ADHD Care & Awareness

ADHD Care & Awareness Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ADHD Care & Awareness, Medical and health, Dhaka.
(2)

ADHD Care & Awareness পেজটি ADHD নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহায়ক তথ্য প্রদানের একটি প্ল্যাটফর্ম। এখানে আপনি ADHD শিশুদের যত্ন, শিক্ষার পদ্ধতি, এবং তাদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে সহায়ক টিপস ও নির্দেশনা পাবেন।

আলোচনা করার পরিবেশ তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য।

16/02/2026

-একটা ASD/ADHD বাচ্চার সার্বিক ডেভেলপমেন্ট এর জন্য যা যা দরকার, তার পরিপূর্ণ সাপোর্ট দিয়ে থাকে ব্লুমিং বাড।

সার্বিক সাপোর্ট বলতে আসলে কী বোঝায়?

নর্মালি আমরা বিভিন্ন সেন্টারে যখন কাজ করেছি, তখন অধিকাংশ সেন্টারেই আমরা থেরাপি নিয়ে চলে এসেছি৷

আসলে ASD/ ADHD বিষয়টা এমন না, যে শুধু থেরাপি আর ডাক্তার দেখালাম, বাচ্চা সুস্থ হয়ে গেল। এরজন্য দরকার প্রতি মুহুর্তে প্যারেন্টস সাপোর্ট। প্যারেন্টস day by day কিভাবে বাচ্চার সাথে কাজ করবে তার পরিপূর্ণ গাইডলাইন ব্লুমিং বার্ড দিয়ে থাকে৷ বাচ্চার প্রব্লেমগুলো চিহ্নিত করে সেই অনুযায়ী কাজ করার চেষ্টা করে৷

বাচ্চার অগ্রগতি একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর রিপোর্ট আকারে প্রদান করা হয় যার ফলে প্যারেন্টস সহজেই বাচ্চার আগের এবং বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যে অগ্রগতির পার্থক্য বুঝতে পারবে।

ব্লুমিং বাড প্রত্যেক টা বাচ্চার জন্য online individual tracking system চালু রেখেছে যার মাধ্যমে তার বাচ্চার প্রগ্রেস, প্যারেন্টস অব্জার্ভ করতে পারেন।

প্যারেন্টস এর জন্য রাখা হয়েছে প্যারেন্টস হোমওয়ার্ক সিস্টেম, যেন প্যারেন্টস রা বাসায় সুন্দর করে থেরাপিস্ট দের দেয়া পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করতে পারেন। শুধু তাই না, প্যারেন্টস কাজ করছেন কিনা সেইটাও online based tracking system রাখা হয়েছে।

তাছাড়া বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখেছি, আমরা যখন এক সেন্টার থেকে অন্য সেন্টারে বিভিন্ন প্রয়োজনে যাই, সেখানে আবার দেখা যায় বাচ্চাকে প্রথম থেকে কাজ করানো হয়।

যেমন : যে বাচ্চা রিডিং পড়তে পারে তাকে আবার স্বরবর্ণ দিয়ে শুরু করা হয়। কালার চেনানো বডি পার্টস চেনানো.....ইত্যাদি।

এতে প্যারেন্টসদের উপর একটা বাড়তি লোড পরে। আর সেই জায়গা বিবেচনায় রেখেই কোন বাচ্চার continue করা সম্ভব না হলে তাকে ব্লুমিং বাড- বাচ্চার প্রেসেন্ট condition এর উপর একটা রিপোর্ট প্রদান করে থাকে যেন সেই রিপোর্ট দেখে অন্য সেন্টারের সম্মানিত থেরাপিস্টগণ সেই অনুযায়ী কাজ করতে পারেন।

তবে এখানে একটা বিষয়, অনেক প্যারেন্টস থেরাপি ৪-৫ মাস বন্ধ রেখে অনেক কিছু যখন ভুলে যায় বাচ্চা, তখন আবার থেরাপি নেয়া শুরু করেন। সো তাদের জন্য এই সিস্টেম কাজ করবেনা।

যারা থেরাপি continue করেন তাদের জন্য এটা প্রযোজ্য হবে।

আরও অনেক, অনেক বিষয় নিয়ে ব্লুমিং বাড আগাচ্ছে। আপনাদের সকলের দোয়া প্রার্থী ব্লুমিং বাড।

আসসালামু আলাইকুম।  আমরা আপনাদের মতোই একজন ADHD প্যারেন্ট।  তাই আপনাদের কষ্টগুলো আমার বুঝতে খুব সহজ হয়। এই লাইনটা এমন একট...
10/02/2026

আসসালামু আলাইকুম। আমরা আপনাদের মতোই একজন ADHD প্যারেন্ট। তাই আপনাদের কষ্টগুলো আমার বুঝতে খুব সহজ হয়।

এই লাইনটা এমন একটা লাইন যে, যার নিজের বাচ্চা এই পথে নাই, সে ছাড়া কেউ কোনদিন এই কষ্টটা বুঝতে পারবেনা।

আমি যখন প্রথম প্রথম এই লাইনে হাটতে থাকি, তখন আমি এটাও জানতাম না, ওটি বলতে অকুপেশনাল থেরাপি বোঝায়। আমি জানতাম ওটি মানে অপারেশন থিয়েটার।

এরপর হাটতে হাটতে অনেক কিছু শিখে ফেলি, নিজের সন্তানের জন্য হাজারো সোর্স খুজি, অনলাইন, অফলাইন বিভিন্ন সার্টিফাইড, নন সার্টিফাইড কোর্স করি, ট্রেইনিং করি। ঢাকার অধিকাংশ সেন্টারেই আমি গিয়েছি, যেখানে যা ভালো শুনেছি, সাথে সাথে চলে গিয়েছি।

আলহামদুলিল্লাহ, একটা পর্যায়ে আমাদের সন্তানকে আনতে পেরেছি। তখন ভাবলাম আমি যে যুদ্ধ করে এই পর্যায়ে এসেছি তা যদি অন্যের সাথে শেয়ার করি অনেকের উপকার হবে ইনশাআল্লাহ। সেই জায়গা থেকেই এই পেজ খোলার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে নানান হেল্পফুল ইনফরমেশন শেয়ার করার চেষ্টা করছি।

তখন থেকেই আমাদের কাছে প্রচুর, প্রচুর ইনবক্স আসে যে আমাদের সেন্টার আছে কিনা, কোথায় শাখা আছে?

খুব মন খারাপ হতো যখন আপনাদের না বলতে হতো। আসলে তখনও ওই বিষয় নিয়ে আমরা ভাবিই নি।

প্রচুর যখন ইনবক্স আসে, তখন থেকে আবার ভাবতে শুরু করি, কিভাবে একজন প্যারেন্টস এর জায়গা থেকে সার্ভিস দেয়া যায়? নিজেদের ৮ বছরের অভিজ্ঞতায় এবং প্রায় ২ বছর রিসার্চ করে কিছু বিষয় নোট করি:

১। একজন প্যারেন্টস কি চান?
২। থেরাপি সেন্টার কতটা ফ্রেন্ডলি হওয়া উচিত?
৩। বাচ্চার ডেভেলপমেন্ট এর জন্য কী কী সার্ভিস দেয়া উচিত?
৪। খরচ কিভাবে কিছুটা কমানো যায়?
৫। প্যারেন্টস ট্রেইনিং দেয়া উচিত কিনা?
৬। ফ্যামিলি কাউন্সেলিং কীভাবে করা সম্ভব?
৭। ডাক্তারের সিরিয়াল কীভাবে পাওয়া যায়?
৮। ওপেন স্পেসে খেলার ব্যাবস্থা করা যায় কীভাবে?
৯। সেন্টারগুলোতে কী কী সার্ভিস এর অভাব থাকে?
১০। ABA, সাইকোলজিস্ট থেরাপির ব্যবস্থা করা
১১। online therapy/ counselling

এই সব কিছু দীর্ঘদিন রিসার্চ করে আমরা একই umbrella এর নিচে সব service এনেছি, যেখানে একজন প্যারেন্টস অনায়াসে তার প্রব্লেম আমাদের কাছে বলতে পারে আর আমরা সেই জায়গা থেকেই কাজ শুরু করবো।

এর সাথে আরও অনেক সার্ভিস রয়েছে যা লিখতে গেলে অনেক লম্বা হয়ে যায়। এখন আমাদের কাছে আপনারা অনলাইন, অফলাইন both way তেই সার্ভিস পাবেন ইনশাআল্লাহ।

একটা বাচ্চার সার্বিক বিকাশ যেন থেমে না যায়, একজন প্যারেন্টস যেন মিসগাইডেড না হয়ে এদিক সেদিক ঘোরাফেরা না করেন, day by day কীভাবে বাচ্চাকে nurture করতে হবে, তার সঠিক গাইডলাইন CRP graduated প্রফেশনাল থেরাপিস্টদের মাধ্যমে আমরা দিয়ে যাচ্ছি।

আমরা খুব শীঘ্রই একদম ফ্রী -- ওয়ার্কশপ শুরু করতে যাচ্ছি যার মাধ্যমে আপনার বাচ্চার ম্যানেজমেন্ট এর বিষয়গুলো শিখিয়ে দেয়া হবে।

দোয়া করবেন সবাই, আল্লাহ যেন আমাদের এই যাত্রাকে কবুল করেন, এবং আপনাদের যেকোন প্রয়োজনে আপনাদের পাশে থাকার তৌফিক দেন।

বুকিং চলছে--
1. OT (Occupational Therapy)
2. SLT (Speech & Language Therapy)
3. ABA Therapy (Applied Behaviour Analysis)

বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করুন।

যোগাযোগের নাম্বার: +880 1568-057790
BloomingBud
Basila 40 ft
Mohammadpur
Dhaka

06/02/2026

ASD/ADHD বাচ্চাদের জন্মই হয়েছে মনে হয় মানুষের ধমক আর মাইর খাওয়ার জন্য। মানুষের বাঁকা চোখ দ্বারা বিধ্বস্ত হবার জন্য। 😭😭😭😭😭

31/01/2026

একটা বাচ্চার ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট ৫ বছর বয়স পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভালো হয়। তাই ASD/ADHD বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ২-৩ বছরের মধ্যেই ডায়াগনোসিস করে যদি প্রপার ট্রিটমেন্ট ও থেরাপি দেয়া যায়, তাহলে অধিকাংশ বাচ্চাই ৮০-৯০% ইম্প্রুভ করে। অনেকেই আরও ভালো করে। তাই early interven (2-5) yrs খুবই vital একটা সময়। তাই এই সময়টিকে যথার্থ গুরুত্ব দিন।

27/01/2026

অনেকেই বলেন ADHD বাচ্চারা নাকি মেডিসিনে বেশি ভালো হয়। আপনাদের কী মতামত?
আমি কয়েকজনকে দেখেছি মেডিসিন নিয়ে একদম স্বাভাবিক আছে মাশাআল্লাহ।

স্কুলে ADHD বাচ্চার নিরাপত্তা:আজ একটু ভিন্ন বিষয়ে বলি। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া শারমীন একাডেমির কথা আমরা সবাই জানি। এই ছবি এবং...
24/01/2026

স্কুলে ADHD বাচ্চার নিরাপত্তা:

আজ একটু ভিন্ন বিষয়ে বলি। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া শারমীন একাডেমির কথা আমরা সবাই জানি। এই ছবি এবং ভিডিও আমরা সবাই দেখেছি। কতটা ভয়ানক ছিল বিষয় টা!!! কিন্তু বাচ্চাটা মাশাআল্লাহ খুব স্মার্ট ছিল, এবং সাহসী। এই অবস্থায় একটা বাচ্চা ভয়ে stroke হয়ে মারাও যেতে পারতো!!

এইখান থেকেই আমার চিন্তাটা মাথায় আসে। এতো সুন্দর ফুটফুটে একটা স্মার্ট বেবির সাথে যদি এমন আচরণ হয়, তাহলে অটিজম বা ADHD বাচ্চারাও তো অনেক স্কুলে এবং মাদ্রাসায় পড়ে। এই বাচ্চা তো সব বলতে পারে, কিন্তু ASD/ADHD এর অনেক বাচ্চা তো বলতেও পারেনা। আর এইভাবে ভয় দেখালে একটা বাচ্চার নার্ভ সিস্টেমের কী অবস্থা হতে পারে??

আমরা জানিনা, আমাদের ফুটফুটে. ASD/ADHD বাচ্চাগুলো কোথায় কার কাছে কীভাবে মাইর খায়? ওরাও বাসায় এসে গুছিয়ে বলতে পারেনা। ASD/ADHD এর ভয়ে বাবা মাও কিছু বলার সাহস পাননা। জানিনা, এদের উপর কোথায় কে নির্যাতন করে?? এই বাচ্চাগুলো তখন কতটা অসহায় অবস্থায় পড়ে!?

আপনি তাই আপনার বাচ্চা স্কুল/ মাদ্রাসা থেকে বাসায় আসলে তার ফুলবডি আগে চেক করবেন, কেউ মেরেছে কিনা? স্কুল থেকে/ মাদ্রাসা থেকে সে কোন মুডে বের হলো তা খেয়াল করবেন৷ বাচ্চার সাথে কিছু হলে তার মুডে সেটা প্রকাশ পাওয়ার কথা। বাসায় এসে তার ইমোশনকে গুরুত্ব দেবেন। সে যদি কিছু বোঝাতে চায় বোঝার চেস্টা করবেন। কোনভাবেই ইগনোর করবেন না।

বেবিকে সব সময় বলবেন, তুমি সব আমাকে বলবা। সাহস দেবেন সব সময় তোমার জন্য আমি আছি। ওর প্রত্যেকটা আচরণকে গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন বাচ্চা আসলে কী বোঝাতে চায়?? যদি এমন কিছু হয়, সাথে সাথে প্রতিবাদ করবেন।

কোনভাবেই ভয় পাবেন না। সাহস রাখবেন। এক স্কুলে না হয় আরেক স্কুলে তার জায়গা হবেই ইনশাআল্লাহ৷ কিন্তু মানুষ রুপী জানোয়ারদের প্রশ্র‍য় দেবার কিছু নাই। আপনার বাচ্চার ASD/ADHD, তাতে আপনার সাহস হারাবার কিছু নাই।

আল্লাহ আপনাকে জান্নাতঈ একটা নেয়ামত দিয়েছেন, তাকে নিয়ে সর্বোচ্চ যুদ্ধ করে যাচ্ছেন বাচ্চাকে মানুষ দিয়ে মাইর খাওয়ানোর জন্য নয়।

খুব কেয়ারফুল থাকবেন, বিশেষ করে মেয়ে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে। এদের ক্ষেত্রে আরও অনেক abusing ব্যাপার থাকে। স্পেশাল কেয়ার নিয়ে বাচ্চাকে চোখে চোখে রাখবেন সব সময়।

ধন্যবাদ।




Perfect প্যারেন্ট নয়, আপনাকে হতে হবে সচেতন প্যারেন্ট।ADHD শিশুকে বড় করা কোনো বইয়ের পাতার মতো সহজ নয়। এটা প্রতিদিনের বাস্...
22/01/2026

Perfect প্যারেন্ট নয়, আপনাকে হতে হবে সচেতন প্যারেন্ট।

ADHD শিশুকে বড় করা কোনো বইয়ের পাতার মতো সহজ নয়। এটা প্রতিদিনের বাস্তব জীবন, যেখানে সকালে স্কুলে যেতে চায় না, হোমওয়ার্কে বসে থাকতে পারে না, ছোট কথায় রেগে যায়, আর রাতে ঘুমানোর সময়ও যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়।

অনেক প্যারেন্ট বলেন—“আমি সব চেষ্টা করছি, তবুও কাজ হচ্ছে না।” আসলে সমস্যা আপনার চেষ্টায় না,
সমস্যা হলো— আমরা অনেক সময় ভুল পদ্ধতিতে চেষ্টা করি।

বাস্তব জীবনভিত্তিক ADHD Parenting হলো এমন প্যারেন্টিং—যেটা থিওরির জন্য না, যেটা আপনার ঘরের বাস্তব পরিস্থিতির জন্য কাজ করবে। তার মানে হলো--
১ । আপনার শিশু রোবট না,
২। আপনিও সুপারহিরো না।
৩। তার নিয়ম হবে ফ্লেক্সিবল
৪। রুটিন হবে রিয়ালিস্টিক,
৫। আর এক্সপেক্টেশন হবে বয়স ও ক্ষমতা অনুযায়ী।

যেমন:
১। একসাথে অনেক কথা না বলা,
২। সারাক্ষণ বকা-চেঁচামেচি না করা,
৩। অন্য বাচ্চার সাথে তুলনা না করা।
৪। বাবা মার মাঝে সুস্থ সম্পর্ক বজায় রাখা
৫। পারিবারিক বিষয়গুলোর নেতিবাচক কথাগুলো বাচ্চার সামনে না বলা
৬। ছোট ছোট নির্দেশনা দিয়ে কাজ করানো
৭। “তুমি পারো” এই বিশ্বাসটা বারবার শোনানো

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কী জানেন?

এইযে ADHD শিশুর আচরণ আমরা দেখি, এটা আসলে তার ভেতরের স্ট্রাগলের ভাষা। সে যখন শুনছে না,সে আসলে ইচ্ছা করে অবাধ্য হচ্ছে না। আসলে তার ব্রেইন তখন সঠিকভাবে রেসপন্স করতে পারছে না।

আপনার শিশুর সবচেয়ে বড় থেরাপি কোনো মেডিসিন না,কোনো অ্যাপ না, কোনো দামি স্কুলও না। প্রশ্ন আসে তাহলে কী??

হ্যাঁ, তার সবচেয়ে বড় থেরাপি হলো একজন প্র‍্যাক্টিকাল প্যারেন্ট, যিনি বলতে পারবেন আমি তোমাকে ঠিক করার চেষ্টা করছি না, আমি তোমাকে বুঝতে পারছি।

আসলে আমার এই প্যারেন্টিং নিয়ে এতো লেখালেখির একটাই উদ্দেশ্য। আর তা হলো--

আপনাকে একজন ক্লান্ত প্যারেন্ট থেকে একজন confident, calm, informative parent বানানো।তবেই আপনি পারবেন আপনার বাচ্চাকে প্রপারলি ম্যানেজ করতে।

ধন্যবাদ।



যে ৫ টি টেকনিক আপনার ADHD শিশুকে ম্যানেজ করবে:আজকে আমি আলোচনা করবো এমন ৫ টি উপায় যা ফলো করলে আপনার ADHD  শিশুকে ম্যানেজ ...
20/01/2026

যে ৫ টি টেকনিক আপনার ADHD শিশুকে ম্যানেজ করবে:

আজকে আমি আলোচনা করবো এমন ৫ টি উপায় যা ফলো করলে আপনার ADHD শিশুকে ম্যানেজ করা অনেক সহজ হবে।

১। আমরা সাধারণত যা করি- বাচ্চা কথা না শুনলে আমাদের প্রথম রিঅ্যাকশন হয় শাসন, চিৎকার এবং ভয় দেখানো। আর ADHD শিশুর ক্ষেত্রে এগুলো বেশিরভাগ সময়ই তাকে শুধরানোর জন্য কাজ করে না। বরং সমস্যাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

তাহলে প্রশ্ন করতে পারেন শাস্তি ছাড়া কি আচরণ বদলানো সম্ভব?

উত্তর হলো: হ্যাঁ, সম্ভব।

২। ADHD শিশুরা সব সময় চায় একটা নিরাপদ আশ্রয়। তাকে বুঝতে হবে আপনার। কেন সে বিরক্ত করছে তার সুনির্দিষ্ট কারণ আপনাকে খুঁজে বের করে সেই অনুযায়ী তাকে ম্যানেজ করতে হবে৷ অনেক সময় কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। তখন কিছুসময় চুপ থেকে বেবিকে নজরে রাখুন।

এরপর তাকে ব্যাকসাইড থেকে জড়িয়ে ধরে আদর করে বা অন্যদিকে ফানি টাইপ কিছু করে তাকে ডায়ভার্ট করতে পারেন। শিশুর আচরণ নয়, অনুভূতিকে আগে প্রাধান্য দিন।

৩। ADHD parenting এ আর একটা বড়ো কাজ হলো নিজে শান্ত থাকুন, শিশুও শান্ত হবে। জানি এই কথাটা বলা খুব সহজ কিন্তু করা ততটাই কঠিন। কিন্তু একটা জিনিস ভুলবেন না, আল্লাহ আপনাকে এই পরীক্ষায় ফেলেছেন যেন আপনি পাস করতে পারেন। ফেইল করার জন্য নয়। আর আপনি পারবেন বিধায়ই আপনাকে এই পরীক্ষা দেয়া হয়েছে হয়তো।

৪। আপনার শান্ত গলার স্বরই বাচ্চার নার্ভ সিস্টেমে শান্ত প্রভাব ফেলে। আবার আপনি জোরে বললে তার প্রভাবেও ব্রেইন আরও উত্তেজিত হয়। এখন আপনিই ভাবুন কোনটা করবেন?

৫৷ শাস্তি নয়, ফলাফল শেখান। যেমন: তুমি খেলনা ছুঁড়লে খেলনা কিছু সময়ের জন্য বন্ধ থাকবে। এভাবে সকল অপছন্দনীয় কাজে রেস্ট্রিকশন দিয়ে দিন। তখন ধীরে ধীরে সে বুঝে ফেলবে কী করা যাবে আর কী করা যাবেনা।

তবে এইগুলো অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। নিয়মিত রুটিন আচরণ বদলায়। অনিশ্চয়তা ADHD শিশুকে অস্থির করে। একই সময় ঘুম, খাবার, পড়া মেইনটেইন কর‍তে পারলে শিশুর ব্রেইন নিরাপদ বোধ করে।

মনে রাখবেন- “শাস্তি শিশুকে সেই মূহূর্তের জন্য থামায় হয়তো কিন্তু বোঝাপড়া শিশুকে শেখায়।”

পাশে আছি সব সময় আপনাদের। ধন্যবাদ।




“ADHD শিশুর জন্য শাসন নয়, সাপোর্টই সবচেয়ে বড় থেরাপি"।আমি আগের লেখায় বলেছি ADHD শিশুরা ইচ্ছে করে অবাধ্য হয় না। ওদের ব্রেই...
18/01/2026

“ADHD শিশুর জন্য শাসন নয়, সাপোর্টই সবচেয়ে বড় থেরাপি"।

আমি আগের লেখায় বলেছি ADHD শিশুরা ইচ্ছে করে অবাধ্য হয় না। ওদের ব্রেইন একটু আলাদা ভাবে কাজ করে। তাই রুটিন ছাড়া ওদের দিনটা যেন পাজেলের মতো লাগে।

একটি সহজ, নির্দিষ্ট দৈনন্দিন রুটিন ADHD শিশুর জন্য খুব বড় একটি সাপোর্ট। যেমন:

ঘুম থেকে ওঠা, খাওয়া, পড়া, খেলা, ঘুম—সবকিছু যদি প্রতিদিন একই সময়ের, আশেপাশে হয়, তাহলে শিশুটি ধীরে ধীরে সেই রুটিন অনুযায়ী নিজেকে মানিয়ে নিতে শেখে। ফলে তার ডেইলি লাইফ অনেক সহজ হয় যা প্যারেন্টসদেরও স্বস্তি দেয়।

কিন্তু রুটিন মানেই কী কঠিন কোন নিয়ম?

না, মোটেও তা নয়। রুটিন মানে শিশুকে আগে থেকে জানিয়ে দেওয়া—“এরপর কী হবে?"

এতে শিশুদের হঠাৎ রাগ কমে,অস্থিরতা কমে এবং প্যারেন্ট–চাইল্ড কানেকশন অনেকগুণ বেড়ে যায়।

এর সঙ্গে কিছু সহজ টুলস আপনাকে অনেক বেশি হেল্প করতে পারে। যেমন:

প্রথমত: যখন আপনার বেবির সাথে কথা বলবেন তখন ছোট ছোট নির্দেশনা দিয়ে কথা বলুন। এর কিছু স্টেপ আছে। প্রথমে single word, এরপর Two words, then Three words. আপনি একই সাথে অনেক কথা বলবেন না বেবির সাথে, এতে সে confused হয়ে যাবে।

দ্বিতীয়ত: ভিজ্যুয়াল চার্ট বা ছবি বা ফ্ল্যাশ কার্ড দিয়ে বোঝাবেন বেবিকে।

তৃতীয়ত: রিইনফোর্সমেন্ট অবশ্যই ইউজ করবেন। এটা খুব ভালো কাজ করে। কাজ শেষ হলে সাথে সাথে প্রশংসা করবেন।

চতুর্থত: ভুল হলে চিৎকার, চেচামেচি করবেন না, শান্তভাবে রিপিট করুন যতক্ষণ না সে না বুঝে।

পঞ্চমত: কখনোই নেগেটিভ কথা বলবেন না।তুই একটা গাধা, তুই কি আর তোর ভাই কী, এই ধরণের তুলনায় কখনোই যাবেন না। এতে সে মানসিকভাবে আরও ভেঙে পড়ে আরও অস্থির আচরণ করতে পারে যা আপনাকেই সামাল দিতে হবে আবার।

ষষ্ঠত: “তুমি পারো” এই বিশ্বাসটা বারবার তাকে জানাবেন, শোনাবেন। সব সময় তাকে উৎসাহ দেবেন।

আপনি যখন রুটিন তৈরি করে এই নিয়মগুলো ফলো করবেন তখব দেখবেন আপনার শিশুকে ম্যানেজ করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে।

আপনি আপনার শিশুর ব্রেইনকে শেখান--
" তুমি নিরাপদ। তোমাকে আমরা বুঝতে পারি।”

একজন ADHD প্যারেন্ট হওয়া সহজ নয়, কিন্তু আপনার ধৈর্য্য, ভালোবাসা আর সঠিক টুলসই
আপনার শিশুর সবচেয়ে বড় শক্তি।

ধন্যবাদ।





ADHD Parentingআমি পার্ট বাই পার্ট বেশ কিছু বিষয় আপনাদের সাথে শেয়ার করবো যার মূল অর্থই হলো আপনাদের ভেতর থেকে জাগ্রত করা। ...
17/01/2026

ADHD Parenting

আমি পার্ট বাই পার্ট বেশ কিছু বিষয় আপনাদের সাথে শেয়ার করবো যার মূল অর্থই হলো আপনাদের ভেতর থেকে জাগ্রত করা। কবিতায় আছে না---

আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সকাল হবে?

ঠিক তাই। আগে আমাদের জাগতে হবে, আগে আমাদের বুঝতে হবে আমাদের বাচ্চাদের। আমরা প্যারেন্টসরা যদি না বুঝি আমাদের সন্তানদের, তাহলে মানুষ কি করে বুঝবে? এই জন্যই প্যারেন্টিং নিয়ে কিছু কথা বলা খুব জরুরী মনে করে লিখছি--যা আপনাকে আত্নবিশ্বাসী করে তুলবে এবং আপনার শক্তি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে।

পার্ট–১

ADHD মানেই সমস্যা না, ভিন্নভাবে কাজ করার একটি দক্ষতা। অনেক বাবা–মা খুব কষ্টের সাথে বলেন—
“ডাক্তার, আমার বাচ্চাটা কিছুতেই কথা শোনে না।”
“সব বাচ্চা যেমন পারে, আমারটা কেন পারে না?”
“আমি কি কোথাও ভুল করছি?”

এই প্রশ্নগুলো খুব স্বাভাবিক।

কারণ ADHD শিশুর বাবা–মা হওয়া মানেই প্রতিদিন নিজের ধৈর্য, ভালোবাসা আর আত্মবিশ্বাসকে নতুন করে পরীক্ষা দেওয়া, নিত্য নতুন যুদ্ধ ফেস করে টেকনিক এপ্লাই করা, কখনো যুদ্ধে জয়ী হওয়া, কখনো হতাশায় ডুবে যাওয়া। কিন্তু আপনি জানেন কী??

ADHD কোনো চরিত্রের সমস্যা না, ADHD কোনো খারাপ অভ্যাস না, ADHD মানে আপনার শিশুটি খারাপ বা অযোগ্য না৷

ADHD মানে হলো—
আপনার শিশুর ব্রেইনটা একটু ভিন্নভাবে কাজ করে।
যে ব্রেইন অন্য বাচ্চাদের মতো এক জায়গায় বসে থাকতে পারে না, যে ব্রেইন একসাথে অনেক কিছু অনুভব করে, যে ব্রেইন খুব দ্রুত মনোযোগ হারায়—
সেই ব্রেইনটাই ADHD ব্রেইন।

কিভাবে কী করা যায় তাহলে??

আপনাকে প্রত্যেক্টা স্টেপে আপনার বেবির পাশে থাকতে হবে। হোক সেটা যতই খারাপ পরিস্থিতি৷ আপনার বেবির বন্ধু হয়ে যেতে হবে আপনাকে। বেবি যেন বুঝতে পারে, কেউ না হোক, একজন আমার পাশে আছে, আর সেই একজন হচ্ছেন আপনি।

এই নিস্পাপ বাচ্চাগুলো নিজেকে প্রকাশ করতে পারেনা, নিজের চাওয়া, পাওয়া, আশা আকাঙ্খা অনেকে কিছুই বোঝাতে পারেনা। একবার ভাবুন তো--

আপনাকে যদি কথা বলতে না দেয়া হয় আপনার পরিস্থিতি কেমন হবে? ঠিক একই পরিস্থিতির সাথে তারা দিন রাত যুদ্ধ করছে, তারপরও তাদের না বুঝে আমরা তাদের বকছি, মারছি, মানুষ তাদের উপহাস করছে।

আমাদের চেয়েও এই বাচ্চাগুলো কতটা কষ্ট পায়-একবার কি ভেবে দেখি আমরা?? আমরা চাই সামাজিক স্বীকৃতি, আমরা চাই socialization. কিন্তু মহান আল্লাহ যে জিনিসটা তাদের দেন নি, আমরা চেষ্টা করেও যদি সেই পর্যায়ে আনতে না পারি, তাহলে সেই দায়ভারের চাপে কেন আমরা বকবো, মারবো??

আমরা কি আমাদের বাচ্চাগুলোর সাথে অন্যায় করছিনা??

এই শিশুরা কিন্তু অলস না, এই শিশুরা ইচ্ছা করে ভুল করে না, এই শিশুরা আপনাকে বিরক্ত করার জন্য এমন আচরণ করে না। তারা আসলে নিজেদের ব্রেইনের সাথে লড়াই করে প্রতিনিয়ত যা হয়তো আমি, আপনি বুঝিনা।

আপনি যখন বলেন, “বারবার তোমাকে বলার পরও কেন শুনছো না?”ওই সময় শিশুর মাথার ভেতরে হয়তো শতটা শব্দ, চিন্তা আর অনুভূতি একসাথে ঘুরতে থাকে।

আপনি যখন বলেন,“এত অস্থির কেন তুমি?”
তখন সে নিজেও বুঝতে পারে না, কীভাবে নিজেকে থামাবে। আর এখানেই সবচেয়ে বড় ভুলটা আমরা করি
আমরা শিশুকে ঠিক করার চেষ্টা করি,কিন্তু শিশুকে বোঝার চেষ্টা করি না।

ADHD শিশুর সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো—
১। বোঝাপড়া
২। ধৈর্য
৩। নিরাপত্তা
৪৷ নিঃশর্ত ভালোবাসা

ভেবে দেখুন, যে বাচ্চাটা সারাদিন ছুটে বেড়ায়, যে বাচ্চাটা হাজারটা প্রশ্ন করে, যে বাচ্চাটা ছোট বিষয়েও আবেগী হয়, এই একই বাচ্চার মধ্যেই লুকিয়ে থাকতে পারে--

-- অসাধারণ সৃজনশীলতা
-- গভীর অনুভূতির ক্ষমতা
-- নতুনভাবে চিন্তা করার শক্তি

ইতিহাসে অনেক সফল মানুষ ছিলেন ADHD ব্রেইনের অধিকারী৷ কিন্তু তাদের সমস্যা হিসেবে দেখা হয়নি,
তাদের ভিন্নতা হিসেবে দেখা হয়েছিল। আপনার শিশুরও ঠিক তেমন সম্ভাবনা আছে। আপনিও সেটা খুঁজুন এবং সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগান।

আজ শুধু এটুকু মনে রাখুন—

আপনার শিশুকে “ঠিক” করার দরকার নেই,
তাকে সঠিকভাবে সাপোর্ট করার দরকার।

আর আপনাকে বলতে চাই—

আপনি একা নন।
এই পথ কঠিন, কিন্তু অসম্ভব না।

“ভিন্ন মানেই দুর্বল না—ভিন্ন মানেই বিশেষ। আর বিশেষ শিশুর জন্য প্রয়োজন বিশেষ বোঝাপড়া।” এই লেখাটা যদি আপনার মনে একটু হলেও সাহস দেয়, তাহলে বুঝবেন—আপনি সঠিক জায়গাতেই আছেন।

ধন্যবাদ।




ADHD মানে কী??ADHD মানে শুধু মনোযোগের সমস্যা না। এটা এমন একটা জীবন, যেখানে নিজের সাথে প্রতিদিন যুদ্ধ করতে হয় - চুপচাপ, ক...
06/01/2026

ADHD মানে কী??

ADHD মানে শুধু মনোযোগের সমস্যা না। এটা এমন একটা জীবন, যেখানে নিজের সাথে প্রতিদিন যুদ্ধ করতে হয় - চুপচাপ, কাউকে না জানিয়ে।

চেষ্টা করেও যখন কাজটা শেষ করা যায় না, যখন মাথার ভেতর সব জানা থাকা সত্ত্বেও মুখ খুলে ঠিক মতো প্রকাশ করা যায়না ঠিক তখন--

মানুষ ভাবে—
“তুমি তো পারো, তুমি শুধু চাও না।”

কিন্তু তারা জানে না,কতবার নিজেকে বলা হয়—“আজ পারতেই হবে।” কতবার চোখ ভিজে আসে এই ভেবে—
“আমি কেন সবার মতো হতে পারি না?”

ADHD থাকা মানুষরা

১। ভুলে যায়—কিন্তু ইচ্ছে করে না।
২। দেরি করে—কিন্তু গুরুত্ব না দিয়ে না।
৩। অগোছালো হয়—কিন্তু ভিতরে ভিতরে ভীষণ যত্নশীল।

তাদের মাথার ভেতর একসাথে হাজারটা শব্দ, হাজারটা ভাবনা, হাজারটা অনুভূতি চিৎকার করে। কখনো খুব excited, কখনো খুব overwhelmed, আবার কখনো নিঃশব্দে ক্লান্ত।

সবচেয়ে কষ্টের জায়গাটা হলো—নিজের ক্ষমতা জানা থাকা সত্ত্বেও সেটাকে ঠিক মতো প্রমাণ করতে না পারা। নিজেকে বোঝাতে বোঝাতে ক্লান্ত হয়ে যাওয়া
যে “আমি অযোগ্য না, আমি শুধু আলাদা।”

ADHD থাকা মানুষরা খুব গভীরভাবে অনুভব করে।তারা ছোট জিনিসে খুব আনন্দ পায়, আবার ছোট কথাতেই খুব ভেঙে পড়ে। কারণ তাদের হৃদয়
সবকিছু একটু বেশি জোরে অনুভব করে।

তাই যদি তুমি ADHD নিয়ে লড়াই করো, তাহলে
জেনে রেখো—

১। তুমি দুর্বল না।
২। তুমি অলস না।
৩। তুমি broken না।
৪। তুমি এমন একজন মানুষ যার মস্তিষ্কটা আলাদা ভাবে কাজ করে- এতে তোমার কোন হাত নেই, সৃষ্টিকর্তার অপার মহিমা এটা-
৫। যে লড়াইটাও আলাদা, আর যার শক্তিটাও অনেক গভীর।

তাই মানুষের কথায় কষ্ট পেও না, এই দুনিয়া একদিন ঠিকই শিখবে—ঠিকই বুঝবে--

সব ফুল এক রকম ভাবে ফোটে না। কিন্তু সব ফুলই অনেক বেশি সুন্দর।





04/01/2026

অনেকে মনে করেন অটিজম ভালো হয়না কোনদিন। কিন্তু সাম্প্রতিক রিসার্চ বলে সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা ও থেরাপি নিলে অটিজমও ভালো হয়।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ADHD Care & Awareness posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram