Speech Aid Bangladesh

Speech Aid Bangladesh Speech Aid Bangladesh (SAB) is a social organization that works for people with special needs. Our consultancy service is accessible to everyone.

Speech Aid Bangladesh (SAB) is established with a noble view to create awareness among mass people about Speech, Language, and Communication Impairment. SAB is the first organization in Bangladesh that has taken such initiative. Along with building a knowledgeable community, SAB arranges awareness programs to create mass awareness and provide free consultancy about Speech and Language Therapy through online and over the phone call. We also provide Mental health support to the parents of special children. Parents of children with Neuro-developmental Disorder (NDD) and adults with voice as well as speech problems can get proper initial information and guidance just by making a phone call to our hotline number. SAB believes conveying messages is the prerequisite to become a self-advocate.

২১শে ফেব্রুয়ারি—আমাদের ভাষা, আমাদের পরিচয়, আমাদের আত্মমর্যাদার দিন।যাদের আত্মত্যাগে বাংলা ভাষা আজ আমাদের হৃদয়ের ভাষা,...
21/02/2026

২১শে ফেব্রুয়ারি—আমাদের ভাষা, আমাদের পরিচয়, আমাদের আত্মমর্যাদার দিন।
যাদের আত্মত্যাগে বাংলা ভাষা আজ আমাদের হৃদয়ের ভাষা, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা।
ভাষার মর্যাদা রক্ষায় সচেতন থাকি, মানবতা ও সংস্কৃতিকে ভালোবাসি।
শ্রদ্ধা শহীদদের প্রতি। 🇧🇩

19/02/2026

“আমরা বুঝতে না পেরে অনেক সময় শিশুকে শান্ত রাখার জন্য স্মার্টফোন দিয়ে দিই। কিন্তু অল্প বয়সে অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম —শিশুর চোখ, ঘুম, মনোযোগ, এমনকি ভাষা বিকাশেও বড় প্রভাব ফেলে।

স্ক্রিনের কারণে তারা মানুষের সাথে কম যোগাযোগ করে—ফলে বাড়ে Speech Delay, সামাজিকীকরণ সমস্যা আর আচরণগত চ্যালেঞ্জ।

শিশুর সামনে নিজের স্ক্রিন টাইম কমান, খেলনা–ভিত্তিক খেলার পরিবেশ তৈরি করুন, আর খাওয়ানোর সময় ফোন একেবারেই এড়িয়ে চলুন। দিনে মাত্র কয়েক মিনিটের Quality time—গল্প, খেলা, চোখে চোখ রাখা—একটি শিশুর ভাষা ও আচরণে অসাধারণ পরিবর্তন আনতে পারে।

শিশুর ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি নয়—সম্পর্ক দিয়ে তৈরি হয়।”

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে কল করুন:

আজিমপুর শাখাঃ
+8801886-085264
ঠিকানাঃ
১৯, নিউপল্টন, আজিমপুর, ঢাকা-১২০৫।

বাড্ডা শাখাঃ
+8801849-984518, +8801849-974458
ঠিকানাঃ
বাসাঃ ৩৫, রোডঃ ১১, ডি আই টি প্রজেক্ট, মেরুল বাড্ডা, ঢাকা- ১২১২।

ওয়ারী শাখাঃ
+8801804-214421, +8801850-114327
২৮/১ (৪র্থ তলা), শাহ সাহেব লেন, নারিন্দা, ওয়ারি, ঢাকা।

🌙 Ramadan Mubarak from Speech Aid Bangladesh Ltd. 🌙Ramadan teaches us patience, compassion, and responsibility toward ot...
19/02/2026

🌙 Ramadan Mubarak from Speech Aid Bangladesh Ltd. 🌙

Ramadan teaches us patience, compassion, and responsibility toward others. At Speech Aid Bangladesh, we are reminded that supporting children with special needs requires the same values — patience, love, and dedication.

This holy month, let us spread kindness, strengthen empathy, and work together for a more inclusive society.

May Allah accept our prayers and efforts.
Ramadan Mubarak. 🤍

অডিটরি প্রসেসিং ডিজঅর্ডার (APD)অডিটরি প্রসেসিং ডিজঅর্ডার (APD), যাকে সেন্ট্রাল অডিটরি প্রসেসিং ডিজঅর্ডার (CAPD)ও বলা হয়,...
18/02/2026

অডিটরি প্রসেসিং ডিজঅর্ডার (APD)

অডিটরি প্রসেসিং ডিজঅর্ডার (APD), যাকে সেন্ট্রাল অডিটরি প্রসেসিং ডিজঅর্ডার (CAPD)ও বলা হয়, এমন একটি অবস্থা যেখানে কানে শ্রবণক্ষমতা স্বাভাবিক থাকলেও মস্তিষ্ক শোনা শব্দ ঠিকভাবে বিশ্লেষণ ও বোঝাতে সমস্যায় পড়ে। এটি কানের সমস্যা নয়, বরং শব্দ কীভাবে মস্তিষ্কে প্রক্রিয়াকরণ হয়—তার সঙ্গে সম্পর্কিত।

🔰 APD-এর সাধারণ লক্ষণঃ

APD-এর লক্ষণ শিশুদের মধ্যে বেশি চোখে পড়ে এবং অনেক সময় ADHD বা ভাষাগত বিলম্বের সঙ্গে মিল থাকায় ভুলভাবে চিহ্নিত হতে পারে। সাধারণ লক্ষণগুলো হলো—

🔸 কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে কথা বুঝতে অসুবিধা
🔸 নির্দেশনা অনুসরণে সমস্যা, বিশেষ করে একাধিক ধাপে
🔸 বারবার পুনরাবৃত্তি চাইতে হওয়া
🔸 মিলযুক্ত শব্দ আলাদা করতে কষ্ট হওয়া
🔸 মৌখিক তথ্য মনে রাখতে অসুবিধা
🔸 দ্রুত কথা বলা বুঝতে সমস্যা
🔸 পড়া, বানান ও লেখায় দুর্বলতা
🔸 প্রশ্নের উত্তর দিতে দেরি হওয়া

🔰 APD-এর চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা

APD-এর স্থায়ী চিকিৎসা নেই, তবে সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কার্যকর যোগাযোগ ও শেখার দক্ষতা উন্নত করা সম্ভব।

মূল ব্যবস্থাপনা তিনটি স্তরে করা হয়—

১. পরিবেশগত পরিবর্তন
কোলাহল কমানো, ভিজ্যুয়াল সহায়তা, ধীরে ও পরিষ্কারভাবে কথা বলা, ক্লাসরুমে সামনে বসানো, লিখিত নির্দেশনা দেওয়া ইত্যাদি।

২. থেরাপির মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি (SLP)
শব্দ পার্থক্য করা, অডিটরি মেমরি, নির্দেশনা অনুসরণ ও শোনার কৌশল উন্নয়নে স্পিচ থেরাপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

৩. অডিওলজিক হস্তক্ষেপ
লক্ষ্যভিত্তিক অডিটরি ট্রেনিং ও প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়ক ডিভাইস ব্যবহার।

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে কল করুন:

আজিমপুর শাখাঃ
+8801886-085264
ঠিকানাঃ
১৯, নিউপল্টন, আজিমপুর, ঢাকা-১২০৫।

বাড্ডা শাখাঃ
+8801849-984518, +8801849-974458
ঠিকানাঃ
বাসাঃ ৩৫, রোডঃ ১১, ডি আই টি প্রজেক্ট, মেরুল বাড্ডা, ঢাকা- ১২১২।

ওয়ারী শাখাঃ
+8801804-214421, +8801850-114327
২৮/১ (৪র্থ তলা), শাহ সাহেব লেন, নারিন্দা, ওয়ারি, ঢাকা।

নিউরোডাইভার্সিটি: প্রতিটি মস্তিষ্কই অনন্যঅনেক মা–বাবাই উদ্বিগ্ন হয়ে ভাবেন—“আমার সন্তান অন্যদের মতো আচরণ করে না কেন?”এই প...
14/02/2026

নিউরোডাইভার্সিটি: প্রতিটি মস্তিষ্কই অনন্য

অনেক মা–বাবাই উদ্বিগ্ন হয়ে ভাবেন—
“আমার সন্তান অন্যদের মতো আচরণ করে না কেন?”
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই আমাদের পরিচিত হওয়া দরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণার সঙ্গে— নিউরোডাইভার্সিটি।

🔰 নিউরোডাইভার্সিটি কী?

নিউরোডাইভার্সিটি বলতে বোঝায় মানুষের মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বৈচিত্র্য। যেমন প্রতিটি মানুষের আঙুলের ছাপ আলাদা, তেমনি চিন্তা করা, শেখা, অনুভব করা এবং আচরণ করার ধরনও আলাদা হতে পারে। এই ধারণার মধ্যে অটিজম, ADHD, ডিসলেক্সিয়া, ডিসপ্রাক্সিয়াসহ বিভিন্ন নিউরোডেভেলপমেন্টাল বৈশিষ্ট্য অন্তর্ভুক্ত—তবে নিউরোডাইভার্সিটি শুধু কোনো রোগ বা অবস্থার নাম নয়। এটি ব্যক্তিত্ব, সংবেদনশীলতা এবং শেখার ভিন্ন ধরনকেও ধারণ করে।

নিউরোডাইভার্সিটি আমাদের শেখায়, এই পার্থক্যগুলো দুর্বলতা নয়—বরং ভিন্ন শক্তি ও ভিন্ন চ্যালেঞ্জের প্রকাশ।

ভিন্নতা মানেই অক্ষমতা নয়ঃ

উদাহরণস্বরূপ, ADHD–সম্পন্ন একটি শিশু হয়তো প্রচলিত ক্লাসরুমে দীর্ঘ সময় মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না, কিন্তু হাতে–কলমে বা উদ্দীপনামূলক কার্যক্রমে সে অসাধারণ দক্ষতা দেখাতে পারে। এমন পরিবেশে তাদের সৃজনশীলতা ও সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
গবেষণায় দেখা যায়, জনসংখ্যার প্রায় ৫–১০% মানুষের মধ্যে ADHD বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং প্রতি ৫৪ জন শিশুর মধ্যে একজন অটিজম স্পেকট্রামে অবস্থান করে। এই বাস্তবতাগুলো বোঝা অভিভাবক ও শিক্ষকদের জন্য কার্যকর সহায়তা কৌশল তৈরি করতে সহায়ক।

অনেক নিউরোডাইভারজেন্ট ব্যক্তি অসাধারণ সৃজনশীলতা, বিশ্লেষণী ক্ষমতা কিংবা উদ্ভাবনী চিন্তাধারার পরিচয় দেন। ইতিহাসের অনেক সফল উদ্যোক্তা, শিল্পী ও উদ্ভাবকের নিউরোডাইভারজেন্ট পটভূমি রয়েছে—যা প্রমাণ করে, ভিন্ন মস্তিষ্ক মানেই সীমাবদ্ধতা নয়।

🔰 নিউরোডাইভারজেন্ট শিশুর কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্যঃ

নিউরোডাইভারজেন্ট শিশুরা প্রায়ই—

🔶 একই রুটিনে স্বস্তি বোধ করে এবং পরিবর্তনে অস্বস্তি অনুভব করে
🔶 শব্দ, আলো বা স্পর্শের প্রতি অতিসংবেদনশীল হতে পারে
🔶 আমাদের কাছে “অস্বাভাবিক” মনে হয় এমন উপায়ে যোগাযোগ করে, যা তাদের কাছে অর্থবহ
🔶 সাধারণ বিষয়ে মনোযোগ ধরে রাখতে না পারলেও আগ্রহের বিষয়ে গভীরভাবে নিমগ্ন হতে পারে
🔶 চিত্র, স্পর্শ বা চলনভিত্তিক পদ্ধতিতে তুলনামূলক ভালো শেখে

এই আচরণগুলো খারাপ আচরণ নয়, কিংবা অভিভাবকের ব্যর্থতারও প্রমাণ নয়। এগুলো হলো তাদের মস্তিষ্কের পৃথিবীকে বোঝার নিজস্ব উপায়।

🔰 প্রচলিত কিছু ভুল ধারণাঃ

অনেক সময় নিউরোডাইভারজেন্ট শিশুদের আচরণ ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়—

“ও শুধু জেদ করছে”
আসলে আচরণই অনেক সময় শিশুর যোগাযোগের ভাষা। তারা চাপ, চাহিদা বা সংবেদনশীলতা আচরণের মাধ্যমে প্রকাশ করে।

“বড় হলে ঠিক হয়ে যাবে”
নিউরোডাইভারজেন্ট বৈশিষ্ট্য অনেক সময় প্রাপ্তবয়স্ক পর্যন্ত থাকে। সময়মতো সহায়তা ভবিষ্যতের শক্ত ভিত্তি তৈরি করে।

“আরও শাসন দরকার”
শাসনের চেয়ে প্রয়োজন বোঝাপড়া, কাঠামো এবং মস্তিষ্কভিত্তিক সহায়ক কৌশল।

“ও বুদ্ধিমান নয়”
বুদ্ধিমত্তা একরকম নয়। অনেক নিউরোডাইভারজেন্ট শিশুর নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অসাধারণ দক্ষতা থাকে।

🔰 নিউরোডাইভার্সিটি গ্রহণে অভিভাবকের ভূমিকাঃ

নিউরোডাইভারজেন্ট শিশুকে সহায়তা করার ক্ষেত্রে অভিভাবকের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই সহায়তা মানে শুধু চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করা নয়, বরং শক্তিগুলো খুঁজে বের করে সেগুলো লালন করা।

🔸 আচরণ পর্যবেক্ষণ করুন, অনুমান নয়—কী তাকে চাপ দেয়, কী আনন্দ দেয় তা বোঝার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে পরিবেশ মানিয়ে নিন; অতিরিক্ত শব্দ বা আলো কমান, চিত্রভিত্তিক সহায়তা দিন এবং একটি পূর্বানুমেয় রুটিন তৈরি করুন।

🔸 নিজে শিখুন এবং অন্যদেরও শেখান। নিউরোডাইভার্সিটি সম্পর্কে জানলে পরিবার ও সমাজে গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে। শিশুর অনুভূতিকে স্বীকৃতি দিন—তাদের অনুভব বাস্তব এবং গ্রহণযোগ্য।

🔸 শেখার পরিবেশ শিশুর উপযোগী করে তুলুন। কেউ যদি প্রচলিত পদ্ধতিতে কষ্ট পায়, তবে চিত্রভিত্তিক বা ব্যক্তিকেন্দ্রিক শেখার কৌশল ব্যবহার করুন। শক্তিগুলোকে কাজে লাগান—সঙ্গীত, ছবি বা গতিশীল কার্যক্রমের মাধ্যমে শেখাকে সহজ করুন।

🔸প্রয়োজনে পেশাদার সহায়তা নিন। স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্ট, অকুপেশনাল থেরাপিস্ট ও শিক্ষকেরা শিশুর জন্য কার্যকর কৌশল নির্ধারণে সহায়তা করতে পারেন।

স্পিচ থেরাপি কী?স্পিচ থেরাপি হলো একটি বৈজ্ঞানিক ও পরিকল্পিত থেরাপিউটিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে শিশু ও বড়দের কথা বলা, ভাষা...
10/02/2026

স্পিচ থেরাপি কী?

স্পিচ থেরাপি হলো একটি বৈজ্ঞানিক ও পরিকল্পিত থেরাপিউটিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে শিশু ও বড়দের কথা বলা, ভাষা বোঝা, উচ্চারণ, শ্বাস-প্রশ্বাসের নিয়ন্ত্রণ এবং সামগ্রিক যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করা হয়। এই থেরাপি পরিচালনা করেন প্রশিক্ষিত স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ প্যাথলজিস্ট (SLP), যিনি ব্যক্তির বয়স, বর্তমান ভাষাগত সক্ষমতা, যোগাযোগের চাহিদা এবং পরিবেশগত প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে একটি ব্যক্তিভিত্তিক থেরাপি পরিকল্পনা তৈরি করেন।
স্পিচ থেরাপির মূল লক্ষ্য হলো একজন ব্যক্তিকে তার চিন্তা, অনুভূতি ও প্রয়োজন স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে সক্ষম করে তোলা এবং কার্যকর যোগাযোগের মাধ্যমে তার আত্মবিশ্বাস ও সামাজিক অংশগ্রহণ বাড়ানো।

কেন স্পিচ থেরাপি প্রয়োজন?
যখন কোনো শিশু বা ব্যক্তি বয়স অনুযায়ী ভাষা ও যোগাযোগ দক্ষতা অর্জনে পিছিয়ে পড়ে, তখন স্পিচ থেরাপির প্রয়োজন দেখা দেয়। শিশুর ক্ষেত্রে এই বিলম্ব বিভিন্ন কারণে হতে পারে—জন্মগত, শারীরিক, স্নায়ুবিক কিংবা পরিবেশগত।

জন্মগত সমস্যা যেমন ঠোঁট বা তালুর ফাঁক, জিহ্বা বা মুখের গঠনজনিত জটিলতা শিশুর স্বাভাবিক উচ্চারণ ও শব্দ গঠনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। স্নায়ুবিক বা বিকাশজনিত অবস্থার কারণে—যেমন অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার, ডাউন সিন্ড্রোম বা সেরিব্রাল পালসি—শিশুর ভাষা বোঝা ও প্রকাশের দক্ষতা ধীরগতিতে বিকশিত হতে পারে।

শ্রবণ সমস্যা বা বারবার কানে সংক্রমণ থাকলেও শিশুর স্পিচ ও ভাষা বিকাশে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে। শিশু যদি শব্দ ঠিকভাবে না শোনে, তাহলে সঠিক উচ্চারণ, শব্দ ব্যবহার ও বাক্য গঠন শেখা তার জন্য কঠিন হয়ে যায়।

এছাড়া ভাষা-সমৃদ্ধ পরিবেশের অভাব, পর্যাপ্ত কথোপকথনের সুযোগ না থাকা কিংবা সামাজিক যোগাযোগ কম থাকাও ভাষাগত বিলম্বের অন্যতম কারণ। বিশেষ করে জীবনের প্রথম দিকের বছরগুলোতে এই ঘাটতি ভবিষ্যতে শেখা ও যোগাযোগে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।

সঠিক সময়ে স্পিচ থেরাপি না নিলে কী হতে পারে?
স্পিচ বা ভাষাগত সমস্যাকে অবহেলা করলে তা কেবল কথা বলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। ধীরে ধীরে এটি শিশুর শিক্ষাগত অগ্রগতি, সামাজিক মেলামেশা এবং আত্মবিশ্বাসকে প্রভাবিত করে। অনেক শিশু শ্রেণিকক্ষে অংশগ্রহণে পিছিয়ে পড়ে, বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগে সংকোচ বোধ করে এবং নিজের কথা প্রকাশ করতে না পেরে মানসিক চাপ অনুভব করে।

স্পিচ থেরাপির উপকারিতাঃ

সময়মতো স্পিচ থেরাপি শুরু করলে শিশু —

🔶কথা বলা ও ভাষা বোঝার দক্ষতা উন্নত করতে পারে
🔶উচ্চারণ ও বাক্য গঠনে স্পষ্টতা অর্জন করে
🔶সামাজিক যোগাযোগ ও কথোপকথনে আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে
🔶শিক্ষাগত ও দৈনন্দিন জীবনে আরও সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারে

স্পিচ থেরাপি শুধু ভাষা শেখায় না; এটি একজন মানুষকে তার নিজের কণ্ঠস্বর খুঁজে পেতে সাহায্য করে।

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে কল করুন:

আজিমপুর শাখাঃ
+8801886-085264
ঠিকানাঃ
১৯, নিউপল্টন, আজিমপুর, ঢাকা-১২০৫।

বাড্ডা শাখাঃ
+8801849-984518, +8801849-974458
ঠিকানাঃ
বাসাঃ ৩৫, রোডঃ ১১, ডি আই টি প্রজেক্ট, মেরুল বাড্ডা, ঢাকা- ১২১২।

ওয়ারী শাখাঃ
+8801804-214421, +8801850-114327
২৮/১ (৪র্থ তলা), শাহ সাহেব লেন, নারিন্দা, ওয়ারি, ঢাকা।

সঠিক সময়ে কথা বলতে শেখা শিশু বিকাশের একটি গুরুত্বপুর্ণ দিক। কোনো শিশু যদি যথাযথ সময়ে কথা শেখা এবং বলতে শুরু না করে তাহলে...
04/02/2026

সঠিক সময়ে কথা বলতে শেখা শিশু বিকাশের একটি গুরুত্বপুর্ণ দিক। কোনো শিশু যদি যথাযথ সময়ে কথা শেখা এবং বলতে শুরু না করে তাহলে অবহেলা না করে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।

অনলাইনে একজন বিশেষজ্ঞ স্পিচ থেরাপিস্টের থেকে পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন ০১৮২৬৮৫২৩৭৮ নম্বরে।

“আপনার শিশু কি ২ বছর বয়সেও কথা বলছে না, অতিরিক্ত চঞ্চল কিংবা কোনো কিছুতে মনোযোগ ধরে রাখতে পারছে না।শিশুর দেরিতে কথা বলা,...
01/02/2026

“আপনার শিশু কি ২ বছর বয়সেও কথা বলছে না, অতিরিক্ত চঞ্চল কিংবা কোনো কিছুতে মনোযোগ ধরে রাখতে পারছে না।

শিশুর দেরিতে কথা বলা, অস্বাভাবিক আচরণ, অতিচঞ্চলতা কিংবা ডাকলে সাড়া না দেওয়া সহ নানাবিধ বিকাশজনিত সমস্যা নিয়ে কাজ করছে Speech Aid Bangladesh ।

শিশুদের এই বিকাশজনিত সমস্যাগুলো সমাধানে প্রয়োজন নিয়মিত থেরাপি গ্রহণ যা একটি দীর্ঘ মেয়াদি প্রক্রিয়া। স্পিচ এইড বাংলাদেশের রয়েছে কোয়ালিফাইড থেরাপিস্টদের নিয়ে মাল্টিডিসিপ্লিনারী টিম, যাদের সার্বিক প্রচেষ্টায় বিশেষ শিশুদের লক্ষণীয় উন্নতি করানো সম্ভব হয় তুলনামূলক কম সময়ের মধ্যে। এছাড়া রয়েছে প্যারেন্টস ট্রেনিং, বাচ্চাদের জন্য হোম এক্টিভিটি প্ল্যান এবং ঢাকার বাইরের অভিভাবকদের জন্য অনলাইন ফলো-আপের ব্যবস্থা।

আমাদের সেবা সমূহ:
১। স্পিচ থেরাপি (Speech Therapy)
২। অকুপেশনাল থেরাপি (Occupational Therapy)
৩। বিহেভিয়ার থেরাপি (Behavior Therapy)
৪। স্পেশাল স্কুল (Special School)

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে কল করুন:

আজিমপুর শাখাঃ
+8801886-085264, +8801568-085265
ঠিকানাঃ
১৯, নিউপল্টন, আজিমপুর, ঢাকা-১২০৫।

বাড্ডা শাখাঃ
+8801849-984518, +8801849-974458
ঠিকানাঃ
বাসাঃ ৩৫, রোডঃ ১১, ডি আই টি প্রজেক্ট, মেরুল বাড্ডা, ঢাকা- ১২১২।

ওয়ারী শাখাঃ
+8801804-214421, +8801850-114327
২৮/১ (৪র্থ তলা), শাহ সাহেব লেন, নারিন্দা, ওয়ারি, ঢাকা।

31/01/2026

“আপনার শিশু কি ২ বছর বয়সেও কথা বলতে শুরু করেনি,
অতিরিক্ত চঞ্চল কিংবা
কোনো কিছুতে মনোযোগ ধরে রাখতে পারছে না।"

শিশুর দেরিতে কথা বলা, অস্বাভাবিক আচরণ, অতিচঞ্চলতা কিংবা ডাকলে সাড়া না দেওয়া সহ নানাবিধ বিকাশজনিত সমস্যা নিয়ে কাজ করছে Speech Aid Bangladesh । শিশুদের এই বিকাশজনিত সমস্যাগুলো সমাধানে প্রয়োজন নিয়মিত থেরাপি গ্রহণ। স্পিচ এইড বাংলাদেশের রয়েছে কোয়ালিফাইড স্পিচ এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্ট, অকুপেশনাল থেরাপিস্ট, বিহেভিয়ার থেরাপিস্ট, স্পেশাল এডুকেটরসহ একটি অভিজ্ঞ মাল্টিডিসিপ্লিনারি টিম,যারা অভিভাবকদের সঙ্গে মিলে শিশুর ভাষা, আচরণ এবং সামগ্রিক বিকাশে কাজ করে থাকে।

এখানে রয়েছে Parents Empowerment Program, যেখানে অভিভাবকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় কীভাবে ঘরের পরিবেশেই থেরাপি এক্টিভিটি কার্যকরভাবে করা যায়। এতে শিশুর অগ্রগতি আরও দ্রুত ও স্থায়ী হয়।

আমাদের সেবা সমূহ:
১। স্পিচ থেরাপি (Speech Therapy)
২। অকুপেশনাল থেরাপি (Occupational Therapy)
৩। বিহ্যাভিয়্যার থেরাপি (Behavior Therapy)
৪। স্পেশাল স্কুল (Special School)

আপনার শিশুর থেরাপি যাত্রায় নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য এবং ফলপ্রসূ সেবা পেতে—স্পিচ এইড বাংলাদেশ হতে পারে আপনার বিশ্বস্ত সঙ্গী।

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে কল করুন:

আজিমপুর শাখাঃ
+8801886-085264, +8801568-085265
ঠিকানাঃ
১৯, নিউপল্টন, আজিমপুর, ঢাকা-১২০৫।

বাড্ডা শাখাঃ
+8801849-984518, +8801849-974458
ঠিকানাঃ
বাসাঃ ৩৫, রোডঃ ১১, ডি আই টি প্রজেক্ট, মেরুল বাড্ডা, ঢাকা- ১২১২।

ওয়ারী শাখাঃ
+8801804-214421, +8801850-114327
২৮/১ (৪র্থ তলা), শাহ সাহেব লেন, নারিন্দা, ওয়ারি, ঢাকা।

বাচন ও ভাষা বিকাশে শিশুদের জন্য স্পিচ এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপির গুরুত্ব।একটি শিশু যখন কথা বলতে শেখে, তখন সে শুধু শব্দ উচ্...
31/01/2026

বাচন ও ভাষা বিকাশে শিশুদের জন্য স্পিচ এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপির গুরুত্ব।

একটি শিশু যখন কথা বলতে শেখে, তখন সে শুধু শব্দ উচ্চারণ করে না—সে ধীরে ধীরে নিজের অনুভূতি, চাহিদা ও চিন্তাকে প্রকাশ করতে শেখে। কথা বলা শিশুর সামাজিক যোগাযোগ, শেখা এবং আত্মবিশ্বাস গড়ে ওঠার একটি মৌলিক ভিত্তি। কিন্তু অনেক শিশুর ক্ষেত্রে বয়স অনুযায়ী ভাষা বিকাশ স্বাভাবিক গতিতে এগোয় না। ঠিক এখানেই স্পিচ থেরাপি হয়ে ওঠে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

স্পিচ এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি কী?

স্পিচ এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি হলো একটি বৈজ্ঞানিক ও লক্ষ্যভিত্তিক চিকিৎসা প্রক্রিয়া, যেখানে শিশুর যোগাযোগ দক্ষতা উন্নয়নের জন্য পরিকল্পিত কার্যকলাপ ও কৌশল ব্যবহার করা হয়। এই থেরাপি সহায়তা করে শব্দ উচ্চারণের সমস্যা, ভাষা বোঝা ও প্রকাশের সীমাবদ্ধতা, তোতলামি, কণ্ঠস্বরের সমস্যা, এমনকি খাওয়ার ও গিলার জটিলতা সমাধানে।

স্পিচ-ল্যাঙ্গুয়েজ প্যাথোলজিস্টের ভূমিকাঃ

স্পিচ-ল্যাঙ্গুয়েজ প্যাথোলজিস্ট (SLP) বা বাক-ভাষা বিশেষজ্ঞরা প্রথমে শিশুর যোগাযোগ, ভাষা ও মৌখিক মোটর দক্ষতা মূল্যায়ন করেন। এরপর শিশুর বয়স, প্রয়োজন ও সক্ষমতা অনুযায়ী একটি ব্যক্তিকেন্দ্রিক থেরাপি পরিকল্পনা তৈরি করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ শিশুর শেখা শুধু থেরাপি রুমেই সীমাবদ্ধ থাকে না—ঘর ও স্কুলেও তা চর্চা প্রয়োজন।

কখন স্পিচ থেরাপি প্রয়োজন?

আপনার শিশুর যদি—
• বয়স অনুযায়ী কথা বলতে দেরি হয়
• শব্দ বা বাক্য গঠনে সমস্যা থাকে
• অন্যের কথা বুঝতে কষ্ট হয়
• তোতলামি বা কণ্ঠস্বরের সমস্যা দেখা যায়
• খাবার খেতে অস্বীকৃতি বা গিলতে অসুবিধা হয়

তাহলে স্পিচ থেরাপির প্রয়োজন হতে পারে। দ্রুত মূল্যায়নই সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রথম ধাপ।

শিশুদের জন্য স্পিচ থেরাপির উপকারিতাঃ

স্পিচ থেরাপির মাধ্যমে শিশুরা ধীরে ধীরে স্পষ্ট ও কার্যকরভাবে কথা বলতে শেখে। তারা শুধু শব্দ উচ্চারণেই দক্ষ হয় না, বরং নিজের চাহিদা, অনুভূতি ও চিন্তা সঠিকভাবে প্রকাশ করার সক্ষমতা অর্জন করে। এর ফলে বাবা–মা, শিক্ষক ও সহপাঠীদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ আরও সহজ ও অর্থবহ হয়ে ওঠে।
নিয়মিত স্পিচ থেরাপি শিশুর শোনার দক্ষতা, মনোযোগ, স্মৃতি ও ভাষা বোঝার ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে, যা স্কুলে শেখার প্রস্তুতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করে। ভাষাগত উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে শিশুরা শ্রেণিকক্ষে নির্দেশনা বুঝতে পারে, প্রশ্ন করতে শেখে এবং দলগত কার্যকলাপে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—স্পিচ থেরাপি শিশুর আত্মবিশ্বাস ও আত্মসম্মান গড়ে তোলে। যখন একটি শিশু নিজেকে বোঝাতে পারে এবং অন্যরা তাকে বুঝতে পারে, তখন তার মধ্যে স্বাধীনতা, ইতিবাচক আচরণ ও সামাজিক সম্পর্ক গড়ে ওঠার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। এই উন্নতি শুধু শৈশবেই নয়, ভবিষ্যতের শিক্ষাগত ও সামাজিক জীবনের জন্যও একটি শক্ত ভিত তৈরি করে।

প্রারম্ভিক হস্তক্ষেপ কেন এত জরুরি?

গবেষণা ও বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, ৫ বছরের আগেই স্পিচ থেরাপি শুরু করলে উন্নতি হয় দ্রুত ও দীর্ঘস্থায়ী। এতে ভবিষ্যতের শিক্ষাগত ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ কমে আসে এবং দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজনও হ্রাস পায়।

ঘরে অভিভাবকের ভূমিকাঃ

শিশুর স্পিচ থেরাপির সাফল্যে অভিভাবকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। থেরাপি সেন্টারে শেখা দক্ষতাগুলো ঘরে নিয়মিত চর্চা হলে শিশুর অগ্রগতি আরও দ্রুত হয়। দৈনন্দিন কথোপকথনে নতুন শব্দ ব্যবহার, গল্প বলা, গান বা ভাষাভিত্তিক খেলায় অংশ নেওয়া শিশুর ভাষা শেখাকে আনন্দময় করে তোলে।
এছাড়া অভিভাবকের সঠিক ভাষা ব্যবহার, ধৈর্য ধরে শোনা এবং ইতিবাচক সামাজিক আচরণ প্রদর্শন শিশুদের জন্য একটি বাস্তব উদাহরণ তৈরি করে, যা তারা সহজেই অনুকরণ করতে পারে। এই সক্রিয় ও সহানুভূতিশীল অংশগ্রহণ শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং শেখার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

আপনার শিশুর জন্য অভিজ্ঞ Speech and Language Therapist খোঁজে পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে কল করুন:

আজিমপুর শাখাঃ
+8801886-085264
ঠিকানাঃ
১৯, নিউপল্টন, আজিমপুর, ঢাকা-১২০৫।

বাড্ডা শাখাঃ
+8801849-984518, +8801849-974458
ঠিকানাঃ
বাসাঃ ৩৫, রোডঃ ১১, ডি আই টি প্রজেক্ট, মেরুল বাড্ডা, ঢাকা- ১২১২।

ওয়ারী শাখাঃ
+8801804-214421, +8801850-114327
২৮/১ (৪র্থ তলা), শাহ সাহেব লেন, নারিন্দা, ওয়ারি, ঢাকা।

স্পিচ এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপির মাধ্যমে শিশুর ভাষা শেখার যাত্রাঃশিশু হঠাৎ করে একদিনে ভাষা ব্যবহার করা শুরু করে না। ভাষা জ...
29/01/2026

স্পিচ এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপির মাধ্যমে শিশুর ভাষা শেখার যাত্রাঃ

শিশু হঠাৎ করে একদিনে ভাষা ব্যবহার করা শুরু করে না। ভাষা জন্ম নেয় ধীরে ধীরে, শিশুর ভেতরের ছোট্ট জগতে—চোখের দৃষ্টি, অঙ্গভঙ্গি, শব্দ, আর ভাগ করা মুহূর্তগুলোর ভিতরে। স্পিচ ও ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিতে আমরা ভাষা শেখাকে এক ধরনের যাত্রা হিসেবে দেখি, যেখানে প্রতিটি ধাপ পরের ধাপকে প্রস্তুত করে। কোনো একটি ধাপ যত শক্তভাবে গড়ে ওঠে, পুরো যোগাযোগ ব্যবস্থাই তত সুন্দরভাবে বিকশিত হয়।
চলুন দেখি—একটি শিশু কীভাবে ধাপে ধাপে ভাষা শিখে, বিশেষ করে থেরাপির সহায়তায়।

যাত্রার শুরু: মনোযোগ দিতে শেখা

শিশু শব্দ বুঝবে, কথা বলবে—তার আগে প্রয়োজন একটাই জিনিস: মনোযোগ। এটি শুধু চোখে চোখ রাখা নয়, এটি সংযোগ তৈরি করার দক্ষতা। থেরাপিতে প্রথমে খুব সাধারণ কিন্তু আনন্দভরা খেলাগুলো দিয়ে শুরু হয় যেমনঃ বল পাসিং, বাবলস নিয়ে বা কোনো মিউজিক্যাল টয় নিয়ে খেলা। এই মুহূর্তগুলোতে শিশু এক অনন্য বিষয় শেখে—যোগাযোগ মানে একসঙ্গে থাকা, অপেক্ষা করা, প্রতিক্রিয়া দেওয়া।

অনেক অভিভাবকই অবাক হন—মনোযোগ কি শেখানো যায়!
কিন্তু সত্য হলো, মনোযোগ স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি হয় না; এটি বারবার অভিজ্ঞতার মাধ্যমে গড়ে তোলতে হয়। আর মনোযোগ ছাড়া ভাষার কোনো ধাপই উন্নয়ন সম্ভব নয়।

পরের ধাপ: ভাষা ও নির্দেশ বুঝতে শেখা

মনোযোগের দক্ষতা তৈরি হওয়ার পর প্রতিটি অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে শিশুরা ধীরে ধীরে ভাষা ও শব্দের অর্থ বোঝতে শেখে। থেরাপিস্টরা সহজ নির্দেশ দিয়ে শুরু করেন যেমনঃ
“আসো”
“দাও”
“নাও”
“বসো”
শিশু হয়তো প্রথমদিকে শুধুই ইশারা দেখে বোঝে, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে শুধু শব্দ শুনেই প্রতিক্রিয়া দিতে শুরু করে। এই ধাপটিই ভাষার জগতে শিশুর প্রথম বড় জাগরণ—“ওরা আমাকে কিছু বলছে… আর আমি বুঝতে পারছি!”

শব্দ সঞ্চয়: Receptive Vocabulary গড়ে ওঠা

কিছু সহজ নির্দেশ বুঝতে শেখার পর শিশুর মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে আরও অনেক শব্দ চিনতে শুরু করে। এটাকেই আমরা বলি শব্দভাণ্ডার ধারণ—শুনে শব্দ জমা করে রাখা।
এই সময়ে থেরাপিতে সাধারণত শিশুর পরিচিত জগৎকে যুক্ত করা হয়—
• পরিবারের সদস্যদের নাম
• যে খাবার সে পছন্দ করে
• দৈনন্দিন ব্যবহারের খেলনা
• রং, পশুপাখি, পরিচিত জিনিস

শিশুটি হয়তো এসব শব্দ বলতে পারে না, কিন্তু সে শুনছে, বুঝছে, মনে রাখছে। এটি বীজ বপনের মতো—উপর থেকে দেখা যায় না, কিন্তু ভেতরে ভেতরে শিকড় খুব দ্রুত বাড়ছে।

শব্দ ব্যবহার: নিজের কণ্ঠ খুঁজে পাওয়া

যখন শিশুর শব্দ ভান্ডার বাড়তে থাকে তারা ধীরে ধীরে তার ব্যবহার শিখতে শুরু করে এবং তখনই শুরু হয় ভাষার প্রকাশ। ভাষা প্রকাশের শুরুর দিকে শিশুরা অনুকরণ (Copy) করতে শেখে।যেমনঃ
শব্দের শেষ অংশ বলা
সহজ নাম ডাকা
ছোট বাক্য রিপিট করা

তারপর আসে নিজে নিজে বলা, যেমনঃ
“বল!”
“দাও।”
“আম্মা আসো।”
“আর চাই।”

এই ছোট্ট শব্দগুলোর মধ্যেই একটা বড় পরিবর্তন লুকিয়ে থাকে। শিশু আর শুধু শব্দ বা নির্দেশ গ্রহণ করছে না, সে যোগাযোগে অংশ নিচ্ছে। সে শব্দ দিয়ে নিজের ইচ্ছা, প্রয়োজন, অনুভূতি প্রকাশ করতে শুরু করেছে।
থেরাপিতে এই ধাপটিকে মজবুত করা হয় খেলাধুলা, মডেলিং, বাক্য প্রসারণ এবং নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে। ধীরে ধীরে শব্দ → ছোট বাক্য → দীর্ঘ বাক্যে পরিণত হয়।

ভাষার যাত্রা সরল নয়—এটাই স্বাভাবিক। প্রতিটি শিশুর ভাষা শেখার যাত্রা আলাদা।
কেউ দ্রুত এগোয়, কেউ ধীরে; কেউ একটি ধাপে বেশি সময় নেয়, কেউ আরেক ধাপে। থেরাপির লক্ষ্য কখনোই দ্রুত ফল নয় বরং শিশুর নিজের গতিতে প্রতিটি স্তরকে শক্ত করে গড়ে তুলতে সাহায্য করা।

আপনার শিশুর জন্য অভিজ্ঞ Speech and Language Therapist খোঁজে পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে কল করুন:
আজিমপুর শাখাঃ
+8801886-085264
ঠিকানাঃ
১৯, নিউপল্টন, আজিমপুর, ঢাকা-১২০৫।
বাড্ডা শাখাঃ
+8801849-984518, +8801849-974458
ঠিকানাঃ
বাসাঃ ৩৫, রোডঃ ১১, ডি আই টি প্রজেক্ট, মেরুল বাড্ডা, ঢাকা- ১২১২।
ওয়ারী শাখাঃ
+8801804-214421, +8801850-114327
২৮/১ (৪র্থ তলা), শাহ সাহেব লেন, নারিন্দা, ওয়ারি, ঢাকা।

17/01/2026

ওষুধ ছাড়া ADHD শিশুদের মনোযোগ বাড়ানোর উপায়।

আপনার শিশুর দেরীতে কথা বলা কিংবা অতি চঞ্চলতার সমস্যা নিয়ে পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে কল করুন:

আজিমপুর শাখাঃ
+8801886-085264
ঠিকানাঃ
১৯, নিউপল্টন, আজিমপুর, ঢাকা-১২০৫।

বাড্ডা শাখাঃ
+8801849-984518, +8801849-974458
ঠিকানাঃ
বাসাঃ ৩৫, রোডঃ ১১, ডি আই টি প্রজেক্ট, মেরুল বাড্ডা, ঢাকা- ১২১২।

ওয়ারী শাখাঃ
+8801804-214421, +8801850-114327
২৮/১ (৪র্থ তলা), শাহ সাহেব লেন, নারিন্দা, ওয়ারি, ঢাকা।

Address

House: 19, Newpaltan, Azimpur
Hazaribag
1205

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801568085265

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Speech Aid Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Speech Aid Bangladesh:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram