Dr. Md Abdullah Yousuf

Dr. Md Abdullah Yousuf Dr. Yousuf is a USA Board Certified Physician Specialized in Family Medicine & Osteopathic Manipulative Treatment.
(2)

ডায়াবেটিস রোগীর জীবনে হঠাৎ জরুরি অবস্থা আসতে পারে। যখন রক্তে শর্করার মাত্রা বিপজ্জনকভাবে কমে যায় বা খুব বেশি বেড়ে যায়। অ...
02/02/2026

ডায়াবেটিস রোগীর জীবনে হঠাৎ জরুরি অবস্থা আসতে পারে। যখন রক্তে শর্করার মাত্রা বিপজ্জনকভাবে কমে যায় বা খুব বেশি বেড়ে যায়। অনেক সময় রোগী নিজেও বুঝে উঠতে পারেন না কী হচ্ছে, আশেপাশের মানুষও দ্বিধায় পড়ে যায়। এই অবস্থায় সঠিক সিদ্ধান্তটাই জীবন বাঁচাতে পারে।

🔹 হাইপোগ্লাইসেমিয়া
এ অবস্থায় রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে কমে যায়। এর পেছনে দায়ী থাকতে পারে খাবার না খেয়ে ইনসুলিন বা ডায়াবেটিসের ওষুধ নেওয়া, বেশি ডোজ ইনসুলিন নেওয়া, অতিরিক্ত ব্যায়াম করা, বমি বা ডায়রিয়া, অ্যালকোহল গ্রহণ। এ পরিস্থিতিতে রোগীর বুক ধড়ফড় করা, মাথা ব্যথা, দুর্বলতা, কথা জড়িয়ে যাওয়া, হঠাৎ ঘাম, কাঁপুনির
মতো লক্ষন দেখা দিতে পারে।

🔹 হাইপারগ্লাইসেমিয়া
এ অবস্থায় রক্তে শর্করার মাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে যায়। এর পেছনে দায়ী থাকতে পারে ইনসুলিন বা ওষুধ মিস করা, জ্বর, ইনফেকশন, অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট খাবার, মানসিক চাপ, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস। এ পরিস্থিতিতে রোগী অতিরিক্ত তৃষ্ণা
অনুভব করেন, ঘন ঘন প্রস্রাব হয়, মুখ শুকিয়ে যায়, চোখে ঝাপসা দেখে, ক্লান্তি লাগে, মাথাব্যথা থাকে।

🔹 ডায়াবেটিক কিটোঅ্যাসিডোসিস
এটি ডায়াবেটিসের সবচেয়ে জরুরি অবস্থা। শরীরে ইনসুলিনের ঘাটতি হলে শরীর শক্তির জন্য চর্বি ভাঙে এতে তৈরি হয় কিটোন। এ সময়ে রক্ত অ্যাসিডিক হয়ে যায়। এ অবস্থায় রোগীর শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, রক্তে খুব বেশি শর্করা বেড়ে যায়, নিঃশ্বাসে গন্ধ আসে, বমি-পেটব্যথা থাকে, শরীর খুব দুর্বল হয়ে পরে, এমন কি রোগী অচেতন হয়ে যেতে পারে। এ পরিস্থিতিতে ঘরে বসে কোনো চিকিৎসা করবেন না, যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে যান।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

আমার কাছে যত রোগী ঘাড়ে শক্ত হয়ে যাওয়া, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে ঘার নাড়াতে কষ্ট হওয়া, মাথার পেছন দিকে ব্যথার সমস্যা নিয়ে ...
01/02/2026

আমার কাছে যত রোগী ঘাড়ে শক্ত হয়ে যাওয়া, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে ঘার নাড়াতে কষ্ট হওয়া, মাথার পেছন দিকে ব্যথার সমস্যা নিয়ে আসে তাদের বেশিরভাগের মধ্যেই একটা জিনিস কমন। এরা প্রত্যেকে রাতে দেরি করে ঘুমান।

মানবদেহ একটি বায়োলজিকাল ক্লোক মেনে চলে। রাতে ঘুমের সময় টিস্যু রিপেয়ার হয়। আমরা যখন রাত জাগি তখন মেলাটোনিন নিঃসরণ কমে, গ্রোথ হরমোন রিলিজ ব্যাহত হয়, পেশি ও লিগামেন্ট ঠিকভাবে রিপেয়ার হতে পারেনা। ফলাফল ঘাড়ের deep neck flexor muscles ও upper trapezius পুরোপুরি রিকভার করতে পারে না। ঘাড়ের পেশিগুলো সারাদিন মাথার ভার বহন করে।
রাতে পর্যাপ্ত বিশ্রাম না পেলে পেশিতে মাইক্রো টিয়ার রিপেয়ার হয় না, মাসল টোন বেড়ে যায়, ক্রোনিক লো-গ্রেড স্পাজম তৈরি হয়৷ এই স্পাজম প্রথমে টের পাওয়া যায় না। কয়েক সপ্তাহ পর ঘাড় শক্ত লাগা, মাথার পেছনে ব্যথা, কাঁধে টান লাগার সমস্যা শুরু হয়।

রাতে জাগা মানে সাধারণত বিছানায় আধশোয়া ভঙ্গি, মাথা সামনের দিকে ঝুলিয়ে ল্যাপটপ বা ফোন চালানো। এই ভঙ্গিতে ঘাড়ের ওপর চাপ কতটা পড়ে জানেন? মাথার ওজন ৪.৫-৫ কেজি, ৩০° সামনে ঝুঁকলে চাপ পরে ১৮ কেজি, ৬০° ঝুঁকলে চাপ পরে ২৭ কেজি। রাত জাগা মানে ঘন্টার পর ঘন্টা ঘাড়ের ওপর ৪-৫ গুণ বেশি লোড পরা।

প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার চেষ্টা করুন, রাত ১১টার পর স্ক্রিন ব্যবহার বন্ধ রাখুন/সীমিত করুন, বিছানায় শুয়ে মোবাইল দেখার অভ্যাস পরিবর্তন করুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে হালকা স্ট্রেচিং করুন।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

কখনো ভুলে যেয়ো না: কে তোমাকে কঠিন সময়ে সাহায্য করেছে, কে তোমাকে কঠিন সময়ে ফেলেছে, এবং কে তোমাকে কঠিন সময়ে ছেড়ে গেছে...
31/01/2026

কখনো ভুলে যেয়ো না:

কে তোমাকে কঠিন সময়ে সাহায্য করেছে,
কে তোমাকে কঠিন সময়ে ফেলেছে, এবং
কে তোমাকে কঠিন সময়ে ছেড়ে গেছে।

আমরা বছরের পর বছর কিছু সমস্যায় ভুগে থাকি যেমন: অকারণে চুল পড়া, ক্লান্ত লাগা, পরিমিত খাবার পরেও ওজন কমে যাওয়া। এগুলোকে আম...
31/01/2026

আমরা বছরের পর বছর কিছু সমস্যায় ভুগে থাকি যেমন: অকারণে চুল পড়া, ক্লান্ত লাগা, পরিমিত খাবার পরেও ওজন কমে যাওয়া। এগুলোকে আমরা ছোট সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যাই। কিন্তু এগুলো হতে পারে হরমোনাল ইমব্যালেন্সের লক্ষন।

হরমোন হলো শরীরের কেমিক্যাল মেসেঞ্জার।
থাইরয়েড, পিটুইটারি, অ্যাড্রিনাল, ওভারি/টেস্টিস এই গ্রন্থিগুলো থেকে নিঃসৃত হরমোন শরীরের প্রায় সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে। যেমন: মেটাবলিজম, এনার্জি লেভেল, চুল, ত্বক, নখ, ওজন, ঘুম, মানসিক স্থিতি, মাসিক ও প্রজনন ক্ষমতা। যেকোনো একটি হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলেই ডোমিনো ইফেক্ট তৈরি হয়। ফলে একটার পর একটা সমস্যা দেখা দেয়।

চুল পড়া শুধুমাত্র কসমেটিক সমস্যা নয়। চুল পড়ার পেছনে সাধারণত থাকে থাইরয়েড হরমোন কমে যাওয়া বা বেড়ে যাওয়া ইস্ট্রোজেন প্রজেস্টেরনের ভারসাম্যহীনতা, অ্যান্ড্রোজেন বেশি থাকা, দীর্ঘদিনের কর্টিসল বেশি থাকা। এই চুল পড়া সাধারণত পুরো মাথাজুড়ে হয়ে থাকে। চুল পাতলা হয়ে যায়, নতুন চুল গজানো কমে যায়।
শুধু তেল, শ্যাম্পু বা ভিটামিন খেয়ে এটা ঠিক করা যায়না। কারণ সমস্যাটা থাকে হরমোনে।

সারাক্ষন ক্লান্ত লাগলে আমরা ভাবি অতিরিক্ত কাজের প্রেশারে এমন হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে এর পেছনে থাকতে পারে থাইরয়েড হরমোন কমে যাওয়া, কর্টিসল ডিসরেগুলেশন, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, ভিটামিন D, B12 কমে যাওয়ার মতো সমস্যা। এসবের ফলে পর্যাপ্ত ঘুম হওয়ার পরেও শরীর ক্লান্ত থাকে, সকালে ঘুম থেকে উঠতে কষ্ট হয়, শরীর অল্প কাজেই দুর্বল হয়ে যায়।

হরমোনাল ইমব্যালেন্স কোনো সাধারণ সমস্যা নয় যা নিজে নিজে ঠিক হয়ে যাবে। এটা সময়মতো ধরা পড়লে নিয়ন্ত্রণযোগ্য, কিন্তু অবহেলা করলে ধীরে ধীরে পুরো শরীরকে ধ্বংস করে দিতে পারে।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

সংগ্রাম বা প্রতিকূলতা কোনও একটা কারণে আসে। এগুলো তোমাকে আরও শক্তিশালী করে। তোমাকে তোমার লক্ষ্যের আরও কাছে নিয়ে যায়। তা...
29/01/2026

সংগ্রাম বা প্রতিকূলতা কোনও একটা কারণে আসে। এগুলো তোমাকে আরও শক্তিশালী করে। তোমাকে তোমার লক্ষ্যের আরও কাছে নিয়ে যায়। তাই প্রতিকূলতায় হতাশ না হয়ে, তা তোমার জন্য কি বার্তা নিয়ে এসেছে তাতে মনোযোগ দাও এবং মাথা উঁচু রেখে লড়াই চালিয়ে যাও।

28/01/2026

বারবার গলা শুকিয়ে যাওয়া কোন রোগের লক্ষন?

“আমি আরও ভালো কিছুর যোগ্য” এই বিশ্বাস থেকে শুরু হয় ভালো হবার এবং ভালো থাকার যাত্রা।
28/01/2026

“আমি আরও ভালো কিছুর যোগ্য”
এই বিশ্বাস থেকে শুরু হয়
ভালো হবার এবং ভালো থাকার যাত্রা।

কখনও লক্ষ্য করেছেন, হাঁটার সময় হয়তো এক পায়ে একটু বেশি চাপ পরে। অনেক সময় আমরা এমন ছোটখাট অভ্যাসকে গুরুত্ব দিই না। কিন্তু ...
28/01/2026

কখনও লক্ষ্য করেছেন, হাঁটার সময় হয়তো এক পায়ে একটু বেশি চাপ পরে। অনেক সময় আমরা এমন ছোটখাট অভ্যাসকে গুরুত্ব দিই না। কিন্তু এই ছোট অভ্যাসই একসময় দীর্ঘমেয়াদি কোমর ব্যথার মূল কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। আপনার মনে হতেই পারে কোমর ব্যথা শুধু ভারী কাজ বা বয়সের কারণে হয়। কিন্তু সত্যি কথা হলো হাঁটার সময় দুই পায়ে ভারসাম্য না থাকা শরীরের অ্যালাইনমেন্ট ধীরে ধীরে খারাপ করে দেয়।

আমাদের শরীর একটা চেইন সিস্টেম পা → হাঁটু → হিপ → কোমর → মেরুদণ্ড → ঘাড়। এই চেইনের এক জায়গায় সমস্যা হলে ধীরে ধীরে পুরো সিস্টেমে চাপ পড়ে। স্বাভাবিক হাঁটার সময়দুই পায়ে প্রায় সমান প্রেশার পড়ে, পেলভিস স্থিতিশীল থাকে, স্পাইন অতিরিক্ত বেঁকে যায়না। কিন্তু যখন কেউ এক পায়ে বেশি ভর দিয়ে হাঁটে, হালকা খোঁড়া ভঙ্গিতে হাঁটে তখনই গিয়ে আসল সমস্যা শুরু হয়।

☑️ এক পায়ে বেশি ভর পড়লে পেলভিস একদিকে হেলে যায়, Sacroiliac jointএ অস্বাভাবিক চাপ পড়ে। এটি কোমর ব্যথার অন্যতম বড় উৎস।

☑️ অসম হাঁটার কারণে মেরুদণ্ড বারবার একদিকে বেশি ঘোরে, Intervertebral disc এ অসমান লোড পড়ে। ফলে ক্রনিক লো ব্যাক পেইন হতে পারে।

☑️ সবচেয়ে ভয়ানক যে ঘটনাটি ঘটে তা হলো শরীর এই ভুল ভঙ্গিটাকেই স্বাভাবিক ধরে নেয়। ফলে ব্যথা শুরু হতে কয়েক মাস বা বছর ও লাগতে পারে। অথচ এই মাসের পর মাস কোনো ব্যথা বা লক্ষন ছাড়াই নীরবে কোমরের ক্ষতি হচ্ছে।

☑️ এক পাশের পেশি অতিরিক্ত কাজ করে টাইট হয়ে যায়। অন্য পাশের পেশি অলস থেকে দুর্বল হয়ে পড়ে। এই মাসল ইমব্যালেন্স কোমর ব্যথাকে আরো স্থায়ী করে তোলে।

যদি কিছু সময় হাঁটার পর কোমর ভারী লাগে, এক পাশের কোমরে বেশি ব্যথা হয়, সকালে উঠে স্টিফেনস থাকে তবে স্বাভাবিক ভেবে অবহেলা না করে বা নিজের ইচ্ছায় পেইন কিলার না খেয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডা: মো: আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

27/01/2026

আপনি যখন আপনার যা আছে, তা নিয়ে শুকরিয়া আদায় করতে পারেন,
আপনার যা লাগবে,
তার সবই আপনার আছে।

থাইরয়েড একটি ছোট গ্রন্থি, কিন্তু আমাদের শরীরের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। ওজন, হার্...
27/01/2026

থাইরয়েড একটি ছোট গ্রন্থি, কিন্তু আমাদের শরীরের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। ওজন, হার্টবিট, মাসিক চক্র, এমনকি মানসিক অবস্থাও থাইরয়েড হরমোনের উপরে অনেকটা নির্ভর করে। কিন্তু সমস্যা হলো থাইরয়েডের ইমব্যালেন্স অনেক সময় আমাদের অজান্তেই নীরবে শরীরে ক্ষতি করে। অনেকে বছরের পর বছর ক্লান্তি, হঠাৎ ওজন বাড়া/কমা, অনিয়মিত মাসিক বা মন-মেজাজের সমস্যাকে স্বাভাবিক ভেবে এড়িয়ে যান। অথচ এসবের পেছনে থাইরয়েডের ভূমিকা থাকতে পারে।

থাইরয়েড হৃদযন্ত্রের কাজকে প্রভাবিত করে, নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্যের সাথে সরাসরি জড়িত, মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলতে পারে, শিশুদের বৃদ্ধি ও বিকাশেও ভূমিকা রাখে। অথচ সময়মতো পরীক্ষা করলে অনেক জটিলতা এড়ানো সম্ভব।

শরীরে যেসব পরিবর্তন দেখা দিলে স্বাভাবিক ভেবে অবহেলা না করা সতর্ক হবেনঃ-
🔹 ঠান্ডা/গরম সহ্য করতে না পারা

🔹 শরীরে আগের মতো শক্তি না পাওয়া

🔹 চুল পড়া/ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া

🔹 অকারণে ওজন বাড়া/কমা

🔹 মেয়েদের ক্ষেত্রে মাসিক অনিয়মিত হওয়া

🔹 ঘুমের সমস্যা দেখা দেওয়া

ডা: মো: আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

Address

Zaraa Convention Center (4th Floor), House#7, Road#14, Gulshan/1
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md Abdullah Yousuf posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Md Abdullah Yousuf:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram