Dr. Md Abdullah Yousuf

Dr. Md Abdullah Yousuf Dr. Yousuf is a USA Board Certified Physician Specialized in Family Medicine & Osteopathic Manipulative Treatment.
(3)

“যে ব্যক্তি তোমাকে সমুদ্রের মাঝখানে একা ফেলে চলে গিয়েছিল, সে কখনোই জানার অধিকার রাখে না যে হাঙরগুলো তোমাকে কী করেছে বা ...
02/03/2026

“যে ব্যক্তি তোমাকে সমুদ্রের মাঝখানে একা ফেলে চলে গিয়েছিল, সে কখনোই জানার অধিকার রাখে না যে হাঙরগুলো তোমাকে কী করেছে বা তুমি কীভাবে আবার তীরে ফিরে আসতে পেরেছ।”

অনেকেই বলেন, আমার বাবা-মায়ের প্রেসার আছে, তাই আমারও হবেই। এই ধারণাটা পুরোপুরি ভুল নয়, আবার পুরো সত্যও নয়। উচ্চ রক্তচাপ (...
02/03/2026

অনেকেই বলেন, আমার বাবা-মায়ের প্রেসার আছে, তাই আমারও হবেই। এই ধারণাটা পুরোপুরি ভুল নয়, আবার পুরো সত্যও নয়। উচ্চ রক্তচাপ (হাই ব্লাড প্রেশার) এমন একটি রোগ, যেখানে জেনেটিক বা পারিবারিক প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে ভালো খবর হলো জেনেটিক ঝুঁকি থাকলেও সঠিক জীবনযাপন ও সচেতনতার মাধ্যমে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। অর্থাৎ, পরিবারে থাকলেই যে নিশ্চিতভাবে আপনার হবে, এমন নয় আপনার দৈনন্দিন অভ্যাস এখানে বড় ভূমিকা রাখে।

জেনেটিক বা পারিবারিক হাই ব্লাড প্রেশার বলতে বোঝায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে (বিশেষ করে বাবা-মা, ভাই-বোন) উচ্চ রক্তচাপ থাকলে আপনারও সেই রোগ হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে।
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, যদি একজন অভিভাবকের হাই ব্লাড প্রেশার থাকে, তাহলে সন্তানের ঝুঁকি প্রায় ২ গুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে।
যদি দুজন অভিভাবকেরই থাকে, তাহলে ঝুঁকি আরও বেশি হয়। জিন শরীরের রক্তনালীর গঠন, কিডনির সোডিয়াম নিয়ন্ত্রণ, এবং হরমোনের ভারসাম্য প্রভাবিত করে যা রক্তচাপ বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জিন ঝুঁকি তৈরি করে, কিন্তু জীবনযাপন সেই ঝুঁকিকে বাড়ায় বা কমায়।

ফ্যামিলি হিস্ট্রি থাকলে যখন থেকে প্রেসার চেক করবেনঃ-

🔹 ১৮ বছর বয়সের পর থেকে অন্তত বছরে ১ বার রক্তচাপ মাপা উচিত

🔹 যদি পরিবারে শক্ত ইতিহাস থাকে, তাহলে ৬ মাসে ১ বার চেক করা ভালো

🔹 মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বুক ধড়ফড়, ঝাপসা দেখা এমন লক্ষণ থাকলে দ্রুত পরীক্ষা করুন

অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই প্রেসার বেশি থাকে তাই নিয়মিত পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

আমাদের সমাজে খুব সাধারণ চিত্র হালকা জ্বর, মাঝে মাঝে মাথা ঘোরা, একটু বুক ধড়ফড় করা, বা হালকা ব্যথা এসবকে অনেকেই গুরুত্ব ...
01/03/2026

আমাদের সমাজে খুব সাধারণ চিত্র হালকা জ্বর, মাঝে মাঝে মাথা ঘোরা, একটু বুক ধড়ফড় করা, বা হালকা ব্যথা এসবকে অনেকেই গুরুত্ব দেন না। এটা তো ছোটখাটো সমস্যা, নিজে নিজেই ঠিক হয়ে যাবে, পরীক্ষা করাতে গেলে অপ্রয়োজনীয় খরচ হবে বা ডাক্তার অযথা টেস্ট দিবেন এসব বলে এড়িয়ে যান। বেশিরভাগ মানুষ তখনই পরীক্ষা করান, যখন রোগ অনেকটাই বেড়ে যায় বা জটিল অবস্থায় পৌঁছে যায়। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞানের বাস্তবতা হলো বেশিরভাগ বড় রোগ শুরু হয় খুব ছোট ও সাধারণ লক্ষণ দিয়ে। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ ধরা পড়লে চিকিৎসা সহজ, কম খরচে সম্ভব এবং জটিলতা এড়ানো যায়। বিপরীতে, দেরিতে ধরা পড়লে চিকিৎসা কঠিন, ব্যয়বহুল এবং অনেক ক্ষেত্রে স্থায়ী ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

যেকারণে অল্প সমস্যায়ও টেস্ট গুরুত্বপূর্ণঃ-

✅ ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ, থাইরয়েড সমস্যা, লিভারের রোগ, এমনকি কিছু ক্যান্সারও শুরুতে তেমন কোনো বড় লক্ষণ দেয় না। যেমন ডায়াবেটিস শুরুতে শুধু বেশি পিপাসা, ক্লান্তি বা ঝাপসা দেখা দিয়ে শুরু হয়। কিডনি রোগে দীর্ঘদিন কোনো লক্ষণই নাও থাকতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ তো Silent killer হিসেবে পরিচিত, কারণ বেশিরভাগ সময় কোনো লক্ষণ থাকে না
পরীক্ষা ছাড়া এগুলো ধরা সম্ভব নয়।

✅ রোগ যত আগে ধরা পড়বে, তত সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। প্রাথমিক ডায়াবেটিস খাদ্য নিয়ন্ত্রণ ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।
শুরুতেই ধরা পড়া লিভার বা কিডনি সমস্যায় স্থায়ী ক্ষতি হওয়ার আগেই চিকিৎসা করা যায়। প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়া ক্যান্সারের চিকিৎসার সফলতার হার অনেক বেশি। দেরিতে ধরা পড়লে জটিল চিকিৎসা বা দীর্ঘমেয়াদি ওষুধ প্রয়োজন হতে পারে।

✅ অনেকে পরীক্ষা না করে ফার্মেসি থেকে ওষুধ নিয়ে খান। এতে আসল রোগ ধরা পড়ে না, ভুল চিকিৎসা হয়, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে, রোগ জটিল হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিক বা ব্যথার ওষুধ অযথা খাওয়া কিডনি ও লিভারের ক্ষতি করতে পারে।

✅ অনেক সময় সাধারণ মনে হওয়া লক্ষণ বড় সমস্যার সংকেত হতে পারে। যেমনবদীর্ঘদিন দুর্বলতা অ্যানিমিয়া, থাইরয়েড সমস্যা, বা ক্রনিক রোগের লক্ষন। বুকের হালকা ব্যথা হৃদরোগের প্রাথমিক লক্ষণ। বারবার প্রস্রাব ডায়াবেটিস বা ইউরিন ইনফেকশনের কারনে হতে পারে। অকারণে ওজন কমা হরমোন সমস্যা বা অন্যান্য গুরুতর রোগের প্রাথমিক লক্ষন হতে পারে। শুধু অনুমান করে বসে থাকলে প্রকৃত কারণ জানা যায় না।

দীর্ঘদিন জ্বর বা দুর্বলতা, অকারণে ওজন কমা বা বেড়ে যাওয়া, বুক ব্যথা বা শ্বাসকষ্ট, বারবার প্রস্রাব বা অতিরিক্ত পিপাসা, শরীর ফুলে যাওয়া, দীর্ঘদিন ব্যথা বা অস্বস্তি, অস্বাভাবিক রক্তপাত, দীর্ঘদিন কাশির মতো উপসর্গগুলোকে কখনোই অবহেলা করবেন না।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরে কিছু পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক। যেমন আগের মতো সহজে হাঁটতে না পারা, হাত-পা শক্ত লাগা, ঘাড়-কোমর নড়া...
28/02/2026

বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরে কিছু পরিবর্তন আসা স্বাভাবিক। যেমন আগের মতো সহজে হাঁটতে না পারা, হাত-পা শক্ত লাগা, ঘাড়-কোমর নড়াতে কষ্ট হওয়া। এর বড় কারণ হলো জয়েন্টের নমনীয়তা কমে যাওয়া, পেশী দুর্বল হওয়া এবং দীর্ঘ সময় বসে থাকা। কিন্তু ভালো খবর হলো নিয়মিত কিছু সহজ মবিলিটি এক্সারসাইজ করলে শরীর আবার অনেকটাই সচল রাখা সম্ভব। এগুলো কঠিন ব্যায়াম নয়; বরং ধীরে-সুস্থে করা যায় এবং অধিকাংশ বয়স্ক মানুষ নিরাপদে করতে পারেন।

মবিলিটি এক্সারসাইজ হলো এমন ব্যায়াম যা জয়েন্টের স্বাভাবিক নড়াচড়া বজায় রাখতে সাহায্য করে। জয়েন্টে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, ফলে শক্তভাব কমে। পেশী ও লিগামেন্ট নমনীয় রাখে,
ব্যথা ও স্টিফেনস কমাতে সাহায্য করে, পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমায়। দৈনন্দিন কাজ যেমন হাঁটা, বসা, দাঁড়ানো সহজ হয়, দীর্ঘদিন বিছানায় থাকা বা inactivity-জনিত দুর্বলতা কমায়।

কিছু নিরাপদ ও সহজ মবিলিটি এক্সারসাইজঃ-

✅ Neck Mobility (৫-১০ বার)
সোজা হয়ে বসুন বা দাঁড়ান, ধীরে ধীরে মাথা সামনে ঝুঁকান, তারপর সোজা করুন, এরপর ডান-বাম দিকে ঘোরান।

✅ Shoulder Rolls (১০ বার সামনে, ১০ বার পেছনে)
সোজা বসে দুই কাঁধ ধীরে সামনে ঘোরান। তারপর ধীরে পিছনের দিকে ঘোরান।

✅ Arm Raise (৮-১০ বার)
দুই হাত ধীরে মাথার উপরে তুলুন, আবার ধীরে নামান।

✅ Ankle Rotation (প্রতি পায়ে ১০ বার)
চেয়ার বসে একটি পা সামান্য তুলুন, গোড়ালি দিয়ে বৃত্ত আঁকার মতো ঘোরান। অন্য পা দিয়ে একইভাবে করুন।

✅ Knee Extension (প্রতি পায়ে ৮-১০ বার)
চেয়ার বসে একটি পা সোজা করুন, ৩-৫ সেকেন্ড ধরে রাখুন। এরপর ধীরে ধীরে নামান।

সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন প্রতিদিন ১০ ১৫ মিনিট করলেই উপকার পাওয়া যায়৷ নিয়মিত করলে ৪-৮ সপ্তাহে mobility উন্নতি লক্ষ্য করা যায়।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

“আল্লাহ তোমার জন্যে যে জীবনোপকরণ নির্ধারণ করে রেখেছেন তা পুরোপুরি না পাওয়া পর্যন্ত তুমি মারা যাবে না। আল্লাহ-সচেতন থাকো ...
27/02/2026

“আল্লাহ তোমার জন্যে যে জীবনোপকরণ নির্ধারণ করে রেখেছেন তা পুরোপুরি না পাওয়া পর্যন্ত তুমি মারা যাবে না। আল্লাহ-সচেতন থাকো এবং রিজিক সংগ্রহে সৎপন্থা অনুসরণ করো”

- জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা); ইবনে মাজাহ

আপনি কি আসক্ত? কিভাবে বুঝবেন? ধরুন আপনি ধূমপান বা স্মোকিং করেন। আপনি এতে আসক্ত কিনা কিভাবে বুঝবেন? 1. Tolerance: মানে আগ...
25/02/2026

আপনি কি আসক্ত? কিভাবে বুঝবেন? ধরুন আপনি ধূমপান বা স্মোকিং করেন। আপনি এতে আসক্ত কিনা কিভাবে বুঝবেন?

1. Tolerance: মানে আগে ২ টা সিগারেট খেলেই ভালো লাগত। এখন আর ২ টাতে তৃপ্তি হচ্ছে না। আরও বেশি লাগছে। কিছুদিন পর আরও লাগছে।

2. Dependence: মানে এটা খারাপ জানা সত্ত্বেও থামাতে পারছেন না। থামানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়া।

3. Withdrawal: বন্ধ করলে, শারীরিক, মানসিক সমস্যা বা উপসর্গ দেখা দেওয়া।

এই তিন টার উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে আপনি আসক্তিতে ভুগছেন। সেটা যেমন হতে পারে মাদক, মদ, জুয়া, তেমনি হতে পারে কফি, নারকোটিক ওষুধ, চিনি, সোস্যাল মিডিয়া, এমনকি খাবারের আসক্তি।

আসক্তি এর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হচ্ছে ধূমপান বা সিগারেট আসক্তি। সব পাপ এর মা যেমন মিথ্যা, তেমনি সব আসক্তি এর মা বলা যায় এই সিগারেট আসক্তিকে। একবার এই আসক্তিতে পড়লে বের হয়ে হয়ে আসা সহজ নয়।

একটা সময় ছিলো জাতে উঠবার জন্য সিগারেট এ টান দেওয়া হত। আবার cool হবার জন্য সুখটান। সিগারেট কোম্পানি গুলো মুভি সিনেমা টা ইনভেস্ট করল: নায়ক সিগারেট ফুকছেন, আপনাকেও ফুকতে হবে।

কিন্তু একটা পর্যায় পর্যন্ত এটা পুরুষদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলো। নারীরা অনেক চেষ্টা করতেন তার প্রিয় পুরুষ টিকে সিগারেট ছাড়ানোর জন্য। এমন ও হয়েছে, তুমি না ছাড়লে, আমিও সিগারেট খাবো, এই থ্রেট অনেক পুরুষকে সিগারেট ছাড়তে বাধ্য করেছে।

সময় পাল্টেছে। পরবর্তীতে বিদেশে নারীরা সিগারেট ধরল। একটা সময় পার হবার পর, অনেক পশ্চিমা দেশে পাবলিক প্লেসে ধূমপান নিষিদ্ধ হলো। আমার একটা ধারণা ছিলো আমাদের দেশের নারীরা সিগারেট খান না। কিন্তু ইদানিং অনেক কফি শপে বা খোলা জায়গাতেও দেখছি নারীরা ধূমপান করছেন।

আর এটা ঠিক জাতে উঠবার জন্য নয় বা পুরুষকে নিষিদ্ধ করার জন্য নয়। আসক্ত হয়ে টানছেন এবং সাথের মেরুদণ্ডহীন পুরুষ এটা মেনে নিয়ে একসাথেই টানছেন।

যারা ধূমপান করেন, তাদের আমার কথা অবশ্যই ভালো লাগবেনা। কিন্তু কেন বলছি, আসুন একটু দেখে নেই। ধূমপানে একজন পুরুষের যা ক্ষতি হয়, তার থেকে অনেক বেশি ক্ষতি হয় একজন নারীর এবং একজন নারীর (মা) ধূমপান করলে তার ক্ষতি কমপক্ষে তিন জেনারেসন থাকবে।

মায়ের ধূমপান গর্ভের সন্তানের জন্য খুবই ক্ষতিকর। সিগারেটের নিকোটিন, কার্বন মনোক্সাইড ও অন্যান্য বিষাক্ত রাসায়নিক প্লাসেন্টার মাধ্যমে সরাসরি শিশুর শরীরে পৌঁছে যায় এবং অক্সিজেন সরবরাহ কমিয়ে দেয়।

🤰 গর্ভাবস্থায় সম্ভাব্য ক্ষতি
• গর্ভপাতের ঝুঁকি বৃদ্ধি
• অকাল প্রসব (প্রিম্যাচিউর বার্থ)
• কম ওজনের শিশু জন্ম
• প্লাসেন্টার সমস্যা (প্লাসেন্টা আলাদা হয়ে যাওয়া বা রক্তক্ষরণ)
• একটোপিক প্রেগন্যান্সি (গর্ভাশয়ের বাইরে ভ্রূণ স্থাপন)

👶 জন্মের পর শিশুর ঝুঁকি
• হঠাৎ শিশুমৃত্যু সিনড্রোম (SIDS) এর ঝুঁকি বেশি
• শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা ও ফুসফুসের দুর্বলতা
• ঘন ঘন সর্দি-কাশি ও নিউমোনিয়া
• শেখার সমস্যা বা মনোযোগের ঘাটতি
• শারীরিক বৃদ্ধি ধীর হওয়া

🚬 পরোক্ষ ধূমপানও ক্ষতিকর

মা নিজে ধূমপান না করলেও, যদি আশেপাশে কেউ ধূমপান করে (প্যাসিভ স্মোকিং), তবুও গর্ভের শিশুর ক্ষতি হতে পারে।

ধূমপান নারীদের শরীরের প্রায় সব অঙ্গের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

🚺 প্রজনন ও হরমোনজনিত সমস্যা
• বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি বৃদ্ধি – ধূমপান ডিম্বাণুর ক্ষতি করে, ফলে গর্ভধারণ কঠিন হতে পারে।
• আগে মেনোপজ হওয়া – ধূমপায়ী নারীদের সাধারণত ১–২ বছর আগে মেনোপজ হয়।
• অনিয়মিত মাসিক – হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়।

❤️ হৃদরোগ
• হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।
• জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি ব্যবহার করলে রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি আরও বেশি হয়।

🫁 ফুসফুস
• ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।
• দীর্ঘমেয়াদি কাশি, ব্রংকাইটিস ও শ্বাসকষ্ট হতে পারে।

🦴 হাড়
• অস্টিওপোরোসিস (হাড় ক্ষয়) হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়, বিশেষ করে মেনোপজের পর।

💄 ত্বক ও সৌন্দর্য
• ত্বকে দ্রুত বলিরেখা পড়ে।
• দাঁত হলুদ হয়ে যায় ও মুখে দুর্গন্ধ হয়।

যেকোনো ধরনের আসক্তি ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম আর ধূমপানের মতো আসক্তি থেকে মুক্ত হবার চমৎকার সুযোগ হচ্ছে এই রমজান। তাই এই রমজানে ধূমপানকে না বলুন এবং আপনার প্রিয়জনকে এর থেকে দূরে রাখুন। স্রষ্টা আমাদের সবাইকে আসক্তি মুক্ত জীবন যাপন করা সহজ করে দিন।

রোজার মাসে আমাদের দৈনন্দিন রুটিন অনেকটাই বদলে যায়। ইবাদতের সময় বেড়ে যায়, বিশেষ করে তারাবির নামাজে অনেকেই দীর্ঘ সময় ...
25/02/2026

রোজার মাসে আমাদের দৈনন্দিন রুটিন অনেকটাই বদলে যায়। ইবাদতের সময় বেড়ে যায়, বিশেষ করে তারাবির নামাজে অনেকেই দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকেন। অনেকে খেয়াল করেন—রোজার মাঝামাঝি এসে কোমর বা পিঠের নিচের অংশে ব্যথা শুরু হয়েছে। অনেকেই ভাবেন, নামাজ তো ভালো কাজ, তাহলে ব্যথা কেন? আসলে সমস্যা নামাজে নয় সমস্যা ভঙ্গিতে, প্রস্তুতিতে এবং শরীরের সহনশীলতায়।

আমাদের মেরুদণ্ড ৩৩টি কশেরুকা, মাঝখানে ডিস্ক (intervertebral disc), লিগামেন্ট ও পেশী দিয়ে গঠিত। দীর্ঘ সময় একই ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকলে লাম্বার স্পাইনে (কোমরের অংশে) চাপ বেড়ে যায়। বিশেষ করে নিচের অংশে শরীরের ওজন বেশি পড়ে। দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিতে দাঁড়ালে ডিস্কের উপর চাপ বাড়ে। পিঠের গভীর পেশী multifidus, erector spinae এগুলো দীর্ঘ সময় শরীর সোজা ধরে রাখে। বিশ্রাম না পেলে এগুলো ক্লান্ত হয়ে টান ধরায়। স্থির অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকলে পেশীতে রক্তপ্রবাহ তুলনামূলক কম হয়। এতে ব্যথা ও অস্বস্তি বাড়ে। রোজায় পানি কম খাওয়ার কারণে ডিস্কের ভেতরের তরল কিছুটা কমে যায়। ফলে স্পাইনের কুশনিং কমে ব্যথা বাড়তে পারে।

নামাজের সময় ব্যাকপেইন প্রতিরোধে করণীয়ঃ-

✔️ দাঁড়ানোর সময় কাঁধ শিথিল রাখুন, পেট টেনে শক্ত করে না রেখে স্বাভাবিক রাখুন, হাঁটু একদম লক করে সোজা করবেন না, সামান্য নরম রাখুন, শরীরের ওজন দুই পায়ে সমান ভাগে ভাগ করে দিন। অনেকেই না জেনে হাঁটু শক্ত করে লক করে দাঁড়ান এতে কোমরে চাপ বাড়ে।

✔️ হঠাৎ ঝুঁকে পড়া বা দ্রুত উঠে দাঁড়ানো স্পাইনের উপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে। ধীরে, নিয়ন্ত্রিতভাবে নড়াচড়া করলে পেশীর ওপর চাপ কম পড়ে।

✔️ তারাবির আগে হালকা স্ট্রেচিং। ৫-৭ মিনিটের সহজ ব্যায়াম সাহায্য করতে পারে। হালকা হ্যামস্ট্রিং স্ট্রেচ, ক্যাট-কাউ মুভমেন্ট, কোমর ঘোরানো, পেলভিক টিল্ট এগুলো পেশীকে প্রস্তুত করে।

✔️ নরম কিন্তু সাপোর্টিভ জায়নামাজ ব্যবহার করুন। খুব শক্ত মেঝেতে সিজদা করলে হাঁটু ও কোমরে চাপ বাড়ে। অতিরিক্ত নরম ম্যাটও ভালো নয় তাতে শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হয়। মাঝামাঝি সাপোর্টিভ প্যাড ভালো।

✔️ ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করুন। ডিস্কের স্বাস্থ্য ও পেশীর কার্যকারিতা বজায় রাখতে হাইড্রেশন জরুরি।

নামাজ ব্যথার কারণ নয়। ভুল ভঙ্গি, দুর্বল পেশী, ডিহাইড্রেশন এবং প্রস্তুতির অভাব এগুলোই আসল কারণ। রোজার মাসে ইবাদত বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু শরীরের যত্ন না নিলে ব্যথা বাড়বে এটাও বাস্তব।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ইউএসএ

24/02/2026

কার কার পেটে জ্বালা পোড়া করছে?
কখন? (ইফতারের পরে, রাতে নাকি দিনে)

অনেকেই বলেন—টেনশন হলেই আমার পেট খারাপ হয়ে যায়,ইন্টারভিউ বা পরীক্ষা থাকলে সকালে পেটে মোচড় দেয়, দুশ্চিন্তা বাড়লেই গ্যাস, ব...
24/02/2026

অনেকেই বলেন—টেনশন হলেই আমার পেট খারাপ হয়ে যায়,ইন্টারভিউ বা পরীক্ষা থাকলে সকালে পেটে মোচড় দেয়, দুশ্চিন্তা বাড়লেই গ্যাস, বমিভাব, ডায়রিয়া শুরু হয়। এগুলো কিন্তু কোনো হাস্যকর কথা নয় কিংবা মানুষের কল্পনাও নয়।

আমাদের মস্তিষ্ক ও অন্ত্রের মধ্যে সরাসরি স্নায়বিক সংযোগ আছে, যাকে বলা হয় গাট–ব্রেইন অ্যাক্সিস (Gut–Brain Axis)। এই যোগাযোগের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে Vagus nerve নামের একটি প্রধান স্নায়ু যা মস্তিষ্ক থেকে পাকস্থলী ও অন্ত্র পর্যন্ত সংকেত পাঠায়। অর্থাৎ, আপনি যখন মানসিক চাপে থাকেন, তখন শুধু মনে চাপ পড়ে না পেটও সেই সংকেত পায়।

এংজাইটি বাড়লে শরীর ফাইট অর ফ্লাইট মোডে চলে যায়। এতে কয়েকটি জিনিস একসাথে হয় যেমন।
▪️ স্ট্রেস হরমোন বেড়ে যায়
স্ট্রেসের সময় শরীরে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন নিঃসরণ বাড়ে। এর ফলে পাকস্থলীতে অ্যাসিডের পরিমাণ বাড়ে, খাবার হজমের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হয়, পেট মোচড়ানো বা জ্বালাপোড়া শুরু হতে পারে।

▪️ অন্ত্রের নড়াচড়া অস্বাভাবিক হয়
স্ট্রেস কখনও অন্ত্রের গতি বাড়িয়ে দেয় ফলে ডায়রিয়া, আবার কখনও কমিয়ে দেয় ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য হয়।
যাদের আগে থেকেই Irritable bowel syndrome আছে, তাদের ক্ষেত্রে এংজাইটি সরাসরি উপসর্গ বাড়িয়ে দেয় যেমন পেট ফাঁপা, পেট ব্যথা, অনিয়মিত মলত্যাগ।

▪️ পাকস্থলীর সুরক্ষাব্যবস্থা দুর্বল হয়
দীর্ঘমেয়াদি এংজাইটি পাকস্থলীর মিউকোসাল লেয়ার দুর্বল করে। এতে গ্যাস্ট্রিক, অ্যাসিডিটি, আলসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

▪️ অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট হয়
আমাদের অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে, যাকে বলা হয় গাট মাইক্রোবায়োম। দীর্ঘমেয়াদি স্ট্রেস এই ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। ফলে গ্যাস, অস্বস্তি, হজমে সমস্যা দেখা দেয়।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

Address

Zaraa Convention Center (4th Floor), House#7, Road#14, Gulshan/1
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md Abdullah Yousuf posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Md Abdullah Yousuf:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram