Health Is Wealth

Health Is Wealth স্বাস্থ্যসেবা নয়, বরংচ স্বাস্থ্য সচ?

কিছু কথা না বললেই নয়-

প্রথমত আমাদের এই পেইজটির কোন বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য নেই। আমাদের মনে করি স্বাস্থ্য সচেতনতা তৈরী করা শুধুমাত্র দেশের সরকার বা ডাক্তারদের একার কাজই নয়। এটা আমরা সবাই এক সাথে করতে পারি। খুব সামান্য সরল কিছু টিপস নিশ্চিত করতে পারে আমাদের সকলের সুস্বাস্থ্য।

ব্যস্ততার কারনে হয়ত অনেকেই ইন্টারনেটে স্বাস্থ্য বিষয়ক টুঁকিটাকি খুঁজে নিতে পারছেন না। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি সেরকমেরই কিছু ফ

েইসবুকে তুলে ধরতে। নির্ভযোগ্য সূত্র থেকে প্রকাশ করছি স্বাস্থ্য বিষয়ক নানা কথন, তৈরী করতে চাচ্ছি সামাজিক স্বাস্থ্য সচেতনতা।


*
আপনি যদি ডাক্তারী পেশায় নিয়োজিত থাকেন ও মনে করেন যে আপনার কথা শুনে মানুষ উপকৃত হবে তবে আমাদের সাথে জয়েন করতে পারেন। বেশী না প্রতিদিন যদি একটি টিপস দেন তাহলেই আমরা সকলে অনেক উপকৃত হবো।

ধন্যবাদ।

বিঃদ্রঃ দয়া করে স্প্যামিং করবেন না। এটা একটি হেলথ এন্ড নিউট্রিশান রিলেটেড পেইজ। অনুগ্রহ করে বিষয়বস্তুর ব্যাপারে ফোকাসড থাকুন।

১০ খাবার খেয়ে চর্বি কমান!!ঢাকা: মেদবহুল শরীর ব্যক্তির সৌন্দর্যই নষ্ট করে না, ব্যক্তির জন্য অস্বস্তিকরও বটে। শরীরের মেদ ক...
17/06/2014

১০ খাবার খেয়ে চর্বি কমান!!

ঢাকা: মেদবহুল শরীর ব্যক্তির সৌন্দর্যই নষ্ট করে না, ব্যক্তির জন্য অস্বস্তিকরও বটে। শরীরের মেদ কমাতে অনেকে খাবার কমিয়ে দেন, নিয়মিত শরীর চর্চা (ব্যায়াম) করেন।

কিন্তু খাবার খেয়েই আপনি আপনার মেদ কমাতে পারবেন। এমন ১০টি খাবারের তালিকা দিয়েছেন পুষ্টিবিজ্ঞানী ও ফ্রিল্যান্স‍ার কারা ল্যান্ডাউ।

‘ট্যাভেলার্স ডায়েটিশনে’ দেওয়া তার তালিকার খাবার গুলো হচ্ছে কাজুবাদাম, তরমুজ, মটরশুটি, সবুজ শাক-সবজি, শশা, আভাকাডো, যব বা জই, পানি, আপেল ও পিপারমেন্ট।

কাজুবাদাম
দীর্ঘক্ষণ পেট ভর রাখার জন্য ত্বক মসৃনকারী ভিটামিন ই ও আমিষ সমৃদ্ধ কাজুবাদাম এক মুঠোই যথেষ্ঠ। কাজুবাদামে যে ক্যালটির আছে তা মেদ তৈরিতে কোনো ভূমিকা রাখে না। তাই অন্যান্য ফ্যাটি খাবার না খেয়ে কাজুবাদাম একটু বেশি খান।

তরমুজ
তরমুজে রয়েছে ৮২ শতাংশ পানি। শরীরের বাড়তি সোডিয়াম সরিয়ে একটি লম্বা সময়ের জন্য ক্ষুধাহীন থাকতে সহায়তা করে।

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সুস্বাদু এ ফলের প্রতি এক কাপে রয়েছে ১০০ ক্যালোরি। পছন্দের তারকাদের মতো সুন্দর শরীর গড়তে নাস্তায় তরমুজ রাখুন।

মটরশুটি
নিয়মিত মটরশুটি খেলে চর্বি কমে, হজম ক্ষমতা বাড়ে, শরীরের মাংসপেশীরও বিকাশ ঘটে। দীর্ঘ সময় ক্ষুধাহীন থাকার জন্য মটরশুটি বেশ কার্যকরী।

সবুজ শাক সবজি
একটি স্লিম শরীরের অধিকারী হতে চাইলে সবুজ শাক-সবজি দিয়ে প্লেট ভর্তি রাখতে হবে। ভাতের চেয়ে শাক-সবজির পরিমাণ বেশি হলেও সমস্যা নেই। বিভিন্ন অত্যাবশ্যক ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ সবুজ শাক-সবজি চর্বি কমায়। এছাড়া শরীরে পানি ধরে রাখতেও সহায়ক শাক-সবজি।

শশা
শশার প্রায় ৯৬ শতাংশই পানি। এ কারণে শশা খুবই ঠাণ্ডাজাতীয় খাদ্যশস্য। শশা একটি অত্যন্ত কম ক্যালোরিযুক্ত খাদ্য। একটি শশাতে মাত্র ৪৫ ক্যালোরি থাকে। শরীরের মেদ কমাতে খুবই কার্যকরী শশা।

আভাকাডো(নাশপাতি)
বিভিন্ন অত্যাবশ্যক পুষ্টিতে ভরপুর আভাকোডা (নাশপাতি জাতীয় ফল বিশেষ)। আঁশওয়ালা এ ফল খেলে দীর্ঘক্ষণ খিদে পায় না, সঙ্গে পেটের চর্বি দ্রুত কমিয়ে ফেলে।

যব বা জই
আকষর্ণীয় শরীরের অধিকারী হতে চাইলে নাস্তার প্লেটে ওট ( যব বা জই) রাখুন। ওজন কমাতে ওট খুবই কার্যকরী। কম ক্যালরিযুক্ত এ ফল শরীরে ধীরে ধীরে শক্তি যোগায়।

পানি
মেদবহুল পেট থেকে মুক্তির সহজে এড়ানো যায়। এজন্য আপনাকে প্রতিদিন পান করতে হবে বেশি পরিমাণে পানি। বেশি পানি খেলে পেট বেড়ে যাবে-এমন কোনো আশঙ্কাই নেই।

আপেল
আঁশযুক্ত মিষ্টি ফল আপেল পেট ভরপূর্ণ রাখে। অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ না করে পরিমিত আপেল খান।

কত ক্যালরি খাচ্ছেন!!ঢাকা: সিরিয়াল আর কফি খেয়ে, চকোলেট বর্জন করে যারা স্বাস্থ্য সচেতন বলে নিজেকে ঘোষণা দিচ্ছেন তাদের প্রত...
17/06/2014

কত ক্যালরি খাচ্ছেন!!

ঢাকা: সিরিয়াল আর কফি খেয়ে, চকোলেট বর্জন করে যারা স্বাস্থ্য সচেতন বলে নিজেকে ঘোষণা দিচ্ছেন তাদের প্রতি প্রশ্ন- ক্যালোরির হিসাব কষে দেখেছেন কি? পরীক্ষা করে দেখা গেছে, ওই দু’টি খাবারেই চকোলেটের চেয়ে বেশি ক্যালরি আছে।

প্রতিদিন কোন খাবারে কত ক্যালরি গিলছি তা নিয়ে আর কতটুকুই আমরা সচেতন!

স্বাস্থ্য সচেতন উন্নত দেশগুলো মেদ প্রতিহত করতে চকোলেট বারে ২৫০ ক্যালোরির বেশি ব্যবহারে অনুৎসাহিত করছে । ব্র্যান্ড ও তৈরি প্রক্রিয়ার কারণেই ক্যালোরির পার্থক্য থাকে। ইয়র্কি বার এক ধরনের চকোলেট যার প্রতিটি বারে ৩৬৭ ক্যালোরি, অথচ ম্যালটেসার্সের একটি স্ট্যান্ডার্ড প্যাকে এর পরিমাণ থাকে ১৮৭ ক্যালোরি।

অ্যালকোহলেও এই পার্থক্য রয়েছে। গর্ডন জিন ও টনিকের একটি সিঙ্গল শট ৭২ ক্যালোরি ধারণ করে। আর ২৫০ মিলি লিটার সাদা ওয়াইনে ২০০ ক্যালোরি।

কফির প্রোডাক্টগুলোর ক্যালোরির হিসাব নিয়েও সতর্ক থাকতে হবে। মাঝারি সাইজের এক মগ স্টারবাকস মোচা ফ্র্যাপুচিনো যখন পুরোপুরি দুধ ও ক্রিমে তৈরি হয় তখন তার ৪০০ ক্যালোরিতে পৌঁছায়। যা একজন নারীর শরীরের জন্য প্রতিদিনের ক্যালোরি বরাদ্দের অর্ধেক।

নিশ্চিন্তে ফল খাচ্ছেন! হিসেব কষে খান। কারণ ফলেও থাকে প্রচুর পরিমাণ চিনি। একটি আনারসে ৪৫০ ক্যালোরি থাকে। এবং এই ফলটিকে অন্যতম চিনিময় ফল বলা চলে। একটি প্রমাণ সাইসের অ্যাভোকাডো ২৭৫ ক্যালোরি ধারণ করে।

১০০ গ্রামের একবাটি সুপার বেরি গ্র্যানোলা দুধ ছাড়া খাওয়াকে অনেকেই সকালের নাস্তায় সুষম খাবার বলে মনে করে। কিন্তু এই খাবারেও থাকে ৪৩৮ ক্যালোরি।

লাল মাংসে ক্যান্সার ঝুঁকি!!লাল মাংসে পর্যাপ্ত প্রোটিন ও আয়রনের মতো স্বাস্থ্যকর উপাদান রয়েছে বলে সবার জানা। কিন্তু কারও ক...
17/06/2014

লাল মাংসে ক্যান্সার ঝুঁকি!!

লাল মাংসে পর্যাপ্ত প্রোটিন ও আয়রনের মতো স্বাস্থ্যকর উপাদান রয়েছে বলে সবার জানা। কিন্তু কারও কি জানা আছে, অতিরিক্ত লাল মাংস ভোজনে ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধির ঝুঁকি বাড়ে।

সম্প্রতি এমন আশঙ্কার কথাই উঠে এসেছে অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য বিভাগের অর্থায়নে বোয়েল ক্যান্সার অস্ট্রেলিয়া (বিসিএ) ও ক্যান্সার কাউন্সিল অস্ট্রেলিয়া (সিসিএ) পরিচালিত এক গবেষণায়।

চীনে পরিচালিত এক গবেষণায় বলা হয়, কেউ যদি দৈনিক ১০০ গ্রাম লাল মাংস ভোজন কমিয়ে দেয় তাহলে তার পাকস্থলীর (স্টমাচ) ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়বে ১৭ শতাংশ।

কিন্তু বিসিএ ও সিসিএ’সহ বেশ কিছু সংস্থার গবেষণা বলছে, লাল মাংসের সঙ্গে ভোজন ও অন্ত্রের (বোয়েল) ক্যান্সারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

বিসিএ ও সিসিএ’র গবেষণায় বলা হয়, অস্ট্রেলিয়ায় ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর মধ্যে অন্ত্রের ক্যান্সার সবচেয়ে বেশি দায়ী। প্রতি বছর দেশটিতে চার হাজারেরও বেশি মানুষ এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় (এই মৃত্যু ২০১২ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর চেয়ে তিনগুণ বেশি)। আর অস্ট্রেলিয়ার মৃত্যুর কারণের মধ্যে পাকস্থলীর ক্যান্সারের অবস্থান ১২তম। প্রতি বছর দেশটিতে কেবল এক হাজার মানুষ মারা যায় এ ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েই।

যারা ব্যাকইয়ার্ড বারবিকিউ (বাড়ির পেছনের আঙিনায় তৈরি করা বারবিকিউ) বেশি ভালোবাসেন-গবেষণার এই ফলাফল নিশ্চয় তাদের জন্য দুঃসংবাদ।

এখন জানার ব্যাপার হলো, কীভাবে লাল মাংস ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় এবং এর ভোজনের নিরাপদ মাত্রা কী?

প্রথমত জানা যাক, লাল মাংস যেভাবে অন্ত্র ও পাকস্থলীর ক্যান্সারের সংক্রমণ ঘটায়।

গরু, মেষ, ভেড়া, শুয়োর এবং ছাগলের মাংসের লাল রংয়ে মাইয়োগ্লোবিন নামে এক ধরনের প্রোটিন পাওয়া যায়, যেসব উপাদান মাংসপেশী থেকেই আসে। হিমোগ্লোবিন যেভাবে রক্তপ্রবাহে অক্সিজেন সরবরাহ করে ঠিক সেভাবেই পেশী কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে এই মাইয়োগ্লোবিন।

হজমের সময় মাইয়োগ্লোবিন ভেঙে গিয়ে এন-নিট্রোসোয়েস নামে এক ধরনের ক্যান্সারজনিত যৌগ গঠন করে। এই নিট্রোসোয়েস কোষের ভেতরে থাকা ডিএনএ (নিউক্লিক এসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে) টার্গেট করে কাজ করে, যেটা মিথেলেশন নামে একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এ অন্ত্র ও পাকস্থলীর কার্যক্রমে ব্যাপক পরিবর্তন আনে।

আর অনেক বেশি মিথেলেশনের দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব হলো এটি শরীরের সাধারণ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় প্রোটিন ও এনজাইমের সঠিক উৎপাদন বন্ধ করে দেয়- যার শেষ পরিণতি ক্যান্সারের আবির্ভাব।

দুর্ভাগ্যবশত শরীরে এন-নিট্রোসোয়েসের নিরাপদ কোনো মাত্রা নেই।

এক গবেষণায় দেখা যায়, এন-নিট্রোসোডিয়েথিলামিন নামে এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থের মাত্র দশমিক ০০০০৭৫ শতাংশ গ্রাম শরীরে ক্যান্সার উৎপাদনের জন্য যথেষ্ট।

বিসিএ ও সিসিএ পরিচালিত গবেষণায় বলা হয়, লাল মাংসে থাকা উচ্চমাত্রার ক্ষতিকর কোলেস্টরল অন্ত্র ও পাকস্থলীর ক্যান্সার সংক্রমণেই কাজ করে না, এটি ভয়ংকরভাবে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ক্যান্সার ছড়িয়ে দেয়।

এর প্রক্রিয়া বর্ণনা করে বলা হয়, মানুষের শরীরের সবগুলো কোষেই ইন্টেগ্রিনস নামের অংশে ভেলক্রো’র মতো এক ধরনের অণু থাকে যেগুলো ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের কারণে একীভূত হয়ে যায়। উপর্যুপুরি ক্ষতিকর কোলেস্টেরল নতুন ইন্টেগ্রিনস ছড়িয়ে ক্যান্সার কোষগুলোকে তাদের মূল জায়গা থেকে সরিয়ে শরীরের অন্য জায়গায় ছড়িয়ে দেয়।

এখন তাহলে কী করণীয়? তবে কী লাল মাংস ছেড়ে দিতে হবে। সমাধানও দেওয়া হচ্ছে বিসিএ ও সিসিএ‘র পক্ষ থেকে।

গবেষকরা বলছেন, কারও পুরোপুরি লাল মাংস ভোজন ছেড়ে দেওয়া উচিত হবে না। প্রোটিন (পেশী তৈরি ও ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয়) ও আয়রনের (রক্ত উৎপাদনে প্রয়োজনীয়) জন্য পর্যাপ্ত লাল মাংস খেতে হবে।

অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়, কেউ প্রত্যহ ৬৫ গ্রাম রান্না করা (৯০ থেকে ১০০ গ্রাম কাঁচা) লাল মাংস খেতে পারেন।

আর অন্ত্র ও পাকস্থলীর ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে কেবল লাল মাংস ভোজন কমিয়ে দিলেই হবে না, কম চর্বি ও শর্করাযুক্ত ভারসাম্যপূর্ণ খাবার গ্রহণও প্রয়োজন।

বিসিএ ও সিসিএ’র পক্ষ থেকে বলা হয়, কারও যদি অন্ত্রের ক্যান্সারের পারিবারিক ধারা থাকে, তাহলে তাকে নিয়মিত শরীর পরীক্ষা করাতে হবে এবং এ ব্যাপারে অন্যদেরও উৎসাহিত করতে হবে। এক্ষেত্রে বিশেষত পঞ্চাশোর্ধ্বদের বেশি সচেতন থাকতে হবে।

বিশেষ দ্রষ্টব্যে বলা যায়, মাছ ও মুরগির মতো সাদা মাংসে উচ্চমাত্রার ক্ষতিকর প্রোটিন থাকে না। এ ধরনের সাদা মাংসগুলো শরীরে ক্যান্সার ছড়ানোর জন্য দায়ী ইন্টেগ্রিনসকে ক্যান্সার কোষের ভেতরেই রেখে দিতে সাহায্য করে।

‘কোকাকোলা পানে’ নিউজিল্যান্ডে এক নারীর মৃত্যুপ্রচুর পরিমাণ কোকাকোলা পানকে ৩০ বছর বয়সী এক নারীর মৃত্যুর “মূল কারণ” হিসেবে...
11/06/2014

‘কোকাকোলা পানে’ নিউজিল্যান্ডে এক নারীর মৃত্যু

প্রচুর পরিমাণ কোকাকোলা পানকে ৩০ বছর বয়সী এক নারীর মৃত্যুর “মূল কারণ” হিসেবে উল্লেখ করেছেন নিউজিল্যান্ডের এক পরীক্ষক।

তিন বছর আগে হৃদরোগে নাতাশা হ্যারিস নামে ওই নারীর মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে বিবিসি অনলাইন।

তিনি প্রতিদিন ১০ লিটার পরিমাণ কোকাকোলা পান করতেন।

ওই পরিমাণ কোকাকোলায় মানুষের শরীরে গ্রহণযোগ্য মাত্রার চেয়ে দ্বিগুণ পরিমাণ ক্যাফেইন এবং গ্রহণযোগ্য মাত্রার ১১ গুণ বেশি চিনি থাকে।

পরীক্ষক ডেভিড ক্রিরার পরীক্ষা করে দেখেছেন, ১০ লিটার কোকে ১ কেজিরও বেশি চিনি এবং ৯শ’ ৭০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন থাকে।

তিনি জানিয়েছেন, অতিরিক্ত কোকাকোলা পানে নাতাশার হৃদস্পন্দন অনিয়মিত হয়ে পড়েছিল।

হৃদস্পন্দন অনিয়মিত হয়ে পড়লে কখনো খুব দ্রুত আবার কখনো খুব ধীরে লয়ে স্পন্দন হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, নাতাশা কোকাকোলায় আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন এবং কোকাকোলা পান না করলে তার খিচুনিসহ বিভিন্ন ধরনের শারীরিক প্রতিক্রিয়া হত। অতিরিক্ত উত্তেজিত হয়ে পড়তেন বলেও জানান তারা।

তবে কোকাকোলা কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, মিস হ্যারিসের মৃত্যুতে তাদের পণ্যের কোনো দায় আছে তার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

কিন্তু পরীক্ষক ক্রিরার মনে করেন, কোমল পানীয় কোম্পানিগুলোর উচিত তাদের চিনি ও ক্যাফেইন যুক্ত পানীয় অতিরিক্ত পান করার বিষয়ে ক্রেতাদের পরিষ্কারভাবে সতর্ক করা ।

11/06/2014

স্বাস্থ্যসেবা নয়, বরংচ স্বাস্থ্য সচ?

30.03.2013
30/03/2013

30.03.2013

10/03/2013

নবজাতক কি যথেষ্ট দুধ পাচ্ছে? মায়েরা সারাক্ষণ এই উদ্বেগের মধ্যে থাকেন। তাঁর শিশুটি বোধ হয় ঠিক মতো দুধ পাচ্ছে না। এ জন্য হয়তো শিশু রাত জাগে, কাঁদে ও বিরক্ত করে। অনেক সময় আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীরা শিশুকে দেখতে এসে মন্তব্য করে বসেন, ‘এ তো দেখি বড়ই হচ্ছে না। চোখ-মুখ বসে আছে।’ এসব মন্তব্যে দিশেহারা হয়ে মা তখন একটি বড় ভুল করে বসেন। তাহলো বাচ্চাকে তোলা দুধ খাওয়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। এতে শিশুকে ঠেলে দেয় আরও অপুষ্টি, সংক্রমণ ও রোগবালাইয়ের দিকে। তাই কান কথা না শুনে প্রতিটি মায়ের উচিত নিজের সন্তানের প্রয়োজন নিজে উপলব্ধি করতে শেখা।
—শিশুর উজ্জ্বল ত্বক, সজাগ মনোভাব, হাত-পা ছোড়াছুড়ি বা চনমনে থাকা সঠিক পুষ্টির লক্ষণ। রাত জাগা বা কান্না মানেই শিশু পুষ্টি পাচ্ছে না, তা নয়।
—খাওয়ানো শেষে আগেকার ভারী বোধ হওয়া স্তন অনেকটাই হালকা ও খালি বোধ হচ্ছে কি না, খেয়াল করুন।
—দুধ খাওয়ানোর জন্য শিশুকে নিজের শরীরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে স্তনবৃন্তের অনেকটা অংশ শিশুর মুখে ঢুকিয়ে দিতে হয়। স্বাস্থ্যকর্মীর কাছ থেকে দুধ খাওয়ানোর সঠিক পদ্ধতি জেনে নিন আগেই।
—শিশু দুধ খাওয়ার সময় গভীরভাবে লক্ষ্য করুন, তার ঢোঁক গেলার শব্দ শোনা যাচ্ছে কি না বা দৃশ্যত তাকে আরামে গিলতে দেখা যাচ্ছে কি না।
—শিশুর তিন-চার দিন বয়স থেকে ২৪ ঘণ্টায় ছয় থেকে আটবার প্রস্রাব করার কথা। প্রথম চার থেকে সাত দিন ২৪ ঘণ্টায় কমপক্ষে দুই থেকে পাঁচবার পায়খানা করলেও বোঝা যাবে যে সে পর্যাপ্ত দুধ পাচ্ছে।
—চার দিনের পর থেকে সপ্তাহে সুস্থ শিশুর চার থেকে সাত আউন্স ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার কথা।

সূত্র: বাংলাদেশ ব্রেস্ট ফিডিং ফাউন্ডেশন।
কৃতজ্ঞতাঃ প্রথম আলো।

17/01/2013

Types of Headache.

31/12/2012
By Health Is Wealth
11/11/2012

By Health Is Wealth

স্বাস্থ্য রক্ষায় রসুন !!চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক বলে পরিচিত হিম্পোক্রিটস মানবদেহের ক্যান্সার, ঘা, কুষ্ঠ সারাতে, রোগ সংক্রমণ...
05/11/2012

স্বাস্থ্য রক্ষায় রসুন !!

চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক বলে পরিচিত হিম্পোক্রিটস মানবদেহের ক্যান্সার, ঘা, কুষ্ঠ সারাতে, রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধ ও পরিপাকতন্ত্রের হজমজনিত সমস্যা দূর করতে রোগীদের রসুন খাওয়ার পরামর্শ দিতেন। শুধু তাই নয়, আধুনিক ভেষজ চিকিৎসকরাও সর্দি, কাশি, জ্বর, ফ্লু, ব্রঙ্কাইটিস, কৃমি, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ, খাদ্য পরিপাকের সমস্যাসহ লিভার ও পিত্তথলির নানা উপসর্গ দূর করতে রসুন খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, একটি মাঝারি সাইজের রসুনে ১ লাখ ইউনিট পেনিসিলিনের সমান অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যক্ষমতা রয়েছে। শুধু তাই নয়, ব্যাকটেরিয়া ও প্রোটোজোয়ার মাধ্যমে সৃষ্টি অ্যামিবিক ডিসেনট্রি নির্মূলের ক্ষেত্রে রসুন বেশ কার্যকরী। আর তাই শরীরের রোগ সংক্রমণ দূর করার জন্য একসাথে তিন কোয়া রসুন দিনে তিন থেকে চারবার চিবিয়ে খান। রক্তের চাপ ও রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর জন্য প্রতিদিন তিন থেকে দশ কোয়া রসুন খেতে পারেন। তা ছাড়া রসুনের জল সেবন করতে হলে ছয়কোয়া রসুন পিষে এককাপ ঠাণ্ডা পানিতে ৬ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ভালোভাবে ছেঁকে রসুন জল সেবন করুন। উচ্চরক্তচাপ ও রক্তের কোলেস্টরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগ প্রতিরোধে রসুনের ভূমিকা অপরিসীম। এটি প্রমাণের জন্য বিজ্ঞানীরা একদল লোকের প্রত্যেককে দৈনিক চার আউন্স পরিমাণ মাখন খেতে দিয়েছিলেন। মাখন খাওয়ার ফলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক। তারপর এ দলের অর্ধেককে একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় রসুন খাওয়ন হলো। রসুন খাওয়ার পর মাখন গ্রহণকারীদের রক্তের কোলেস্টেরল পরীক্ষা করা হলো। ফলে দেখা গেল রসুন সেবনকারীদের রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা অন্যদের চেয়ে শতকরা সাত ভাগ কম। পাশাপাশি হৃদরোগ কমানোর জন্য রসুন রক্তনালীতে রক্ত জমাটবাধা প্রতিরোধে সাহায্য করে। আর তাই তো গবেষকদের অভিমত, রসুন রক্ত জমাট নিরোধী অ্যাসপিরিনের মতোই শক্তিশালী।

রসুন কিভাবে খবেন?

রসুন খেতে হলে কাঁচা রসুন চিবিয়ে খেতে হবে। কারণ চিবিয়ে না খেলে রসুনের রাসায়নিক উপাদান এলিসিন নির্গত হবে না। কারণ এই এলিসিনই হচ্ছে শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক। রসুনের এই অ্যান্টিবায়োটিক ক্ষমতা কাজে লাগানোর জন্য কাঁচা রসুন চিবিয়ে খাওয়াই উত্তম।

সাবধানতা

যাদের শরীর থেকে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না, অতিরিক্ত রসুন খাওয়া তাদের জন্য বিপদ জনক। কারণ, রসুন রক্তের জমাট বাঁধার ক্রিয়াকে বাধা প্রদান করে। ফলে রক্তপাত বন্ধ হতে অসুবিধা হতে পারে। তা ছাড়া অতিরিক্ত রসুন শরীরে এলার্জি ঘটাতে পারে। এসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত রসুন না খাওয়াই উত্তম। রসুন খাওয়ার ফলে পাকস্থলীতে অস্বস্তি বোধ করলে রসুন খাওয়া বন্ধ রাখুন। শিশুকে দুগ্ধদানকারী মায়েদের রসুন না খাওয়াই ভালো। কারণ রসুন খাওয়ার ফলে তা মায়ের দুধের মাধ্যমে শিশুর পাকস্থলীতে ঢুকে শিশুর যন্ত্রণার কারণ ঘটাতে পারে।

০ ডা. মোঃ রফিকুল বারী
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক, জুলাই ২৫, ২০০৯

এই শীতে তুলসী পাতা!!তুলসী সবুজ রঙের গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। তুলসীগাছের পাতা, বীজ, ডালপালা—সবকিছুই মানুষের উপকারে লাগে। এই শীত...
05/11/2012

এই শীতে তুলসী পাতা!!

তুলসী সবুজ রঙের গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। তুলসীগাছের পাতা, বীজ, ডালপালা—সবকিছুই মানুষের উপকারে লাগে। এই শীতে সর্দি, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, জ্বরজ্বর ভাব দূর করার জন্য তুলসী পাতার রস ভীষণ উপকারী। তুলসী পাতা গরম পানিতে সেদ্ধ করে সেই পানিতে গড়গড়া করলে মুখ ও গলার রোগজীবাণু মরে, শ্লেষ্মা দূর হয়, মুখের দুর্গন্ধও চলে যায়। তুলসী পাতা কয়েক ফোঁটা মধু বা লেবুর রস মিশিয়ে চিবিয়ে খেলে ফুসফুস, কণ্ঠনালি, দাঁতের গোড়া, মাড়ি ভালো থাকে। তুলসী পাতার রস পেট ব্যথা, পেটের বা পাকস্থলীর রোগজীবাণুকে দূর করে, রক্ত পরিষ্কার করে এবং তারুণ্য ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ম্যালেরিয়া জ্বরে তুলসী পাতা খেলে জ্বর দ্রুত ভালো হয়। ত্বকের লাবণ্য রক্ষার্থে, অ্যাসিডিটি, কোষ্ঠকাঠিন্য, ক্ষুধামান্দ্য, বদহজম দূর করতে তুলসী পাতার ভূমিকা অপরিহার্য। তুলসী চা শারীরিক ও মানসিক অবসাদ দূর করে, মস্তিষ্কে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়। ফলে মানুষের কর্মক্ষমতা বেড়ে যায়, রোগ-প্রতিরোধশক্তি দ্বিগুণ হয়। উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল কমিয়ে হূৎপিণ্ডের রক্ত সরবরাহের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। হাড়ের গাঁথুনিতে ব্যথা দূর করে এবং শরীরের কাটাছেঁড়া দ্রুত শুকাতে অবদান রাখে। তুলসীগাছের বীজও যথেষ্ট দরকারি। তুলসীর বীজ শুকিয়ে মিহি করে খেলে প্রস্রাবের ইনফেকশনজনিত সমস্যা ভালো হয়, জননতন্ত্রের অসুবিধা দূর হয়। পুরুষত্বহীনতা দূরীকরণে এই পাতার অবদান অপরিহার্য।
এই ঠান্ডা মৌসুমে ছোট বাচ্চাদের তুলসী পাতা খাওয়ালে কৃমি দূর হবে এবং মাংসপেশি ও হাড় হবে শক্তিশালী। বহুবিধ ব্যবহারের জন্য তুলসী পাতাকে বলা হয় ‘কুইন অব হার্ব’ বা ওষধি গাছের রানি। এই ওষধি পাতা শুধু শীতকাল নয়, ১২ মাসই ব্যবহারের উপযোগী। তুলসীগাছের বাতাসও যথেষ্ট উপকারী। তাই সম্ভব হলে বাসার ব্যালকনিতে বা ফুলের টবে অন্তত একটি তুলসীগাছ লাগান।

Address

Dhaka Cantonment
Dhaka
1206

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health Is Wealth posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share