05/02/2026
Work-Life Harmony
Part-1
Work–Life Harmony: কেন ব্যালান্স নয়, হারমোনি জরুরি
সায়মা একটি কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। বয়স ৩৪। একটি reputed multinational company-তে mid-level management position।তার সকালটাই শুরু হয় ইমেইল আর WhatsApp notification দিয়ে, তারপর তো পরিবারের সবার জন্য ব্রেকফাস্ট তৈরি, বাচ্চাদের স্কুলের জন্য রেডি করা, হাসব্যান্ড এর লান্চ প্যাক আর কোনমতে নাস্তা টা সেরেই দৌড়াতে হয় অফিসে! সারাদিন এর হেকটিক অফিস আওয়ার এর পর ক্লান্ত সায়মা বাসায় ফেরেন, আবার বাচ্চাদের হোমওয়ার্ক, রাতের রান্না, আর পরদিন এর কাপড় গুছিয়ে তার রাতে ঘুমাতেও যেতে হয় pending task-এর চিন্তায়। কিছু কি বাদ পড়লো? কাল সব ঠিক ঠাক থাকবে তো? আমি সব কিছু ঠিক মতো করতে পারছি তো?
চিন্তার চাকায় ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত চোখে ঘুম নামে এভাবেই ।
বাইরে থেকে দেখলে, কাগজে-কলমে তিনি সফল—ভালো salary, career growth, social status।কিন্তু বাস্তবে ?বাস্তবে সায়মা chronically exhausted, emotionally drained, এবং নিজেকে অবহেলা করা বা সবার জন্য করেও নিজেই নিজের জন্য সময় না পাওয়া একজন মানুষ।
তিনি কাজের জায়গায় high-performing employee, যেটা তার জব এর ডিম্যান্ড! আর বাসায় এসে হয়ে যান emotionally and physically available mother/wife/daughter -এটা তার পরিবারের ডিম্যান্ড!
এই বহুমুখী ভূমিকায় সায়মা সবার জন্য আছেন তো ঠিকই, কিন্তু ধীরে ধীরে Psychologically collapse করে যান! আর এটাই আজকের বহু পেশাজীবী মানুষের নীরব গল্প।
Work–Life Balance vs Work–Life Harmony ( কেন এটাকে আমরা ব্যালেন্স বলছি না, হারমনি বলছি)
আমরা বহুদিন ধরে “Work–Life Balance” শব্দটি শুনে আসছি। কিন্তু বাস্তবে জীবন তো কোনো weighing scale নয়।Harmony আর Balance এর পার্থক্য টা কি তাহলে?
👉 Work–Life Balance বোঝায়—কাজ আর ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে সমান ভাগ।
👉 Work–Life Harmony বোঝায়—কাজ ও জীবনের বিভিন্ন ভূমিকা যেন একে অপরের সাথে conflict নয়, coordination তৈরি করে, সেটা বুঝে চলা! মানে যেখানে যতটা প্রয়োজন, সেখানে ঠিক ততটাই দেয়া! Simple!
Harmony মানে হলো, এমন একটা মাইন্ডসেট, যেখানে
• কাজ জীবনের শত্রু নয়
• জীবন কাজের বাধা নয়
• বরং দুটোই মিলেমিশে একটি sustainable lifestyle তৈরি করে!
কেন আমরা Work–Life Harmony হারিয়ে ফেলি?
1. Always-on Work Culture
কর্পোরেট জগতে এখন “office hours” নেই—
Email, Teams, Zoom, WhatsApp = 24/7 availability!
এর ফলে হয় boundary erosion। কমবেশি সবাই দেখছি এটা এখন তাই না?
2. Role Overload
একজন মানুষ একসাথে—
• employee
• parent
• spouse
• caregiver
• social being and what not!
এই সব role একসাথে manage করতে গিয়ে হয় role strain। এটাও এক্সপেরিয়েন্স করছি!
3. Productivity = Self-worth ( দুটো কে একই পাল্লায় মাপা)
অনেকে নিজের মূল্য নির্ধারণ করে productivity দিয়ে।( এটার জন্য অবশ্য ওভারলোডেড টক্সিক work culture কে দায়ী করা যায়)।
কাজ না করলে guilt, একটু বিশ্রাম নিলে shame—এটি toxic productivity mindset।
“Rested brain” যে বেটার কাজ করতে পারে, বেটার প্রডিউস করতে পারে, ওই টা আমাদের ব্রেইনের মধ্যে নেই!
4. Gender Expectations
বিশেষ করে working women দের ক্ষেত্রে—
• অফিসে 100%
• বাসায়ও 100%
এই দ্বৈত চাপ তৈরি করে chronic stress & burnout। উদাহরণ দেয়া শুরু করলে থামা মুশকিল হয়ে যাবে!
এবারে ছোট্ট করে বলি, এই
Work–Life Disharmony-এর Psychological Cost কি হতে পারে বা হচ্ছে!
যখন harmony থাকে না, তখন দেখা যায়—
• Burnout syndrome (emotional exhaustion, depersonalization)
• Anxiety & depressive symptoms ( চেম্বার এ অনেক দেখা যায়)
• Sleep disturbance
• Irritability & anger issues
• Relationship dissatisfaction ( এটাও কমন কেইস গুলোর মধ্যে)।
• Loss of identity (“আমি আসলে কে?”)
তখন সায়মার মতো অনেক নারী বলেন—
“এই যে সারাদিন আমি সবার জন্য কাজ করছি, আমি নিজে ভালো আছি কি?”
পরবর্তী অংশে থাকবে কেন এই হারমনি আমাদের প্রয়োজন এবং কিভাবে আমরা Work-Life Harmony অর্জন করতে পারি!
পাশে আছি 🙏