Dr. Farha karim

Dr. Farha karim Obstetrician- Gynecologist

26/05/2025
যেসব খাবারে মা ও গর্ভের শিশুর নানান জটিলতা দেখা দিতে পারে। এসব খাবারের মধ্যে রয়েছে-মাখন,ঘি-ডালডা,ক্রিম,চকলেট,ভাজাপোড়া,চি...
28/09/2024

যেসব খাবারে
মা ও গর্ভের শিশুর নানান জটিলতা দেখা দিতে পারে। এসব খাবারের মধ্যে রয়েছে-

মাখন,ঘি-ডালডা,ক্রিম,
চকলেট,
ভাজাপোড়া,চিপস,বিস্কুট,
কেক,
পেস্ট্রি
আইসক্রিম
পুডিং
কোমল পানীয়

এ ছাড়া এগুলো সাধারণত ক্যালরিবহুল হয়। ফলে একদিকে যেমন প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাব দেখা দিতে পারে, তেমনি অন্যদিকে ওজন বেড়ে গিয়ে গর্ভকালীন ডায়াবেটিসসহ আপনার ও গর্ভের শিশুর স্বাস্থ্যের নানান মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

তাই গর্ভকালীন সময় কি খাবার খেলে মা ও শিশু দুজনেই সুস্থ থাকবে।

এ বিষয়ে জানতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

সুস্থ থাকতে এই গরমে গর্ভবতী মায়েদের নীচের কয়েকটি টিপস মেনে চলেন তাহলে অনেক উপকার পাবেন।১. শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখুনগরমে...
12/08/2024

সুস্থ থাকতে এই গরমে গর্ভবতী মায়েদের নীচের কয়েকটি টিপস মেনে চলেন তাহলে অনেক উপকার পাবেন।
১. শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখুন
গরমের সময় প্রচুর ঘামার কারণে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা একটি সাধারণ সমস্যা। গর্ভবতী মায়ের পানিশূন্যতা রোধে সারাদিন প্রচুর পানি পান করা উচিত। দেহে পানিশূন্যতা দেখা দিলে শরীর দুর্বল হওয়ার পাশাপাশি প্রস্রাবের রং হলুদ হয়ে যায়। তাই এ সময় প্রচুর তরল জাতীয় খাবার যেমন ডাবের পানি, ফলের জুস, লাচ্ছি, লেবু মিশ্রিত পানি, দই ইত্যাদি খেতে হবে। প্রস্রাবের রং স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত খাওয়া উচিৎ।
২. নিয়মিত গোসল করা
গরমের সময় বাহিরের তাপমাত্রার পাশাপাশি শরীরের তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের চাইতে বেশী অনুভূত হয়। এজন্য গরমে নিয়মিত গোসল করা দরকার, পারলে দিনে একাধিকবার গোসল করা উচিৎ। বিশেষ করে ঘুমাবার পূর্বে গোসল করতে পারলে শরীরের তাপমাত্রা কমে এবং আরামদায়ক ঘুম নিশ্চিত করা যায়।
৩. হালকা ও আরামদায়ক পোশাক পরা
গরমের সময় যেহেতু গর্ভবতী মায়েরদের গরম বেশি অনুভূত হয় তাই এ সময় পোশাক হালকা, ঢিলেঢালা ও আরামদায়ক হওয়া উচিত। পোশাকটি হওয়া উচিত সুতি কাপড়ের যাতে শরীরে প্রচুর বাতাস লাগে।
৪. অল্প করে বার বার খাওয়া
গর্ভবতী মায়েদের এ সময় অভ্যন্তরীণ পরিপাক ও বিপাক প্রক্রিয়া সহজ করতে একবারে বেশি না খেয়ে বার বার অল্প অল্প করে খাওয়া অনেক উপকারী । এতে করে তার শরীরের উপর চাপ কম পড়ে এবং শরীর অধিক পরিমাণে তাপ উৎপাদন হওয়া থেকে রক্ষা পায়।
৭। পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেলযুক্ত খাবার খাওয়া
গর্ভকালীন সময়ে খাবার দাবার হওয়া চাই বিভিন্ন মিনারেল ও ভিটামিন যুক্ত। তাই যেসব খাবারে প্রোটিন, আয়োডিন, ক্যালসিয়াম ও আয়রন বেশী পাওয়া যায় যেমন নানা প্রকার ফলমূল, শাকসবজি ,ডাল,ডিম ,সামুদ্রিক মাছ ইত্যাদি খেতে হবে। আর এসময় চর্বিযুক্ত খাবার যতটা পারা যায় এড়িয়ে চলাই উচিত। এ ছাড়া এ সময় অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা ভালো।
৮. ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় পরিত্যাগ করা
ক্যাফেইন জাতীয় খাবার যেমন চা,কফি পান করলে রক্তচাপ সহ দেহে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। এগুলো অনিয়মিত হৃদস্পন্দন সহ গর্ভবতীর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে । তাই এ সময়ে ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় না গ্রহন করাই গর্ভবতী মায়েদের জন্য উপকারী।
৯. পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া
গরমে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যায় বলে গর্ভবতী মায়েদের অতিরিক্ত বিশ্রামের দরকার হয়। এ ছাড়া এ সময় তার পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করাও জরুরী। গরমে অতিরিক্ত পরিশ্রম করা থেকেও তাঁকে বিরত রাখতে হবে।
প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

গর্ভবতী নারীদের গর্ভধারণের তৃতীয় মাস থেকেই উচিত ডাবের পানি পান করা। এই সময় পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি।এর ফলে মা ও শ...
13/07/2024

গর্ভবতী নারীদের গর্ভধারণের তৃতীয় মাস থেকেই উচিত ডাবের পানি পান করা। এই সময় পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা সবচেয়ে বেশি।এর ফলে মা ও শিশু দুজনেই পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ হয়।
You sent
► ডাবের পানি পান করলে শিশুর মস্তিষ্ক ভালো থাকে। ফলে এটি গর্ভাবস্থায় থাকা মা ও শিশু দুজনের পক্ষেই ভালো। গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন এক গ্লাস করে ডাবের পানিই যথেষ্ট।
► ডাবের পানি ব্লাড প্রেশারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। শরীরে রক্ত বাড়ায় এছাড়াও মূত্রাশয় থেকে আসা কোনও সংক্রমণকে রুখে দেয়।
► বুক জ্বালার সমস্যা থেকে মুক্তি দেয় ডাবের পানি। যে বুক জ্বালা গর্ভবতী থাকাকালীন বহু নারীর ক্ষেত্রেই সমস্যা হয়ে ওঠে।
► গর্ভাবস্থায় সকালে উঠে খানিকটা দুর্বল লাগে। তা থেকে রক্ষা পেতে ডাবের পানি খুবই উপকারী।
► এতে থাকে ওমেগা থ্রি, ফ্যাটি অ্যাসিড, ফাইবার। ফলে তা মা ও সন্তান দুজনের স্বাস্থ্যের পক্ষেই খুব ভালো।

প্রয়োজনে ডাক্তাররে পরামর্শ নিন।

,, সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন:
01837868045

04/07/2024

** গর্ভাবস্থায় আপনি কেমন বোধ করছেন-
আপনার শরীরের ভেতরে নতুন একটি জীবন বেড়ে ওঠার সাথে সাথে আপনার শরীরে বড় ধরনের কিছু পরিবর্তন ঘটতে চলেছে।

*বমি-বমি ভাব বা ক্লান্তির মতো উপসর্গগুলো আপনি অনুভব করা শুরু করতে পারেন – বা আপনার শক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে এমনটিও আপনি অনুভব করতে পারেন! আপনার শরীরের ভাষা শুনুন এবং প্রয়োজন অনুসারে আপনার রুটিন পরিবর্তন করুন। প্রতিটি নারী যেমন আলাদা, একই ভাবে প্রতিটি গর্ভাবস্থার অভিজ্ঞতাও আলাদা।

*নিয়মিত ঋতুচক্র (মাসিক) হয় এমন নারীদের জন্য ঋতুচক্র (মাসিক) হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যাওয়া হ’ল গর্ভাবস্থার প্রথম লক্ষণ ।কখনও কখনও রক্তস্রাব হতে পারে। এতে হাল্কা ঋতুচক্র (মাসিক) বা দাগ কাটার মতো রক্ত দেখা যায়। তবে এটা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। আপনি যদি গর্ভাবস্থায় এমন রক্তস্রাব দেখতে পান, বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

*গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে ক্লান্তি, বমি-বমি ভাব বা ঘন ঘন প্রস্রাবের মতো নিচের কিছু লক্ষণ আপনার ক্ষেত্রে দেখা দিতে পারে।
*গর্ভাবস্থার প্রথম দিকের সপ্তাহগুলোতে হরমোনের পরিবর্তন আপনার পুরো শরীরকে প্রভাবিত করবে। যদিও দুটি গর্ভাবস্থা কখনই একরকম নয়, তবে প্রথম তিন মাস আপনি কিছু লক্ষণ অনুভব করতে পারেন।
*লক্ষণগুলো নিম্নরূপ:
১.স্তন নরম হয়ে যাওয়া
২.মেজাজে চরম পরিবর্তন হওয়া
৩.বমি-বমি ভাব বা বমি (প্রভাতকালীন অসুস্থতা)
৪.ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া
৫.ওজন বৃদ্ধি বা হ্রাস পাওয়া
৬.চরম ক্লান্তি বোধ হওয়া
৭.মাথাব্যথা করা
৮.বুকজ্বালা করা
৯.পায়ে খিল ধরা
১০.পিঠের নিচের অংশ এবং শ্রোণীতে ব্যথা হওয়া

১১.নির্দিষ্ট কিছু খাবারের প্রতি আকর্ষণ তৈরি হওয়া
১২.নির্দিষ্ট কিছু খাবারের প্রতি নতুন করে অপছন্দ তৈরি হওয়া
১৩.কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়া

** জটিল কোন ধরনের সমস্যা হলে সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

Obstetrician- Gynecologist

Address

House #42, Garib-E-Newaz Avenue, Sector #11, Uttara, Dhaka.
Dhaka
1230

Telephone

+8801819485050

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Farha karim posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Farha karim:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram