25/12/2025
“ভারতের দালাল” ট্যাগটা রাজনৈতিক অপবাদ।
মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ও মৌলবাদীরা তাদের সমালোচনা করলেই এই ট্যাগ দেয়। এতে বাস্তব কোনো যুক্তি নেই।
বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ভারতের ভূমিকা ঐতিহাসিক সত্য।
ভারত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ, অস্ত্র ও আশ্রয় দিয়েছে এবং সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিয়েছে। এটা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
ধর্মীয় উগ্রবাদ ও রাজাকার রাজনীতির বিরুদ্ধে ভারত একটি বাস্তব ডিটারেন্ট।
এ কারণেই মৌলবাদীরা ভারতের বিরুদ্ধে ভয় ও ঘৃণার বয়ান ছড়ায়।
বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের বিকল্প নেই।
দুই দেশ প্রতিবেশী, ইতিহাসে যুক্ত এবং স্বার্থেও পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল।
দ্বিপাক্ষিক সমস্যা আছে, কিন্তু সেগুলো কূটনৈতিকভাবে সমাধানযোগ্য।
সব চুক্তি মানেই “দেশ বিক্রি” বা “আধিপত্য” নয়—অনেক চুক্তি দুই দেশের জন্যই লাভজনক হতে পারে।
উগ্র জাতীয়তাবাদ ও ধর্মীয় মৌলবাদ বাস্তবতা বোঝে না।
তারা আন্তর্জাতিক রাজনীতি, শক্তির ভারসাম্য ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থের ধারণা ছাড়াই আবেগী স্লোগান দেয়।
রাষ্ট্র পরিচালিত হয় শক্তি ও স্বার্থ দিয়ে, স্লোগান দিয়ে নয়।
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক যেই ক্ষমতায় থাকুক—জাতীয় স্বার্থ ও বাস্তব শক্তির ভিত্তিতেই চলবে।
অবাস্তব হুমকি ও ফাঁকা বুলি সিরিয়াস রাজনীতিতে গুরুত্ব পায় না।
এসব বক্তব্য জনতাকে উত্তেজিত করতে পারে, কিন্তু আন্তর্জাতিক অঙ্গনে হাস্যকর।
শেষ কথা:
ইতিহাস, ভূগোল ও বাস্তবতা মেনে চলাই পরিণত রাজনীতি।
ঘৃণা বা অপবাদ নয়—যুক্তি, কূটনীতি আর জাতীয় স্বার্থই রাষ্ট্রের পথ দেখায়।