12/03/2020
আমাদের এলাকায় করোনা রোগী পাওয়া গেছে। ব্যাটা অফিসের কাজে ক্যালিফর্নিয়া গিয়েছিল, এসে নিজের পরিবারের মধ্যে রোগটি ছড়িয়ে দিয়েছে। এখন বেচারার স্ত্রী পুত্র দুইজনই অসুস্থ।
তাও ভাল লোকটা নিজের উদ্যোগেই কর্তৃপক্ষকে ফোন করে জানিয়েছে যে তাঁর সন্দেহ হচ্ছে সে রোগী। পরীক্ষা করে ডাক্তার প্রাথমিকভাবে তাঁকে সন্দেহ করেছিল, পরেরদিন নিশ্চিত হয়েছে। পুরো পরিবার নিজ উদ্যোগেই সমাজচ্যুত হয়ে গেছে। কারোর মধ্যে রোগ ছড়িয়ে দেয়ার ইচ্ছা তাঁদের নেই।
এই কাজটি তাঁরা করেছেন কারন ভাইরাসটি সম্পর্কে গোটা দেশবাসীকে সতর্ক করা হয়েছে। আমাদের দেশেই খবর পেলাম একটি মেয়ের মাঝে সব ধরনের লক্ষন প্রকাশ পাবার পরেও তাঁর বাবা মা নাকি তাঁকে ডাক্তারের কাছে নিচ্ছেন না। ভাবছেন সাধারণ সর্দি, জ্বর, ঠিক হয়ে যাবে। কারন ফেসবুকে একদল প্রচার করে বেড়াচ্ছেন, এতে আতঙ্কিত হবার কিছুই নেই। মৃত্যু হার কম, আশির উপরে বয়স না হলে মারা যাবার সম্ভাবনা কম। এইসব মিডিয়ার সৃষ্টি। ফেসবুকের অপকারিতা। গরম পানি খেলেই ঠিক হয়ে যাবে। গরমে ভাইরাস মরে যাবে, তাই চুলার পাশে বা রোদে বসে থাকলেই চলবে, ইত্যাদি।
আমাদের এলাকার লোকটি যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে গত কয়দিনে তাঁরা কোথায় কোথায় গেছেন, কোথায় কার সাথে মিশেছেন। যতজনের সাথে যোগাযোগ সম্ভব, এখন করা হবে। টেস্ট করা হবে। বাচ্চাটি যে স্কুলে যায়, আস্ত স্কুল স্যানিটাইজ করা হবে। হয়তো যে পার্কে খেলতে যায়, সেই পার্কও স্যানিটাইজ করা হবে। আল্লাহ ভরসা। যদি কারোর মধ্যে ছড়িয়ে গিয়ে না থাকে, তাহলে আশা করা যায়, রোগটি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। যদি ছড়িয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে খবর আছে। যেকোন সময়ে খবর আসবে শহর বন্ধ হয়ে গেছে। কেউ বাড়ির বাইরে বেরুতে পারবে না।
এরই মধ্যে ডালাসে সেইন্ট প্যাট্রিক্স ডে প্যারেড ক্যানসেল করা হয়েছে। এটি আইরিশদের একটি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব। আমেরিকানদের ৮০% লোক শ্বেতাঙ্গ, এবং এই শ্বেতাঙ্গদেরও একটি বড় অংশ আইরিশ। এই প্যারেড ক্যানসেল করা এবং আমাদের দেশে বলে দেয়া যে "ঈদের জামাত হবেনা" অনেকটা কাছাকাছি ব্যাপার, বুঝতেই পারছেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ সেটাই করতে বাধ্য হয়েছে, এবং জনতাও নির্দ্বিধায় মেনে নিয়েছে। আমাদের দেশে অপপ্রচার করা হচ্ছে যে খাঁটি মুসলিমদের এই রোগ নিয়ে ভয় নেই। এটি কাফিরদের উপর আল্লাহর গজব, এবং সেই সাথে মুনাফেকরাও মরবে। আমার কোন এক লেখায় শেয়ার করা পোস্টে এমনই কমেন্ট আমি পেয়েছি। ঐ উজবুককে কে বুঝাবে উমারের (রাঃ) সময়ে সিরিয়ায় যে প্লেগ হয়েছিল, যেখানে পঞ্চাশ হাজারের বেশি মানুষ মারা গিয়েছিলেন, সেখানে প্রচুর সাহাবীও ছিলেন। রোগ জীবাণু মানুষের ঈমান দেখে শরীরে ঢুকে না। এইসব ওয়াজ মাহফিল অচিরেই বন্ধ করা উচিৎ। ভ্রান্ত আজগুবি অপপ্রচারের চেয়েও বড় ব্যাপার, জনসমাগম ঠ্যাকাতে।
যেমনটা আমাদের রাজধানী অস্টিনে অনুষ্ঠিত বিশ্বনন্দিত মিউজিক ফ্যাস্টিভেল সাউথ বাই সাউথ ওয়েস্ট ক্যানসেল করা হয়েছে। আরও বড় বড় পাবলিক ইভেন্ট ক্যানসেল করা হয়েছে, হচ্ছে এবং হবে কিনা ভাবা হচ্ছে। যেকোন সময়ে প্রধান শহরগুলো লকডাউন ঘোষণা করতে পারে। আমাদের অর্থনীতি এইসব শহরের উপরই নির্ভরশীল। একেকটি শহর লকডাউন হওয়া মানে মার্কিন অর্থনীতি ধসে পড়া। চীনাদের যেমনটা হয়েছে। স্টক মার্কেট এরই মধ্যে শেষ। তবু মানুষের প্রাণ বাঁচানো ফরজ। আগে মানুষ, তারপরেই না টাকা পয়সা।
আমাদের প্রধানমন্ত্রী একটি দুর্দান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং সেটি হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী উৎসবকে পিছিয়ে দিয়েছেন। তিনি দেশের অভিভাবক, দেশের মানুষের মঙ্গলের সিদ্ধান্ত নেয়া তাঁর দায়িত্ব, এবং তিনি এই ক্ষেত্রে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁকে ধন্যবাদ।
ঠিক এই কথাটাই কিছুদিন আগে লিখেছিলাম। গোটা বিশ্বে মহামারী আকারে ছড়িয়ে যাচ্ছে ভাইরাসটি, বিশ্বের সম্পূর্ণ বিপরীত প্রান্তের দেশ আমেরিকায় পর্যন্ত পৌঁছে গেছে এবং ছড়াতেও শুরু করেছে। অথচ আমাদের দেশে একটিও রোগী নেই, এ কিভাবে সম্ভব?
তখন আমাদের ফেসবুকের কিছু দালাল-এ-লীগ তেড়ে ফুঁড়ে এলেন আমি নাকি জন্মশতবার্ষিকী উৎসব পেছানোর জন্য প্যানিক ছড়াচ্ছি। এক মন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, করোনা ভাইরাস নিয়ে প্যানিক ছড়ানোর কাজ বিএনপি করছে, সেই সূত্রানুযায়ী আমি বিএনপি জামাত। সেই সাথে আমাদের বিএনপি নেতা হুবহু আমার কথাই বললেন, আমি বলেছিলাম, আমার "সন্দেহ হচ্ছে" সরকার লুকাছুপি করছে, আর তিনি কনফিডেন্টলি বললেন, সরকার করোনা ভাইরাসের খবর লুকাচ্ছে। মানে, আমি বিএনপি।
সেই পোস্টেই একজন লিখলেন, ফকিরনির পোলার কাছে বড়লোকের বাচ্চার জন্মদিন বিলাসিতা। তেমনি, আমার কাছে এই অনুষ্ঠানটা তাই। মানে, যারা জন্মদিনের উৎসব পালনের পক্ষে, তাঁরা বড়লোকের সন্তান, আর করোনা ভাইরাসের দোহাই দেয়া আমি ফকিরনির পোলা।
কেউ থিওরি এনে বললেন, ২৩ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ভাইরাসটি ছড়ায় না। কেউ থিওরি দিলেন, গরম পানি খেলেই ভাইরাস মরে যায়। কেউ বললেন, রোদে দাঁড়ালেই ভাইরাস মরে। বুড়াবুড়ি ছাড়া কেউ মরছে না, এমন স্ট্যাটিস্টিক্স এনে হাজির করলেন কেউ। মেজাজ খারাপ হলো। কিছু বললাম না। ভাই সাহেবরা জানেন না, আমি ভ্যারিফাইড সোর্স ছাড়া তথ্য শেয়ার করিনা, উনারা ফেসবুকে অমুক তমুকের পোস্টকে কুরআনের বাণী ধরে নিয়ে প্রচারে নেমে যায়।
আজকে ফিলিপিনের এক বান্ধবী জানালো তাঁর শহর অফিসিয়ালি লকডাউন। কাউকে বের হতে দিচ্ছে না। তিনদিন আগেও সংখ্যা ছিল তিন, আজকে রোগী সংখ্যা বায়ান্ন হয়ে গেছে। ওদের শহরের তাপমাত্রা আশি ডিগ্রি ফারেনহাইট। মানে ছাব্বিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২৩ ডিগ্রি ওয়ালাদের সামনে মাইক ধরে এখন জানতে ইচ্ছা করছে তাঁদের অনুভূতি কি।
এইসবতো গেল, এক ভাউতো সবাইকে ছাড়িয়ে গেলেন। তিনি দাবি করলেন তিনি উন্নত বিশ্বের কোন উন্নত শহরে থাকেন। এবং আমি যে বলেছি "শহর লকডাউন হবে, এবং কাউকে বের হতে দিবে না" এইসব নিয়ে খুব হাসাহাসি করলেন। তার দাবি, এমন কিছুই হবেনা, আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েকটা লাইকের ধান্ধায় এমনটা লিখেছি।
কোন উন্নত শহরে ব্যাটা থাকে সেটা এখন জানতে ইচ্ছা করছে। এই বিদ্যা নিয়ে কুতর্ক করতেওতো ছাপ্পান্ন ইঞ্চির কলিজা দরকার।
আলহামদুলিল্লাহ। এইসব দলকানা, দলান্ধ, তেলবাজ ছাগুদের উচিৎ জবাব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি যেন না হয়। তাঁর মৃত্যুর পরে তাঁর লাশ ঘন্টার পর ঘন্টা পড়েছিল, তখন কোথায় ছিল এরা? তাঁর মায়ের, ভাবীর কাফনের কাপড় ছিল না, রেড ক্রিসেন্টের কাপড়ে দাফন করতে হয়েছে। তখন কোথায় ছিল এই দরদ? তাঁর নিজের মৃত্যু হলেও এরা কেউ পাশে থাকবে না।
কথাগুলো আমার এত ভাল লাগলো! তেলসাগরে ডুবে থাকলে পিছলা খেতেই হয়। তিনি এখনও খাননি। একটি কঠিন ধমক দিয়েছেন। তাঁকে আবারও ধন্যবাদ। তবে বাঙালি এমন জাতি, যাদের কনস্ট্যান্ট ধমকের উপর রাখতে হয়। প্রধানমন্ত্রী যদি এইরকম রেগুলার ধমকের উপর রাখেন, তাহলে এইগুলি সিধা থাকতো। তাঁর নিজের ইমেজের জন্যই কাজটি করা ফরজ। কারন দেশের মানুষ মনে করে, তাঁর আশকারাতেই এই পা চাটার দল এমন করছে। মানুষের জীবনের মূল্যের চেয়ে একটি উৎসবকে প্রাধান্য দিচ্ছে। নিজের বাপের উৎসবের খেয়াল আছে, দেশের মানুষের প্রতি দরদ নেই।
তাঁর লোকেরা তাঁর প্রশ্রয়েই গুন্ডাগিরি করে বেড়াচ্ছে।
সেদিন যেমন আমাদের এক এডমিন বললেন (নাম বলছি না) তাঁর অফিসে এসে এক বদমাইশ এইরকমই হম্বিতম্বি শুরু করেছিল যে অমুককে চিনে, তমুককে চিনে। যেই তিনি পাল্টা ধমক দিয়ে বললেন যাকে ডাকার ডাকতে, যা করার করতে, অমনি বিড়ালের মতন লেজ গুটিয়ে পালালো। ধমক দেয়ার আগে পর্যন্ত অফিসের সবাই ভাবছিলেন বুঝিবা আসলেই সরকার সমর্থিত কোন গুন্ডা।
যাই হোক। দেশের কিছু পদক্ষেপ খুবই ভাল লাগছে।
যেমন বিদেশ থেকে কেউ গেলেই তিনি যেন দুই সপ্তাহ নিজেকে বিচ্যুত করে রাখেন। লোকজনের সাথে মেলামেশা না করেন, রোগ থাকলে না ছড়ান।
সরকার জরুরি ঘোষণাটি দিয়েছেন, তাঁদের কাজ শেষ। এখন ফাজিল জনতা শুনলেই হলো। আমাদের দেশের মানুষের স্বভাব হচ্ছে নিয়ম ভাঙ্গাতেই আমরা বিপুল আনন্দ লাভ করি।
"যেহেতু সরকার নিষেধ করেছে বের হতে, তাই আমাকে বের হতেই হবে" ভাব। আরে ফাজিল, তুই একা মরবি না, ভাই ব্রাদার আত্মীয় স্বজন ছেলেমেয়ে সবাইকে নিয়েই মরবি। দয়া করে এই কাজটা করিস না। সবচেয়ে ভাল হয়, দেশে জীবন মরনের প্রশ্ন না উঠলে দয়া করে কেউ এই মুহূর্তে যাবেন না। আপনি বিদেশ থেকে রোগ বহন করে দেশের মানুষের ক্ষতি কেন করবেন?
আরেকটি উদ্যোগ যা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার, তা হচ্ছে, স্যানিটাইজারে সরকার মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে। কয়েকটা ব্যবসায়ীকে জরিমানাও করেছে। খুবই ভাল সংবাদ। আরও কঠোরভাবে শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিৎ। ফাজলামি আমাদের রক্তে মিশে আছে। সামান্য লিখিত নিয়মে এসব পাল্টাবে না।
গুলশান মার্কেটের সামনে একটি ফেরিওয়ালার ছবি খুব ভাইরাল হচ্ছে দেখলাম। বেচারা একটা মাস্ক মাত্র বিশ টাকায় প্রতি কাস্টমারে একটি করে বিক্রি করছে। লেখাপড়া না জানা ফুটপাথের সামান্য এক ব্যবসায়ীর মধ্যে যে এথিক্স আছে, স্যুট টাই পরা, কোটি টাকার গাড়ি চালানো বদমাইশ ব্যবসায়ীদের মধ্যে সেটা নাই। আফসোস।
আমাদের দেশে রাস্তায় প্রয়োজনে মিলিটারি নামিয়ে দেয়া উচিৎ। ছাত্রলীগ - যারা দাবি করে তারা দেশের কাজ করে, কিন্তু বাস্তবে গুন্ডা বদমায়েশি খুন খারাবি আর চাঁদাবাজি ছাড়া অন্য কোন কিছুতে কিছু করতে দেখিনা, তারা নিজেরাও রাস্তায় নেমে এসে লোকজনকে সচেতন হতে বাধ্য করতে পারে। যদি সত্যিই দেশের প্রতি দরদ থাকে, তাহলে অবশ্যই তারা কাজটি করবে। আমরা এমনই জাতি, যারা ফেস মাস্ক পরে ঘুরে বেড়াচ্ছি, এবং সেই মাস্ক সরিয়ে যেখানে সেখানে থুথু কফ ফেলছি। মানে, মাথার ব্রেনে যদি বিষ্ঠা ভরা থাকে, তাহলেওতো এতটা ছাগলামি করার কথা ছিল না। এই থুথু ফেলা, পানের পিক ফেলা, যেখানে সেখানে পেশাব দিয়ে দেয়ালে কাটাকুটি খেলতে বসে যাওয়া বঙ্গ জনতাকে লাইনে রাখতে হলে যে লোকবল প্রয়োজন, সেটা পুলিশ বাহিনীর নেই। আর্মি বা ভলান্টিয়ার দরকার। এখানে না হলে ছাত্র রাজনৈতিক সংগঠনগুলো আর কোন কাজে লাগবে? দেশের উপর বোঝা ছাড়া আরতো কিছু নয় ওরা।
রাজনৈতিক দলগুলোর এই মুহূর্তে "বিএনপি আতংক ছড়াচ্ছে" এবং "আওয়ামীলীগ করোনা ভাইরাসের খবর গোপন রেখেছে" জাতীয় ফাত্রামি বন্ধ করে একে অপরকে সহায়তা করা উচিৎ। আমরা জানি ওরা কখনই এক পাতে ভাত খাবার মতন সভ্য আচরণ করবে না, কেবল ফাত্রামি কথাবার্তা বন্ধ করলেই কিন্তু অনেক সাহায্য করা হয়ে যাবে।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন বিশ্বব্যাপী মহামারী ঘোষণা দিয়েছে, গোটা ইটালি লক ডাউন হয়ে গেছে, বিশ্বের অনেক বড় বড় শহরই বন্ধ হয়ে গেছে, আল্লাহর দোহাই, ভাইয়েরা ও বোনেরা - বিষয়টাকে এতটাও হালকাভাবে নিবেন না। টম হ্যাঙ্কস সস্ত্রীক করোনা ভাইরাস পজিটিভ হয়েছেন, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে কোয়ারেন্টাইন করে রাখা হয়েছে, ব্রিটিশ স্বাস্থ্য মন্ত্রীর পজিটিভ ধরা পড়েছে, ওয়াশিংটনে সরকারি কর্মচারীর পজিটিভ এসেছে, ইউরোপের অধিবাসীদের আমেরিকান ট্যুরিস্ট ভিসা বাতিল হয়ে গেছে, এত কিছু ফাজলামি করতে হচ্ছে না। "গরম পানি খেলে, আর রোদে দাঁড়ালেই করোনা ভাইরাস মরে যাবে" জাতীয় বাকওয়াজ করতে আসবেন না প্লিজ।