Mahbub Holistic Wellness Center

Mahbub Holistic Wellness Center আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক এর কন্সাল্টেন্সি / হিজামার জন্য এপয়েন্টমেন্ট নিতে পেজ এর ইনবক্সে যোগাযোগ করুন🩺 +8801867797251

30/11/2025

#ডেঙ্গু_সিরিজ ৭ 🛑
কখন কী টেস্ট করি?

১.গাইডলাইন অনুযায়ী: ডেঙ্গুতে NS1 ১-৫ দিন এ positive থাকে।
(NS1 হচ্ছে viral protein যেটা ভাইরাস দিয়ে ইনফেকশন হবার প্রথমদিকে রিলিজ হয়।

🔍 Interpretation কী:
-NS1 positive মানে = acute dengue
-High NS1 = high viral load → severe dengue risk ↑

🧠 গুরুত্বপূর্ণ Clinical pearl:
Fever শুরু হওয়ার প্রথম 72 ঘন্টার মধ্যে NS1 করলে এটা পজিটিভ আসে।high viral load হলে ৫ দিনেও পজিটিভ আসে।এরপর এই টেস্ট করে নেগেটিভ রেজাল্ট আসবে।এজন্য ৫ দিনের বেশি হয়ে গেলে করার প্রয়োজন নেই।

২.Dengue IgM Antibody

এটা Positive হয় সাধারণত ৫-৭ দিন থেকে।
এটা → 2–3 months detect করা যায়।

✔ কখন করি:
•When patient comes late (after day 5)
রোগীর NS1 negative কিন্তু ডেঙ্গু সাসপেক্ট করতেছি বেশি।

৩.Dengue IgG Antibody
-
Old infection বা secondary infection suggest করে

রোগীর জ্বর শুরু হবার প্রথমদিকেই High IgG যদি পাই ,এটা মীন করে = secondary dengue → severe dengue risk ↑ (সেকেন্ডারী ডেঙ্গু নিয়ে আমাদের সিরিজে আলোচনা হয়েছে)

তাহলে লার্নিং:
-Dengue তে→ IgG late এ আসে।

-Secondary infection হলে → IgG early high হতে পারে।

🫵রুটিন টেস্ট:
গুরুত্বপূর্ণ ক্লু দেয়:
-CBC

🛑Total WBC
-Early : Leukopenia ( ALT
Severe dengue তে → AST/ALT অনেক বাড়তে↑ পারে।
-PT/APTT prolonged = high-risk patient.

xray তে pleural effusion.. usg তে ascites খুজতে এই পরীক্ষা গুলোও করি।কারণ এগুলো ওয়ার্নিং সাইন।

CBC:
১-৩ দিন,ফেব্রাইল ফেইজে প্রতিদিন CBC করতে হবে।

৩-৭ দিন( ক্রিটিকাল ফেইজ)

১২ ঘন্টা পরপর CBC করতে হবে।

৭-১০ দিন (রিকোভারি স্টেজ)

২৪ ঘন্টায় একবার করতে হবে।

#এমবিবিএস #ডেঙ্গু #বাংলাদেশ

29/11/2025

মৃ*ত্যুর সময় কালিমা নসীব হওয়ার সহজ উপায়:
আল্লহু আকবার! আশ্চর্য একটা আমল শিখলাম!

হাকীমুল উম্মাত শাহ আশরাফ আলী থানভী রহিমাহুল্লহকে জনৈক মুরীদ বলেন, “শায়খ খুব ভয় হয় মৃত্যুর সময় কালিমা নসিব হয় কি-না!”

তখন শায়খ আশরাফ আলী থানভী রহিমাহুল্লহ তাকে বলেন, “তোমাকে একটা খুব সহজ পদ্ধতি শিখিয়ে দিচ্ছি। এটা করলে ইনশাআল্লাহ মৃত্যুর সময় কালিমা নসিব হবে।

পদ্ধতিটা হল, কোনো এক সময় দুই রাকাত সালাতুল হাযাত শেষে উত্তম রূপে কালিমা শাহাদাত পড়ে, মুনাজাতে আল্লাহ্ পাককে বলবে— হে আমার আল্লাহ! এ কালিমা আমি আপনার নিকট আমানত রাখলাম! মৃত্যুর সময় আপনি এ আমানত আমাকে ফিরিয়ে দিবেন।”

তারপর বলেন, ”জেনে রেখ! আল্লাহ পাক থেকে উত্তম আমানত রক্ষাকারী আর কেউ নাই, তিনি তোমাকে তোমার রাখা আমানত ঠিক সময়মতো ফিরিয়ে দিবেন।”

আমরাও সহজ আমলটি করে রবের নিকট “কালিমা” আমানত রাখতে পারি।

আল্লাহ্ তাওফিক দান করুন।(আমিন)

কৃতজ্ঞতা : মাওলানা ওসমান সাদেক (হাফি.)

মুসাল্লা জিব্রাঈল (مصلى جبريل) হলো কাবার শাদরাওয়ানের উপর যে বাদামি রঙের ছোট মার্বেল পাথরগুলো দেখা যায়, সেগুলোর এই নাম।...
27/11/2025

মুসাল্লা জিব্রাঈল (مصلى جبريل) হলো কাবার শাদরাওয়ানের উপর যে বাদামি রঙের ছোট মার্বেল পাথরগুলো দেখা যায়, সেগুলোর এই নাম। বিশ্বাস করা হয়, এখানেই ফেরেশতা জিব্রাঈল (عليه السلام) নবিজি (ﷺ)-কে নামাজের সময় ও পদ্ধতি শিখিয়েছিলেন ইসরা ও মিরাজের ঐশী সফরের পর।

🔹 সালাত শেখানোর ঐতিহাসিক মুহূর্ত

ইবন আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেন:
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেন,
"জিবরীল (আলাইহিস সালাম) বায়তুল্লাহ্ শরীফের নিকটে দুইবার আমার নামাযে ইমামতি করেছেন। প্রথমবার তিনি আমাকে নিয়ে যুহয়ের নামায আদায় করেন, যখন সূর্য পশ্চিম আকাশে সামান্য ঢলে পড়েছিল এবং সেন্ডেলের এক ফিতা পরিমাণ সামান্য ছায়া বায়তুল্লাহর পূর্ব দিকে দেখা দিয়েছিল। অতঃপর তিনি আমাকে নিয়ে আসরের নামায আদায় করেন যখন প্রত্যেক বস্তুর ছায়া তাঁর সম পরিমাণ হয়। পরে তিনি আমাকে নিয়ে মাগরিবের নামায আদায় করেন, যখন রোযাদার ইফতার করে। অতঃপর তিনি আমাকে নিয়ে রাতের এক-তৃতীয়াংশে এশার নামায আদায় করেন। পরে তিনি আমাকে নিয়ে ফজরের নামায ঐ সময় আদায় করেন-যখন দিগন্ত উজ্জল হয়ে যায়। অতঃপর তিনি (জিবরীল) আমাকে লক্ষ্য করে বলেনঃ ইয়া মুহাম্মাদ! আপনার পূর্ববর্তী আম্বীয়াদের জন্য এটাই নামাযের নির্ধারিত সময় এবং এই সময়ের মাঝখানেই নামাযের সময়।"

~ [তিরমিযী, আহমদ, দারাকুতনী]

🔹 এই স্থানের বিশেষত্ব

- শাদরাওয়ানের ওপর থাকা এ বাদামি পাথরগুলোই "মুসাল্লা জিব্রাঈল" নামাজ শেখানোর সেই মুহূর্তের স্মৃতি।
- মোট ৮টি মার্বেলের টুকরা, যেগুলো অত্যন্ত মূল্যবান Mary Stone যা বিশ্বের অন্যতম দুষ্প্রাপ্য মার্বেল।
- এগুলো উপহার দিয়েছিলেন খলিফা আবু জাফর আল-মানসুর।
- প্রতিটি পাথরের আকার আলাদা; সবচেয়ে বড়টির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৩ সে.মি. ও প্রস্থ ২১ সে.মি.।

🔹 কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

- এখানে জিব্রাঈল (عليه السلام) নবিজি (ﷺ)-কে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় বাস্তবে দেখান।
- ফজর থেকে এশা পর্যন্ত দুই দিন ধরে নামাজের সঠিক সময় শিখিয়েছিলেন।
- আজ আমরা যে নামাজের সময়সূচি জানি তার মূল ভিত্তি এই ঘটনাই।

মুসাল্লা জিবরাঈল হলো কাবার পাশে এক নিঃশব্দ স্মারক যা মনে করিয়ে দেয়, সালাত শুধু ইবাদত নয়, এটি শিক্ষা ও আমল যা সরাসরি ফেরেশতা জিবরাঈল (আ.)-এর মাধ্যমে রাসূল ﷺ-কে শিখিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

16/11/2025

খাবারের শেষে লেবুর রস মিশ্রিত পানি খেলে খাবারের কার্বোহাইড্রেট ধীরে হজম হয়,ফলে রক্তে শর্করা হঠাৎ বাড়ে না।

16/11/2025

🛑Serum Creatinine ঠিক থাকলেই কিডনি ঠিক ,এই ধারণা ভুল কেন?

Early CKD–তে Creatinine একদমই normal থাকে

CKD Stage 1–2 এ creatinine সাধারণত নরমালই থাকে।
তখন দেখে মনে হবে কীডনি তো ভালোই আছে!

GFR কিন্তু কমে যাচ্ছে ভিতরে ভিতরে।
বিশেষ করে যাদের :DM..HTN..SLE এগুলো আছে।
ক্রিয়েটিনিন বাড়ে অনেক দেরিতে stage 3 তে।

তাই যাদের রিস্ক ফ্যাক্টর আছে GFR বা eGFR করুন!!

মৌচাকের ভেতরে মধু আর উষ্ণতার হাতছানি প্রায়শই ছোট্ট ইঁদুর, টিকটিকি এমনকি পাখিদেরও আকর্ষণ করে। খাদ্য ও আশ্রয়ের সন্ধানে ত...
10/11/2025

মৌচাকের ভেতরে মধু আর উষ্ণতার হাতছানি প্রায়শই ছোট্ট ইঁদুর, টিকটিকি এমনকি পাখিদেরও আকর্ষণ করে। খাদ্য ও আশ্রয়ের সন্ধানে তারা সাহস করে ভিতরে প্রবেশ করে—কিন্তু সেই সিদ্ধান্তই তাদের জীবনে কাল হয়ে দাঁড়ায়, ডেকে নিয়ে আসে মৃত্যু।
যখনই মৌমাছিরা এই অনাকাঙ্ক্ষিত অতিথির উপস্থিতি টের পায়, তারা তাৎক্ষণিক এবং প্রবল আক্রমণ করে প্রাণীটিকে মেরে ফেলে। কিন্তু আসল সমস্যার শুরু হয় এখানেই: মৃত প্রাণীর দেহটি এতটাই বড় হয় যে মৌচাক থেকে এটিকে টেনে বের করা মৌমাছিদের পক্ষে সম্ভব হয় না।
ফলে পচনশীল দেহ থেকে রোগ ও সংক্রমণ ছড়ানোর বিশাল ঝুঁকি তৈরি হয়।
আর ঠিক এই পরিস্থিতিতেই মৌমাছিরা তাদের জন্মগত, বিস্ময়কর বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেয়। তারা প্রকৃতি থেকে পাওয়া এক অনন্য উপাদান প্রপোলিস ব্যবহার করে মৃতদেহটাকে একদম সিল করে দেয়।
গাছের রজন ও মোম দিয়ে তৈরি এই বিশেষ আঠালো পদার্থটি হল:
• অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল: এটি ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক ধ্বংস করে, ফলে পচন রোধ করে এবং সংক্রমণ ছড়াতে দেয় না।
• পানিরোধী ও সংরক্ষণকারী: এটি জল ও আর্দ্রতা প্রবেশ করতে দেয় না। এর ফলে মৃতদেহটি শুকিয়ে যায় এবং দীর্ঘদিন অক্ষত থাকে।
• একটি নিখুঁত প্রাকৃতিক সিল্যান্ট: এটি একটি নিখুঁত আঠালো সিলের মতো কাজ করে, যা মৃতদেহকে বায়ুরোধীভাবে মুড়ে দেয় এবং মৌচাকের পরিবেশ সুশৃঙ্খল রাখে।
মৌমাছিরা মৃতদেহকে এই প্রপোলিস দিয়ে সম্পূর্ণ মুড়ে ফেলে, তাকে পরিণত করে এক নিরাপদ, গন্ধহীন মমিকৃত বস্তুতে। ফলে মৌচাকের ভেতরের পরিবেশ থাকে সংক্রমণমুক্ত, পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল।
এটি কেবল কোনো যুক্তি বা চিন্তা নয়—এটি হলো এক স্বর্গীয় স্বভাব (Instinct), এক অদৃশ্য জ্ঞান যা এই ক্ষুদ্র প্রাণীগুলোকে তাদের বাসস্থান ও পবিত্রতা রক্ষায় পরিচালিত করে।
"অতএব, তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নিআমতকে অস্বীকার করবে?" (সূরা আর-রহমান)। সত্যিই, মহান সেই সত্তা (আল্লাহ্) যিনি এই ক্ষুদ্রতম প্রাণীদেরও এমন জ্ঞান ও প্রজ্ঞা দান করেছেন যা তারা নিজে অর্জন করেনি। সমস্ত প্রশংসা ও মহিমা একমাত্র তাঁরই, যিনি এই জগৎকে এত চমৎকার নিয়মে পরিচালনা করেন। সুবহানাল্লাহ।
লেখা: সংগৃহীত

আয়ুর্বেদের অমৃত রহস্য! এই ৭টি জিনিস একসাথে খেলে শরীরে কোনো রোগ, ব্যাধি, দুর্বলতা টিকতে পারবে না ইনশাআল্লাহ্‌  একসাথে খে...
10/11/2025

আয়ুর্বেদের অমৃত রহস্য!
এই ৭টি জিনিস একসাথে খেলে শরীরে কোনো রোগ, ব্যাধি, দুর্বলতা টিকতে পারবে না ইনশাআল্লাহ্‌

একসাথে খেলে হবে অমৃতের মতো উপকার!

ভাত + দই
হজমে সাহায্য করে, শরীর ঠান্ডা রাখে, পেটের গরম দূর করে।

খেজুর + দুধ
শরীরের শক্তি বাড়ায়, রক্ত বৃদ্ধি করে, যৌনশক্তি উন্নত করে।

দুধ + হলুদ
সংক্রমণ প্রতিরোধে অসাধারণ, ব্যথা ও সর্দি-কাশি দূর করে।

আপেল + মধু
রক্ত পরিষ্কার রাখে, হার্ট ভালো রাখে, ত্বকে আনে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা।

কলা + এলাচ
গ্যাস ও অম্বল দূর করে, হজমে সহায়তা করে, মন সতেজ রাখে।

আদা + মধু
ঠান্ডা, কাশি, শ্বাসকষ্ট দূর করে, শরীর গরম রাখে।

তেঁতুল + গুড়
শরীর ঠান্ডা রাখে রক্ত পরিষ্কার করে, ত্বক সুন্দর রাখে।

অতিরিক্ত কিছু অমূল্য আয়ুর্বেদিক জোড়া:

রসুন + মধু রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে।
কালোজিরা + মধু: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, শরীর সবল রাখে।
লেবু + গরম পানি: সকালে খেলে শরীরের টক্সিন দূর করে ও হজমে সহায়তা করে।

নিয়মিত এইভাবে খেলে শরীর হবে সতেজ, মন হবে প্রফুল্ল, আর রোগের নাম-গন্ধ থাকবে না ইনশাআল্লাহ্‌!

🌿 "বাড়ির কোণায় থাকা ছোট্ট তুলসী গাছ, কিন্তু উপকারে বিশাল!" 🌿অনেকেই জানেন না — তুলসী গাছকে প্রাকৃতিক ওষুধখানা বলা যায়!আসু...
10/11/2025

🌿 "বাড়ির কোণায় থাকা ছোট্ট তুলসী গাছ, কিন্তু উপকারে বিশাল!" 🌿

অনেকেই জানেন না — তুলসী গাছকে প্রাকৃতিক ওষুধখানা বলা যায়!

আসুন দেখি এই আশ্চর্য গাছটির কিছু অবিশ্বাস্য স্বাস্থ্য উপকারিতা 👇

✅ ইমিউনিটি বুস্ট করে – নিয়মিত তুলসী পাতা খেলে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

✅ সর্দি-কাশি ও কফের জন্য দারুণ উপকারী – তুলসী চা গলা ব্যথা ও ঠান্ডা কমাতে সাহায্য করে।

✅ স্ট্রেস কমায় ও মন শান্ত রাখে

✅ শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা দূর করে – হাঁপানি, অ্যালার্জি, ব্রংকাইটিসে তুলসী খুবই কার্যকর।

✅ ত্বক ও চুলের যত্নে সহায়ক – তুলসীর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ ত্বককে রাখে উজ্জ্বল ও দাগহীন।

🍃 ঘরে একটা তুলসী গাছ মানেই – ওষুধের দোকান আপনার জানালার পাশে!

👉 কুরআনে বর্নিত বাবুই তুলসী পাতা যা সব চেয়ে ভালো শরিরের জন্য কালেক্ট করার ট্রাই করবেন।

আপনার মর্নিং হেলদি ডিংক্স কি?

গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের  ক্যান্সার ওয়ার্ড। এখানকার সবচেয়ে ভাল দিক হলো ওয়ার্ডটা বেশ প্রশস্ত আর খোলা মেলা। দুদিক থেকেই ...
10/11/2025

গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের ক্যান্সার ওয়ার্ড। এখানকার সবচেয়ে ভাল দিক হলো ওয়ার্ডটা বেশ প্রশস্ত আর খোলা মেলা। দুদিক থেকেই আলো বাতাস এসে খেলা করে যায়।

প্রায় দেড় বছর হলো Md. Habibullah Talukder স্যারের আহবানে আমি এখানে পার্ট টাইম কনসাল্টেন্সির কাজ শুরু করি। হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন স্যার পুরো ক্যান্সার বিভাগের সমন্বয়কারী। আমি হেমটোঅনকোলজি দেখি।

হেমাটোঅনকোলজি আলাদা ইউনিট হিসেবে বেড়ে উঠছে আস্তে আস্তে। দেখতে ভাল লাগছে। এতদিন শুধু ডে কেয়ার সার্ভিসটাই ছিল। সম্প্রতি যুক্ত হলো ইনডোর সার্ভিস৷

কিছুদিন আগে ফেসবুকে যে পোস্ট দিয়েছিলাম তা মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সোশ্যাল মিডিয়ার শক্তি আবারও টের পেলাম৷

এই ওয়ার্ডে এখন রোগী ভর্তি আছে তিনজন। দুইজন লিউকেমিয়া আর একজন মাল্টিপল মায়েলোমার রোগী। রোগীদের চাহিদার কারণে সেমি কেবিন রেডি করা হচ্ছে। ডান পাশের ছবিটা সেমি কেবিনের। এখনো পুরোপুরি গোছানো হয়নি।

শূন্য থেকে কোন প্রতিষ্ঠানের পথচলা দেখতে, একদম সামনে থেকে তাঁর সঙ্গী হতে আমার ভাল লাগে। জীবনে এরকম সুযোগ আমার আগেও বেশ কয়েকবার হয়েছে। এখন যখন সেসব প্রতিষ্ঠানকে সগৌরবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখি, খুব ভাল লাগে।

মূল কথায় আসি। এখানে ওয়ার্ডের ভাড়া মাত্র ৫০০ টাকা। সেমিকেবিনের ভাড়া এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। তবে যেকোন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তুলনায় অনেক কমই হবে-এটা আশা করা যায়।

নিম্নমধ্যবিত্তের জন্য এটা একটা রিলিফ। তবে পরিবারে কারোর ক্যান্সার হলে উচ্চমধ্যবিত্তও ধ্বসে যায়। আমার এই মধ্যজীবনের অভিজ্ঞতায় দেখেছি দারিদ্রের চেয়ে বড় অসুখ আর কিছু নাই৷

এখানে আমাদের একটা জুনিয়র টিম কাজ করে, যারা খুব উদ্যমী। আনন্দ নিয়ে কাজ করে। আমার মেডিকেল অফিসাররা রোগীদের নাম ধরে মেনশন করে। অন্যান্য হাসপাতালের মত বেড নম্বর বলেনা। যেমন ওরা ফলোয়াপে আমাকে বলে "স্যার ফিরোজা আন্টি আজকে আগের চেয়েও বেটার আছে "। এটা আমার খুব ভাল লাগে৷ ৫ নম্বর বেডের রোগীটা...... এভাবে বললে মেজাজ খারাপ হয়।

এখানে আমাদের রোগীরাও বেশ ওয়ার্ম ফিল করে। হোমলি এনভায়রনমেন্ট। আমি এটাই চাই।

সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি এখানে রেডিওথেরাপি ছাড়া ক্যান্সারের সবরকম চিকিৎসাই করা যায়। পেডিয়াট্রিক অনকোলজি বিভাগও আছে। শিশু ক্যান্সারের দরিদ্র রোগীদের জন্য আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থাও আছে।

আর কোনকিছুর জানার দরকার হলে হাসপাতালের রিসিপশনের নাম্বারে কল দেবেন। ইনবক্সে সবার প্রশ্নের উত্তর দেওয়া আমার জন্য কঠিন। সকলের ভাল হোক।

#গণস্বাস্থ্য_নগর_হাসপাতাল
#হেমাটো_অনকোলজি_ব্লাডক্যান্সার_ইউনিট

কিসমিস ভিজিয়ে খাচ্ছেন তো? রাতে ভেজানো কিসমিস খুবই উপকারী একটি খাবার, বিশেষ করে সকালে খালি পেটে খেলে এর গুণাগুণ আরও বাড়ে।...
10/11/2025

কিসমিস ভিজিয়ে খাচ্ছেন তো?
রাতে ভেজানো কিসমিস খুবই উপকারী একটি খাবার, বিশেষ করে সকালে খালি পেটে খেলে এর গুণাগুণ আরও বাড়ে।

🍇 ভেজানো কিসমিসে কী থাকে:

ভেজানো কিসমিসে প্রচুর পুষ্টি উপাদান থাকে যেমন —

👉 আয়রন (লোহা) – রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়ায়।

👉 পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম – হার্ট ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

👉 ক্যালসিয়াম – হাড় ও দাঁত মজবুত করে

👉 ভিটামিন বি কমপ্লেক্স – শক্তি জোগায়।

👉 অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট – শরীরকে রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

👉 প্রাকৃতিক চিনি (ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ) – দ্রুত শক্তি দেয়।

🌿 ভেজানো কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা:

1. রক্তস্বল্পতা (অ্যানিমিয়া) দূর করে।

2. হজমশক্তি বাড়ায় ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়।

3. লিভার পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

4. ত্বক উজ্জ্বল ও দাগমুক্ত রাখতে সহায়তা করে।

5. হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে।

6. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

7. শরীরের ক্লান্তি ও দুর্বলতা দূর করে।

8. কোলেস্টেরল কমায়।

9. চোখের দৃষ্টি ভালো রাখে।

10. নিয়মিত খেলে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

👶 বাচ্চাদের জন্য ভেজানো কিসমিসের উপকারিতা:

1. শক্তি যোগায় – সকালের নাশতার আগে খেলে পড়াশোনা ও খেলাধুলায় এনার্জি থাকে।

2. রক্ত বাড়ায় – কিসমিসের আয়রন বাচ্চাদের রক্তস্বল্পতা দূর করে।

3. হাড় মজবুত করে – ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস হাড় ও দাঁতের জন্য ভালো।

4. হজম ঠিক রাখে – কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্ত রাখে।

5. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় – সহজে ঠান্ডা, কাশি বা জ্বর হয় না।

6. মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়তা করে – পুষ্টিগুণে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে।

7. ত্বক ও চুল সুন্দর রাখে।

👉 খাওয়ার নিয়ম:
🍇 রাতে ৮–১০টা কিসমিস এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে কিসমিস ও পানি দুটোই খাওয়া সবচেয়ে উপকারী।

একজন ডাক্তার শুধু প্রেসক্রিপশন লেখেন না, কখনও কখনও তিনি লিখে দেন মানবতার নতুন ইতিহাস।ঠিক এমনই একজন মানুষ ভারতের বরাক উপত...
06/11/2025

একজন ডাক্তার শুধু প্রেসক্রিপশন লেখেন না, কখনও কখনও তিনি লিখে দেন মানবতার নতুন ইতিহাস।
ঠিক এমনই একজন মানুষ ভারতের বরাক উপত্যকার ক্যানসার বিশেষজ্ঞ ডা. রবি কান্নান (Dr. Ravi Kannan) — যিনি প্রমাণ করেছেন, চিকিৎসা মানে শুধু চিকিৎসা নয়, সেটি এক ধরণের ভালোবাসা, করুণা ও মানবতার অনুশীলন।

ধর্মনগরের এক ক্যানসার রোগী রমেশ নমঃশূদ্র (ছদ্মনাম), শেষ চিকিৎসার জন্য হাজির হন শিলচরের কাছাড় ক্যানসার হাসপাতালে। হাতে টাকা নেই, ঘরবাড়ি বিক্রি শেষ, শেষমেশ নিজের সাত বছরের ছেলেকে বন্ধক রেখে মাত্র ৫ হাজার টাকা সংগ্রহ করেছিলেন তিনি।

চিকিৎসার শেষ দিনে যখন ডাক্তার কান্নান পরবর্তী তারিখ লিখতে যাচ্ছিলেন, রমেশ কাঁদতে কাঁদতে বলেন —

“স্যার, আর তারিখ দেবেন না... আমার আর আসা হবে না।”

একজন চিকিৎসক হিসেবে কান্নান থেমে যান।

তিনি জানতে চান — “কেন?”

রমেশ জানালেন, “সব বিক্রি শেষ। এখন শুধু ছেলেটা বন্ধক আছে। ওকেও না ছাড়ালে বাঁচতে পারব না।”

সেই মুহূর্তে কান্নানের চোখে জল এসে যায়।

তিনি তৎক্ষণাৎ ৫ হাজার টাকা দিয়ে দেন, বলেন —

“তোমার চিকিৎসা এখন থেকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে হবে।”

এরপর স্থানীয় বিধায়কের সহায়তায় তিনি ছেলেটিকেও মুক্ত করে দেন।

সেই দিন থেকেই ডা. কান্নান বুঝেছিলেন —

চিকিৎসা শুধু শরীরের জন্য নয়, এটা সমাজেরও একটি দায়িত্ব।

তাঁর উদ্যোগে হাসপাতালে চালু হয় একটি নতুন নিয়ম —

যে রোগী নির্ধারিত তারিখে না আসে, তার বাড়িতে ফোন যায় — “আপনি আসেননি কেন? সমস্যা কী?”

রোগীর না আসা মানে, হয়তো তিনি টাকাহীন, হয়তো পথহীন — আর কান্নান তাদের পাশে দাঁড়াতে চান, যেভাবে রমেশের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।

আজ পর্যন্ত তিনি ৭,০০০-এরও বেশি ক্যানসার রোগীর অস্ত্রোপচার করেছেন সম্পূর্ণ বিনা পারিশ্রমিকে।

তিনি নেন না বড় হাসপাতালের মতো বেতন, নেন না কোনো বিলাসী সুযোগ।

তিনি শুধু নেন মানুষের দোয়া, রোগীর হাসি আর সন্তুষ্টির নিঃশব্দ আশীর্বাদ।

ডা. রবি কান্নান ২০২3 সালে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত হন — কিন্তু তাঁর নিজের কথায়,

“এই সম্মান আসলে আমার নয়, সেই রমেশের — যিনি আমাকে মানবতা শিখিয়েছিলেন।”

আজকের পৃথিবীতে, যেখানে চিকিৎসা অনেক সময় পণ্য হয়ে দাঁড়ায়,

সেখানে রবি কান্নান দেখিয়ে দিলেন —

মানুষের প্রতি ভালোবাসা এখনো চিকিৎসার সবচেয়ে কার্যকর ঔষধ ।

সংগৃহীত

World Vision (বিশ্ব দর্শন)

02/11/2025

Address

R#1, L#1, West Rajarbag, Near Of Basabo Kadamtala Bridge, Sabujbagh
Dhaka
1214

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mahbub Holistic Wellness Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category