12/08/2024
সুস্থ থাকতে এই গরমে গর্ভবতী মায়েদের নীচের কয়েকটি টিপস মেনে চলেন তাহলে অনেক উপকার পাবেন।
১. শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখুন
গরমের সময় প্রচুর ঘামার কারণে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা একটি সাধারণ সমস্যা। গর্ভবতী মায়ের পানিশূন্যতা রোধে সারাদিন প্রচুর পানি পান করা উচিত। দেহে পানিশূন্যতা দেখা দিলে শরীর দুর্বল হওয়ার পাশাপাশি প্রস্রাবের রং হলুদ হয়ে যায়। তাই এ সময় প্রচুর তরল জাতীয় খাবার যেমন ডাবের পানি, ফলের জুস, লাচ্ছি, লেবু মিশ্রিত পানি, দই ইত্যাদি খেতে হবে। প্রস্রাবের রং স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত খাওয়া উচিৎ।
২. নিয়মিত গোসল করা
গরমের সময় বাহিরের তাপমাত্রার পাশাপাশি শরীরের তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের চাইতে বেশী অনুভূত হয়। এজন্য গরমে নিয়মিত গোসল করা দরকার, পারলে দিনে একাধিকবার গোসল করা উচিৎ। বিশেষ করে ঘুমাবার পূর্বে গোসল করতে পারলে শরীরের তাপমাত্রা কমে এবং আরামদায়ক ঘুম নিশ্চিত করা যায়।
৩. হালকা ও আরামদায়ক পোশাক পরা
গরমের সময় যেহেতু গর্ভবতী মায়েরদের গরম বেশি অনুভূত হয় তাই এ সময় পোশাক হালকা, ঢিলেঢালা ও আরামদায়ক হওয়া উচিত। পোশাকটি হওয়া উচিত সুতি কাপড়ের যাতে শরীরে প্রচুর বাতাস লাগে।
৪. অল্প করে বার বার খাওয়া
গর্ভবতী মায়েদের এ সময় অভ্যন্তরীণ পরিপাক ও বিপাক প্রক্রিয়া সহজ করতে একবারে বেশি না খেয়ে বার বার অল্প অল্প করে খাওয়া অনেক উপকারী । এতে করে তার শরীরের উপর চাপ কম পড়ে এবং শরীর অধিক পরিমাণে তাপ উৎপাদন হওয়া থেকে রক্ষা পায়।
৭। পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেলযুক্ত খাবার খাওয়া
গর্ভকালীন সময়ে খাবার দাবার হওয়া চাই বিভিন্ন মিনারেল ও ভিটামিন যুক্ত। তাই যেসব খাবারে প্রোটিন, আয়োডিন, ক্যালসিয়াম ও আয়রন বেশী পাওয়া যায় যেমন নানা প্রকার ফলমূল, শাকসবজি ,ডাল,ডিম ,সামুদ্রিক মাছ ইত্যাদি খেতে হবে। আর এসময় চর্বিযুক্ত খাবার যতটা পারা যায় এড়িয়ে চলাই উচিত। এ ছাড়া এ সময় অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা ভালো।
৮. ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় পরিত্যাগ করা
ক্যাফেইন জাতীয় খাবার যেমন চা,কফি পান করলে রক্তচাপ সহ দেহে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। এগুলো অনিয়মিত হৃদস্পন্দন সহ গর্ভবতীর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে । তাই এ সময়ে ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় না গ্রহন করাই গর্ভবতী মায়েদের জন্য উপকারী।
৯. পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া
গরমে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যায় বলে গর্ভবতী মায়েদের অতিরিক্ত বিশ্রামের দরকার হয়। এ ছাড়া এ সময় তার পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করাও জরুরী। গরমে অতিরিক্ত পরিশ্রম করা থেকেও তাঁকে বিরত রাখতে হবে।
প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।