Medcare Pharma

  • Home
  • Medcare Pharma

Medcare Pharma Pharmacy & Super Shop

25/12/2024
রোদে বেরিয়ে শরীর কাহিল হয়ে পড়ছে? দুর্বলতা কাটাতে এই ৫ খাবার খান নিয়ম করে:Hydration Tips: স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই গ...
16/04/2024

রোদে বেরিয়ে শরীর কাহিল হয়ে পড়ছে? দুর্বলতা কাটাতে এই ৫ খাবার খান নিয়ম করে:
Hydration Tips: স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই গরমে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা ভীষণ জরুরি। ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে জল ও খনিজ পদার্থ বেরিয়ে যায়। এর জেরে শরীর ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই দেহে জলের ঘাটতি যাতে না হয়, সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য যাতে বজায় থাকে, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি।
রাজ্য জুড়ে প্রচণ্ড দাবদাহে হাঁসফাঁস অবস্থা। কলকাতার পারদও ৪০ ডিগ্রির আশেপাশে ঘুরছে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলি ইতিমধ্যেই ৪১ ডিগ্রি পার করে ফেলেছে। এই গরমেও নিস্তার নেই বাঙালি। কাঠফাটা রোদ নিয়েই কাজে বেরোতে হচ্ছে। রোদে লেগে অসুস্থও হয়ে পড়ছেন অনেকে। মাইগ্রেন থাকলে আর দেখতে নেই। বাড়ি ফিরেই বিছানা ধরে নিতে হচ্ছে। এছাড়া ক্লান্তি, নিম্ন রক্তচাপ, বুক ধড়ফড় করা, হিট স্ট্রোকের মতো বিপত্তির ঝুঁকিও রয়েছে। এই আবহাওয়ায় নিজেকে সুস্থ রাখা সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই গরমে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা ভীষণ জরুরি। ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে জল ও খনিজ পদার্থ বেরিয়ে যায়। এর জেরে শরীর ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই দেহে জলের ঘাটতি যাতে না হয়, সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য যাতে বজায় থাকে, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়ার পাশাপাশি বেশ কিছু খাবার রোজ খেতে হবে। সলিড খাবার খেয়েও আপনি দেহে জল ও মিনারেলের ঘাটতি বজায় রাখতে পারবেন।

কাঁচা আম: আম দিয়ে টকের ডাল, চাটনি খেতে কার না ভাল লাগে। আর স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী কাঁচা আম। গরমকালে কাঁচা আম খেলে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। রোদ থেকে বাড়ি ফিরে খেতে পারেন আমপোড়ার শরবত। কাঁচা আমে উপর অল্প নুন ও লঙ্কার গুঁড়ো ছড়িয়েও খেতে পারেন।ডাবের জল: রোদে বেরিয়ে অস্বস্তি হচ্ছে? ডাবের জল কিনে খান। এতে শরীরে সতেজতা আসবে। পাশাপাশি পেটকেও ঠান্ডা রাখে ডাবের জল। ডাবের জলের মধ্যে সোডিয়াম ও পটাশিয়াম রয়েছে, যা দেহে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখে।

লাউ: গরমে শরীর ও পেটকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে লাউ। এই গরমে লাউয়ের ঝোল খেলে শারীরিক অস্বস্তি থেকে মুক্তি পাবেন। এছাড়া সকালবেলা লাউয়ের রস খেলে শরীর হাইড্রেটেড থাকবে। পাশাপাশি সহজেই ওজন কমাতে পারবেন।

টক দই: গরমকালের দুপুরে অবশ্যই টক দই খান। ভাত দিয়ে হোক বা ফল দিয়ে, টক দই গরমে শরীরকে ঠান্ডা রাখে। প্রয়োজনে টক দইয়ের লস্যি বা ঘোল বানিয়েও খেতে পারেন। এতে থাকা প্রোবায়োটিক অন্ত্রেরও দেখভাল করে। গরমে হজমজনিত সমস্যাও এড়াতে পারবেন খুব সহজে।

অঙ্কুরিত মুগ ডাল: হঠাৎ খিদে পেয়েছে? এই গরমে পেট ভরানোর জন্য খেতে পারেন অঙ্কুরিত মুগ কলাই বা ডাল। স্যালাদ বানিয়ে খেতে পারেন। এতে ক্যালোরির পরিমাণ কম এবং এটি শরীরকে ঠান্ডা রাখে। পাশাপাশি দেহে সোডিয়াম আর পটাশিয়ামের মাত্রাও বজায় রাখে।

গরমে কেন বাড়ছে কিডনি স্টোনের সমস্যা...? আসল 'কারণ' জানালেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক! সময় থাকতে সতর্ক হন Iগোটা দেশেই বাড়ছে গরমে...
17/05/2023

গরমে কেন বাড়ছে কিডনি স্টোনের সমস্যা...? আসল 'কারণ' জানালেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক! সময় থাকতে সতর্ক হন I

গোটা দেশেই বাড়ছে গরমের চোখরাঙানি। উত্তরপ্রদেশ কিংবা মধ্যপ্রদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। আর গরম বাড়তেই ঝাঁসি-সহ গোটা বুন্দেলখণ্ডে শুরু হয়েছে জলের আকাল। এরই মধ্যে বুন্দেলখণ্ডে কিডনিতে পাথরের সমস্য়া নিয়ে ডাক্তারের কাছে ভিড় জমাচ্ছেন বহু রোগীই। যা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে প্রশাসনের।কিন্তু এর কারণ কী? বিশেষজ্ঞরা এর কারণ হিসেবে দায়ী করছেন জলের আকালকেই। কীভাবে? এই প্রসঙ্গেই সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. অনুপ শ্রীবাস্তব।তিনি মনে করছেন যে, বুন্দেলখণ্ডে আসলে জলের স্তর নেমে যাওয়ার ফলে মানুষ পাথুরে জল পান করতে বাধ্য হচ্ছে। ডা. শ্রীবাস্তব আরও জানান যে, ক্রমবর্ধমান তাপ এবং পাথুরে জল খাওয়ার কারণেই কিডনিতে পাথরের সমস্যা দেখা দিচ্ছে।সেই সঙ্গে জীবনযাপনের ধরনেও এসেছে বড়সড় পরিবর্তন। আসলে আজকাল মানুষের মধ্যে ভাজাভুজি খাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। জলও কম খাওয়া হচ্ছে, সেই সঙ্গে উচ্চ পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়ার পরিমাণও বেড়ে যাচ্ছে। চূড়ান্ত ব্যস্ততার জেরে এক্সারসাইজ করারও সময় পায় না মানুষ।এই সমস্ত কারণেই কিডনিতে পাথর হতে পারে। প্রথম দিকে অবশ্য এটা বোঝা যায় না। পরে ধীরে ধীরে বুঝতে পারেন রোগী। তবে স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে আর জীবনযাপনের ধরনে বদল এনে এই সমস্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব।আবার এই প্রসঙ্গে রোগীদের কিছু ভুল ধারণাও রয়েছে। এমনটাই মনে করছেন ডা. অনুপ শ্রীবাস্তব। তাঁর কথায়, কিডনিতে পাথর হয়েছে কি না, সেটা মানুষ বুঝতে পারেন না ঠিকই। তবে রোগ যে ইঙ্গিত দেয় না, সেটা কিন্তু নয়। আসলে সাধারণ বিষয়টিগুলিকে উপেক্ষা করেন রোগীরা।প্রাথমিক অবস্থায় সঠিক ভাবে এই রোগের চিকিৎসা করালে এই সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব।অনেকেই আবার ভাবেন যে, বেশি করে জল পান করলে কিডনির পাথর বেরিয়ে যায়। এটা সম্পূর্ণ রূপে ভুল ধারণা। তাই শরীরের ক্ষতি না করে অসুবিধা দেখলে প্রথমেই পরামর্শ নেওয়ার জন্য চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

মাইগ্রেনের ব্যথা হলে কী করবেন?মাইগ্রেন এক বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা। মাথার যেকোনো এক পাশ থেকে শুরু হয়ে অনেক সময় পুরো মাথায় ...
27/04/2023

মাইগ্রেনের ব্যথা হলে কী করবেন?

মাইগ্রেন এক বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা। মাথার যেকোনো এক পাশ থেকে শুরু হয়ে অনেক সময় পুরো মাথায় ব্যথা করে। এতে মস্তিষ্কে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয়। মস্তিষ্কের বহিরাবরণে যে ধমনিগুলো আছে, সেগুলো মাথাব্যথার শুরুতে স্ফীত হয়ে যায়। মাথাব্যথার সঙ্গে বমি এবং বমি বমি ভাব রোগীর দৃষ্টিবিভ্রম হতে পারে।
রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক এম এস জহিরুল হক চৌধুরী বলেন, সব মাথাব্যথাই মাইগ্রেন নয়। দৃষ্টিস্বল্পতা, মস্তিষ্কের টিউমার, মাথায় অন্য সমস্যার কারণে মাথাব্যথা হতে পারে। মাইগ্রেন একধরনের প্রাইমারি হেডেক, যা নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় সম্ভব। চিকিৎসকের অধীনে এবং নিয়মিত চেকআপের মাধ্যমে এ রোগের চিকিৎসা করা উচিত। মাইগ্রেনের ব্যথা চোখের কোনো সমস্যার জন্য হয় না।

কেন এবং কাদের বেশি হয়?
মাইগ্রেন কেন হয় তা পুরোপুরি জানা যায়নি। তবে এটি বংশগত বা অজ্ঞাত কোনো কারণে হতে পারে। এটি সাধারণত পুরুষের চেয়ে নারীদের বেশি হয়। নারীদের ঋতুস্রাবের সময় মাথাব্যথা বাড়ে। চকলেট, পনির, কফি ইত্যাদি বেশি খাওয়া, জন্মবিরতিকরণ ওষুধ, দুশ্চিন্তা, অতিরিক্ত ভ্রমণ, ব্যায়াম, অনিদ্রা, অনেকক্ষণ টিভি দেখা, দীর্ঘসময় কম্পিউটারে কাজ করা, মোবাইলে কথা বলা ইত্যাদির কারণে এ রোগ হতে পারে। মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, কোষ্ঠকাঠিন্য, অতি উজ্জ্বল আলো এই রোগকে বাড়িয়ে দেয়।

লক্ষণ
মাথাব্যথা শুরু হলে তা কয়েক ঘণ্টা, এমনকি কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। মাথাব্যথা, বমি ভাব এ রোগের প্রধান লক্ষণ। তবে অতিরিক্ত হাই তোলা, কোনো কাজে মনোযোগ নষ্ট হওয়া, বিরক্তিবোধ করা ইত্যাদি উপসর্গ মাথাব্যথা শুরুর আগেও হতে পারে। মাথার যেকোনো অংশ থেকে এ ব্যথা শুরু হয়। পরে পুরো মাথায় ছড়িয়ে পড়ে | চোখের পেছনে ব্যথার অনুভূতি তৈরি হতে পারে। শব্দ ও আলো ভালো লাগে না। কখনো কখনো অতিরিক্ত শব্দ ও আলোয় ব্যথা বেড়ে যেতে পারে|

যেসব খাবার মাইগ্রেনের সমস্যা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে
* ম্যাগনেশিয়ামসমৃদ্ধ খাবার। যেমন ঢেঁকি ছাঁটা চালের ভাত, আলু ও বার্লি মাইগ্রেন প্রতিরোধক।
* বিভিন্ন ফল, বিশেষ করে খেজুর ও ডুমুর ব্যথা উপশম করে।
* সবুজ, হলুদ ও কমলা রঙের শাকসবজি নিয়মিত খেলে উপকার হয়।
* ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি মাইগ্রেন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। তিল, আটা ও বিট ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে।
* আদার টুকরো বা রস দিনে দুবার জিঞ্চার পাউডার পানিতে মিশিয়ে খেতে পারেন।

কী ধরনের খাবার এড়িয়ে চলবেন
* চা, কফি ও কোমলপানীয়, চকলেট, আইসক্রিম, দই, দুধ, মাখন, টমেটো ও টক জাতীয় ফল খাবেন না
* গম জাতীয় খাবার, যেমন রুটি, পাস্তা, ব্রেড ইত্যাদি
* আপেল, কলা ও চিনাবাদাম
* পেঁয়াজ
তবে ব্যক্তিভেদে ভিন্ন ভিন্ন খাবারে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই সবচেয়ে ভালো হয় একটা ডায়েরি রাখা। যাতে আপনি নোট করে রাখতে পারেন কোন কোন খাবার ও কোন কোন পারিপার্শ্বিক ঘটনায় ব্যথা বাড়ছে বা কমছে। এ রকম এক সপ্তাহ নোট করলে আপনি নিজেই নিজের সমাধান পেয়ে যাবেন। তবে ব্যথা বেশি হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মাইগ্রেন থেকে রেহাই পাওয়ার কিছু উপায়
* মাইগ্রেন চিকিৎসায় তাৎক্ষণিক এবং প্রতিরোধক ওষুধের পাশাপাশি কিছু নিয়মকানুন মেনে চললে সমস্যা অনেকাংশে কমে যায়।
* প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে হবে এবং সেটা হতে হবে পরিমিত।
* অতিরিক্ত বা কম আলোতে কাজ না করা।
* কড়া রোদ বা তীব্র ঠান্ডা পরিহার করতে হবে।
* উচ্চশব্দ ও কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে বেশিক্ষণ না থাকা।
* বেশি সময় ধরে কম্পিউটারের মনিটর ও টিভির সামনে না থাকা।
* মাইগ্রেন শুরু হয়ে গেলে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা (বিশেষ করে বমি হয়ে থাকলে), বিশ্রাম করা, ঠান্ডা কাপড় মাথায় জড়িয়ে রাখা উচিত।

13/04/2023

জেটগতির যুগেও কি অকালে হার্ট অ্যাটাক থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব? হ্যাঁ, সম্ভব, বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। বিশেষজ্ঞদের মতে, হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে বা হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে আসলে প্রথমেই প্রয়োজন আমাদের লাইফস্টাইলের পরিবর্তন ঘটানো।

যখন হৃদপিণ্ডের কোনও শিরায় রক্ত জমাট বেঁধে হৃদপিণ্ডে রক্ত প্রবাহে বাঁধার সৃষ্টি করে তখনই হার্ট অ্যাটাক হয়। বয়স, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা, উচ্চ কোলেস্টোরলের সমস্যা, অতিরিক্ত মেদ, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, মদ্যপান, মানসিক চাপ—এগুলি মূলত হার্ট অ্যাটাকের কারণ। অনেক সময় হার্ট অ্যাটাক হলেও সঠিকভাবে বোঝা সম্ভব হয় না। সমস্যা হল কখনও কখনও বুকে কোনও ধরণের ব্যথা ছাড়াই হার্ট অ্যাটাক হতে পারে, ফলে হার্ট অ্যাটাক হয়েছে কিনা তা খুব ভাল করে বোঝা যায় না। তাই জেনে নেওয়া যাক হার্ট অ্যাটাকের অন্যান্য লক্ষণগুলি সম্পর্কে।

১) হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, হার্ট অ্যাটাকের প্রায় ১ মাস আগে থেকেই দুর্বলতা এবং ঘন ঘন শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা শুরু হয়ে যায়। কোনও কারণ ছাড়াই শারীরিক দুর্বলতা এবং খুব সহজেই হাঁপিয়ে উঠে ঘন ঘন শ্বাস নেয়ার সমস্যা শুরুর বিষয়ে সতর্ক থাকুন। এই রকম শারীরিক দুর্বলতা এবং শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা হলে বুঝতে হবে হৃদপিণ্ডের বিশ্রামের প্রয়োজন।

২) হটাত্ করে অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়ার সমস্যা শুরু হলে সে তা অবহেলা করবেন না। কারণ, এটিও হার্ট অ্যাটাকের একটি লক্ষণ। যখন হার্ট ব্লক হয় তখন রক্ত সঞ্চালনে হৃদপিণ্ডের অনেক বেশি কাজ করতে হয়। এই অতিরিক্ত পরিশ্রমের ফলে ঘামের সৃষ্টি হয় এবং এই ঘাম সাধারণত অনেক ঠাণ্ডা হয়ে থাকে। এই ধরনের সমস্যাকে অবহেলা না করে চিকিত্সকের শরণাপন্ন হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

৩) একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, হার্ট অ্যাটাকের আগে থেকে বেশিরভাগ আক্রান্তরই বদহজমের সমস্যা এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়াও বুক জ্বালা যা আমরা অনেকে স্বাভাবিক বদহজমের সমস্যা ভেবে অবহেলা করি, তা-ও হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের ইঙ্গিত। এর পাশাপাশি আচমকা কোনও কারণ ছাড়াই মাথা ঘোরানো, বমি বমি ভাব এবং বমি করার বিষয়গুলি অবহেলা করবেন না।

মনের দর্শন দর্শনের একটি শাখা যা দেহের সাথে অ্যান্টোলজি, প্রকৃতি এবং মনের সম্পর্ককে অধ্যয়ন করে । মন-শরীর সমস্যা যদিও অন্...
11/04/2023

মনের দর্শন দর্শনের একটি শাখা যা দেহের সাথে অ্যান্টোলজি, প্রকৃতি এবং মনের সম্পর্ককে অধ্যয়ন করে । মন-শরীর সমস্যা যদিও অন্যান্য বিষয় যেমন সুরাহা করা হয়, মনের দর্শনের একটি দৃষ্টান্ত বিষয়

চেতনা কঠিন সমস্যা , এবং বিশেষ মানসিক প্রকৃতি। মনের যে দিকগুলি অধ্যয়ন করা হয় তার মধ্যে রয়েছে মানসিক ঘটনা , মানসিক ক্রিয়া , মানসিক বৈশিষ্ট্য , চেতনা , মনের অ্যান্টোলজি, চিন্তার প্রকৃতি এবং মনের দেহের সাথে সম্পর্ক।

দ্বৈতবাদ এবং একত্ববাদ মন-দেহের সমস্যা সম্পর্কিত দুটি কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় , যদিও সংক্ষিপ্ত দৃষ্টিভঙ্গি উত্থাপিত হয়েছে যেগুলি এক বা অন্য শ্রেণীর সাথে খুব সুন্দরভাবে খাপ খায় না। দ্বৈতবাদ পশ্চিমা দর্শনে প্রবেশ করল ১৭ম শতাব্দীতে রেনা ডেসকার্টেসকে ধন্যবাদ জানায় ।ডেসকার্টসের মতো পদার্থের দ্বৈতবাদীরা যুক্তি দেয় যে মন একটি স্বতন্ত্রভাবে বিদ্যমান পদার্থ , যেখানে সম্পত্তির দ্বৈতবাদীরা মনে করেন যে মন একটি পৃথক বৈশিষ্ট্য যা মস্তিষ্কে উত্থিত হয় এবং হ্রাস করা যায় না, তবে এটি কোনও স্বতন্ত্র পদার্থ নয়

মনবাদ এমন একটি অবস্থান যা মন এবং দেহ অনতাত্ত্বিকভাবে পৃথক সত্তা নয় (স্বতন্ত্র পদার্থ)। এই দৃষ্টিভঙ্গিটি খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীতে পারমানাইড দ্বারা পশ্চিমা দর্শনে সমর্থন করেছিলেন এবং পরে ১৭শতকের যুক্তিবাদী বারুচ স্পিনোজা দ্বারা প্রশংসিত হন ।পদার্থবিদরা যুক্তি দেখান যে কেবল শারীরিক তত্ত্ব দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সত্তা উপস্থিত রয়েছে এবং শারীরিক তত্ত্বের ক্রমবিকাশ অব্যাহত থাকায় মানসিক প্রক্রিয়াগুলি শেষ পর্যন্ত এই সত্তাগুলির ক্ষেত্রে ব্যাখ্যা করা হবে। শারীরবৃত্তরা শারীরিক বৈশিষ্ট্যগুলিতে মানসিক বৈশিষ্ট্য হ্রাস করার সম্ভাবনা সম্পর্কে বিভিন্ন অবস্থান বজায় রাখে (যাদের মধ্যে অনেকে সম্পত্তি দ্বৈতবাদের সুসংগত রূপ গ্রহণ করে),এবং এই জাতীয় মানসিক বৈশিষ্ট্যের অ্যান্টোলজিকাল অবস্থা অস্পষ্ট। আদর্শবিদরা মনে করেন যে মনের যা কিছু আছে তা বাহ্যিক জগত হয় নিজেই মানসিক, বা মনের দ্বারা তৈরি একটি মায়া। আর্নস্ট ম্যাক এবং উইলিয়াম জেমসের মতো নিরপেক্ষ মনবাদীরা যুক্তি দেখান যে বিশ্বের যে ঘটনাগুলি তারা প্রবেশ করে তার নেটওয়ার্কের উপর নির্ভর করে মানসিক (মনস্তাত্ত্বিক) বা শারীরিক হিসাবে বিবেচনা করা যেতে পারে, এবং স্পিনোজার মতো দ্বৈত-দৃষ্টিভঙ্গি দেখাচ্ছেঅন্য কিছু, নিরপেক্ষ পদার্থ আছে এমন অবস্থানটি মেনে চলেন এবং পদার্থ এবং মন উভয়ই এই অজানা পদার্থের বৈশিষ্ট্য। বিংশ এবং একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে সাধারণ জীবগুলি হ'ল সমস্তই দৈহিকতার বিভিন্নতা; এই অবস্থানগুলির মধ্যে রয়েছে আচরণবাদ , প্রকার পরিচয় তত্ত্ব , ব্যতিক্রমী মনোবাদ এবং কার্যকারিতা ।

মনের বেশিরভাগ আধুনিক দার্শনিকরা হ্রাসকারী পদার্থবাদী বা অ-হ্রাসকারী পদার্থবাদী অবস্থান গ্রহণ করেন, তাদের বিভিন্ন উপায়ে ধরে রাখেন যে মন শরীর থেকে আলাদা কিছু নয়। এই পদ্ধতিগুলি বিজ্ঞানগুলিতে, বিশেষত সমাজবিজ্ঞান , কম্পিউটার বিজ্ঞান (বিশেষত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ), বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞান এবং বিভিন্ন স্নায়ুবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে প্রভাবশালী ছিল । হ্রাসকারী পদার্থবিদরা দৃ .়ভাবে দাবি করেছেন যে সমস্ত মানসিক অবস্থা এবং বৈশিষ্ট্যগুলি অবশেষে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া এবং রাষ্ট্রগুলির বৈজ্ঞানিক বিবরণ দ্বারা ব্যাখ্যা করা হবে। অ-হ্রাসকারী পদার্থবিদদের যুক্তি রয়েছে যে যদিও মন কোনও পৃথক পদার্থ নয় তবেশারীরিক বৈশিষ্ট্যগুলিতেমানসিক বৈশিষ্ট্যগুলি অবিচ্ছিন্ন or শারীরিক বিজ্ঞানের নিম্ন স্তরের ব্যাখ্যা অব্যাহত নিউরো-বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি এই বিষয়গুলির কয়েকটি স্পষ্ট করতে সহায়তা করেছে; তবে এগুলি সমাধান করা অনেক দূরে। মনের আধুনিক দার্শনিকরা জিজ্ঞাসা অব্যাহত রাখেন যে কীভাবে বিষয়গত গুণাবলী এবংমানসিক অবস্থা এবং সম্পত্তিগুলির ইচ্ছাকৃততাকে প্রাকৃতিকতার দিক দিয়ে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে।

ডেঙ্গু জ্বর (সমার্থক ভিন্ন বানান ডেঙ্গি) একটি এডিস মশা বাহিত ডেঙ্গু ভাইরাস জনিত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রোগ। এডিস মশার কামড়ের ম...
06/04/2023

ডেঙ্গু জ্বর (সমার্থক ভিন্ন বানান ডেঙ্গি) একটি এডিস মশা বাহিত ডেঙ্গু ভাইরাস জনিত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রোগ। এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের তিন থেকে পনেরো দিনের মধ্যে সচরাচর ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়। উপসর্গগুলির মাঝে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, পেশিতে ও গাঁটে ব্যথা এবং গাত্রচর্মে ফুসকুড়ি। দুই থেকে সাত দিনের মাঝে সাধারণত ডেঙ্গু রোগী আরোগ্য লাভ করে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে রোগটি মারাত্মক রক্তক্ষরী রূপ নিতে পারে যাকে ডেঙ্গু রক্তক্ষরী জ্বর (ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার) বলা হয়। এর ফলে রক্তপাত হয়, রক্ত অনুচক্রিকার মাত্রা কমে যায় এবং রক্ত প্লাজমার নিঃসরণ ঘটে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে কখনোবা ডেঙ্গু শক সিনড্রোম দেখা দেয়। ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে কমে যায়।

কয়েক প্রজাতির এডিস মশকী (স্ত্রী মশা) ডেঙ্গু ভাইরাসের প্রধান বাহক। যেগুলোর মধ্যে এডিস ইজিপ্টি মশকী প্রধানতম। ভাইরাসটির পাঁচটি সেরোটাইপ পাওয়া যায়। ভাইরাসটির একটি সেরোটাইপ সংক্রমণ করলে সেই সেরোটাইপের বিরুদ্ধে রোগী আজীবন প্রতিরোধী ক্ষমতা অর্জন করে, কিন্তু ভিন্ন সেরোটাইপের বিরুদ্ধে সাময়িক প্রতিরোধী ক্ষমতা অর্জন করে। পরবর্তীতে ভিন্ন সেরোটাইপের ডেঙ্গু ভাইরাস সংক্রমিত হলে রোগীর মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে। কয়েক ধরনের টেস্টের মাধ্যমে, যেমন, ভাইরাসটি বা এর আরএনএ প্রতিরোধী এন্টিবডির উপস্থিতি দেখেও ডেঙ্গু জ্বর নির্ণয় করা যায়।

ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধী টিকা কয়েকটি দেশে অনুমোদিত হয়েছে তবে এই টিকা শুধু একবার সংক্রমিত হয়েছে এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রে কার্যকর।মূলত এডিস মশার কামড় এড়িয়ে চলাই ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান উপায়। তাই মশার আবাসস্থল ধ্বংস করে মশার বংশবিস্তার প্রতিরোধ করতে হবে। এ জন্য এডিস মশার বংশবিস্তারের উপযোগী বিভিন্ন আধারে, যেমন, কাপ, টব, টায়ার, ডাবের খোলস, গর্ত, ছাদ ইত্যাদিতে আটকে থাকা পানি অপসারণ করতে হবে। শরীরের বেশির ভাগ অংশ ঢেকে রাখে এমন পোশাক পরিধান করতে হবে।

ডেঙ্গু জ্বর হলে পরিপূর্ণ বিশ্রাম নিতে হবে এবং বেশি করে তরল খাবার গ্রহণ করতে হবে। জ্বর কমাতে প্যারাসিটামল দেওয়া হয়। প্রায়শ রোগীর শিরায় স্যালাইন দিতে হতে পারে। মারাত্মক রূপ ধারণ করলে রোগীকে রক্ত দিতে হতে পারে।ডেঙ্গু জ্বরে হলে কোন ধরনের এন্টিবায়োটিক ও ননস্টেরয়েডাল প্রদাহপ্রশমী ওষুধ সেবন করা যাবে না, করলে রক্তপাতের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী কালে ডেঙ্গু একটি বৈশ্বিক আপদে পরিণত হয়েছে। এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা ও অন্যান্য মহাদেশের ১১০টির অধিক দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব হয়। প্রতি বছর পাঁচ থেকে পঞ্চাশ কোটি মানুষ ডেঙ্গুতে সংক্রমিত হয় এবং তাদের মাঝে দশ থেকে বিশ হাজারের মতো মারা যায়। ১৭৭৯ সালে ডেঙ্গুর প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়। বিংশ শতকের প্রথমভাগে ডেঙ্গুর ভাইরাস উৎস ও সংক্রমণ বিশদভাবে জানা যায়। মশক নিধনই বর্তমানে ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান উপায়। সরাসরি ডেঙ্গু ভাইরাসকে লক্ষ্য করে ওষুধ উদ্ভাবনের গবেষণা চলমান রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিশটি অবহেলিত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রোগের একটি হিসেবে ডেঙ্গু চিহ্নিত করেছে।

06/04/2023

. তুমি যদি স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে তাহলে অসুস্থতা তোমার বিপন্ন করত না৷
– সক্রেটিস

Address

Shop-05, Plot-04, Gausul Azam Avenue Road, Sector 13, Uttara

1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Medcare Pharma posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Medcare Pharma:

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram