কলিকাতা হারবাল লিমিটেড=01314540907

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • কলিকাতা হারবাল লিমিটেড=01314540907

কলিকাতা হারবাল লিমিটেড=01314540907 01314540907

বয়ঃসন্ধিকালীন মানসিক চাপকে অবহেলা নয়এরফলে অনেক সময় ঘটতে পারে অনাকাঙ্খিত কিছু। বিষয়টি নিয়ে তাই খুব সচেতন থাকা উচিৎ অভিভাব...
24/01/2021

বয়ঃসন্ধিকালীন মানসিক চাপকে অবহেলা নয়

এরফলে অনেক সময় ঘটতে পারে অনাকাঙ্খিত কিছু। বিষয়টি নিয়ে তাই খুব সচেতন থাকা উচিৎ অভিভাবকদের

টিনএজ বা বয়ঃসন্ধিকালে মানসিক চাপ পরবর্তীকালে খুব বড় সমস্যায় ফেলতে পারে। এই বয়সে স্ট্রেসের অনেক কারণ থাকতে পারে, যাকে “ট্রিগার ফ্যাক্টর” বলা হয়। মূলত মানসিক চাপ থেকেই স্ট্রেসের জন্ম। তাই সন্তানের মনে চাপ সৃষ্টি করতে পারে, এমন যেকোনও ঘটনাই তার স্ট্রেসের কারণ হতে পারে। এরফলে অনেক সময় ঘটতে পারে অনাকাঙ্খিত কিছু। বিষয়টি নিয়ে তাই খুব সচেতন থাকা উচিৎ অভিভাবকদের। মাথায় রাখুন গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়।

১. এই বয়সে স্ট্রেসের অন্যতম প্রধান কারণ পড়াশোনার চাপ। একদিকে সিলেবাসের বোঝা সামলাতে গিয়ে হিমশিম অবস্থা, অন্যদিকে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ভাবনা। তার ওপর পড়াশোনা নিয়ে বাবা-মায়েদের ক্রমাগত শাষণও এই বয়সে স্ট্রেসের গুরুত্বপূর্ণ কারণ। সাফল্যের দৌড়ে সকলকে টেক্কা দেওয়ার প্রচেষ্টায় ধীরেধীরে তারা হাঁপিয়ে উঠতে শুরু করে। দীর্ঘস্থায়ী এই মানসিক চাপ একসময়ে আকার নেয় ক্রনিক স্ট্রেসের।

২. আবেগ, অনুভূতিও এই বয়সের অন্যতম বিশেষত্ব। প্রেম, ভালবাসার অনুভূতিগুলো আরও স্পষ্ট হতে শুরু করে। বন্ধুত্বের সীমা পেরিয়ে কাউকে ভাললাগা, কারও প্রতি দুর্বলতা তৈরি হওয়াও খুবই স্বাভাবিক। তবে সম্পর্ক থেকে অতিরিক্ত প্রত্যাশা এবং সেই সংক্রান্ত কোনও জটিল পরিস্থিতি তৈরি হলে, তা সামলে ওঠার মতো মানসিক দৃঢ়তা এই বয়সে বেশিরভাগেরই থাকে না। পাশাপাশি মনের কথা বলার মতো কোনও মানুষও তারা পায় না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই তা স্ট্রেসের জন্ম দেয়।

৩. বাবা-মা তথা পারিবারিক সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকেও দেখা দিতে পারে স্ট্রেস। বাড়িতে বাবা-মায়ের মধ্যে অহরহ ঝগড়া, চিৎকার কিংবা ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স বাচ্চাদের মনে চাপ সৃষ্টি করে। আজকাল যেহেতু বেশিরভাগ অভিভাবকই বাইরে কর্মরত, তাই বাচ্চাদের সঙ্গে সময় কাটানো বা তাদের সময় দেওয়াও অনেক ক্ষেত্রে সম্ভব হয় না। ফলে সন্তানদের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে। “আমাকে কেউ ভালবাসে না”, বা “আমার জন্য কারও হাতে সময় নেই” এই ধরনের ভাবনা খুব সহজেই তাদের মনে আসতে শুরু করে। সন্তান ভুগতে শুরু করে একাকিত্বে। তবে শুধু বাবা-মাই নয়, বাড়ির বাকি সদস্যদের মধ্যে জটিলতা বা কথা কাটাকাটিও সন্তানদের মনে প্রভাব ফেলতে পারে।

৪. বাবা-মায়েদের অতিরিক্ত শাসন বা গায়ে হাত তোলার প্রবণতাও এই বয়সে উল্টো প্রভাব ফেলতে পারে। সবসময় ওর সব গতিবিধির ওপর নজরদারি করলে, তা এই বয়সে ওর ভাল না লাগারই কথা। বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে নিজের মতো করে সময় কাটানো, আড্ডা দেওয়া, সর্বোপরি বয়সোচিত অভ্যেসগুলো থেকে বাচ্চাদের আটকালে, প্রতিক্রিয়া নেতিবাচক হওয়াও কিন্তু খুব স্বাভাবিক।

৫. “সিবলিং রাইভালরি”ও হতে পারে এই বয়সে স্ট্রেসের কারণ। কোনও এক সন্তানের প্রতি বাবা-মায়ের পক্ষপাতিত্ব অপর সন্তানের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। ছোটভাই বা বোন বলে তারজন্য নিয়মিত উপহার কিনে আনা কিংবা তার ছোটখাটো অপরাধ অবলীলায় ক্ষমা করে দেওয়ার মতো তুচ্ছ ঘটনাও হিংসা, ও রাগের জন্ম দিতে পারে। এক্ষেত্রে ভাই বা বোনের প্রতি ক্ষোভের পাশাপাশি মানসিক চাপও সৃষ্টি হয়, যা ধীরেধীরে ডেকে আনে স্ট্রেস।

৬. সেক্সুয়াল অ্যাবিউজ থেকেও এই বয়সী সন্তানের মনে চাপ সৃষ্টি হতে পারে। অপরিচিত ব্যক্তিদের তুলনায় নিকটাত্মীয় বা বাবা-মায়ের ঘনিষ্ঠ কোনও বন্ধুর থেকেই এই ধরনের অভব্য আচরণের ঘটনা বেশি শোনা যায়। অথচ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, বাড়ির কেউ সে কথা জানেন না। বা হয়তো বাচ্চা তার বাবা-মাকে এই ধরনের কথা জানাতেই ভয় পাচ্ছে। বয়স একটু কম হলে, সেক্ষেত্রে অনেক বাচ্চার কাছে “সেক্সুয়াল অ্যাবিউজ” সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণাই থাকে না। সবমিলিয়ে দীর্ঘদিন এই ধরনের মানসিক চাপ জমে থাকার ফলেও স্ট্রেস, অ্যাংজাইটি বা ডিপ্রেশন ডেকে আনতে পারে।

৭. বাড়িতে কারও অসুখ বা শারীরিক সমস্যা কিংবা চলমান আর্থিক সমস্যা ইত্যাদিও বয়ঃসন্ধিকালীন সন্তানদের মনে স্ট্রেস তৈরি করতে পারে। বাড়িতে এই সংক্রান্ত আলোচনা, বাবা-মায়ের উদ্বেগ ভীষণভাবে তাদের মনে সংক্রামিত হয়ে মানসিক চাপের জন্ম হতে পারে

মৌসুম বদলের অসুখ থেকে শিশুর সুরক্ষা শীতের শুরুতে ঠাণ্ডা লেগে সর্দি, কাশি, জ্বর হওয়া বাচ্চাদের জন্য খুবই সাধারণ বিষয়। যেস...
24/01/2021

মৌসুম বদলের অসুখ থেকে শিশুর সুরক্ষা


শীতের শুরুতে ঠাণ্ডা লেগে সর্দি, কাশি, জ্বর হওয়া বাচ্চাদের জন্য খুবই সাধারণ বিষয়। যেসব শিশুর হাঁপানি রয়েছে, তাদের এই সমস্যা শীতে আরও বেড়ে যায়

শীতের শুরুতে বাচ্চাদের নানারকম অসুখ হতে পারে। এসময়ে তাই দরকার একটু বাড়তি যত্নের। বিভিন্ন রোগের সঙ্গে মোকাবেলা করতে দরকার শুধু একটু সচেতনতা আর প্রয়োজনে সঠিক চিকিৎসা।

যেসব অসুখ-বিসুখ হতে পারে

শীতের শুরুতে ঠাণ্ডা লেগে সর্দি, কাশি, জ্বর হওয়া বাচ্চাদের মধ্যে খুবই সাধারণ বিষয়। তাছাড়া, যাদের নিঃশ্বাসের কষ্ট বা হাঁপানি রয়েছে বা যাদের রেসপিরেটারি ইনফেকশন বেশি হয়, তাদেরও এই সমস্যা শীতকালে বেড়ে যায়। এর কারণ, শীতকালে দূষণের মাত্রা বেশি থাকে অনেকটা। এই সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু সাধারণ অসুখ ব্রঙ্কিওলাইটিস, যেটিও একধরনের “রেসপিরেটারি ইলনেস”। আর ডায়রিয়ার সমস্যা যেকোনও সিজন চেঞ্জের সময়ই হতে পারে।

প্রতিরোধ

১. সর্দি-কাশি-জ্বরের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, কোনভাবেই বাচ্চাকে ঠাণ্ডা না লাগানো। বাচ্চারা অনেকসময়ই সরাসরি ফ্রিজ থেকে বের করে পানি বা জুস খেয়ে নেয়। এটা অবশ্যই আটকাতে হবে। এই সময়টায় কোল্ড ড্রিংকসও দেওয়া উচিত নয় বাচ্চাদের।

২. হঠাৎ করে তাপমাত্রার পরিবর্তন অর্থাৎ ঠাণ্ডা-গরম হওয়ার ফলেই শিশুদের ঠাণ্ডা লেগে যায়। তাই খুব গরম থেকে এসেই খুব ঠাণ্ডায় যাওয়া এড়াতে হবে।

৩. একদম ছোট শিশুদের ডায়াপার না পরে ভিজে পোশাকে থাকলে বা অনেকক্ষণ ভিজে ডায়াপার পরে থাকলে সেই ভিজেভাব থেকেও ঠাণ্ডা লেগে যায়। নিউমোনিয়াও হতে পারে। তাই সবসময় ডায়াপার পরিয়ে রাখতে হবে এবং সময়মতো সেটা বদলেও দিত‌ে হবে।

৪. ডায়রিয়া হওয়া আটকাতে দু’বছরের কম বয়সী শিশুদের বাড়িতে ফোটানো পানি ও তারচেয়ে বড় বাচ্চাদের ফিল্টারের পানি খাওয়ান।

৫. ব্রঙ্কিওলাইটিস এই সময় খুব সাধারণ অসুখ, আর সেটা কিন্তু বড়দের থেকেই বাচ্চাদের হয়। তাই বাড়িতে বড় কারও ঠাণ্ডা লেগে থাকলে, তাকে ও বাচ্চাকে, দু’জনকেই বাড়িতেও মাস্ক পরে থাকতে হবে। যারা ব্রেস্টফিড করছেন, তাদেরকেও মাস্ক পরে বাচ্চাকে খাওয়াতে হবে।

চিকিৎসা

১. দু’বছর বয়স পর্যন্ত বাচ্চাদের ব্রঙ্কিওলাইটিস হওয়ার আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি। এর সবচেয়ে বড় সমস্যা, কোনও অ্যান্টিবায়োটিকে এতে কাজ হয় না।

২. এই সময় বাচ্চারা বেশি খেতে পারে না। যেহেতু এটা রেসপিরেটারি সমস্যা, তাই একবারে বেশি খেলে ওদের পেটে চাপ পড়ে, আর বমি হয়ে যায়। তাই কিছুক্ষণ পরপর অল্পঅল্প করে খাওয়াতে হবে।

৩. অভিভাবকদের সারাদিন ধরে বাচ্চার ব্রিদিং মনিটর করতে হবে যাতে নিঃশ্বাসের কষ্ট না বাড়ে। খুব বেশি সমস্যা হলে হাসপাতালে ভরতি হয়ে নেবুলাইজেশন করাতে হবে। এছাড়া, ইনহেলারও দেওয়া যেতে পারে। যদি রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা খুব কমে গিয়ে অবস্থা সিরিয়াস হয়ে যায়, তখন ভেন্টিলেশানে রাখা হয়। এরসঙ্গে জ্বরও থাকলে প্রয়োজনে তার ওষুধ দিতে হবে।

৪. সাধারণ ঠাণ্ডা লেগে সর্দি-কাশি হয়ে থাকলে, বা জ্বর থাকলে প্যারাসিটামল দিন। কিছুদিনের মধ্যেই কমে যাবে।

৫. তিন-চারদিনেও জ্বর না কমলে তখন রক্ত পরীক্ষা করাতে হবে। রক্ত পরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়লে তখন প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।

জেনে নিন, যেসময় সেক্স করা একদম উচিত না ! ,১. মহিলাদের মাসিক বা ঋতুস্রাব অবস্থায় কখনোই স্ত্রী সহবাস করা উচিত না।,২. নিফা...
22/01/2021

জেনে নিন, যেসময় সেক্স করা একদম উচিত না !
,
১. মহিলাদের মাসিক বা ঋতুস্রাব অবস্থায় কখনোই স্ত্রী সহবাস করা উচিত না।
,
২. নিফাস ( অর্থাৎ মহিলাদের বাচ্চা প্রসবের পর চল্লিশ দিন বা এর কমে যে কয়দিনে রক্ত আসাপরিপূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়) অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করা উচিত না।
এ দুসময়ের মধ্যে সহবাস করলে উভয়েরই অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেননা এ সময়ের রক্তের প্রচুর পরিমাণ বিষাক্ত জীবানু থাকে। যার দ্বারা ভয়ানক রোগ হওয়ার সম্ভাবনা প্রমাণিত।
অনেক পুরুষকে দেখা যায় যে , এ স্ময় সহবাস করার কারণে লজ্জাস্থানে এলার্জী জাতীয় বিভিন্ন রোগ হয়। লজ্জাস্থানে জ্বালাপোড়া শ্র“ হয়ে যায়, আবার কারো ধাতু দুর্বলতা দেখা দেয়। এসময়ের সহবাস দ্বারা সন্তান জন্ম নিলে অনেক ক্ষেত্রে সন্তানের শরীরে বিভিন্ন রোগ হয়ে থাকে। শরীরে বিভিন্ন ধরণের ঘা হয়,যা থেকে অনবরত পানি ঝরতেই থাকে এবং বাচ্চাদানী বাহিরে বের হয়ে আসে । আবার অনেক সময় মহিলাদের ভ্রুণ নষ্টের রোগ হয়ে থাকে।এ ছাড়াও এ সময়ের সহবাসে নারী পুরুষ উভয়েই বিভিন্ন ধরণের রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হ। কেননা ঋতুস্রাব ও নেফাসের রক্তে শরীরের ভিতরের রোগ জীবাণুযুক্ত অপবিত্র উপকরণ থাকে। সে সাথে বিষাক্ত জীবাণুও থাকে। রক্তস্রাবের সময় মহিলাদের সর্বক্ষণ রক্ত নির্গত হওয়ার কারণে কারো কারো যৌনাঙ্গটি এক প্রকার ফোলা ও উষ্ণ থাকে। ঋতুস্রাব বা নেফাস থেকে পবিত্র হয়ে গোসল করার আগ পর্যন্ত মহিলাদের সাথে সহবাস করবেনা।
,
৩. কাজের ব্যস্ততা বেশি থাকলে সে সময় সহবাস করা উচিত না।
,
৪. চিন্তা-ভাবনা, পেরেশানী ও বিচলিত হালতে সহবাস করা উচিত না।
,
৫. দুর্বল ও ক্লান্ত অবস্থায় সহবাস না করা উচিত।
,
৬. মাতাল অবস্থায় সহবাস না করা।
,
৭. পেশাব পায়খানার চাপ থাকলে সহবাস না করা।
,
৮. একেবারে খালি পেটে অথবা ভরপেটেও সহবাসনা করা । এ অবস্থায় সহবাসে পেটের বিভিন্নরোগ সৃষ্টি হওয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে । এমনকি পাকস্থলী কলিজার উপর চলে আসারও সম্ভাবনা থাকে।বিজ্ঞদের মতে ভরপেটে সহবাস করলে শগর ( অর্থাৎ পেশাবের সাথে পূজ পড়া এবং শরীর খুবই দুর্বল হয়ে যাওয়া) রোগ হয়ে থাকে আবার একেবারে খালি পেটে সহবাস করা শরীরের জন্য আরো ক্ষতিকর। কেননা বীর্যপাতের পর অণ্ডকোষ নিজের খাদ্য চর্বি থেকে তলব করে থাকে। আর চর্বিনিজের খাবার তলব করে কলিজা থেকে। কলিজা তার খাবার তলব করে পাকস্থলী থেকে। ক্ষুধার্ত অবস্থায় পেট থাকে একেবারে খাবার শূন্য । যার কারণে টিবি, ভীতিপ্রদ রোগ, চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। অসুস্থতা থেকে মুক্তির পর শারীরিক দুর্বলতা এখনো অবশিষ্ট আছে এ অবস্থায় সহবাস না করা। মৃগী রোগ, টিবি রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তি সহবাস থেকে দূরেথাকবে। মস্তিষ্ক ক্ষয় হয় এমন কাজের পর সহবাস না করা। যাদের চোখের দৃষ্টির রোগ, শারীরিক দুর্বলতা ও কলিজা, পাকস্থলী দুর্বল তাদের তাদের জন্যও সহবাস করা ক্ষতিকর।
,
,
তদ্রুপভাবে অর্শ্ব ও আক্রান্ত ব্যাক্তি যথাসম্ভব সহবাস থেকে দূরে থাকবে।
,
৯. যাদের গনোরিয়া রোগ আছে তারাও যথাসম্ভবসহবাস থেকে দূরে থাকবেন।১০. অসুস্থ অবস্থায় ও জীবানুযুক্ত বাতাস গ্রহণের সময় সহবাস না করা উচিত। জ্ঞানী ব্যাক্তিদের ধারণা মতে চাঁদের এগারো তারিখে সহবাস করা নিজের বয়স কমিয়ে ফেলারই নামান্তর। প্রাপ্ত বয়সের পূর্বে ভ্রুণ তৈরি হলে সে সন্তান অসুস্থ অবস্থায় জন্মগ্রহণ করে।
,
,
বৈজ্ঞানিকদের মত রাতের প্রথমাংশে সহবাসের দ্বারা সন্তান জন্ম গ্রহণ করলে সে সন্তান অল্প বয়সে মৃত্যুবরণ করে। আর রাতের শেষ প্রহরে সহবাস করার দ্বারা সন্তান জন্মগ্রহণ করলে সন্তান জ্ঞানী হয়।

সেক্সের সময় সাধারণত যে ভুলগুলো হয়ে থাকে।।।বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় আমাদের দেশের ছেলেরা সেক্সের সময় মেয়েদের আনন্দ দেওয়...
22/01/2021

সেক্সের সময় সাধারণত যে ভুলগুলো হয়ে থাকে।।।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় আমাদের দেশের ছেলেরা সেক্সের সময় মেয়েদের আনন্দ দেওয়ার চেয়ে তাদেরকে লোভনীয় খাদ্যের মত গপাগপ গিলতেই বেশি পছন্দ করে। তাই এদেশের বহু মেয়েরকাছে (সবাই নয়) চরম যৌন সুখ পাওয়া যেন এক বহু আরাধ্য বস্তু। ছেলেদের এই রাক্ষুসে মনোভাবেরকারনেই অনেকসময় দেখা যায় যে তারা তাদের Relationship টিকিয়ে রাখতে ব্যর্থ হয়। এমনকি এর ফলে বিয়ের মত অনেক বন্ধনও ধ্বংসের মুখে পড়ে যাচ্ছে, পরকীয়া প্রেমের সূত্রপাত ঘটছে। এর মূল কারনই হল সেক্স ও মেয়েদের যৌন ইচ্ছা-আকাঙ্খা সম্পর্কে ছেলেদের স্বচ্ছ ধারনার অভাব। বিদেশি ভাষায় এসব বিষয়ে অনেক বই পত্র থাকলেও বাংলায় তেমন নেই বললেই চলে। তাই কিছু বিদেশি বইয়ের সাহায্য নিয়ে ও নিজের অভিজ্ঞতা থেকে সেক্সের সময় ছেলেদের যে সকল ভুলের কারনেতাদের সঙ্গিনীর বিরাগভাজন হতে হয় তার কয়েকটি সংক্ষিপ্তাকারে তুলে ধরলাম।
১. প্রথমে চুমু না খাওয়াঃ সেক্সের শুরুতেই সঙ্গিনীকে আদরের সাথে চুমু না খেয়ে তার যৌন কাতর স্থানগুলোতে (স্তন, যোনি, নিতম্ব, নাভী ইত্যাদি) চলে গেলে তার ধারনা হতে পারে যে আপনিতাকে টাকা দিয়ে ভাড়া করে দ্রুত সেই টাকা উসুল করার চেষ্টা করছেন। গভীরভাবে ভালোবাসার সাথেসঙ্গিনীকে চুমু খাওয়া দুজনের জন্যই প্রকৃতপক্ষে এক অসাধরন যৌনানন্দময় সেক্সের সূচনা করে।
২. দাড়ি না কামানোঃ অনেকেই দাড়ি নাকামিয়ে সেক্স করেন, এই মনে করে যে আসল কাজ তো আমার হাত আর লিঙ্গের! কিন্ত যখন আপনার সঙ্গিনীকে চুমু খাবেন, তার স্তন চুষবেন, তার সারা দেহে জিহবা বুলাবেন এবং বিশেষ করে যখন তার যোনি চুষবেন তখন আপনার ধারালো খোচা খোচা দাড়ি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনার সঙ্গিনীকে আনন্দ নয় বরং অসস্তি ও ব্যথা দেবে। তাই সেক্সের আগে ভালোমত দাড়ি কামিয়ে নেয়া উচিত।
৩. প্রথম থেকেই জোরে জোরে স্তন টিপাঃ বেশীরভাগ সময়ই দেখা যায় ছেলেরা মেয়েটির স্তন হাতের কাছে পাওয়া মাত্রই এমনভাবে টিপা শুরু করে যেন ময়দা মাখাচ্ছে। কিছু Extreme মেয়ে এরকমটা পছন্দ করলেও বেশীরভাগ মেয়েই চূড়ান্ত উত্তেজিত হওয়ার আগে এরকম করাতে বেশ ব্যথা পায়। তাই প্রথমে নিজের উত্তেজনাকে একটু দাবিয়ে রেখে হলেও ধীরে ধীরে আদরের সাথে ওর স্তনে হাত বুলিয়ে বুলিয়ে টিপা শুরু করতে হবে।তবে মেয়েই যদি জোরে টিপতে বলে তবে সেক্ষেত্রেকোন সমস্যা নেই।
৪. স্তনের বোটায় কামড় দেয়াঃ কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় কোন মেয়েই সরাসরি তাদের স্তনের বোটায় কামড় খেতে পছন্দ করে না। ছেলেরা মনে করে এখানে কামড় দিলে তাকে বেশি বেশি উত্তেজিতকরে তোলা যায়। হ্যা কথাটা আংশিক সত্যি। তবে এর সবচেয়ে ভালো উপায় হল। প্রথমে মুখের ভিতরে যতটুক পারা যায় স্তনটা পুরো বা আংশিক ভরে নিতে হবে তারপর হাল্কা করে দাত বুলানোর মত করে মুখ থেকে স্তনটা বের করতে করতে নিপলে আলতো ভাবে দুই দাঁতের ছোয়া লাগাতে হবে।
৫. আঙ্গুল দিয়ে স্তনের বোটা মোড়ানোঃ অনেক ছেলে এমনভাবে সঙ্গিনীর বোটা আঙ্গুল দিয়ে মোড়ায় যেন তারা রেডিও টিউন করছে। এটা ঠিক নয়। হতে পারে বোটা মেয়েদের স্তনের সবচেয়ে স্পর্শকাতর স্থান, কিন্ত শুধুই বোটায় এরকম করলে সেটা আনন্দদায়ক নয়, বরং কিছুটা যন্ত্রনাদায়ক (Teasing) । তাই একহাতের আঙ্গুলে বোটা নিয়ে খেলার সময় অন্য হাত দিয়ে সম্পুর্ন স্তনের উপরও নজর রাখতে হবে।
৬. সঙ্গিনীর দেহের অন্যান্য অঙ্গের দিকে মনোযোগ না দেয়াঃ সেক্সের সময় ছেলেদের একটা কথা সবসময় মনে রাখতে হবে যে মেয়েদের স্তন, যোনি আর নিতম্ব এই তিনটিই তাদের একমাত্র যৌনকাতর স্থান নয়। ছেলেদের মূল যৌন কাতর অঙ্গতাদের দেহের মাত্র কয়েকটি স্থানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও মেয়েদের প্রায় পুরো দেহই স্পর্শকাতর (মেয়েদের দেহের কোন কোন অংশ গুলো বেশি যৌনকাতর তা আপাতত এই সংক্ষিপ্ত রচনায় আরব্যাখ্যা করছি না।)।তাই তার দেহের এমন একটি স্থানও যেন না থাকে যেখানে ছেলেটির ঠোটের বা হাতের স্পর্শ যায়নি।
৭. ছেলের হাত আটকে যাওয়াঃ সঙ্গিনী যদি আক্রমনাত্নক (Aggressive) সেক্স পছন্দ করে অথবা ছেলে নিজেই চরম উত্তেজিত হয়ে মেয়ের যোনি,স্তন ইত্যাদি স্পর্শ করার জন্য পাগলের মত হাতরাতে থাকে তবে মেয়েটির প্যান্টি বা ব্রা তে তার হাত আটকে যেতে পারে। ফলে বাধ্য হয়ে থেমে সেটা ছাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে যে রোমান্টিক যৌনতার একটা আবেশ (Mood) তৈরী হয়েছিল তা নস্ট হয়ে যেতে পারে। তাই বেশি Aggressive সেক্স শুরুর আগেই ব্রা-প্যন্টি খুলে নেওয়া ভালো।
৮. ভগাঙ্কুরে আক্রমনঃ অনেক ছেলেই মেয়ের যোনি চুষতে গিয়ে তার ভগাঙ্কুরে (cl****is) জোরে জোরেআঙ্গুল ঘষে বলতে গেলে আক্রমনই করে বসে। যারা জানেন না তাদের জন্য বলছি ভগাঙ্কুর হলো মেয়েদের সবচেয়ে যৌনকাতর স্থানগুলোর একটি। এরঅবস্থান হল যোনির ফুটোর আশেপাশে যে পাতলা চামড়ার মত অংশ (l***a) আছে তার উপরের দিকে, মেয়েদের প্রস্রাবের রাস্তার নিচে। মেয়েরা যৌনত্তেজিত হলে এই স্থানটি শক্ত হয়ে একটু ফুলে যায় ফলে তা সহজেই দেখা যায়। এই স্থানটি চরম স্পর্শকাতর হলেও এতে জোরে জোরে আঙ্গুল ঘষা মেয়েদের জন্য পীড়াদায়ক। তাই প্রথম দিকে এতে একটু ধীরে ধীরে আঙ্গুল ঘষতে হবে।
৯. একটু থেমে বিশ্রাম নেওয়াঃ ছেলেরা যেমন চরম উত্তেজনার পথে সামান্য সময়ের জন্য থেমে গেলেও আবার সেই স্থান থেকেই শুরু করতে পারে, মেয়েদের পক্ষে এটা সম্ভব হয়না। তাদের উত্তেজিত হতে যথেষ্ট সময়ের প্রয়োজন। চরম উত্তেজিত হবার পথে হঠাৎ থেমে গেলে তারা আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়, ফলে আবার নতুন করে তাদের উত্তেজিত করে তুলতে হয়। তাই যত কষ্টই হোক মেয়েটির চরম উত্তেজনা না আসা পর্যন্ত তাকে আদর করা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্ট করতে হবে।
১০. এলোমেলোভাবে সঙ্গিনীর কাপড়চোপড় খুলতে থাকাঃ অনেক ছেলেই অতিরিক্ত উত্তেজনায় যেনতেনভাবে তার সঙ্গিনীর কাপড় চোপড় খুলতে থাকে ফলে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যেমন ছেলেটি মেয়েটির গেঞ্জি খুলতে গেলে ওর হাতে আটকে যায় বা জিন্স খুলতে গেলে প্যান্টির সাথেআটকে যায়। এরকম হলে মেয়েটি একটি অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়ে যায়। এমনিতেই নারীসুলভ লাজুকতায়, নিজের স্বামীর সামনেও নগ্ন হতে গিয়ে অনেক স্ত্রীর সামান্য লজ্জা লাগতে পারে, যা তার যৌনসুখের পথে বাধা হয়ে দাড়ায়। এছাড়াও একটি ছেলে তার কাপড় খুলতে গিয়ে তাকে অর্ধনগ্নকরে আটকে গিয়েছে, এরকম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে মেয়েরা পড়তে চায় না। তাই ছেলেদের অত্যন্ত যত্নের সাথে মেয়েটির কাপড় খুলে তাকে তার নগ্নতার লজ্জাকে কাটিয়ে উঠার সুজোগ দিতে হবে। তবে দুজনের সম্মতিতে উম্মাদ-মাতাল সেক্সের ব্যপার-স্যপার হলে অন্য কথা!
১১. মেয়ের অন্তর্বাস নিয়ে টানাটানি শুরু করাঃসেক্সের সময় সঙ্গিনীর ব্রা-প্যান্টির উপর দিয়ে হাত বুলিয়ে দেওয়া এমনকি এর উপর দিয়ে চাটা মেয়েটির জন্য অত্যন্ত সেক্সী আনন্দদায়কহলেও তার ব্রা-প্যান্টি নিয়ে টানাটানি করাটানয়। এতে তার সংবেদনশীল স্থানগুলোতে ব্যথা লেগে পুরো সেক্সের মুডটাই নস্ট হয়ে যেতে পারে। তাই এক্ষেত্রে সাবধান।
১২. সঙ্গিনীর যোনির প্রতি অতিরিক্ত আসক্ত থাকাঃ অনেক ছেলে মেয়েদের যোনি চোষাটা ঘৃন্য মনে করলেও বেশির ভাগ ছেলেই একবার মুখ দিয়ে সেখানের স্বাদ অনুভব করার পর থেকে এর পরতি চরমভাবে আসক্ত হয়ে পড়ে। এমনকি যারা যোনি মুখ দেয়ও না তারাও অন্তত হাত দিয়ে হলেও মেয়েদের সবচাইতে গোপন স্থানটিকে বারবার আদর করার লোভ সামলাতে পারেন না। সেটা ঠিক আছে। কিন্ত অনেকেই এর প্রতি এতটাই আসক্ত হয়ে পড়ে যে দেখা যায়, তার সঙ্গিনীর যে যোনি ছাড়াও যৌনসংবেদী প্রায় পুরো একটা দেহই রয়েছে সে কথা ভুলে যায়। তাই সেক্সের শুরুতেই এমনকি বেশিরভাগ সময়ই মুখ দিয়ে না হলে হাত দিয়ে ঘুরেফিরে যোনিটাকেইবেশি উত্তেজিত করার চেষ্টা করে। কিন্ত এর জন্য সঙ্গিনী পুরো সময়টাই অসহ্যবোধ করে কারন ছেলেদের মত শুধু লিঙ্গতে সুখ পেয়েই তারা এত সহজে যৌনত্তেজিত হতে পারে না। মেয়েরা তাদের সারা দেহেই তার সঙ্গীর আদর পেতে চায়।
১৩. রুক্ষভাবে সঙ্গিনীর দেহে ম্যাসাজ করাঃ সেক্সের সময় সঙ্গিনীকে উত্তেজিত করে তোলার জন্য যে শৃঙ্গার (Foreplay) বা যৌন আদর করা হয় তার মধ্যে অন্যতম হল তার সারা দেহে ম্যাসাজ করে দেয়া। বিশেষ করে কর্মজীবী মেয়েদের সঙ্গীরা এই উপায়ে সারাদিন কাজ থেকে ফিরে ক্লান্ত অবসন্ন সঙ্গিনীর নিস্তেজ দেহকে এভাবে সেক্সের জন্য প্রস্তুত করে তুলতে পারেন (এ ব্যাপারে এখন বিস্তারিত কিছু বলছি না কারন, সেক্সুয়াল ম্যাসাজ করা নিয়ে একটা পুরো একটা বইই লিখে ফেলা যায়। তাই এখন নয়)। তবে নিজের উত্তেজনায় অনেক ছেলেই সঙ্গিনী ব্যাথা পাচ্ছে কিনা একথা চিন্তা না করেই জোরেজোরে রুক্ষভাবে ম্যাসাজ করতে থাকে। এরকম করাটা পরিহার করতে হবে।
১৪. মেয়ের আগেই নিজের কাপড় খুলতে শুরু করাঃ মেয়ে কোন কিছু করার আগেই কেউ তার কাপড় চোপড় খোলা শুরু করবেন না। মেয়ে যতক্ষন পর্যন্ত না উত্তেজিত হয়ে আপনার কাপড় খোলায় মনোযোগ না দেয় ততক্ষন পর্যন্ত নিজে কিছু করার দরকার নেই। মেয়ে যদি আপনার প্যান্টের বোতাম খুলতে চেষ্টা করে, শার্ট টেনে ধরে ইত্যাদি কাজগুলোই আপনার
কাপড় খোলার জন্য মেয়েটির থেকে সংকেত বলে ধরে নিতে হবে।!
১২. সঙ্গিনীর যোনির প্রতি অতিরিক্ত আসক্ত থাকাঃ অনেক ছেলে মেয়েদের যোনি চোষাটা ঘৃন্য মনে করলেও বেশির ভাগ ছেলেই একবার মুখ দিয়ে সেখানের স্বাদ অনুভব করার পর থেকে এর পরতি চরমভাবে আসক্ত হয়ে পড়ে। এমনকি যারা যোনি মুখ দেয়ও না তারাও অন্তত হাত দিয়ে হলেও মেয়েদের সবচাইতে গোপন স্থানটিকে বারবার আদর করার লোভ সামলাতে পারেন না। সেটা ঠিক আছে। কিন্ত অনেকেই এর প্রতি এতটাই আসক্ত হয়ে পড়ে যে দেখা যায়, তার সঙ্গিনীর যে যোনি ছাড়াও যৌনসংবেদী প্রায় পুরো একটা দেহই রয়েছে সে কথা ভুলে যায়। তাই সেক্সের শুরুতেই এমনকি বেশিরভাগ সময়ই মুখ দিয়ে না হলে হাত দিয়ে ঘুরেফিরে যোনিটাকেইবেশি উত্তেজিত করার চেষ্টা করে। কিন্ত এর জন্য সঙ্গিনী পুরো সময়টাই অসহ্যবোধ করে কারন ছেলেদের মত শুধু লিঙ্গতে সুখ পেয়েই তারা এত সহজে যৌনত্তেজিত হতে পারে না। মেয়েরা তাদের সারা দেহেই তার সঙ্গীর আদর পেতে।

কিভাবে অধিক সময় নিয়ে যৌন মিলন করা যায়ঃসাধারনত অধিক সময় নিয়ে যৌন মিলন করাটা পুরুষেরসক্ষমতার উপরই নির্ভর করে। তথাপি কিছু প...
22/01/2021

কিভাবে অধিক সময় নিয়ে যৌন মিলন করা যায়ঃ
সাধারনত অধিক সময় নিয়ে যৌন মিলন করাটা পুরুষের
সক্ষমতার উপরই নির্ভর করে।
তথাপি কিছু পদ্ধতি
অবলম্বন করে পুরুষরা তাদের মিলনকাল দীর্ঘায়িত করতে
পারেন। তবে কে কতটা দীর্ঘ সময় নিয়ে যৌন মিলন করবে
এটা অনেকটাই তাদের চর্চার উপর নির্ভর করে থাকে।
আসুন জেনে নিই মিলন দীর্ঘায়িত করার কিছু পদ্ধতি।
পদ্ধতি ১:- চেপে/টিপে (স্কুইজ) ধরাঃ
এই পদ্ধতিটি আবিষ্কার করেছেন মাষ্টার এবং জনসন
নামের দুই ব্যাক্তি। চেপে ধরা পদ্ধতি আসলে নাম
থেকেই অনুমান করা যায় কিভাবে করতে হয়। যখন কোন
পুরুষ মনে করেন তার বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন সে
অথবা তার সঙ্গী লিঙ্গের ঠিক গোড়ার দিকে
অন্ডকোষের কাছাকাছি লিঙ্গের নিচের দিকে যে
রাস্তা দিয়ে মুত্র/বীর্য বহিঃর্গামী হয় সে শিরা/
মুত্রনালী কয়েক সেকেন্ডর জন্য চেপে ধরবেন। (লিঙ্গের
পাশ থেকে দুই আঙ্গুল দিয়ে ক্লিপের মত আটকে ধরতে
হবে।)। চাপ ছেড়ে দেবার পর ৩০ থেকে ৪৫ সেকেন্ডের মত
সময় বিরতী নিন। এই সময় লিঙ্গ সঞ্চালন বা কোন প্রকার
যৌন কর্যক্রম করা থেকে বিরত থাকুন।
এ পদ্ধতির ফলে হয়তো পুরুষ কিছুক্ষনের জন্য লিঙ্গের
দৃঢ়তা হারাবেন। কিন্তু ৪৫ সেকেন্ড পুর পুনরায় কার্যক্রম
চালু করলে লিঙ্গ আবার আগের দৃঢ়তা ফিরে পাবে। স্কুইজ
পদ্ধতি এক মিলনে আপনি যতবার খুশি ততবার করতে
পারেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস
বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল
পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।
পদ্ধতি ২:- সংকোচন (টেনসিং)ঃ
এ পদ্ধতি সম্পর্কে বলার আগে আমি আপনাদের কিছু
বেসিক ধারনা দেই। আমরা প্রস্রাব করার সময় প্রসাব
পুরোপুরি নিঃস্বরনের জন্য অন্ডকোষের নিচ থেকে
পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চলে যে এক প্রকার খিচুনী দিয়ে পুনরায়
তলপেট দিয়ে চাপ দেই এখানে বর্নিত সংকোচন বা
টেনসিং পদ্ধতিটি অনেকটা সে রকম। তবে পার্থক্য হল
এখনে আমরা খিচুনী প্রয়োগ করবো – চাপ নয়।
মিলনকালে যখন অনুমান করবেন বীর্য প্রায় স্থলনের পথে,
তখন আপনার সকল যৌন কর্যক্রম বন্ধ রেখে অন্ডকোষের
তলা থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চল কয়েক সেকেন্ডের জন্য
প্রচন্ড শক্তিতে খিচে ধরুন। এবার ছেড়ে দিন। পুনরায়
কয়েক সেকেন্ডের জন্য খিচুনী দিন। এভাবে ২/১ বার করার
পর যখন দেখবেন বীর্য স্থলনেরে চাপ/অনুভব চলে গেছে
তখন পুনরায় আপনার যৌন কর্ম শুরু করুন।
সংকোচন পদ্ধতি আপনার যৌন মিলনকে দীর্ঘায়িত
করবে। আবারো বলি, সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস
বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল
পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।
পদ্ধতি ৩ :- বিরাম (টিজিং / পজ এন্ড প্লে)ঃ
এ পদ্ধতিটি বহুল ব্যবহৃত। সাধারনত সব যুগল এ পদ্ধতির
সহায়তা নিয়ে থাকেন। এ পদ্ধতিতে মিলনকালে বীর্য
স্থলনের অবস্থানে পৌছালে লিঙ্গকে বাহির করে ফেলুন
অথবা ভিতরে থাকলেও কার্যকলাপে বিরাম দিন। এই সময়
আপনি আপনাকে অন্যমনস্ক করে রাখতে পারেন। অর্থ্যৎ
সুখ অনুভুতি থেকে মনকে ঘুরিয়ে নিন।যখন অনুভব করবেন
বীর্যের চাপ কমে গেছে তখন পুনরায় শুরু করতে পারেন।
বিরাম পদ্ধতির সফলতা সম্পুর্ন নির্ভর করে আপনার
অভ্যাসের উপর। প্রথমদিকে এ পদ্ধতির সফলতা না পাওয়া
গেলেও যারা যৌন কার্যে নিয়মিত তারা এই পদ্ধতির
গুনাগুন জানেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা
অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই
প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করবেন না।
একটা বিষয় প্রতিটা পুরুষেরই জেনে রাখা দরকার –
বিষয়গুলি নিয়ে অবশ্যই আপনার স্ত্রীর সাথে আলোচনা
করবেন। তাতে আপনারা দু’জনেই লাভবান হবেন। আপনি
আপনার স্ত্রীকে পদ্ধতিগুলো বুঝিয়ে বলুন। দেখবেন সেই
আপনাকে সাহায্য করছে। কারন সে জানে আপনি বেশি
সময় নেয়া মানে তার নিজেরই লাভবান হওয়া।

Address

Narayongonj
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কলিকাতা হারবাল লিমিটেড=01314540907 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share