ফেসবুকে বিনামূল্যে চিকিত্সা সেবা(Free Medical Treatment)

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • ফেসবুকে বিনামূল্যে চিকিত্সা সেবা(Free Medical Treatment)

ফেসবুকে বিনামূল্যে চিকিত্সা সেবা(Free Medical Treatment) Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ফেসবুকে বিনামূল্যে চিকিত্সা সেবা(Free Medical Treatment), Health/Medical/ Pharmaceuticals, Dhaka.

16/06/2015

শুধু মাত্র ডাক্তারদের জন্য,

যারা FCPS/MS/DIPLOMA EXM ·র জন্য খেপ মেনেজ করতে পারছেন না অথবা যারা খেপ খুজছেন, তারা এই পেইজের wall a post koren, আসা রাখি আপনি আপনার সমস্যার সমাধান পাবেন।

08/06/2015

বৈশাখের খরতাপদগ্ধ আবহাওয়া দুর্বিষহ
করে তুলেছে জীবন। সব জায়গায় কেমন যেন
অস্থিরভাব। এ থেকে স্বস্তি পেতে কিছু বিষয়ের ওপর
খেয়াল রাখা অপরিহার্য।
নিয়মিত গোসল : দিনে অন্তত দুবার গোসল
করতে হবে। গোসলের সময় বডি স্ক্রাবার ব্যবহার
করতে পারেন। এতে শরীরের
ধুলোময়লা সহজে পরিষ্কার হবে। গোসলের সময়
ঘাড়, পায়ের অংশ ও আন্ডারআর্ম
ভালো করে পরিষ্কার করতে ভুলবেন না। কারণ
শরীরের এই অংশগুলো থেকেই সাধারণত দুর্গন্ধের
সৃষ্টি হয়। চন্দন, গোলাপ বা অ্যালোভেরার
মতো প্রাকৃতিক উপাদান সমৃদ্ধ সাবান বা শাওয়ার
জেল ব্যবহার করুন। এই প্রাকৃতিক
উপাদানগুলো ন্যাচারাল কুল্যান্ট হিসেবে কাজ
করে এবং গরমের সময় ত্বকের সমস্যা কম
রাখতে সাহায্য করে।
ডিওডোরেন্ট : বেশির ভাগ ডিওডোরেন্টই
অ্যান্টি পারস্পিরেন্টের কাজ করে। গরমের সময়
রোল অন ডিওডোরেন্টের
চেয়ে স্প্রে ডিওডোরেন্টই ভালো। তবে খেয়াল
রাখুন, আপনি যে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করছেন
তা মাইল্ড কিনা। শরীর ঘাম নিঃসরণ
করে স্বাভাবিকভাবেই নিজেকে ঠাণ্ডা রাখে। তাই খুব
কড়া অ্যান্টি পারস্পিরেন্ট ব্যবহার করে ঘাম নিঃসরণ
বন্ধ করে দেয়া ঠিক নয়।
পাউডার ও পারফিউম : গরমের সময় ফ্রেশ থাকার
জন্য অনেকে ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করে থাকেন।
ট্যালকম পাউডার
ব্যবহারে সাময়িকভাবে শরীরে দুর্গন্ধের
সমস্যা কিছুটা কমে যায়। কিছুক্ষণের জন্য ঘাম
শুকিয়ে ফ্রেশ থাকতে সাহায্য করে ট্যালকম পাউডার।
গরমের সময় হালকা সুগন্ধের পাউডার উপযুক্ত। উগ্র
গন্ধের পারফিউম মাথাব্যথার
মতো সমস্যা তৈরি করে।
মাস্ক : গরমের সময় ত্বকে অনেক ধরনের
সমস্যা দেখা দেয়। রোদ থেকে ত্বক লাল হয়ে যায়
এবং র্যাশ বেরোয়। এজন্য দরকার সামার মাস্ক। ১
টেবিল চামচ মধুর সঙ্গে ১০ থেকে ১৫ ফোঁটা লেবুর
রস, ১ টেবিল চামচ ময়দা ও গোলাপজল
মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
রোদে পোড়া ত্বকে লাগান টক দই ও ময়দার
মিশ্রণ। এটাও ত্বকের সমস্যা কমায়।dr.admin

06/06/2015

গরমে শিশুরা বড়দের তুলনায় অনেক বেশি ঘেমে যায়। এ সময় মৌসুমজনিত নানারকম সমস্যাও দেখা যায়। গরমে শিশুর বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। এ সময় শিশুর খাওয়া-দাওয়া, গোসল ও পোশাক নির্বাচনের সময় মায়েদের বিশেষ যত্নবান হতে হবে। শিশুর প্রতি বিশেষ যত্ন নিলে এসব সমস্যা সহজেই এড়ানো সম্ভব।
প্রয়োজনীয় কিছু পরমার্শ
ক. গরমে শিশুকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে এবং ধুলাবালি থেকে যতটা সম্ভব দূরে রাখতে হবে।
খ. বাইরে বের হলে শিশুর জন্য বিশুদ্ধ খাবার পানি সবসময় সঙ্গে রাখতে হবে।
গ. শিশু ঘেমে গেলে ঘাম মুছে দিতে হবে। শরীরের ঘাম শুকিয়ে গেলে শিশুর ঠাণ্ডা লাগতে পারে।
ঘ. গরমে যতটা সম্ভব শিশুকে নরম খাবার খাওয়ানো ভালো।
ঙ. শিশুর ত্বক পরিষ্কার রাখতে হবে, যেন র্যাশ জাতীয় সমস্যা না হয়।
চ. গরমে শিশুকে প্রচুর পানি খাওয়াতে হবে, যেন প্রস্রাবের পরিমাণ স্বাভাবিক থাকে।
ছ. সদ্যজাত শিশুদের সবসময় ঢেকে রাখতে হবে, যেন তাদের শরীর উষ্ণ থাকে। তবে খেয়াল রাখতে হবে সে যেন ঘেমে না যায়।
গরমে শিশুদের সাধারণত যে সমস্যাগুলো বেশি হয়ে থাকে যা হচ্ছে জলবসন্ত, র্যাশ বা ফুসকুড়ি, পেট খারাপ, চামড়ার অসুখ, ঠাণ্ডার সমস্যা।
জলবসন্ত বা চিকেন পক্স
এ সময়টায় শিশুদের জলবসন্ত হয়ে থাকে। এটা সাধারণত ১-৫ বছরের শিশুদের বেশি হয়। তবে চিকেন পক্সের টিকা নেয়া থাকলে এ রোগটি হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশে কমে যায়। এ অসুখের সময় শিশুর বিশেষ যত্ন নিতে হবে। তাকে নরম সুতি কাপড় পরাতে হবে। তরল বা নরম জাতীয় খাবার খাওয়াতে হবে। বেশি করে পানি খাওয়াতে হবে। এর সঙ্গে অবশ্যই মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে।
চামড়ার র্যাশ বা ফুসকুড়ি –
শিশুদের ক্ষেত্রে এ সম্যাটা বেশি দেখা যায়। এটা সাধারণত ঘামাচি বা চামড়ার ওপরে লাল দানার মতো ফুসকুড়ি হয়ে থাকে। এ র্যাশ বা ফুসকুড়ি চুলকানোর কারণে শিশুকে অবশ্যই পরিষ্কার রাখতে হবে। নিয়মিত গোসল করিয়ে পরিষ্কার জামা পরাতে হবে। ফুসকুড়ির জায়গাগুলোয় বেবি পাউডার লাগাতে পারেন। এতে চুলকানি কিছুটা কমে যাবে। প্রতিবার কাপড় বদলানোর সময় শিশুকে নরম ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে পাউডার লাগিয়ে দিতে হবে। অনেক সময় ডায়াপায়ের কারণেও হতে পারে তাই খেয়াল রাখতে হবে, ভেজা ডায়াপার যেন শিশুর গায়ে বেশিক্ষণ না থাকে। ডায়াপার নষ্ট হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে তা খুলে নতুন ডায়াপার পরিয়ে দিন। তবে গরমের সময় বেশিক্ষণ ডায়াপার না পরিয়ে রাখাই ভালো। অনেক সময় র্যাশ বেশি হয়ে গেলে ঘা হয়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
পেট খারাপ
গরমের সময় সাধারণত বেশি হয়ে থাকে যা তা হচ্ছে পেট খারাপ। শিশুর পেট খারাপ হলে তাকে ঘন ঘন স্যালাইন খাওয়াতে হবে। সেই সঙ্গে পানি অথবা ডাবের পানি খাওয়াতে হবে। একইসঙ্গে তাকে তরল খাবারও দিতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত শিশুর পায়খানা স্বাভাবিক না হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত এ নিয়ম মেনে চলতে হবে।
লক্ষ্য রাখতে হবে যেন শিশুর পানিশূন্যতা না হয় এবং তার প্রস্রাবের পরিমাণ স্বাভাবিক থাকে। এছাড়া শিশুর পায়খানার সঙ্গে যদি রক্ত যায় তবে অবহেলা না করে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। ছয় মাস বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এ সময় কোনো অবস্থায়ই মায়ের দুধ বন্ধ করা যাবে না। সেই সঙ্গে পানি ও অন্যান্য খাবারও দিতে হবে।
ঠাণ্ডার সমস্যা
গরমে শিশুদের ক্ষেত্রে ঠাণ্ডার সমস্যাটাও বেশি হতে দেখা যায়। গরমে অতিরিক্ত ঘামের ফলে ঠাণ্ডা লেগে যেতে পারে। তাই শিশু ঘেমে গেলে সঙ্গে সঙ্গে তার শরীর মুছে দিয়ে কাপড় বদলে দিতে হবে। গরমে শিশুকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে এবং তাকে সবসময় পরিষ্কার রাখতে হবে। এ সময় ঠাণ্ডা লেগে শিশুর মামস হতে পারে। মামস অনেক সময় অল্পদিনে সেরে যায়। কিন্তু বেশিদিন গড়ালে শিশুকে এমএমআর ইঞ্জেকশন দেয়া হয়। এছাড়া বিশেষজ্ঞের পরমার্শমতো ব্যবস্থা নিতে হবে।

Dr.Admin

06/06/2015

সারাদেশে তীব্র তাপদাহ বয়ে চলছে। এর মধ্যে হুটহাট কালবৈশাখী কিংবা খানিকটা বৃষ্টির দেখা মিললেও শেষ পর্যন্ত গরম পিছু ছাড়ছে না। বাতাসে অস্বাভাবিক আর্দ্রতা, গ্রীষ্মের কাঠফাটা রোদ। সব মিলিয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ। তীব্র গরমে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা ও রোগব্যাধি বাড়ছে। ঘামাচি কিংবা পানিস্বল্পতার মতো সমস্যা কমবেশি সবারই হচ্ছে। কেউ কেউ হিটস্ট্রোকের মতো সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন। এর সঙ্গে অবসাদ, অ্যালার্জি, সূর্যরশ্মিতে চামড়া পুড়ে যাওয়া, হজমের অভাবে বমি বা ডায়রিয়াজনিত রোগ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। গরমের কারণে সবচেয়ে বেশি যে সমস্যা হয়, তা হলো পানিস্বল্পতা। প্রচুর ঘামের কারণে পানির সঙ্গে সঙ্গে শরীর থেকে প্রয়োজনীয় লবণও বেরিয়ে যায়। ফলে শরীরের রক্তচাপ কমে যায়, দুর্বল লাগে, মাথা ঝিমঝিম করে। পানিস্বল্পতা গরমে সাধারণ সমস্যা হলেও অবহেলা করলে তা মারাত্মক হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তি, যারা বাইরে কাজ করেন, প্রয়োজনমতো পানি পান করার সুযোগ পান না, তারাই মারাত্মক পানিস্বল্পতায় আক্রান্ত। এ ক্ষেত্রে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া এবং কিডনির সমস্যা হওয়াও বিচিত্র নয়। গরমে এসব সমস্যা থেকে বেঁচে থাকার জন্য যা করতে হবে তা হলো, প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়া ও যথাসম্ভব ঘরের ভেতরে বা ছায়াযুক্ত স্থানে থাকতে হবে। বাইরে বের হলে সরাসরি রোদ যত সম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। প্রয়োজনে টুপি বা ছাতা ব্যবহার করতে হবে। পরনের কাপড় হতে হবে হালকা, ঢিলেঢালা, সুতির। শরীরের উন্মুক্ত স্থানে সম্ভব হলে সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে, যা রোদে পোড়া থেকে সুরক্ষা দেবে। প্রচুর পানি ও অন্যান্য
তরল পানীয় পান করতে হবে। যেহেতু ঘামের সঙ্গে পানি ও লবণ দুই-ই বেরিয়ে যায়, সেহেতু লবণযুক্ত পানীয়, যেমন_ খাবার স্যালাইন বেশি করে পান করতে হবে। অবশ্যই বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করতে হবে। চা ও কফি যথাসম্ভব কম পান করা উচিত। প্রয়োজনমতো গোসল করতে হবে এবং শরীর ঘাম ও ময়লামুক্ত রাখতে হবে। সাধারণ খাবার, যেমন_ ভাত, ডাল, সবজি, মাছ ইত্যাদি খাওয়াই ভালো। খাবার যেন টাটকা হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। গরমের সময় বেশি মসলাযুক্ত খাবার ও রাস্তায় বিক্রি হওয়া খোলা খাবার এড়িয়ে চলুন। ডায়রিয়া, বদহজমের সমস্যা প্রায়ই লেগে থাকে। এগুলোর হাত থেকে রেহাই পেতে হলে ফোটানো পানি পান করতে হবে। কোনো কিছু খাওয়ার আগে অবশ্যই হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এগুলোও স্বাস্থ্য সুরক্ষার পূর্বশর্ত।

Dr.Admin

06/12/2014

আবদুল গাফফার রনি
অন্ধ বিশ্বাস আর কু-সংস্কারের
বিষবাষ্প ছড়িয়ে আছে আমাদের
সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে। এর
ফায়দা লোটে একশ্রেণির অসাধু
ব্যবসায়ী। সেই পুরাকাল থেকে আজ
পর্যন্ত তান্ত্রিক, সাধু, পীর, ফকিরের,
হেকিম, কবিরাজ, হকার থেকে শুরু
করে স্যুট-টাই পরা আধুনিক
চিকিৎসকের বেশ ধরে এরা ঘুণপোকার
মতো কুরে কুরে খাচ্ছে আমাদের
সমাজের মেরুদণ্ডকে। তাই আজ পর্যন্ত
নিজের পায়ে ঠিক শক্ত
হয়ে দাঁড়াতে পারেনি আমাদের
সমাজ।
যে বয়সে ছেলেমেয়েরা মহাকাশযান
চড়ে গ্রহান্তরে পাড়ি দেয়ার স্বপ্ন
আঁকবে, ঠিক সেই সময়ে আমাদের
তরুণরা সুবেশধারী ভণ্ডদের
খপ্পরে পড়ে যৌনরোগ
নিয়ে মাথা ঘামাতে গিয়ে নিজের
দৈহ্যিক ও মানসিক উভয়
সৃজনশীলতাকেই
পায়ে মাড়িয়ে জাতির
ভবিষ্যতকে শপে দিচ্ছে কুসংস্কারের
আস্তাকুঁড়ে।
এটা ঠিক, বিজ্ঞানের অগ্রগতির
সাথে সাথে আমাদের সমাজের অনেক
কুসংস্কারই বিদায়
নিয়েছে বা নেয়ার পথে। কিন্তু যৌন-
সমস্যার ক্ষেত্রে সমাজ বিংশ
শতাব্দীর শুরুতেও যেখানে ছিল আজও
পড়ে আছে সেই তিমিরেই। এর কারণ,
ভণ্ডচিকিৎসকেরা বিজ্ঞানের
সুফলকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের
স্বার্থ চরিতার্থ করছে। বিশেষ করে,
স্বার্থ হাসিলের মাধ্যম
হিসেবে পত্রিকা আর
টেলিভিশনকে লাগাতে পেরেছে সুচা
আমাদের সমাজে সবচেয়ে বড়
কুসংস্কার যৌনতা নিয়ে।
আরো নির্দিষ্ট করে বললে—হস্তমৈথুন
ও স্বপ্নদোষ নিয়ে। এগুলো শুরু হয়
বয়োসন্ধিক্ষণে, শেষ হয় না কখনো।
ছেলেদের ক্ষেত্রে বয়োসন্ধিক্ষণের
শুরু ১৩-১৪ বছর বয়সে, মেয়েদের
ক্ষেত্রে দু-এক বছর এদিক ওদিক
হতে পারে। এসময় হঠাৎ করেই
ছেলেমেয়েদের শারীরিক গঠনের দ্রুত
পরিবর্তন ঘটতে শুরু করে। পরিবর্তন
আসে যৌন-সংশ্লিষ্ট বিশেষ
অঙ্গগুলোতেও। সেই সাথে আগমন
ঘটে যৌন অনুভূতির।
মেয়েরা ঋতুপ্রাপ্ত হয়, ছেলেরা হয়
বীর্যবান। কিন্তু হঠাৎ শরীরের
পরিবর্তন বেশ জোরালো প্রভাব
ফেলে কিশোর-কিশোরীদের মনে।
নানা-রকম জিজ্ঞাসা,
চিন্তা আচ্ছন্ন
করে করে তোলে তাদের মনকে। কিন্তু
প্রশ্নগুলির উত্তর দেবে কে? বাবা?
তিনি ভীষণ রাশভারী মানুষ।
তবে কি মা? ছিঃ ছিঃ কী লজ্জা,
তাঁর কাছে এসব জিজ্ঞেস করা যায়!
তাহলে কি চাচা-চাচি, খালা, মামা?
উহু, এসব কথা মুখে আনতেই লজ্জা,
তো জিজ্ঞেস করবে কি! দাদা-
দাদি কিংবা নানা-নানিকে অবশ্য
অনেকে জিজ্ঞেস করতে পারে। কিন্তু
তাদের কাছে সঠিক
উত্তরটা যে পাওয়া যাবে তার
গ্যারান্টিই বা কে দেবে? বন্ধু-
বান্ধবিকে জিজ্ঞেস
করা যেতে পারে। কিন্তু একই
সমস্যা তো তাদেরও।
তাহলে উপায়?
উপায় বাতলাতে পারে হাটের হকার,
গাঁয়ের কবিরাজ কিংবা রাস্তার
মোড়ে ‘কামসূত্র’ জাতীয় যেসব চটি বই
পাওয়া যায় সেগুলো। সুতারাং এরাই
ভরসা।
কিন্তু কী শেখায় এরা?
একটা তালিকা করে ফেলতে পারি—
১. সাত ফোঁটা (মতান্তরে ৭০ ফোঁটা)
রক্ত থেকে এক ফোঁটা বীর্য তৈরি।
তাই বীর্যের অপচয় মানে রক্তের
অপচয়।
২. যেহেতু হস্তমৈথুন আর
বা স্বপ্নদোষের ফলে বীর্যের অপচয়
হয়, তাই এতে যারা অভ্যস্ত
তারা অচিরেই রক্তস্বল্পতায় ভুগবে।
৩. যারা হস্তমৈথুনে অভ্যস্ত
বা স্বপ্নদোষে আক্রান্ত তাদের
মুখোমণ্ডল ভেঙে যায়, চোখ
গর্তে বসে যায়, চোখের
নিচে কালি পড়ে।
৪. হস্তমৈথুন চালিয়ে গেলে বা স্বপ্ন
দোষ বন্ধ না হলে, ভবিষ্যতে কিছু
কঠিন রোগের আক্রান্ত হবার
সম্ভাবনা ১০০%। যেমন, গণোরিয়া,
সিলিফিস, যৌনাঙ্গে পাথর,
ডায়াবেটিস, ধ্বজভঙ্গ ইত্যাদি।
এগুলো থেকে ভবিষ্যতে আরো দুটি ভয়ঙ্
রোগের নিশ্চয়তা ভণ্ডরা দেবে।
কিডনি বিকল ও যৌনাঙ্গে ক্যান্সার।
আর ফলফল ১০০% অকাল মৃত্যু!
৫. হকাররা মুখে বলবে যৌনরোগের
শেষ পরিণতি কিডনি বিকল
হয়ে যাওয়া রোগিদের শতকরা ১০০
জনই অকাল মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে,
কিন্তু উদাহরণ দেয়ার সময়
সারা দেশেরে সব হকার শুধু
একটা নামই বলবে। চিত্র-নায়ক জাফর
ইকবাল।
পাঠক, চিত্র-নায়ক জাফর ইকবাল
কিডনি বিকল হয়ে মরেছিলেন বটে।
আজ থেকে বছর বছর বিশেক আগে।
কিন্তু তার মৃত্যুর কারণ হস্তমৈথুন
বা স্বপ্নদোষ ছিল না, তা ধ্রুব তারার
মতো সত্যি। আসলে অতি জনপ্রিয়তায়
বুঁদ হওয়া মানুষদের কেউ কেউ
সে জনপ্রিয়তা হজম করতে পারেন না।
অনিয়ন্ত্রিত উশৃঙ্খল জীবন-
যাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। জাফর
ইকবালের মৃত্যর কারণও জনপ্রিয়তা।
তখনকার পত্রিকাগুলোর
কোনো কপি উদ্ধার
করতে পারলে আমার কথার
সত্যতা মিলবে।
সাতফোঁটা রক্ত
থেকে একফোঁটা বীর্য তৈরি হয়—এ
তথ্যটা একদম ভুঁয়া। বীর্যের উৎসস্থল
অণ্ডকোষ। ব্রেন থেকে একধরনের হরমন
নিঃসরণ হয় অণ্ডকোষে। সেই হরমন
থেকেই বীর্যকণার সৃষ্টি। আর ওই হরমন
তৈরি হয় শরীরের আর সব উপাদান
যা দিয়ে তৈরি অর্থাৎ খাদ্য ও
পানি দিয়ে। রক্ত শুধু সেই
হরমনকে মস্তিষ্ক
থেকে অণ্ডকোষে চালান করতে পারে,
বীর্য তৈরি করে না।
বয়োসন্ধিক্ষণের পরে শরীরে আর সব
উপাদানের মতোই নিয়মিত বীর্যরস
তৈরি হয়। স্বাভাবিকভাবেই
যৌনানুভূতি প্রবল হতে শুরু করে। কিন্তু
সামাজিক আর ধর্মীয় অনুশাসন
তো ছেলেমেয়েদের অবাধ যৌনমিলন
অনুমোদন করে না। তাহলে কোথায়
যাবে বীর্যথলি বা অণ্ডকোষে জমা হও
নিশ্চয় সেগুলো এমনি এমনি শরীর
থেকে লোপাট হয়ে যাবে না। অনবরত
জমা হতে থাকলে অণ্ডকোষের ধারণ
ক্ষমাতাও ফুরিয়ে যাবে একসময়।
ফলে তখন আরো তীব্র
হবে যৌনানুভূতি। তখন হয়
তাকে হস্তমৈথুন করে বের করতে হবে,
নয়তো রাত্রে ঘুমের
ঘোরে স্বপ্নদোষের
মাধ্যম্যে বেরিয়ে যাবে। আর
যারা বেশি দুর্ভাগা, যাদের
স্বপ্নদোষ হয় না নিয়মিত; হকার,
কবিরাজ পরামর্শে বা সামজিক
অনুশাসনের
ভয়ে যারা হস্তমৈথুনে অপারগ, তাদের
বীর্যপাতের একটাই রাস্তা—
কোনো সুখানুভূতি ছাড়াই প্রসাবের
সাথে বীর্য বেরিয়ে আসা। হকার-
কবিরাজরা তখন এর গালভরা নাম দেয়
‘ধাতুভাঙা রোগ’।
এ নাকি ভয়ঙ্কর এক রোগ।
যারা একবার আক্রান্ত হয় তাদের
জীবন
থেকে নাকি চিরতরে নির্বাসিত হয়
যৌনসুখ। তার ভবিষ্যত দাম্পত্য জীবনও
স্থায়ী হওয়ার সম্ভবনা ০%!
কী অদ্ভুত আবিষ্কার! একবার ভাবুন
তো, ধর্ম-সমাজ, কুচিকিৎসার
ভয়ে আপনি হস্তমৈথুন করবেন না,
স্বপ্ন দোষ যাতে না হয় সেজন্য
তাবিজ-কবচ নেবেন,
পানিপড়া খাবেন আবার প্রস্রাবের
সাথে বীর্য নির্গত হলেও
তাকে ‘মহারোগ’ আখ্যায়িত করবেন—
তাহলে বেচারা বীর্যকণাগুলো যাবে
আগেই বলেছি ১৩-১৪ বছর
বয়সে শরীরে দ্রুত বৃদ্ধি ঘটে। বিশেষ
করে উচ্চতা। তাই এই সময় স্বাভাবিক
খাবার পর্যাপ্ত খেলেও শরীরের
অন্যান্য বৃদ্ধিগুলো উচ্চতা বৃদ্ধির
সাথে সাথে তাল
মিলিয়ে চলতে পারে না। তাই ওই
সময়টাতে ছেলেমেয়ের
কিছুটা রোগাটে হয়ে যায়। এতে ভয়
না পেয়ে,
খাদ্যগ্রহণটা পর্যাপ্তভাবে চালিয়ে গ
আর কোনো টেনশন করার দরকার নেই।
আর চোখমুখ
বসে যাওয়া কিংবা চোখের
নিচে কালি পড়া হলো অনিদ্রা আর
দুশ্চিন্তার মিলিত ফল। সামাজিক
কিংবা ধর্মীয় অনুশাসনের জন্যই
হস্তমৈথুনের পর একটা অপরাধবোধ
কাজ করে বয়োসন্ধিক্ষণের
ছেলেমেয়েদের। একদিকে তীব্র
যৌনানুভূতির
কারণে তারা হস্তমৈথুনকে ছাড়তেও
পারছে না, অন্যদিকে এটাকে অপরাধ
বা ভবিষ্যতে যৌনরোগের আমন্ত্রক
মনে করে দুশ্চিন্তায় রাতের ঘুম
হারাম করছে। হস্তমৈথুনকে জীবনের
আর দশটা স্বাভাবিক কাজ
মনে করলেই এই শারীরিক
ক্ষতিটা কিন্তু এড়ানো যায়।
ডাক্তাররা রোগ নির্ণয়
করতে রোগিকে যেমন প্রশ্ন করেন,
তেমনি কিছু প্যাথলজিকাল টেস্টের
শরণাপন্ন হন। কিন্তু হকার-কবিরাজের
কাছে প্যাথলজিকাল যন্ত্র দূরে থাক,
পেটে বিদ্যেই নেই! তাই কিছু
ছকবাঁধা প্রশ্নের আশ্রয় নেয় তারা।
এখন আমরা চোখ
বুলিয়ে নিতে পারি কী সেই
প্রশ্নগুলো :
১.
আপনি কি বর্তমানে হস্তমৈথুনে অভ্যস্
অথবা আগে কখনো অভ্যস্থ ছিলেন?
২. বসে থাকা অবস্থা থেকে হঠাৎ
উঠে দাঁড়ালে কি চোখে অন্ধকার
দেখেন, মাথা ঝিম ঝিম করে?
৩. দিনে কি তিন বারের
বেশি প্রস্রাব হয়?
৪. প্রস্রাবে কি জ্বালা-পড়া আছে?
বা কখনো ছিল?
অথবা মাঝে মাঝে জ্বালাপোড়া করে
৫. নির্গত হওয়ার সময় প্রস্রাব কি দুই
ধারায় পড়ে?
৬. প্রসাবের শেষ
দিকে এসে কি শরীরে ঝাঁকুনি দেয়?
৭. প্রস্রাবের শেষ
দিকে এসে কি প্রসাব ফোঁটায়
ফোঁটায় পড়ে?
৮.
পানি দেখলে কিংবা পানিতে নামল
বেগ আসে?
৯. আপনার বীর্য কি অতি তরল?
কিশোর ও তরুণ পাঠক একবার বুকে হাত
দিয়ে বলুন তো, প্রশ্নগুলোর উত্তর
আপনি কী দেবেন? আমার
ধারণা যদি ভুল না হয় অধিকাংশই এই
নয়টি প্রশ্নের একই উত্তর দেবেন।
সেটা হলো, ‘হ্যাঁ।’
হকার কবিরাজরা কিন্তু আপনার ‘হ্যাঁ’
শুনে একেবারে আকাশ থেকে পড়ার
ভাণ করবে। মুখোমণ্ডলে আতংকের
রেখা ফুটিয়ে বলবে, ‘বলেন কি মশায়?
নির্ঘাত আপনার মুত্রনালীতে পাথর
হয়েছে। ছোট্ট ছোট্ট পাথর।’
এরপর সে যুক্তি দেখিয়ে বলবে,
মুত্রনালীতে পাথর আটকে আছে বলেই
প্রসাব দুই ধারায় বের হয় এবং শেষ
দিকে এসে ফোঁটায় ফোঁটায় পড়ে।
রোগি যুক্তি শুনে ভাববেন, ঠিকই তো!
কিন্তু হকারের যুক্তিতে মুগ্ধ
রোগি একবারও ভাববেন না, এই
যুক্তিতে না হয় প্রসাবের দুই
ধারা কিংবা প্রসাব ফোঁটায়
ফোঁটায় পড়ার ব্যাখ্যা পাওয়া গেল।
বাকি প্রশ্নগুলোর পেছনের
কারণগুলো কী? হকার তার কথার
মারপ্যাঁচে, নানা গল্প শুনিয়ে প্রসঙ্গ
এমন দিকে নিয়ে যায় রোগির তখন
অতশত ভাবার অবকাশ থাকে না।
মজমা থেকে হকারের ওষুধ
নিয়ে তবে বাড়ি ফেরেন।
এখন আমরা প্রশ্নগুলোর
ব্যাখ্যা করা যায়
কিনা দেখতে পারি :
প্রথমেই আসা যাক
বসা থেকে উঠে দাঁড়ানোর
ব্যাপারটায়। মানুষ যখন এক
ভঙ্গিতে বসে থাকে, তখন শরীর ও
মনের একটা স্থিরতা আসে। সেই
অবস্থা থেকে হঠাৎ যখন উঠে দাঁড়ায়
তখন সেই স্থিরতায় ব্যাঘাত ঘটে।
ফলে ব্রেন ও মনের বোঝাপড়ায়
সাময়িক ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়।
ফলে নিউরণে তালগোল পাঁকিয়ে যায়।

ব্যাপারাটা অনেকটা থেমে থাকা বা
মতো। থেমে থাকা বাস হঠাৎ
চলতে শুরু করলে যেমন
যাত্রীরা ভারসাম্য হারিয়ে পেছনের
দিকে হেলে পড়ে, এখানেও শরীর-
মনের ভারসাম্যে ব্যাঘাতের
কারণে মাথা ঝিম ঝিম করে,
চোখে সাময়িক অন্ধকার
দেখা বা সর্ষেফুল দেখার
মতো ঘটনা ঘটে।
এরপর হলো, দিনে আপনি কতবার
প্রসাব করবেন? আপনার
যদি ডায়েবেটিস না থাকে,
তবে দিনে তিনবারের বেশি কেন,
বহুবার প্রস্রাব করলেও তেমন
সমস্যা হওয়ার কথা নয়।
আসলে ডায়েবেটিস
ছাড়া আরো কয়েকটা কারণে ঘন ঘন
প্রস্রাব হতে পারে। যেমন শরীর
চড়া হওয়া, পানি বেশি খাওয়া বা কম
খাওয়া।
বেশি পানি খেয়ে যদি বেশি প্রস্রাব
হয় তাতে ক্ষতির তো কিছু দেখি না।
আবার পানি কম খেলেও ঘন ঘন
প্রস্রাব হয়। কথাটা অদ্ভুত শোনালেও
কিন্তু সত্য। আপনি কয়েকদিন
যদি পানি কম খান তো খেয়াল
করবেন, আপনার প্রস্রব হলুদ হলুদ হবে,
প্রস্রাব একবারে অনেক
পরিমাণে নির্গত
না হয়ে বারে বারে প্রস্রাবের বেগ
পাবে এবং প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া কর
এক্ষেত্রে একটু বেশি পানি খেলেই
সমস্যার সমাধান!
পুরুষের যৌনাঙ্গের ছিদ্রটা নলের
মতো গোল নয়, বরং চ্যাপ্টা। তাই
যৌনাঙ্গের ছিদ্রটামুখটাও
চ্যাপ্টা ধরনের। যখন
যৌননালী বেয়ে প্রস্রাব নির্গত হয়,
তখন নালীটা ফাঁকা এবং গোলাকার
হয়ে যায়। স্বাভাবিক অবস্থায়
মুত্রনালীর মুখ অনেকটা ঠোঁটের
মতো। অন্যসময় ঠোঁট দুটোর অগ্রভাগ
পরস্পরের সাথে লেগে থাকে।
লেগে থাকা অংশের দুই
পাশে দুটো আলাদা ছিদ্রের
মতো দেখা যায়। প্রস্রাব নির্গমনের
গতি যখন কম থাকে, তখন শুধু ওই দুই
ছিদ্র দিয়ে নির্গত হয়। তাই মনে হয়,
দুই ধারায় প্রস্রাব পড়ছে। কিন্তু
প্রস্রাবের গতি যখন বেশি থাকে তখন
যৌনাঙ্গের ঠোঁট দুটো পরস্পর
থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
ফলে তাদের দুই পাশের ছিদ্রও তখন এক
হয়ে যায়। অতএব ভয় পাবার কিছু নেই।
প্রস্রাবের শুরু ও শেষের দিকেই
প্রস্রাবের গতি কম থাকে, তাই দুই
ধারায় পড়ে।
প্রস্রাবের সময় শরীরের ভেতর
ঝাঁকুনি দেয়ার কারণটা আমার
অজানা। তবে তরুণ পাঠকদের অভয়
দিয়ে বলতে পারি এটাও শরীরের খুবই
সাধারণ একটা প্রক্রিয়া, এতে ভয়
পাবার কিছু নেই।
প্রস্রাবের শেষ দিকে এসে ফোঁটায়
ফোঁটায় মুত্র নির্গত হয়—এটাও খুব
স্বাভাবিক ব্যাপার।
যে কোনো পাত্রে পানি বা কোনো ত
পদার্থ রেখে পাত্রের
নিচে একটা ফুঁটো করে দিন।
কী দেখছেন? পানি যখন
বেশি থাকে তখন ফুটো দিয়ে প্রচণ্ড
ধারায় পানি নিচে পড়ে। কিন্তু যখন
পাত্রে পানি একেবারে শেষ
পর্যায়ে এসে পড়ে, তখন কিন্তু আর
ধারা ধাকে না, পানি ফোঁটায়
ফোঁটায় পড়তে থাকে। এর কারণ,
পাত্রে যখন পানি বেশি থাকে তখন
পাত্রে পানির ঘনত্ব খালি অবস্থার
ঘনত্বের চেয়ে অনেক বেশি। তাই
পাত্রের ভেতরে চাপটাও
বেশি থাকে। তখন পানি দ্রুত ধারায়
নির্গত হয়। কিন্তু যখন পানি প্রায়
শেষ হয়ে যায়, তখন পাত্রের
খালি জায়গাটা বাতাসে ভরে যায়।
কে না জানে, বাতাসের ঘনত্ব পানির
চেয়ে বহু কম! তখন পাত্রের অভ্যন্তরীণ
চাপ যায় কমে। তাই পানির শেষ
বিন্দুগুলোর আর অঝর ধারায় পড়ার
তাগিদ থাকে না। ফোঁটায় ফোঁটায়
পড়ে। আমাদের মুত্রথলিও তরল আধার
বৈ তো কিছু নয়!
পরিবেশের চেয়ে তুলনামূলক ঠাণ্ড
পানিতে অনেকেরই প্রস্রাবের বেগ
আসে। এটা আসলে স্নায়ুবিক বিষয়।
ঠাণ্ডা পানির
সংস্পর্শে এলে আমাদের শরীরের
নার্ভ
সিস্টেমগুলো অনেকটা ঢিলা হয়ে যায়।
ফলে মূত্র থলি থেকে মুত্র মুত্রনালীর
অনেকটা কাছাকাছি চলে আসে। আর
মুত্র মুত্রনালীর
কাছাকাছি আসা মানেই প্রস্রাবের
বেগ অনুভূত হওয়া। অনেকের শরীর একটু
বেশি সেনসেটিভ। তাঁরা যখন
ঠাণ্ডা পনিতে নামার কথা ভাবেন,
তখনই মস্তিষ্ক
একটা শিরশিরে অনুভূতির খবর
পেয়ে যায়। ফলে পানিতে নামার
আগেই শিথিল
হয়ে পড়ে স্নায়ুকোষগুলো।
সুতারাং প্রসাবের বেগ অনুভূত হয়।
তাই এটা নিয়েও আতঙ্কিত হবার কিছু
নেই।
বীর্যতারল্যও শরীরের জন্য বড়
হুমকি নয়। একটটানা কয়েকদিন
স্বপ্নদোষ বা অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের
ফলে স্বাভাবিক বীর্য উৎপাদন ব্যহত
হতে পারে। তখন সাময়িক বীর্যতারল্য
অস্বাভাবিক কোনো ব্যাপার নয়।
তাছাড়া পর্যাপ্ত পানির
অভাবে বীর্য তারল্য
দেখা দিতে পারে। তাই বীর্য
তারল্যে আতঙ্কিত না হয়ে একটু
বেশি পানি খেলে কিংবা হস্তমৈথুন
কয়েকদিন বন্ধ রাখলে বীর্য আবার
স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।
তারপরও সাবধানের মার নেই। যৌন
বিষয়ক কোনো সমস্যা যদি দীর্ঘদিন
ধরে চলতে থাকে তখন
অবহেলা না করে একজন যৌনরোগ
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিলেই খুব
সহজ্যে রোগমুক্ত হওয়া যায়। তবে ভুল
করেও কেউ কবিরাজ, হকারের পাল্লায়
পড়বেন না। তারা প্রথমে আপনার
মগজ ধোলায় করবে। তারপর
কোনোরকম ফার্মাসি জ্ঞানহীন
লোকের হাতে বানানো পচা শিকড়-
বাকল কিংবা ভায়াগ্রা জাতীয়
ট্যাবলেট খাইয়ে বরং আপনার
কিডনিটাকে চিরতরে বিকল করার
ব্যবস্থা করবে। আর বিপুল অঙ্কের
আর্থিক ক্ষতির কথা না-ই-বা বললাম।
লেখাটা ম্যাগাজিনে প্রকাশ হওয়ার
পর অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন,
আদৌ কি হস্তমৈথুনের
কোনো কু’প্রভাব নেই?
এ প্রশ্নের জবাবটা শ্রদ্ধেয় বিদ্যুৎ
মিত্র তাঁর ‘যৌন বিষয়ে সাধারণ
জ্ঞান’ বইয়ে লিখেছিলেন--
বেশি কাজ করা যেমন ভাল নয়, ভাল
নয় বেশি পড়াশোনা কারাও,
তেমনি বেশি হস্তমৈথুন করাও ঠিক
নয়।
বেশি বেশি হস্ত মৈথুন করলে বেশ
কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে।
যেমন, যেহেতু বীর্য তৈরি হয়
অন্ডকোষে, তাই বেশি হস্তমৈথুনের
ফলে, অণ্ডকোষে বীর্যরস
তৈরিতে ব্যাঘাত ঘটতে পারে।
বাড়তি বীর্য তৈরির চাপ
সামলাতে হিমশিম
খেতে পারে অণ্ডেকোষ।
ফলে অণ্ডথলিতে ব্যাথা হওয়া অস্বাভ
নয়। তাছাড়া মস্তিষ্কে বীর্য তৈরির
হরমোনের ঘাটতিও
দেখা দিতে পারে।
সেক্ষেত্রে মস্তিষ্কের ওপর
বাড়তি চাপ পড়ে।
ফলে মাথাব্যাথা সহ মস্তিষ্কের
নানা সাময়িক
ত্রুটি দেখা দিতে পারে।
তাছাড়া অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের
ফলে যৌনাঙ্গে ব্যাথা ও আংশিক
বিকৃতি ঘটতে পারে।
শরীর চড়া অবস্থায় হস্তমৈথুন করলে,
প্রসাবে জালাপোড়া বেড়ে যায় খুব
বেশিমাত্রায়। তাই হস্তমৈথুন
নিয়ন্ত্রিত ও সতর্কতার
সাথে করা উচিত।
আরো কিছু প্রশ্ন এসেছে। কেউ কেউ
বলছেন, হস্তমৈথুন কি করতেই হবে?
কেন করতে হবে?
আমাদের দেশের নাতিশিতোষ্ণ
আবহাওয়া মানুষের যৌনস্পৃহার
বাড়ানোর জন্য সহায়ক। তাই বিশ্বের
যেকোনো অঞ্চলের তুলনায় ভারতীয়
উপমহাদেশে জনসংখ্যার
ঘনত্বটা সবচেয়ে বেশি। এদেশের
ছেলেমেয়েরা অতি অল্পবয়সে যৌনতা
হয়। কিন্তু এ যুগে ১২-১৩ বছরের
ছেলেমেয়েদের বিয়ের
কথা কি ভাবা যায়? আর ভাবলেই
বা কি, অত ছোট ছেলেমেয়ের
বিয়ে দিলে শারিরিক, মানসিক,
সামজিক--সবদিকেই ক্ষতি। অতএব
যৌনতাপ্রাপ্ত এসব ছেলেমেয়েরা খুব
সহজেই হস্তমৈথুনের দিকে ঝুঁকবে--
এটা আর আশ্চর্য কী!
আরও কিছু কারণ আছে হস্তমৈথুনের।
পর্নোগ্রাফিতে সয়লাব
হয়ে গেছে আজকের বিনোদন বাজার।
আমাদের উপমহাদেশীয় বিনোদোন
ক্ষেত্রগুলোও
গা ভাসিয়ে দিয়েছে পশ্চিমা সাংস্কৃ
করাল স্রোতে। নারীদেহকে পণ্য
করেই তৈরি হচ্ছে বিনোদনের
নানা উপাদান। সুতরাং অবিবাহিত
তরুণরা হস্তমৈথুন করে নিজেদের
নিবৃত করছে যৌনাপরাধ থেকে।
আরো একটা প্রশ্ন এসেছে, হস্তমৈথেুন
কি করতেই হবে?
না করলে কি ক্ষতি আছে?
উত্তর হলো, বাধ্যবাধকতা নেই।
না করলেও কোনও ক্ষতি নেই। শুধু
যে প্রতিক্রিয়টা হবে সেটাকে ভয়
না পেলেই হলো। প্রতিক্রিয়ার
কথা আগেই বলেছি, আবারও বলছি,
হস্তমৈথুন না করলে স্বপ্নদোষ পারে,
প্রস্রাবে সাথে বীর্য নির্গত
হতে পারে। এগুলো বড়
কোনো সমস্যা নয়।
এগুলো মেনে নিয়ে কেউ
যদি হস্তমৈথুন না করে তাতে ক্ষতির
তো কিছু দেখি না!
কৃতজ্ঞতা :
১. বিদ্যুৎ মিত্র (কাজী আনোয়ার
হোসেন)
স্বত্বাধিকারী, সেবা প্রকাশনী
২. ড. এম.এ ফেরদৌস
যৌন ও চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ
৩. ড. মিজানুর রহমান কল্লোল
ইরোলজি বিশেষজ্ঞ

24/11/2014

kamon asen shobi

11/10/2014

শহুরে জীবনে দীর্ঘ সময় বসে বসে কাজ
করার কারণে ও দৈহিক পরিশ্রম কম করার
কারণে পেটে মেদ জমে যাওয়া খুব সাধারণ
একটা ব্যাপার। কিন্তু যত সহজে পেটে মেদ
জমে, এটাকে আগের অবস্থায়
ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়াটা যেন ততটাই
কঠিন। কিন্তু ছোট্ট কিছু কৌশল
জানা থাকলে আর প্রতিদিনকার কিছু সহজ
অভ্যাসের মাধ্যমে আপনি নিজেই
কমিয়ে ফেলতে পারবেন আপনার পেটের
এই বাড়িতি মেদ ভুঁড়ি!
জিমে গিয়ে টাকা নষ্ট করার কোন দরকারই
নেই।
কীভাবে? জেনে নিন ৮ টি সহজ উপায়।
ভুঁড়ি কমাবার এরচাইতে সহজ উপায় আর
হতেই পারে না!
১। রোজ সকালে এক গ্লাস গরম লেবুর
শরবতঃ
হ্যাঁ! কিন্তু একেবারেই চিনি ছাড়া। এক
গ্লাস গরম পানিতে অর্ধেকটা লেবু
চিপে নিন, এতে এক চিমটি লবণ
মিশিয়ে নিন। এবার পান করুন সকালে ঘুম
থেকে উঠেই আর রাতে ঘুমুতে যাবার ঠিক
আগে। এটি আপনার দেহের বাড়তি মেদ ও
চর্বি কমাতে সব চেয়ে ভালো উপায়!
২। সাদা ভাতের বদলে লাল চালের ভাতঃ
সাদা ভাতের বদলে বেছে নিতে পারেন
লাল চালের ভাত, ব্রাউন ব্রেড, আটার
রুটি। এতে আপনার
দেহে ক্যালোরি অতিরিক্ত ঢুকবে না।
পেটে জমা চর্বি কমে আসবে ধীরে ধীরে।
৩। চিনিযুক্ত খাবার একেবারেই নাঃ
মিষ্টি, মিষতিজাতীয় খাবার, কোল্ড
ড্রিঙ্কস এবং তেলে ভাজা স্ন্যাক্স থেক
১০০ হাত দূরে থাকুন। কেননা এ জাতীয়
খাবারগুলো আপনার শরীরের বিভিন্ন
অংশে, বিশেষত পেট ও উরুতে খুব দ্রুত
চর্বি জমিয়ে ফেলে। তাই এগুলো খাওয়ার
চেয়ে ফল খান।
৪। প্রচুর পানি পান করুনঃ
প্রতিদিন প্রচুর পানি পান করার
ফলে এটা আপনার দেহের মেটাবলিজম
বাড়ায় ও রক্তের ক্ষতিকর উপাদান
প্রস্রাবের সাথে বের করে দেয়।
মেটাবলিজম বাড়ার
ফলে দেহে চর্বি জমতে পারে না ও
বাড়তি চর্বি ঝরে যায়। চেষ্টা করুন বরফ
ঠান্ডা পানি না পান করে, খানিকটা উষ্ণ
পানি পান করার।
৫। রোজ তিন কোয়া রসুনঃ
রোজ সকালে উঠেই খালি পেটে ২/৩
কোয়া রসুন চিবিয়ে খেয়ে নিন, এর ঠিক পর
পরই পান করুন লেবুর রস। এটি আপনার
পেটের চর্বি কমাতে দ্বিগুণ
দ্রুতগতিতে কাজ করবে। তাছাড়া দেহের
রক্ত চলাচলকে আরো বেশী সহজ
করবে এটি।
৬। মসলা খানঃ
রান্নায় অতিরিক্ত মশলা ব্যবহার
করা ঠিক নয়। কিন্তু আপনি কি জানেন
কিছু মশলা আপনার ওজন কমাতে সাহায্য
করে ম্যাজিকের মতন? রান্নার ব্যবহার
করুন দারুচিনি, আদা ও গোলমরিচ।
এগুলো আপনার রক্তে শর্করার পরিমাণ
কমাবে ও পেটের মেদ কমাতে সাহায্য
করবে।
৭। প্রচুর ফল ও সবজিঃ
প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় এক
বাটি ভর্তি ফল ও সবজি খাবার
চেষ্টা করুন। এতে আপনার শরীর
পাবে প্রচুর পরিমাণে এন্টি অক্সিডেন্ট,
মিনারেল ও ভিটামিন। আর এগুলো আপনার
রক্তের মেটাবলিজম বাড়িয়ে পেটের
চর্বি কমিয়ে আনবে সহজেই।
৮। মাংস থেকে দূরে থাকুনঃ
বিশেষত অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত গরু ও খাসির
মাংস যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। এর
বদলে বেছে নিতে পারেন কম
তেলে রান্না করা মাছ।
ব্যায়াম করার সময় নেই তো হয়েছে, তাই
বলে কি ভুঁড়ি কমবে না? আজ থেকেই
মেনে চলুন উপরের নিয়মগুলো আর
ফিরে পান আপনার মেদহীন সুন্দর
স্বাস্থ্য। সুস্থ থাকুন।

11/08/2014

Safe life - নিরাপদ জীবন
ছড়িয়ে পড়ছে ইবোলা ভাইরাস:
মোকাবেলায় যা কিছু জানা জরুরি
সাম্প্রতিক সময়ে আফ্রিকা অঞ্চলের
ইবোলা ভাইরাস নিয়ে বিশ্বজুড়ে চরম এক
তোড়জোড় শুরু হয়েছে। প্রাণঘাতি এই
ভাইরাসটি আসলে কি সে সম্পর্কে আমাদের
কিছুই জানা নেই। ইবোলা ভাইরাস
সম্পর্কে জরুরি তথ্যগুলো জেনে নিন।
পশ্চিম আফ্রিকায় ছড়িয়ে পড়া এই
ইবোলা ভাইরাস প্রতিরোধে ৯০ দিনের
সতর্কতামূলক এক কর্মসূচি নিয়েছে স্বাস্থ্য
মন্ত্রণালয়। এ ব্যবস্থার অংশ হিসেবে সব
আন্তর্জাতিক স্থল,
নৌ এবং বিমানবন্দরে বিশেষ মেডিক্যাল
দল কাজ করবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার
(ডব্লিউএইচও) মান অনুযায়ী এই
ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশে যাতে এই ইবোলা ভাইরাস
ছড়িয়ে না পড়ে সে জন্যে প্রতিরোধমূলক
কার্যক্রম তদারকির জন্য স্বাস্থ্যসচিব এম এম
নিয়াজউদ্দিনের নেতৃত্বে একটি কমিটিও
গঠন করা হয়েছে।
ডব্লিউএইচওর তথ্যে জানা যায়, এ পর্যন্ত
ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৯৩২ জন
মারা গেছে। সংস্থাটির পক্ষ
থেকে ভাইরাসটি প্রতিরোধে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
ইবোলা ভাইরাস কি সেটি জেনে নিন
ইবোলা ভাইরাস জ্বর/Ebola virus disease(EVD)
বা ইবোলা হেমোরেজিক জ্বর /Ebola
hemorrhagic fever(EHF) এই ইবোলা ভাইরাস
দ্বারা মানুষের শরীরে সংক্রমিত
একটি রোগ। পশ্চিম আফ্রিকার
দেশগুলোতে এই রোগ
মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে! ১৯৭৬
সালে সর্বপ্রথম এই ভাইরাস দেখা দেয়। এরপর
ততটা না ছড়ালেও সাম্প্রতিক
সময়ে এটি মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে।
ইতিমধ্যেই বহু মানুষ মারা গেছে এই
ভাইরাসে।
বর্তমানে বিবিসি, সিএনএনসহ সকল
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের মূল বিষয়বস্তু
ইবোলা ভাইরাস! উন্নত বিশ্বগুলো এই
ভাইরাস প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক
ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে!
সংক্ষেপে এই রোগ সম্পর্কে কিছু তথ্য
জেনে নেওয়া যাক:
ইবোলা রোগের লক্ষণ
ইবোলা রোগের লক্ষণ হচ্ছে উচ্চ মাত্রার জ্বর
হওয়া। রক্তক্ষরণ এবং অনেক ক্ষেত্রেই
সেন্ট্রাল নার্ভ ডেমেজ হয়ে যায়। এ
রোগে আক্রান্ত হলে মৃত্যুর আশঙ্খা প্রায়
৯০% পর্যন্তও হতে পারে। ২১ দিন পর্যন্ত সময়
নিতে পারে এর লক্ষণ পরিলক্ষিত হতে।
কোথা থেকে আসে এই ভাইরাস
ফলখেকো বাদুর মূলত এই ভাইরাসের
প্রাকৃতিক বাহক। এখন পর্যন্ত এই রোগের
কোনো প্রতিশেধক আবিষ্কার হয়নি!
ইবোলা ভাইরাসের ৩টি ভয়াবহতা
১. এখন পর্যন্ত এই রোগটির কোনো রকম
প্রতিশেধক আবিষ্কার হয়নি।
২. এটি ছোঁয়াচে জাতীয় রোগ। সাধারণত
শরীরের অভ্যর্থরীণ তরল পদার্থের
মাধ্যমে এই রোগটি ছড়ায়।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এটি এমন একটি রোগ
যে, মৃত্যুর পর মৃত ব্যক্তির শরীরেও এই রোগের
ভাইরাস জীবিত অবস্থায় থেকে যায়। আবার
তা জীবিতো মানুষকে সংক্রামিত করার
ক্ষমতা রাখে।
৩. ১০ জন আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ৬ জনেরই
মৃত্যুর সম্ভাবনা থেকে যায়।
আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশে যদি এই
রোগটি একবার
ঢুকে পড়ে তাহলে এটি মহামারি আকারে দেখা দিয়ে ভয়াবহ
অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে। ইবোলা ভাইরাস
সম্পর্কে আতঙ্কিত না হয়ে এই রোগ
সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো আমাদের
জেনে নেওয়া উচিত।
ইবোলা ভাইরাস ব্যধি কি?
এ রোগটি একটি তীব্র ভাইরাসঘটিত রোগ
যা পূর্বে Ebola hemorrhagic fever (EHF)
নামে পরিচিত ছিলো। ইবোলা ভাইরাস
গোত্রের ৫টির মধ্যে ৩টি প্রজাতি মানুষের
শরীরের মধ্যে সংক্রমিত হয়ে গুরুতর অসুস্থ
করার ক্ষমতা রয়েছে।
তবে বাকি ২টি মানুষের জন্য তেমন ক্ষতিকর
নয়। এদের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্নক
হচ্ছে জাইরে (Zaire) নামক ইবোলা ভাইরাস
(জাইরে হচ্ছে জায়গার নাম
যেখানে সর্বপ্রথম এই
ভাইরাসে কোনো মানুষ আক্রান্ত হয়েছিল)।
এ রোগের উৎপত্তি
এ রোগের
উৎপত্তি কোথা থেকে বা কিভাবে হয়েছে তা সঠিকভাবে জানা না গেলেও
ধারণা করা হয় যে, বাদুরের দেহর্ভন্তরে এই
রোগের ভাইরাস বংশবিস্তার করে।
পরবর্তিতে মানুষ
বা স্তন্যপায়ী প্রাণী আক্রান্ত বাদুর আহার
করলে তা স্তন্যপায়ী প্রাণীর
শরীরে স্থানান্তরিত হয়। ধারণা করা হয় যে,
প্রথম মানুষ জংগলে গিয়ে এ
ভাইরাসে আক্রান্ত
কোনো একটি প্রাণীকে শিকার
করে এবং পরবর্তিতে তা ভক্ষণের
মাধ্যমে ভাইরাসটি লোকালয়ে চলে আসে।
বাদুর, শুকর অথবা কুকুর যেকোনোটি এই
ভাইরাসের বাহক হিসাবে ধরা হয়ে থাকে।
সুদানে সর্বপ্রথম মানুষের ভিতর এই রোগের
লক্ষণ ধরা দেয়। সেখানে ২৫৪ জন এ
রোগে আক্রান্ত হয়। যার মধ্যে ১৫১ জন
মারা যায়। সেখানে মৃত্যুর হার ছিল প্রায়
৫৩%।
এই রোগের লক্ষণসমূহ
ইবোলা ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার পর
সর্বোচ্চ ২১ দিন লাগতে পারে এ রোগের
লক্ষণসমূহ পরিলক্ষিত হওয়ার জন্য। এই রোগের
লক্ষণসমূহ সাধারণ ফ্লু এর মতই। সর্দি কাশি,
মাথা ব্যথা, বুমি বুমি ভাব, ডায়েরিয়া ও
জ্বর এই রোগের প্রধান উপসর্গ।
সমস্যা হচ্ছে সাধারণ ফ্লু হলেও একই লক্ষণ
পরিলক্ষিত হয়ে থাকে।
ধিরে ধিরে পানিশুন্যতা, কিডনি ও
লিভারের সমস্যা এবং রক্তক্ষরণের
দিকে ধাবিত হয়। কিছু কিছু রোগীর
ক্ষেত্রে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণ
ভেঙ্গে পড়ে এবং জ্বরের মাত্রা অনেক
বেশি থাকে। এইসব ক্ষেত্রে রোগীর
অবস্থা ক্রমেই খারাপ হতে থাকে। যেহেতু
সাধারণ ফ্লু
এবং ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগের
লক্ষণ একই, তাই কারো উপরোক্ত
কোনো উপসর্গ দেখা দিলে যত দ্রুত সম্ভব
অবশ্যই রক্ত পরীক্ষা করাতে হবে! রক্ত
পরীক্ষা করলে তখন নিশ্চিত
হওয়া যাবে যে এটা ম্যালেরিয়া,
হ্যাপাটাইটিস, কলেরা কিনা। অথবা অন্য
কোনো রোগের জীবাণুর
কারণে হচ্ছে কিনা।

21/07/2014

ওজন কমানোর জন্য আমরা অনেকেই
বিভিন্ন ডায়েট প্লান অনুসরন করি।
নিয়মিত ডায়েট প্লান অনুসরন করলে ও
হাল্কা ফ্রী হ্যান্ড এক্সারসাইজ
করলে আমাদের ওজন
কমে আসে এটা আমরা সবাই এখন কম
বেশি জানি। কিন্তু এই ওজন কমানোর
হার ৭০ শতাংশ পর্যন্ত
বাড়িয়ে দেয়া যায় ছোট
একটি ব্যাবস্থা নিলে।
বছরের পর বছর ধরে বিজ্ঞানি গন
গবেষণা করে যাচ্ছেন কোন
একটি উপাদান খুজে পাবার জন্য
যা আমাদের ওজন কমানোতে সাহায্য
কবে। ২০০৮ সালে আমেরিকার
মিনিসোটা বিশ্ববিদ্যালয় এর
ডঃ সালেমার শিবলি ৩৮ জন স্থুল
মানুষ
কে নিয়ে একটি গবেষণা পরিচালনা করেন।
তিনি ১১ সপ্তাহ ধরে তাদের প্রতিদিন
তাদের চাহিদার চেয়ে প্রায় ৮০০
ক্যালরি কম খেতে দিতেন।
পরবর্তীতে দেখা যায় যাদের
রক্তে ভিটামিন ডি এর লেভেল
বেশি, তারা যাদের লেভেল কম
তাদের তুলনায় অধিক দ্রুত ও বেশি মেদ
মুক্ত হতে পেরেছেন। এই বেশির
পরিমান ৭০ শতাংশের ও বেশি।
এর পর মেদ কমাতে ভিটামিন ডি এর
উপযোগিতা নিয়ে অনেক
গবেষণা হয়েছে। বেশিরভাগ
গবেশনাতেই ভিটামিন ডি মেদ দ্রুত
কমাতে ভিটামিন ডি কে বিশেষ
উপযোগী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
তবে মনে রাখতে হবে, ভিটামিন
ডি ওজন কমাতে একটি উৎকৃষ্ট নিয়ামক
হলেও শুধু ভিটামিন ডি খেলে আপনার
মেদ বা ওজন যে কমে যাবে তা কিন্তু
নয়। ধরুন মেদ বা ওজন
কমাতে আপনি ডায়েট করছেন
বা ফ্রী হ্যান্ড এক্সারসাইজ করছেন
এবং সাথে ভিটামিন ডি সম্বলিত
খাবার খাচ্ছেন, তাহলে আপনার মেদ
বা ওজন স্বাভাবিক এর চেয়ে ৭০
শতাংশ পর্যন্ত বেশি ও দ্রুত কমবে।
এখন আসা যাক আমরা ভিটামিন
ডি কিভাবে পেতে পারি সেই
আলোচনায়। সাধারণত সকালের নম্র
রোদ থেকে আমাদের শরীর ভিটামিন
ডি উৎপাদন করে থাকে।
তবে যান্ত্রিক জীবনে এই সকালের
রোদ তা উপভোগ করার সৌভাগ্য
আমাদের খুব কম মানুষের ই হয়। তাই
আমাদের অনেককেই নির্ভর
করতে হবে বিভিন্ন খাবার বা সম্পুরক
খাদ্দের উপর। মাশরুম, বিভিন্ন
সামুদ্রিক মাছ যেমন ম্যাকারেল,
শারডিন, ডিম ইত্যাদি তে ভিটামিন
ডি পাওয়া যায়।
তবে সবচেয়ে বেশি পরিমানে ও
কার্যকরী ভিটামিন ডি পাওয়া যায়
কড লিভার আয়েল এ।
তাই আপনি যদি চান দ্রুত ও
বেশি পরিমানে মেদ ও ওজন কমাতে,
ডায়েট প্লান ও ফ্রী হ্যান্ড
এক্সারসাইজ এর
সাথে সাথে ভিটামিন ডি ও গ্রহন
করুন। সবাই ভাল থাকবেন আশাকরি।

http://www.tbtlive.com/ঢাকার অভিজাত এলাকায় হোটেল রেডিসনএর ঠিক উল্টো দিকে অার্মড ফোর্সেসমেডিকেল কলেজেরগা ঘেষে গড়ে উঠেছে চ...
20/07/2014

http://www.tbtlive.com/
ঢাকার অভিজাত এলাকায় হোটেল রেডিসন
এর ঠিক উল্টো দিকে অার্মড ফোর্সেস
মেডিকেল কলেজের
গা ঘেষে গড়ে উঠেছে চকচকে এক বিশাল
ভবন।
এখানে মাত্র ১০ টাকায় উন্নতমানের
চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। হাসপাতালটির
নাম কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল।
কিন্তু এ
হাসপাতালটিতে রোগী আসেনা তেমন
কারন এর যথাযথ প্রচারের অভাব ।
এখানে মাত্র ১০ টাকা ফি দিয়ে ডাক্তার
দেখানো যায়। ১৫ টাকায় মেলে বিশেষজ্ঞ
চিকিৎসক। ঔষধপত্র সব ফ্রি। এছাড়া কম
খরচে আছে বিভিন্ন টেষ্ট এবং অপারেশন এর
সুবিধা।
আমাদের চারপাশে অনেক
খেটে খাওয়া মানুষ আছে তাদের কাছে এ
হাসপাতালটির তথ্য
পৌছে দিতে পারলে তারা উপকৃত হবে,
চিকিৎসার অভাবে অসহায় গরীব মানুষ
গুলো হয়ত আলোর মুখ দেখবে।

Humanitarian truce broken after mortars fired into Israel  TBT International Desk: A short humanitarian cease-fire between Israel and Hamas began Thursday morning as both sides accepted a United Nations request to hold their fire for a five-hour window. The cessation in firing ended after less than…

19/07/2014

পানির উপকারিতা
ডাঃ আজিজ
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ

বলা হয় যে প্রতিদিন ৭
থেকে ৮ গ্লাস পানি খাওয়া শরীরের জন্য
জরুরী। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন
না যে সকালে নাস্তা খাওয়ার
আগে খালি পেটে এক গ্লাস
পানি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত
উপকারী। এটা এক ধরণের আয়ূর্বেদিক
চিকিৎসা যা হাঁপানি, ব্যথা এমন
কি ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমিয়ে দেয়।
কেন সকালে পানি খাওয়া প্রয়োজন?
মানুষের শরীরের ৭০% থাকে পানি।
শরীরের সব কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার
জন্য পানি খাওয়া জরুরী।
মানুষের মস্তিষ্কের প্রায় ৮৫ ভাগই পানি।
মানুষের মাংশপেশীর প্রায় ৭৫% পানি।
রক্তের ৮২% পানি।
সকালে পানি খাওয়ার স্বাস্থ্য
উপকারিতা
ত্বক সুন্দর হয়ঃ সকালে প্রতিদিন
খালি পেটে পানি খেলে রক্তের দূষিত
পদার্থ বের হয়ে যায় এবং ত্বক সুন্দর ও
উজ্জ্বল হয়।
হজম প্রক্রিয়াঃ রাতে ঘুমানোর
ফলে দীর্ঘ সময় ধরে হজম প্রক্রিয়ার তেমন
কোনো কাজ থাকে না। তাই সকালে ঘুম
থেকে উঠে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করার
জন্য অন্তত এক গ্লাস
পানি খেয়ে নেয়া উচিত।
কোষ গঠন করেঃ প্রতিদিন
সকালে নাস্তার আগে এক গ্লাস
পানি খেলে নতুন মাংসপেশি ও কোষ
গঠনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।
ওজন কমেঃ প্রতিদিন সকালে অন্তত ১৬
আউন্স হালকা গরম পানি খেলে শরীরের
মেটাবলিসম ২৪% বেড়ে যায় এবং শরীরের
ওজন কমে।
মলাশয় পরিষ্কার করেঃ প্রতিদিন
খালি পেটে এক গ্লাস
করে পানি খেলে মলাশয় পরিষ্কার হয় যায়
এবং শরীর নতুন করে খাবার
থেকে পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে সহজেই।
অসুখ কমায়ঃ প্রতিদিন সকালে মাত্র এক
গ্লাস পানি খেলে বমি ভাব, গলার সমস্যা,
মাসিকের সমস্যা, ডায়রিয়া, কিডনির
সমস্যা, আথ্রাইটিস,
মাথা ব্যাথা ইত্যাদি অসুখ
কমাতে সহায়তা করে।
কিভাবে পানি খাবেন?
সকালে ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে দাঁত
মাজার আগে এক গ্লাস পানি খেয়ে নিন।
সম্ভব হলে নাস্তা করার আগ পর্যন্ত ৩/৪
গ্লাস পানি খান।
পানি খাওয়ার এক ঘন্টা পর নাস্তা করুন।
পানির বদলে জুস বা অন্য পানীয়
না খেয়ে সকাল বেলা শুধু পানি খাওয়াই
শরীরের অন্য ভালো।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ফেসবুকে বিনামূল্যে চিকিত্সা সেবা(Free Medical Treatment) posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share