25/10/2025
কত চেষ্টার পরেও কোনো কাজ সফল হলো না। হতে হতেও হলো না।
আমার সাথেই কেন এমন হয়? এরকম অসংখ্য প্রশ্নের একটাই উত্তর। তা হলো ভয়াবহ কোনো গোপন কবিরা গুনাহ।
জমীনে এমন কোনো বিপদ নেই যা আমাদের গুনাহের কারনে আসে না। অর্থাৎ সমস্ত সংকীর্ণতা বা রিজিক কমে যাওয়া, সংসারে অশান্তি সরাসরি গুনাহের সাথে জড়িত।
মিলিয়ে দেখুন,
১. আজ আপনি অন্য মেয়ের সাথে ফ্লার্ট করে বাসায় আসলেন, বা নিজের চোখের হেফাজত করলেন না। নিজের নফস এর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কবীরা গুনাহ করে বসলেন।
আর বাসায় এসেই আপনার বউ আপনার সাথে সামান্য ব্যাপারে ঝগড়া শুরু করলো। যেটা কোনো ভাবেই হওয়া পসিবল না সেটাই হইলো।
২. কারো নামে পিছনে বসে কথা বললেন। ভাবলেন আমি তো কারো ক্ষতি করলাম না। বাট পরীক্ষার আগে এমন কিছু হলো যে কোনোভাবেই ভালো করতে পারলেন না।
৩. আল্লাহর হক অর্থাৎ সালাত ছেড়ে দিলেন, দেখলেন সময় বাচাতে গিয়ে আরো জ্যামে বসে গরমে কষ্টে পড়লেন। যে উদ্দেশ্যে সালাত পড়তে পারলেন না সেই কাজটিও হলো না।
এমন ভাবে আমরা ছোট বড় শিরক এর সাথেও জড়িত। বাহ্যিক কোনো গুনাহ না করেও শুধু ভূল ভাবনার জন্যেও রিযিক কমে যায়।
আমরা ভাবি, চাকুরী না পেলে ভালো খেতে পারবো না, তাহলে আসলেই হয়তো ভালো খেতে পাই না। কারন আমরা আল্লাহর উপর ভরসা না করে চাকুরীর উপর ভরসা করেছি৷ আল্লাহর ব্যাপারে যার ধারনা যেমন, আল্লাহ সেই বান্দার প্রতি তেমন আচরণ ই করেন।
তাহলে এখন কী করবো?
🎋💞উত্তর:
১.একান্ত নিবেদিত তাওবা ও গোপন গুনাহ থেকে বাচার ১০০ ভাগ চেষ্টা ও দুয়া করা
২. হারাম কথা কাজ থেকে বাচা
৩. আল্লাহর ব্যাপারে ইলম অর্জন করা। যেভাবে ভয় করার ও তাওয়াক্কুল বা ভরসা করার দরকার সেভাবে করা।
৪. দুনিয়া আখিরাত এর সব কিছুর জন্য আল্লাহকেই যথেষ্ট মনে করা।
যে আল্লাহ আমি না চাইতেও আমাকে এই দূষিত দুনিয়ায় পবিত্র করে বাচিঁয়ে রাখেন, সেই আল্লাহই আসলে আমাদের একমাত্র অবলম্বন। আমাদের শুরু শেষ, আমাদের জীবন আমাদের রবের জন্যই।
আসুন প্রিয় ভাই আমার,
একটা একটা গুনাহের জন্য ধরে ধরে, মনে করে করে, কেদে কেদে তাওবা করি। ইনশাআল্লাহ দ্রুতই আমরা বলবো আলহামদুলিল্লাহ ইয়া রাব্বি।