমরা শোষন করতে পারি ০.৫ গ্রাম আয়রন, যা পালংশাকের তুলনায় ১২৫০% বেশি!!

অতএব, আয়রনের স্বল্পতায় মাথা টাথা ঘুরছে যাদের, প্রচুর পালংশাক খেলেই আপনি পাপাই হয়ে যাবেন না বরঞ্চ এটা অন্য খাবার থেকেও আপনার আয়রন শোষন কমিয়ে দিতে পারে।

পালংশাক, কচুশাক বা সবুজ শাক খেলে আয়রন ডেফিসিয়েন্সি দূর হয় এই ধারনা ঠিক নয়।

Address

Sunday-Thursday Thyrocare Consultation Center Rupsha Tower, House 72, Level-3, Road No.11, Dhaka-1213 (Saturday) Ascent Health Limited House: 1/C, Road: 2/A, Block: J Baridhara, Dhaka-1212
Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 08:00 - 23:00
Tuesday 08:00 - 23:00
Wednesday 08:00 - 11:00
Thursday 08:00 - 23:00
Friday 08:00 - 23:00
Saturday 08:00 - 23:00
Sunday 08:00 - 23:00

Telephone

+8801992051548

Website

https://sajalsdietfalsafa.com/

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sajal's Diet Falsafa posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Sajal's Diet Falsafa:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram