সেবা হোমিও হল আর্দশনগর মধ্যবাড্ডা ঢাকা

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • সেবা হোমিও হল আর্দশনগর মধ্যবাড্ডা ঢাকা

সেবা হোমিও হল আর্দশনগর মধ্যবাড্ডা ঢাকা র্জামানি হোমিও ঔষধ দ্বারা জটিল ও পুরাতন রোগের সুচিকিৎসা দেওয়া হয়।

homeopathic medicine best for good health
02/02/2025

homeopathic medicine best for good health

02/02/2025

সুস্বাস্থ্যে হোমিওপ্যাথিক

01/02/2025
31/01/2025

রুচি কম?
বমি ভাব?
খেতে পারেননা?
ওজন কম?
১০০% ফলাফল

08/10/2024

হোমিওপ্যাথিক জার্মানি মেডিসিন শতভাগ ফলাফল।
চিকিৎসা নিতে ইনবক্সে বা WhatsApp এ মেসেজ করেন
সেবা সমূহ
♦ স্বাস্থ্য ভালো হওয়া
♦️সাদাস্রাব
♦️মাসিক/ পিরিয়ডের সমস্যা
♦️বন্ধাত্বের সমস্যা
♦️জরায়ুর সমস্যা

16/09/2024

অনিয়মিত পিরিয়ড, #অত্যাধিক ব্লিডিং,অত্যাধিক #পেঠ_ব্যথা,জরায়ু ইনফেকশন, #চিকন_স্বাস্থ্য,রুচি কম, াড়ার সুচিকিৎসা সহো মহিলাদের সকল রোগের চিকিৎসা দেওয়া হয়, হোমিওপ্যাথিক জার্মানি ঔষধের মাধ্যমে।

ডাঃ আয়েশা আক্তার (ডি এইচ এম এস)
চিকিৎসা নিতে ইনবক্সে মেসেজ করেন।
চেম্বারঃ আর্দশনগর,মধ্য বাড্ডা,ঢাকা
Whatsapp: 01644471436

হোমিওপ্যাথিক জার্মানি ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা দেওয়া হয়।আল্লাহর রহমতে শতভাগ ফলাফল।
14/09/2024

হোমিওপ্যাথিক জার্মানি ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা দেওয়া হয়।
আল্লাহর রহমতে শতভাগ ফলাফল।

 #মাইগ্রেনের  #হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শতভাগ ফলাফল পাওয়া যায়।  #মাইগ্রেন এক ধরনের নিউরোভাসকুলার মাথা ব্যথার রূপ, যেখানে স্ন...
07/09/2024

#মাইগ্রেনের #হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শতভাগ ফলাফল পাওয়া যায়।
#মাইগ্রেন এক ধরনের নিউরোভাসকুলার মাথা ব্যথার রূপ, যেখানে স্নায়ুতন্ত্রের আয়ন চ্যানেলের সমস্যার কারণে রক্তনালীগুলি প্রসারণে ফলে মাথা ব্যথা হয়। মাইগ্রেনের একটি পর্ব সাধারণত পর্যায়ক্রমে ঘটে। কয়েক দিন স্থায়ী হতে পারে। কিছু জনের ক্ষেত্রে প্রতি সপ্তাহে একাধিক ‘এপিসোড’ থাকে, অন্যদের মাঝে মাঝেই হয়ে থাকে। খুব বাড়াবাড়ি তা দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করতে পারে। গবেষকরা দেখেছেন গড়ে ১৫ শতাংশেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্কদের মাইগ্রেন সমস্যা থাকে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মাইগ্রেন কমবেশি ১৯ শতাংশ মহিলা এবং ৯ শতাংশ পুরুষদের প্রভাবিত করে। ‘এপিসোড’গুলি প্রায়শই ১৮-৪৪ বছর বয়সীদের মধ্যে ঘটে। তবে শৈশব-সহ যে কোনও সময় এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।

মাইগ্রেনের প্রাথমিক উপসর্গ

প্রোড্রোম স্টেজ: মাইগ্রেনের লক্ষণগুলি মাথা ব্যথার কয়েক ঘণ্টা বা একদিন দিন আগে শুরু হয়। এই পর্যায়ে, একজন ব্যক্তি অনুভব করতে পারেন যার মধ্যে মানসিক পরিবর্তন, বিশেষ করে বিষণ্নতা এবং বিরক্তি ভাব থাকতে পারে। প্রড্রোমের মধ্যে হাঁপানি, মাথা ঘোরা, তৃষ্ণা, ঘন ঘন প্রস্রাব এবং আলো ও শব্দের প্রতি সংবেদনশীলতা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

💠 মাথা ব্যাথার আগে কিছু শারীরিক উপসর্গ যেমন দৃষ্টিক্ষেত্রে আলোর ঝলকানি, চোখে ঝাপসা দেখা, গন্ধ অনুভব করা ইত্যাদি হতে পারে।

💠মাথা ব্যথার সময়: হালকা থেকে তীব্র, ঝাঁকুনি বা স্পন্দিত মাথাব্যথার পাশাপাশি, উপসর্গগুলির মধ্যে বমি বমি ভাব, বমি, ঘাড়ে ব্যথা, মাথা ঘোরা এবং নাক বন্ধ হতে পারে, ঘাম হওয়া, অস্বাভাবিকভাবে গরম বা ঠান্ডা অনুভব করা, পেটে ব্যথা এবং ডায়রিয়া হতে পারে। আলো এবং শব্দের প্রতি সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি পায় যার ফলে অন্ধকার ঘরে চুপচাপ শুয়ে থাকতে চান। মাথাব্যথার পরে, ক্লান্তি এবং বিরক্তি ভাব আরও দু’ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। একে কখনও কখনও ‘মাইগ্রেন হ্যাংওভার’ও বলা হয়।


মাইগ্রেনের সম্ভাব্য কারণ

বংশগত: মাইগ্রেন একই পারিবারের সদস্যদের মধ্যে হওয়ার প্রবনতা বেশি।
খাদ্যাভ্যাস: অ্যালকোহল, ক্যাফেইন, চকলেট, সাইট্রাস ফল।

ওষুধ:
কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু ওষুধ খাওয়ার ফলেও এই সমস্যা হতে পারে। যেমন, ঘুমের ট্যাবলেট, হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি (এইচআরটি), জন্মনিয়ন্ত্রণ ট্যাবলেট জাতীয় ওষুধ খেলে মাইগ্রেনের সমস্যা হলেও হতে পারে।
পরিবেশগত: কম্পিউটার স্ক্রিন, তীব্র গন্ধ, ধোঁয়া, উচ্চ শব্দ, আর্দ্রতা, বদ্ধ ঘর, তাপমাত্রার পরিবর্তন, তীব্র সূর্যালোক, উজ্জ্বল আলো, ঘুমের অভাব ইত্যাদি মাইগ্রেনের ট্রিগারের হিসাবে কাজ করে।
অন্যান্য: মাইগ্রেনের ট্রিগার ব্যক্তিভেদে পরিবর্তিত হয়। তারা সাধারণত হরমোনের পরিবর্তন, যেমন ঋতুস্রাবের সময়, মানসিক চাপ, বিষণ্নতা, উদ্বেগ এবং উত্তেজনা ইত্যাদি।


কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন

নিম্নলিখিত কয়েকটি কৌশলগুলি মাইগ্রেনের এপিসোডের ফ্রিকোয়েন্সি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
● পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন।
● মানসিক চাপ কমাতে হবে।
● প্রচুর জলপান করতে হবে।
● যে সব খাওয়ার থেকে মাইগ্রেনের সমস্যা বাড়ে সেগুলি এড়িয়ে চলতে হবে। যেমন: চিজ, চকোলেট, পেস্ট্রি, আজিনা মটর, ক্যাফিন, অ্যালকোহল প্রভৃতি।
● নিয়মিত শরীরচর্চা করতে হবে।
● ভিড়, কোলাহলযুক্ত পরিবেশ থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে।
● বেশি রাত জাগা যাবে না।
●নিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রা এ ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা নেয়।


মাইগ্রেনের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি:

মাইগ্রেনের সমস্যায় ভালো ফল পাওয়া যায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায়। নিয়মিত হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা করালে মাইগ্রেনের প্রবনতা ধীরে ধীরে কমে যায়। এর ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি প্রায় স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে সক্ষম হন। হোমিওপ্যাথি ওষুধ রোগীর লক্ষণ সাদৃশ্যের উপর নির্ভর করে নির্বাচন করা হয়। তাই বিভিন্ন রুগীর ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা ওষুধ কার্যকর হয়। অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গিয়েছে, কিছু কিছু হোমিওপ্যাথি ওষুধ মাইগ্রেনের ক্ষেত্রে খুব ভালো কাজ করে, যেমন:
▪️ Natrum muriaticum
▪️ sanguinaria nit
▪️sanguinaria can
▪️ Spigelia
▪️ Glonuine
▪️ Natrum muriaticum
▪️ Magnesium phosphoricum
▪️ Belledona
▪️thuja
▪️calcerea phos ইত্যাদি

এছাড়া আরো অসংখ্য মেডিসিন আছে, রোগীর লক্ষন অনুসারে মেডিসিন সিলেক্ট করা হয়।
💠💠💠💠💠💠💠💠
ডাঃ আয়েশা আক্তার (ডি এইচ এম এস)

 #পিরিয়ডের_ব্যথা  #অনিয়মত_পিরিয়ড  মাসের ২৫ টি দিন ভালো গেলেও ৪-৫ দিন থাকে যে দিনগুলো মেয়েদের জন্য বিভীষিকাময়। মাসিক হলে ...
22/08/2024

#পিরিয়ডের_ব্যথা #অনিয়মত_পিরিয়ড
মাসের ২৫ টি দিন ভালো গেলেও ৪-৫ দিন থাকে যে দিনগুলো মেয়েদের জন্য বিভীষিকাময়। মাসিক হলে মেয়েদের মন ও শরীর উভয়তেই অস্বস্তি কাজ করে। তবে অস্বস্তির কথা বাদ দিলে সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয় মাসিকের সময় তলপেটে ব্যথা। তলপেট থেকে শুরু করে যে ব্যথা কোমড়ে ছড়িয়ে পড়ে।
এই ব্যথা কমাতে হলে নিন্মোক্ত কাজ করতে হবে।
১. আদা খাওয়া : আদা খেলে পিরিয়ডের ব্যথা কিছুটা কমতে সাহায্য করে।
১. কুসুম গরম পানিতে গোসল : কুসুম গরম পানিতে গোসল করলে পিরিয়ডের ব্যথা কমাতে তা অনেক কার্যকর।
২. তলপেটে গরম সেঁক দেওয়া : গরম সেঁক দিলে তলপেটের রকৃত চলাচল বৃদ্ধি পায়, ফলে ব্যথা কমে যায়। বাজারে ওয়াটার ব্যাগ পাওয়া যায়, যেগুলো গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখলে গরম হয়ে যায়। সেগুলো কিনতে পারলে ভালো। এছাড়াও তোয়ালে বা কাপড় গরম পানিতে ভিজিয়েও তলপেটে লাগানো যেতে পারে।
৪. তলপেটে মালিশ করা : যে জায়গাতে ব্যথা সেখানে আস্তে আস্তে মালিশ করলে সে ব্যথা কমে যায়।
৫. ব্যয়াম করা : নিয়মিত ব্যায়াম করলে মাসিকের ব্যথা কমাতে তা সাহায্য করে। ব্যায়াম করলে দেহে রক্ত চলাচল ভালো থাকে এবং নিয়মিত ব্যায়াম এনডোরফিন নির্গত করে যা মাসিকের ব্যথা কমায়।
হাটাহাটি, যোগব্যায়াম, সাঁতার খুব ভালো ব্যায়াম।
👉 হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যথা স্হায়ী ভাবে সমাধান হয়।
♦️♦️♦️♦️♦️
ডাঃ আয়েশা আক্তার (ডি.এইচ.এম.এস)ঢাকা
সেবা হোমিও হল
আর্দশনগর,মধ্য বাড্ডা লিংক রোড, ঢাকা

 #সাদাস্রাব এ ব্যবহৃত কিছু মেডিসিন এর লক্ষণভিত্তিক বিশ্লেষণ ও সাদা স্রাব রোধে পরামর্শঃ #পালসেটিলা :গলা শুকিয়ে থাকে কিন্ত...
19/02/2024

#সাদাস্রাব এ ব্যবহৃত কিছু মেডিসিন এর লক্ষণভিত্তিক বিশ্লেষণ ও সাদা স্রাব রোধে পরামর্শঃ

#পালসেটিলা :
গলা শুকিয়ে থাকে কিন্তু কোন পানি পিপাসা থাকে না, ঠান্ডা বাতাস-ঠান্ডা খাবার-ঠান্ডা পানি পছন্দ করে, গরম-আলো-বাতাসহীন বদ্ধ ঘরে রোগীনী বিরক্ত বোধ করে, আবেগ প্রবন, অল্পতেই কেঁদে ফেলে এবং যত দিন যায় ততই মোটা হতে থাকে ইত্যাদি লক্ষণ সমষ্টিসহ সাদা স্রাবের রোগিনীর জন্য পালসেটিলা ভালো কাজ করে।

#সিপিয়া:
যে রমনীর নিজ পেশা পরিবারের লোকজনদের প্রতি উদাসীনতা, রোগের গতি শরীরের নীচে থেকে উপরের দিকে, রোগী সবর্দা শীতে কাঁপতে থাকে, পেটের ভিতরে চাকার মতো কিছু একটা নড়াচড়া করছে মনে হওয়া, পাইলস, পায়খানার রাস্তা বা জরায়ু ঝুলে পড়া (prolapse), খাওয়া-দাওয়া ভালো লাগে না, পায়খানার রাস্তা ভারী মনে হয়, মুখের মেছতা , ঘনঘন গর্ভপাত (abortion), যৌনাঙ্গে এবং পায়খানার রাস্তায় ভীষণ চুলকানি, দীর্ঘদিনের পুরনো সর্দি, অল্পতেই অজ্ঞান হয়ে পড়ে, দুধ হজম করতে পারে না, স্বভাবে কৃপন-লোভী, একলা থাকতে ভয় পায়, এই লক্ষণ সমষ্টি রমনীদের জন্য সাদা স্রাবের সমাধান সহ সকল রোগ দুর হবে।

#আর্সেনিক_এলবাম:
অত্যন্ত দুর্গন্ধযুক্ত প্রদর স্রাব। স্রাবের পরিমান অধিক।যোনিদ্বার হাজিয়া যায়। জ্বালা করে । সেই জ্বালা গরম পানিতে আরাম বোধ। রোগী অস্হির দুর্বল ও আত্মহত্যার ইচ্ছা ইত্যাদি লক্ষণ বিদ্যমান তাদের জন্য আর্সেনিক এলবম উপকারী।

#অশ্বগন্ধা:
শরীর ও মানসিক দুর্বলতা,কোন কাজে মন বসেনা, উদাসীন ভাব। বসা হইতে দাঁড়াইলে মাথা ঘুরে, দর্বলতার জন্য চোখে অন্ধকার দেখে। স্মৃতি শক্তির অভাব। কোন কথা মনে বাখতে পারে না। এই ধাতুর রমনীদের সাদা স্রাবের ইহা উৎকৃষ্ট ঔষধ।

#আর্সেনিক_আইয়োড:
যে রমনীদের প্রদর স্রাব সাদা বা হলুদ যে কোন বর্ণের হোক যেখানে লাগে সেখানেই হাজিয়া যায়, জ্বলে সেই ক্ষেত্রে ঔ রমনীর জন্য আর্সেনিক আইয়োড প্রয়োজন।

#ক্যালকেরিয়া_কার্ব :
মোটা থলথলে শারীরিক গঠন, পা সব সময় ঠান্ডা থাকে, শিশুকালে দাঁত উঠতে বা হাঁটা শিখতে দেরী হয় থাকে, শরীরের চাইতে পেট বেশী মোটা,খুব সহজে মোটা হয়ে যায়, প্রস্রাব পায়খানা ঘাম সব কিছু থেকে টক গন্ধ আসে,হাতের তালু মেয়েদের হাতের মতো নরম (মনে হবে হাতে কোন হাড়ই নেই), মাথার ঘামে বালিশ ভিজে যায়, মুখমন্ডল ফোলাফোলা, সিদ্ধ ডিম খেতে খুব পছন্দ করে ইত্যাদি লক্ষণ যে সাদা স্রাবের রোগীর থাকলে ক্যালকেরিয়া কার্ব হবে তার সবচেয়ে উত্তম ঔষধ।

#আইয়োডিয়াম :
প্রচুর খায় কিন্তু তারপরও দিনদিন শুকিয়ে যেতে থাকে, গরম সহ্য করতে পারে না,ক্ষুধা খুব বেশী, দ্রুত হাঁটার অভ্যাস, দৌড়াতে ইচ্ছা হয়, লালাগ্রন্থি ও প্যানক্রিয়াসের রোগ, যে-সব রোগ অমাবশ্যা পূর্ণমায় বৃদ্ধি পায় ইত্যাদি লক্ষণ যে সাদা স্রাবের রোগীর থাকলে আয়োডিয়াম উপযোগী।

#সালফার:
গোসল করা অপছন্দ করে,গরম লাগে বেশী, শরীরে চুলকানী বেশী, সকাল ১১টার দিকে ভীষণ খিদে পাওয়া, পায়ের তালু-মাথার তালুতে জ্বালাপোড়া, মাথা গরম কিন্তু পা ঠান্ডা, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে কোন খেয়াল নাই, ইত্যাদি লক্ষণ যে সাদা স্রাবের রোগীর থাকলে রোগীকে সালফার প্রয়োগ করলে সাদা স্রাব ভালো হবে।

#মার্ক_সল:
মার্ক সল ঔষধটির প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো প্রচুর ঘাম হয় কিন্তু রোগী আরাম পায় না, ঘামে দুর্গন্ধ বা মিষ্টি গন্ধ থাকে,কথার বিরোধীতা সহ্য করতে পারে না, ঘুমের মধ্যে মুখ থেকে লালা ঝরে, পায়খানা করার সময় কোথানি, পায়খানা করেও মনে হয় আরো রয়ে গেছে, অধিকাংশ রোগ রাতের বেলা বেড়ে যায়, রোগী ঠান্ডা পানির জন্য পাগল, ঘামের কারণে কাপড়ে হলুদ দাগ পড়ে যায় ইত্যাদি। উপরের লক্ষণ গুলো থাকলে সাদাস্রাবেও মার্ক সল প্রয়োগ করতে পারেন।

#চায়না :
অত্যধিক সাদাস্রাবের কারণে দুর্বলতা দেখা দিলে চায়না খাওয়াতে হবে। চায়নার প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো মাথা ভারী ভারী লাগে, চোখের পাওয়ার কমে যায়, অল্পতেই বেহুঁশ হয়ে পড়া, কানের ভেতরে ভো ভো শব্দ হওয়া, মেজাজভীষণ খিটখিটে, আলো-গোলমাল-গন্ধ সহ্য করতে পারে না,হজমশক্তি কমে যাওয়া, পেটে প্রচুর গ্যাস হওয়া ইত্যাদি লক্ষন যে সাদা স্রাবের রোগীর পাওয়া যাবে তার জন্য চায়না উপযোগী।

#এলুমিনা:
গোসল করে আসার সময় স্রাব ভাঙ্গে ডিমের সাদা অংসের মত স্রাব তৎসহ পায়খানা কঠিন এমন রোগীর সাদা স্রাব পীড়ার হোমিওপ্যাথিক ঔষধ এলুমিনা।

#এগনাসটাস_ক্যাকটাস:
যে সকল নারীদের স্বামী সহবাসে ইচ্ছা হয় না বা ভাল লাগে না তাদের যাদুকরি ঔষধ এগনাসটাস ক্যাকটাস।সাদা স্রাব যদি হলুদ হয় এবং অত্যন্ত দুর্বল হয় তবে এই ঔষধ উপযোগী।

#বোরাক্স:
যদি সাদা স্রাব ভাঙ্গার সহিত যোনীতে খুব চুলকানি থাকে তাহলে বোরাক্স উপযোগী তবে যে সকল নারীরা সহজে কাঁদে, মনটা নরম তাদের তলপেটের যাবতীয় পীড়ার মহৌষধ হল পালসেটিলা। যে রমনীর মাথার চুলে জটা বাধে সাদা স্রাবের পরিমান অনেক পা বেয়ে পড়ে, গরম সহ্য হয়না ,সিড়ি বেয়ে উপরে উঠতে অক্ষম সেই রমনীর সাদা স্রাবের চিকিৎসায় অব্যার্থ মহা ঔষধ।

#নেট্রাম_মিউর:
আর যে সব নারীরা সান্তনা দিলে আরো রেগে যায়,এবং কাচা লবন ভাতের সহিত সেবন করে তাদের জন্য নেট্রাম মিউর, যে রমনী স্বামীসহবাসে অনিচ্ছা, গরমকাতর, মাসিক কম সেই রমনীর জন্য নেট্রাম মিউর উপযোগী।

❇️সাদা স্রাব রোধে পরামর্শঃ

১। সহবাসের পর যেসব মহিলাদের লালচে বা গোলাপি স্রাব হয়, তাহাদের খুব শীগ্রি ডাক্তারের নিকট যাওয়া উচিৎ। এমনকি যদি দু’টি পিরিয়ডের মাঝখনে পিংক ডিসচার্জ হয় তাহলেও ডাক্তার দেখাতে হবে। যদি পিরিয়ডের মাঝামাঝি সময়ে পানির মত পাতলা স্রাব হয়, তাহলে ভয়ের কিছু নাই।

২। এই রোগের চিকিৎসা (বিবাহিত হলে) স্বামী স্ত্রী দু’জনকে একসাথে করতে হবে। কেননা স্বামীর নিকট থেকে প্রবত্তীতে আবার স্ত্রী ইনফেকশন হতে পারে।

৩। সংক্রমণ এড়াইতে হইলে একটাই উপায়- তা হল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে।

৪। মাসিক বা ঋতুচক্রে পরিষ্কার জীবানুমুক্ত (ডেটল বা সেবলন) দিয়ে কিংবা ভালভাবে সাবান দিয়ে পেন্টি বা কাপড় জীবানুমুক্ত করে তা ব্যবহার করতে হবে।

৬। প্রদর বা সাদাস্রাব যাওয়া অবস্থায় কোন প্রকার মিলন বা সহবাস করা যাবেনা।

৭। পুষ্টিকর বা বল বৃদ্ধিকারক খাবার খাইতে হইবে।
পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বিশেষ করে নিরাপদ পানি ব্যবহার, মাসিকের সময় পরিষ্কার জীবাণুমুক্ত কাপড় বা প্যাড ব্যবহার করা, প্রতি ৬ ঘণ্টা পর পর অবশ্যই তা পরিবর্তন ও জীবাণুমক্ত করা। মাসিকের পর ব্যবহার্য কাপড় পুনরায় ব্যবহার না করা ভালো তবে করতে হলে তা গরম পানিতে জীবাণুমুক্ত করে ভালো করে রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করতে হবে।

[বিঃদ্রঃচিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন]। ধন্যবাদ।

=====================================

#আপনার কাঙ্ক্ষিত বিষয়ে জানতে এস এম এস করুন আমাদের পেইজে এবং নতুন নতুন পোস্ট পেতে লাইক দিয়ে পেইজে একটিভ থাকুন।
#পোস্ট টি নিজের কাছে রাখতে ও অন্যদের জানাতে শেয়ার করেন।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সেবা হোমিও হল আর্দশনগর মধ্যবাড্ডা ঢাকা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share