Health Tips ll মেডিকেল স্বাস্থ্য সেবা

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Health Tips ll মেডিকেল স্বাস্থ্য সেবা

Health Tips ll মেডিকেল স্বাস্থ্য সেবা আপনার সব কঠিন রোগের সমাধান দিতে আপনার পাশেই আছি...!
আপনার গোপন যেকোন সমস্যা ইনবক্সে লিখুন!!

30/09/2014

নিয়মিত ঠোঁটের যত্ন নেওয়া অনেক জরুরি , কিছু টিপস দিচ্ছি , নিয়মিত আপ্লাই করবেন দেখবেন খুব কম
সময়ে আপনার ঠোঁট কোমল ও গোলাপি হয়ে যাবে।
১- কখনও দাঁত দিয়ে ঠোঁটের চামড়া তুলবেন না।
২- গরম খাবার খেতে খেয়াল করবেন ঠোঁটে যেন না লাগে
৩- ধুমপান বর্জনীয় !
৪- দৈনিক একবার করে দুধের সর বা কাচা দুধ তুলয় লাগিয়ে ঠোঁটে ঘসবেন।
৫- ঠোঁট কোমল রাখতে জন্সন বেবি জেল টা লাগাবেন , কারন এই জেল টা বাচ্চাদের জন্য স্পেসাল কারন বাচ্চাদের
চামড়া অনেক কোমল ও পাতলা।
৬- লিপস্টিক, গ্লজ ,লাইনার থেকে দূরে থাকুন , খুব কম সময়ে আপনার ঠোঁট গোলাপি হয়ে যাবে ,ঠোঁট
গোলাপি করতে আর কিছু লাগানোর প্রয়োজন ও হবেনা।

29/09/2014

মাদকের চেয়ে চিনি ক্ষতিকর !

চিনিজাতীয় খাবার ও পানীয় যদি নেশায় পরিণত হয় তাহলে এটা মাদকের মতোই ক্ষতিকর। দীর্ঘমেয়াদে এটি স্বাস্থ্যের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। মানুষকে এর ফলে অতিরিক্ত মোটা হয়ে যায়। একটা সময় তা মানুষের শরীরে মাদকের চেয়েও বেশি ক্ষতিসাধন করে। তাই মাদকের মতো চিনিজাতীয় খাবারের প্রতি মানুষের আসক্তি বন্ধে সমান সতর্কতা জারি করা উচিত।
সম্প্রতি নেদারল্যান্ডসের গবেষকরা চিনি নিয়ে গবেষণা করে এসব কথা বলেছেন।

আমস্টারডাম স্বাস্থ্যসেবার প্রধান পল ভেনডার ভেলপেনের নেতৃত্বে গবেষণাটি সম্পন্ন হয়েছে। ভেলপেন বলেন, চিনিজাতীয় খাবার বেশি খেলে মানুষের একধরনের আসক্তি চলে আসে। এটি মাদকের মতো মানব শরীরে স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করে। মানুষকে অতিরিক্ত মোটা করে ফেলে।

গবেষণার পর ভেলপেন বলেন, ক্ষতিকর দিকটি বিবেচনায় এনে চিনিজাতীয় খাবারের ওপর উচ্চ করারোপ করা উচিত। সেই সঙ্গে অ্যালকোহল ও তামাকের মতো চিনির বেচাকেনায় নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা দরকার। চিনি জাতীয় খাবার খেতে মানুষকে নিরুৎসাহিত করা উচিত। ভেলপেন আরো বলেন, কথাগুলোকে অতিরঞ্জিত বলে মনে হতে পারে কিন্তু এটিই সত্য যে, চিনি বর্তমান সময়ের সবচেয়ে ক্ষতিকর খাবার।

28/09/2014

ক্রিমে অ্যাজমা ঝুঁকি !
শীতের রূপচর্চায় ব্যবহৃত বিদেশী বিভিন্ন রাসায়নিক ক্রিম
অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়া ও অ্যাজমার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
এসব ময়েশ্চারাইজার, সান ক্রিম, কোল্ড ও
ভ্যানিশিং ক্রিমে মেথিলিসোথায়াজোলিনন (এমআই
বা এমআইটি) নামক একধরনের রাসায়নিক সচরাচর ব্যবহার করা হয়।
এ রাসায়নিকে বড় ধরনের অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়ার
সৃষ্টি হয়। যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের চর্মরোগ
বিশেষজ্ঞরা বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
সম্প্রতি এ রাসায়নিকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন ইউরোপের
কসমেটিকস ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন 'কসমেটিকস ইউরোপ', এ সংগঠন
সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের পণ্যে বিশেষ করে চামড়ায়
ব্যবহৃত পণ্যে ওই রাসায়নিক ব্যবহার না করার জন্য আহ্বান
জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, ক্রেতার
নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
---------------------------------------------

27/09/2014

মগজ ধোলাই !
বাংলায় বহুল প্রচলিত কথা "মগজ ধোলাই" যার সাধারণ মানে কাউকে ভুল বুঝিয়ে নিজের আয়ত্বে আনা। এটা সম্পূর্ণ মানসিক বিষয়, কিন্তু আজ আপনাদের জানাচ্ছি সত্যিকারের মগজ ধোলাইয়ের কথা।
আমাদের শরীর বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গে সবসময়ই নানা রাসায়নিক
পরিবর্তন ঘটতে থাকে। এতে বেশ কিছু বর্জ্য তৈরি হয়। শরীরের
নিজস্ব ‘ক্লিনিং সার্ভিস' লিম্ফোটিক সিস্টেম
বা লসিকাতন্ত্র বর্জ্যগুলো দূর করার কাজ করে থাকে।
কিন্তু এই ধরনের ‘ক্লিনিং সার্ভিস' বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার
কাজটা মস্তিষ্ক পর্যন্ত পৌঁছায় না। অথচ মানুষের এই অঙ্গটিতেই
রাসায়নিক পরিবর্তন বা ক্রিয়া বিক্রিয়া হয় সবচেয়ে বেশি।
তবে স্নায়ুকোষের ক্ষতিকর এমন অসংখ্য প্রোটিন
সুচারুরূপে মস্তিষ্ক প্রতি মিনিটেই বের করে দিতে থাকে।
আমাদের মস্তিষ্কের আরেক ধরনের ‘ক্লিনিং সার্ভিস' আছে।
নাম "গ্লিম্ফোটিক সিস্টেম"।.গ্লিয়াল সেল মস্তিষ্কের
অপ্রয়োজনীয় তরল ও বর্জ্য চাপ প্রয়োগ করে মস্তিষ্ক থেকে বের
করে দেয়।
অবশ্য প্রক্রিয়াটা খুব দ্রুতগতিতে ঘটে না। সম্পূর্ণভাবে মগজ
ধোলাই হতে প্রতিদিন প্রায় আট ঘণ্টার মতো লাগে। সাধারণত
প্রক্রিয়াটা বিছানায় বিশ্রাম নেওয়া কালে ঘটে থাকে।
কেননা যখন আমরা ঘুমাই তখন স্নায়ুকোষগুলির
একটা থেকে আরেকটা ব্যবধান বেড়ে যায়। স্নায়ুর জলীয় পদার্থ
বিনা বাধায় বয়ে যেতে পারে এবং বর্জ্য বের করে দিতে পারে।
ঘুম না হলে বা খুব কম ঘুম হলে মস্তিষ্কের ‘ক্লিনিং সার্ভিস'
তার কাজটি সঠিকভাবে করতে পারে না।
এইভাবে বেশি দিন চললে আমাদের মস্তিষ্কের
ক্ষতি হতে পারে। এর ফলে স্মৃতিভ্রষ্টতার মতো অসুখ হতে পারে।
এজন্য ঠিক সময় বিছানায় যাওয়া ও পর্যাপ্ত ঘুম অত্যান্ত জরুরী।
এতে করে আমাদের "মগজ ধোলাই"-র জন্য যথেষ্ট সময় পায়।
---------------------------------------------

26/09/2014

চেহারা বেশি চেনে নারী !
কেউ কেউ কারও চেহারা একবার দেখলেই মনে রাখতে পারে।
আবার কেউ কয়েকবার দেখেও মনে রাখতে পারে না। এ
ক্ষেত্রে পুরুষের চেয়ে নারী এগিয়ে আছে। মুখচ্ছবি বেশি স্মরণ
রাখতে পারে নারী। এর কারণ কী?
নতুন কারও সঙ্গে দেখা হলে আমরা তার মুখচ্ছবি যে প্রক্রিয়ায়
ধারণ করি, তার ওপর নির্ভর করে স্মরণ রাখার বিষয়।
মুখচ্ছবি মনে রাখার ক্ষেত্রে নারীদের সাফল্যের একটা কৌশল
পর্যবেক্ষণে জানা গেছে, একজন নতুন আগন্তুকের মুখমণ্ডলের
দিকে পুরুষের চেয়ে নারীরা বেশি তাকায়। এর ফলে তাদের
স্মৃতিতে ওই মুখচ্ছবি বেশি দাগ কাটে।
---------------------------------------------

25/09/2014

টমেটো মন ভালো রাখে !
আপনি জানেন কি, বিষণ্নতার ওষুধ হিসেবে টমেটো চমৎকার কাজ
করে। সপ্তাহে কয়েকবার টমেটো খেলে বিষণ্নতায় ভোগার
আশঙ্কা অর্ধেক হ্রাস পেতে পারে। সপ্তাহে অন্তত দুই
থেকে ছয়বার যারা টমেটো খেলে বিষাদে ভোগার হার ৪৬
শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। প্রতিদিন টমেটো খেলে বিষণ্নতায়
ভোগার হার ৫২ শতাংশ হ্রাস পায়। ২০ শতাংশ লোকই জীবনের
কোনো না কোনো পর্যায়ে বিষণ্নতায় ভোগেন।
পুরুষের চেয়ে নারীদের এ সমস্যা বেশি। বয়স্কদের
ক্ষেত্রে বিষণ্নতা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
টমেটো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রাসায়নিক পদার্থসমৃদ্ধ।
এটি অন্যান্য রোগ থেকেও সুরক্ষা দেয় বলে ধারণা করা হয়।
টমেটো লাইকোপেনের একটি ভালো উত্স। অ্যান্টিঅক্সিডে
ন্টটির কারণেই টমেটো গাঢ় লাল রংয়ের হয়। প্রোস্টেট ক্যানসার
ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে এর যোগসূত্র রয়েছে।
এছাড়া হৃৎপিণ্ডের সুস্থতায় কিংবা কিডনি ভালো রাখতেও
টমেটোর জুড়ি মেলা ভার।

24/09/2014

প্রতিদিন টমেটো !
সূর্যের আলট্রাভায়োলেট (ইউভি) রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব
থেকে ত্বককে বাঁচাতে প্রতিদিন টমেটো খান। প্রতিদিন
টমেটো খেলে সানস্ক্রিনের সূর্যরশ্মির ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বক
রক্ষা করা সম্ভব। অবশ্য ছেলেদের চেয়ে মেয়েরাই
বেশি খুশি হবে কারণ টমেটো খেলে এতে মেয়েরাই বেশি সুফল
পাবে। টমেটোর লাল রংয়ে যে লাইকোপেন থাকে তা সূর্যের
আলট্রাভায়োলেট রশ্মির বিরুদ্ধে ভীষণ কার্যকরী। তাই
প্রতিদিন টমেটো খেলে মেয়েদের অটোমেটিক ৩০% সান
প্রটেকশন বেড়ে যায়। টমেটোর বিকল্প হিসেবে তরমুজ ও জাম্বুরাও
খাওয়া যায়।
---------------------------------------------

23/09/2014

ভাত খাওয়ার পর !
স্বাস্থ্য রক্ষায় ভাত খাওয়ার পর কিছু কাজ
হতে দূরে থাকা প্রয়োজন। কাজগুলো হলো:
১. খাবার শেষ করার পর পরই তাৎক্ষণিক ভাবে কোন ফল খাবেন
না। খাবার খাওয়ার এক থেকে দুই ঘন্টা পর, কিংবা এক
ঘন্টা আগে ফল খাবেন।
২. ভাত খাবার পর একটা সিগারেট খাওয়া আর
সার্বিকভাবে দশটা সিগারেট খাওয়া ক্ষতির দিক দিয়ে সমান
অর্থ বহন করে।
৩. চা খাবেন না। চায়ের মধ্যে প্রচুর পরিমানে টেনিক এসিড
থাকে যা খাদ্যের প্রোটিনের পরিমাণকে ১০০ গুণ
বাড়িয়ে তুলে যার ফলে খাবার হজম হতে স্বাভাবিকের
চেয়ে অনেক বেশী সময় লাগে ।
৪. খাবার পরপরই বেল্ট কিংবা প্যান্টের কোমর লুস করবেন না।
করলে অতি সহজেই খাদ্যনালী বেকে যেতে পারে,
পেঁচিয়ে যেতে পারে অথবা ব্লকও হয়ে যেতে পারে।
যাকে বলে ইন্টেস্টাইনাল অবস্ট্রাকশন।
৫. গোসল করবেন না। ভাত খাবার পরপরই গোসল করলে শরীরের
রক্ত সঞ্চালন মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে পাকস্থলির চারপাশের
রক্তের পরিমাণ কমে যেতে পারে যা শরীরের
পরিপাকতন্ত্রকে দুর্বল করে ফেলবে, ফলে খাদ্য হজম হতে সময়
স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী লাগবে ।

22/09/2014

পর্ণো দেখলে পস্তাবেন !
আমরা বর্তমানে একটি পর্ণো-আসক্ত সমাজে বসবাস
করছি যেখানে এটি সংক্রামক ব্যাধির মত বিস্তার লাভ করছে।
পর্ণো কোনো স্বাভাবিক যৌন কার্যক্রম
না বরং এটা একটি বিকৃত যৌনাচার। পর্ণো-আসক্ত রোগীর হার
দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এর প্রধান কারণ এইসব পর্ণোর
সহজলভ্যতা।
পর্ণোগ্রাফিতে আসক্তির ফলে পুরুষের নারীর প্রতি স্বাভাবিক
আকর্ষণ কমে যায় ও যৌন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। অসংখ্য তরুণ
পর্ণো জগতের প্রতি দিন দিন আসক্ত হয়ে পড়ছে। পরিণাম নৈতিক
অবক্ষয় তো আছেই পর্ণো-আসক্তদের জন্য অপেক্ষা করছে ভয়াবহ
ভবিষ্যৎ! যারা পর্ণোর প্রতি বেশি আসক্ত এবং সারাক্ষণ
পর্ণো নিয়ে চিন্তা করেন তারা বিয়ের পর স্বাভাবিক যৌন
জীবনের প্রতি উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন। প্রতিনিয়ত
পর্ণো দেখার
ফলে মস্তিষ্কে উত্তেজনা সৃষ্টিকারি ‘নিউট্রো ট্রান্সমিটার’
মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় অথবা নষ্ট হয়ে যায়।
এটা পর্ণো দেখার সময় অতি উত্তেজনার ফলেও হয়ে থাকে।
স্বাভাবিক যৌন জীবনে ‘ডোপামিন’ নামক উত্তেজনাও
হারিয়ে ফেলেন অনেক পর্ণো-আসক্ত।

21/09/2014

মধুর যাদু !
১. হাজারো গুণে ভরা মধুতে গুকোজ ও ফ্রুকটোজ
আছে যা শরীরে শক্তি যোগায়। এর অন্যান্য উপাদান শরীরের
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
২. প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খেলে ঠান্ডা লাগা, কফ,
কাশি ইত্যাদি সমস্যা কমে যায়।
৩. মন ভালো করতে প্রতিদিন হালকা গরম পানির সাথে মধু ও
লেবুর রস মিশিয়ে খান। সঙ্গে একটু দারুচিনির গুঁড়াও
ছিটিয়ে নিতে পারেন।
৪. প্রতিদিন সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস
ও মধু মিশিয়ে খেলে ওজন কমে যায় কিছুদিনের মধ্যেই। এছাড়াও
এভাবে প্রতিদিন খেলে লিভার পরিষ্কার থাকে, শরীরের
বিষাক্ত উপাদান গুলো বের হয়ে যায় এবং শরীরের মেদ গলে বের
হয়ে যায়।
৫. মধুর সাথে দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে তা রক্তনালীর
সমস্যা দূর করে এবং রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ ১০%
পর্যন্ত কমিয়ে দেয়।
৬. মধু ও দারুচিনির মিশ্রণ নিয়মিত খেলে হার্ট অ্যাটাকের
ঝুকি কমে এবং যারা ইতিমধ্যেই একবার হার্ট অ্যাটাক করেছেন
তাদের দ্বিতীয়বার অ্যাটাকের ঝুকি কমে যায়।
৭. হজমের সমস্যা থাকলে প্রতিদিন সকালে মধু খাওয়ার অভ্যাস
করুন। প্রতিবার ভারী খাবারের আগে এক চামচ মধু খেয়ে নিন।
বিশেষ করে সকালে খালি পেটে এক চামচ মধু খান।
৮. যারা সারাক্ষন দূর্বলতায় ভুগছেন তারা প্রতিদিন সকালে এক
চামচ মধু খেয়ে নিন এবং সারা দিন সবল থাকুন।
৯. সকালে ত্বকে মধু লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
এতে মধুর বেশ কিছু উপাদান ত্বক শুষে নেয়। ফলে ত্বক মসৃণ ও সুন্দর
হয়।
১০. ত্বকে নিয়মিত মধু ব্যবহার করলে ত্বকের দাগও চলে যায়।

20/09/2014

সাময়িক ঘুমে “ভুল” সিদ্ধান্ত !
পর্যাপ্ত না ঘুমিয়ে দিনের কাজ শুরু
করলে আপনি পুরোপুরি জেগে থাকা অবস্থায়ও আপনার মস্তিষ্কের
অংশ বিশেষ ঘুমিয়ে থাকতে পারে। দীর্ঘ সময় জেগে থাকার পর
কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে আবার জেগে উঠার পরও মস্তিষ্কের যে অংশ
বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে কাজ
করে ,সে অংশটি তখনো “সাময়িক ঘুম”-এ আচ্ছন্ন হয়ে থাকে।
যখন মস্তিষ্কের কিছু অংশ এরকম “সাময়িক ঘুম” পর্যায়ে চলে যায়,
আপনি বুঝতেই পারবেন না। ব্যপারটি চমকপ্রদ,এতে কোন সন্দেহ
নেই। কিন্তু আশঙ্কার কথা হচ্ছে, এই অবস্থায় আপনি “ভুল”
সিদ্ধান্ত নিবেন ও “ভুল” কাজকর্ম করা শুরু করবেন। অর্থাৎ এসময়
আচরণগত পরিবর্তন দেখা যাবে।
কেন পুরোপুরি জেগে থাকা অবস্থায় মস্তিষ্কের একটি অংশ
ঘুমিয়ে থাকে- এই ব্যপারটি এখনো রহস্যময়। বহুল প্রচলিত এক তত্ত্ব
অনুযায়ী, যেহেতু আমাদের মস্তিষ্কের নিউরনগুলো সব সময়ই নতুন
নতুন তথ্য সংরক্ষণ করে চলেছে, সেহেতু তথ্যগুলোর পুনর্বিন্যাস
করার জন্য নিউরনগুলো কিছু সময়ের জন্য কাজ করা বন্ধ করে দেয়
বা “সাময়িক” ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে যায়। এর
মাধ্যমে নিউরনগুলো আরো নতুন তথ্য গ্রহণের জন্য তৈরি হয়। এই
তত্ত্বকে যদি আমরা সঠিক বলে ধরে নিই,
তবে একইভাবে বলা যায়- যখন আপনি কম সময় ঘুমুবেন, তখন
আপনি আপনার মস্তিষ্কের নিউরনগুলোকে বেশি সময় সক্রিয়
রাখছেন। যখন নিউরনগুলো তাদের সক্রিয় থাকার সীমা অতিক্রম
করে ফেলে, তখন তারা নিজ থেকেই কাজ করা বন্ধ করে দেয়। এর
ফলে আপনি জেগে থাকা অবস্থায়ও আপনার মস্তিষ্কের কিছু
নিউরন ঘুমিয়ে থাকবে। আর এটার ফলাফল, আপনি ভুলভাল কাজ
করা শুরু করবেন।
পর্যাপ্ত না ঘুমানোর ফলাফল হতে পারে ভয়াবহ। শুধু ঘুম ঘুম ভাব
থাকলেই যে কোন ধরণের কাজে ভুল হতে পারে তা নয়। আপনার
হয়তো মনে হচ্ছে যে আপনি পুরোপুরি ফিট আছেন। কিন্তু
আপনি জানেনই না যে, আপনার মস্তিষ্কের একটা অংশ
ঘুমিয়ে আছে। আর মস্তিষ্কই কিন্তু আপনার আচরণ আর
সিদ্ধান্তকে নিয়ন্ত্রণ করে ।
---------------------------------------------

19/09/2014

দারুচিনির অজানা গুনাগুণ !
১. প্রতিদিন আধা চা চামচ দারুচিনির গুড়ো রক্তে খারাপ
কোলস্টেরল এলডিএল এর মাত্রা কমায়।
২. রক্তে শর্করার মাত্রা নিষন্ত্রণ করে এবং টাইপ-২
ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য খুবই উপকারী।
৩. ঈস্ট ছত্রাক ঘটিত ইফেকশন প্রতিরোধ করে।
৪. মারন ব্যাধি লিম্ফোসাইটিক লিউকোমিয়ার বিস্তার রোধ
করে।
৫. রক্ত জমাট না বাঁধার অসুখ হিমোফিলিয়া প্রতিরোধ করে।
৬. প্রতিদিন নাস্তায় আধা চামচ দারুচিনির গুড়ো এক চামচ মধুর
সাথে মিশিয়ে খলে বাত ব্যথা দূর হয়।
৭. রান্নায় দারুচিনির ব্যবহার খাবারকে দীর্ঘক্ষণ
সংরক্ষণে সহায়তা করে।
৮. দারুচিনির ঘ্রাণ স্মৃতি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
---------------------------------------------

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health Tips ll মেডিকেল স্বাস্থ্য সেবা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share