Frustration & Grow up

Frustration & Grow up দূর হোক হতাশা ভালো থাকার প্রত্যাশা

হতাশা কাকে বলে?
'হতাশা' শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ, যাকে ইংরেজিতে depression , frustration , chagrin , disappointment ইত্যাদি বলে।
মূলত কোনও ইচ্ছেপূরণ না হলে বা কাজের আশানুরূপ ফল না পেলে যে মানসিক অবসাদের সৃষ্টি হয় তা হলো হতাশা। লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব না হলে হাল ছেড়ে দেয়ার প্রবণতা-ই হতাশার লক্ষণ। হতাশা একটি মানবিক
অনুভূতি যার মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতি কখনও মানসিক বিপর্যয় সৃষ্টি করে।

ইদানিং হতাশা নামটা খুব বেশি শুনতেছি। প্রত্যেকেরই জীবনে ছোট বড় হতাশার গল্প থাকে। না পাওয়ার গল্প, কষ্ট পাওয়ার গল্প, অশ্রুভেজা রাতের গল্প।
কারো থাকে না খেয়ে থাকার নির্মম গল্প, টিউশুনির গল্প, খাঁ খাঁ রোদে ভেজা শার্টের গল্প।
আরো থাকে নির্মম অবহেলার গল্প। ছোট লোকের গল্প, বড় মানুষের গল্প। প্রেম করতে না পারার গল্প। আবার প্রেম করে ছেকা খাবার গল্প। পরীক্ষায় ভাল ফলাফল না করার গল্প। ভাল চাকরি না পাবার গল্প।
প্রতিটা কষ্টই মানুষকে শক্ত করে তোলে।

20/11/2021

Seasonal Affective Disorder--এই নাম শুনেছেন আগে? সংক্ষেপে একে আমরা বলি SAD. সাধারণত শীতকালে এর প্রকোপ বাড়ে, তাই এর আরেক নাম Winter Blue. এটি সিজনাল বিষণ্নতা যা আপনাকে আত্মহত্যার দিকে নিয়ে যায়। এই কম্প্লেক্স পুরুষের তুলনায় নারীর মধ্যে বেশি (নারী পুরুষের অনুপাত এইখানে ৪ঃ১)।
শীতে খুব দ্রুত সন্ধ্যা নেমে আসে। তাপ ও আলোর অভাবে মুড স্যুইং ঘটে। প্রচুর ঘুম পায়, এছাড়াও সারাদিন একটা ঘোর--তার উপর শরীরে সেরোটোনিনের মাত্রা কমে যাওয়ায় মানুষ অদ্ভুত সব আচরণ করে বসে। এই আচরণের মধ্যে আত্মহত্যা হলো সবচেয়ে ভয়াবহ।

শীতকালীন বিষণ্নতা ও আত্মহত্যা থেকে নিজেকে দূরে রাখতে--

১. দিনের বেলায় রোদে থাকুন। ঘরে সন্ধ্যার আগেই আলোর উৎস (ওয়ার্ম ল্যাম্প) বাড়িয়ে দিন। ঘর গরম রাখুন।

২. পর্যাপ্ত পরিমানে ভিটামিন ডি সপ্লিমেন্ট গ্রহণ করুন।

৩. গরম স্যুপ, গরম দুধ, কফি, উষ্ণ তরল জাতীয় খাবার পান করুন। মধু খান।

৪. শরীরে তেল ম্যাসাজ করুন।

৫.শরীরে সেরোটোনিনের নিঃসরণ বাড়াতে প্রিয়জনের কাছাকাছি থাকুন। তাদের ত্বক স্পর্শ, ত্বকের ঘ্রাণ নিন। বিশেষ করে নিজের সন্তানের ত্বক ও চুলের ঘ্রাণ নিন।

28/02/2021

#মুড_সুইং(Mood Swing) এর আদ্যোপান্ত.…....

মুড সুইং খুব একটা অপরিচিত টার্ম নয়। মানুষের একটি বিশেষ মনস্তাত্ত্বিক পর্যায় এই মুড সুইং। যখন একজন মানুষের মেজাজে খুব দ্রুত পরিবর্তন হয় এবং হতেই থাকে, সেই অবস্থাকে মুড সুইং নামে অভিহিত করা হয়। যেমন ধরুন, আপনার মেজাজ এই ভালো তো এই বিগড়ে যাচ্ছে, কখনো হাসছেন তো পরক্ষণেই হতাশায় চুপসে যাচ্ছেন, ক্রমাগত বিপরীতমুখী সব আবেগের মুখোমুখি হচ্ছে আপনার মন; তবে বুঝে নিন, আপনি মুড সুইংয়ের অদ্ভুত অবস্থায় পড়েছেন। কেন হতে পারে এই মনের অসুখ, অসুখ সারানোর উপায়ই বা কী, সে বিষয়ক কথাবার্তায় নিয়েই সাজানো হয়েছে এই লেখাটি।

®নারীরা ভুগছে বেশি মাত্রায়

চরম হাসিখুশি দিনেও আপনি আক্রান্ত হতে পারেন বিচ্ছিরি রকম মুড সুইংয়ে। নারীরা এই অসুখে ভোগে বেশি, তাদের বিশেষ শারীরিক অবস্থায় মারাত্মক পর্যায়ের মুড সুইং হতে পারে। বিশেষ শারীরিক অবস্থা বলতে মাসিকের সময় এবং গর্ভাবস্থাকে বোঝানো হচ্ছে। এসব দিনে শরীরে হরমোনের তারতম্য, পরিবর্তিত শারীরিক অবস্থা ইত্যাদি একজন নারীকে মুড সুইংয়ের দিকে ঠেলে দেয়।

®ভেদাভেদ নেই নারী-পুরুষে

তবে ভেবে নেবেন না যে, এই সমস্যা পুরোপুরিই নারীকেন্দ্রিক! ছাড় নেই পুরুষদেরও। মনের আবার নারী-পুরুষ ভেদাভেদ আছে নাকি যে, মনের অসুখ নারীতে আর পুরুষে ভিন্ন হবে! মুড সুইং হতে পারে যেকোনো মানুষেরই, এটি জীবনের খুব স্বাভাবিক একটি ব্যাপার।

মুড সুইং ঘটতে পারে যেকোনো ব্যক্তির, যেকোনো সময়েই

®সমস্যার মাত্রা নির্ণয় করা জরুরি

সামান্য মুড সুইং খুব স্বাভাবিকভাবেই আসতে পারে যে কারো জীবনে, কাজেই তেমনটা নিজের মধ্যে টের পেলে উপেক্ষা করে যেতে পারেন। যখন এই দোল খাওয়া অস্থির মেজাজ আপনার স্বাভাবিক কাজকর্মে ঝামেলা পাকাচ্ছে না, খুব দীর্ঘ সময় ধরে আপনাকে জ্বালাতন করছে না এবং দ্রুতই আপনি আগের মতো স্বাভাবিক বোধ করা শুরু করছেন, বুঝে নিন সেটা ছিলো মুড সুইংয়ের সামান্য রূপ। তাকে পাত্তা না দিলেও চলবে। তবে পাত্তা দেবেন কখন? অস্থিতিশীল মেজাজ নিয়ে ভুগছেন এমন অবস্থা প্রায় সপ্তাহকাল পার করে গেছে, এর প্রভাব পড়ছে আপনার সব কাজকর্ম এবং সম্পর্কগুলোতেও, তবে বুঝে নিন যে ঘটনা গুরুতর। এই অবস্থায় আপনার পেশাদার কারো সাহায্য প্রয়োজন, যে এই সমস্যার সঠিক নির্ণয় করে সমাধানের পথ দেখাতে পারবে। সময়ের সাথে নিজে নিজেই সেরে যাবে, এতটাও সামান্য ব্যাপার না গুরুতর পর্যায়ের মুড সুইং। বরং কখনো কখনো যত দিন যায়, সমস্যার মাত্রা ততই বাড়তে থাকে।

®নারীদের অধিক মুড সুইংয়ের কারণ

নারীদের কেন খুব বেশি মুড সুইং হয়? আর পরিবর্তিত শারীরিক অবস্থাই বা কেন মুড সুইং ঘটাতে ভূমিকা রাখে? ভূমিকা যে কেন রাখে, তার যথাযথ নির্ণয় সম্ভব হয়নি। তবে সাধারণত মুড সুইং নারীদের শরীরে হরমোনের তারতম্য দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়। মাসিকের আগে এবং মাসিক চলাকালীন একজন নারী ভীষণ রকম মুড সুইংয়ে আক্রান্ত হতে পারেন। প্রি-মেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম কিংবা পিএমএস, এই জিনিসটি নারীদের মুড সুইংয়ে বড় ভূমিকা রাখে। আর মাসিক চলাকালীন পুরো সময়টা জুড়েই একজন নারী মেজাজের এই জটিল চড়াই-উৎড়াই পার করতে পারেন। এই সময়ে ইস্ট্রোজেন নামক হরমোন শরীরে যে প্রতিক্রিয়া তৈরি করে, মুড সুইং ঘটার সেটি বড় একটি কারণ। তাছাড়াও স্বাভাবিকভাবে চলাফেরায় খানিকটা হলেও ছেদ পড়ে এই সময়, যা সব নারী সহজে মেনে নিতে পারেন না। তখন মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়, চট করেই বিরক্তি পেয়ে বসে এবং কখনো প্রবল দুঃখবোধ হতে থাকে। তবে স্বস্তির কথা হলো মেডিটেশন, নির্দিষ্ট খাদ্য তালিকা এবং রোজকার জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন, এসব মাসিকের সময়কালীন মুড সুইং কিছুটা সহজে এড়াতে সাহায্য করে।

®সাধারণ কিছু লক্ষণ হলো-

*খিটখিটে ভাব
*রাগ
*বিষণ্ণতা
*কান্না
*অতিরিক্ত স্পর্শকাতরতা
*উদ্বিগ্ন ভাব
*পর্যায়ক্রমিক বিষাদ ও রাগ

®সমস্যা দেখা দিলেই সচেতন হওয়া চাই

যেহেতু মুড সুইং নামের এই আপদ পেয়ে বসতে পারে যে কাউকেই, তাই সচেতনতার দায়িত্ব কেবল নারীদের নয়, সকলেরই। আপনি খোশমেজাজের একজন নিপাট ভদ্রলোক, জীবনে মন খারাপ খুব কমই হয়, মেজাজ আপনার ভীষণ রকম নিয়ন্ত্রণে, সেই আপনাকেও কাবু করে দিতে পারে মুড সুইং। কাজেই সাবধান হতে শুরু করুন গুরুতর লক্ষণ নিজের ভেতর টের পাওয়ার সাথে সাথেই! হেলাফেলায় মনের ভেতর বড় অসুখ যেন বাসা না বানিয়ে বসে!

®সাবধানতা কখন দরকার?

নিজের ক্ষতিসাধন করতে চাচ্ছেন, জীবন শেষ করে দেয়ার চিন্তাও আসছে কখনো কখনো।
বন্ধুবান্ধব, আপনজনদের এড়িয়ে যাচ্ছেন, কাজ করতে এমনকি চলাফেরা করতেও অনীহা হচ্ছে, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটছে।
মানুষের মুখোমুখি হতে চাচ্ছেন না, কোনো অপ্রীতিকর আচরণে লিপ্ত হচ্ছেন।
এসব লক্ষণ আবিস্কার করল এবার একটু সামলে চলুন, হয়তো আপনার চিকিৎসকের সাহায্য প্রয়োজন!

আচরণে ক্রমাগত অদ্ভুত রকম বদল এলেই সচেতন হতে হবে।

®যেমন করে কাটিয়ে উঠতে পারেন মুড সুইং-

*সময়সূচী মেনে চলার অভ্যাস করুন
*ব্যায়াম একটি ভালো উপায় মানসিক চাপ কমানোর
*পর্যাপ্ত ঘুম অত্যাবশ্যক
*খাদ্য তালিকা হোক সুষম
*যোগ ব্যায়ামে আসবে মনের প্রশান্তি
*মানসিক পীড়া পাশ কাটান যতটা সম্ভব
*গুটিয়ে না থেকে নিজেকে প্রকাশ করতে শিখুন
*একজন অন্তত মানুষ আপনার থাকা চাই, হোক সে বন্ধু বা
পরিবারের কেউ, কিংবা জীবনের বিশেষ সেই মানুষটি যার
কাছে মন একদম মেলে ধরতে পারবেন।

বিশেষ করে আমাদের সমাজের প্রেক্ষাপটে, যেখানে কিনা এখনো মনের অসুখ নিয়ে মাথা ঘামানোটা আদিখ্যেতার সমান, সেখানে মুড সুইংয়ের ব্যাপারে সচেতনতাও ব্যাপক আকারে দেখা যাবে না। তবুও আমরা নিজ নিজ জায়গা থেকেই চেষ্টা করে যেতে পারি একটু যাতে অবস্থা পাল্টায়। শরীরের রোগের পাশাপাশি মনের দিকটাও খেয়ালে আসুক মানুষের। মন তো ব্যক্তির অবিচ্ছেদ্য অংশ, ভালো-মন্দ মনেরও থাকে, অসুখ তারও হয়, বরং শরীরের চেয়েও নাজুক রকম অসুখ হতে পারে আমাদের মনের। তাই খানিক যত্ন করি না কেন আমরা নিজেদের মনের, ক্ষতি তো নেই!

14/05/2020

💙

10/05/2020

২০২০ সালে জব পেতে হলে সিভি এবং জবে আবেদন করার গুরুত্বপূর্ণ ২০ টি উপদেশ যা আপনাকে মেনে চলতে হবে। শেষে পাবেন ১ টি বোনাস ইন্টারভিউ টিপস। 💌

১। সিভি সেন্ড করার সময় ইমেইলের subject line খালি রাখা যাবে না। অবশ্যই subject line এ position title লিখতে হবে।
যেমন -
☍☍ Applying for the position of MTO.
☍☍ Applying for the post of Senior Executive.
☍☍ Referral from sazzat Hoque, candidate for senior merchandiser.

২। সিভি ফাইল সব সময় PDF হিসেবে পাঠাতে হবে।

৩। প্রফেশনাল ইমেইল আইডি ব্যবহার করতে হবে। ফেক কিংবা অদ্ভুত নামের ইমেইল আইডি যেমন angel@gmail.com, bekarchele@yahoo.com দিয়ে আবেদন করলে আপনার সিভি খুলে ও দেখা হবে না।

৪। CV file কে সুন্দরভাবে নামকরণ করতে হবে ।
যেমন
✔ Dipto_NSU_MBA
✔ Sazzat_Sales Manager_ABC company
✔ Kabir_10_years_experienced......................
যেভাবে নামকরণ করা যাবে না

✖ CV of sazzat
✖ updated final CV

৫। অনেকেই মনে করেন fancy font ব্যবহার করলে CV/resume হয়তো অনেক সুন্দর হবে। তাই fancy font use করে থাকেন কিন্ত এটি ভুল এবং প্রফেশনাল নয়। সুতরাং Do not use fancy font in your CV/resume

৬। অভিজ্ঞতা এবং ইনফরমেশন কম হলে font size ১২ এবং অভিজ্ঞতা এবং ইনফরমেশন বেশি হলে font size 11 ব্যবহার করতে হবে। সিভির প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত same size font ব্যবহার করতে হবে। heading /Title সব গুলোর সাইজ বড় হবে।

৭। সিভি তে ফরমাল এবং আপডেট ছবি দিতে হবে। অনেক বছর আগের ছবি, সেলফি কিংবা ক্যাজুয়াল ছবি দেওয়া যাবে না।

৮। সিভির উপরে বড় করে বোল্ড করে curriculum vitae or resume of your name লিখা যাবে না। কারন আপনার কাছে সিভি চাইলে সিভি এবং রিজিউমি চাইলে রিজিউমি পাঠাতে হবে। bio-data ব্যবহার হবে শুধু মাত্র শুভ কাজে ( বিবাহ )। 👰

৯। সিভির সাথে cover letter দিতে হবে। cover letter ২ ভাবে দিতে পারেন। ইমেইলের বডি পার্টে দিতে পারেন অথবা সিভি এবং কাভার লেটার একসাথে দিতে পারেন।

১০। সিভিতে অযথা পারসোনাল ইনফরমেশন দিয়ে আপনার সিভির মান কমাবেন না। যেমন আপনি পুরুষ নাকি নারী তা আপনার নাম & পিকচার দেখেই বুঝা যায়। তাই আলাদা করে বাবা মার নাম,জেন্ডার, ধর্ম এইসব মেনশন করা বোকামি। সিভি তে বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা যুক্ত করবেন।

১১। Achievement based সিভি/ রিজিউমি তৈরি করতে হবে। একগাদা responsibility দিয়ে সিভি / রিজিউমি কে রিপোর্ট এর মত বোরিং বানানোর দিন এখন আর নেই।

১২। দেশের বাহিরে আবেদন করার সময় অবশ্যই
সিভিতে skype id যুক্ত করবেন কারন অনেক সময় skype দিয়ে লাইভ video call দিয়ে interview নেওয়া হয় এবং আপনার ফোন নং ✆ এ country code +88 যুক্ত করবেন।

১৩।আধুনিক যুগে সব ই পরিবর্তন হচ্ছে । তাই আপনার ফরম্যাট টি ও হতে হবে ইউনিক। পুরাতন ফটোকপি দোকানের মত সাদা কালো ফরম্যাট দিয়ে নিজের দাম কমাবেন না দয়া করে। সিভি কালার প্রিন্ট করবেন অবশ্যই।

১৪। সিভি কোন প্রেম পত্র নয়। তাই ইচ্ছেমতো বড় করা যাবে না। আপনার সিভিটি ২ পেজের মধ্যে সম্পুর্ন করুন। আপনার অভিজ্ঞতা অনেক বেশি হলে সর্বোচ্চ ৩ পেজে শেষ করুন।

১৫। জবে আবেদন করার সময় যখন আপনি email এ সিভি সেন্ড করবেন, তখন কখনো মেইল forward করবেন না। মানে হচ্ছে আগে কোন কোম্পানিতে সিভি সেন্ড করেছেন সেই সিভিটি অন্য জব এ পুনরায় forward করবেন না । নতুন ভাবে সিভির ফাইল টি আপলোড করে নতুন ভাবে আবেদন করুন ।

১৬। জব পজিশন অনুযায়ী আপনার সিভি তে key words ব্যবহার করতে হবে। যাতে ATS screening করলেও আপনার সিভি রিজেক্ট না হয়।

১৭। Job খুজে পাওয়া এবং Networking করার অন্যতম ২ টি মাধ্যম হলো LinkedIn & bdjobs। তাই প্রফেশনাল ভাবে নিয়মিত আপডেট করে রাখতে হবে এই ২ টি প্রোফাইল।

১৮। বানিয়ে বানিয়ে ইনফরমেশন দেওয়া যাবে না, মিথ্যা ইনফরমেশন পরিহার করতে হবে। গ্রামার ভুল, স্পেলিং মিসটেক করা যাবে না। cvwriter.bd@gmail.com তে মেইল করে আপনার সিভি ফ্রি চেক করে নিতে পারেন ।

১৯। সিভি তে ২ টি রেফেরেন্স যুক্ত করতে পারেন। কিন্ত আত্মীয়, মামা, চাচা দের রেফেরেন্স না দিয়ে একাডেমিক কিংবা করপোরেট কারো রেফেরেন্স দিবেন। এবং অবশ্যই আপনার রেফেরেন্স কে জানিয়ে রাখবেন যাতে নিয়োগদাতা কল করে আপনার ব্যপারে জানতে চাইলে বলতে পারে।

২০। সিভি / রিজিউমির শেষে declaration দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

বোনাস ১টি ইন্টারভিউ টিপস -
ইন্টারভিউতে বাংলায় প্রশ্ন করা হলে বাংলায় জবাব দিবেন এবং ইংরেজিতে প্রশ্ন করলে ইংরেজিতে উত্তর করবেন। যদি panel interview হয়, সবার সাথে আপনার eye contact হচ্ছে, তা নিশ্চিত করতে হবে আপনাকে।
★★ টেবিলের উপরে হাত রাখবেন না। হাত আপনার পায়ের উপর রাখবেন। সাবলীল ভাবে বসবেন। রোবটের মতো যেন না লাগে।
Best wishes

03/05/2020
02/05/2020
অামাদের বিশেষজ্ঞ সাথে যোগাযোগ করতে ফর্মটি পূরণ করুন!  খুব দ্রুত অামরা অাপনার সাথে যোগাযোগ করবো!
01/05/2020

অামাদের বিশেষজ্ঞ সাথে যোগাযোগ করতে ফর্মটি পূরণ করুন! খুব দ্রুত অামরা অাপনার সাথে যোগাযোগ করবো!

আপনার মানসিক, শারিরিক সমস্যা যেকোনো কিছু আমাদের বলুন " আমরা আপনার কথা শুনতে চাই আপনার সাথে থাকতে চাই!

12/03/2020

আমাদের এলাকায় করোনা রোগী পাওয়া গেছে। ব্যাটা অফিসের কাজে ক্যালিফর্নিয়া গিয়েছিল, এসে নিজের পরিবারের মধ্যে রোগটি ছড়িয়ে দিয়েছে। এখন বেচারার স্ত্রী পুত্র দুইজনই অসুস্থ।

তাও ভাল লোকটা নিজের উদ্যোগেই কর্তৃপক্ষকে ফোন করে জানিয়েছে যে তাঁর সন্দেহ হচ্ছে সে রোগী। পরীক্ষা করে ডাক্তার প্রাথমিকভাবে তাঁকে সন্দেহ করেছিল, পরেরদিন নিশ্চিত হয়েছে। পুরো পরিবার নিজ উদ্যোগেই সমাজচ্যুত হয়ে গেছে। কারোর মধ্যে রোগ ছড়িয়ে দেয়ার ইচ্ছা তাঁদের নেই।

এই কাজটি তাঁরা করেছেন কারন ভাইরাসটি সম্পর্কে গোটা দেশবাসীকে সতর্ক করা হয়েছে। আমাদের দেশেই খবর পেলাম একটি মেয়ের মাঝে সব ধরনের লক্ষন প্রকাশ পাবার পরেও তাঁর বাবা মা নাকি তাঁকে ডাক্তারের কাছে নিচ্ছেন না। ভাবছেন সাধারণ সর্দি, জ্বর, ঠিক হয়ে যাবে। কারন ফেসবুকে একদল প্রচার করে বেড়াচ্ছেন, এতে আতঙ্কিত হবার কিছুই নেই। মৃত্যু হার কম, আশির উপরে বয়স না হলে মারা যাবার সম্ভাবনা কম। এইসব মিডিয়ার সৃষ্টি। ফেসবুকের অপকারিতা। গরম পানি খেলেই ঠিক হয়ে যাবে। গরমে ভাইরাস মরে যাবে, তাই চুলার পাশে বা রোদে বসে থাকলেই চলবে, ইত্যাদি।

আমাদের এলাকার লোকটি যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে গত কয়দিনে তাঁরা কোথায় কোথায় গেছেন, কোথায় কার সাথে মিশেছেন। যতজনের সাথে যোগাযোগ সম্ভব, এখন করা হবে। টেস্ট করা হবে। বাচ্চাটি যে স্কুলে যায়, আস্ত স্কুল স্যানিটাইজ করা হবে। হয়তো যে পার্কে খেলতে যায়, সেই পার্কও স্যানিটাইজ করা হবে। আল্লাহ ভরসা। যদি কারোর মধ্যে ছড়িয়ে গিয়ে না থাকে, তাহলে আশা করা যায়, রোগটি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। যদি ছড়িয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে খবর আছে। যেকোন সময়ে খবর আসবে শহর বন্ধ হয়ে গেছে। কেউ বাড়ির বাইরে বেরুতে পারবে না।

এরই মধ্যে ডালাসে সেইন্ট প্যাট্রিক্স ডে প্যারেড ক্যানসেল করা হয়েছে। এটি আইরিশদের একটি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব। আমেরিকানদের ৮০% লোক শ্বেতাঙ্গ, এবং এই শ্বেতাঙ্গদেরও একটি বড় অংশ আইরিশ। এই প্যারেড ক্যানসেল করা এবং আমাদের দেশে বলে দেয়া যে "ঈদের জামাত হবেনা" অনেকটা কাছাকাছি ব্যাপার, বুঝতেই পারছেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ সেটাই করতে বাধ্য হয়েছে, এবং জনতাও নির্দ্বিধায় মেনে নিয়েছে। আমাদের দেশে অপপ্রচার করা হচ্ছে যে খাঁটি মুসলিমদের এই রোগ নিয়ে ভয় নেই। এটি কাফিরদের উপর আল্লাহর গজব, এবং সেই সাথে মুনাফেকরাও মরবে। আমার কোন এক লেখায় শেয়ার করা পোস্টে এমনই কমেন্ট আমি পেয়েছি। ঐ উজবুককে কে বুঝাবে উমারের (রাঃ) সময়ে সিরিয়ায় যে প্লেগ হয়েছিল, যেখানে পঞ্চাশ হাজারের বেশি মানুষ মারা গিয়েছিলেন, সেখানে প্রচুর সাহাবীও ছিলেন। রোগ জীবাণু মানুষের ঈমান দেখে শরীরে ঢুকে না। এইসব ওয়াজ মাহফিল অচিরেই বন্ধ করা উচিৎ। ভ্রান্ত আজগুবি অপপ্রচারের চেয়েও বড় ব্যাপার, জনসমাগম ঠ্যাকাতে।

যেমনটা আমাদের রাজধানী অস্টিনে অনুষ্ঠিত বিশ্বনন্দিত মিউজিক ফ্যাস্টিভেল সাউথ বাই সাউথ ওয়েস্ট ক্যানসেল করা হয়েছে। আরও বড় বড় পাবলিক ইভেন্ট ক্যানসেল করা হয়েছে, হচ্ছে এবং হবে কিনা ভাবা হচ্ছে। যেকোন সময়ে প্রধান শহরগুলো লকডাউন ঘোষণা করতে পারে। আমাদের অর্থনীতি এইসব শহরের উপরই নির্ভরশীল। একেকটি শহর লকডাউন হওয়া মানে মার্কিন অর্থনীতি ধসে পড়া। চীনাদের যেমনটা হয়েছে। স্টক মার্কেট এরই মধ্যে শেষ। তবু মানুষের প্রাণ বাঁচানো ফরজ। আগে মানুষ, তারপরেই না টাকা পয়সা।

আমাদের প্রধানমন্ত্রী একটি দুর্দান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং সেটি হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী উৎসবকে পিছিয়ে দিয়েছেন। তিনি দেশের অভিভাবক, দেশের মানুষের মঙ্গলের সিদ্ধান্ত নেয়া তাঁর দায়িত্ব, এবং তিনি এই ক্ষেত্রে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁকে ধন্যবাদ।

ঠিক এই কথাটাই কিছুদিন আগে লিখেছিলাম। গোটা বিশ্বে মহামারী আকারে ছড়িয়ে যাচ্ছে ভাইরাসটি, বিশ্বের সম্পূর্ণ বিপরীত প্রান্তের দেশ আমেরিকায় পর্যন্ত পৌঁছে গেছে এবং ছড়াতেও শুরু করেছে। অথচ আমাদের দেশে একটিও রোগী নেই, এ কিভাবে সম্ভব?

তখন আমাদের ফেসবুকের কিছু দালাল-এ-লীগ তেড়ে ফুঁড়ে এলেন আমি নাকি জন্মশতবার্ষিকী উৎসব পেছানোর জন্য প্যানিক ছড়াচ্ছি। এক মন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, করোনা ভাইরাস নিয়ে প্যানিক ছড়ানোর কাজ বিএনপি করছে, সেই সূত্রানুযায়ী আমি বিএনপি জামাত। সেই সাথে আমাদের বিএনপি নেতা হুবহু আমার কথাই বললেন, আমি বলেছিলাম, আমার "সন্দেহ হচ্ছে" সরকার লুকাছুপি করছে, আর তিনি কনফিডেন্টলি বললেন, সরকার করোনা ভাইরাসের খবর লুকাচ্ছে। মানে, আমি বিএনপি।

সেই পোস্টেই একজন লিখলেন, ফকিরনির পোলার কাছে বড়লোকের বাচ্চার জন্মদিন বিলাসিতা। তেমনি, আমার কাছে এই অনুষ্ঠানটা তাই। মানে, যারা জন্মদিনের উৎসব পালনের পক্ষে, তাঁরা বড়লোকের সন্তান, আর করোনা ভাইরাসের দোহাই দেয়া আমি ফকিরনির পোলা।

কেউ থিওরি এনে বললেন, ২৩ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ভাইরাসটি ছড়ায় না। কেউ থিওরি দিলেন, গরম পানি খেলেই ভাইরাস মরে যায়। কেউ বললেন, রোদে দাঁড়ালেই ভাইরাস মরে। বুড়াবুড়ি ছাড়া কেউ মরছে না, এমন স্ট্যাটিস্টিক্স এনে হাজির করলেন কেউ। মেজাজ খারাপ হলো। কিছু বললাম না। ভাই সাহেবরা জানেন না, আমি ভ্যারিফাইড সোর্স ছাড়া তথ্য শেয়ার করিনা, উনারা ফেসবুকে অমুক তমুকের পোস্টকে কুরআনের বাণী ধরে নিয়ে প্রচারে নেমে যায়।

আজকে ফিলিপিনের এক বান্ধবী জানালো তাঁর শহর অফিসিয়ালি লকডাউন। কাউকে বের হতে দিচ্ছে না। তিনদিন আগেও সংখ্যা ছিল তিন, আজকে রোগী সংখ্যা বায়ান্ন হয়ে গেছে। ওদের শহরের তাপমাত্রা আশি ডিগ্রি ফারেনহাইট। মানে ছাব্বিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২৩ ডিগ্রি ওয়ালাদের সামনে মাইক ধরে এখন জানতে ইচ্ছা করছে তাঁদের অনুভূতি কি।

এইসবতো গেল, এক ভাউতো সবাইকে ছাড়িয়ে গেলেন। তিনি দাবি করলেন তিনি উন্নত বিশ্বের কোন উন্নত শহরে থাকেন। এবং আমি যে বলেছি "শহর লকডাউন হবে, এবং কাউকে বের হতে দিবে না" এইসব নিয়ে খুব হাসাহাসি করলেন। তার দাবি, এমন কিছুই হবেনা, আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েকটা লাইকের ধান্ধায় এমনটা লিখেছি।

কোন উন্নত শহরে ব্যাটা থাকে সেটা এখন জানতে ইচ্ছা করছে। এই বিদ্যা নিয়ে কুতর্ক করতেওতো ছাপ্পান্ন ইঞ্চির কলিজা দরকার।

আলহামদুলিল্লাহ। এইসব দলকানা, দলান্ধ, তেলবাজ ছাগুদের উচিৎ জবাব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি যেন না হয়। তাঁর মৃত্যুর পরে তাঁর লাশ ঘন্টার পর ঘন্টা পড়েছিল, তখন কোথায় ছিল এরা? তাঁর মায়ের, ভাবীর কাফনের কাপড় ছিল না, রেড ক্রিসেন্টের কাপড়ে দাফন করতে হয়েছে। তখন কোথায় ছিল এই দরদ? তাঁর নিজের মৃত্যু হলেও এরা কেউ পাশে থাকবে না।

কথাগুলো আমার এত ভাল লাগলো! তেলসাগরে ডুবে থাকলে পিছলা খেতেই হয়। তিনি এখনও খাননি। একটি কঠিন ধমক দিয়েছেন। তাঁকে আবারও ধন্যবাদ। তবে বাঙালি এমন জাতি, যাদের কনস্ট্যান্ট ধমকের উপর রাখতে হয়। প্রধানমন্ত্রী যদি এইরকম রেগুলার ধমকের উপর রাখেন, তাহলে এইগুলি সিধা থাকতো। তাঁর নিজের ইমেজের জন্যই কাজটি করা ফরজ। কারন দেশের মানুষ মনে করে, তাঁর আশকারাতেই এই পা চাটার দল এমন করছে। মানুষের জীবনের মূল্যের চেয়ে একটি উৎসবকে প্রাধান্য দিচ্ছে। নিজের বাপের উৎসবের খেয়াল আছে, দেশের মানুষের প্রতি দরদ নেই।

তাঁর লোকেরা তাঁর প্রশ্রয়েই গুন্ডাগিরি করে বেড়াচ্ছে।

সেদিন যেমন আমাদের এক এডমিন বললেন (নাম বলছি না) তাঁর অফিসে এসে এক বদমাইশ এইরকমই হম্বিতম্বি শুরু করেছিল যে অমুককে চিনে, তমুককে চিনে। যেই তিনি পাল্টা ধমক দিয়ে বললেন যাকে ডাকার ডাকতে, যা করার করতে, অমনি বিড়ালের মতন লেজ গুটিয়ে পালালো। ধমক দেয়ার আগে পর্যন্ত অফিসের সবাই ভাবছিলেন বুঝিবা আসলেই সরকার সমর্থিত কোন গুন্ডা।

যাই হোক। দেশের কিছু পদক্ষেপ খুবই ভাল লাগছে।

যেমন বিদেশ থেকে কেউ গেলেই তিনি যেন দুই সপ্তাহ নিজেকে বিচ্যুত করে রাখেন। লোকজনের সাথে মেলামেশা না করেন, রোগ থাকলে না ছড়ান।

সরকার জরুরি ঘোষণাটি দিয়েছেন, তাঁদের কাজ শেষ। এখন ফাজিল জনতা শুনলেই হলো। আমাদের দেশের মানুষের স্বভাব হচ্ছে নিয়ম ভাঙ্গাতেই আমরা বিপুল আনন্দ লাভ করি।

"যেহেতু সরকার নিষেধ করেছে বের হতে, তাই আমাকে বের হতেই হবে" ভাব। আরে ফাজিল, তুই একা মরবি না, ভাই ব্রাদার আত্মীয় স্বজন ছেলেমেয়ে সবাইকে নিয়েই মরবি। দয়া করে এই কাজটা করিস না। সবচেয়ে ভাল হয়, দেশে জীবন মরনের প্রশ্ন না উঠলে দয়া করে কেউ এই মুহূর্তে যাবেন না। আপনি বিদেশ থেকে রোগ বহন করে দেশের মানুষের ক্ষতি কেন করবেন?

আরেকটি উদ্যোগ যা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার, তা হচ্ছে, স্যানিটাইজারে সরকার মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে। কয়েকটা ব্যবসায়ীকে জরিমানাও করেছে। খুবই ভাল সংবাদ। আরও কঠোরভাবে শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিৎ। ফাজলামি আমাদের রক্তে মিশে আছে। সামান্য লিখিত নিয়মে এসব পাল্টাবে না।

গুলশান মার্কেটের সামনে একটি ফেরিওয়ালার ছবি খুব ভাইরাল হচ্ছে দেখলাম। বেচারা একটা মাস্ক মাত্র বিশ টাকায় প্রতি কাস্টমারে একটি করে বিক্রি করছে। লেখাপড়া না জানা ফুটপাথের সামান্য এক ব্যবসায়ীর মধ্যে যে এথিক্স আছে, স্যুট টাই পরা, কোটি টাকার গাড়ি চালানো বদমাইশ ব্যবসায়ীদের মধ্যে সেটা নাই। আফসোস।

আমাদের দেশে রাস্তায় প্রয়োজনে মিলিটারি নামিয়ে দেয়া উচিৎ। ছাত্রলীগ - যারা দাবি করে তারা দেশের কাজ করে, কিন্তু বাস্তবে গুন্ডা বদমায়েশি খুন খারাবি আর চাঁদাবাজি ছাড়া অন্য কোন কিছুতে কিছু করতে দেখিনা, তারা নিজেরাও রাস্তায় নেমে এসে লোকজনকে সচেতন হতে বাধ্য করতে পারে। যদি সত্যিই দেশের প্রতি দরদ থাকে, তাহলে অবশ্যই তারা কাজটি করবে। আমরা এমনই জাতি, যারা ফেস মাস্ক পরে ঘুরে বেড়াচ্ছি, এবং সেই মাস্ক সরিয়ে যেখানে সেখানে থুথু কফ ফেলছি। মানে, মাথার ব্রেনে যদি বিষ্ঠা ভরা থাকে, তাহলেওতো এতটা ছাগলামি করার কথা ছিল না। এই থুথু ফেলা, পানের পিক ফেলা, যেখানে সেখানে পেশাব দিয়ে দেয়ালে কাটাকুটি খেলতে বসে যাওয়া বঙ্গ জনতাকে লাইনে রাখতে হলে যে লোকবল প্রয়োজন, সেটা পুলিশ বাহিনীর নেই। আর্মি বা ভলান্টিয়ার দরকার। এখানে না হলে ছাত্র রাজনৈতিক সংগঠনগুলো আর কোন কাজে লাগবে? দেশের উপর বোঝা ছাড়া আরতো কিছু নয় ওরা।

রাজনৈতিক দলগুলোর এই মুহূর্তে "বিএনপি আতংক ছড়াচ্ছে" এবং "আওয়ামীলীগ করোনা ভাইরাসের খবর গোপন রেখেছে" জাতীয় ফাত্রামি বন্ধ করে একে অপরকে সহায়তা করা উচিৎ। আমরা জানি ওরা কখনই এক পাতে ভাত খাবার মতন সভ্য আচরণ করবে না, কেবল ফাত্রামি কথাবার্তা বন্ধ করলেই কিন্তু অনেক সাহায্য করা হয়ে যাবে।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন বিশ্বব্যাপী মহামারী ঘোষণা দিয়েছে, গোটা ইটালি লক ডাউন হয়ে গেছে, বিশ্বের অনেক বড় বড় শহরই বন্ধ হয়ে গেছে, আল্লাহর দোহাই, ভাইয়েরা ও বোনেরা - বিষয়টাকে এতটাও হালকাভাবে নিবেন না। টম হ্যাঙ্কস সস্ত্রীক করোনা ভাইরাস পজিটিভ হয়েছেন, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে কোয়ারেন্টাইন করে রাখা হয়েছে, ব্রিটিশ স্বাস্থ্য মন্ত্রীর পজিটিভ ধরা পড়েছে, ওয়াশিংটনে সরকারি কর্মচারীর পজিটিভ এসেছে, ইউরোপের অধিবাসীদের আমেরিকান ট্যুরিস্ট ভিসা বাতিল হয়ে গেছে, এত কিছু ফাজলামি করতে হচ্ছে না। "গরম পানি খেলে, আর রোদে দাঁড়ালেই করোনা ভাইরাস মরে যাবে" জাতীয় বাকওয়াজ করতে আসবেন না প্লিজ।

01/10/2018

❑ যে মেয়েটি আরশোলা টিকটিকি দেখে ভয় পেত সে মেয়েটি আজ ডাক্তার । তার দিন গুলো আজ পার হয় কাঁটাছেড়া, রক্ত মাংস, আর ডোম ঘরের বিভৎস লাশ গুলো দেখে ।
❑ যে মেয়েটি এক কাপ চা বানাতে গিয়ে কাপ পিরিচ ভেঙে ফেলতো সে মেয়েটি আজ পুরো সংসারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছে । তাকে আজ বড় বড় পাত্রে রান্না চড়াতে হয় ।
❑ যে মেয়েটি লজ্জায় ঘর থেকে বের হতো না, কারো সাথে কথা বলতো না । সে মেয়েটি আজ প্রতিদিন যুদ্ধ করে পাবলিক বাসে চড়ে অফিসে যায় । সবার মন রক্ষার্থে সুন্দর করে হেসে হেসে কথা বলে ।
❑ যে মেয়েটি পড়া বলার ভয়ে ক্লাসের শেষ ব্যাঞ্চে বসতো সে মেয়েটি আজ কলেজের লেকচারার। তার মুখ দিয়ে জ্ঞানের কথা গুলো আজ শ্রুতি মধুর হয়ে বেরিয়ে আসে ।
❑ যে মেয়েটি এক সময় পাঁচ কেজি ওজন বহন করতে পারত না সে মেয়েটি আজ শতো কেজি ওজন বহন করে ভার উত্তোলেনে বিজয়ের মালা ছিনিয়ে আনে ।
❑ যে মেয়ে আলতা পায়ে নূপুর পড়ে গ্রামের মেঠো পথে হেঁটে যেত । সে মেয়ের পায়ে আজ শক্ত বুট জুতো । Left Right, Left Right শব্দে মুখরিত হয় সেনানিবাস ।
❑ যে মেয়েটি এক সময় ইভটিচিং এর স্বীকার হতো । ভয়ে, লজ্জায় যার মুখ লাল হয়ে যেত সে মেয়েটি আজ আদালতের কাঠ গড়ায় অর্ডার অর্ডার বলে ইভটিচারের ছয় মাসের শাস্তি দেয় ।
❑ যে মেয়েটি সন্ধ্যা হলেই ঘুমিয়ে যেত । শত ডেকেও যার ঘুম ভাঙানো যেত না, সে ময়েটি আজ প্রতিদিন রাত জেগে থাকে সদ্য ভূমিষ্ঠ হওয়া নিজ সন্তানের কান্না থামাতে ।

☞ আসলে মেয়েরা পারে মেয়েদের পারতে হয়, সময়ের প্রয়োজনে তারা বদলায়,কোমল হাত হয়ে উঠে শক্ত, স্নিগ্ধ হৃদয় হয় কঠিন,,,
চোখের অশ্রু গুলো হয়ে উঠে প্রতিবাদের ভাষা,,, আবেগ উচ্ছ্বাস হয়ে উঠে কর্তব্য । কিন্তু কয় জনই বা তাদের পরিবর্তন গুলো কে সম্মান জানায় । কয় জনই বা পারে তাদের সাহস জুগিয়ে বলতে তুমি মা, তুমি বোন, তুমি কন্যা সামনে এগিয়ে যাও আছি তোমার পাশে ।

15/09/2018

#বুয়েট পাস এমন একজনকে জানি যার বিবাহিত জীবনের ১৩টা বছর শুধু একটা বাচ্চা নেয়ার চেষ্টায় কাটিয়ে দিচ্ছে। তার জীবনে সফলতা আছে কিন্তু পূর্ণতা নাই।
#ব্যাংকের এ,জি,এম এমন একজনকে জানি যার বউ, দুইটা বাচ্চা রেখে আরেকজনের সাথে পালিয়ে গেছে।তার জীবনে সফলতা পূর্ণতা সবই ছিলো কিন্তু ভালোবাসাটা কপালে জুটেনি।
#এম,বি,এ পাশ করা একজনকে চিনি, লেখা পড়া শেষ করে ভালো কিছু করার জন্যে চলে যান দেশের বাহিরে , তারপর বিবাহের প্রস্তাব দেন ১৪ বছরের ভালোবাসার মানুষটির পরিবারে। শুধুমাত্র ছেলে প্রবাসী বলে বিবাহ দেননি। ভালো চাকুরী মানেই কি সব কিছু??
#প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করা এক মেয়ের গল্পটা জানি, কি নিদারুণ অত্যাচার সহ্য করে একদিন গলায় বিষ ঢেলে দিলো। ভালোবাসার জন্যে ঘর ছেড়েছিলো, সফলতা আসেনি কখনও।
#দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া মেয়েটার গল্পটা জানি।শুধু গায়ের রঙটা কালো বলে প্রেমিকের বাবা মায়ের হাজারো অবহেলার কথা মাথায় তুলে নিয়ে রিলেশনটা ব্রেকাপ করতে হয়েছিলো। সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড গলায় ঝুলিয়েও সে সুখী হতে পারছে না।
#ক্যারিয়ার গঠনের জন্য যে মেয়ে বাবা মাকে বিয়ের কথা উচ্চারণ করতে দেয়নি, সে মেয়েটির শেষ পর্যন্ত বিয়েই হয়নি। টাকা পয়সা সব আছে কিন্তু স্বামী সংসার নেই।
#চাকুরী না পাওয়া তরুণের গল্পটাও করুণ। বেকার থাকার সময়ে প্রেমিকার বিয়ের আয়োজনটা থামাতে পারে নাই। চাকুরীটা হাতে পাওয়ার আগেই বাবা মারা গেলো। "সফলতা মানেই সুখ" বাক্যটা তার কাছে সম্পূর্ণ মিথ্যা।
#একজন প্রফেসরের সাথে আমার কথা হয়েছিলো। তিনি বলেছিলো.... বিবাহের চার বছর পর থেকে স্বামী অসুস্থ। আজ বারো বছর হলো দুই সন্তান ও অসুস্থ স্বামী নিয়ে সংসার করছি। জীবনে কি পেলাম? সবই ছিলো, ভালো চাকুরী, দুই সন্তান। শুধু অর্থই জীবনের সব কিছু এ কথা তার কাছে হাস্যকর।

আসলেই জগতে কে সুখে আছে? টাকায় সুখ দিয়েছে কয়জনকে? জীবনে সফলতা মানেই কি সুখ? একটা জীবনে সুখী হয়ে মারা গেছে ক-জন!!

সুখী দেখেছিলাম আমার এলাকার রুস্তম পাগলাকে, সে এক বেলা পেট ভরে খেয়ে কি আয়েশী হাসিটাই না হেসেছিলো!! শুধু ভরা পেটেই যে সুখে থাকতে পারে তার চেয়ে সুখী আর কেও নাই!! আমরা যারা মানুষ, তাদের মন ভরে সুখ কখনো আসে না। আমরা কখনো পরিপূর্নভাবে সুখীও হতে পারি না।।
বাস্তবতাগুলো বড় ফ্যাকাশে, স্বপ্নের মতো রঙিন হয় না।
একটু সুখের জন্যে অনেক কিছুর দরকার নেই শুধুমাত্র মনটা একটু ভালো করুন, সৃষ্টিকর্তার তরে নিজেকে সপে দিন, আর কাউকে ঠকাবেন না।
সুখী হবেন অবশ্যই।

07/08/2018

সদ্য কেনা নতুন গাড়ীটা যখন পরিষ্কার করছিলাম তখন আমার ছয় বছরের ছেলেটা ধাতব কিছু দিয়ে গাড়ীটাতে কিছু লিখছিল । খুব শখের গাড়ী তাই রাগ সামলাতে না পেরে লিখা অবস্হায় ছেলের হাতের উপর আঘাত করলাম । রাগের মাথায় খেয়াল করেনি যা দিয়ে আঘাত করেছি সেটা ছিল লোহার একটা পাইপ!

আমার ছোট্ট ছেলেটা হাসপাতালের বেডে শুয়ে ঘুমাচ্ছিল আর আমি ওর পাশে বসে কাঁদছি । লোহার আঘাতে চারটা আঙুল ভেঙে গেছে। আর ঠিক হবে না কখনও । আমার চোখের পানি ওর গালের উপর পড়ে ঘুম ভেঙে যায় ওর । ব্যান্ডেজ করা হাতের দিকে চেয়ে আমায় বলে 'সরি বাবা, আমি আর গাড়ীর উপর লিখব না । আমার আঙুলগুলো কি আবার ফিরে পাব-বাবা?'

বাসায় ফিরে পুরো গাড়ীটা দুমড়ে মুচড়ে ভেঙে ফেলি । তারপর ক্লান্ত হয়ে বসে পড়ি । আমার চোখ পড়ে গাড়ীর গায়ে ছেলের লিখাটার উপর-' Love u Dad ' !

পরদিন সকালে সেই হতভাগ্য বাবা আর বেঁচে নেই । ভীষণ কষ্টে আত্মহত্যা করেন। তার নিথর দেহের পাশে একটা চিরকুট পড়ে ছিল। তাতে লিখেছিল :

'Anger & love have no limits. The choice is yours!'

# রেগে গেলেন তো
হেরে গেলেন

যখন টাইটানিক ডুবছিল তখন কাছাকাছি তিনটে জাহাজ ছিল।একটির নাম ছিল "স্যাম্পসন"। মাত্র সাত মাইল দুরে ছিল সেই জাহাজ।ওরা দেখতে ...
14/07/2018

যখন টাইটানিক ডুবছিল তখন কাছাকাছি তিনটে জাহাজ ছিল।একটির নাম ছিল "স্যাম্পসন"। মাত্র সাত মাইল দুরে ছিল সেই জাহাজ।ওরা দেখতে পেয়েছিল টাইটানিকের বিপদ সংকেত, কিন্তু বেআইনি সীল মাছ ধরছিল তারা। পাছে ধরা পড়ে যায় তাই তারা উল্টোদিকে জাহাজের মুখ ঘুরিয়ে বহুদুরে চলে যায়।

এই জাহাজটার কথা ভাবুন। দেখবেন আমাদের অনেকের সাথে মিল আছে এর। আমরা যাঁরা শুধু নিজেদের কথাই ভাবি। অন্যের জীবন কি এল কি গেল তা নিয়ে বিন্দুমাত্র মাথাব্যাথা নেই আমাদের। তাঁরাই ছিলেন ঐ জাহাজটিতে।

দ্বিতীয় জাহাজটির নাম "ক্যালিফোর্নিয়ান"। মাত্র চোদ্দ মাইল দুরে ছিল টাইটানিকের থেকে সেই সময়। ঐ জাহাজের চারপাশে জমাট বরফ ছিল। ক্যাপ্টেন দেখেছিলেন টাইটানিকের বাঁচতে চাওয়ার আকুতি। কিন্তু পরিস্থিতি অনুকুল ছিল না এবং ঘন অন্ধকার ছিল চারপাশ তাই তিনি সিদ্ধান্ত নেন ঘুমোতে যাবেন। সকালে দেখবেন কিছু করা যায় কিনা। জাহাজটির অন্য সব ক্রিউএরা নিজেদের মনকে প্রবোধ দিয়েছিল এই বলে যে ব্যাপারটা এত গুরুতর নয়।

এই জাহাজটাও আমাদের অনেকের মনের কথা বলে। আমাদের মধ্যে যারা মনে করেন একটা ঘটনার পর, যে ঠিক সেই মুহুর্তে আমাদের কিছুই করার নেই। পরিস্থিতি অনুকুল হলে ঝাঁপিয়ে পড়বো।

শেষ জাহাজটির নাম ছিল "কারপাথিয়ান্স"।
এই জাহাজটি আসলে যাচ্ছিল উল্টোদিকে। ছিল প্রায় আটান্ন মাইল দুরে যখন ওরা রেডিওতে শুনতে পায় টাইটানিকের যাত্রীদের আর্ত চিৎকার। জাহাজের ক্যাপ্টেন হাঁটুমুড়ে বসে পড়েন ডেকের ওপর। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেন যাতে তিনি সঠিক পথ দেখান তাঁদের। তারপর পুর্ণশক্তিতে বরফ ভেঙ্গে এগিয়ে চলেন টাইটানিকের দিকে। ঠিক এই জাহাজটির এই সিদ্ধান্তের জন্যেই টাইটানিকের সাতশো পাঁচজন যাত্রী প্রাণে বেঁচে যান।

মনে রাখা ভাল এক হাজার কারণ থাকবে আপনার কাছে দায়িত্ব এড়াবার কিন্তু তাঁরাই মানুষের মনে চিরস্থায়ী জায়গা করে নেবেন যাঁরা অন্যের বিপদের সময় কিছু না ভেবেই ঝাঁপিয়ে পড়েবেন।ইতিহাস হয়তো মনে রাখবেনা তাঁদের কিন্ত মানুষের মুখে মুখে গাওয়া লোকগাথা বন্দিত হবেন তাঁরাই যুগে যুগে।

Address

Dhanmondi
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Frustration & Grow up posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram