নাহিদ ফার্মেসী এন্ড টেলিকম

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • নাহিদ ফার্মেসী এন্ড টেলিকম

নাহিদ ফার্মেসী এন্ড টেলিকম I want this page to benefit a lot of people later .. to their body.Be careful in knowing yourself.And get the right doctor's advice..

White flowers....
04/08/2023

White flowers....

[[[ আপনাদের মা বাবা ভাই বোন কারো যদি ডায়াবেটিস থাকে তবে এই পোস্টটি আপনার জন্য! ]]]ঢেঁড়শ (অন্য নাম ভেন্ডি) মালভেসি পরিবা...
02/03/2020

[[[ আপনাদের মা বাবা ভাই বোন কারো যদি ডায়াবেটিস থাকে তবে এই পোস্টটি আপনার জন্য! ]]]

ঢেঁড়শ (অন্য নাম ভেন্ডি) মালভেসি পরিবারের এক প্রকারের সপুষ্পক উদ্ভিদ (tree)। এটি তুলা, কোকো ও হিবিস্কাসের সাথে সম্পর্কিত। ঢেঁড়শ গাছের কাঁচা ফলকে সবজি হিসাবে খাওয়া হয়। ঢেঁড়শের বৈজ্ঞানিক নাম Abelmoschus esculentus; অথবা Hibiscus esculentus L।ঢেঁড়শ গাছ একটি বর্ষজীবী উদ্ভিদ, যা ২ মিটার পর্যন্ত লম্বা (long) হয়।

এর পাতা ১০-২০ সেমি দীর্ঘ এবং চওড়া। পাতায় ৫-৭টি অংশ থাকে। ফুল হয় ৪-৮ সেমি চওড়া, পাঁপড়ির রঙ সাদাটে হলুদ, ৫টি পাঁপড়ি থাকে। প্রতিটি পাঁপড়ির কেন্দ্রে লাল বা গোলাপী বিন্দু থাকে। ঢেঁড়শ ফল ক্যাপসুল আকারের, প্রায় ১৮ সেমি দীর্ঘ, এবং এর ভেতরে অসংখ্য বিচি থাকে।

ঢেড়শকে ইংরেজিতে বলা হয় ওকরা (Okra)। আমেরিকার বাইরের ইংরেজিভাষী স্থানে এটি লেডিজ ফিঙ্গার (Lady’s Fingers) নামেও পরিচিত ,। কোনো কোনো স্থানে, যেমন আমেরিকার কিছু অংশ এবং ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে এটি গাম্বো (gumbo) নামেও খ্যাত, যা এসেছে এর পর্তুগিজ নাম “quingombo,” থেকে, যার আদি উৎস হলো পূর্ব আফ্রিকীয় শব্দ “quillobo,”

ওকরা নামটি পশ্চিম আফ্রিকা থেকে এসেছে।[৩] আফ্রিকার বান্টু ভাষায় এটাকে বলা হয় কিঙ্গুম্বো। আরবি ভাষায় এর নাম বামিয়া । দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এটিকে ভেন্ডি বা ভিন্ডি বলা হয়।Okra flower bud and immature seed pod

ঢেঁড়শের আদি নিবাস ইথিওপিয়ার উচ্চভূমি এলাকায়। সেখান থেকে কীভাবে এটি অন্যত্র ছড়িয়ে যায়, তা জানা যায় না। মিশরীয় ও মূর জাতির বিভিন্ন রচনায় ১২শ ও ১৩শ শতকে আরবি ভাষায় ঢেঁড়শের কথা উল্লেখ রয়েছে। এতে ধারণা করা যায় যে, প্রাচ্য হতেই এটি সেখানে এসেছে।

সম্ভবত ইথিওপিয়া হতে লোহিত সাগর বা আরব উপদ্বীপের নিকটবর্তী বাব-আল-মান্দিব প্রণালী পেরিয়ে এটি আরবে ও পরে ইউরোপে যায়। ১২১৬ সালে এক স্পেনীয় মূর জাতির ব্যক্তির লেখায় এর উল্লেখ রয়েছে। মিশর ভ্রমণকালে এই মূর তার রচনায় উল্লেখ করেন, স্থানীয় ব্যক্তিরা ঢেঁড়শের ফল আটার সাথে মিশিয়ে খেতো

আপনাদের মা, বাবা, ভাই,বোন, কারো ডায়াবেটিস যদি থাকে তাদের জন্য এই পরামর্শ। ৩/৪ দিন খালি পেটে খাবেন তিনটি ঢেঁড়স মাথা কেটে রাতে ১গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন সকালে খালি পেটে পানি টুকু খাবেন। তারপর ডায়াবেটিস মেপে দেখবেন।

আরো পড়ুন…
আপনার শিশুর পুষ্টির ঘাটতি মেটাতে কোন কোন খাবার হয়ে উঠতে পারে ডিমের বিকল্প? জানুন বিস্তারিত

সস্তায় পুষ্টিকর ও প্রোটিনের অন্যতম সেরা উৎস হলেও ডিম নিয়ে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে অনেক অভিভাবকেরই। সাধারণত শিশুরা ডিম বা ডিম দিয়ে বানানো খাবার পছন্দই করে। অনেক সময়ই দেখা যায়, যে শিশুর মাছ-মাংসে অত সায় নেই, তারও কিন্তু ডিমের প্রতি একটা অদম্য টান থাকে। কিন্তু কেবল মনই নয়, পেটেও তো সইতে হবে!

আর এখানেই অভিভাবকেরা পড়েন সমস্যায়। পুষ্টিবিদরা ডায়েটে ডিম রাখতে বললেও অনেক সময় দেখা যায় ডিমে সন্তানের অ্যালার্জি। তাই পাতে ডিম তুলে দেওয়ায় তৈরি হয় নানা জট। একটি ডিম থেকে প্রায় ৬০-৭০ ক্যালোরি শক্তি তো মেলেই, পাশাপাশি প্রোটিনেরও একটি বিরাট ভাণ্ডার এই ডিম। ডিমের কুসুমে সব রকম খাদ্যোপাদানের ভারসাম্য থাকে বলে সুষম খাবারের তকমাও তার। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজের অনেকটাই জোগান দিতে পারে এক টুকরো ডিম।

অনেকেই চিন্তায় পড়েন এই ভাবনায় এসেই। ডিমই যদি বারণ হয়ে যায়, তা হলে তো সন্তানের পুষ্টির সঙ্গে অনেকটাই আপস করতে হচ্ছে! অনেক মা-বাবাই সে ক্ষেত্রে সিরিয়াল কোনও সাপ্লিমেন্ট বা প্রোটিন শেকগুলির শরণ নিয়ে থাকেন। তবে এই ধরনের সাপ্লিমেন্ট বা বাজারচলতি প্রোটিন শেক খুব একটা কাজের নয় বলেই মত পুষ্টিবিদদের। বরং তাঁদের মতে, ডিমের ঘাটতি মেটাতে হবে সারা দিনের অন্য খাবার দিয়েই।

কোন কোন খাবার হয়ে উঠতে পারে ডিমের বিকল্প?
টক দই: প্রতি দিন শিশুর ডায়েটে রাখুন এটি। লিভারে যেমন প্রোবায়োটিক উপাদানের জোগান বাড়বে, তেমনই ডিম থেকে পাওয়া ক্যালসিয়ামের অনেকটা পূরণ করতে পারে এই খাবার। দই-ভাত, সালাডে দই বা ওটসের সঙ্গে দই— শিশুর রোজের ডায়েটে রাখুন। দিনে অনেকটা টক দই ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখে।

সয়াবিন: ডিম বন্ধ হলে সয়াবিনকে নিয়ে আসুন খাবারের পাতে। প্রতি দিন ডিম থেকে যে পরিমাণ প্রোটিন মিলত, সয়াবিনের হাত ধরে এ বার সেটুকু যাবে সন্তানের পুষ্টিতে। উদ্ভীজ্জ প্রোটিনের অন্যতম সেরা উৎস এই সয়াবিন। তবে সয়াবিন থেকে তৈরি হওয়া ফ্লেক্স বা অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত খাবারের চেয়ে সয়াবিনের তরকারি বা সালাড বানিয়ে দিন শিশুকে। প্রক্রিয়াজাত খাবারে কৃত্রিম নানা উপাদান মেশানো থাকে। থাকে অতিরিক্ত চিনি ও ট্রান্স ফ্যাট। তাই ও সব এড়িয়ে তরকারি, সয়াবিনের দুধ, বা সালাডে সয়াবিন যোগ করে দিন শিশুকে।

পনির: ডিম নেই এমন যে কোনও বেকড খাবারে ছানা বা পনিরকেই ডিমের বিকল্প হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। ছানাকে ভাল ভাবে ব্লেন্ড করে নিন। অনেকটা ক্রিমের মতো থকথকে হয়ে উঠলে তা দিয়ে বানিয়ে দিন শিশুর মনের মতো ছানার তরকারি। পনিরের টুকরো বা ছানা ভাজা মিশিয়ে দিন রোজের সালাডে। ছানা ব্লেন্ড করে রুটির মধ্যে পুর আকারে ভরে টিফিনেও দিতে পারেন। পনির-পরোটা এড়ান শিশুর স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই। তবে মাঝেসাঝে মুখ বদলাতে হালকা তেলে পনির-পরোটা বানিয়ে দিতে পারেন।

কলা: বেশির ভাগ শিশুই ফল খেতে খুব একটা পছন্দ করে না। কিন্তু ছোট থেকেই এই অভ্যাস তৈরি করুন। একবারে অনেকটা খেতে না চাইলেও নানা ভাবে বারে বারে ফলকে রাখুন ডায়েটে। একটু টক দই ও গোলমরিচ ছড়িয়ে বানিয়ে দিন ফ্রুট সালাড। ডিম খাওয়া বারণ হলে এই সালাডের প্রধান উপকরণ করুন কলাকে। এই ফলে পটাশিয়ামের প্রাচুর্য থাকে। কোষ্ঠকাঠিন্য থেকেও রক্ষা করে শিশুকে।

[[[ ঝকঝকে দাঁত পেতে মেনে চলুন এই টিপস! ]]]আমরা মনে করি যে নিয়মিত দু’বেলা ব্রাশ করলেই বোধ হয় দাঁত ভাল থাকবে। কিন্তু দাঁত...
02/03/2020

[[[ ঝকঝকে দাঁত পেতে মেনে চলুন এই টিপস! ]]]

আমরা মনে করি যে নিয়মিত দু’বেলা ব্রাশ করলেই বোধ হয় দাঁত ভাল থাকবে। কিন্তু দাঁতের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে এটুকুই যথেষ্ট নয় তা অনেকেরই অজানা। পূর্ণবয়স্কদের জন্য অন্তত বছরে একবার করে দাঁতের স্কেলিং অত্যন্ত জরুরি। তবেই প্রাণখোলা হাসিতে দাঁতে মুক্তোর মতো স্বচ্ছতা ঝরে পড়ে।

স্কেলিংয়ের কারণ-ধরন

দাঁত ব্রাশ করলে অনেক সময় সঠিকভাবে তা পরিষ্কার হয় না। ফলে দাঁতের ফাঁকে খাবার জমে থাকে। তার উপর জমা হতে থাকে লালা। লালায় রয়েছে মিনারেল, যা জমতে থাকলে ‘ক্যালকুলাস’ বা ‘টারটার’ তৈরি হতে পারে। স্বাভাবিকভাবেই সেখানে বৃদ্ধি হতে পারে ব্যাকটেরিয়া। তাই সঠিক সময়ে টুথ স্কেলিংয়ের মাধ্যমে এগুলি পরিষ্কার করে নিলে মুখের ভিতরের স্বাস্থ্য ঠিক থাকে ও এবং দাঁত দেখতেও উজ্জ্বল থাকে।

কখন দরকার:

প্রত্যেকর উচিত বছরে অন্তত একবার স্কেলিং করে দাঁত পরিষ্কার করে নেওয়া। অনেকের দাঁতের মাঝে এবড়োখেবড়ো ফাঁক থাকে। সেইক্ষেত্রে পাথর জমার প্রবণতা বেশি থাকে। তাঁদের প্রতি ছ’মাস অন্তর চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে টুথ স্কেলিং করা দরকার।

এবার প্রশ্ন হচ্ছে, কোন বয়স থেকে স্কেলিং করাবেন? স্থায়ীভাবে দাঁত উঠে গেলে অর্থাৎ ১২-১৩ বছর বয়সের পর থেকেই কিন্তু স্কেলিং করানো উচিত। আবার অনেকের একটির উপর আর একটি দাঁত গজাতে দেখা যায়। সেক্ষেত্রে পিছনের দাঁতে ব্রাশ ঠিকমতো না পৌঁছলে খাবার জমতে থাকে। তাঁদের জন্য মাঝে মাঝে স্কেলিং করা দরকার। তবে পাথরগুলি পরিষ্কার হয়।

মানতে হবে:

দাঁত স্কেলিং তো করাবেন। কিন্তু এরপর যত্ন নেবেন কীভাবে? সচরাচর স্কেলিং করানোর পর চিকিৎসকই বলে দেন কীভাবে যত্ন নেবেন। দু’বেলা নিয়মিত ব্রাশ করার পাশাপাশি জরুরি ইন্টার ডেন্টাল ফ্লসিং করা। এছাড়াও দু’টি দাঁতের মাঝখানে যে ত্রিকোণাকৃতি স্থান থাকে তাতে খাবার জমতে জমতে পাথরের আকার নেয়।

এই জমে থাকা খাবার পাথরে রূপান্তরিত হবার আগে অর্থাৎ যখন সেটি প্লাক (Plaque) হিসাবে থাকে তখনই ‘Inter Dental Flossing’-এর মাধ্যমে পরিষ্কার করে নেওয়া উচিত। যাঁদের আবার দাঁতের মাঝখানে ফাঁক বেশি থাকে তাঁদের চিকিৎসকরা অনেক সময় ‘ইন্টার ডেন্টাল ব্রাশ’ ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

ধূমপান বা তামাক মুখে রাখার বদভ্যাস যাঁদের থাকে তাঁদের দাঁতে ছোপ দেখা যায়। ‘টুথ স্কেলিং’-এর মাধ্যমে সেই ছোপ তুলে ফেলা সম্ভব। কিন্তু স্কেলিংয়ের পর অতি অবশ্যই এই বদভ্যাস কমিয়ে ফেলা উচিত যাতে পরবর্তীকালে দাঁতের ক্ষতি না হয়।

এই ‘টুথ স্কেলিং’-এর প্রয়োজনীয়তা এড়িয়ে গেলে যে ক্ষতি সবচেয়ে বেশি হয় তা হল মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া। ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি হয়ে মাড়িতে সংক্রমণের সম্ভাবনাও থাকে। এছাড়াও মুখে দুর্গন্ধ হয়। খাবার জমা হতে হতে দাঁতের গোড়া আলগা হয়ে যেতে পারে। ফলে দাঁত পড়েও যেতে পারে। কাজেই স্কেলিং করালে দাঁত ভাল থাকে।

17/12/2019
22/11/2019

দাওয়াত খাওয়ার কথা বলে নিজ সন্তান বৃদ্ধ পিতাকে রাস্তায় ফেলে গেছে। ঢাকার শহরের দুটি #বাড়ির মালিক বৃদ্ধ পিতা। অ.....

22/11/2019

পরিবার ছাড়া কি মানুষ বাঁচতে পারে? অনেকেই হয়ত পারে। তবে পরিবারহীন ব্যক্তির জীবন ততটা সুখকর হয়ে ওঠে না। সমাজের অন্য....

22/11/2019
22/11/2019

সুরমা নিউজ ডেস্ক: আবু সালেহর আবিষ্কৃত ক্যান্সারের ওষুধে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন রোগী সুস্থ

22/11/2019

টানা ৩০ বছর ধরে প্রতিদিন এক প্যাকেট করে সিগারেট খান এক ব্যক্তি। ৫২ বছর বয়সে ওই ব্যক্তি মৃত্যুর পর তার পেট কেটে ফুস.....

আপনার বাচ্চাকে ভালো রাখতে চাইলে অবস্যইদেখবেন আশা করি ।
15/11/2019

আপনার বাচ্চাকে ভালো রাখতে চাইলে অবস্যই
দেখবেন আশা করি ।

আপনার বাচ্চাকে ভালো রাখতে চাইলে অবস্যই দেখবেন আশা করি । Nahid Pharmacy & Telecom 01799799577

[[[ আপনার শিশুটি কানে শুনছে তো? ]]]মাসুম সাহেব আর তিতলীর কোলে যখন অনেক প্রতীক্ষার পর আহাদ এল, তখন সবাই যেন আকাশের চাঁদ হ...
14/11/2019

[[[ আপনার শিশুটি কানে শুনছে তো? ]]]

মাসুম সাহেব আর তিতলীর কোলে যখন অনেক প্রতীক্ষার পর আহাদ এল, তখন সবাই যেন আকাশের চাঁদ হাতে পেল। নানাবাড়ি-দাদাবাড়িতে রাজপুত্রের মতো আদর-স্নেহ-ভালোবাসায় বড় হতে লাগল আহাদ। কিন্তু আহাদের স্বভাব কেমন যেন, বড় বেশি চুপচাপ। খাওয়া আর ঘুমানো ছাড়া খুব বেশি কিছুই করে না। অল্প অল্প অস্ফুট কিছু শব্দ করে। আস্তে আস্তে বড় হতে লাগল আহাদ। কথা বলার বয়স পেরিয়ে যেতে লাগল। অনেকে বলল, ও রকম কিছু কিছু বাচ্চা একটু দেরিতে কথা বলতে শেখে, চিন্তার কিছু নেই। অনেকে কানাঘুষা করতে লাগল, বাচ্চা বোবা হয়েছে কি না। কাজের চাপে নাভিশ্বাস উঠে যাওয়া মাসুম সাহেব আর ম্যাটারনিটি লিভ শেষে কাজে ঢুকে জাঁতাকলে পড়া তিতলীর কপালে ভাঁজ পড়তে লাগল। একদিন তাঁরা শিশুটিকে নিয়ে সাহস করে চলে গেলেন ডাক্তারের চেম্বারে। পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে দেখা গেল, আহাদের দুই কানেই শ্রবণশক্তি বেশ কম। ডাক্তার জানালেন, আরও আগেই তাঁদের আসা উচিত ছিল। যা-ই হোক, চিকিৎসা শুরু হলো ধাপে ধাপে।

ডাক্তারের কাছে নেওয়ার আগে কীভাবে বুঝতে পারবেন আপনার শিশুর কানে শোনার কোনো সমস্যা আছে কি না? মনোযোগ দিয়ে নিচের তথ্যগুলো শিশুর বয়সের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করুন।

যা করবেন:
১. জন্মের পরপর খেয়াল করুন, শিশু হঠাৎ কোনো বড় শব্দ শুনে চমকে যায় কি না। শব্দটি হতে পারে হাততালির বা দরজা বন্ধ করার। যদি এ ধরনের শব্দ শুনে বাচ্চা কেঁপে ওঠে বা অন্তত চোখের পলক ফেলে, তাহলে ধরে নিন জন্মের পরপর তার শ্রবণশক্তি ভালো আছে।

২. এক মাস বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে লক্ষ করুন, শিশু লম্বা সময় ধরে হওয়া যেকোনো শব্দের প্রতি মনোযোগী হয়ে উঠছে কি না। শব্দগুলো হতে পারে ফ্যানের আওয়াজ, ভ্যাকুয়াম মেশিনের শব্দ, মোবাইলের একটানা রিংটোন ইত্যাদি। যদি শিশু এ ধরনের শব্দের প্রতি মনোযোগী হয় এবং স্থির হয়ে খেয়াল করতে থাকে, তাহলে বুঝবেন, শিশুর শ্রবণশক্তি স্বাভাবিক আছে।

৩. চার মাস বয়সী শিশুর ক্ষেত্রে খেয়াল করুন, শিশু আপনার গলার স্বর শুনে কান্না থামায় কি না অথবা শান্ত হচ্ছে কি না। এ বয়সী শিশুরা আপনাকে না দেখে কান্না শুরু করলেও আপনার গলার স্বর শোনার পর শান্ত হবে। আপনার কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গে আপনার শব্দ কোন দিক থেকে আসছে, সেদিকে ঘাড় ঘোরানোর চেষ্টা করবে।

৪. সাত মাস বয়সী শিশু আপনার আওয়াজ শোনার সঙ্গে সঙ্গে আপনার দিকে ঘুরে তাকাবে। পাশাপাশি অন্য কিছুতে তার মনোযোগ আকৃষ্ট না হলে শান্ত ঘরে সে যেকোনো সামান্যতম শব্দ শুনলে সেদিকেই মনোযোগী হবে।
এক বছর বয়সী শিশু নিজের নাম বা অন্যান্য পরিচিত শব্দ শোনার সঙ্গে সঙ্গে জানান দেবে। ছবি: নকশা
এক বছর বয়সী শিশু নিজের নাম বা অন্যান্য পরিচিত শব্দ শোনার সঙ্গে সঙ্গে জানান দেবে। ছবি: নকশা

৫. নয় মাস বয়সী শিশু পরিচিত দৈনন্দিন শব্দের প্রতি মনোযোগী তো হবেই, নিরিবিলি পরিবেশে যেকোনো সামান্যতম শব্দের উৎস কোথায়, তা খুঁজবে। এ ছাড়া এই বয়সী বাচ্চারা ঠোঁট ফুলিয়ে ‘ভ্রুম ভ্রুম’ করা বা অন্য যেকোনো খেলনার তালে তালে করা শব্দ শোনার সঙ্গে সঙ্গে আনন্দিত হবে।

৬. এক বছর বয়সী শিশু নিজের নাম বা অন্যান্য পরিচিত শব্দ শোনার সঙ্গে সঙ্গে জানান দেবে। এ ছাড়া এ বয়সী বাচ্চা না দেখেও ‘হাই’, ‘হ্যালো’, ‘হ্যাঁ’, ‘না’, ‘টা টা’ ইত্যাদি শব্দ শুনেই উত্তর দেবে।

প্রতিটি শিশুই অপার সম্ভাবনাময়। প্রতিটি শিশুই আমাদের একই রকম আদর-যত্ন-ভালোবাসার দাবিদার। জন্মের পর থেকে বেড়ে ওঠার প্রতিটা ক্ষণেই আমাদের নজরদারি তাদের জীবনকে নিরাপদ করে তুলবে। শিশুর দেখা, শোনা, খাওয়া বা অন্যান্য যেকোনো বিষয় নিয়ে সামান্যতম সন্দেহ হলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ভালো থাকুন আপনারা সবাই। ভালো থাকুক আপনাদের কোলের মানিক, আপনাদের মাথার মুকুটের রত্নভান্ডার।

লেখক: এমবিবিএস (ইউএসটিসি-১৮), বিসিএস (স্বাস্থ্য), ডিএলও ট্রেইনি, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম।

Address

Nahid Pharmacy And Telecom. . Baunia Turag Dhaka.
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নাহিদ ফার্মেসী এন্ড টেলিকম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share