17/02/2026
তালা ও তালাবদ্ধ করার যাদু
কিছু নারী—বিশেষ করে তালাকপ্রাপ্তরা—প্রতিশোধের উদ্দেশ্যে এ কাজ করে থাকে। স্ত্রী জাদুকরের কাছে গিয়ে অনুরোধ করে, যেন তার স্বামীকে সব নারীর কাছ থেকে বেঁধে দেওয়া হয়; যাতে সে তার (স্ত্রী) ছাড়া অন্য কারো সাথে সহবাস, বিবাহ বা কোনো সম্পর্ক স্থাপন করতে না পারে।
জাদুকর তখন কিছু সূরার—বিশেষ করে সূরা ইয়াসিনের—কিছু আয়াত উল্টোভাবে পড়ে; যা স্পষ্ট কুফর। এরপর একটি খোলা তালা স্ত্রীকে দেয়। নারী সেই তালা কোনো পুরনো কূপে বা এমন স্থানে নিক্ষেপ করে যেখানে পৌঁছানো যায় না—যেমন সমুদ্রের গভীর তলদেশ বা কূপে। অথবা ভবিষ্যতে খোলার ইচ্ছা থাকলে নিজের কাছেই রেখে দেয়। ধারণা করা হয়, সেই তালার চাবি দিয়ে খুললে প্রভাব মুক্ত হয়—এ কারণে এ বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।
এটি মেয়েদের “তাসফিহ” (বিয়ে বন্ধ করে দেওয়া), বিয়ে ও কাজকর্মে বাধা সৃষ্টি করার কাজেও ব্যবহার করা হয়।
এর লক্ষণসমূহ
সাধারণ যাদুর লক্ষণের মতো—এটি বিচ্ছেদ ঘটানো, অগ্রগতি বন্ধ করা, অসুস্থতা সৃষ্টি করা, বিয়েতে বাধা দেওয়া বা স্ত্রীকে স্বামীর কাছ থেকে বিরত রাখার যাদু হতে পারে। এমনকি বলা হয়, স্ত্রীর উরু এমনভাবে জোড়া লেগে যায় যে স্বামী তার কাছে যেতে পারে না।
এই যাদু অন্যান্য যাদুর মতোই; তবে এর বিশেষত্ব হলো—এর গিঁটগুলো খুব শক্ত হয়, কারণ সেগুলো তালা, শিকল বা প্যাঁচানো তার দিয়ে বাঁধা থাকে এবং তালা দিয়ে বন্ধ করা হয়। এগুলো খুলতে সময় লাগে। যতবার গিঁট খোলা হয়, ততবার নাকি যাদুর খাদেম আবার গিঁট বেঁধে দেয়। তাই বারবার রুকইয়াহ করতে হয় এবং যাদুর খাদেম ও প্রহরীকে বেঁধে ফেলতে হয়—যাতে এই যাদু খোলা সহজ হয়।
#সতর্কতা
#যাদুর_প্রতারণা
#ইসলামিক_জ্ঞান
#দ্বীনী_সচেতনতা
#রুকইয়াহ
As-Sihat Life