Samud Medical Services

Samud Medical Services Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Samud Medical Services, Medical and health, Road 1 Mohanagar Project, Dhaka.

নাক দিয়ে রক্ত পড়া বন্ধে করণীয়ঃ-নাক দিয়ে রক্ত পড়ার প্রায় ৮০-৯০ ভাগ কারণ অজানা। কিন্তু তারপরও বাকি ১০ শতাংশ কারণ জানা জরুর...
07/02/2023

নাক দিয়ে রক্ত পড়া বন্ধে করণীয়ঃ-

নাক দিয়ে রক্ত পড়ার প্রায় ৮০-৯০ ভাগ কারণ অজানা। কিন্তু তারপরও বাকি ১০ শতাংশ কারণ জানা জরুরি।
সাধারণত নাক দিয়ে রক্ত পড়লে আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। চলুন জানা যাক কি কারণে নাক দিয়ে রক্ত পড়ে, আর সেক্ষেত্রে করণীয় কি,,

কারণ::
৮০-৯০ ভাগ কারণ অজানা,হতে পারে পরিবেশ গত কারণে, তাপমাত্রা তারতম্যের জন্য। এছাড়াও,

* নাক এবং সাইনাস এর ইনফেকশন বা প্রদাহ।
* নাকে আঘাত পাওয়া।
* নাকে আঙ্গুল দেয়া বা নাক খোঁচানো।
* জন্মগত রক্তের জমাট বাঁধায় সহযোগী Clotting ফ্যাক্টর (যা স্বাভাবিক মানুষের রক্তে বিদ্যমান) এর অভাব। যা ব্লিডিং ডিসঅর্ডার নামে পরিচিত।
* নাকে টিউমার বা ক্যান্সার। ইত্যাদি।।

জেনে রাখা ভালো যে উচ্চ রক্তচাপ নাকে রক্ত পড়াকে তরান্বিত করে।

করণীয়::
* ছবিতে দেখানো নিয়মে নাক চেপে ধরতে হবে এবং বসে মুখ খুলে নিঃশ্বাস নিতে হবে।(অন্তত ১০ মিনিট)
* এরপর নাকে এক টুকরো বরফ ধরে রাখুন।
* অতঃপর নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন বা হাসপাতালে নিন।

কিছু উপদেশ:/ প্রতিরোধ:
* নাকে আঙ্গুল দেয়া যাবে না।
* নিয়মিত নাকের ছিদ্রের সামনের অংশে এবং ভেতরে ভ্যাসলিন কিংবা সরিষার তেল আঙুলের মাথায় নিয়ে লাগান,তাতে শুষ্ক বা রুক্ষ হবে না এবং রক্ত পাতের সম্ভাবনা কমে যাবে।

★মস্তিষ্কের ধমনী বিস্ফোরণ...অতিরিক্ত রাগ, টেনশন করবেন না। এমন কাজ করবেন না যাতে টেনশন হয়।অতিরিক্ত রাগ করে কারো সাথে কথা...
30/01/2023

★মস্তিষ্কের ধমনী বিস্ফোরণ...

অতিরিক্ত রাগ, টেনশন করবেন না। এমন কাজ করবেন না যাতে টেনশন হয়।
অতিরিক্ত রাগ করে কারো সাথে কথা বলবেন না
অতিরিক্ত রেগে গেলে বেশি বেশি তাসবীহ পাঠে ব্যস্ত থাকুন।
অপ্রয়োজনীয় চিন্তায় ডুবে যেও না।
বিপি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হালকা করে তরকারি-মাংস খান...
সবসময় ইতিবাচক ধারণা রাখুন এবং ইতিবাচক চিন্তা করুন
মানসিক অবস্থার উপর কোন কষ্ট বা চিন্তাকে ভারী করবেন না। ঘন ঘন তিনশত বার সুবহানআল্লাহ ওয়া বি হামদিহি সুবহানআল্লাহিল আজিম পড়তে থাকুন।। মেডিটেশন করতে পারেন চিন্তামুক্ত থাকতে পারবেন।

Gynecomastia বা পুরুষের স্তন বড় হয়ে যাওয়াঃপুরুষ এবং মহিলা উভয়ের শরীরেই নির্দিষ্ট পরিমাণে টেস্টোস্টেরোন ও ইস্ট্রোজেন নামক...
03/11/2022

Gynecomastia বা পুরুষের স্তন বড় হয়ে যাওয়াঃ

পুরুষ এবং মহিলা উভয়ের শরীরেই নির্দিষ্ট পরিমাণে টেস্টোস্টেরোন ও ইস্ট্রোজেন নামক বিশেষ ধরনের হরমোন থাকে।
পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরোন ইস্ট্রোজেনের তুলনায় বেশি থাকে বলেই তিনি পুরুষ এবং তার পুরুষালি সমস্ত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যালী দৃশ্যমান হয়।
অন্যদিকে একজন মহিলার শরীরে টেস্টোস্টেরোনের তুলনায় ইস্ট্রোজেন বেশি থাকে বলেই তিনি মহিলা এবং তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যাবলী মাতৃসুলভ।

কোন কারণে যদি পুরুষের শরীরে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বেড়ে যায় কিংবা টেস্টোস্টেরোনের মাত্রা কমে যায় তাহলে Gynecomastia বা পুরুষের স্তন আকারে বড় হয়ে যায়।

আর Gynecomastia হলো পুরুষের স্তনের ব্যথাময় বৃদ্ধি।

কারণঃ
১) সাধারণ ভাবে সকল স্বাস্থ্যবান পুরুষদের এমনটা হতে পারে তবে তা ব্যথাহীন এবং স্বাভাবিক।
নতুন জন্ম নেওয়া শিশুদের ক্ষেত্রেও এমনটা দেখা দিতে পারে।
বয়ঃসন্ধিক্ষণেও কিশোর বয়সী ছেলেদের গাইনেকোমেশিয়া দেখা দিতে পারে।
বড়দের ক্ষেত্রে বিশেষ করে ৫০ ঊর্ধ্ব বয়সীদের যখন টেস্টোস্টেরোনের উৎপাদন ক্ষমতা কমে যায় তখনও এমনটা হতে পারে।

২) লিভার সিরোসিস
৩) মাত্রাতিরিক্ত মদ্যপান
৪) ক্লাইনফেল্টার'স সিন্ড্রোম (জন্মগত ত্রুটিজনিত সমস্যা)
৫) থাইরয়েডের রোগ
৬) অ্যাড্রেনাল টিউমার
৭) দীর্ঘ মেয়াদি কিডনির রোগ
৮) ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
★ স্পাইরোনোল্যাকটোন
★ মাদকসেবি (মেথাডোন, অ্যাম্ফিটামাইন, মারিজুয়ানা, ওপিঅয়েড)
★ পুরুষ বন্ধাত্ব নিরসনে ব্যবহৃত HCG হরমোন
★ পেশি বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত অ্যানাবোলিক স্টেরয়েড
★ হারবাল ও চর্মের সৌন্দর্য বর্ধনকাজে ব্যবহৃত ওষুধে ল্যাভেন্ডার তেল ও চা গাছের তেল।

রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসাঃ
১) যথাযথ রোগ ইতিহাস নেওয়া
২) ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা করা
৩) রক্তে হরমোনের মাত্রা দেখা
৪) স্তনের আলট্রাসনোগ্রাফি করা
৫) ম্যামোগ্রাফি করা।

... ....................সচেতনতামূলক পোস্ট....................                              থাইরয়েড কি?থাইরয়েড হলো গলার ...
03/11/2022

... ....................সচেতনতামূলক পোস্ট....................

থাইরয়েড কি?

থাইরয়েড হলো গলার সামনের দিকে প্রজাপতির মতো একটি গ্রন্থি, এন্ডোক্রাইন গ্ল্যান্ড বলা হয় একে।

সেই গ্রন্থি এক ধরনের হরমোন তৈরি করে মানুষের রক্তের মধ্যে সেটা মিশিয়ে দেয়। এবং সেই হরমোন মানব শরীরের প্রায় প্রতিটি অঙ্গের মধ্যে কিছু কাজ করে। মানুষের বৃদ্ধিতে এবং কার্যক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলে। বাড়ন্ত বয়সে বুদ্ধিমত্তার ওপরও অনেক প্রভাব ফেলে। এটা মানবদেহের খুব উপকারী একটা উপাদান। তবে এই থাইরয়েড গ্রন্থিও মাঝে মাঝে অসুস্থ হয়ে পড়ে।

সেটা ক্যানসার জাতীয় হতে পারে। ক্যানসার ছাড়াও অন্য রোগ হতে পারে। তবে ক্যানসার ছাড়াই বেশির ভাগ থাইরয়েডের অসুখ হয়। যেমন : হাইপো থাইরয়েডিজম হতে পারে; যেটাতে এই হরমোন নিঃসরণের পরিমাণ কমে যেতে পারে। আবার থাইরটক্সিকোসিস বা হাইপারথাইরয়েডিজম হয়, যেখানে হরমোন নিঃসরণের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। এ ছাড়া থাইরয়েড ম্যালিগনেন্সি বা ক্যানসার হয়।

প্রশ্ন আসতে পারে, একজন মানুষের যদি থাইরয়েড গ্রন্থিতে ক্যানসার হয়, তাহলে তিনি বুঝবেন কী করে?

# থাইরয়েড ক্যানসার হওয়ার প্রাথমিক লক্ষণ, থাইরয়েড গ্রন্থি যেখানে থাকে, গলার সামনের দিকে নিচের পাশে, সেখানে হয়তো হঠাৎ ফুলে যাবে। ফুললে সেটা রোগী নিজে বা তার কাছের যাঁরা আছেন, তাঁরা বুঝতে পারেন। এধ রনের ফুলে থাকলে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।
আবার ফুলে থাকা মানেই ক্যানসার নয়। ফুলে থাকা কেন হয়েছে, তার পরীক্ষা করলে হয়তো দেখা যাবে মাত্র ১০ শতাংশ ক্যানসার। আর বাকিগুলো ক্যানসার নয়। তাই ফোলা দেখলেই ক্যানসার মনে করার কিছু নেই। তবে এ সমস্যায় চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। এবং চিকিৎসক পরীক্ষা করেই এটা নিশ্চিত হতে পারবেন যে ক্যানসার হয়েছে কি না।

হাইপোথায়রয়েডিজমের যে লক্ষণগুলো দেখা দেয়-
- অবসাদগ্রস্ত হওয়া, সাথে অলসতা, ঘুম-ঘুম ভাব।
- ত্বক খসখসে হয়ে যায়
- শরীর অল্প ফুলে যায়
- ক্ষুধা মন্দা শুরু হয়
- চুল পড়তে শুরু করে
- ওজন অল্প বেড়ে যায়, ৫-৬ কিলো বেড়ে যেতে পারে।
- স্মৃতিশক্তি কমে যায়
- শীত শীত ভাব দেখা যায়
- কোষ্ঠকাঠিন্য শুরু হয়
- মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়
- ব্লাড প্রেশার বাড়তে পারে
- মাসিকের সমস্যা হতে পারে
- বন্ধ্যত্ব ও সমস্যা হতে পারে
- গর্ভধারণকালে গর্ভপাত হতে পারে
- কনজেনিটাল হাইপোথাইরয়ডিজমে শিশুর ব্রেণের বিকাশ হয় না

তবে, থাইরয়েড ক্যানসারের একেবারে সুনির্দিষ্ট কারণ বলা যাবে না। কতগুলো কারণ দেখা যায়, যেগুলো থাইরয়েড ক্যানসারের জন্য দায়ী। টিএসএইচ একটা হরমোন, যেটা থাইরয়েড গ্রন্থিটাকে উদ্দীপ্ত বা স্টিমুলেট করে, সেই থাইরয়েড স্টিমুলেটিং হরমোন যদি বেশি মাত্রায় দীর্ঘদিন ধরে কোনো কারণে কাজ করতে থাকে, তাহলে সেটা থাইরয়েড ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

এ ছাড়া রেডিয়েশন একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিভিন্ন ধরনের এক্সরে মেশিন থেকে রেডিয়েশন হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন জায়গা যেখানে পারমাণবিক দুর্ঘটনা ঘটেছে যেমন চেরনোবিল- এসব জায়গায় রেডিয়েশন হয়। এই রেডিয়েশন বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্যের মধ্যে চলে আসে।

আমরা যেটা বলি, গুঁড়ো দুধ যেগুলো বিদেশ থেকে আসে, বিশেষ করে ইউরোপিয়ান অরিজিন থেকে আসে, আমাদের ধারণা সেগুলোর কারণে থাইরয়েড ক্যানসারের প্রবণতা কিছুটা হলেও বাংলাদেশে বেড়েছে।

কিন্তু থাইরয়েড ক্যানসার হয়েছে এটা নিশ্চিত হওয়ার পর মূলত অস্ত্রোপচার করতে হয়। এখানে অন্যান্য ক্যানসারের মতো ধাপ বা পর্যায় দেখা হয়। কোন ধাপে রোগীটা এলেন সেটা ঠিক করতে হবে। সেটা ঠিক করেই পরিপূর্ণ চিকিৎসাটা ঠিক করতে হয়। যেমন : এখানে যদি শুধু ছোট হয় এবং প্রাথমিক পর্যায়ে থাকে তাহলে অস্ত্রোপচার করে ফেলে দিতে পারলেই ঠিক হয়ে যাবে।

এখানে একটা কথা বলতে হবে, থাইরয়েড ক্যানসারের চিকিৎসার ফলাফল অন্যান্য অনেক ক্যানসারের চেয়ে অনেক ভালো।
থায়রয়েড ক্যান্সার এমন একটি রোগ, যা সময়মতো চিকিৎসা করলে ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রেই সম্পূর্ণ আরোগ্য সম্ভব। তবে অবশ্যই সময়মতো চিকিৎসা করাতে হবে। গলার সামনে ফুলে উঠলে যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি একজন এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট বা হরমোন বিশেষজ্ঞ দেখানো উচিত। তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখবেন এটা কোন ধরণের রোগ।

ক্যান্সার শনাক্ত হলে বা ক্যান্সার আছে এমন সন্দেহ হলে অতিদ্রুত নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ বা থায়রয়েড অপারেশনে পারদর্শী কোনো সার্জনের কাছে যেতে হবে। থায়রয়েড ক্যান্সারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো চিকিৎসা হচ্ছে অপারেশন বা সার্জারি করা। আক্রান্তের ধরনের ওপর নির্ভর করবে থায়রয়েড গ্রন্থির কতটুকু কাটতে হবে। অনেক সময় পুরো থায়রয়েড গ্রন্থি কেটে ফেলার প্রয়োজন হতে পারে।

দেখা গেছে, থাইরয়েড ক্যানসারের চিকিৎসার পর রোগী স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেন। এই রোগের কারণে অন্তত তাঁর মৃত্যু হয় না।

এখানে প্রাথমিক পর্যায়ে অস্ত্রোপচারজ করলে সেটা সুস্থ হয়ে যায়। তবে যদি বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে যায়, তাহলে রেডিও অ্যাকটিভ আয়োডিন অ্যাবলেশন করতে হয়।

আর রেডিও অ্যাকটিভ আয়োডিন অ্যাবলেশন একধরনের রেডিওথেরাপি। তবে সেটা মেশিন বা এক্সরে দিয়ে করা হয় না। নিউক্লিয়ার মেডিসিনে যেসব থাইরয়েড বিশেষজ্ঞ কাজ করেন, তাঁরা এই ডোজটা ক্যালকুলেট করেন। এখানে একটি আয়োডিন ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। সেই ওষুধটি শরীরে ঢুকে একধরনের বিক্রিয়া করে। এবং থাইরয়েড ক্যানসারের যেসব কোষগুলো মাইক্রোস্কোপির পর্যায়ে থেকে যায়, সেগুলোকে নষ্ট করে দেয়।

ওই সময়টায় রোগীকে বিছিন্ন করে রাখতে হয়...
যেহেতু এটা একধরনের রেডিয়েশন, এখানে যারা সুস্থ দেহের লোকজন তারা অন্তত ২৪ ঘণ্টা রোগীর পাশে না থাকাই ভালো। এ জন্য তাকে বিচ্ছিন্ন করা হয়।

কোনো ব্যক্তি যদি সময়মতো এই চিকিৎসা না নেয়,
তবে এটা ছড়ানোর একটা প্রবণতা থাকে। সেটা প্রাথমিকভাবে গলার পাশে যে লিফনোটগুলো থাকে, সেখানে চলে যেতে পারে। আরো অনেকগুলো ফোলা তৈরি হতে পারে। ফুসফুসে ছড়িয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া আরো যদি ছড়ায়, শরীরের হাড় বিশেষ করে মেরুদণ্ড এগুলোতে ছড়িয়ে যেতে পারে।

অস্ত্রোপচার করতে হলে সেই গ্রন্থিটা ফেলে দিতে হয়,
কিন্তু যখন ক্যানসার হয়ে যায়, তখন সেটাকে রাখার তো কোনো যুক্তিসংগত কারণ নেই। তাই গ্রন্থিকে ফেলে দিতেই হবে। ফেলে দিলে গ্রন্থিটা যেসব হরমোন তৈরি করত, সেটা থাকে না। তখন বাজারে যে সিনথেটিক হরমোন পাওয়া যায়, সেগুলো খেতে হবে। সেটা হয়তো সারা জীবনই খেতে হবে। ক্যানসার থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য এটুকু কষ্ট তো করতেই হবে। তা ছাড়া বিকল্পভাবে ওই গ্রন্থির কাজ তো চলছেই। ওই ওষুধগুলো রোগী যদি নিয়মিত সেবন করেন, তাহলে শারীরিক কোনো প্রতিক্রিয়া হবে না। (যে কোনো ওষুধ সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।)

*** উল্লেখ্য যে, আমি কোন Doctor নই, কিন্তু বিশেষ কারণে আমি এটা নিয়ে অনেক ধরনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ এবং তাদের বিচার বিশ্লেষণা এবং বিভিন্ন আর্টিকেল পর্যালোচনা করে আমার স্বল্প বুদ্ধিতে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি, যাতে আমরা এটা কে অবহেলা না করে যথাযথ চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করি।

সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এবং নিজের এবং পারিপার্শ্বিক মানুষের পাশে দাঁড়াবেন যে যার অবস্থান থেকে ❤️✌️

★কানের পর্দা ফেটে গেলে করনীয়----কানের ভেতরের দিকে একটি পর্দার মতো থাকে, যা টিমপ্যানিক মেমব্রেন নামে পরিচিত। মধ্যকর্ণ থেক...
01/11/2022

★কানের পর্দা ফেটে গেলে করনীয়----

কানের ভেতরের দিকে একটি পর্দার মতো থাকে, যা টিমপ্যানিক মেমব্রেন নামে পরিচিত। মধ্যকর্ণ থেকে অন্তঃকর্ণের মাঝখানে এটি পর্দা হিসেবে থাকে। এটি খুবই স্পর্শকাতর, শব্দতরঙ্গ কানের পর্দায় কম্পন তৈরি করে। এই কম্পন মধ্যকর্ণের ছোট ছোট হাড়ের মাধ্যমে অন্তঃকর্ণে পৌঁছায়। অতঃপর অন্তঃকর্ণ থেকে মস্তিষ্কে পৌঁছায়। এভাবে আমরা শুনতে পাই।
কিন্তু বহু কারণে এই পর্দা ফেটে যেতে পারে, ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, ছিঁড়ে যেতে পারে। এতে শুনতে অসুবিধা হয়, কখনো কখনো শ্রবণশক্তি পুরোপুরি লোপ পায়। কানের পর্দা ফেটে গেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে মধ্যকর্ণে ইনফেকশন হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

💎 পর্দা ফাটার কারণঃ

কানের পর্দা বিভিন্ন কারণে ফাটতে পারে বা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যেমন-
১.কানের কোনো অসুখ যেমন-মধ্যকর্ণে ক্রনিক সাপোরেটিভ অটাইটিস মিডিয়া হলে
২. কোনো কিছু দিয়ে কান খোঁচালে। যেমন-কটন বাড।
৩.কানে কোনো কিছু প্রবেশ করলে এবং অদক্ষ হাতে তা বের করার চেষ্টা করলে
৪.দুর্ঘটনা বা আঘাতে কান ক্ষতিগ্রস্ত হলে
৫.হঠাৎ কানে বাতাসের চাপ বেড়ে গেলে। যেমন-থাপ্পড় মারা, বোমা বিস্ফোরণ, অতি উচ্চ শব্দের শব্দ ইত্যাদি কারণে
৬.পানিতে ডাইভিং বা সাঁতার কাটার সময় হঠাৎ পানির বাড়তি চাপের কারণে পর্দায় চাপ পড়লে
৭. কানের অন্য অপারেশনের সময়ও কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হলে
৮.যাদের কানের পর্দা আগে থেকেই দুর্বল বা ক্ষতিগ্রস্ত, তাদের ক্ষেত্রে নাক চেপে কানে বাতাস দিয়ে চাপ দিলে।

💎 উপসর্গঃ
১.প্রথমে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়, যা পরবর্তী সময়ে কমে আসে

২.কান দিয়ে রক্ত পড়া। বিশেষ করে আঘাতজনিত কারণে কানের পর্দা ফেটে গেলে কান দিয়ে রক্ত পড়তে পারে

৩.কানে কম শোনা

৪.মাথা ঘোরানো বা ভার্টিগো

৫.কানে শোঁ শোঁ বা ভোঁ ভোঁ শব্দ (টিনিটাস) হওয়া।

💎পরীক্ষা-নিরীক্ষাঃ
অটোস্কোপের মাধ্যমে খালি চোখেই ডাক্তার বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কানের পর্দা ফেটে গেছে কি না তা নির্ণয় করতে পারেন। এ ছাড়া কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষারও প্রয়োজন হতে পারে। এর মধ্যে আছে কানের ভেতর থেকে বের হওয়া তরলের কালচার পরীক্ষা, টিউনিং ফর্ক এভালুয়েশন, টিমপ্যানোমেট্রি। এগুলো থেকেও যথাযথ রোগ নির্ণয় না করা গেলে অডিওলজি টেস্ট করা হয়।

💎চিকিৎসাঃ
অনেকেই কানে কোনো সমস্যা হলে নিজেরাই কানের ড্রপ ব্যবহার করে, যা উচিত নয়। কানের পর্দা ফেটে গেলে অবশ্যই একজন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরামর্শ নেওয়া উচিত। যাদের কানে আগে থেকেই কোনো সমস্যা আছে বা কানের পর্দা ফেটে যাওয়ার ইতিহাস আছে, তাঁদের নিচের পরামর্শগুলো মেনে চলা উচিত।

১. কানে কোনোভাবেই যেন পানি প্রবেশ না করে এ জন্য গোসলের সময় কানে তুলা বা ইয়ার প্লাগ ব্যবহার করা।

২.সাঁতার না কাটা

৩.উড়োজাহাজে ভ্রমণ এড়িয়ে চলা

৪.উচ্চ শব্দে গান না শোনা, হেড ফোন ব্যবহার না করা।

৫.কানে যাতে কোনো ইনফেকশন না হয়, এ জন্য কানো কোনো অসুবিধা হওয়ামাত্র ডাক্তার দেখিয়ে উপযুক্ত ওষুধ সেবন করা।

৬.কান না খোঁচানো

৭.নিজে নিজে কোনো ওষুধ দেওয়া থেকে বিরত থাকা

৮.কানে কোনো কিছু গেলে বা আটকে থাকলে নিজে তা বের করার চেষ্টা না করা।

কানের পর্দার ছিদ্র যদি ছোট হয় বা অল্প একটু ফেটে যায়, তাহলে কয়েক সপ্তাহ পর আপনা আপনি তা ঠিক হয়ে যায়।

যদি তিন মাসের মধ্যেও ক্ষতিগ্রস্ত পর্দা ঠিক না হয়, সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনে অপারেশনের মাধ্যমে কানের পর্দা ঠিক করা যায়।

কানের পর্দা ফেটে যাওয়া জনিত সমস্যায় লক্ষন ভিত্তিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা আছে। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিয়ে যেকেউ এ সমস্যা থেকে সুস্থ হতে পারে।

⭕পুরুষের এনলারজড/বিবর্ধিত প্রস্টেটের  লক্ষণবিবর্ধিত প্রস্টেট গ্রন্থির উপসর্গসমূহ হচ্ছে : ১. মূত্রত্যাগ শেষ করার পর মূত্র...
01/11/2022

⭕পুরুষের এনলারজড/বিবর্ধিত প্রস্টেটের লক্ষণ

বিবর্ধিত প্রস্টেট গ্রন্থির উপসর্গসমূহ হচ্ছে :

১. মূত্রত্যাগ শেষ করার পর মূত্রথলি খালি হয়নি অনুভূত হওয়া।

২. মূত্রত্যাগ শেষ করার পর দুই ঘণ্টার কম সময়ের মধ্যে আবার মূত্রত্যাগ করার প্রয়োজন হওয়া।

৩. মূত্রত্যাগের সময় কয়েকবার করে প্রস্রাব থামছে এবং আবার আসছে প্রকৃতির ঘটনা ঘটা।

৪. প্রস্রাব আটকানো কঠিন হওয়া।

৫. প্রস্রাবের প্রবাহ দুর্বল হওয়া।

৬. প্রস্রাব করা শুরু করতে জোর বা চাপ দেওয়ার প্রয়োজন হওয়া।

৭. রাতে মূত্রত্যাগের জন্য বারবার ঘুম থেকে জেগে ওঠা।

⭕আপনার বিবর্ধিত প্রস্টেট গ্রন্থি থাকলে কি করবেন?
আপনি একজন ইউরোলজিস্ট এর শরণাপন্ন হতে পারেন। উনি আপনার অবস্থা বুঝে মেডিক্যাল / সার্জিক্যাল চিকিৎসা দিবেন।

22/09/2022
02/07/2022

আবারও বাড়ছে কোভিড১৯, বাড়ছে এন্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার। মনে রাখবেনে:

১. এন্টিবায়োটিক, যেমন এজিথ্রোমাইসিন বা এমক্সিসিলিন ক্ল্যাভুলনিক এসিড, ইত্যাদি কোভিড ১৯ এর কোনো ওষুধ নয়।

২. লক্ষণ উপসর্গ কম থাকালে প্যারাসেটামল এন্টিহিস্টামিন ছাড়া কোন ওষুধ খাবার প্রয়োজন নেই। অযথা ওষুধ কিনে পয়সা নষ্ট করবেন না।

৩. যথেচ্ছ এন্টিবায়োটিক খেলে একসময় আপনার সাধারন জীবাণুঘটিত রোগ বা ক্ষতের ইনফেকশন সারানোর জন্য ওষুধ খুঁজে পাবেন না। কারণ বেশিরভাগ এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের পথে। নতুন এন্টিবায়োটিক আবিষ্কৃত আপাতত হচ্ছে না।

৪. এখনকার কোভিড রুগীদের একটি সাধারন সমস্যা কাশি। যা সহজে সারছে না। এর প্রধান কারণ আসলে নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া। সাধারন নাক পরিষ্কারক ড্রপ বা স্প্রে ব্যবহার করলে এর উপশম সম্ভব।

৫. কিছু এন্টিভাইরাল ওষুধ যেমন মলনুপিরাভির প্রথমাবস্থায় প্রয়োগ করলে দ্রুত উপসর্গের উপশপম হচ্ছে, তবে কোনোভাবেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এগুলো খাবেন না। প্রেগন্যান্ট ও ১৮ বছরের কম বয়সে এ ওষুধ খাওয়া নিষেধ।

৬. জনসমাগমে মাস্ক পড়ুন।

Hypothyroid effects on the body.....
25/06/2022

Hypothyroid effects on the body.....

সাবধান! ক্যানসার তৈরি করে যেসব খাবার! দেখুন হয়তো খেয়েই চলেছেন !!ক্যানসার তৈরি করে – মরণব্যাধি ক্যানসার। প্রতিরোধের উত্তম...
23/06/2022

সাবধান! ক্যানসার তৈরি করে যেসব খাবার! দেখুন হয়তো খেয়েই চলেছেন !!

ক্যানসার তৈরি করে – মরণব্যাধি ক্যানসার। প্রতিরোধের উত্তম চিকিৎসা। শরীরের অতি দ্রুত অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের মাধ্যমে ক্যানসার তৈরি হয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অনেক খাবার ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় এবং অনেক খাবার আবার ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। যেসব খাবার ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় তা নিজে জানুন এবং অন্যকে জানিয়ে সচেতন করে দিন।

১. আলুর চিপস :

চিপসের স্বাদ মচমচে করার জন্য কৃত্রিম রং, ফ্লেভার, ট্রান্স ফ্যাট ও প্রচুর লবণ মিশানো হয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এটি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

২. ফ্রেঞ্চ ফ্রাই :

আমেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির সময় উচ্চ তাপ ও তেলের সংস্পর্শে অ্যাক্রাইলেমাইড সৃষ্টি হয়ে ক্যানসার হয়।

৩. প্রক্রিয়াজাত মাংসের খাবার :

বেকন, হটডগ, মিডলোফ, সসেজ, বার্গার ইত্যাদি খাবারে সোডিয়াম নাইট্রেট থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, সোডিয়াম নাইট্রেটযুক্ত প্রক্রিয়াজাত মাংস মানবদেহে এন নাইট্রোসোতে পরিণত হয়ে ক্যানসার সৃষ্টি করে।

৪. সফট ড্রিংকস :

বাজারের কোমল পানীয়তে থাকে ক্ষতিকর রং, অতিরিক্ত সোডা ও কৃত্রিম চিনি। এটি রক্তে গ্লুকোজ বাড়িয়ে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্ট বাড়িয়ে মেটাবলিক সিনড্রোম ও ক্যানসার তৈরি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, কোমল পানীয়তে ‘৪-মিথাইলমিডাজল’ নামের যে রং থাকে, এটি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

৫. কৃত্রিম চিনি :

কৃত্রিম চিনি অ্যাসপার্টের চিনির চেয়ে ১০ গুণ বেশি মিষ্টি এবং ক্যালোরি শূন্য। এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই খুব জনপ্রিয়। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিতভাবে কৃত্রিম চিনি খেলে ব্রেইন ক্যানসার হতে পারে।

৬. অ্যালকোহল :

অতিরিক্ত অ্যালকোহল মানব দেহে রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে অ্যাসিটেলডিহাইডে পরিণত হয়ে ডিএনএ ভেঙ্গে ক্যানসার তৈরি করে।

৭. গ্রিল, বারবিকিউ :

গ্রিল, বারবিকিউ এ ধরনের মাংসে উচ্চ তাপে হেটারোসাইক্লিক অ্যামাইন তৈরি হয়। এ থেকে ক্যানসার হতে পারে।

৮. বিষাক্ত কীটনাশক ও ক্যামিক্যাল যুক্ত ফলমূল :

আমেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, ৩০ ভাগ কীটনাশক হচ্ছে কারসিনোজেন। এটি মানব দেহে কোনো না কোনো ক্যানসার তৈরি করে।

৯. খোলা বাজারের শরবত :

বাজারের শরবতে থাকে দূষিত পানি, বরফ ও ক্ষতিকর রং। এগুলো জন্ডিস, হেপাটাইটিস ও লিভার ক্যানসার সৃষ্টি করে।

১০. পুরোনো তেল :

পুরোনো তেল দিয়ে বারবার খাবার রান্না করলে ফ্রি রেডিক্যাল তৈরি হয়ে ডিএনএ কে ভেঙে ক্যানসার হতে পারে।
১১. তামাকজাত পণ্যঃ
বিড়ি,সিগারেট, জর্দা এগুলো সেবন ও ক্যান্সার এর কারণ।

17/06/2022

জেনে নিন

10/06/2022

Address

Road 1 Mohanagar Project
Dhaka

Telephone

+8801710811180

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Samud Medical Services posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram