Dr. Md Abdullah Yousuf

Dr. Md Abdullah Yousuf Dr. Yousuf is a USA Board Certified Physician Specialized in Family Medicine & Osteopathic Manipulative Treatment.
(2)

মাথাব্যথাটাকে আমরা কেনো জানি খুব একটা পাত্তা দিতে চাইনা। আমাদের ধারণা হলো একটা পেইনকিলার খেলেই তো ১০মিনিটের মধ্যেই ব্যথা...
16/10/2025

মাথাব্যথাটাকে আমরা কেনো জানি খুব একটা পাত্তা দিতে চাইনা। আমাদের ধারণা হলো একটা পেইনকিলার খেলেই তো ১০মিনিটের মধ্যেই ব্যথা কমে যাবে। কিন্তু মাইগ্রেন এরকম সাধারণ কোনো মাথাব্যথা নয়। এটি একধরনের জটিল নিউরোলজিকাল অবস্থা। মাইগ্রেনে যে শুধুমাত্র অসহনীয় মাথাব্যথা হয় তাই-ই নয় বরং শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের স্বাভাবিক কার্যক্রমকেও প্রভাবিত করে। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষ মাইগ্রেনের শিকার। বিশেষ করে তরুণ ও কর্মক্ষম বয়সের নারীদের মধ্যে এ সমস্যা বেশি দেখা যায়। WHO এর তথ্য অনুযায়ী, মাইগ্রেন এমন একটি সমস্যা যা স্বাভাবিক কার্যক্রম, অফিস,পড়াশোনা সবকিছু ব্যহত করে দেয়। সবচেয়ে ভয়ানক হলো, এটি শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিক চাপ, ক্লান্তি এবং একধরনের অস্বস্তি তৈরি করে যা বেশিরভাগ সময় ব্যথার থেকেও বেশি কষ্ট দেয়।

মাইগ্রেনে মাথাব্যথার পাশাপাশি আরো যেসব শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারেঃ-

▪️ মাথার পেছন ও ঘাড়ে চাপ বা ব্যথা অনুভব হতে পারে।

▪️ অনেকের ক্ষেত্রে মাথাব্যথার আগে বা পরে মনোযোগ ধরে রাখতে না পারা, মেজাজ খিটখিটে হতে যাওয়া, অস্থিরতা বা এংজাইটি দেখা দিয়ে থাকে।

▪️ মাথাব্যথার সাথে তীব্র বমি ভাব বা বারবার বমি হতে পারে যা রোগীকে দুর্বল করে দেয়।

▪️ গুরুতর পর্যায়ে চোখে ঝাপসা দেখা বা দৃষ্টিবিভ্রমের মতো সমস্যা দেখা দেয়।

▪️ অনেকে এসময়ে আলো এবং শব্দে অস্থিরতা অনুভব করে।

মাইগ্রেন এট্যাক হলে অন্ধকার এবং নিরিবিলি পরিবেশে বিশ্রাম নিন। প্রচুর পানি পান করুন এবং চোখে ঠান্ডা সেঁক দিতে পারেন। যদি বারবার মাইগ্রেন হয় তবে অবহেলা না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিবেন।

ডা. মো: আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

আমি কালকে চুল পড়া বিষয়ক পোস্ট দেওয়ার পরে অনেকেই ইনবক্সে জানতে চেয়েছেন চুলের যত্নে উপযোগী উপাদান বা ভিটামিনগুলো আপনারা কি...
15/10/2025

আমি কালকে চুল পড়া বিষয়ক পোস্ট দেওয়ার পরে অনেকেই ইনবক্সে জানতে চেয়েছেন চুলের যত্নে উপযোগী উপাদান বা ভিটামিনগুলো আপনারা কিভাবে পেতে পারেন। আজ চলুন জেনে নেই এমন কিছু খাদ্য সম্পর্কে যা থেকে আপনারা সহজেই চুলের প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল পাবেন।

✅ আয়রন: লাল মাংস, ডিমের কুসুম, কলিজা, খেজুর, কিশমিশ, পালং শাক, ডাল এগুলোতে রয়েছে প্রচুর আয়রন। এসব খাবারের সাথে লেবুর রস বা ভিটামিন সি যুক্ত যেকোনো খাবার খেলে আয়রনের শোষণ বাড়বে।

✅ ভিটামিন-ই: ডিম, মাছ, আলমন্ড, আখরোট, অলিভওয়েল, সূর্যমুখীর তেল ও বীজ, অ্যাভোকাডো থেকে সহজেই ভিটামিন-ই এর চাহিদা পূরন করতে পারবেন।

✅ ভিটামিন-ডি: সূর্যের আলো ভিটামিন-ডি এর সবচেয়ে ভালো উৎস। প্রতিদিন ১৫-২০ মিনিট রোদে থাকলেই শরীরে ভিটামিন-ডি এর চাহিদা পূরন করা সম্ভব। এর পাশাপাশি ডিমের কুসুম, দুধ ও দুগ্ধজাত খাদ্য, মাশরুম এগুলোতেও রয়েছে ভিটামিন-ডি। তবে মনে রাখবেন শরীরে ভিটামিন-ডি এর ঘাটতি থাকলে অবশ্যই টেস্ট করে শিওর হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

✅ জিঙ্ক: ঝিনুক, সামুদ্রিক মাছ, বাদাম ও বীজ, ডিম, ডাল, সয়াবিন, ছোলা, কলিজা, লাল মাংস এগুলো জিঙ্কের খুব ভালো উৎস। তবে বেশি পরিমানে এধরণের খাবার না খাওয়াই ভালো কারন অতিরিক্ত জিঙ্ক শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

✅ বায়োটিন: দুধ, দই, চিনাবাদাম, ডিমের কুসুম, মিষ্টি আলু, কলা, মুরগির মাংস থেকে সহজেই বায়োটিনের চাহিদা পূরন করা সম্ভব।

মনে রাখবেন প্রতিদিন ১০০ টির বেশি চুল পড়াকে অস্বাভাবিক হিসেবে ধরা হয়। তাই এরকম পরিস্থিতি হলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

ডা. মো: আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

Spirituality! Recently everyone is more spiritual than religious! But, Spiritual Enlightenment vsSpiritual Entertainment...
14/10/2025

Spirituality! Recently everyone is more spiritual than religious! But,

Spiritual Enlightenment vs
Spiritual Entertainment vs
Spiritual Addiction!

Which one are you after?
Something to think about.

No Judgement! Just Vibes!

14/10/2025

চুল পড়া আমাদের কাছে এক আতঙ্কের নাম। চুল পরা শুরু হলেই আমরা ব্যস্ত হয়ে যাই কোন তেলে উপকার পাব, কি শ্যাম্পু ব্যবহার করলে চ...
14/10/2025

চুল পড়া আমাদের কাছে এক আতঙ্কের নাম। চুল পরা শুরু হলেই আমরা ব্যস্ত হয়ে যাই কোন তেলে উপকার পাব, কি শ্যাম্পু ব্যবহার করলে চুল পরা কিছুটা কমবে এই সব নিয়ে। কিন্তু আমরা কখনো এটা ভাবিনা, চুল তো আমাদের শরীরেরই একটা অংশ। সমস্যা যদি থাকে শরীরের ভেতরে আর আমরা চিকিৎসা করি শরীরের উপরের তাহলে আসলে লাভটা কি হচ্ছে? আমিতো দেখি টাকা এবং সময় নষ্ট করা ছাড়া আর কিছুই হচ্ছেনা। চুল মূলত আমাদের শরীরের পুষ্টির প্রতিফলন। শরীরের যখন ভিটামিন ও মিনারেলের ঘাটতি দেখা দেয় তখন সবচেয়ে প্রথমে যে লক্ষনটি দেখা দিতে পারে সেটি হলো চুল পরা।

মানবদেহের চুলের কোষগুলো সঠিকভাবে কাজ করার জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট কিছু ভিটামিন ও খনিজ। এই উপাদানগুলো যখন ঘাটতি হয় তখন Hair follicle( চুলের গোড়া) দুর্বল হয়ে পরে, পুরনো চুল সহজে ঝরে পড়ে যায় এবং নতুন চুল জন্মাতে সময় লাগে বা কখনো কখনো জন্মায়ই না।

চুলের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু ভিটামিন ও খনিজঃ-

▪️ আয়রন: মহিলাদের চুল পরার সবচেয়ে সাধারণ কারণ গুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে আয়রনের অভাব। আয়রন রক্ত অক্সিজেন বহন করে চুলের গোড়ায় পৌঁছে দেয়, যেটা চুল বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

▪️ ভিটামিন-ই: চুলের কোষে রক্ত প্রবাহ বাড়ায় এবং চুল পরা রোধ করে।

▪️ ভিটামিন-ডি: এর ঘাটতি সুস্থভাবে চুলের বৃদ্ধি হওয়াকে থামিয়ে দেয় এবং চুল পাতলা হতে শুরু করে।

▪️ জিঙ্ক: নতুন কোষ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে জিঙ্ক, যা চুলের বৃদ্ধির জন্য খুবই জরুরী। জিঙ্কের ঘাটতির ফলে স্ক্যাল্প শুষ্ক হয়ে যায় এবং এবং চুল দুর্বল হয়ে পরে।

▪️ বায়োটিন: বায়োটিন চুলের স্ট্রাকচারকে শক্ত করে ও চুলকে ভেঙে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। বায়োটিনের ঘাটতিতে চুল ভেঙে যায়, চুল পরা বেড়ে যায় এবং চুল পাতলা হয়ে যায় ।

ভিটামিন ও খনিজের অভাবের পাশাপাশি হরমোনাল ইমব্যালেন্স, মানসিক চাপ, ঘুমের অভাব, চুলে অতিরিক্ত হিট ও ক্যামিকেল ব্যবহার চুল পরার বড় কারন। তাই নিয়মিত স্বাস্থ্যকর ডায়েট ফলো করুন, স্ট্রেস কমানোর জন্য মেডিটেশন করুন, অতিরিক্ত হেয়ার ট্রিটমেন্ট এড়িয়ে চলুন এবং অস্বাভাবিক চুল পরা লক্ষ্য করলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

ডা. মো: আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ইউএসএ

বাহিরে খাওয়াটা এখন আমাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। ব্যস্ততা বা শখ যেই কারনেই হোক আমরা ইদানিং বাহিরে খেতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য ...
13/10/2025

বাহিরে খাওয়াটা এখন আমাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। ব্যস্ততা বা শখ যেই কারনেই হোক আমরা ইদানিং বাহিরে খেতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। আর বাহিরে খেতে গিয়ে ফাস্টফুড আর সফট ড্রিংকস ছাড়া তো চলবেই না। অনেকের ধারণা এসব খাবারের প্রভাব শুধু মোটা হয়ে যাওয়া পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। কিন্তু বাস্তবতা হলো এই অভ্যাস ধীরে ধীরে শরীরেকে ভেতর থেকে ক্ষতি করে। বিশেষ করে হাড়ের উপর এর প্রভাব তো আরো ক্ষতিকর যেমন হাড়ের ডেনসিটি কমে যাওয়া, হাড়কে দুর্বল করে দেওয়া, ভবিষ্যতে নানা ধরনের হাড় ও জয়েন্ট ডিজিজের ঝুঁকি তৈরি করে।

সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যপার হলো এসব খাবার শরীরের প্রাকৃতিক পুষ্টি শোষনের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে যার ফলে নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পরেও শরীর তার প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুন পায়না। সফট ড্রিংকসে থাকা উচ্চ মাত্রার ফসফরিক এসিড শরীরে ক্যালসিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়।

ফাস্টফুড এবং সফট ড্রিংকস দীর্ঘমেয়াদে যেসব ক্ষতি করে থাকেঃ-

🔹 দাঁত ও মাড়িতে সমস্যা দেখা দেয়

🔹 অল্প বয়সেই কোমর এবং জয়েন্ট ব্যথা দেখা দেয়

🔹 অস্টিওপরোসিস হওয়ার ঝুঁকি অনেকটা বেড়ে যায়

🔹 হাড়ে ফ্র‍্যাকচারের ঝুঁকি দেখা দেয়

ডা. মো: আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

12/10/2025

কখন এমন হয়েছে কাজ করছেন কিন্তু আপনার পারা কাজটাও বারবার ভুল হচ্ছে?  পড়তে বসছেন একটা লাইন বারবার পড়ছেন কিন্তু আপনি কি পড়ছ...
12/10/2025

কখন এমন হয়েছে কাজ করছেন কিন্তু আপনার পারা কাজটাও বারবার ভুল হচ্ছে? পড়তে বসছেন একটা লাইন বারবার পড়ছেন কিন্তু আপনি কি পড়ছেন নিজেই জানেন না? আপনি কিন্তু বুঝতে পারছেন যে কোনো ভাবেই এই নির্দিষ্ট জায়গাটায় মনোযোগ ধরে রাখতে পারছেন না। এমনকি খুব সহজ কোনো সিদ্ধান্ত নিতেও কষ্ট হয়। এই অবস্থাকে বলা হয়ে থাকে ব্রেইন ফগ (Brain Fog)
মাঝে মাঝে অনেক কাজের প্রেশারে এটা হওয়াটা খুবই নরমাল একটা বিষয়। কিন্তু বারবার যখন এমনটা হতে থাকে তখন কিন্তু এটা আর নরমাল থাকেনা, হতে পারে শরীরে ভেতরের বড় কোনো সমস্যার ইঙ্গিত এটা। তাই এটাকে একদম অবহেলা করা উচিত নয়।

ব্রেইন ফগ কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো রোগ নয়, এটা শুধুমাত্র একটা লক্ষন। যার মধ্যে থাকতে পারে মনোযোগ ধরে রাখতে না পারা, কথা মনে রাখতে অসুবিধা হওয়া, মাথা সবসময় ভার হয়ে আছে এমন অনুভব হওয়া, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমে যাওয়া। এরকম যদি দীর্ঘদিন হতে থাকে তবে ধীরে ধীরে পেশাগত জীবনে, দৈনন্দিন কাজকর্মে, মানসিক স্বাস্থ্য খুবই খারাপ প্রভাব পরে।

ব্রেইন ফগ হওয়ার পেছনে বেশকিছু কারন দায়ী থাকে। তার মধ্যে ঘুমের ঘাটতি, মানসিক চাপ, পুষ্টিহীনতা, হরমোনের পরিবর্তন অন্যতম। এই সমস্যা কমাতে করণীয়ঃ-

🔸 মেডিটেশন এবং ব্রিদিং এক্সারসাইজ করুন

🔸 প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম ঘুমাতেই হবে

🔸 ক্যাফেইন এবং অতিরিক্ত চিনি খাওয়া কমাতে হবে

🔸 পুষ্টিকর খাবার গ্রহন ও পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে

যদি বারবার একই সমস্যা হতে থাকে, কাজ/পড়াশোনায় মারাত্মক প্রভাব পরে, রাতে ঠিকভাবে ঘুম না হয় বা পর্যাপ্ত ঘুম হওয়ার পরেও ক্লান্ত লাগে, মাথা ঘোরা-দুর্বল লাগা এবং অন্যান্য লক্ষন একসাথে দেখা দেয় তবে অবহেলা না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিবেন।

ডা. মো: আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

11/10/2025

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরে দেখা দেয় নানান সমস্যা। এই বয়সে এসে হাড় ও জয়েন্টের ব্যথাকে অনেকেই স্বাভাবিক ভেবে অবহেল...
11/10/2025

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরে দেখা দেয় নানান সমস্যা। এই বয়সে এসে হাড় ও জয়েন্টের ব্যথাকে অনেকেই স্বাভাবিক ভেবে অবহেলা করে থাকেন। বিশেষ করে ৬০ বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে কাঁধ, কোমর, পিঠ, ঘাড় ও হাঁটুতে ব্যথা একটা নিত্যনৈমিত্তিক ব্যপার। তবে গুরুত্বপূর্ণ হলো এইসব ব্যথা বয়স হলেই যে হবে বা হওয়াটাই যে স্বাভাবিক এমন কিন্তু কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। বরং এটি একটি চিকিৎসাযোগ্য রোগ। সঠিক সময়ে যদি সঠিক চিকিৎসা গ্রহন করা যায় ও লাইফস্টাইলে কিছুটা পরিবর্তন আনা যায় তবে এধরণের ব্যথা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণযোগ্য।

অস্টিওআর্থ্রাইটিস হলো ৬০ বছর বয়সের পরে জয়েন্ট পেইন হওয়ার সবচেয়ে সাধারণ একটি কারন। এছাড়াও বয়সের কারনে মাংসপেশীর শক্তি কমে যাওয়া, হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়া, কার্টিলেজ ক্ষয়, বয়সের কারনে শারিরীক পরিশ্রম বা এক্টিভিটি কমে যাওয়া এসব তো আছেই।

যেভাবে দৈনন্দিন যত্নে জয়েন্ট পেইন নিয়ন্ত্রণে রাখবেনঃ-

▪️ হালকা ব্যথা থাকলে গরম সেঁক এবং ফোলা ভাব থাকলে ঠান্ডা সেঁক দিতে পারেন।

▪️ নিয়মিত হাঁটা, হালকা স্ট্রেচিং ও সম্ভব হলে সাইক্লিং করতে পারেন।

▪️ দীর্ঘসময় একভাবে বসে বা শুয়ে না থেকে প্রত্যেক ৩০ মিনিট পর পর উঠে একটু হালকা হাঁটাহাঁটি করে নিতে পারেন।

▪️ ক্যালসিয়াম, ভিটামিন-ডি ও প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন। প্রতিদিন কিছু সময় রোদে কাটান। চিকিৎসক যদি ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট দিয়ে থাকে তা নিয়মিত খেতে হবে।

▪️ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। অতিরিক্ত ওজন হাঁটুর উপর চাপ সৃষ্টি করে।

🔺 ব্যথা যদি ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে, জয়েন্টে অতিরিক্ত ফোলাভাব বা আকারের কোনো পরিবর্তন দেখা দেয়, ব্যথার কারনে রাতের ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে, দৈনন্দিন কাজকর্ম করা যদি অসম্ভব হয়ে যায় তবে দেরি না করে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন।

ডা. মো: আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

09/10/2025

"নিয়মিত ব্যায়াম করুন" এই কথা আমরা যতই বলিনা কেনো আসলে কিন্তু এত ব্যস্ততার মধ্যে সবসময় আমাদের ব্যায়াম করা সম্ভব হয়না। এই ...
09/10/2025

"নিয়মিত ব্যায়াম করুন" এই কথা আমরা যতই বলিনা কেনো আসলে কিন্তু এত ব্যস্ততার মধ্যে সবসময় আমাদের ব্যায়াম করা সম্ভব হয়না। এই সমস্যার সমাধান করতে প্রতিদিন যদি ৩০ মিনিট হাঁটেন তাহলে শরীর ও মানসিক স্বাস্থ্য অস্বাভাবিক কিছু পরিবর্তন আসবে। হাঁটা পৃথিবীর সবচেয়ে সহজ, সাশ্রয়ী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াবিহীন একটি ব্যায়াম। হাঁটা নানান রোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক এটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমানিত।

নিয়মিত মাত্র ৩০ মিনিট হাঁটার কিছু উপকারিতা জেনে নিনঃ-

▪️ নিয়মিত হাঁটার ফলে শরীরের মেটাবোলিজম বাড়ে। ৩০ মিনিট হাঁটার ফলে ১৫০-২০০ ক্যালরি পর্যন্ত বার্ন হয়। যার ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়। যারা কায়িক পরিশ্রম কম করেন তাদের জন্য এটা খুবই কার্যকর।

▪️ গবেষণায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত হাঁটেন তাদের শরীরে হোয়াইট ব্লাড সেলের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়, যা বিভিন্ন ইনফেকশনের বিরুদ্ধে শরীরকে সুরক্ষা দেয়। সর্দিকাশি, ভাইরাল সংক্রমন থেকে শরীরকে রক্ষা করতে হাঁটা অনেক উপকারী।

▪️ নিয়মিত হাঁটলে হার্টের পাম্প করার ক্ষমতা বাড়ে, রক্ত সঞ্চালন ঠিক থাকে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। গবেষণায় প্রমাণিত, নিয়মিত হাঁটা স্ট্রোক ও হার্ট এট্যাকের ঝুঁকি ২০-৩০% পর্যন্ত কমায়।

▪️ আপনি যখন হাঁটেন তখন শরীরে এন্ডোরফিন নিঃসৃত হয় যা মুড ভালো করতে ও মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। অনেক সময় ছোটো খাটো টেনশন শুধু হাঁটার মাধ্যমেই কমে যায়।

▪️ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য নিয়মিত হাঁটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খাওয়ার পরে হাঁটলে ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়ে, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

ডা. মো: আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

Address

Zaraa Convention Center (4th Floor), House#7, Road#14, Gulshan/1
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md Abdullah Yousuf posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Md Abdullah Yousuf:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram