Suicide Prevention Youth Society - SPYS

Suicide Prevention Youth Society - SPYS Su***de Prevention Youth Society is a su***de prevention and mental health organization

দাম্পত্য সম্পর্ক কিভাবে সুস্থ ও সুন্দর রাখবেন১. পরিষ্কার ও নিয়মিত যোগাযোগ করুন-মন খুলে কথা বলা, নিজের অনুভূতি প্রকাশ করা...
04/12/2025

দাম্পত্য সম্পর্ক কিভাবে সুস্থ ও সুন্দর রাখবেন

১. পরিষ্কার ও নিয়মিত যোগাযোগ করুন-
মন খুলে কথা বলা, নিজের অনুভূতি প্রকাশ করা এবং সঙ্গীর কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা—এসবই যে কোনো সম্পর্কের শক্ত ভিত্তি।
২. পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখুন-
মতভেদ থাকলেও অপমান, তুলনা বা দোষারোপ নয়—সম্মান যেন কখনও হারিয়ে না যায়।
৩. ছোট ছোট ভালোবাসার প্রকাশ করুন-
একটি প্রশংসা, একটি হাসি বা ছোট কোনো সহযোগিতা—এসবই সম্পর্ককে জীবন্ত ও আনন্দময় রাখে।
৪. ঝগড়ার সময় ব্যক্তিগত আক্রমণ এড়িয়ে চলুন-
সমস্যা নিয়ে কথা বলুন, মানুষটিকে আঘাত করবেন না। ‘তুমি সবসময়…’ ধরনের বাক্য এড়িয়ে চলুন।
৫. দায়িত্ব ভাগ করে নিন-
ঘর, সন্তান, অর্থ—সব দায়িত্বে দুজনের সমান অংশগ্রহণ সম্পর্ককে আরো স্থিতিশীল করে।
৬. প্রতিদিন মানসম্মত সময় কাটান-
১০–২০ মিনিট হলেও দু’জনের জন্য আলাদা সময় রাখুন—মোবাইল ও বিভ্রান্তি ছাড়া।
৭. প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন-
‘ধন্যবাদ’, ‘তুমি দারুণ করেছ’—এ ধরনের সহজ শব্দই সম্পর্ককে উষ্ণ ও প্রশান্ত রাখে।
৮. স্বচ্ছতা ও বিশ্বাস ধরে রাখুন-
মিথ্যা, লুকোচুরি ও অযথা সন্দেহ সম্পর্ককে দ্রুত ভেঙে ফেলে। তাই বিশ্বাসই হোক প্রধান শক্তি।
৯. জটিল সমস্যায় পরামর্শ নিতে পিছপা হবেন না-
কাউন্সেলর, বয়োজ্যেষ্ঠ বা বিশ্বস্ত কারো পরামর্শ অনেক ক্ষেত্রে সম্পর্ককে নতুন দিশা দেয়।
১০. নিজের মানসিক ও আবেগিক সুস্থতার যত্ন নিন
নিজে সুস্থ থাকলে সম্পর্কেও ইতিবাচকতা, ধৈর্য ও ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়।

বদরুল মুর্শেদ আসাদ
প্রধান নির্বাহী
সুইসাইড প্রিভেনশন ইয়ুথ সোসাইটি

Journey to Mental Healthসুস্থ মানসিক বিকাশ ও সুস্থ জীবনের পথচলা,মানসিক স্বাস্থ্য কোনো বিলাসিতা নয়—এটি প্রতিটি মানুষের মৌ...
14/11/2025

Journey to Mental Health

সুস্থ মানসিক বিকাশ ও সুস্থ জীবনের পথচলা,মানসিক স্বাস্থ্য কোনো বিলাসিতা নয়—এটি প্রতিটি মানুষের মৌলিক প্রয়োজন।দৈনন্দিন চাপ, কাজ, সম্পর্ক, জীবনযাপনের ব্যস্ততার মাঝে আমরা অনেকসময় নিজের অনুভূতি ও মানসিক সুস্থতার যত্ন নিতে ভুলে যাই।

Journey to Mental Health—এর লক্ষ্য: মানসিক স্বাস্থ্যকে স্বাভাবিক, আলোচনাযোগ্য এবং গ্রহণযোগ্য করে তোলা।

আমাদের মূল কার্যক্রম:
• মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি
• স্ট্রেস, অ্যাংজাইটি ও বার্নআউট ম্যানেজমেন্ট গাইডলাইন
• Self-care ও Emotional wellbeing প্র্যাকটিস
• Healthy mindset ও positive lifestyle গড়ে তোলার পরামর্শ

আমাদের বিশ্বাস: “মানসিক সুস্থতাই জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি।”

আমরা কী বোঝাতে চাই?
সহায়তা চাওয়া দুর্বলতা নয়—এটি সাহসের পরিচয়।
নিজের অনুভূতি প্রকাশ করা মানসিক শক্তির প্রতীক
আপনি একা নন, আমরা আছি পাশে।

✅ প্রয়োজন হলে পেশাদার সাহায্য নিন।
✅ কারও কথা শুনুন, প্রয়োজন হলে নিজের কথা বলুন।
✅ কারণ—Mental Health Matters.

বিশেষ নোট (সাপোর্টের জন্য): যদি আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ দীর্ঘদিন ধরে হতাশা,একাকিত্ব বা আত্মহত্যার চিন্তায় ভুগে থাকেন,তবে Su***de Prevention Youth Society - SPYS এর সহযোগিতা নিন।

Badrul Morshed Asad
Founder, Su***de Prevention Youth Society (SPYS)

মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা একাকিত্ব—এসবই ধীরে ধীরে মনকে দুর্বল করে দিতে পারে।নিজেকে একা ভাববেন না। প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞের সাহ...
14/11/2025

মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা একাকিত্ব—এসবই ধীরে ধীরে মনকে দুর্বল করে দিতে পারে।
নিজেকে একা ভাববেন না। প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন, কথা বলুন বিশ্বাসের মানুষের সাথে।
সঠিক সময়ে সহায়তা নেওয়া জীবনকে নতুন আলো দেয়।
মনের কথা বলুন পেইজের ইনবক্সে।(গোপনীয়তা শতভাগ)

ছবিতে আপনারা যেই পিগিব্যাংক ভাঙ্গার দৃশ্য দেখতে পাচ্ছেন সেটা মূলত আমাদেরকে Rage Room কনসেপ্ট বুঝতে সাহায্য করে।Rage Room...
09/11/2025

ছবিতে আপনারা যেই পিগিব্যাংক ভাঙ্গার দৃশ্য দেখতে পাচ্ছেন সেটা মূলত আমাদেরকে Rage Room কনসেপ্ট বুঝতে সাহায্য করে।Rage Room আমাদের জন্য কিছুটা নতুন বিষয় হলেও জাপান,যুক্তরাষ্ট্র,কানাডা,দুবাই,অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন দেশে তাৎক্ষণিকভাবে মানসিক চাপ কমানোর জন্য জনপ্রিয় মাধ্যম।
◑ Rage Room আসলে কি?এর ধারণা এসেছিলো কোথা থেকে?
Rage Room বা Anger Room হলো এমন একটি জায়গা, যেখানে মানুষ নিরাপদভাবে বিভিন্ন জিনিস ভেঙে নিজের রাগ, ক্ষোভ, হতাশা প্রকাশ করতে পারে। সাধারণত প্লেট, বোতল, টিভি, কম্পিউটার ইত্যাদি ভাঙার ব্যবস্থা থাকে।
রেজ রুমের ধারণাটি প্রথমে জাপানে শুরু হয়েছিল, যেখানে এটি রাগ কমানোর একটি বিনোদন মাধ্যম হিসেবে চালু হয়েছিল। পরে এই ধারণাটি বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। ডোনা আলেকজান্ডার ২০০৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে একটি গ্যারেজে প্রথম রেজ রুম তৈরি করেন।সেখানে মানসিক চাপ কমানোর জন্য টিভি, গ্লাস, ফার্নিচার, প্রিন্টার, বোতল, ইলেকট্রনিক্সসহ নানা ভাঙার মতো বস্তু, সুরক্ষার জন্য হেলমেট, গ্লাভস এবং সেফটি গিয়ার দেওয়া হতো।যদিও Rage Room এর পরিবেশ ঝুঁকিমুক্ত রাখা হয় তবুও এসব স্থানে প্রশিক্ষিত ব্যক্তি নিয়োগ থাকেন যারা যেকোন দূর্ঘটনা এড়াতে সাহায্য করেন।
◑ Rage Room-এর পেছনের মনস্তত্ত্ব
মানসিকভাবে ভাঙা বা ধ্বংস করার কাজটি "Catharsis Theory" এর ওপর ভিত্তি করে কাজ করে, যার মানে হলো: একবার ভেতরের রাগ বা অনুভূতি শারীরিকভাবে প্রকাশ করলে, সেটা হালকা হয়ে যায়। তবে এটি সব সময় সকলের জন্য কার্যকর হয় না।এটি একটি ক্ষণস্থায়ী বন্দবস্ত। দীর্ঘমেয়াদের মানসিক চাপ কমাতে প্রয়োজন ইচ্ছা, ধৈর্য্য, কাউন্সিং ও মেডিটেশন।
বাংলাদেশে Rage Room প্রচলন যেহেতু সীমিত তাই তাৎক্ষণিক ভাবে মানসিক চাপ কমাতে আপনি রেজ রুমের আদলে কিছু কাজ করতে পারেন।যেমন -
- কুশন বা বালিশে ঘুষি মারা
- স্ট্রেস বল চেপে ধরা
- জোরে জোরে হাঁটা বা দৌড়ানো
- ডায়েরিতে রাগের কথা লিখে ফেলা
- একা চিৎকার করা (সেফ জায়গায়)
এছাড়া, আশাব্যঞ্জক বিষয় হলো সুইসাইড প্রিভেনশন ইয়ুথ সোসাইটি ঢাকাসহ কিছু শহরে এটি(Rage Room) চালু করার চেষ্টা করছে।

Jannatul Mawoa Anonna
Moderetor
Su***de Prevention Youth Society - SPYS

কথা বলুন, ভরসায় থাকুনহাসি কিংবা কান্না—যে অনুভূতিই হোক, শেয়ার করা জরুরি।আপনার কথা আমরা মন দিয়ে শুনি।Su***de Prevention Y...
09/11/2025

কথা বলুন, ভরসায় থাকুন
হাসি কিংবা কান্না—যে অনুভূতিই হোক, শেয়ার করা জরুরি।
আপনার কথা আমরা মন দিয়ে শুনি।
Su***de Prevention Youth Society - SPYS

📌আশা বেঁচে থাকার একটি অবলম্বন, আশার আলো নিভে না যাক!!💥আশা দিয়ে আমরা বুঝাই স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা, কোনো কিছুর ইচ্ছা নিয়ে স্ব...
07/11/2025

📌আশা বেঁচে থাকার একটি অবলম্বন, আশার আলো নিভে না যাক!!
💥আশা দিয়ে আমরা বুঝাই স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা, কোনো কিছুর ইচ্ছা নিয়ে স্বপ্ন দেখা। আমাদের বিভিন্ন আশা আছে বলেই আমরা বেঁচে থাকি। এই আশা গুলো পূর্ণ করাই আমাদের জীবনের অনেক গুলির মধ্যে একটি কারণ হয়ে থাকে বেঁচে থাকার। যেমন অনেকে আশা নিয়ে বাঁচে অনেক বড় কিছু হবে, অনেকে আশা করে মা বাবার জন্যে কিছু করবে, অনেকে আশা করে দেশ বিদেশ ভ্রমণ করবে, ইত্যাদি।
🛑জীবন এর অনেক চড়াই উতরাই থাকে। সব সময় জীবন সহজ হয়না, অনেক সময় আবার অনেক সহজ ও হয়। অনেক সময় অনেক বেশি আঁধার নেমে আসে জীবনে। তারপর হতাশাও আসে সাথে। এই হতাশাই হলো আশা হারিয়ে ফেলা। আসলে আঁধার নেমে আসলে তার সাথে যে আলোও থাকবে এটা আমরা অনেক সময় ভুলে যাই। যেমন প্রতিটি রাত জানান দেয় যে আগামী কাল আরেকটি সকাল হবে।
এই আশা গুলোই যেমন বেঁচে থাকার সাহস, ঠিক তেমন হতাশা হলো জীবন থমকে যাওয়ার মতো একটি অসুখ।
💝তাই আশার আলো কখনও নিভতে দেওয়া যাবে না। সব সময় মনে রাখতে হবে, প্রতিটি শব্দের বিপরীত আছে, প্রতিটি অনুভূতির বিপরীত অনুভূতি আছে। একদিন হয়তো খারাপ গেলো, তেমনই অন্য দিন ভালোও যাবে। এই আশায় আমাদের বেঁচে থেকে ভবিষ্যৎ ভালো করার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে। আশার আলো নিভতে দেওয়া যাবে না।
এবং আপনাদের আশার আলো জ্বালিয়ে রাখার জন্য আমরা আSu***de Prevention Youth Society (SPYS)PYS) সর্বদা আপনাদের জন্যে কাজ করছে। যেনো আপনারা ভালো থাকেন এবং ভালো রাখেন।
আশার আলো নিভে না যাক, নতুন আশার আলো আবারো প্রজ্জ্বলিত হোক!!!💜💜💜

হালিমা ইসলাম
স্বেচ্ছাসেবক ও মডারেটর
Su***de Prevention Youth Society - SPYS

তিশা, ২৫ বছর বয়সী এক মিষ্টভাষী মেয়ে। সবসময় হাসিখুশি থাকা, চারপাশের সবাইকে আনন্দে রাখা ছিল তার স্বভাব। কেউ কোনোদিন কল্পনা...
07/11/2025

তিশা, ২৫ বছর বয়সী এক মিষ্টভাষী মেয়ে। সবসময় হাসিখুশি থাকা, চারপাশের সবাইকে আনন্দে রাখা ছিল তার স্বভাব। কেউ কোনোদিন কল্পনাও করেনি, এই মেয়েটিই একদিন হঠাৎ করেই নিজের জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্তটা নিয়ে ফেলবে চিরতরে চলে যাওয়ার।
অন্যদিকে, আদনান ৩০ বছর বয়সী এক তরুণ।এলাকায় যে নম্র, ভদ্র আর হাস্যোজ্জ্বল একজন মানুষ হিসেবে পরিচিত। সবার বিপদে-আপদে ছুটে যাওয়া, পরামর্শ দেওয়া।এসবেই ব্যস্ত থাকত সে। কিন্তু কে জানতো, নিজের মনের,সাথে সে একা লড়ে যাচ্ছিল দিনের পর দিন। একদিন সবাইকে অবাক করে দিয়ে সে নিজেকেই হারিয়ে ফেলল।
উপরের দুটি ঘটনা বিচ্ছিন্ন হলেও দুটো ঘটনার মোটিভ এক।তা হলো - তাদের একান্ত অনুভবে জমে যাওয়া না বলা কথার পাহাড়, যা তাদেরকে একসময় নিঃশব্দে ভেঙ্গে দিয়েছিল।তিশা ও আদনানের মত এমন অসংখ্য মানুষ আমাদের আশে পাশে আছেন যাদের ওপর থেকে দেখে আমরা বুঝতে পারি না তারা কেমন মানসিক কষ্টের সাথে লড়ে যাচ্ছেন। তাদের কথা কে কিভাবে নিবে এই দ্বিধায় পড়ে তারা চুপ করে যান। নিজের কষ্ট, অভিমান বা হতাশা গিলে ফেলেন। ভাবেন—“বললে কেউ বুঝবে না”, “হয়তো হাসবে”, “নাকি দুর্বল ভাববে?” এই ভয়গুলোই ধীরে ধীরে মানুষকে একা করে দেয়, ভেতর থেকে গুঁড়িয়ে ফেলে।কিন্তু বাস্তব হলো- আমরা সবাই মানুষ, আমাদের সবারই কষ্ট হয়, মন খারাপ হয়, ভেঙে পড়ি। এসব স্বাভাবিক। আর সবচেয়ে সাহসী কাজ হচ্ছে সেই কষ্টটা ভাগ করে নিয়ে নদীর পানির মত নিরমল হয়ে যাওয়া।তাই যদি কখনো খুব বেশি চাপ মনে হয়, কারো সঙ্গে শেয়ার করুন।জানান আপনার কতখানি কষ্ট হচ্ছে।
এতটুকু বলা থেকেই বদলে যেতে পারে অনেক কিছু।অনেক অন্ধকারই পেতে পারে আলোর দিশা।

Jannatul Mawoa Anonna
স্বেচ্ছাসেবক & মডারেটর
সুইসাইড প্রিভেনশন ইয়ুথ সোসাইটি

06/11/2025

"Allah"
Thank you for EVERYTHING!

আপনি মানসিকভাবে যতটা স্ট্রং, তার পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ থাকতে পারে — সাধারণত এ ধরনের মানসিক শক্তি আসে জীবনের নান...
31/10/2025

আপনি মানসিকভাবে যতটা স্ট্রং, তার পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ থাকতে পারে — সাধারণত এ ধরনের মানসিক শক্তি আসে জীবনের নানা অভিজ্ঞতা, চিন্তাভাবনা, ও নিজের আত্মনিয়ন্ত্রণ থেকে। নিচে সম্ভাব্য কারণগুলো দিচ্ছি 👇

1. কঠিন অভিজ্ঞতা সামলে ওঠা শিখেছেন — জীবনে চ্যালেঞ্জ, দুঃখ বা হতাশার সময়গুলো আপনাকে ভেঙে না দিয়ে আরও দৃঢ় করেছে।

2. আত্মবিশ্বাস ও আত্মচেতনা রয়েছে — আপনি নিজের দুর্বলতা চিনে নিয়ে সেটাকে কাটিয়ে উঠতে পারেন।

3. ধৈর্য ও সহনশীলতা বেশি — আপনি তাড়াহুড়া না করে পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

4. ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স (Emotional Intelligence) — আপনি নিজের অনুভূতি ও অন্যের আবেগ বুঝতে পারেন, ফলে মানসিক ভারসাম্য রাখতে পারেন।

5. পজিটিভ চিন্তা বা ফেইথ — আপনি নেতিবাচক পরিস্থিতিতেও আশা বা অর্থ খুঁজে পান, সেটা ধর্মীয়, নৈতিক বা ব্যক্তিগত বিশ্বাস যাই হোক।

6. সহযোগিতামূলক মানসিকতা — হয়তো আপনি অন্যকে সাহায্য করতে পছন্দ করেন, যা নিজের ভেতরেও শক্তি জোগায়।

এক ধরনের মানুষ আছেন,যাদের মন একসাথে অনেক বিষয় হ্যান্ডেল করতে পারে না,কারণ তাদের চিন্তা বিশ্লেষণ অনেক গভীর হয়।ফলে নতুন দা...
31/10/2025

এক ধরনের মানুষ আছেন,যাদের মন একসাথে অনেক বিষয় হ্যান্ডেল করতে পারে না,কারণ তাদের চিন্তা বিশ্লেষণ অনেক গভীর হয়।ফলে নতুন দায়িত্ব পেলে বা একসাথে অনেক কাজ এলে overthinking আর decision paralysis তৈরি হয় — তখন মনে হয় কিছুই করা যাচ্ছে না।

এই অবস্থায় করণীয়:

1. একসময় একটাই কাজ করুন।
নিজের মস্তিষ্ককে একটার পর একটা কাজ দিন, একসাথে নয়। Multitasking তার জন্য নয়।

2. ছোট কাজের তালিকা করুন।
আজকে শুধু ২–৩টা কাজের লিস্ট রাখুন। শেষ হলে টিক চিহ্ন দিন। এতে মন শান্ত হয়।

3. দায়িত্ব পেলে সময় চান।
সরাসরি না বলার দরকার নেই, বলুন: “আমি একটু সময় নিয়ে দেখি, তারপর বলি।” এতে চাপ কমবে।

4. নিজের শক্তির জায়গা চিনুন।
আপনি হয়তো গভীরভাবে চিন্তা করতে, তৈরি করতে বা বিশ্লেষণ করতে ভালো — সেই দিকেই ফোকাস রাখুন।

5. নিজেকে দোষ দেবেন না।
এই ধরনের মানসিক গঠন দুর্বলতা নয় — এটা কেবল ভিন্ন ধরণের প্রসেসিং। অনেক প্রতিভাবান মানুষ এমনই ছিলেন — যেমন আইনস্টাইন, কিয়েরকেগার্ড, এমনকি হুমায়ুন আহমেদও মাঝে মাঝে এমন ছিলেন।

টাইম ম্যানেজমেন্ট হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ব্যক্তি নিজের কাজ, লক্ষ্য ও দায়িত্বগুলোকে অগ্রাধিকার অনুযায়ী সাজিয়ে...
29/10/2025

টাইম ম্যানেজমেন্ট হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ব্যক্তি নিজের কাজ, লক্ষ্য ও দায়িত্বগুলোকে অগ্রাধিকার অনুযায়ী সাজিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করে।।

👉টাইম ম্যানেজমেন্টের উদ্দেশ্য:
১.কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি করা।
২.সময় অপচয় কমানো।
৩.স্ট্রেস বা চাপ হ্রাস করা।
৪.নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লক্ষ্য অর্জন করা।
৫.ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে ভারসাম্য রক্ষা করা।

👉ভালো টাইম ম্যানেজমেন্টের কৌশল:

1️⃣ লক্ষ্য নির্ধারণ করুন (Set Goals):
১.স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নির্ধারণ করুন।২.প্রতিদিনের কাজের একটি তালিকা তৈরি করুন।

2️⃣ অগ্রাধিকার নির্ধারণ করুন (Prioritize):
১.কোন কাজটি জরুরি,কোনটি অপেক্ষা করতে পারে — তা নির্ধারণ করুন।
২.“Important vs. Urgent” নীতি অনুসরণ করুন।

3️⃣ পরিকল্পনা করুন (Plan Smartly):
১.দিন,সপ্তাহ বা মাস অনুযায়ী পরিকল্পনা তৈরি করুন।
২.ক্যালেন্ডার, টু-ডু লিস্ট বা অ্যাপ ব্যবহার করুন।

4️⃣ ডেডলাইন নির্ধারণ করুন (Set Deadlines):
১.প্রতিটি কাজের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করুন।
২.সময়মতো কাজ শেষ করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

5️⃣ বিলম্ব পরিহার করুন (Avoid Procrastination):
১."পরে করবো" মানসিকতা দূর করুন।
২.ছোট কাজ থেকে শুরু করুন — momentum তৈরি হবে।

6️⃣ বিরতি ও বিশ্রাম নিন (Take Breaks):
১.অতিরিক্ত চাপ নিলে মনোযোগ নষ্ট হয়।
২.Pomodoro টেকনিক (২৫ মিনিট কাজ + ৫ মিনিট বিরতি) ব্যবহার করতে পারেন।

7️⃣ না বলতে শিখুন (Learn to Say No):
১.অপ্রয়োজনীয় কাজ বা বিভ্রান্তি থেকে দূরে থাকুন।

টাইম ম্যানেজমেন্টের উপকারিতা:
✅ কাজের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি।
✅ মানসিক চাপ হ্রাস।
✅ লক্ষ্য অর্জনের সম্ভাবনা বৃদ্ধি।
✅ ব্যক্তিগত উন্নয়ন ও আত্মনিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি।
✅ কাজ ও জীবনের ভারসাম্য বজায় থাকে।

বদরুল মোর্শেদ (আসাদ)
ক্যারিয়ার কোচ
School of Career

তুমি জানো সে কী করেছে? সমাজ যখন তাকে তালাকের জন্য লজ্জা দিচ্ছিল, দোষ দিচ্ছিল — তখনও সে এইচএসসি পরীক্ষায় দারুণ ফলাফল করেছ...
17/10/2025

তুমি জানো সে কী করেছে? সমাজ যখন তাকে তালাকের জন্য লজ্জা দিচ্ছিল, দোষ দিচ্ছিল — তখনও সে এইচএসসি পরীক্ষায় দারুণ ফলাফল করেছে।
সে এক জোরপূর্বক বিয়ের শিকার — যা দুঃখজনকভাবে এখনো বাংলাদেশে সাধারণ ঘটনা, কারণ অনেক বাবা-মা এখনো মনে করেন, তাদের মেয়েরা কখনোই সেই মানুষটিকে না বলতে পারে না যাকে তারা বিয়েতে বাধ্য করছে।

তাকে ট্রল না করে বরং আমরা সবাই তার স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার কামনা করি, যেন সে অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠতে পারে।
আল্লাহ তাকে আশীর্বাদ করুন। 🌸

© সাকিব রহমান

Address

Dhaka
1740

Telephone

+8801711669384

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Suicide Prevention Youth Society - SPYS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Suicide Prevention Youth Society - SPYS:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram