Mithila Khandaker

Mithila Khandaker | Psychologist | Content Creator |

Work-Life Harmony Part-1Work–Life Harmony: কেন ব্যালান্স নয়, হারমোনি জরুরিসায়মা একটি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। বয়স ...
05/02/2026

Work-Life Harmony

Part-1

Work–Life Harmony: কেন ব্যালান্স নয়, হারমোনি জরুরি

সায়মা একটি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। বয়স ৩৪। একটি reputed multinational company-তে mid-level management position।তার সকালটাই শুরু হয় ইমেইল আর WhatsApp notification দিয়ে, তারপর তো পরিবারের সবার জন্য ব্রেকফাস্ট তৈরি, বাচ্চাদের স্কুলের জন‍্য রেডি করা, হাসব‍্যান্ড এর লান্চ প‍্যাক আর কোনমতে নাস্তা টা সেরেই দৌড়াতে হয় অফিসে! সারাদিন এর হেকটিক অফিস আওয়ার এর পর ক্লান্ত সায়মা বাসায় ফেরেন, আবার বাচ্চাদের হোমওয়ার্ক, রাতের রান্না, আর পরদিন এর কাপড় গুছিয়ে তার রাতে ঘুমাতেও যেতে হয় pending task-এর চিন্তায়। কিছু কি বাদ পড়লো? কাল সব ঠিক ঠাক থাকবে তো? আমি সব কিছু ঠিক মতো করতে পারছি তো?

চিন্তার চাকায় ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত চোখে ঘুম নামে এভাবেই ।

বাইরে থেকে দেখলে, কাগজে-কলমে তিনি সফল—ভালো salary, career growth, social status।কিন্তু বাস্তবে ?বাস্তবে সায়মা chronically exhausted, emotionally drained, এবং নিজেকে অবহেলা করা বা সবার জন্য করেও নিজেই নিজের জন্য সময় না পাওয়া একজন মানুষ।

তিনি কাজের জায়গায় high-performing employee, যেটা তার জব এর ডিম‍্যান্ড! আর বাসায় এসে হয়ে যান emotionally and physically available mother/wife/daughter -এটা তার পরিবারের ডিম‍্যান্ড!
এই বহুমুখী ভূমিকায় সায়মা সবার জন‍্য আছেন তো ঠিকই, কিন্তু ধীরে ধীরে Psychologically collapse করে যান! আর এটাই আজকের বহু পেশাজীবী মানুষের নীরব গল্প।

Work–Life Balance vs Work–Life Harmony ( কেন এটাকে আমরা ব‍্যালেন্স বলছি না, হারমনি বলছি)

আমরা বহুদিন ধরে “Work–Life Balance” শব্দটি শুনে আসছি। কিন্তু বাস্তবে জীবন তো কোনো weighing scale নয়।Harmony আর Balance এর পার্থক্য টা কি তাহলে?

👉 Work–Life Balance বোঝায়—কাজ আর ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে সমান ভাগ।
👉 Work–Life Harmony বোঝায়—কাজ ও জীবনের বিভিন্ন ভূমিকা যেন একে অপরের সাথে conflict নয়, coordination তৈরি করে, সেটা বুঝে চলা! মানে যেখানে যতটা প্রয়োজন, সেখানে ঠিক ততটাই দেয়া! Simple!

Harmony মানে হলো, এমন একটা মাইন্ডসেট, যেখানে
• কাজ জীবনের শত্রু নয়
• জীবন কাজের বাধা নয়
• বরং দুটোই মিলেমিশে একটি sustainable lifestyle তৈরি করে!

কেন আমরা Work–Life Harmony হারিয়ে ফেলি?

1. Always-on Work Culture

কর্পোরেট জগতে এখন “office hours” নেই—
Email, Teams, Zoom, WhatsApp = 24/7 availability!
এর ফলে হয় boundary erosion। কমবেশি সবাই দেখছি এটা এখন তাই না?

2. Role Overload

একজন মানুষ একসাথে—
• employee
• parent
• spouse
• caregiver
• social being and what not!

এই সব role একসাথে manage করতে গিয়ে হয় role strain। এটাও এক্সপেরিয়েন্স করছি!

3. Productivity = Self-worth ( দুটো কে একই পাল্লায় মাপা)

অনেকে নিজের মূল্য নির্ধারণ করে productivity দিয়ে।( এটার জন‍্য অবশ্য ওভারলোডেড টক্সিক work culture কে দায়ী করা যায়)।
কাজ না করলে guilt, একটু বিশ্রাম নিলে shame—এটি toxic productivity mindset।
“Rested brain” যে বেটার কাজ করতে পারে, বেটার প্রডিউস করতে পারে, ওই টা আমাদের ব্রেইনের মধ্যে নেই!

4. Gender Expectations

বিশেষ করে working women দের ক্ষেত্রে—
• অফিসে 100%
• বাসায়ও 100%

এই দ্বৈত চাপ তৈরি করে chronic stress & burnout। উদাহরণ দেয়া শুরু করলে থামা মুশকিল হয়ে যাবে!

এবারে ছোট্ট করে বলি, এই
Work–Life Disharmony-এর Psychological Cost কি হতে পারে বা হচ্ছে!

যখন harmony থাকে না, তখন দেখা যায়—
• Burnout syndrome (emotional exhaustion, depersonalization)
• Anxiety & depressive symptoms ( চেম্বার এ অনেক দেখা যায়)
• Sleep disturbance
• Irritability & anger issues
• Relationship dissatisfaction ( এটাও কমন কেইস গুলোর মধ্যে)।
• Loss of identity (“আমি আসলে কে?”)

তখন সায়মার মতো অনেক নারী বলেন—
“এই যে সারাদিন আমি সবার জন‍্য কাজ করছি, আমি নিজে ভালো আছি কি?”

পরবর্তী অংশে থাকবে কেন এই হারমনি আমাদের প্রয়োজন এবং কিভাবে আমরা Work-Life Harmony অর্জন করতে পারি!

পাশে আছি 🙏




সব কিছু ঠিকঠাক চলছে—কাজ, দায়িত্ব, পারফরম্যান্স।তবুও ভেতরে কোথাও একটা নীরব ক্লান্তি জমে থাকে? দিন শেষে মনে হয়, সব ই তো সা...
04/02/2026

সব কিছু ঠিকঠাক চলছে—কাজ, দায়িত্ব, পারফরম্যান্স।
তবুও ভেতরে কোথাও একটা নীরব ক্লান্তি জমে থাকে?
দিন শেষে মনে হয়, সব ই তো সামলাচ্ছি—একা হাতেই হাজার দায়িত্ব পালন করছি! তবুও দিনশেষে ভিতর ভিতর ভীষণ একটা কষ্ট? সব আছে, কিন্তু কোথাও যেন নিজেকে খুঁজে পাচ্ছি না!

একটু থামুন! বলছি, এটা আমাদের সবার ভিতর কম বেশি আছে! কিন্তু আমরা গুরুত্ব দিই না! Overlook করে যাই ।
এটা হয়তো মানসিক কোন সমস্যা নয়, এটা Work–Life Harmony হারিয়ে যাওয়ার আরেক নাম!
যেখান থেকেই শুরু হতে পারে অনেক বড় ধরনের বিপত্তি!

এই লেখাটা তাদের জন্য—যারা চুপচাপ ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত, তবুও থেমে যেতে পারেন না। দায়িত্ব যাদের গ্রাস করে রেখেছে, কিন্তু সবাই কে ভালো রাখতে যেয়ে নিজেরা ভালো নেই!

হ‍্যাঁ! Work-Life Harmony!

এটাই হবে আমার নেক্সট সিরিজ রাইটআপ!



02/02/2026

যে মানুষটা হাসছে, সে হয়তো লড়াই করছে নীরব যুদ্ধে।
সব mental illness চোখে দেখা যায় না—কিন্তু অবহেলায় ভয়ংকর রূপ ধারণ করতে পারে!

OCD Management Part-2 ( last part)OCD বা Obsessive Compulsive Disorder কে ম্যানেজ করতে হলে প্রথমে জানতে হবে OCD কীভাবে ক...
31/01/2026

OCD Management
Part-2 ( last part)

OCD বা Obsessive Compulsive Disorder কে ম্যানেজ করতে হলে প্রথমে জানতে হবে OCD কীভাবে কাজ করে!

Obsessive–Compulsive Disorder (OCD)-এ
• Obsessions → বারবার আসা intrusive thoughts, যা থেকে আপনি বের হতে পারছেন না (যেমন: “নোংরা হয়ে গেছে”, “ভয়ংকর কিছু হবে”)
• Compulsions → সেই anxiety টা কমানোর জন্য আপনার করা repetitive behavior গুলো (যেমন: অতিরিক্ত cleaning বা রিমির বেলায় হাত ধোয়া)।

কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্ত anxiety ও stress-এর কারণে
auditory hallucination (কানে “কিছু বলছে” মনে হওয়া) যুক্ত হতে পারে।
মনে রাখা জরুরি যে, এটি আলাদা psychotic disorder না-ও হতে পারে, বরং severe OCD + anxiety overload-এর কারণেও হতে পারে।

এই বার আসছি স্টেপ বাই স্টেপ ম‍্যানেজমেন্ট এ!

১। Psychoeducation – রোগটাকে প্রথমে বোঝা

প্রথম ধাপ হলো বুঝে নেওয়া—“এই ভয়টা আমার brain-এর false alarm, বাস্তবের danger না।” যা চিন্তা করছি সেটাই ফ‍্যাক্ট না, আর যা অনুভব করছি সেটাই সত্যি না!

• Thought ≠ Fact
• Feeling ≠ Reality

নিজেকে বারবার বলা:

“This is OCD talking, not me.”

২। ERP (Exposure and Response Prevention) – Core Treatment

ERP হলো OCD-এর সবচেয়ে effective therapy।

কী করা হয় এটায়?
• ধীরে ধীরে trigger situation-এ থাকা , মানে Exposure! যেমন, রোগী দরজার হাতল (door handle) স্পর্শ করল।সাথে সাথে মনে হলো: “হাত নোংরা হয়ে গেছে, এখনই না ধুলে অসুস্থ হব।”( anxiety বাড়ছে , হাত ধোয়ার তাগিদ ও বাড়ছে)।ঠিক তখনই, হাত না ধুয়ে থাকা, ইচ্ছাকৃতভাবে।
• প্রথমে ৫ মিনিট হাত না ধোয়া
• হাত দিয়ে স্বাভাবিক কাজ করা (মোবাইল ধরা, বসে থাকা)।
Anxiety থাকবে, heart rate বাড়বে, ভয় লাগবে —
এটাই exposure-এর অংশ।

• immediately cleaning না করা বা delay করা হলো Response Prevention ।
এই যেমন,
• ৫ মিনিট cleaning delay
• তারপর ১০ → ১৫ → ৩০ মিনিট দেরি করা! ধীরে ধীরে সময়কাল বাড়ানো আর কি।

এতে Anxiety শুরুতে বাড়ে, কিন্তু নিজে নিজেই কমে যায়! — এটাকে বলে মনোবিজ্ঞানের ভাষায়, Systematic desensitization.

৩। Cleaning Rules তৈরি করা (Behavioral Control)

একটি fixed rule-based system বানাতে হবে:
• দিনে কতবার পরিষ্কার করব
• কোন জায়গা সত্যিই clean করা জরুরি
• আর কোনটা OCD-driven

আপনি চেষ্টা করবেন কোন ভাবেই আপনার এই তৈরি করা নিয়মের বাইরে না যেতে। একদম সেট করা রুলস থাকবে! মাথায় গেঁথে নিন,

Rule ছাড়া cleaning করতে থাকা মানে OCD wins আর Rule মেনে নিয়ম করে cleaning মানেই YOU win! মনে থাকবে?

৪। Thought Challenging (CBT Tool)

আপনি কোন কাজ বারবার করার আগে অবশ্যই সেটা আপনার চিন্তায় আগে আসে! তাই , প্রতিটি obsessive thought-এর জন্য প্রশ্ন করুন:
• আমার এই চিন্তার পিছনে Evidence কী?
• Worst-case টাও যদি হয় , কি হবে? কি আমি survive করব ?
• আগে কতবার এমন ভেবেছি কিন্তু আসলে কিছুই হয়নি?

মনে রাখবেন, আপনার কিন্তু “Uncertainty Intolerance” আছে!
“আমি ১০০% নিশ্চিত না হলে শান্ত থাকতে পারি না।”
সামান্য doubt থাকলেই anxiety বেড়ে যায়। আর OCD ঠিক এই জায়গাটাকেই ব্যবহার করে।
এই যেমন,
• হাত ধোয়ার পরও মনে হয়—
“পুরোপুরি পরিষ্কার হলো তো?”
• ৯৫% পরিষ্কার হলেও brain বলে—
“আরেকবার ধুয়ে নিলে ১০০% হবে।”
OCD ১০০% certainty চায় , কিন্তু বাস্তব জীবনে ১০০% certainty সম্ভব না! তাই না? এই বাস্তবতা টা মানতে হবে!

৫। Lifestyle modification:

এগুলো খুবই বেসিক! যেমন,
• Sleep hygiene ঠিক রাখা
• Excessive caffeine intake কমানো
• Light physical activity (walk, stretching)
• Mindfulness breathing (৫ মিনিট হলেও)

Calm brain মানেই less anxiety !

৬। Medication – কখন প্রয়োজন

যদি:
• Compulsion uncontrollable হয়
• Hallucination frequent হয়
• Daily functioning significantly disrupted হয়, বা ব‍্যাহত হয় । তাহলে psychiatric consultation প্রয়োজন ।

শেষে বলবো, OCD মানেই আপনি দুর্বল নন।
এটা একটি neurobiological + psychological disorder — যেটা manageable এবং treatable।সঠিক therapy, নিয়মিত practice আর patience থাকলে , OCD আপনার জীবন নিয়ন্ত্রণ করবে না — আপনি করবেন। সত্যিই!

আর আপনার এই চ‍্যালেন্জ মোকাবেলায় সবসময়ই,
পাশে আছি 🙏




29/01/2026

প্যারেন্টিং আজকের যুগে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। যেখানে বাবা-মা হিসেবে আমরা প্রত্যেকেই চাই আমাদের সন্তান একজন সৎ, বিবেকবান এবং আত্মবিশ্বাসী মানুষ (Confident Human Being) হিসেবে গড়ে উঠুক।
এই ভিডিওতে আমি পজিটিভ প্যারেন্টিং-এর এমন ৩টি সহজ কিন্তু কার্যকর হ্যাকস (Hacks of Positive Parenting) শেয়ার করেছি, যা আপনার সন্তানের সাথে আপনার সম্পর্ককে আরও গভীর করবে।

28/01/2026

পার্টনারের সাথে মন খুলে কথা বলা যায় তো?

OCD Part -1 রিমির ( ছদ্মনাম) বয়স ২৯। বাইরে থেকে দেখলে সে একদম “normal” একজন মানুষ—চাকরি করে, পরিবার সামলায়, নিয়মিত নামাজ...
26/01/2026

OCD
Part -1

রিমির ( ছদ্মনাম) বয়স ২৯। বাইরে থেকে দেখলে সে একদম “normal” একজন মানুষ—চাকরি করে, পরিবার সামলায়, নিয়মিত নামাজ পড়ে। কিন্তু তার দিনের শুরু হয় এক অদ্ভুত ভয় দিয়ে।ফ্রেশ হয়ে যেই বের হবে, মনে হয়, “হাতে/ শরীরে ময়লা বা জার্মস লেগে আছে”
“হাত ঠিকমতো ধোয়া হয়নি।”
“ঠিকমত পরিস্কার না করলে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়বে” ।

সে হাত ধোয়।
তারপর আবার মনে হয়,
“না, ঠিক করে পরিষ্কার হয়নি। আবার ধুতে হবে।”
এভাবে প্রায় প্রতিদিনই ওয়াশরুমে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি সময় চলে যায়।

“হাত ময়লা, Germs লেগে আছে, আবার ধুতে হবে” - এই চিন্তাটা তার নিজের মনে হলেও, কখনো কখনো সেটি যেন একটা কণ্ঠস্বরের মতো শোনায়। খুব জোরে না, খুব স্পষ্টও না—কিন্তু ভেতর থেকে কেউ যেন বলে ওঠে,
“আরেকবার না ধুলে কিছু একটা খারাপ হবে।”

রিমি ভয় পায়।
সে জানে, এই চিন্তাটা অযৌক্তিক। তবুও সে হাত ধোয়। একবার, দুবার, পাঁচবার। তারপরও মনে শান্তি আসে না।

সে চারপাশে তাকায়। কেউ নেই।
তারপরই তার মাথায় আসে—
“আমি কি পাগল হয়ে যাচ্ছি?”

কিন্তু আসলে রিমির সাথে যা হচ্ছে তা একটি নিরাময় যোগ্য মানসিক সমস্যা!

রিমির সমস্যা হলো Obsessive Compulsive Disorder (OCD)। আর তার ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে যুক্ত হয় Auditory Hallucination-like experiences—যা আসলে পুরোপুরি psychotic hallucination নয়, বরং intrusive thoughts যেগুলো কণ্ঠস্বরের মতো অনুভূত হয়।

এই ধরনের OCD-তে মানুষ বারবার unwanted thoughts (obsessions) অনুভব করে যেমন-
• নিজের বা পরিবারের কোন ক্ষতি হয়ে যাবে
• নিশ্চয়ই কোথাও কিছু ভুল হচ্ছে
• আমি নিজে কি খারাপ মানুষ কিনা ( Extreme self doubt)
• ঈমান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে
• এই কমান্ড ( যা তার নিজের চিন্তা কিন্তু অস্পষ্ট করে শুনতে পাচ্ছে) না মানলে তার মাধ‍্যমে অন্যের ক্ষতি হয়ে যাবে ।

এই চিন্তাগুলো এতটাই distressing হয় যে, মস্তিষ্ক সেগুলোকে কখনো কখনো নিজের চিন্তা না বলে বাইরের কণ্ঠস্বরের মতো অনুভব করায়।

এখন কথা হলো, এগুলো কেন হয়?

প্রধান কারণগুলো যদি বলি,
• Severe-profound anxiety
• দীর্ঘদিনের unmanaged OCD
• অতিরিক্ত guilt ও fear-based belief
• Hyperactive brain (বিশেষ করে frontal lobe)
• Childhood emotional neglect বা trauma
• ধর্মীয় বা নৈতিক perfectionism

এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—
এই মানুষগুলো বাস্তবতা বোঝার ক্ষমতা হারায় না। রিমিও জানে, এই কণ্ঠস্বর সত্যি কেউ বলছে না। কিন্তু ভয় এতটাই তীব্র যে, তার শরীর ও মন সেটাকে বাস্তবের মতো গ্রহণ করে বা করতে বাধ্য হয় ।

এই কারণে OCD with auditory experiences অনেক সময় ভুল করে Schizophrenia বা psychosis ভেবে নেওয়া হয়, যা রোগীকে আরও আতঙ্কিত করে তোলে।

পরবর্তীতে, রিমি ধীরে ধীরে থেরাপিতে যায়।
সে শেখে—
সব চিন্তা সত্য নয়
সব কণ্ঠস্বর বাস্তব নয়
আর ভয় মানেই বিপদ নয়

CBT (Cognitive Behavioral Therapy) এবং ERP (Exposure and Response Prevention) তার জীবনে ও চিন্তাধারায় পরিবর্তন আনে। সেই সাথে Medication ও যুক্ত হয়।

আজও রিমির মাথায় কখনো কখনো সেই কণ্ঠ আসে।
কিন্তু এখন সে জানে—
“এই কণ্ঠ আমি নই, আর এটাকে মানতে হবে এমন কোনো নিয়ম নেই।”

আর ঠিক এখানেই OCD আমাদের কাছে পরাজিত হয়। মনে রাখবেন, OCD একটি manageable mental health condition—সঠিক assessment, evidence-based therapy এবং ধারাবাহিক support থাকলে পরিপূর্ণ ভাবে সুস্থতা সম্ভব।তাই ভয়ের নয়, সচেতনতার পথ বেছে নিন; আর এই জার্নি তে, সবসময়ই -

পাশে আছি 🙏

25/01/2026

“আমি ভালো নেই” এটার স্বীকৃতি দিলে, মানসিক কষ্ট মোকাবেলা সহজ হয়!

রিমি shower করে বের হলো। বের হতে গিয়ে হাত দিয়ে দরজার lock খুলল। হঠাৎ তার মনে হলো, lock-এ germs লেগে আছে। আবার হাত ধুয়...
23/01/2026

রিমি shower করে বের হলো। বের হতে গিয়ে হাত দিয়ে দরজার lock খুলল। হঠাৎ তার মনে হলো, lock-এ germs লেগে আছে। আবার হাত ধুয়ে ফেলতে হবে।

সে হাত ধুলো ..ধুতেই থাকলো! ৫ বার, ১০ বার… তবুও মনে হলো germs আছে! ভাবতে লাগলো , এই germs carry করলে কেউ অসুস্থ হবে। না, না, হাত ধুতেই হবে। Germs clean করতেই হবে।

এভাবে ৩০ মিনিট পার হয়ে গেল, ঘণ্টাও পার হয়ে গেল। রিমি হাত তো ধুয়ে যাচ্ছে, কিন্তু সে এমন একটা লুপ এ পড়ে গেছে যে রিমি বুঝতে পারছে না, তার এই চিন্তাটা আসলে obsessive thought। আর হাত ধোয়া টা শুধু habit নয়—এটি একটি compulsive act। যতই হাত পরিষ্কার হোক, রিমির ভেতরকার Anxiety পরিষ্কার হয়না! মাথার ভেতর চলতেই থাকে, হাত এ Germs লেগে আছে! হাত টা ময়লা!

এটি শুধু cleanliness obsession নয়—এটি OCD বা Obsessive Compulsive Disorder এর একটি practical face।
পরবর্তী write-up-এ লিখবো Rimi-এর struggle, coping strategies, এবং কিভাবে এটি treatable সেটা নিয়ে!

Stay Tuned 😊




Address

Level 6, House 26 And 28, Road-6/C, Quantum Tower (Opposite Sector 12 Masjid Graveyard), Sector 12, Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mithila Khandaker posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category