Mithila Khandaker

Mithila Khandaker | Psychologist | Content Creator |

High Functioning Anxiety(হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা অস্থিরতা)Part-1 নীলা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বেশ উঁচু পদে কর্মরত । ঘর...
03/04/2026

High Functioning Anxiety
(হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা অস্থিরতা)
Part-1

নীলা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বেশ উঁচু পদে কর্মরত । ঘর সংসার থেকে শুরু করে চাকরি, পরিবার, সমাজ, বন্ধুবান্ধব, সব দিকেই তার খেয়াল । বাচ্চাদের পরীক্ষার রেজাল্ট নিয়ে যেমন কনসার্নড, তেমনই কোন কলিগ এর সারপ্রাইজ বার্থডে পার্টিতে ও তিনি থাকছেন। নতুন প্রজেক্টের প্রেজেন্টেশন টা যেমন গুরুত্বপূর্ণ তাঁর কাছে, হাসব‍্যান্ড এর জন‍্য মজার কিছু রান্না করে তাকে চমকে দেওয়াটাও তার মাথায় থাকে! বন্ধুদের আলোচনায় নীলা প্রশংসার বানে ভেসে যায়! “তুই এত কিছু কিভাবে ম‍্যানেজ করিস? এতো পারফেক্ট লাইফ কি করে হয় মানুষের!”

নীলা হাসে। কোন উত্তর দেয় না। কারণ নীলা জানে, তাঁর সোশ্যাল প্রোফাইল তাকে ঠিক রাখতেই হবে, সবার কাছে প্রেজেন্টেবল থাকতেই হবে, দায়িত্ব পালন করতেই হবে, শত কষ্টের মধ্যেও মুখের হাসি টা ধরে রাখা টা একটা যুদ্ধ হলেও, যুদ্ধ টা তাকে জয় করতেই হবে! এক বিন্দু ছাড় নেই!

কিন্তু আসল সত্যি টা হলো, ভেতর ভেতর নীলা ভালো নেই । কেমন যেন এক চরম হতাশা তাকে গ্রাস করে ফেলছে দিনদিন। সে হাসছে ঠিকই কিন্তু শেষ কবে মন খুলে হা হা করে দুনিয়া কাঁপিয়ে হেসেছে, তার মনে পড়ে না।

ঠিক কোন ডিসঅর্ডার নিয়ে নয়, এমনিতেই মন খুলে বলার জায়গা ভেবেই এসেছিলেন আমার কাছে । এবং এরকম আরও অনেক কেইস দেখছি , সেখান থেকেই এ বিষয়ে লিখার আগ্রহ হলো।

আপনি কি সবসময় ঠিকঠাক কাজ করেন, দায়িত্ব পালন করেন, বাইরে থেকে খুব “put-together” মনে হয়—
কিন্তু ভেতরে ভেতরে সবসময় একটা অজানা চাপ অনুভব করেন? যে চাপের বাহ্যিক কোন সংজ্ঞা নেই, দেখা যায় না, বোঝারও উপায় নেই!

আপনি কি—
• সবকিছু perfectly করতে চান, কিন্তু যেভাবেই করছেন না কেন, তাতেই আরও anxiety বাড়ে?
• বাইরে থেকে calm কিংবা শান্ত আপনি কিন্তু ভেতরে ভেতরে overthinking থামাতে পারেন না?
• সবাই আপনাকে strong ভাবে, কিন্তু আপনি জানেন আপনি ক্লান্ত? আর কাউকে সেটা বুঝতেও দিতে চান না?

তাহলে হয়তো আপনি High Functioning Anxiety-এর সাথে লড়াই করছেন।

🔍 What is High Functioning Anxiety?

High Functioning Anxiety হচ্ছে এমন একটি অবস্থা যেখানে একজন ব্যক্তি বাইরে থেকে highly capable, organized এবং successful মনে হলেও, তার ভেতরে চলতে থাকে constant anxiety, প্রচন্ড চাপ এবং fear of failure ( আমি বোধহয় পারবো না, আমাকে দিয়ে হবে না এমন চিন্তা)।

এটি কোনো formal clinical diagnosis না, কিন্তু বাস্তবে অনেক মানুষ এই pattern-এ struggle করেন।

কিছু Common Symptoms যদি বলি,

High Functioning Anxiety থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে সাধারণত দেখা যায়—
• Overthinking & constant worry ( চিন্তার চাকা থামানো যায় না)
• Perfectionism (নিজের উপর অতিরিক্ত চাপ দেওয়া, আমাকে ১০০% পারফেক্ট ভাবে কাজটা করতে হবে)
• Difficulty relaxing (মনে হয় কিছু না কিছু করতেই হবে, কোন না কোন কাজের মধ্যে থাকতেই হবে, রেস্ট নিলেই অপরাধবোধ)
• People-pleasing tendency ( অন‍্য মানুষের কাছে নিজের value যখন বেশি depend করে, অথবা, সহজ করে বললে, মানুষকে সারাক্ষণ খুশি করতে চাওয়া, সেটা নিজের যত কষ্টই হোক না কেন)
• Fear of disappointing others( আমার কোন কাজে কেউ কষ্ট পেলো কি)
• Sleep disturbance (ঘুম ঠিকমতো না হওয়া)
• নিজের feelings suppress করা( যা অনুভব করছি, কাউকে না বলা কিংবা না express করা)।

এই মানুষ গুলো, বাইরে থেকে ভীষণ productive, কিন্তু ভেতরে ভেতরে emotionally exhausted।

এবার বলছি High Functioning Anxiety এর কিছু Psychological Impacts :

এই ধরনের anxiety কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে মানসিকভাবে আমাদের উপর প্রভাব ফেলে। কিছু সিম্পটমস যেমন,
• Chronic stress & burnout
• Low self-worth (নিজেকে যথেষ্ট মনে না হওয়া)
• Emotional exhaustion
• Difficulty enjoying success (achievements-এও satisfaction না পাওয়া)
• Hidden depression risk

সবচেয়ে মজার বিষয় হলো—
অনেক সময় তারা help চান না, কারণ তারা তো “function” করতে পারছেন। আর আমাদের তো একটা ধারণা আছেই, যে পর্যন্ত কাজ করতে পারছি, আমার তো কোন ইস‍্যুজ নেই! তাই সাহায্য চাওয়ার কি আছে?

কিন্তু আপনি হয়তো বুঝতে পারছেন না, এই মানসিক চাপ গুলো এখনই Attention না দিলে, সঠিক ভাবে ম‍্যানেজ না করলে, ছোট ছোট এই সুপ্ত মানসিক চাপ গুলোই আপনার অনেক বড় মানসিক অসুস্থতার কারণ হতে পারে, অনেকেরই হচ্ছে, আমরা সেটা দেখছি ও ।

তাই সবসময় strong থাকা মানেই আপনি ভালো আছেন—এটা সত্যি নয়। কখনও কখনও, “I’m doing fine” এর আড়ালেই সবচেয়ে বেশি struggle লুকিয়ে থাকে।

তাই, নিজের অনুভূতিকে গুরুত্ব দিন।
Help নেওয়া মানে weakness না, বরং এটা self-awareness।

আর আপনার Self Awareness এর এই জার্নি তে সবসময়ই, পাশে আছি 🙏

পরবর্তী তে লিখবো পার্ট ২ ( কিভাবে মোকাবেলা করবেন এই High Functioning Anxiety)

“তবুও জীবন যাচ্ছে কেটে, জীবনের নিয়মে…” চলছি, ফিরছি, হাসছি … কিন্তু দিনশেষে ক্লান্ত আমি হাসফাস করতে থাকি, এই মুখোশটা খোল...
02/04/2026

“তবুও জীবন যাচ্ছে কেটে, জীবনের নিয়মে…”

চলছি, ফিরছি, হাসছি … কিন্তু দিনশেষে ক্লান্ত আমি হাসফাস করতে থাকি, এই মুখোশটা খোলার!
দায়িত্বের চাপে পিস্ট আমি তখন জীবন পথের এক ক্লান্ত পথিক!

সবাই কে ভালো রাখছি , কিন্তু আমার ভেতরটা ভেঙে পড়ছে!

মিলছে কি?

Coming Up….

My Next write Up!
Stay tunned!

30/03/2026



Corporate Bullying Part -2 ( last part)Corporate workplace এ সবসময় কাজের প্রেসার না—অনেক সময় problem হয়ে দাঁড়ায় toxic ...
26/03/2026

Corporate Bullying

Part -2 ( last part)

Corporate workplace এ সবসময় কাজের প্রেসার না—
অনেক সময় problem হয়ে দাঁড়ায় toxic people! এটা নিয়েই লিখেছিলাম, মনে আছে তো?
সেটার ই লাস্ট পার্ট এটা।

আমার গল্পে তমা যেমন, Daily subtle insult, unnecessary criticism, public humiliation এর শিকার হয়েছিল,
এইগুলো যদি repeat করে কিংবা চলতে থাকে,তাহলে এটা just “office stress” না, এটা হলো Corporate Bullying.

আর সবচেয়ে খারাপ কি হয় জানেন?
বেশিরভাগ মানুষ এসব নীরবে কষ্ট সহ্য করে—কারণ তারা জানে না কীভাবে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে Respond করতে হয়, ক‍্যারিয়ারের কোন ক্ষতি না করে!

তাই আজকে লিখছি,
How to deal with corporate bullying like a professional.

1. Identify the Pattern (Behavior vs Personality)

সবার আগে জানতে হবে যে- সব rude behaviour bullying না! আমরা আগেই লেবেল করে ফেলবো না। আগে প‍্যাটার্ন টা দেখুন!

এই যেমন,
আপনার line Manager মাঝে মাঝে রাগ করে কথা বললে সেটা তার একটা stress outburst হতেই পারে। কিন্তু যদি regularly meeting-এ আপনাকে target করে নেগেটিভ কমেন্ট করেন, সেটা ম‍্যানেজার হোন আর যেই হোন না কেন, রোজকারের insult কিন্তু একটা Workplace Bullying Pattern।

2. Document Everything (Keep Evidence)

একটা সিম্পল জিনিস!
“No proof, no case” — corporate rule. এটা মাথায় রাখা প্রয়োজন ।

Email, WhatsApp, voice note, meeting remarks—সব note করে রাখুন।
যেমন, “On 12th March, teammate said ‘you are useless’ in front of other members. সেই সাথে খেয়াল করুন এই ধরনের কথা বা বিহেভিয়ার প‍্যাটার্ন টা কত ফ্রিকোয়েন্টলি রিপিট করে ।
যেকোনো Group text, যেটা ডিরেক্টলি আপনাকে টার্গেট করে বলা হয়েছে, নোট রাখুন!
এটা future HR complaint-এর জন্য strong evidence।

3. Set Clear Boundaries (Assertive Communication)
Passive না, aggressive ও না—assertive হওয়ার প্র‍্যাকটিস করুন!

আপনকে ভড়কে দেয়া বা ছোট ফীল করানো কারও জন্য আনন্দের কারণ হতেও পারে! সেই সুযোগ টা দেয়া না দেয়া অনেকটা আপনার নিজের নিয়ন্ত্রণে! তাদের কথায় আপনি কিভাবে রেসপন্ড করছেন সেখানেই ম‍্যাজিক টা ঘটে। যেমন , কারও অপমান জনক কথায় কষ্ট পেলেন, চুপ করে না থেকে স্পষ্ট করে বলুন-

“I feel uncomfortable when I am spoken to like this. Let’s keep communication professional.”
এটা calm কিন্তু powerful message দেয়।

আমরাই নির্ধারণ করি আমাদের মানুষ কিভাবে ট্রিট করবে। এটা মনে রাখবেন ।

4. Don’t Internalize the Abuse (It’s Not About You)

Bully ( যিনি বুলিং করছেন) অনেক সময় তাদের নিজেদের insecurity আপনার উপর প্রজেক্ট করেন। খুব কমন একটা Coping mechanisms এর একটা এটা।

এই যেমন,
Boss নিজে pressure-এ আছেন, তাই junior-দের ঝাড়ছেন, তাদের উপর নিজের frustration চ‍্যানেল করছেন !
এখন আপনি যদি ভাবেন “I am not good enough”, তাহলে আপনি ব‍্যাপারটা Internalize করলেন!
যেটা আপনার self-esteem কে damage করবে!

5. Use Formal Channels (HR / Reporting System)

কোন কোন সময় Emotion দিয়ে না—process দিয়ে fight করতে হয় ।
যেমন,
HR-এ complaint করার সময় বললেন,
“This is impacting my productivity and mental well-being.”
Corporate language use করলে গুরুত্বও বাড়ে আবার বিষয়টা আরো প্রফেশনাল ও হয় ।

6. Build Allies (Workplace Support System)

যেকোন জায়গায় ,হোক সেটা করপোরেট বা অন্যান্য সামাজিক কোন প্রতিষ্ঠান, সুস্থ সামাজিক সম্পর্ক, সবসময় আমাদের শক্তি । একা একা Humiliation বা বুলিং fight করা কঠিন তাই ওয়ার্কপ্লেসে network করা টা খুবই জরুরি । কিছু সাপোর্টিভ মানুষ, যারা আপনাকে বুঝবেন, এবং পাশে থাকবেন ।

যেমন , আপনার Colleague যারা একই experience এর শিকার , তাদের সাথে কথা বলুন, অনেক ক্ষেত্রে
Group complaint দিলে HR বেশি গুরুত্ব দেয়। আবার অনেক সময়, বিষয়টা অতটা কঠিন কিছু না হলেও শুধু মাত্র শেয়ার করাটাও একটা ইমোশনাল ভেন্টিলেশন।

7. Know When to Exit (Protect Your Mental Health)

আমরা চেষ্টা করবো, অ‍্যাকশন ও নেবো, কিন্তু এটাও মাথায় রাখা দরকার যে, সব জায়গা fix করা যায় না।
যেমন,
Toxic environment যদি chronic হয়, এবং management action না নেয়—
তাহলে , strategic exit (new job search) is a smart move, not failure।
আপনার মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে অন্তত ছাড় দিয়েন না, সুস্থ থাকলে তবেই ক‍্যারিয়ার আগাবে।

সব শেষে বলবো,

আপনার প্রফেশনাল জীবনে Corporate bullying-এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো মানে আপনার মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায় সর্বপ্রথম ধাপ! মনে রাখবেন-
You are not paid to tolerate disrespect—you are paid for your skill.

আর যেকোন ধরনের মানসিক চাপ মোকাবেলায়, বরাবরের মতোই-
পাশে আছি 🙏





দেখার আমন্ত্রণ রইল 🙏😊
23/03/2026

দেখার আমন্ত্রণ রইল 🙏😊

21/03/2026

Eid Mubarak!


Eid Mubarak!❤❤
20/03/2026

Eid Mubarak!❤❤

Corporate BullyingPart-1 আপনি কি জানেন, Corporate জগতে অনেক মানুষ কাজের চাপের জন্য না… মানুষের toxic আচরণের জন্য চাকরি ছ...
14/03/2026

Corporate Bullying
Part-1

আপনি কি জানেন, Corporate জগতে অনেক মানুষ কাজের চাপের জন্য না… মানুষের toxic আচরণের জন্য চাকরি ছেড়ে দেয়? আর না ছাড়লেও ভিতরে তীব্র যন্ত্রণা সহ্য করে?
জানেন কি Workplace bullying কতটা গভীরভাবে আপনার মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে?

বলছি তমার গল্প !

তমা খুব সাধারণ একটি মেয়ে।
ভালো জায়গায় পড়াশোনা করেছে, স্বপ্ন ছিল নিজের পায়ে দাঁড়ানোর। অনেক চেষ্টা করে একটা ভালো corporate job ও পেয়েছিল। ঝা চকচকে অফিস, চাকচিক্যময় পরিবেশ আর কলিগ দের Warm welcome এ প্রথম দিন অফিসে ঢুকে মনে হয়েছিল— “এটাই তো চেয়েছিলাম! এই তো জীবন! আমার নিজের জায়গা তৈরির ক্ষেত্র!”

কিন্তু তমার সেই ভাবনা খুব বেশিদিন স্থায়ী হলোনা! কয়েক মাসের মধ্যেই সবকিছু বদলে গেল।

এই যেমন, প্রতিদিন ছোট ছোট comment —
“তুমি এত slow কেন?”
“এই level এর কাজও পারো না?”
Meeting এ deliberately তাকে ignore করা, তার idea অন্য কেউ নিজের নামে present করে দেয়া, team chat এ তমাকে নিয়ে sarcastic remarks…

প্রথমে তমা ভাবত — “এটাই করপোরেট কালচার, আমিই একটু চেষ্টা করে মানিয়ে নেই!”
সে আরও বেশি কাজ করতে শুরু করল, long hour পর্যন্ত অফিসে থাকল, আরও perfection আনতে চেষ্টা করল নিজের কাজে।

কিন্তু corporate bullying এর একটা dangerous pattern আছে।এটা কখনো একদিনে কিংবা একবারে আসে না, হুট করে সেটা বোঝা ও যায় না!
Slow poison এর মতো ধীরে ধীরে একজন মানুষের আত্মবিশ্বাস, self-worth আর mental stability কে ক্ষয় করতে থাকে।

কয়েক মাস পর তো তমা অনেকটাই বদলে গেল।

আগে যে মেয়ে office যাওয়ার আগে excited থাকত, এখন প্রতিদিন সকালে তার বুক ধড়ফড় করে।
Saturday রাত হলেই anxiety শুরু হয় — “কাল আবার office…”

সে overthinking করতে থাকে —
“আমি কি আসলেই incompetent?”
“সবাই কি আমাকে নিয়ে হাসে?”
“আমি কি কোনোদিনই enough capable হব না?”

কাটতে থাকে নির্ঘুম রাত, অনেক নেগেটিভ চিন্তাভাবনা এলোমেলো ঘুরে বেড়ায় মাথায়, মানসিক প্রশান্তি টা কোথায় যেন হারিয়ে যেতে থাকে, আর এই Overthinking এর চক্রে হারিয়ে যেতে থাকে একটা সুন্দর সম্ভাবনাময় জীবন ও!

Corporate bullying শুধু workplace conflict না।
এটা একজন মানুষের self-esteem, confidence, এমনকি তার identity পর্যন্ত ভেঙে দেবার মত শক্ত হাতিয়ার ও বটে!

অনেক সময় victims এর মধ্যে দেখা যায়—
• Chronic anxiety ( মানুষের নেগেটিভ জাজমেন্ট এর ভয় থেকে)
• Panic attacks
• Sleep disturbance
• Loss of confidence ( আমি তো পারি না, আমার দ্বারা সম্ভব না এসব চিন্তা)
• Emotional exhaustion যেটা তাকে
Clinical Depression এর দিকে নিয়ে যেতে পারে! আর এরকম কেইস আমরা অহরহ দেখি!

সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো — মাস শেষে বাড়ি ভাড়া, বিল, পরিবারের খরচ মেটাতে হবে, এই নানাবিধ দায়িত্ব থেকে একজন মানুষ চাইলেই চাকরি টা ছাড়তে পারেন না, আবার এই অমানবিক মানসিক অত্যাচার সহ্য ও করতে পারেন না! নীরব ঘাতক হয়ে এই Workplace Bullying তাকে তিলে তিলে নিঃশেষ করে দেয়!

Why we should be concerned?

হ‍্যাঁ! করপোরেট এই বুলিং কালচার নিয়ে আমাদের কথা বলতে হবে, সোচ্চার হতে হবে, কারণ corporate bullying শুধু একটি workplace issue না — এটি একটি serious mental health concern।

যখন একজন মানুষ প্রতিদিন humiliation, exclusion, sarcasm বা unfair criticism এর মধ্যে কাজ করতে বাধ্য হয়, তখন তার nervous system ক্রমাগত chronic stress mode এ চলে যায়।

আর দীর্ঘ সময় ধরে এই psychological pressure থাকলে একজন মানুষের মধ্যে দেখা দিতে পারে—

• Severe anxiety
• Panic symptoms
• Burnout
• Depression
• Self-doubt এবং imposter feeling

অনেক মানুষ ধীরে ধীরে নিজের self-worth হারিয়ে ফেলে এবং ভাবে —
“সমস্যাটা হয়তো আমার মধ্যেই।”

Psychologists রা কীভাবে বিষয়টা দেখেন?

Psychology তে corporate bullying কে শুধু interpersonal conflict হিসেবে দেখা হয় না।
এটাকে দেখা হয় workplace psychological abuse হিসেবে।

কারণ repeated humiliation, exclusion এবং intimidation একজন মানুষের মধ্যে learned helplessness, chronic anxiety এবং low self-esteem তৈরি করতে পারে।

অনেক ক্ষেত্রে এটা trauma-like psychological impact পর্যন্ত তৈরি করে।

একজন মানুষ ধীরে ধীরে নিজের ability, judgement এবং identity নিয়েও সন্দেহ করতে শুরু করে।

তাই আমরা বারবার একটা বিষয়ই বলবো—

A healthy workplace is not only about performance.
It is also about psychological safety.

যে জায়গায় মানুষকে ছোট করা হয়, ভয় দেখিয়ে কাজ করানো হয়, বা deliberately undermine করা হয়—
সেখানে শুধু productivity না, মানুষের mental wellbeing-ও ধ্বংস হয়।

পরবর্তী পর্বে লিখছি Corporate Bullying মোকাবিলা করবার কয়েকটি উপায় নিয়ে!

পাশে আছি 🙏




Honored to deliver a session on “Work Life Harmony” for the amazing women professionals this International Women’s Day.B...
12/03/2026

Honored to deliver a session on “Work Life Harmony” for the amazing women professionals this International Women’s Day.
Because empowered women create balanced workplaces, stronger families, and healthier minds. 🌸

Thank you Ispahani Group 💕🙏



আচ্ছা Office এ কখনও কি মনে হয়েছে—কেউ বারবার আপনাকে ছোট করছে ইচ্ছাকৃত ভাবে, ignore করছে, বা খুউব subtle ভাবে ( ভদ্র ভাষায...
10/03/2026

আচ্ছা Office এ কখনও কি মনে হয়েছে—কেউ বারবার আপনাকে ছোট করছে ইচ্ছাকৃত ভাবে, ignore করছে, বা খুউব subtle ভাবে ( ভদ্র ভাষায়) humiliating comments করছে?

“Bullying” কথাটা আসা মাত্রই আমরা সবসময় ভেবেই নেই, স্কুল বুলিং এর কথা! মাথায় স্কুলের দেয়াল ঘুরে, চোখের সামনে স্কুলের ইউনিফর্ম ভাসে! কিন্তু জানেন কি, সব bullying স্কুলে হয় না…অনেক bullying হয় office-এও!
কখনও meeting room-এ subtle humiliation, কখনও public criticism, কখনও deliberate exclusion from important decisions।

বাইরে থেকে সবকিছু ফিটফাট professional environment মনে হলেও ভেতরে ভেতরে কেউ হয়তো প্রতিদিন psychological pressure সহ্য করছে। না পারছে শেয়ার করতে, না পারছে হজম করতে।

অনেকে এটাকে simply “office culture” বা “work pressure” বলে মেনে নেন। কিন্তু সত্যি বলতে এটাকেই আমরা বলছি Workplace Bullying। আর এর প্রভাব শুধু কাজের জায়গায় সীমাবদ্ধ থাকে না। এটা একজন ব্যক্তির self-esteem, mental wellbeing, productivity—সবকিছুতে আঘাত করে।

আমার নতুন সিরিজ রাইট আপ এ আমি আলোচনা করবো,
• Workplace Bullying আসলে কী
• কীভাবে subtle bullying চেনা যায়
• এর psychological impact কতটা গভীর হতে পারে
• এবং নিজেকে protect করার practical strategies

Stay tuned! Because,

A toxic workplace is not just a professional problem — it is a serious mental health issue.




Address

Level 6, House 26 And 28, Road-6/C, Quantum Tower (Opposite Sector 12 Masjid Graveyard), Sector 12, Uttara
Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mithila Khandaker posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category