Dietician Surahia Naznin Tuli

Dietician Surahia Naznin Tuli Clinical Dietician and Nutritionist
B.Sc(Hons),M.Sc(Food & Nutrition)
Dhaka University. Certified Training on BIRDEM Hospital. chamber - Unity Aid Hospital LD.

Obesity&all kind of disease diet specialist . South Banasree.Dhaka
serial number -01997421112

পরে করবেন বলে যে শখ জমিয়ে রাখছেন, পরে কি সেই শখ থাকে? সময় থাকে? তাই সামর্থ্য অনুযায়ী শখটা পূরনের চেষ্টা করেন। মনে কোন আ...
04/01/2026

পরে করবেন বলে যে শখ জমিয়ে রাখছেন, পরে কি সেই শখ থাকে? সময় থাকে? তাই সামর্থ্য অনুযায়ী শখটা পূরনের চেষ্টা করেন। মনে কোন আফসোস রাখতে হয় না।

ম্যাগনেসিয়াম শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি মিনারেল। খাবারের মাধ্যমেই নিরাপদ ও প্রাকৃতিকভাবে ম্যাগনেসিয়ামের চাহিদা...
04/01/2026

ম্যাগনেসিয়াম শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি মিনারেল। খাবারের মাধ্যমেই নিরাপদ ও প্রাকৃতিকভাবে ম্যাগনেসিয়ামের চাহিদা পূরণ করা সবচেয়ে ভালো।

🥬 ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার (প্রাকৃতিক উৎস)

🌰 বাদাম ও বীজ
কুমড়ার বীজ
কাঠবাদাম
কাজু
চিনাবাদাম
👉 প্রতিদিন ১ মুঠো যথেষ্ট

🌾 শস্য ও দানা
ওটস
লাল চাল
গমের আটা (আটা রুটি)

বার্লি
👉 পরিশোধিত চাল/ময়দা বাদ দিয়ে এসব বেছে নিন

🥬 সবুজ শাকসবজি
পালং শাক
লাল শাক
কচু শাক
ডাটা শাক
👉 প্রতিদিন অন্তত ১ বাটি

🫘 ডাল ও শিমজাতীয় খাবার
মসুর ডাল
ছোলা
মটর ডাল
সয়াবিন
👉 সপ্তাহে ৪–৫ দিন রাখুন

🍌 ফলমূল
কলা
অ্যাভোকাডো
পেঁপে
ডুমুর
👉 ১–২ সার্ভিং যথেষ্ট

🐟 মাছ ও অন্যান্য
ইলিশ
রুই
ছোট মাছ
ডিম
দই
🥗 দৈনন্দিন সহজ ফুড কম্বিনেশন এমন হতে পারে। উদাহরণ -

সকালে: ওটস + কলা + বাদাম
মধ্য সকালে: পেঁপে
দুপুরে: লাল চালের ভাত + ডাল +মাছ+ শাক
বিকেলে: চিনাবাদাম / কুমড়ার বীজ
রাতে: লাল আটা রুটি + সবজি + মাছ/ডিম

⚠️ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা
অতিরিক্ত চা-কফি ম্যাগনেসিয়াম শোষণে বাধা দেয়
প্রসেসড খাবার ও সফট ড্রিঙ্ক এড়িয়ে চলুন

দীর্ঘদিন ঘাটতি থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সাপ্লিমেন্ট খাবেন না

ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান এন্ড নিউট্রশনিষ্ট
সুরাইয়া নাজনীন তুলি
ইউনিটি এইড হাসপাতাল লিঃ
দক্ষিণ বনশ্রী ঢাকা

ব্যালেন্স ডায়েট নিরাপদ কারণ এটি শরীরের সব পুষ্টির চাহিদা একসাথে, সঠিক অনুপাতে পূরণ করে—কোনো একটি খাবার বা পুষ্টিকে অতির...
04/01/2026

ব্যালেন্স ডায়েট নিরাপদ কারণ এটি শরীরের সব পুষ্টির চাহিদা একসাথে, সঠিক অনুপাতে পূরণ করে—কোনো একটি খাবার বা পুষ্টিকে অতিরিক্ত বা বাদ না দিয়ে।
🥗 ব্যালেন্স ডায়েট কেন নিরাপদ?

1️⃣ সব পুষ্টি একসাথে দেয়
ব্যালেন্স ডায়েটে থাকে—
কার্বোহাইড্রেট → শক্তির জন্য
প্রোটিন → পেশি ও কোষ গঠনের জন্য
ভালো ফ্যাট → হরমোন ও মস্তিষ্কের জন্য
ভিটামিন ও মিনারেল → শরীরের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার জন্য
👉 ফলে কোনো পুষ্টির ঘাটতি বা অতিরিক্ত হয় না

2️⃣ মেটাবলিজম স্বাভাবিক রাখে
খুব কম খাওয়া বা একদম কার্ব বাদ দিলে শরীর “স্টারভেশন মোড”-এ চলে যায়।
ব্যালেন্স ডায়েট—
মেটাবলিজম ধীর হতে দেয় না
শরীরকে ফ্যাট জমাতে বাধ্য করে না

3️⃣ হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করে
একতরফা ডায়েট (কিটো, এক্সট্রিম ফাস্টিং) এ—
থাইরয়েড
ইনসুলিন
কর্টিসল (স্ট্রেস হরমোন)
বিগড়ে যেতে পারে
👉 ব্যালেন্স ডায়েট হরমোনকে স্থিতিশীল রাখে

4️⃣ দীর্ঘমেয়াদে টেকসই
ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে থাকে
দুর্বলতা, মাথা ঘোরা কম হয়
পড়াশোনা/কাজে মনোযোগ থাকে
👉 তাই এটি লাইফস্টাইল হিসেবে ফলো করা যায়, শুধু সাময়িক ডায়েট নয়

5️⃣ রোগের ঝুঁকি কমায়
ব্যালেন্স ডায়েট—
ডায়াবেটিস
উচ্চ রক্তচাপ
হৃদ্‌রোগ
হাড় ক্ষয়
এর ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে

6️⃣ সবার জন্য নিরাপদ
শিশু
কিশোর–কিশোরী
নারী–পুরুষ
ডায়াবেটিস/থাইরয়েড রোগী
👉 সঠিক পরিমাণে করলে সবার জন্যই নিরাপদ

⚠️ একতরফা ডায়েট কেন ঝুঁকিপূর্ণ?
দ্রুত ওজন কমলেও পুষ্টিহীনতা হয়
চুল পড়া, দুর্বলতা, পিরিয়ড সমস্যা
ওজন আবার দ্রুত বেড়ে যায় (yo-yo effect)

ব্যালেন্স ডায়েট = নিরাপদ, প্রাকৃতিক ও বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে সুস্থ থাকা।

ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান এন্ড নিউট্রশনিষ্ট
সুরাইয়া নাজনীন তুলি
ইউনিটি এইড হাসপাতাল লিঃ
দক্ষিণ বনশ্রী ঢাকা

04/01/2026

ভিটামিন "এ"
এর চাহিদা পূরণ করতে
গাজর খাবেন না মুরগি কলিজা খাবেন?

ম্যাগনেসিয়াম শরীরের স্নায়ু, পেশি, হৃদ্‌যন্ত্র ও হরমোনের কাজে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি হলে ধীর...
04/01/2026

ম্যাগনেসিয়াম শরীরের স্নায়ু, পেশি, হৃদ্‌যন্ত্র ও হরমোনের কাজে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি হলে ধীরে ধীরে নিচের সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে—

⚠️ ম্যাগনেসিয়াম ঘাটতির লক্ষণসমূহ

🧠 স্নায়ু ও মস্তিষ্কে
অকারণে দুশ্চিন্তা, নার্ভাস ভাব
মনোযোগ কমে যাওয়া
ঘুমের সমস্যা (অনিদ্রা)
মাথা ঝিমুনি, মাথা ভার লাগা

💪 পেশি ও শরীরে
পায়ে বা হাতে খিঁচুনি
পেশি টান ধরা
শরীর ব্যথা, বিশেষ করে রাতে
দুর্বলতা ও দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়া

❤️ হৃদ্‌যন্ত্রে
বুক ধড়ফড় করা
হার্টবিট অনিয়মিত হওয়া
রক্তচাপ ওঠানামা

🦴 হাড় ও জয়েন্টে
হাড় দুর্বল হওয়া
ক্যালসিয়াম ঠিকমতো কাজ না করা
ভবিষ্যতে অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি

🍽️ হজম ও মেটাবলিজমে
কোষ্ঠকাঠিন্য
ক্ষুধা কমে যাওয়া
বমিভাব

🩸 রক্ত ও হরমোনে
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা
ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়তে পারে
পিরিয়ড অনিয়ম (মেয়েদের ক্ষেত্রে)
❗ কারা বেশি ঝুঁকিতে?

দীর্ঘদিন জাঙ্ক/প্রসেসড খাবার খেলে
অতিরিক্ত চা–কফি পানকারীরা
ডায়াবেটিস রোগী
দীর্ঘদিন ডাইইউরেটিক বা গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেলে
অতিরিক্ত স্ট্রেসে থাকা ব্যক্তি

✔️ কী করবেন?
খাদ্যতালিকায় ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার বাড়ান
পর্যাপ্ত পানি পান করুন
ঘাটতির লক্ষণ দীর্ঘদিন থাকলে রক্ত পরীক্ষা করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান এন্ড নিউট্রশনিষ্ট
সুরাইয়া নাজনীন তুলি
ইউনিটি এইড হাসপাতাল লিঃ
দক্ষিণ বনশ্রী ঢাকা

04/01/2026

আসসালামুয়ালাইকুম
কুয়াশায় ঢাকা
শুভ সকাল
সবাই কেমন আছেন?

03/01/2026

কিটো ডায়েট একটি থেরাপিউটিক ডায়েট সাধারণ লাইফস্টাইল ডায়েট নয়।ওজন কমানোর জন্য এটি নিরাপদ বা টেকস‌ই পদ্ধতি নয়। সুতরাং সাবধান।

কিটো ডায়েট (Ketogenic Diet)-এর ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরা হলো—কিটো ডায়েটের ক্ষতিকর দিক(Nutritionist Perspective)কিটো ডায...
03/01/2026

কিটো ডায়েট (Ketogenic Diet)-এর ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরা হলো—

কিটো ডায়েটের ক্ষতিকর দিক
(Nutritionist Perspective)
কিটো ডায়েট একটি অতি–লো কার্বোহাইড্রেট, হাই ফ্যাট ডায়েট। স্বল্পমেয়াদে ওজন কমতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদে এটি শরীরের জন্য বিভিন্ন ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

১️⃣ পুষ্টি ঘাটতির ঝুঁকি
কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার (ভাত, ফল, শাকসবজি) সীমিত হওয়ায়—
ফাইবার ঘাটতি
ভিটামিন B-complex এর ঘাটতি
ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম ঘাটতি
➡️ কোষ্ঠকাঠিন্য, দুর্বলতা ও ইমিউনিটি কমে যেতে পারে।

২️⃣ কিডনি ও লিভারের ওপর চাপ
অতিরিক্ত ফ্যাট ও প্রোটিন গ্রহণে
কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ
লিভারে ফ্যাট জমার ঝুঁকি
যাদের আগে থেকেই কিডনি বা লিভার সমস্যা আছে, তাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

৩️⃣ হরমোনাল ভারসাম্য নষ্ট হওয়া
বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে—
মাসিক অনিয়ম
থাইরয়েড হরমোনের কার্যকারিতা কমে যাওয়া
দীর্ঘমেয়াদে ফার্টিলিটি সমস্যার ঝুঁকি।

৪️⃣ গ্যাস্ট্রিক ও হজমের সমস্যা
ফাইবার কম থাকায়
কোষ্ঠকাঠিন্য
গ্যাস, অ্যাসিডিটি
দীর্ঘদিন ফলো করলে গাট হেলথ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

৫️⃣ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে
অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট গ্রহণে
LDL (খারাপ কোলেস্টেরল) বাড়তে পারে
দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

৬️⃣ মানসিক ও শারীরিক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
“Keto flu” (মাথাব্যথা, দুর্বলতা, মাথা ঘোরা)
মনোযোগ কমে যাওয়া
মুড সুইং ও বিরক্তি।

৭️⃣ সবার জন্য উপযুক্ত নয়
কিটো ডায়েট এড়িয়ে চলা উচিত—
কিশোর–কিশোরী
গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মা
ডায়াবেটিস (বিশেষত insulin ব্যবহারকারী)
কিডনি, লিভার, গলব্লাডার রোগী
থাইরয়েড বা হরমোনাল সমস্যায় ভোগা ব্যক্তি।

কিটো ডায়েট একটি থেরাপিউটিক ডায়েট, সাধারণ লাইফস্টাইল ডায়েট নয়।
ওজন কমানোর জন্য দীর্ঘমেয়াদে এটি নিরাপদ বা টেকসই পদ্ধতি নয়।

✔️ নিরাপদ বিকল্প
ব্যালান্সড ডায়েট
portion control
low–GI কার্বোহাইড্রেট
নিয়মিত হাঁটা ও ব্যায়াম

ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান এন্ড নিউট্রশনিষ্ট
সুরাইয়া নাজনীন তুলি
ইউনিটি এইড হাসপাতাল লিঃ
দক্ষিণ বনশ্রী ঢাকা।

"অতিরিক্ত ভালো হওয়া" বা "অতিরিক্ত নরম থাকা" কেন একটি লস প্রজেক্ট বা ক্ষতিকর হতে পারে, তার পেছনে বেশ কিছু মনস্তাত্ত্বিক ও...
03/01/2026

"অতিরিক্ত ভালো হওয়া" বা "অতিরিক্ত নরম থাকা" কেন একটি লস প্রজেক্ট বা ক্ষতিকর হতে পারে, তার পেছনে বেশ কিছু মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক কারণ রয়েছে।

​নিচে এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

​১. মানুষ সুযোগ নিতে শুরু করে
​আপনি যখন অতিরিক্ত নরম মনের হন, তখন মানুষ ধরে নেয় যে আপনি কখনো 'না' বলতে পারবেন না। আপনার এই দয়া বা বিনয়কে তারা আপনার দুর্বলতা মনে করে। ফলে তারা তাদের নিজের স্বার্থে আপনাকে ব্যবহার করতে দ্বিধাবোধ করে না।

​২. আত্মসম্মানবোধ কমে যাওয়া
​সবসময় অন্যদের খুশি করতে গিয়ে বা অন্যদের ভালো রাখতে গিয়ে আপনি নিজের ইচ্ছা বা অধিকার বিসর্জন দিয়ে দেন। এর ফলে ধীরে ধীরে আপনার নিজের কাছেই নিজের গুরুত্ব কমে যায়। মানুষ তখন আপনাকে আর সম্মান দেওয়ার প্রয়োজন মনে করে না, কারণ তারা জানে আপনি পরিস্থিতি যাই হোক না কেন মুখ বুজে সহ্য করে নেবেন।

​৩. মানসিক চাপ ও হতাশা
​অতিরিক্ত ভালো মানুষরা সাধারণত ভেতরের কষ্ট বাইরে প্রকাশ করেন না। তারা ভাবেন, বললে হয়তো অন্য কেউ কষ্ট পাবে। এই চেপে রাখা আবেগগুলো ধীরে ধীরে চরম মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা এমনকি ডিপ্রেশনের দিকে ঠেলে দেয়। অন্যের বোঝা বইতে গিয়ে নিজের মনের শান্তি হারিয়ে যায়।

​৪. সঠিক মূল্যায়নের অভাব
​যা সহজে পাওয়া যায়, তার মূল্য কম থাকে। আপনি যখন সবার জন্য সবসময় সহজলভ্য (Available) থাকবেন এবং সবার সব আবদার মানবেন, তখন মানুষ আপনার কাজের গুরুত্ব দেওয়া বন্ধ করে দেবে। আপনার ত্যাগগুলোকে তারা "কর্তব্য" হিসেবে ধরে নেবে, "কৃতজ্ঞতা" প্রকাশ করবে না।

​৫. ব্যক্তিত্বের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়
​অতিরিক্ত নরম মানুষরা সাধারণত মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে ভয় পান। কোনো অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে বা নিজের মতামত জোরালোভাবে তুলে ধরতে না পারার কারণে ব্যক্তিত্বের ধার কমে যায়। এতে কর্মক্ষেত্রে বা ব্যক্তিগত জীবনে বড় কোনো নেতৃত্ব দেওয়া সম্ভব হয় না।

​৬. অপরাধবোধের বোঝা
​অতিরিক্ত নরম স্বভাবের মানুষরা অদ্ভুত এক অপরাধবোধে ভোগেন। কেউ সাহায্য চাইলে যদি কোনো কারণে তারা সেটি করতে না পারেন, তবে তারা নিজেরা অপরাধী বোধ করেন। এই সুযোগটিই সমাজ নেয়—আপনাকে ইমোশনালি ব্ল্যাকমেইল করা তাদের জন্য সহজ হয়ে যায়।

​৭. নিজের স্বপ্ন ও সময়ের অপচয়
​আপনার হাতে সীমিত সময় এবং শক্তি আছে। আপনি যখন অতিরিক্ত ভালো সেজে অন্যদের সমস্যা সমাধান করতে ছোটেন, তখন আপনার নিজের লক্ষ্য, ক্যারিয়ার এবং ব্যক্তিগত উন্নয়নের জন্য সময় থাকে না। দিনশেষে দেখা যায় অন্যরা আপনার সাহায্য নিয়ে অনেক উপরে উঠে গেছে, আর আপনি সেই আগের জায়গাতেই দাঁড়িয়ে আছেন।

​৮. চারপাশের মানুষ অলস হয়ে যায়
​আপনার অতিরিক্ত 'সহযোগিতা করার মানসিকতা' আপনার কাছের মানুষদের (যেমন ভাই-বোন, বন্ধু বা জীবনসঙ্গী) দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং অলস করে তুলতে পারে। তারা জানে যে কোনো ভুল করলে বা বিপদে পড়লে আপনি তো আছেনই সামাল দেওয়ার জন্য। এতে আপনি পরোক্ষভাবে তাদের ক্ষতিই করছেন।

​৯. প্রকৃত বন্ধুর অভাব
​শুনতে অবাক লাগলেও এটি সত্যি—অতিরিক্ত ভালো মানুষের চারপাশ লোকে লোকারণ্য থাকলেও বিপদের সময় খুব কম মানুষকেই পাশে পাওয়া যায়। কারণ, বেশিরভাগ মানুষ আপনার কাছে আসে কোনো প্রয়োজনে বা সুবিধার আশায়। কাজ ফুরিয়ে গেলে তারা আর আপনার খবর রাখে না।

​১০. বিশ্বাসভঙ্গের বেদনা
​অতিরিক্ত ভালো মানুষরা সাধারণত মানুষকে খুব সহজে বিশ্বাস করেন এবং সবার মাঝে নিজের মতো সারল্য খোঁজেন। কিন্তু পৃথিবীটা সব সময় আপনার মতো সরল নয়। যখন প্রিয় কেউ বিশ্বাস ঘাতকতা করে, তখন সেই ধাক্কা সামলানো আপনার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে, যা দীর্ঘমেয়াদী মানসিক ক্ষত তৈরি করে।

১১. ​এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উপায়:

➡️ "Assertive" হওয়া
​অতিরিক্ত নরম হওয়া (Passive) এবং কর্কশ হওয়া (Aggressive)—এই দুইয়ের মাঝামাঝি একটি পথ আছে, যাকে বলা হয় Assertive বা দৃঢ়চেতা হওয়া। এটি করলে আপনার 'লস প্রজেক্ট' লাভে রূপান্তরিত হবে:

➡️ ​স্পষ্ট কথা বলা: যেটা আপনার পছন্দ নয়, সেটা ঘুরিয়ে না বলে সরাসরি এবং মার্জিতভাবে বলুন।

➡️ ​মানুষের চরিত্র বুঝতে শেখা: সবাইকে অন্ধভাবে বিশ্বাস না করে মানুষের আচরণ পর্যবেক্ষণ করুন। যারা শুধু প্রয়োজনের সময় আসে, তাদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন।

➡️ ​আত্ম-বিনিয়োগ: নিজের স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং শখের পেছনে সময় ও অর্থ ব্যয় করাকে প্রাধান্য দিন। এটি স্বার্থপরতা নয়, এটি আত্মরক্ষা।

➡️ ​সম্মান আগে, ভালোবাসা পরে: মানুষ আপনাকে ভালোবাসুক বা না আসুক, তারা যেন আপনাকে সম্মান করতে বাধ্য হয়—এমনভাবে নিজেকে উপস্থাপন করুন।

➡️ ​একটি কথা মনে রাখবেন:
সোজা গাছ যেমন আগে কাটা পড়ে, তেমনি অতিরিক্ত নরম মনের মানুষরাই পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি আঘাত পায়। লোহা ততক্ষণই কামারের হাতুড়ির পিটুনি খায়, যতক্ষণ সে নরম থাকে; শক্ত হয়ে গেলে হাতুড়িই উল্টো ছিটকে যায়।

নিরাপদভাবে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করবেন যেভাবে-(Nutritionist-approved guideline)ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং একটি টাইম–রেস্ট্রিক...
03/01/2026

নিরাপদভাবে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করবেন যেভাবে-
(Nutritionist-approved guideline)

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং একটি টাইম–রেস্ট্রিকটেড ইটিং প্যাটার্ন, এটি ডায়েট নয়। সঠিকভাবে অনুসরণ করলে এটি মেটাবলিজম উন্নত করতে, ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়াতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে।

১️⃣ কোন পদ্ধতিটি সবচেয়ে নিরাপদ?

✅ 12:12 পদ্ধতি (Beginner-friendly)
১২ ঘণ্টা খাবার গ্রহণ
১২ ঘণ্টা না খাওয়া
উদাহরণ:
রাতের খাবার 8:00 PM → পরদিন নাস্তা 8:00 AM
➡️ হজমতন্ত্রকে বিশ্রাম দেয়, হরমোন ব্যালান্সে ঝুঁকি কম।

✅ 14:10 পদ্ধতি (Intermediate level)
১৪ ঘণ্টা ফাস্ট
১০ ঘণ্টা খাবারের সময়
উদাহরণ:
রাত 8:00 PM → সকাল 10:00 AM

➡️ শুধুমাত্র তখনই উপযোগী যখন শরীর ভালোভাবে সাপোর্ট করে।

২️⃣ ফাস্টিং চলাকালে কী গ্রহণ করবেন
পর্যাপ্ত পানি
হালকা গরম পানি

🚫 চিনি, কৃত্রিম সুইটনার, জুস, দুধ যুক্ত পানীয় গ্রহণ নয়।

৩️⃣ ফাস্ট ভাঙার সময় পুষ্টির ভারসাম্য

ফাস্ট ভাঙার খাবার হতে হবে low glycemic + protein rich।
✔️ ভালো পছন্দ
ডিম / মাছ / চিকেন
ডাল / ছোলা
দই
শাকসবজি
অল্প পরিমাণ ভাত বা রুটি

🚫 অতিরিক্ত তেল, ভাজাপোড়া ও জাঙ্ক ফুড পরিহার করুন।

৪️⃣ যাদের ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন
নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া করবেন না—

গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মা
কিশোর–কিশোরী
ডায়াবেটিস (বিশেষত insulin ব্যবহারকারী)
থাইরয়েড, গ্যাস্ট্রিক আলসার
দীর্ঘদিন দুর্বলতা বা অ্যানিমিয়া থাকলে

৫️⃣ কখন ফাস্টিং বন্ধ করবেন
মাথা ঘোরা
অতিরিক্ত দুর্বলতা
বুক ধড়ফড়
হরমোনাল সমস্যা বা মাসিক অনিয়ম
মনোযোগে ঘাটতি
➡️ এগুলো শরীরের warning signal।

৬️⃣ বাস্তবসম্মত পরামর্শ

সপ্তাহে ৩–৫ দিন ফাস্টিং করলেই যথেষ্ট
পর্যাপ্ত ঘুম ও হালকা ব্যায়াম যুক্ত করুন
ফাস্টিংয়ের উদ্দেশ্য হবে স্বাস্থ্য উন্নয়ন, শাস্তি নয়

🔎 উপসংহার (Nutritionist Note)
Intermittent fasting সবার জন্য নয়। শরীরের সাড়া বুঝে, ধাপে ধাপে এবং পুষ্টিকর খাবারের মাধ্যমে অনুসরণ করাই হলো নিরাপদ ফাস্টিংয়ের মূলনীতি।

তবে একজন ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান এন্ড নিউট্রশনিষ্ট এর আন্ডারে থেকে করতে হবে এটা একা করা উচিত নয়।এতে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান এন্ড নিউট্রশনিষ্ট
সুরাইয়া নাজনীন তুলি
ইউনিটি এইড হাসপাতাল লিঃ
দক্ষিণ বনশ্রী ঢাকা

03/01/2026

খাবারের মধ্যে ই ওষুধ।
খাবারের মধ্যে ই বিষ।
কিন্তু আমরা ভুলে যাই কোনটা খাবো আর কোনটা খাবো না।
এটা বুঝতে হবে মানতে হবে।

03/01/2026

বাংলাদেশের তাপমাত্রা অনেক কমে যাচ্ছে তাই এই অবস্থায় ঠান্ডা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে
উলের পোশাক পরিধান করুন।
উষ্ণ গরম পানি পান করুন।সুষম খাবার গ্রহণ করুন।ঘরে থাকুন।

Address

People's Hospital Ltd. 5-B Malibag Chowdurey Para, , Unity Aid Hospital Ltd. , West Banasree. Dhaka
Dhaka
1219

Telephone

+8801711971503

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dietician Surahia Naznin Tuli posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dietician Surahia Naznin Tuli:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram