Kowcher

Kowcher কাউছার মেডিকেল হল, কুড়াতলী বাজার মসজিদ রোড,ভাটারা,ঢাকা।

“ভারতের দালাল” ট্যাগটা রাজনৈতিক অপবাদ।মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ও মৌলবাদীরা তাদের সমালোচনা করলেই এই ট্যাগ দেয়। এতে বাস্তব কোনো য...
25/12/2025

“ভারতের দালাল” ট্যাগটা রাজনৈতিক অপবাদ।
মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ও মৌলবাদীরা তাদের সমালোচনা করলেই এই ট্যাগ দেয়। এতে বাস্তব কোনো যুক্তি নেই।
বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ভারতের ভূমিকা ঐতিহাসিক সত্য।
ভারত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ, অস্ত্র ও আশ্রয় দিয়েছে এবং সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিয়েছে। এটা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
ধর্মীয় উগ্রবাদ ও রাজাকার রাজনীতির বিরুদ্ধে ভারত একটি বাস্তব ডিটারেন্ট।
এ কারণেই মৌলবাদীরা ভারতের বিরুদ্ধে ভয় ও ঘৃণার বয়ান ছড়ায়।
বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের বিকল্প নেই।
দুই দেশ প্রতিবেশী, ইতিহাসে যুক্ত এবং স্বার্থেও পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল।
দ্বিপাক্ষিক সমস্যা আছে, কিন্তু সেগুলো কূটনৈতিকভাবে সমাধানযোগ্য।
সব চুক্তি মানেই “দেশ বিক্রি” বা “আধিপত্য” নয়—অনেক চুক্তি দুই দেশের জন্যই লাভজনক হতে পারে।
উগ্র জাতীয়তাবাদ ও ধর্মীয় মৌলবাদ বাস্তবতা বোঝে না।
তারা আন্তর্জাতিক রাজনীতি, শক্তির ভারসাম্য ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থের ধারণা ছাড়াই আবেগী স্লোগান দেয়।
রাষ্ট্র পরিচালিত হয় শক্তি ও স্বার্থ দিয়ে, স্লোগান দিয়ে নয়।
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক যেই ক্ষমতায় থাকুক—জাতীয় স্বার্থ ও বাস্তব শক্তির ভিত্তিতেই চলবে।
অবাস্তব হুমকি ও ফাঁকা বুলি সিরিয়াস রাজনীতিতে গুরুত্ব পায় না।
এসব বক্তব্য জনতাকে উত্তেজিত করতে পারে, কিন্তু আন্তর্জাতিক অঙ্গনে হাস্যকর।
শেষ কথা:
ইতিহাস, ভূগোল ও বাস্তবতা মেনে চলাই পরিণত রাজনীতি।
ঘৃণা বা অপবাদ নয়—যুক্তি, কূটনীতি আর জাতীয় স্বার্থই রাষ্ট্রের পথ দেখায়।

16/12/2025

অন্ড!থলির চামড়ার সিবাসিয়াস সিস্ট সফলভাবে রিমুভ | রুগীর অভিজ্ঞতা শুনুন।
sebaceous cyst bangla
sebaceous cyst removal bangla
scrotal sebaceous cyst
sc***um cyst removal
অন্ডথলির সিবাসিয়াস সিস্ট
অন্ডথলির সিস্ট চিকিৎসা
সিবাসিয়াস সিস্ট রিমুভ
cyst removal bangladesh
minor surgery bangla
patient experience bangla
successful cyst surgery
safe cyst removal
pain free cyst surgery
bangla health tips
doctor bangla
hospital service bangladesh
medical bangla video

নিজের অজান্তেই নিজেকে সস্তা বানাচ্ছেন না তো?হীরা আর কয়লার কেমিক্যাল উপাদান কিন্তু প্রায় একই।তবুও হীরার দাম আকাশচুম্বী, আ...
15/12/2025

নিজের অজান্তেই নিজেকে সস্তা বানাচ্ছেন না তো?

হীরা আর কয়লার কেমিক্যাল উপাদান কিন্তু প্রায় একই।

তবুও হীরার দাম আকাশচুম্বী, আর কয়লা সস্তা।
কেন জানেন?

কারণ, কয়লা সহজলভ্য, চাইলেই পাওয়া যায়। আর হীরা দুর্লভ।

মানুষের ক্ষেত্রেও ঠিক একই নিয়ম খাটে।

আপনি কি এমন কেউ, যাকে ডাকলেই পাওয়া যায়?
সবার সব আবদারে "না" বলতে পারেন না?

তাহলে সাবধান হোন।

আপনি হয়তো ভদ্রতা দেখাচ্ছেন, কিন্তু অপর পাশের মানুষটা ভাবছে আপনি সস্তা।

নিজের অজান্তেই নিজেকে সস্তা বানাচ্ছেন কিনা, তা বোঝার জন্য নিচের লক্ষণগুলো মিলিয়ে নিন…

১. অতিরিক্ত সহজলভ্যতা
কেউ আপনাকে ডাকল, আর আপনি নিজের সব কাজ ফেলে "জি ভাই" বলে হাজির হয়ে গেলেন।
আপনি ভাবছেন আপনি হেল্পফুল।

কিন্তু বাস্তবতা হলো- যার এক্সেস যত সহজ, তার ভ্যালু তত কম।

মাঝেমধ্যে "না" বলতে শিখুন। নিজের সময়ের দাম দিতে শিখুন।

২. অযথা কৈফিয়ত দেওয়া
আপনি কাউকে "না" বলেছেন, তারপর সেটা নিয়ে ১০ মিনিট ধরে ব্যাখ্যা দিচ্ছেন কেন আপনি পারবেন না।

দরকার নেই তো!

"না" নিজেই একটা পূর্ণ বাক্য।

আপনার সিদ্ধান্তের জন্য অন্যের কাছে কৈফিয়ত দেওয়া মানেই আপনি নিজেকে তার চেয়ে নিচে নামিয়ে দিচ্ছেন।

৩. অসম্মান হজম করা
আড্ডার ছলে কেউ আপনাকে অপমান করল, বা খোঁচা মেরে কথা বললো। আর আপনি "সম্পর্ক নষ্ট হবে" ভয়ে হেসে উড়িয়ে দিলেন।

ভুল করছেন।

একবার অসম্মান হজম করা মানে, আপনি তাকে লাইসেন্স দিয়ে দিলেন আপনাকে বারবার অপমান করার।

বাউন্ডারি সেট করুন।

কেউ লিমিট ক্রস করলে তাকে ভদ্রভাবে কিন্তু কঠোরভাবে থামিয়ে দিন।

৪. অন্যের ভ্যালিডেশন খোঁজা
কোনো কাজ করার পর কি সবসময় অন্যের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকেন- সে কী বলবে?

ভালো বললে খুশি, খারাপ বললে ডিপ্রেশন?

তার মানে আপনার ইমোশনের রিমোট কন্ট্রোলটা তাদের হাতে। নিজের কাজের ওপর নিজের কনফিডেন্স না থাকলে, মানুষ আপনাকে মূল্যায়ন করবে না।

৫. নিজের চেয়ে অন্যকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া
অন্যকে খুশি করতে গিয়ে কি নিজের ভালো লাগা, নিজের স্বপ্নকে বিসর্জন দিচ্ছেন?

মনে রাখবেন, যে নিজেকে ভালোবাসতে পারে না, তাকে কেউ ভালোবাসে না। স্যাক্রিফাইস ভালো, কিন্তু নিজেকে দেউলিয়া করে নয়।

একটা কথা মাথায় ঢুকিয়ে নেন।

মানুষ আপনাকে ঠিক ততটুকুই সম্মান দেবে, যতটুকু সম্মান আপনি নিজেকে দিবেন।

আপনি যদি নিজেকে 'ডোরম্যাট' বা পাপোশ বানান, মানুষ পা মুছেই চলে যাবে।

তাই দয়া করে সবার জন্য এভেইলেবল হতে যাবেন না।

মাঝেমধ্যে একটু স্বার্থপর হওয়া, একটু আড়ালে থাকা, আর নিজের বাউন্ডারি রক্ষা করা- এটা অহংকার নয়, এটা আত্মসম্মান।

নিজেকে নিজে দাম দিতে শিখুন, পৃথিবীও আপনাকে দাম দিবে।





15/12/2025
15/12/2025

পায়ের হাড় পেটে গেলে কেন প্লাস্টার জরুরি? সঠিক চিকিৎসা জানুন

গ্রীষ্মের তীব্র গরমে একটা ছোট বাচ্চা খালি পায়ে ফুল বিক্রি করছিল। লোকজন তার কাছ থেকে ফুল কিনেছিল। তখন সেখান থেকে এক লোক ...
09/12/2025

গ্রীষ্মের তীব্র গরমে একটা ছোট বাচ্চা খালি পায়ে ফুল বিক্রি করছিল। লোকজন তার কাছ থেকে ফুল কিনেছিল। তখন সেখান থেকে এক লোক যাচ্ছিল। বাচ্চাটিকে দেখে খুব দয়া হল।

লোকটি পাশের দোকান থেকে স্যান্ডেল কিনল এবং সেই স্যান্ডেল বাচ্চাটির সামনে রেখে বলল , বাবা এটা পড়ে নাও।

বাচ্চাটি সঙ্গে সঙ্গে তার ফুলের ঝুড়িটি পাশে রেখে দিল। এবং স্যান্ডেল পড়ে নিল। তারপর সেই লোকটির হাত ধরে খুশি হয়ে বলল, আপনি আল্লাহ, তাই না?

লোকটি এই কথা শুনে ঘাবড়ে গেল।
বলল,, না না বাবা। আমি কিভাবে আল্লাহ হব?
তখন বাচ্চাটি আবার বলল, তাহলে অবশ্যই আপনি আল্লাহর কোন বন্ধু হবেন কারণ গতকাল রাতেই তো আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করছিলাম যে, গরম অনেক বেশি। আমার পা জ্বলে যায়। আল্লাহ, তুমি আমাকে স্যান্ডেল দাও। আর আজকে আপনি স্যান্ডেল নিয়ে এলেন।

বাচ্চাটির এই কথা শুনে লোকটির চোখে পানি চলে আসলো। সে মুচকি একটা হাসি দিয়ে সেখান থেকে চলে গেল।
লোকটি বুঝতে পেরেছিল আল্লাহর বন্ধু হওয়াটাও এতটা কঠিন কাজ নয়।

বন্ধুরা এর চেয়ে বড় কথা কি হতে পারে যে, মানুষ আমাদের আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা বন্ধু ভাবতে পারে?

ভাগ্যের নিয়ম তো দুটোই।
হয় দিয়ে যাও, নয় রেখে যাও।
কোন কিছুই উপরে নিয়ে যাওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই।

মনে রাখবে কাফনের কাপড়ে কোন পকেট থাকে না।

যদি তোমার সাথে উপরে কিছু যায়,তা হল তোমার মানবিকতা আর তোমার ভালো কাজ।।

একবার এক বাদশাহ এক দরবেশের  কাছে গেলেন বিশেষ কাজে। সেখানে দেখলেন দরবেশ মন্ত্র পড়তে মশগুল ছিল। যে মন্ত্র পড়লে আল্লাহর দ...
06/12/2025

একবার এক বাদশাহ এক দরবেশের কাছে গেলেন বিশেষ কাজে। সেখানে দেখলেন দরবেশ মন্ত্র পড়তে মশগুল ছিল। যে মন্ত্র পড়লে আল্লাহর দয়ায় মানুষ সুস্থ হয়ে উঠতো।

বাদশা দরবেশ কে সেই মন্ত্র শিখিয়ে দিতে বলেছিলেন। দরবেশ বললেন তিনি তা করতে পারবে না।
এই কথা শুনে বাদশাহ সেখান থেকে রেগে চলে গেলেন।

কিছুদিন পর বাদশাহ সেই দরবেশকে দরবারের ডেকে বললেন আমি সেই মন্ত্র অন্য একজনের কাছ থেকে শিখেছি। কিন্তু যেই উদ্দেশ্যে শিখেছিলাম এটা পূরণ হচ্ছে না।
এখন তুমি বলো, এমন কেন হল?
আর এর প্রতিকার কি?
আমি এই মন্ত্র পড়তে কোথায় ভুল করেছি?
তুমি যদি এর কারণ না বল, তাহলে সাজার জন্য তৈরি হয়ে যাও।

এই কথা শুনে দরবেশ বাদশাহর দরবারে যে সিপাহী ছিল, তাদেরকে আদেশ দিল, বাদশাহ কে বন্দী করতে। সিপাহী এবং বাদশাহ অবাক হয়ে দরবেশকে দেখতে লাগলো আর ভাবল, দরবেশ এসব কি বলছে?

দরবেশ আবারো আরো উচ্চস্বরে সিপাহীকে বলল বাদশাহ কে বন্দী করতে। কিন্তু সিপাহী তার জায়গা থেকে এক ইঞ্চিও নড়লো না। দরবেশের এইসব কাণ্ড দেখে বাদশা ভীষণ রেগে গেলেন। তিনি সিপাহীকে বললেন, এই বেয়াদব দরবেশকে এখনই বন্দি কর। এটা শুনে দরবারের সব সিপাহী নিজের তলোয়ার বের করে দরবেশকে ঘিরে ফেলল।

দরবেশ এটা দেখে হেসে বললো, শোনো বাদশাহ,, আমিও সিপাহি কে বলেছি। তুমিও সিপাহী কে বলেছ। দুটোই হুকুম ছিল। একই আদেশ ছিল।
কিন্তু আমার কথা শুনে একজন সিপাহীও নড়লো না। কিন্তু তোমার কথা শুনে পুরো দরবার এক পলকে আমাকে ঘিরে ফেলল। এর কারণ হলো আমার কথার কোন ওজন ছিল না কিন্তু তোমার কথার সাথে তোমার শক্তি ছিল।

পৃথিবীতে মানুষের পরিচয় হয় তার আওয়াজ বা কথা দিয়ে নয় বরং পরিচয় হয় তার অবস্থান, তার নিয়ত, তার পরিষ্কার মনের মাধ্যমে।
এই কারণে তোমার মন্ত্র কাজে লাগেনি।

প্রশ্ন এটা নয় যে কোরআনে প্রতিকার আছে নাকি নেই। প্রশ্ন হল এটা যে, কোরআন কে পড়ছে?
তার আমল কেমন?
তার নিয়ত কেমন?
তার ঈমান কতটা মজবুত?
তার ঈমান কতটা সত্য?
আর আল্লাহর কাছে তার গুরুত্বই বা কতটুকু?

৩টি গল্পঃ০১. নকিয়া অ্যান্ড্রয়েডকে গ্রহণ করেনি।০২. ইয়াহু গুগলকে প্রত্যাখ্যান করেছিলো।০৩. কোডাক এড়িয়ে গিয়েছিলো ডিজিটাল ক্য...
04/12/2025

৩টি গল্পঃ
০১. নকিয়া অ্যান্ড্রয়েডকে গ্রহণ করেনি।
০২. ইয়াহু গুগলকে প্রত্যাখ্যান করেছিলো।
০৩. কোডাক এড়িয়ে গিয়েছিলো ডিজিটাল ক্যামেরাকে।

শিক্ষাঃ
০১. ঝুঁকি নিতে হয়।
০২. পরিবর্তনকে গ্রহণ করতে হয়।
০৩. সময়ের সাথে পরিবর্তিত হতে না-চাইলে, বাতিল হয়ে যেতে হয়।

আর ২টি গল্পঃ
০১. ফেসবুক নিয়ে নিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ ও ইন্সটাগ্রামকে।
০২. দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় গ্র‍্যাব নিয়ে নিয়েছে উবারকে।

শিক্ষাঃ
০১. অতো ক্ষমতাধর হতে হবে, যাতে প্রতিদ্বন্দ্বীরা মিত্রতা করতে আগ্রহী হয়ে ওঠে।
০২. শীর্ষে উঠে যেতে হবে এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে বিনাশ করে দিতে হবে।
০৩. নতুন আইডিয়ায় মনোযোগ দিতে হবে।

আরও ২টি গল্পঃ
০১. কর্নেল স্যান্ডার্স কেএফসি প্রতিষ্ঠা করেছেন ৬৫ বছর বয়সে।
০২. জ্যাক মা, যিনি 'কেএফসি'-তে চাকরি পাননি, প্রতিষ্ঠা করেছেন 'আলিবাবা' এবং ৫৫ বছর বয়সে অবসরে চলে গেছেন।

শিক্ষাঃ
০১. বয়স একটি সংখ্যা মাত্র।
০২. যারা চেষ্টায় থাকে, শুধুমাত্র তারাই সফল।

শেষ, কিন্তু শেষ নয়ঃ
০২. ল্যামবোর্ঘিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন একজন ট্রাক্টর-নির্মাতা, ফেরারি'র প্রতিষ্ঠাতা তাকে অপমান করেছিলো বলে এবং এর প্রতিশোধ হিসেবে।

শিক্ষাঃ
কাউকে তুচ্ছ ভাবতে নেই, কক্ষনো না।
স্রেফ পরিশ্রম করে যেতে হবে,
সময়কে বুদ্ধিমত্তার সাথে ইনভেস্ট করতে হবে,
ব্যর্থতাকে ভয় পাওয়া যাবে না।
Kmh health care 4

28/11/2025

বাচ্চাদের নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন।

27/11/2025

এক বাদশাহর এক পার্সোনাল নাপিত ছিল। সে প্রতিদিন সকালে এসে, বাদশার দরবারে যাওয়ার আগে, তার চুল দাড়ি ঠিক করে, হাতে পায়ে মাসাজ করে, বাদশা কে দরবারে যাওয়ার জন্য তৈরি করে দিত।

একদিন সেই নাপিত বাদশাহকে বলল, হুজুর আমি তো আপনার কাছে সবসময় থাকি। আমি আপনার অনেক বিশ্বস্ত।
আমাকে উজির বানালে ভালো হতো না?

বাদশা হেসে বললেন, আমি তোমাকে উজির বানাতে রাজি আছি। কিন্তু প্রথমে তোমাকে একটা পরীক্ষা দিতে হবে।
বাদশা আরো বললেন, বন্দরে একটি জাহাজ এসেছে। যাও,জাহাজটির খবর নিয়ে আসো ।

নাপিত দৌড়ে বন্দরে গেল এবং এসে বলল, জি হুজুর জাহাজ এসেছে।

বাদশা বললেন, জাহাজটি কখন এসেছে?
নাপিত আবার দৌড়ে গিয়ে ফিরে এসে বলল, ২ দিন আগে এসেছে।

বাদশা আবার জিজ্ঞেস করলেন, কোথা থেকে এসেছে? নাপিত তৃতীয়বার গেল।
আবার আসলো।
বাদশা আবার জিজ্ঞেস করলেন, জাহাজের ভিতরে কি আছে?
নাপিত চতুর্থ বার আবার গেল, আবার ফিরে আসলো।

এভাবেই সন্ধ্যা পর্যন্ত সেই নাপিত বন্দর এবং মহলের দৌড়াদৌড়ি করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়ল।

এরপর বাদশা তার উজির কে ডাকলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, বন্দরে কি কোন জাহাজ এসেছে?
উজির বললেন, জি হুজুর। দুই দিন আগে একটি জাহাজ এসেছে ইতালি থেকে। জাহাজটির মধ্যে গবাদি পশু, খাবার আর কাপড় আছে।
ছয় মাস সফর করার পর জাহাজটি এসেছে। চার দিন পরে ইরান চলে যাবে। সেখানে একমাস থাকবে। জাহাজটিতে ২০৯ জন লোক আছে।
আর আমার আপনার কাছে বিশেষ অনুরোধ, সমুদ্রে জাহাজের উপর ট্যাক্স বাড়ানো উচিত।

বাদশা এগুলো শুনে নাপিতের দিকে তাকালেন।
নাপিত মাথা নিচু করে বলল, আমাকে ক্ষমা করুন হুজুর। যার যেটা কাজ, সেটা তাকেই বানায়।

মনে রাখবে, সব ব্যক্তি সব কাজের জন্য যোগ্য নয়।
যে যেই কাজে দক্ষ , সেই কেবল সেই কাজটি ভালোভাবে করতে পারে।

বুদ্ধিমান হলো সেই ব্যক্তি, নিজের যোগ্যতা সম্পর্কে ধারণা রাখে।
আর অন্যের যোগ্যতার সম্মান করে।

25/11/2025

এক ভদ্রমহিলা একটি মাংস সরবরাহ কারখানায় চাকরি করতেন। একদিন তিনি ডিউটি শেষ করে মাংস সংরক্ষণ হিমাগারে কোনো একটি বিষয় পরীক্ষা করার জন্য ঢুকলেন। তখন আকস্মিকভাবে হিমাগারের দরজা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তালাবদ্ধ হয়ে গেল এবং ভদ্রমহিলা ভিতরে আটকে পড়ে গেলেন।

মহিলা সেখান থেকে বের হওয়ার কোনো উপায় খুঁজে না পেয়ে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে দরজায় ধাক্কাধাক্কি করে সাহায্যের জন্য চিৎকার শুরু করলেন, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তার চিৎকারের শব্দ হিমাগারের বাইরে কারো কানে পৌঁছাল না।

এদিকে সন্ধ্যা নামার পর একে একে অফিসের সবাই বেরিয়ে গেল। মহিলা একাকী অন্ধকার হিমাগারে আটকা পড়ে থাকলেন।

এভাবে প্রায় পাঁচ ঘন্টা পার হয়ে গেল এবং মহিলা যখন ঠান্ডায় একেবারে মৃতপ্রায়, ঠিক তখন ফ্যাক্টরির নিরাপত্তা প্রহরী হিমাগারের দরজা খুলে ভিতরে ঢুকলেন। বলা যায়, সে রাতে ভদ্রমহিলা প্রায় অলৌকিকভাবে বেঁচে গিয়েছিলেন।

বাইরে বের হয়ে উষ্ণ পরিবেশে কিছুটা ধাতস্থ হয়ে ভদ্রমহিলা নিরাপত্তা প্রহরীকে জিজ্ঞাসা করলেন, "ওই সময়ে আপনি হিমাগারের দরজা খুলতে গেলেন কেন? ওটা তো আপনার রুটিন ওয়ার্কের অংশ ছিল না।"

তখন নিরাপত্তা প্রহরী বললেন, "আমি বিগত ৩৫ বছর যাবৎ কারখানার প্রবেশ দ্বারে নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে কর্মরত আছি। প্রতিদিন শত শত লোক এই কারখানায় কাজে আসে, কাজ শেষে ফিরেও যায়। এত বছরে এত লোকের মধ্যে একমাত্র আপনিই প্রতিদিন সকালে কারখানায় প্রবেশকালে আমাকে হাত তুলে 'হ্যালো' বলেন এবং সন্ধ্যার পর কাজ শেষে ফিরে যাবার সময় হাসিমুখে আমাকে 'গুড বাই, আবার কাল দেখা হবে' বলে বেরিয়ে যান। অন্য সবাইকে দেখে মনে হয় আমি বোধহয় কোন অদৃশ্য বস্তু। কেউ আমাকে কোনদিন দেখতেই পায় না!

আজও রোজকার মতো সকালে আপনি আমাকে 'হ্যালো' বলে কারখানায় ঢুকলেন। সন্ধ্যার পর একে একে সবাই কাজ শেষে বেরিয়ে গেল। আমি ভাবলাম গেট বন্ধ করে তালা লাগিয়ে বিশ্রাম নেব। হঠাৎ মনে হলো, কি ব্যাপার, যে ভদ্রমহিলা আমাকে 'গুড বাই , আবার কাল দেখা হবে' বলে বেরিয়ে যায় তাকে তো আজ বের হতে দেখলাম না।

প্রথমে ভাবলাম হয়তো কোনো কাজে আপনার বিলম্ব হচ্ছে, তাই গেট বন্ধ না করে প্রায় ঘন্টা খানেক অপেক্ষা করলাম। তারপরেও যখন আপনাকে বের হতে দেখলাম না, তখন কৌতূহলবশত সারা কারখানার আনাচে কানাচে প্রতিটি জায়গায় খুঁজে কোথাও না পেয়ে কেমন একট ভয় মিশ্রিত সন্দেহ হলো। তখনই আমি হিমাগারের দরজা খুলে আপনাকে মেঝের উপর পড়ে থাকতে দেখলাম।

সত্যি বলতে কি, আমি প্রতিদিন মনে মনে সকালে "হ্যালো" এবং সন্ধ্যায় "গুড বাই" এই শব্দ দুটো শোনার অপেক্ষায় থাকি। কেননা ওই শব্দ দুটিই আমাকে মনে করিয়ে দেয় যে, আমিও একজন মানুষ!"

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kowcher posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Kowcher:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram