World Healthcare Foundation

World Healthcare Foundation আপনার রান্নাঘরই
আপনার ডাক্তারখানা

ওয়ার্ল্ড হেলথকেয়ার ফাউন্ডেশনের দর্শন, উদ্দেশ্য ও কর্মপন্থা :

দর্শন : বিশ্বব্যাপী মানুষকে প্রাকৃতিক ভাবে সুস্থ হতে ও থাকতে সাহায্য করা।

উদ্দেশ্য : খাদ্যাভ্যাস ও জীবন-যাপনের ধারা পরিবর্তন করে রোগ নিরাময় ও সুস্থ থাকার বিষয়ে সকলকে সচেতন, সাহায্য ও সহযোগিতা করা।


কর্মপন্থা :

১।আধুনিক তথ্য- প্রযুক্তির সহায়তায় বিশ্বব্যাপী সচেতনা গড়ে তোলা।
২। হারিয়ে যেতে বসা ও আধুনিক জ্ঞানের সম্বন্বয় কেন্দ্র গড়ে তোলা ও তথ্য- প্রযুক্তির সাহায্যে ওই জ্ঞান বিশ্বব্যাপী বিতরণের ব্যবস্থা করা।
৩। ফিজিসিয়ান/ নিউট্রিশনিস্ট/ একাডেমিসিয়ান/ বা অন্যান পেশার আগ্রহীদেড়কে প্রশিক্ষণ/তথ্য দিয়ে বিশ্বব্যাপী নেচারোপ্যাথিক বিশেজ্ঞ তৈরী করা ও তাদের মধ্যে আন্তঃসংযোগ গড়ে তোলা।
৪। রোগ থেকে সুস্থ্য হওয়ার জন্য ও সুস্থ্য থাকার জন্য পথ্য ব্যবস্থাপনা তৈরী ( Nutrition Management Plan) করতে সাহায্য করা
৫। পথ্য ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় শাক-সবজি, ওষুধি লতাপাতা, গাছপালা, আগাছা-পরগাছা জৈব পদ্ধিতিতে চাষ ( কন্ট্রাক্ট অর্গানিক ফার্মিং ) ও ঘরে ঘরে বিতরণ ( হোম ডেলিভারি ) ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

আমার লেখা-বইঃ  #সম্প্রাপ্তি_Ayurvedic_Pathogenesisবইটির বিশেষত্বঃ- সম্প্রাপ্তি (Ayurvedic Pathogenesis) বইটি বাংলা ভাষায়...
02/03/2024

আমার লেখা-

বইঃ #সম্প্রাপ্তি_Ayurvedic_Pathogenesis

বইটির বিশেষত্বঃ
- সম্প্রাপ্তি (Ayurvedic Pathogenesis) বইটি বাংলা ভাষায় স্বতন্ত্র উপস্থাপনা
- অত্যন্ত সাবলীল এবং সহজবোধ্য
- রোগ বিষয়ক আধুনিক আয়ুর্বেদিক ব্যাখ্যা
- আয়ুর্বেদিক পদ্ধতিতে রোগ নির্ণয়
- প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি গৃহচিকিৎসায় (Home Remedies) সহায়ক
- রোগ ভিত্তিক একক ও যৌগিক ভেষজের ব্যবহারিক প্রয়োগ
- হার্বাল মেডিসিনের ব্যবহার সম্বন্ধে ধারণা
- সুস্থ ও নিরোগ জীবন-যাপনে আয়ুর্বেদিক নির্দেশনা
- Medical অথবা Non-medical সবার জন্য উপযোগী

প্রকাশনায়-
নূর মজিদ আয়ুর্বেদিক কলেজ
01722-655953 কুরিয়ার বা সরাসরি পেতে

02/12/2023

কারসাজি করে না জেতালে হটকারী ও পট্টিবাজ ৩ বীর মুক্তিযোদ্ধার কেউই জিতবে না। কারণ কেউই ভোট দিতে যাবে না।

দিনাজপুরে গ্রামের মধ্যে ১২ বছর বয়সী ডেঙ্গু রোগী (মেয়ে শিশু) প্রথমে এই রোগীর ব্যাপারে আমার সাথে যোগাযোগ করে জানানো হলো ...
25/07/2023

দিনাজপুরে গ্রামের মধ্যে ১২ বছর বয়সী ডেঙ্গু রোগী (মেয়ে শিশু)

প্রথমে এই রোগীর ব্যাপারে আমার সাথে যোগাযোগ করে জানানো হলো যে প্রচন্ড জ্বর ও প্রসাবে জ্বালাপোড়া। আমাদের স্টেমস সেল নিউটিশন ম্যানেজমেন্ট প্লানিং স্পেশালিস্ট ডক্টর জাকির হোসেনের Jakir Hossain Jewel সাথে যোগাযোগ তাকে প্রথমে ইউরিন ইনফেকশনের চিকিৎসার দেওয়া হয়। ২য় দিনে প্রসাবের জ্বালাপোড়া চলে যায় কিন্তু জ্বর কমে নাই। সাথে সাথে ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে বলা হয়। ডেঙ্গু পরীক্ষায় পজেটিভ আসে।

ডেঙ্গুর জন্য ডক্টর জাকির ন্যাচারাল মেডিসিনের নিচের চিকিৎসা দিয়েছেঃ

Cap. Navit 500 mg (2+0+2)-- ২ দিন, তারপর (2+2+2)-- চলবে। SQUARE Herbal
Cap./Pow. Moringa 2 চামুচ করে দিনে ৩ বেলা উষ্ণ পানিসহ। ১ মাস--- লোকাল
Syr. Caripa 4 চামুচ করে দিনে ৪ বেলা।১ মাস -- SQUARE Herbal
Syr. Icturn 4 চামুচ করে দিনে ৩ বেলা। ১ মাস --হামদর্দ

সেই সাথে নিচের পথ্য দেওয়া হয়েছেঃ

আধা সিদ্ধ ডিম ২ + ২ + ২ (দিনে ৬টা)
কমলা দিনে ৬ টা দিনে
আপেল ৬ টা দিন
দুধ/ঘোল/দৈ দিনে ৩ গ্লাস
ডালিম বা আনার ৩ টা দিনে (বিচিসহ)
আম ৩- ৪ টা
কলা ৩-৪টা
কাঁঠাল ৪-৬টা কোয়া দিনে ২ বার
লেবুর শরবত ৪-৬ গ্লাস
গন্ধ ভাদুলী ও থানকুনি পাতার স্যুপ ৩ বাটি প্রতি দিন।
পেঁপে পাতার রস ৩ কাপ মধুসহ প্রতিদিন।
পাকা পেঁপে সারাদিনে আধা কেজি পরিমাণ।
কাঁচা পেঁপে কুচি কুচি করে কেটে সালাদ তৈরি করে খেতে হবে পেটভরে। দিনে ২ বার।

আমাদের অতীতে রের্কড আছে ৩-৪ দিনে ডেঙ্গু, চিকনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া ও টাইফয়েড ভাল হয়ে যাওয়ার।

♥ডেঙ্গুভাইরাস শুধুমাত্র স্ত্রী জাতীয় এডিস মশার মাধ্যমে মানুষের দেহে ছড়ায়। শুধুমাত্র স্ত্রী জাতীয় এডিস মশারা মানুষের রক্ত...
16/07/2023

♥ডেঙ্গুভাইরাস শুধুমাত্র স্ত্রী জাতীয় এডিস মশার মাধ্যমে মানুষের দেহে ছড়ায়। শুধুমাত্র স্ত্রী জাতীয় এডিস মশারা মানুষের রক্ত পান করে অন্যরা করেনা। কারন মশার ডিমগুলোর পরিপক্বতার জন্য উষ্ণ রক্ত পান করে। যখন ভাইরাস আক্রান্ত কোন মানুষের রক্ত পান করে তখন ঐ ভাইরাস মশার দেহে প্রবেশ করে। ভাইরাস মশার দেহে আসার পর ৮ থেকে ১২ দিন সময় নেয় মশার লালায় পৌঁছাতে। অর্থাৎ একটি মশা ভাইরাস আক্রান্ত কোন মানুষের রক্ত পান করেই এক সপ্তাহের মধ্যে কামড়ালেও অন্য ব্যাক্তির দেহে ভাইরাস সংক্রমিত হয়না। কারন মশার লালা পর্যন্ত ভাইরাস পৌঁছাতে ৮/১২ দিন সময় লাগে। তবে ৮/১২ দিন পর উক্ত মশা যত দিন বাঁচে তার লালার মাধ্যমে ভাইরাস ছড়াতে পারে। ভাইরাসবাহী মশা কোন মানুষের দেহে রক্ত পানের সময় ঐ মশাটির লালার মাধ্যমে দেহ প্রবেশ করে। দেহে প্রবেশের চারদিন পরে ডেঙ্গু ভাইরাস পরিপক্ক হয় এবং উপসর্গ শুরু হয়। অর্থাৎ ভাইরাসবাহী মশার কামড়ের চারদিন পর থেকে দেহ রক্ত ভাইরাস ছড়িয়ে পরে।

উপরের আলোচনার সারসংক্ষেপ হচ্ছে মশার দেহে ১২ দিন ও মানুষের দেহে ৪ দিন সুপ্ত অবস্থায় থাকে। এ সময়ের মধ্যে মশাটির মৃত্যু হলে ভাইরাস ছড়ায়না। দেহের ইমিউনিটি শক্তিশালি হলে মুহূর্তে মধ্যে দেহের ভাইরাস ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। ৪ দিন পর্যন্ত ভাইরাস বাঁচার কোন সুযোগ নেই।

দেহের ভিতর ভাইরাস ৫ দিন থেকে সর্ব্বোচ ১২দিন বাঁচতে পারে। বয়স্ক এডিস মশার বয়স ১ মাস। অর্থাৎ ১ মাস পর মশাটির মৃত্যুর সাথে ভাইরাসটিও ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। কারন ভাইরাসটি মশা বা মানুষের দেহ রক্তে বেঁচে থাকে। মুক্ত বাতাসে বাঁচেনা।

মশা নিধন ও দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যামে ভাইরাস নির্মূল সম্ভব। দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালি থাকলে ভাইরাস দেহে প্রবেশের সাথে সাথে মারা যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল থাকার কারনে দেহ রক্তে ভাইরাস ছড়িয়ে পরে এবং বোনম্যারোতে(দেহের রক্ত উৎপাদন কেন্দ্র) ভাইরাস আক্রমন করে ফলে রক্ত উৎপাদন কমে যায়। এর ফলে দ্রুত প্লাটিলেট কমতে থাকে। দ্রুত প্লাটিলেট কমার কারন প্লাটিলেট এর নরমাল লাইফ ১০ দিন। এ জন্য সবার আগে প্লাটিলেট কমা শুরু করে। কিন্তু ৭ দিন থেকে ১২ দিন পর ভাইরাস মারা যায় এবং পুনরায় প্লাটিলেট সহ সব রক্ত কণিকা বাড়তে থাকে।

ভাইরাস মারার কোন ডাক্তারী ড্রাগ নেই। ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার কারনে হাচি কাশি জ্বর ব্যথা উপশমের জন্য কিছু ড্রাগ খেতে পরামর্শ দেয়া হয়। ভাইরাস মারার একক ক্ষমতা শুধু দেহের। দেহের ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সবুজ শাকশবজি, ফলমূলাদি সালাদ খেতে হবে। কালজিরা,হলুদ,মধু ভাইরাস মারতে বড় ভূমিকা রাখে।

♥স্পাইরুলিনা, জিনসেং, রেড মাশরুম,ওমেগা,সয়াপ্রোটিন, ওটস সিয়াসিড রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ভাজাপোড়া, বেকারী অতিতাপে রান্না খাওয়া বন্ধ করতে হবে। পশুরমাংস, ধুমপান,জদ্দা এলকোহল খাওয়া পরিহার করতে হবে। শিশুদের মায়ের দুধ পান করাতে হবে। মায়ের দুধের বিকল্প স্পাইরুলিনা ও কোলস্ট্রাম খাওয়াতে হবে।

Dr.Shebendra Karmakar PhD USA
https://adapto-medicine.blogspot.com

15/07/2023

🍉Stem cell Nutrition Therapy কি?

স্টেমসেল হচ্ছে দেহের একটি বিশেষ ধরনের কোষ।যেটি অনির্দিষ্ট সময় দেহে বেঁচে থাকে। এটি যে কোন দেহ অঙ্গ কোষে রূপান্তর হতে পারে। দেহের সব অঙ্গ দেহ থেকে বিলীন হয়ে যায় এবং তদস্থলে নতুন অঙ্গ তৈরি হয়। আর এ নতুন অঙ্গ তৈরির কাজটি সম্পন্ন করে দেহের স্টেমসেল। যেমন লাল রক্ত কোষের বয়স ১২০ দিন। চর্মের বয়স ১৪/৩০ দিন। লিভার প্রতি ৬ সপ্তাহে নতুন ভাবে তৈরি হয়। প্লাটিলেটের বয়স ১০ দিন।নতুন প্লাটিলেট তৈরি না হলেন১০ দিনেই জীবনের সম্পাতি গঠতে পারে। নতুন চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে দেহ রোগ বলে কিছু নেই। যদি কোন রোগ হয় সেটি হচ্ছে দেহের পুরাতন কোষের স্থলে নতুন কোষের জন্ম হয়নি। এ বিষয়গুলোর উপর ২০১২,২০১৫,২০১৬ সালের নবেল পুরষ্কার রয়েছে।

দেহের স্টেম সেল দুর্বল হলেই মানুষ অসুস্থ হয় ও মৃত্যুবরণ করে। স্টেমসেলই মানুষকে রোগমুক্ত ও বাঁচিয়ে রাখে। স্টেমসেল কাজ না করলে পৃথিবীর সব চিকিৎসক ও চিকিৎসা পদ্ধতি এক করলেও মানুষের দেহকে বাঁচানো সম্ভব নয়। দেহের এ স্টেমসেল বেঁচে থাকে ও সুস্থ থাকে শুধু মাত্র প্রকৃতির অক্সিজেন ও পুষ্টি খেয়ে। এ অক্সিজেন ও পুষ্টি দুটিরই ঘাটতি আছে। ধীরে ধীরে মানুষ সাধারন থেকে জটিল রোগে পড়ছে। এর সমাধান কখনোই আধুনিক ড্রাগে সম্ভব নয়। খালি চোখে আমরা যা কিছু দেখছি এর পুরোটায় ট্রিলিয়নস ডলারের চিকিৎসা বাণিজ্য, চিকিৎসা সমাধান নয়। এটি চিকিৎসকরাও জানে।

🍉স্টেমসেল ও দেহের অন্যসব সেল প্রতিদিন পরিমানমত নিন্মের উল্লেখিত পুষ্টি চাহিদা প্রয়োজন যা একজন মানুষ দিনে ৫/১০% গ্রহন করে। দীর্ঘ দিনের অপুষ্টিহীনতা এবং অপ্রয়োজনীয় সিনথেটিক ড্রাগ ব্যবহার দেহ কোষকে মারাত্মক ক্ষতির মুখে ফেলে।

দেহের জন্য প্রয়োজনীয় প্রতি দিনের পুষ্টি:
♥১) এমাইনোএসিড: ৩০/৩৫ গ্রাম যা সমপরিমান কাঁচা প্রোটিন হবে এক কেজি ওজনের জন্য ১ গ্রাম
♥২)ফ্যাটিএসিড: এক কেজি ওজনের জন্য এক গ্রাম কাঁচা তৈল যা বীজ তৈল থেকে আসবে।
♥৩)গ্লুকোজ:১৮০ গ্রাম যা হালকা সিদ্ধ শাকসবজি ফল, সালাদ ভাত রুটি থেকে আসবে।
♥৪)ভিটামিনস (প্রতিদিন ১৩ ধরনের)
♥৫)মিরালেস(প্রতিদিন ১৩ ধরনের)
♥৬)২/৩ লিটার বিশুদ্ধ পানি।

🥬🥦🥒স্টেমসেল এবং দেহ কোষের বাঁচার জন্য প্রয়োজন অক্সিজেন। প্রতি ২৪ ঘন্টায় দেহের প্রায়োজন ৫৫০ লিটার অক্সিজেন যা মিনিটে ১৫/২০ শ্বাস গ্রহনের মাধ্যমে ১১ হাজার গ্যালন বাতাস থেকে গ্রহন করে। অক্সিজেন ছাড়া দেহ কোষ অন্য কোন গ্যস নিয়ে বাঁচেনা।

টানা ২/৬ মাস যে কেও এ পুষ্টি ব্যবস্থা মেনে চললে যে কোন রোগ থেকে মুক্তি মেলা সম্ভব। যা ড্রাগ দিয়ে কখনোই সম্ভব নয়।

🍇🍈🍉🍊🍋🍌Stem Cell Nutrition Therapy এর উপর আমার লেখা আর্টকেল আমেরিকার "হার্ভাড ইউনির্ভাসটি"র নার্সিং কোর্সে আপলোড দেয়া হয়েছে। আমেরিকার ইউএসআর্মি পরিচালিত "সেন্ট্রাল ট্যাক্সাস কলেজ"এ আমার একটি স্লাইড প্রেজেন্টেশন "Nature is Life,Life is Nature আপলোড দেয়া হয়েছে।

🍇🍈🍉🍊🍋🍅বি:দ্র: সমন্বিত পুষ্টি ব্যবস্থা স্বাভাবিক খাবার থেকে আনা সম্ভব হয়না। তাই বিশেষায়িত কিছু প্রকৃতির খাবার খেতে হয়।

🥒🥬🥦🧄🍆🥔🍐

আপনার জন্য পরামর্শ :
🥬S fector or STC( এটি লিপোসম সমৃদ্ধ খাবার যা দেহ কোষ আবরনী এ বায়োক্যামিকেল দিয়ে তৈরি) সমৃদ্ধ। এর উপাদানগুলো সুইজারল্যান্ড এর মাইবেল বায়োকেমিস্ট এর তৈরি। জীবের নিচে ১০ মিনিট রাখতে হবে। প্রতি দিন সকালে ও রাতে ১ মাস।
🥦Spirulina (6 grams to 8 grams): দেহ পুষ্টি এমাইনোএসিড এর সেরা উৎস।
🥦Cordyceps:(6 to 8 grams): এটি সেরা রোগ প্রতিরোধক,সব ধরনের জীবানু প্রতিরোধে সক্ষম।
🥦Omega(2 grams) এটি দেহের বিভিন্ন ধরনের হরমোন ও নার্ভাস সিসটেম ঠিক রাখার জন্য অত্যাবশক পুষ্টি যা খাবারের মাধ্যমে দেহে প্রবেশ করেনা। কারন এটি অল্প তাপে নষ্ট হয়,বেশী তাপে বিষাক্ত হয়। হার্ট ব্লকেজ এর প্রধান কারন পোড়া তৈল।
🥬Curcumin (1 gram): এটি হলুদের নির্যাস থেকে তৈরি। এন্টি টিউমার,এন্টিক্যান্সার ও এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। যার নিয়মিত ব্যবহারে স্টেমসেল শক্তিশালী থাকে।
🥬এ টু জেড ভিটামিনস ও মিনারেলস(স্বাভাবিক খাবারের মাধ্যমে এর পরিমান ঠিক রাখা সম্ভব হয়না। তাই এটি রেডিমেড খেতে হয়।
🥦Water(বিশুদ্ধ পানি দুই থেকে আড়াই লিটার) : দেহ ওজনের ৬০/৬৫% পানি। এ পানির ১৪ লিটার থাকে দেহ কোষের বাইরে ৩৫ লিটার থাকে কোষের ভিতরে। মোট ৪৫ লিটার পানি দেহে থাকে। এ পানির মাধ্যমেই দেহের সব কাজ সম্পাদন হয়। এ জন্য পানির ভারসাম্য নষ্ট হলে দেহ অসুস্থ হয় এমনকি মৃত্যুও ঘটে। সঠিক মিনারেল(সোডিয়াম, পটাশিয়াম) ব্যবস্থাপনায় দেহে পানির ভারসাম্য ঠিক থাকে।
🚭❎❎Stem Cell Nutrtion Therapy চলাকালীন যা যা খাওায় নিষিদ্ধ :
✖️সব ধরনের পশুর মাংশ
✖️সব ধরনের ভাজাপোড়া খাবার।
✖️এলকোহল, ধুমপান, জদ্দ,সাদাপাতা।
✖️প্রয়োজন ছাড়া ডাক্তারী ওষধ(ড্রাগ)
✖️সব ধরনের বেকারী খাবার ও চিনি দিয়ে তৈরি খাবার।
🥦যা যা খেতে হবে
✔️আধা সিদ্ধ শাকশবজি
✔️ফলমুল
✔️সালাদ
✔️৪০ গ্রাম মাছ(ভাজা করা যাবেনা)
✔️সয়ামিল্ক,ওটস
♻️সঠিক খাবার না পেলে উপোষ করতে হবে।

Dr.Shebendra karmakar
PhD in Harbal Food, USA

মাকা একুশ শতকের সুপার ফুডমাকা (Maca, botanical name: Lepidium meyenii) একধরনের শালগম জাতীয় শব্জি বা আলু, মাকা শুধু মাত্র...
09/07/2023

মাকা একুশ শতকের সুপার ফুড

মাকা (Maca, botanical name: Lepidium meyenii) একধরনের শালগম জাতীয় শব্জি বা আলু, মাকা শুধু মাত্র আন্দিজ পর্বতের পেরুর অংশে ১০-১৬ হাজার ফিট উচ্চতায় জন্মে। মাকা পেরুভিয়ান জিংসেন নামেও পরিচিত।
মাকা যে অঞ্চলে জন্মে সেই এলাকার লোকজনের ডায়াবেটিস, কিডনি সমস্যা, ক্যান্সারসহ কোন ধরনের দুরারোগ্য রোগ বালাই হয় না এবং সেই অঞ্চলের নারীরা ৭০ বছর পরেও গর্ভধারন করতে পারে।
ভায়াগ্রা আবিষ্কারের পরে থেকে ন্যাচারাল ভায়াগ্রা হিসেবে মাকা প্রথম পেরুর বাইরে প্রচার পেতে শুরু করে।
মাকা আন্দিজ পর্বতের ১০-১৬ হাজার ফিট উচ্চতায় চরম ভাবাপন্ন আবহাওয়ায় জন্মে অর্থাৎ বছরের ৬ মাস বরফ ঢাকা হিমশীতল আবহাওয়ায় মাকা আলু মাটির নীচে টিকে থাকে এবং পরের গ্রীষ্মকাল ও বসন্ত কালে মাটি ফুঁড়ে ডাল বিস্তার করে। ১টি মাকা আলু পরিপূর্ণ হতে বা আহরোণ করার উপযোগী হতে কমপক্ষে ২ বছর সময় লাগে।
লাল-কালো-হলুদ রঙের মাকা প্রাকৃতিক ভাবে জন্মে।
মাকা আন্দিজ পর্বতমালার আদি বাসিদের কাছে পবিত্র ফসল। স্প্যানীশরা পেরু দখল করলে মাকা ফসল ইউরোপীয়দের কাছে গোপন করা হয় ফলে পেরুর বাইরে মাকা ওজানা রয়ে যায়।
মাকা চরম ভাবাপন্ন আবহাওয়া জন্মানোর জন্য মাকার পুষ্টি উপাদান অন্য যে কোন ধরনের শব্জি থেকে ভিন্ন ও অধিক পরিমাণে থাকে। মাকার এই অনন্য মাত্রার পুষ্টি উপাদান ঔষুধি হিসেবে ব্যতিক্রম করে তুলেছে।

নিয়মিত মাকা সেবনের উপকারিতাঃ
হরমোন নিঃসরণ গ্রন্থির (এনড্রকাইন সিস্টেম) সুস্থ্যতা ফিরিয়ে আনে ও সকল(৬৫) ধরনের হরমোন ভারসাম্যও ফিরে আসে।
২। যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করে।
৩। সুস্থ্য শুক্রানু ও ডিম্বাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
৪। বীর্য হীনতা দূর করে।
৫। ইরেকশনাল ডাইফাংশন দূর করে।
৬। যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করে ও অনুভূতি বৃদ্ধি করে।
৭। প্রোস্টেট সমস্যা দূর করে ফলে দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা চলে যায়।
৮। থায়ড়য়েড হরমোন ভারসাম্য ফিরে আসায় ওবিসিটি দূর হয়।
৯। নারী দেহে এস্ট্রোজেন ও থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা চলে যায় ফলে ওবিসিটি সহজে দূর করা যায়, চুল পড়া বন্ধ হয় ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।
১০। হজম শক্তি বৃদ্ধি করে এবং খুধা মন্দা চলে যায়।
১১। অজীর্ণ ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
১২। গ্যাসট্রিক চলে যায়।
১৩। প্যাংক্রিয়াস সুস্থ্যতা ফিরে পায় ও ডায়াবেটিস কমে আসে।
১৪। রতিক্রিয়া শক্তি বৃদ্ধি করে।
১৫। ঘুম ভালো হয় ও স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি করে।
১৬। টেসস্টোস্টেরন/এস্ট্রোজেন হরমোন ভারসাম্য ফিরে আসায় বাত, বিষ, হাড় ক্ষয় জনিত সমস্যা চলে যায়।

সেবনের পরামর্শঃ
* ১ম ২ সপ্তাহ ২+০+২ চা চামচ করে।
* ৩য় সপ্তাহ থেকে ১+০+১ চা চামচ করে।

মাকা পেতে ইনবক্সে মেসেজ দিন।

11/08/2021

ডেংগু নিয়ে ভয় পাবেন না।
স্টেম সেল নিউট্রিশনে ৭২ ঘন্টায় সুস্থ্য হওয়ার নজীর আছে।

আমার ন্যাচারোপ্যাথিক মেডিসিনের শিক্ষাগুরু জনাব Shebendra Karmakar এর এই মূল্যবান লেখাটা পড়ার অনুরোধ রইলো।
09/07/2021

আমার ন্যাচারোপ্যাথিক মেডিসিনের শিক্ষাগুরু জনাব Shebendra Karmakar এর এই মূল্যবান লেখাটা পড়ার অনুরোধ রইলো।

প্রাকৃতিক খাবারেই করোনা জয় করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন ড. শিবেন্দ্র কর্মকার নামে এক ন্যাচারাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। আমে....

08/07/2021

আসসালামু আলাইকুম।

আলহামদুলিল্লাহ।
আমার বড় কন্য ডাঃ সামা আলম অত্রি ভাল আছে, অক্সিজেন স্যাচুরেশন ঠিক আছে, অবস্থা স্থিতিশীল এবং শ্বাস কষ্ট নাই।
আগামী রবিবার সিএমএইচ থেকে বাসায় নিয়ে আসবো ইনশাআল্লাহ।
আমি ধন্যবাদ জানাই সকলকে আমার মেয়ের জন্য প্রার্থনা করার জন্য। আমার মেয়ের নিয়মিত খোঁজ খবর রাখার জন্য সিএমএইচের সিনিয়র/জুনিয়র চিকিৎসকদের অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। সেই সাথে সিএমএইচের সংশ্লিষ্ট সকল চিকিৎসকদের ধন্যবাদ জানাই আমার কন্যাকে চমৎকার স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের জন্য।

আমি ধন্যবাদ জানাই আমার বন্ধুদের যাদের অকৃত্রিম ভালবাসায় অসম্ভবকে সম্ভব করে মাত্র ২ ঘন্টার মধ্যে বেসামরিক রোগী হিসেবে সিএমএইচে ভর্তির ব্যবস্থা করার জন্য।

হে মাবুদ, তুমি সকলকে নেক হায়াত দান করিও। কাছে ও দূরের, চেনা অচেনা সকল করোনা আক্রান্ত ও অন্যান্য রোগে আক্রান্ত সকলে সেফা দান করিও।
হে আল্লাহ আমার মতোন এক পাপী বান্দার প্রার্থনা মঞ্জুর করিও।
আমিন।
সাইফুল পাইকাড়।

মারাত্মকভাবে অসুস্থ রোগীর কেস হিষ্ট্রিঃবয়সঃ ৬৫+উচ্চতাঃ ৫'২"ওজনঃ ৬২ কিলোগ্রামলিঙ্গঃ নারীদীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থতা নিয়ে বিভিন...
19/09/2020

মারাত্মকভাবে অসুস্থ রোগীর কেস হিষ্ট্রিঃ
বয়সঃ ৬৫+
উচ্চতাঃ ৫'২"
ওজনঃ ৬২ কিলোগ্রাম
লিঙ্গঃ নারী

দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থতা নিয়ে বিভিন্ন বড় বড় ডিগ্রীধারী ডাক্তারের চেম্বারে ধর্না দিয়েছেন এবং নামীদামী হাসপাতালে বিভিন্ন সময়ে ভর্তি ছিলেন।

এই রোগীর বর্তমান অবস্থাঃ
১। থায়রয়েড হরমোন সম্যসা।
২। উচ্চ রক্তচাপ।
৩। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস
৪। কোষ্ঠ কাঠিন্য।
৫। হার্টে ব্লকঃ ৭০%-৮০% - ৫ টি, ৪০%-৫০% - ১টি ও ৩০%-৪০% - ১টি।
৬। কানে কম শোনে।
৭। জয়েন্টে জয়েন্টে ব্যথা।
৮। ঘুম হয় না।
৯। হিমোগ্লোবিন - ৮.৯।
১০। প্রশ্রাবে প্রোটিন যায়।
১১। কিডনি সমস্যা দেখা দিয়েছে, ক্রিটিনিন ২.৫ ও দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

রোগীর শ্রবণ সমস্যা থাকায় পুরোন রির্পোট দেখার পাশাপাশি তাঁর স্বামীর সাথে কথা হয় দীর্ঘক্ষণ। আলোচনায় প্রতীয়মান হয় যে ভদ্রমহিলার অসুস্থতার শুরু হয় থায়রয়েড হরমোনের সমস্যা দিয়ে। রোগী বছরের পর বছর হরমোনের সমস্যার জন্য ড্রাগ সেবন করে চলেছেন।

হরমোনের সমস্যার পরে রোগীর উচ্চ রক্তচাপ শুরু হয় এবং কয়েক বছর পরে ডায়াবেটিস দেখা দেয়। ইতিমধ্যে কানে কম শোনা শুরু করে। কানে অসফল ওপারেশন করার পর থেকে শ্রবন যন্ত্র ব্যবহার করছেন।

ধীরে ধীরে ঘুমে সমস্যা হওয়া শুরু হয়। পাশাপাশি হাড়/জয়েন্টে ব্যথা শুরু হয়।

হরেক রকমের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার গাদাগাদা ড্রাগ ধরিয়ে দেয় এন্টাসিড জাতীয় ড্রাগসহ।

রোগীর কিডনি সমস্যা দেখা দেয়। দীর্ঘ দিন ক্রিটিনিন স্থিতিশীল থাকলেও সম্প্রতি ক্রিটিনিন বৃদ্ধি পাওয়া শুরু হয়েছে।

রোগীর সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করে দেখা যায় খাদ্যাভ্যাস ও থায়রয়েড হরমোনের সমস্যা থেকে তাঁর অসুস্থতার পথে দীর্ঘ যাত্রা শুরু হয়েছে। সমস্যা ধীরে ধীরে শরীরে ডালপালা বিস্তার ঘটিয়েছে। আজ তিনি ১১ ধরনের মারাত্মক অসুখে ভুগছেন।

স্টেম সেল নিউট্রিশন ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে চিকিৎসার জন্য জরুরী বিবেচ্য বিষয়ঃ

দেহ কোষের অপুষ্টি থেকেই অসুস্থতার শুরু। শরীরে পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে সব কোষ রক্তের কাছে পুষ্টি সরবরাহের জরুরী চাহিদা প্রেরণ করা শুরু করবে। ফলে রক্তচাপ সামান্য বৃদ্ধি পাবে এবং রক্তসঞ্চারণ বৃদ্ধি পাবে।

রোগীর হার্টে ৭০-৮০% ব্লক আছে ৪টি। কোনভাবেই হটাৎ রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করা যাবে না। ব্লক থাকার জন্য হটাৎ রক্তসঞ্চারণ বৃদ্ধি মারাত্মক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে প্রথমে হার্টের ব্লক ছুটাতে হবে এবং ধমনীর শিরা উপশিরা পরিষ্কার করতে হবে।

রোগীর এন্টাসিড জাতীয় ড্রাগের উপর নির্ভরশীলতা দূর করতে হবে। এন্টাসিড জাতীয় ড্রাগ হজম প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করে ফলে খাবারের উপাদান ঠিকমতন দেহ কোষের গ্রহণ উপযোগী হতে পারে না।

রোগীর মুখ থেকে পায়ু পর্যন্ত পুরোপুরিভাবে সুস্থ করতে হবে যাতে করে হজম ও প্রাতঃকালীন ক্রিয়া নিয়মিত হয়।

চিকিৎসাঃ

১। পাথরকুচি পাতার রস ১ কাপ ১+১+১ (০১- মাস)।
২। ক্যাপসুল L-Arginine 1+1+1 চলবে।
৩। ক্যাপসুল মাকা (Maca) ১+১+১
৪। সজিনা পাতার ক্যাপসুল ১+১+১
৫। Cap Constipano 1+1+1
৬। Tab Hi10R
৭। সিরাপ সঞ্জীবনী রসায়ন ৩০ মিঃলিঃ করে ১+১+১+১

থেরাপিঃ
আকুপ্রেসার থেরাপি নিয়মিত ১০-১২ ঘন্টা সময়ের ব্যবধানে দিনে ২ বার।

খাদ্যাভাস (নির্দেশনা মোতাবেক)

হার্টের ব্লক ছুটে যাওয়ার পরে চিকিৎসা পত্র পুনরায় বিবেচনা করে পরবর্তী পর্যায়ের চিকিৎসা শুরু করা হবে।

Address

SR Tower (House Building) Sector # 7, Uttara
Dhaka
1230

Opening Hours

Monday 11:00 - 19:00
Tuesday 11:00 - 19:00
Wednesday 11:00 - 19:00
Thursday 11:00 - 19:00
Saturday 11:00 - 19:00
Sunday 11:00 - 19:00

Telephone

01716097154

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when World Healthcare Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to World Healthcare Foundation:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Our Story

ওয়ার্ল্ড হেলথকেয়ার ফাউন্ডেশনের দর্শন, উদ্দেশ্য ও কর্মপন্থা : দর্শন : “বায়ো ইকনমি ইন হেলথকেয়ার - সারকুলার এয়াপ্রচ ” বিশ্বব্যাপী মানুষকে প্রাকৃতিক ভাবে সুস্থ হতে ও থাকতে সাহায্য করা। উদ্দেশ্য : খাদ্যাভ্যাস ও জীবন-যাপনের ধারা পরিবর্তন করে রোগ নিরাময় ও সুস্থ থাকার বিষয়ে সকলকে সচেতন, সাহায্য ও সহযোগিতা করা। কর্মপন্থা : ১। আধুনিক তথ্য- প্রযুক্তির সহায়তায় বিশ্বব্যাপী সচেতনা গড়ে তোলা। ২। হারিয়ে যেতে বসা ও আধুনিক জ্ঞানের সম্বন্বয় কেন্দ্র গড়ে তোলা ও তথ্য- প্রযুক্তির সাহায্যে ওই জ্ঞান বিশ্বব্যাপী বিতরণের ব্যবস্থা করা। ৩। ফিজিসিয়ান/ নিউট্রিশনিস্ট/ একাডেমিসিয়ান/ বা অন্যান পেশার আগ্রহীদেড়কে প্রশিক্ষণ/তথ্য দিয়ে বিশ্বব্যাপী নেচারোপ্যাথিক বিশেজ্ঞ তৈরী করা ও তাদের মধ্যে আন্তঃসংযোগ গড়ে তোলা। ৪। রোগ থেকে সুস্থ্য হওয়ার জন্য ও সুস্থ্য থাকার জন্য পথ্য ব্যবস্থাপনা তৈরী ( Nutrition Management Plan) করতে সাহায্য করা ৫। পথ্য ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় শাক-সবজি, ওষুধি লতাপাতা, গাছপালা, আগাছা-পরগাছা জৈব পদ্ধিতিতে চাষ ( কন্ট্রাক্ট অর্গানিক ফার্মিং ) ও ঘরে ঘরে বিতরণ ( হোম ডেলিভারি ) ব্যবস্থা গড়ে তোলা।