গয়হাটা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র, নাগরপুর,টাঙ্গাইল।

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • গয়হাটা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র, নাগরপুর,টাঙ্গাইল।

গয়হাটা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র, নাগরপুর,টাঙ্গাইল। আপনার সুস্বাস্থ্যই আমাদের কাম্য স্বাস্থ্য বিষয়ক সকল সমস্যা ও তার সমাধান।

সার্জারিতে যে সুতা ব্যবহার করা হয়: মোট ৪টি সুতা১. Cutgut      ২. Vicryl৩. Proline      ৪. Silkএদের মধ্যে ২টা Absorbable(...
13/04/2025

সার্জারিতে যে সুতা ব্যবহার করা হয়: মোট ৪টি সুতা
১. Cutgut ২. Vicryl
৩. Proline ৪. Silk
এদের মধ্যে ২টা Absorbable( মানে সেলাই করলে সুতা কাটতে হবে না) যা কসমেটিক সেলাই এ ব্যবহার করা হয়।

আর ২ টা হল Non -Absorbable ( যা দিয়ে সেলাই করলে সুতা বের করতে বা কাটতে হয়)

➡️* এখন কথা হলো আমারা এই ৪টা সুতা নিয়েই মাঝে মধ্যে চিন্তায় পরে যাই যে কোন ২টা সুতা Absorbable সুতা এই চিন্তা দুর করতেই
surger word এ Absorbable & Non Absorbable,,,,,

➡️সুতা গুলো মনে রাখার সহজ সূত্র -( ABC)

*A----------------Absorbable
*B----------------vicryl
*c---------------catagut

তার মানে Absorbable সুতা ২টি vicryle & catagut
আর বাকি Non ------Absorbable 2টি silk & proline

এবার আশা করি Absorbable & Non --------- Absorbable সুতা নিয়ে আর কোন confusion নেই।

৭ বছর বয়সে র বাচ্চার পেটের ভিতর পায়খানা জমে শক্ত হয়ে এনাকোন্ডা (এক ধরনের বড় সাপ) র মতো হয়ে আছে। বাচ্চাকে অপারেশন করে এই ...
23/02/2025

৭ বছর বয়সে র বাচ্চার পেটের ভিতর পায়খানা জমে শক্ত হয়ে এনাকোন্ডা (এক ধরনের বড় সাপ) র মতো হয়ে আছে। বাচ্চাকে অপারেশন করে এই পায়খানা পরিষ্কার করতে হয়েছে।
বাচ্চা ২/৩ দিন কম খেলে সমস্যা নাই, কিন্তু প্রতিদিন পায়খানা না করলে অবশ্যই সমস্যা।
বাবা মা র জন্য উপদেশ -
১। বাচ্চাকে পানি ও তরল খাবার বেশি দিবেন।
২। দুধ ও দুধ জাতীয় খাবার কম দিবেন।
৩। বাইরের খাবার কম দিবেন।
৪। শাক সব্জি ও সিজনাল ফল খাওয়াবেন।
৫। ব্লেন্ড করা খাবার কম দিবেন, বাচ্চাকে খাবার চিবিয়ে খেতে উৎসাহিত করবেন।

Provat Sutradhar Aditya

আসন্ন/চলমান তাপ দাহ প্রবাহে আসুন সকলে সতর্কতা অবলম্বন করি... 🙏
17/04/2024

আসন্ন/চলমান তাপ দাহ প্রবাহে আসুন সকলে সতর্কতা অবলম্বন করি... 🙏

 #জলাতঙ্ক টিকার খুঁটিনাটিঃযেসব প্রাণী থেকে জলাতঙ্ক জীবাণু ছড়ায়* গৃহপালিত: কুকুর, বিড়াল* গৃহ-পরিবেষ্টিত: গরু, মহিষ, ছাগল,...
07/12/2023

#জলাতঙ্ক টিকার খুঁটিনাটিঃ

যেসব প্রাণী থেকে জলাতঙ্ক জীবাণু ছড়ায়
* গৃহপালিত: কুকুর, বিড়াল

* গৃহ-পরিবেষ্টিত: গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, শূকর, গাধা, ঘোড়া, উট

* বন্য: শেয়াল, বানর, নেকড়ে, বাদুড়, ইঁদুর, কাঠবিড়ালি, বেজি, চিকা, বনবিড়াল, খরগোশ

জীবাণুর সংস্পর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা
ক্যাটাগরি ১: পশু যদি শুধু স্পর্শ করে বা অক্ষত চামড়ায় লেহন করে, তবে কিছু করতে হবে না।

ক্যাটাগরি ২: আঁচড়, রক্তপাতহীন ছুলে গেলে চামড়ার যত্ন নেওয়া এবং টিকা নিতে হবে।

ক্যাটাগরি ৩: চামড়া ভেদ করা কামড়, ছুলে যাওয়া চামড়া কিংবা দেহাভ্যন্তরে লেহন, মুখমণ্ডল বা পিঠে মেরুদণ্ডের কাছাকাছি আঁচড়, রক্তখেকো বাদুড়ের আঁচড়ে চামড়ার যত্ন, টিকা ও ইমিউনোগ্লোবিন ইনজেকশন নেওয়া লাগবে।

চামড়ার যত্নে করণীয়
* তীব্র জলের ঝাঁপটায় ধুয়ে ফেলুন।

* সাবান, জীবাণুনাশক ব্যবহার করুন।

* গভীর ক্ষত হয়ে গেলে আক্রান্ত স্থানে ক্যাটাগরি ৩-এর ব্যবস্থা নিতে হবে।
চামড়ার যত্নে বর্জনীয়

* হাত দিয়ে সরাসরি স্পর্শ করবেন না।

* মাটি, কয়লা, তেল, চক লাগাবেন না।

* সেলাই, বৈদ্যুতিক কটারি (পুড়িয়ে দেওয়া) করবেন না। প্রয়োজনে সেলাই লাগলেও একটু আলগা করে করতে হবে।

* টিকা ও ইমিউনোগ্লোবিন একই সিরিঞ্জে দেওয়া যাবে না। ইমিউনোগ্লোবিন দেওয়ার আগে ত্বক পরীক্ষা (স্কিন টেস্ট) করে নেওয়া উচিত।

টিকার ধরন এবং ডোজ
জলাতঙ্কের দুই ধরনের টিকা রয়েছে। একধরনের টিকা মাংসপেশিতে (শুধু বাহুতে) এবং অন্যটি চামড়ায় দিতে হয়। চামড়ায় দেওয়া টিকা বেশি কার্যকর, কম খরচ হলেও প্রশিক্ষিত জনবলের অভাবে মাংসপেশির টিকাই বেশি প্রচলিত।

আগে কিংবা গত পাঁচ বছরে টিকা দেওয়া হয়নি, এমন ব্যক্তি বা শিশুর জন্য ডোজ: ০ (কামড় নয়, টিকা দেওয়ার দিন), ৩, ৭, ১৪ ও ২৮তম দিন। আরেকটি সূচি হচ্ছে ০তম দিনে দুই বাহুতে ২টি টিকা এবং ৭ ও ২১তম দিনে ১টি করে টিকা।

* পশু আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে অন্তত ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই টিকা নিয়ে নেওয়া উচিত।

* কোনো কারণে ইমিউনোগ্লোবিন পাওয়া না গেলে (ক্যাটাগরি ৩) ০তম দিনে দুই বাহুতে ২ টিকা নিতে হবে। ৩, ৭, ১৪ ও ২৮তম দিনে নিয়ে ডোজ পূর্ণ করতে হবে।

* পাঁচ বছরের মধ্যে টিকা নেওয়া থাকলে ০ ও তৃতীয় দিনে বুস্টার টিকা নিলেই হবে।

* ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তির ক্ষেত্রে কামড়ের আগেই টিকা—০ ও তৃতীয় দিন; এরপর আক্রান্ত হলে ০, ৭ ও ২১/২৮তম দিন।

* শুধু গৃহপালিত কুকুর ও বিড়ালের কামড়ের পর যদি সেই প্রাণী পরবর্তী ১০ দিন সম্পূর্ণ সুস্থ থাকে, তবে ১৪ ও ২৮তম দিনের টিকা না দিলেও হবে।

একটি কথা বলা উচিত, জলাতঙ্ক মস্তিষ্কের এমন একটি গুরুতর অসুখ, যেটা প্রতিরোধের জন্য কোনো ধরনের অবহেলা করা যাবে না। অন্তঃসত্ত্বা, স্তন্যদানকারী মা, নবজাতক শিশু, অতিবয়স্ক ব্যক্তিও টিকা নিতে পারবেন। কোনো রকম সন্দেহ, প্রশ্ন থাকলেও অসুখের ভয়াবহতা বিবেচনা করে টিকা নিয়ে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

সূত্রঃ
ডা.আহাদ আদনানরেজিস্ট্রার (শিশু বিভাগ), শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট (আইসিএমএইচ), মাতুয়াইল, ঢাকা
প্রকাশ: ২৫ জানুয়ারি ২০২২

29/04/2022

🍁প্রশ্ন: আনারস আর দুধ এক সাথে খেলি কি আসলেই মানুষ মরে?

✅উত্তর:
আরনাস আর দুধ একসাথে খেলে মানুষ মরে এটা একেবারেই ভুল ধারনা বা গুজব, গুজব এবং গুজব।
প্রচলিত কুসংস্কার।

⛳ আনারস টক জাতীয় ফল,এতে এক ধরনের এনজাইম থাকে, টক জাতীয় ফলে যেমন এসিড থাকে তেমন আনারসেও থাকে।
দুধের মধ্যে টক জাতীয় জিনিস ফেললে যেমন ছানা হয়ে যায় বা দুধ ফেটে যায়, তেমনি আনারস+দুধ এস সাথে খেলে ঠিক এমনটাই ঘটে। এর ফলে হজমে সমস্যা,পাতলা পায়খানা বা পেটে ব্যথা, বমি ভাব/ বমি হতে পারে এই যা এর জন্যে কেউ মারা যাবে তা একেবারেই ভুল।

সমাধানঃ
-----
🌾 হজমের এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আনারস খাওয়ার ২-৩ ঘন্টা পরেই দুধ খেলেই হবে। বিশেষ করে দুধ ফুটিয়ে খেলে এই বদহজমের সমস্যাটি নাও হতে পারে।

 #প্রসোবত্তর_বিষন্নতাঃ(মা-বাবার হাতে সদ্যপ্রসূত অথবা ছোট শিশুর মৃত্যু)আমরা অনেক সময় খবরের কাগজ  বা টিভিতে দেখতে পাই যে,...
28/01/2022

#প্রসোবত্তর_বিষন্নতাঃ
(মা-বাবার হাতে সদ্যপ্রসূত অথবা ছোট শিশুর মৃত্যু)

আমরা অনেক সময় খবরের কাগজ বা টিভিতে দেখতে পাই যে, মা-বাবার দ্বারা তাদের সদ্যজাত বা কম বয়সী শিশুর খুন হয়। গ্রাম এলাকায় এর পেছনের কারণ হিসেবে বলা হয় জিনে ধরা বা পারিবারিক কলহ ইত্যাদি কিন্তু 80% কেস খতিয়ে দেখলে যে কারণ পাওয়া যাবে তা হচ্ছে প্রসোবোত্তর বিষন্নতা। এই সিন্ড্রোমটি অনেকটা নিরবঘাতক এবং অধিকাংশ মানুষেরই অজানা।

🔴প্রসোবত্তর বিষন্নতার কারণঃ

নতুন মা বা বাবা উভয়ই এই সিন্ড্রোমটির স্বীকার হতে পারে,তবে মায়েদের ক্ষেত্রেই আক্রান্তের হার বেশি। মূলত, বাচ্চা গর্ভে ধারণ থেকে শুরু করে প্রসব পর্যন্ত প্রায় এক বছর মায়েরা প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে বাচ্চার সাথে যুক্ত থাকে এটাই তাদের আক্রান্ত হওয়ার কারণ। প্রসবোত্তর বিষন্নতার কারণ শারিরীক, মানসিক, জিনগত, সামাজিক নানা সমস্যার সমন্বয়। এছাড়াও হরমোনাল পরিবর্তন এবং অনিদ্রা বিষন্নতার সৃষ্টি করতে পারে।

মায়েদের ক্ষেত্রে, শিশুর জন্মের এক সপ্তাহ থেকে এক মাসের মধ্যে এবং বাবাদের ক্ষেত্রে, প্রসবের ৩-৬ মাসের মধ্যে এই মুড ডিসঅর্ডারটির সূচনা হয়। পূর্বের প্রসব পরবর্তী বিষণ্নতা, পরিবারের মানসিক বিষন্নতার ইতিহাস, মানসিক চাপ, শিশু জন্মের সময় জটিলতা, সহায়তার অভাব অথবা ঔষধ ব্যবহার জনিত ব্যাধি ইত্যাদি কারণেও বিষন্নতাটির সৃষ্টি হতে পারে। যদিও প্রসোবত্তর বিষন্নতার মূল কারণ এখনোও নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। নতুন মা যখন ডিপ্রেশনে ভোগে তখন বাবারও হতাশায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

🔴লক্ষণঃ-

একজনের লক্ষণের উপর ভিত্তি করে তার বিষন্নতা হয়েছে কিনা তা নির্ণয় করা হয়। যদিও বেশিরভাগ মহিলাই প্রসবের পরে কিছু সময়ের জন্য উদ্বেগ বা অস্বস্তি অনুভব করেন, যদি লক্ষণগুলি গুরুতর হয় এবং দু সপ্তাহের বেশি সময় ধরে থাকে তখন তাকে প্রসব পরবর্তী বিষণ্নতা বলে সন্দেহ করা যায়।

🔹আবেগপ্রবণ
🔹স্থায়ী বিষণ্ণতা, উদ্বিগ্নতা বা “খালি” লাগা
🔹প্রচন্ড মানসিক দোলাচল
🔹হতাশা, বিরক্ত হওয়া, অস্থিরতা, রাগ
🔹হতাশা বা অসহায় বোধ করার অনুভূতি
🔹দোষী মনে হওয়া, লজ্জায় থাকা, অপদার্থ মনে হওয়া
🔹নিজের প্রতি শ্রদ্ধা কম হওয়া
🔹হতবুদ্ধি অবস্থা, শূন্যতা, অবসাদ
🔹সান্ত্বনা গ্রহণ করতে না পারা
🔹শিশুর সঙ্গে বন্ধনে সমস্যা
🔹শিশুর যত্ন নিতে অপর্যাপ্ত বোধ করা
🔹স্বাভাবিক কাজে অনাগ্রহ বা পরিতোষের অভাব
🔹ক্ষমতার অভাব
🔹যৌন ইচ্ছার অভাব
🔹ক্ষুধাবোধে পরিবর্তন
🔹অবসাদ, শক্তি এবং প্রেরণা কমে যাওয়া
🔹নিজস্ব যত্নে অবহেলা করা
🔹সামাজিক দিক থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়া
🔹অনিদ্রা বা অত্যধিক ঘুম

🟣চেতনাঃ

🔹সিদ্ধান্ত নেওয়ার এবং পরিষ্কারভাবে চিন্তা করার ক্ষমতা হ্রাস,
🔹মনোযোগের অভাব এবং স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া,
🔹শিশুর যত্ন নিতে অপারগ মনে করা বা শিশুকে ভয় করা,
🔹নিজের, শিশুর বা সঙ্গীর ক্ষতি সম্পর্কে চিন্তিত হয়ে থাকা।

🟣শিশুর উপর প্রভাবঃ

🔸প্রসব পরবর্তী বিষণ্ণতা, স্বাভাবিক মা-শিশু বন্ধনে প্রভাব ফেলতে পারে এবং শিশুর উন্নয়নে স্বল্প মেয়াদী বা দীর্ঘস্থায়ী বিরূপ প্রভাব ফেলে। প্রসব পরবর্তী বিষণ্ণতার ফলে সন্তানের দেখাশোনার প্রতি অসঙ্গতিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন। এই দেখাশোনায় অসঙ্গতি সন্তানের খাওয়ার সময়ে, ঘুমের সময়ে, এবং স্বাস্থ্যের প্রতি দৃষ্টি রাখার সময়ে লক্ষ্য করা যায়।প্রসবোত্তর হতাশায় আক্রান্ত মায়েদের বাচ্চাদের ঘুম এবং খাওয়া, স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কাঁদা এবং ভাষার বিকাশে বিলম্ব হওয়ার সমস্যা বেশি থাকে।

🔸কিছু বিরল ক্ষেত্রে, প্রায় ১ থেকে ২ (প্রতি ১,০০০ জনে) প্রসব পরবর্তী বিষণ্ণতা দেখা দেয় প্রসব পরবর্তী মানসিক ব্যাধি হিসেবে। অথবা পূর্ববর্তী মানসিক হাসপাতালে ভর্তির ইতিহাস সহ মহিলাদের মধ্যে, শিশুহত্যা দেখা যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক রিপোর্ট অনুযায়ী প্রায় প্রতি ১,০০,০০০ শিশুজন্মের মধ্যে ৮ জন শিশুহত্যার ঘটনার একটি মূল কারণ হচ্ছে প্রসব পরবর্তী বিষণ্ণতা।বাংলাদেশে এই জরিপ করা হয়নি এখনো কিন্তু জরিপ করা হলে শিশু হত্যার সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রের থেকে মোটেও কম হবে না।

🟣প্রসব পরবর্তী নবজাতক মায়েরা যে ৫ ধরনের মানসিক সমস্যায় ভুগে থাকেনঃ

🔸১. বেবি ব্লু (Baby Blue)
🔸২. পোস্টপার্টাম সাইকোসিস (Postpartum Psychosis)
🔸৩. পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন (Postpartum Depression)
🔸৪. পোস্টপার্টাম এনক্সাআইটি (Postpartum Anxiety)
🔸৫. পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার (Post-Traumatic Stress Disorder)

🔴প্রসবোত্তর হতাশা প্রতিরোধঃ

আপনার যদি হতাশার ইতিহাস থাকে এবং আপনি গর্ভবতী হয়ে গেছেন বা আপনি যদি গর্ভবতী হওয়ার পরিকল্পনা করছেন তবে আপনার ডাক্তারকে জানান।

গর্ভাবস্থায় আপনার ডাক্তার আপনাকে লক্ষণগুলির জন্য নিরীক্ষণ করতে পারেন। আপনি কাউন্সেলিং বা অন্যান্য থেরাপির মাধ্যমে হালকা হতাশার লক্ষণগুলি বের করতে পারবেন। আপনার গর্ভবতী হওয়ার পরেও আপনার ডাক্তার ওষুধ লিখে দিতে পারেন।
আপনার সন্তানের জন্মের পরে, আপনার চিকিৎসক হতাশার লক্ষণগুলির জন্য প্রাথমিক প্রসবোত্তর চেকআপের পরামর্শ দিতে পারে। আপনি যত তাড়াতাড়ি আপনার বিষন্নতা নির্ণয় করবেন, তত জলদি চিকিৎসা শুরু করতে পারবেন। আপনার যদি প্রসবোত্তর হতাশার ইতিহাস থাকে তবে আপনার চিকিৎসক শিশু হওয়ার সাথে সাথে চিকিৎসার পরামর্শ দিতে পারেন।

🔴এখানের কয়েকটি টিপস যা আপনাকে সহায়তা করতে পারেঃ

🔹নিজের এবং শিশুর জন্য আপনার প্রত্যাশা সম্পর্কে বাস্তববাদী হন।
🔹 অনুশীলন করুন, আপনার চিকিৎসকের বিধিনিষেধ মেনে চলুন; হাঁটুন, এবং ছুটির দিন ঘর থেকে বেরিয়ে যান।
🔹অ্যালকোহল এবং ক্যাফিন ছাড়ুন।
🔹আপনার সঙ্গীর সাথে সম্পর্ক বাড়িয়ে তুলুন – একে অপরের জন্য সময় তৈরি করুন।
🔹পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ রাখুন – নিজেকে বিচ্ছিন্ন করবেন না।
🔹আপনার বাড়িতে দর্শকদের সংখ্যা সীমাবদ্ধ করুন।
🔹আপনার বাচ্চা যখন ঘুমায় তখন ঘুমোন বা বিশ্রাম করুন।

প্রসব পরবর্তী বিষন্নতা কোনো লজ্জাজনক পরিস্থিতি নয়, ক্ষেত্র বিশেষে এটি মারাত্মক হতে পারে। আপনার ঘরের পাশেই আপনি সাহায্য পেতে পারেন। সাহস করে এগিয়ে আসুন আপনাকে সাহায্যের জন্য অনেকে আছেন আপনাকে সাহায্যের জন্য উন্মুখ।
প্রসব পরবর্তী বিষন্নতা যেহেতু ছেলেদেরও হয় তাই তাদেরও এই বিষয়টি নিয়ে জানতে হবে। মানসিক স্বাস্থ্য কোনো লজ্জাজনক অধ্যায় নয়, বরং আমাদের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটা অধ্যায়। আসুন আমরা মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হই।

(কালেক্টেড)

গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট একটি জোক ২থেকে ১৫মিলি লিটার রক্ত শুষতে পারে। সেই সঙ্গে  মুখ থেকে লালা মিশিয়ে রক্তে দেয়। যাতে হিরুডিন,...
23/09/2021

গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট
একটি জোক ২থেকে ১৫মিলি লিটার রক্ত শুষতে পারে। সেই সঙ্গে মুখ থেকে লালা মিশিয়ে রক্তে দেয়। যাতে হিরুডিন,ক্যালিত্রুেইন,ক্যালিনের মতো কিছু উৎসেচক থাকে।যা রক্তের দূষণ দূর করতে সাহায্য করে।

জোক শরীরে পচনশীল অংশে দূষিত রক্ত দ্রুত শুষে নিয়ে নতুন রক্ত সঞ্জালনের সাহায্য করে। এমনকি রক্তের শর্করার মাএা নিয়ন্ত্রণে রাখে।জোকর শরীর থেকে ডেস্টাবিলেস্ট নামে এক ধরনের প্রোটিন প্রবেশ করে মানুষের দেহে। যা বহু জেদি জীবাণুকে মেরে ফেলে।
জয়েন্ট পেইনেও দারুণ কাজ করে জোক থেরাপি। ব্যাথার জায়গায় কিছুক্ষণ জোক রাখলে রক্ত সরবরাহের উন্নতি হয়।

"জোক দেখেও পাস না ভয়"
জোকের কামড়ে উপকার হয়"....!!

কালেক্টেড

01/06/2021

দেশে শনাক্ত হয়েছে প্রাণঘাতী ব্ল্যাক ফাঙ্গাস। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে মৃত্যুহার প্রায় ৫০%

Atrophic Glossitis: A 64-year-old man presented to the oral medicine clinic with a painful, smooth, red tongue and a bur...
01/06/2021

Atrophic Glossitis:

A 64-year-old man presented to the oral medicine clinic with a painful, smooth, red tongue and a burning sensation around his lips that had developed 6 months earlier.

Physical examination revealed an atrophic, erythematous tongue with loss of the lingual papillae (Panel A).
No deficits were found on neurologic examination.

Laboratory results revealed a hemoglobin level of 13.7 g per deciliter (normal range, 13.1 to 16.6) and a mean corpuscular volume of 101.5 fl (reference range, 83.0 to 95.5).

The serum vitamin B12 level was less than 37 pmol per liter (50 pg per milliliter; reference range, 135 to 675 pmol per liter [180 to 910 pg per milliliter]).
The serum folate level was normal. Test results for anti–intrinsic factor autoantibodies were positive, with a titer of 60 U per millimeter, and the titer for antigastric parietal-cell autoantibodies was 16 U per milliliter (both titers are considered negative at levels of

28/04/2021
💞💞💞হৃদয়ের কথা(জন্মগত হৃদরোগ)💘💘💘💘💘💘💘💘💘💘💘💘💘💘💘💘আপনি-তিনি-আমরা সবাই এক প্রাকৃতিক কারণেই এসেছি এই বসুন্ধরার মাঝে। কিন্তু সবার...
02/03/2021

💞💞💞হৃদয়ের কথা(জন্মগত হৃদরোগ)
💘💘💘💘💘💘💘💘💘💘💘💘💘💘💘💘
আপনি-তিনি-আমরা সবাই এক প্রাকৃতিক কারণেই এসেছি এই বসুন্ধরার মাঝে। কিন্তু সবার আগমন সুখের হয় না। কেউবা জন্মের সাথে সাথেই নিয়ে আসে মৃত্যুর পরোয়ানা। আনন্দ-উজ্জ্বল পরমায়ুর পরিবর্তে, জন্মের পূর্বেই দাঁতাল যমদূত বাসা বাঁধে হৃদয়ের কোটরে।

👉এক সমীক্ষায় জানা গেছে, বিগত তিন বছরে সারা পৃথিবীতে যত শিশু জন্মেছে তার এক হাজার জনের মধ্যে ১২ জন শিশু জন্মগত হৃদরোগের শিকার।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে আমরা বলি কনজেনিটাল হার্ট ডিজিজ্ (Congenital Heart Disease)।
মাতৃগর্ভে ভ্রূণের বৃদ্ধির সময়েই এ রোগের বীজ বপন হয়।

♦️♦️♦️জন্মগত হৃদরোগ বিভিন্ন রকমের। কিছু রোগের তীব্রতা এমন হয় যে- জন্মের পরেই শিশু খুবই অসুস্থ হয়ে পড়ে; অনেক ক্ষেত্রে মারাই যায়। আবার অনেক সময় রোগী বেশ স্বাভাবিকভাবেই বড়ো হয়ে ওঠে। অসুখের কোনো লক্ষণ সচরাচর চোখে পড়ে না।

✅সামান্য পরিশ্রম বা খেলাধূলা করলে শিশুর নিঃশ্বাসে কষ্ট,
✅কাশি-সর্দি ছাড়াই বুকে ব্যথা,
✅মাঝে মাঝে পা ফুলে যায়,
✅ফুসফুসে ঘন ঘন জীবাণুর আক্রমণ,
✅অল্প হাঁটাচলার পর পায়ে ব্যথা,
✅হাত ও দেহের তুলনায় পা অনেক ঠান্ডা,
✅নাক দিয়ে প্রায়ই খুব রক্ত পড়ে।
✅শিশুর ঠোঁট-জিভ-নখ এসব নীলাভ দেখায়,
✅ছোট্ট বাচ্চা কাঁদলে নীল হয়ে যায়।

হ্যাঁ, এসব লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই কার্ডিওলজিস্টের সঙ্গে পরামর্শ করুন। কারণ এর কোনো একটি জন্মগত হৃদব্যাধির উপসর্গ হতে পারে।

💖💖কনজেনিটাল হার্ট ডিজিজকে আমরা সাধারণত দু’ভাগে ভাগ করতে পারি-

✅(১) যে সব রোগে শিশু নীল হয় না বা কনজেনিটাল নন-সায়ানোটিক ডিজিজ্ (Congenital Non-Cyanotic disease)
✅(২) যে সব রোগে শিশু নীল হয়ে যায় (‘ব্লু বেবী’) বা কনজেনিটাল সায়ানোটিক ডিজিজ্ (Congenital Cyanotic disease)।


💖💖💖💖 যে সব রোগে শিশু নীল হয় না তা হলো-

✅(ক) আন্তঃ অলিন্দ পর্দার ছিদ্র বা এট্রিয়াল সেপ্টাল ডিফেক্ট সংক্ষেপে এ.এস.ডি (Atrial Septal Defect- A.S.D),

✅(খ) আন্তঃনিলয় পর্দার ছিদ্র বা ভেন্ট্রিকিউলার সেপ্টাল ডিফেক্ট সংক্ষেপে ভি.এস.ডি.(Ventricular Septal Defect-V.S.D.),

✅(গ) ফুসফুসীয় ও মহাধমনী যুক্ত বা পারসিসটেন্ট ডাক্টাস আর্টোরিওসাস সংক্ষেপে পি.ডি.এ. (Persistant Ductus Arteriosus-P.D.A.),

✅(ঘ) মহাধমনী সরু হওয়া বা কোয়ার্কটেশন অফ্ অ্যাওর্টা (Coarctation of Arota) প্রভৃতি।

💘💘💘অ্যাট্রিয়াল সেপ্টাল ডিফেক্টঃ-
এই অসুখ মেয়েদের মধ্যেই বেশী। ডান ও বাম অলিন্দ দুটির মাঝে যে প্রাচীর থাকে, এক্ষেত্রে তাতে ছিদ্র হয়ে যায়। আমরা জানি মহাশিরার মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে কার্বন-ডাই অক্সাইড পূর্ণ রক্ত ডান অলিন্দে আসে। আর ফুসফুসীয় ধমনীর মধ্য দিয়ে অক্সিজেন যুক্ত রক্ত আসে বাম অলিন্দে। এই দু’ধরনের রক্ত যাতে না মেশে তার জন্যই রয়েছে আন্তঃ অলিন্দ প্রাচীর। এ দেওয়ালে ছিদ্র হলে অশুদ্ধ ও বিশুদ্ধ রক্ত মিশে যায়। এই ব্যাধি জন্মগত হলেও এর লক্ষণগুলি দেখা দেয় যৌবন কালে। জন্মগত হৃদরোগীর ৭ থেকে ৮ শতাংশ এ রোগের শিকার।
ডাক্তার বাবুরা স্টেথোস্কোপ দিয়ে বুক পরীক্ষার সময় হার্টের অস্বাভাবিক শব্দ বা মার্মার (Murmur) শুনতে পান। এছাড়া এসব রোগীদের হার্টবিট অনেক সময় অনিয়মিত হয়, হৃৎস্পন্দনের ছন্দ পতন ঘটে। ফুসফুসে মাঝে মাঝেই জীবাণুর সংক্রমণ (Infection) দেখা দেয়। বুকের এক্স-রে করলে হৃদপিন্ড ও ফুসফুসীয় ধমনীর বড় হয়ে যাওয়া বোঝা যায়। এছাড়া ই.সি.জি. ও ক্রস সেকশনাল কার্ডিওগ্রাফি থেকে আরো বিস্তারিত খোঁজ খবর পাওয়া সম্ভব।
হার্টের অপারেশন (Open Heart Surgery) করে ছিদ্র বন্ধ করে দেওয়া যায়। হেমিওপ্যাথিক মতে লক্ষণ অনুসারে সাইলিসিয়া (Silicea), ক্যালকেরিয়া কার্ব (Calcaria Carb), থুজা (Thuja Oc.) দিয়েও চিকিৎসা করা যেতে পারে।

💘💘💘ভেন্ট্রিকিউলার সেপ্টাল ডিফেক্টঃ-
অলিন্দের মতো ডান নিলয়ে থাকে কার্বন-ডাই অক্সাইড পূর্ণ রক্ত ও বাম নিলয়ে থাকে অক্সিজেন যুক্ত রক্ত। দুই নিলয়ের মাঝের পর্দায় ছিদ্র হয়ে গেলে অশুদ্ধ ও বিশুদ্ধ রক্ত মিশে যায়। যেহেতু বাম নিলয় থেকে রক্ত মহাধমনীর সাহায্যে সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ে; তাই এখানে রক্তচাপ স্বভাবতই বেশি থাকে। নিলয়ের সংকোচনের সময় রক্ত বাম থেকে ডান নিলয়ে চলে আসে। আন্তঃনিলয় পর্দার ছিদ্র ছোট হলে তা শিশুর জন্মের কয়েক বছরের মধ্যে আপনা আপনি বন্ধ হয়ে যায়। যদি ছিদ্র বড় হয় তা নিয়ে দেখা যায় অনেক জটিলতা।
এক্ষেত্রে সামান্য পরিশ্রমে নিঃশ্বাসে কষ্ট, বুকে ব্যথা, হৃদয়ের অবসন্নতা ও হঠাৎই অজ্ঞান হয়ে যাওয়া (Synsope), কাশির সঙ্গে রক্ত ওঠা (Haemophysis), গলার শিরা ফুলে যাওয়া, লিভার বড় হওয়া, আরো কিছু উপসর্গ দেখা দেয়। জন্মগত হার্ট ডিজিজের ৬ থেকে ৮ শতাংশ এ রোগের রুগী। এ রোগের চিকৎসা মোটামুটি ভাবে এ.এস.ডি-র মতোই।

💘💘💘কোয়ার্কটেশন অব্ অ্যাওটাঃ-
এই রোগের প্রবণতা মেয়েদের চেয়ে পুরুষের মধ্যে দ্বিগুন। মহাধমনীর যেখান থেকে ডাক্টাস আর্টেরিওসাস বের হয়, অর্থাৎ বাম সাবক্লেভিয়ান ধমনী (Subclavian Artery)-র উৎপত্তিস্থানের ঠিক নিচে হঠাৎই মহাধমনী সরু হয়ে পড়ে। এরফলে অনেক সময় সদ্যজাত শিশুর হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। শৈশব যদি ভালোয়-ভালোয় কাটে, তবুও ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সের পর আবার রোগের উপসর্গগুলি প্রকাশ পায়।
কোনরকম লক্ষণ ছাড়াই উচ্চরক্তচাপ, মাথাব্যথা, চলাফেরার পর পায়ে ব্যথা, হাতের তুলনায় পায়ে ব্লাডপ্রেশার অনেক কমে যাওয়া, পায়ের ধমনীস্পন্দন বা পালসবিট কমে আসা প্রভৃতি এ রোগের প্রাথমিক লক্ষন। অনেক সময় বুকের দিকে তাকিয়ে হৃৎস্পন্দন লক্ষ্য করা যায়। এসব রোগীদের ই.সি.জি. করলে জানা যায় যে, তাদের বাম অলিন্দ বড় হয়ে গেছে। জন্মগত হৃদরোগের ৭ শতাংশ এই রোগ। একে বংশগত রোগ বলে অনেক হৃদবিশেষজ্ঞ মনে করেন। অপারেশনের সাহায্যে শরীরের অন্য অংশ থেকে রক্তনালী কেটে এখানে জুড়ে দিয়ে বাইপাস গ্রাফটিং (Bypass Grafting) করা হয়। অনেক সময় অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করে সংকুচিত ধমনীকে প্রসারিত করা হয়ে থাকে। এছাড়া হোমিওপ্যাথিমতে লক্ষণ অনুসারে গ্লোনয়িন (Glonoin), অর্জুন মাদার দিয়েও চিকিৎসা করা যেতে পারে।

💘💘💘পারসিস্টেন্ট ডাক্টাস আর্টেরিওসাসঃ-
ভ্রূণ অবস্থাতেই হৃদযন্ত্রের কাজ শুরু হয়ে যায়। কিন্তু শিশু মাতৃগহ্বরে থাকা পর্যন্ত ফুসফুসের কোন কার্যকারী ভূমিকা থাকে না। সেময়ে একটি রক্তনালী দিয়ে ফুসফুসীয় ধমনীর সঙ্গে মহাধমনীর যোগাযোগ থাকে। জন্মের পর ফুসফুসের কাজ কারবার চালু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে স্বাভাবিকভাবে এপথ আপনা থেকেই বন্ধ হয়ে যায়। কোন কারণে এটি বন্ধ না হলে তাকে পি.ডি.এ. বলে। যেহেতু মহাধমনীর রক্তচাপ ফুসফুসীয় ধমনী থেকে বেশি সে কারণে মহাধমনী দিয়ে প্রবাহিত রক্তের ৫০ শতাংশ রক্ত আবার ফুসফুসীয় ধমনীতে ফিরে যায়।

এ রোগে কোন অসুবিধা হতেও পারে, আবার নাও পারে। নিঃশ্বাসের কষ্ট, পা ও গলার শিরা ফোলা, লিভার বড়ো হওয়া প্রভৃতি উপসর্গ দেখা যায়। কখনো এ অসুবিধা থেকে কনজেনটিভ হার্ট ফেলিওর ও ব্যাকটেরিয়াল এন্ডোকার্ডাইটিস হতে পারে। অপারেশন করে পি.ডি.এ. বেঁধে কেটে দেওয়া হয়।

💘💘যে সব হৃদরোগে শিশু নীল হয় তারমধ্যে প্রধান হল ফ্যালটস টেট্রালজি (Fallot’s Tetralogy)। এছাড়াও মহাধমনীর অস্বাভাবিক অবস্থান (Transposion of Aorta), পালমোনারী অ্যাট্রেসিয়া (Pulmonary Atresia), ট্রাইকাসপিড অ্যাট্রেসিয়া (Tricuspid Atresia) আরো কিছু রোগ আছে।

ফ্যালট্স্ টেট্রালজি:- আসলে এটি কোন একটি বিশেষ রোগ নয়। হৃদযন্ত্রের চার প্রকার ত্রুটিকে একসাথে এ নামে ডাকা হয়। ত্রুটিগুলি হল-
১) আন্তঃনিলয় পর্দার ছিদ্র (Venricular Septal Defect V.S.D.)
২) ফুসফুসীয় ধমনী সরু হওয়া (Pulmonary Stenosis)
৩) ডান নিলয়ের পেশীর বিবর্ধন (Right Ventricular Hypertrophy)
৪) ডান ও বাম নিলয় থেকে মহাধমনী উৎপন্ন হওয়া (Overriding of Aorta)
পৃথিবীতে যত শিশু জন্মায় তার দু’হাজার জনের মধ্যে একজন এ রোগের শিকার। জন্মগত হার্ট ডিজিজের ১০ শতাংশই এই রোগ। সাধারণত শৈশব থেকেই এ ব্যাধির উপসর্গগুলি দেখা যায়। নিঃশ্বাসে কষ্ট, ঠোঁট-জিভ-নখ-মুখ-পিঠ নীলচে দেখায়। কাঁদলে বাচ্চা একেবারে নীল হয়ে যায় (Cyanosis), হাতের আঙুলের নখের গোড়ার দিকের স্বাভাবিক বক্রতা নষ্ট হয়ে যায় (Clubbing) বা আঙুলের ডগা ফুলে ওঠে, শিশু সবসময় হাঁটুমুড়ে বসে থাকতে চায়, বাচ্চা কিছু সময়ের জন্য জ্ঞানহীন হয়ে পড়ে, হঠাৎ মত্যু এসব রোগীদের স্বাভাবিক ঘটনা। ই.সি.জি. ও বুকের এক্স-রে থেকে জানা যায় হৃদাবিবর্ধনের (Hypertrophy) খবর। তবে সঠিক রোগ নির্ণয়ের জন্য ইকোকার্ডিওগ্রাফি করা প্রয়োজন।
ওপেন হার্ট অপারেশন করে ত্রুটিগুলিকে সংশোধন করা হয়। তবে শল্যচিকিৎসার পরেও রোগীকে সারাজীবন বিভিন্ন বিধি নিষেধ মেনে চলতে হয়। এ রোগীকে কখনই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে দেখা যায় না।

ভ্রূণের বয়স পাঁচ সপ্তাহ হলেই তার হৃদপিন্ডের গঠন শুরু হয়ে যায়। তাই কনজেনিটাল হার্ট ডিজিজ্ রুখতে গর্ভাবস্থায় মায়ের স্বাস্থ্য, খাদ্য, আচার-আচরণ খুবই গুরত্বপূর্ণ।

জন্মগত হৃদ্রোগ রুখতে যে সব বিষয় নজর দেওয়া দরকার-
 গর্ভাবস্থায় মায়ের ভাইরাস ঘটিত রোগ, যেমন-রুবেলা বা জার্মান মিজিলস্ (German Measls) নামের একপ্রকার হামরোগ, জলবসন্ত (Chicken pox), মাম্পস (Mumps), জন্ডিস (Jaundice) প্রভৃতি না হয়। এসব রোগ প্রতিরোধের জন্য আগে থেকেই টিকা নেওয়া দরকার।
 মায়ের শরীরে কোন বিপাকীয় ত্রুটি (Matabolic disorder), যেমন- ডায়াবিটিস (Diabetes), থাইরয়েড গ্রন্থির ক্ষরণ কমে যাওয়া বা হাইপোথাইরয়ডিজম (Hypothyrosism) থাকলে তা গর্ভলাভের আগে থেকেই চিকিৎসা করা দরকার। গর্ভাবস্থায় ধূমপান ও মদ্যপান একদম বন্ধ করতে হবে।
 গর্ভাবস্থায় কিছু ওষুধ যেমন-লিথিয়াম, কার্টিকো স্টেরয়েড (Corticosteroid), ফিনোবারবিটোন খাওয়া চলবে না।
 গর্ভাবস্থায় প্লেনে চড়া, বেশি উঁচু জায়গায় যেমন-১০-১২ তলার ওপর, পাহাড়ী অঞ্চলে অর্থাৎ যারা সমতলে থাকেন তাদের গর্ভাবস্থায় শৈলশহরে বেশিদিন থাকা উচিত নয়।
 গর্ভবতী মায়ের সুষম পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়া।
 গর্ভাবস্থায় বার বার এক্স-রে না করা। এ সময় বিশেষ প্রয়োজন না হলে এক্স-রে, আলট্রাসাউন্ড ও রেডিও অ্যাকটিভ আইসোটোপ দিয়ে কোন অনুসন্ধান না করাই ভালো।
 এ সময় লাফ দেওয়া, এক নাগাড়ে অনেকক্ষণ হাঁটা উচিত নয়।
 গর্ভবতী মায়ের বেশি উৎকণ্ঠা ও উদ্বেগের মধ্যে দিন না কাটানো। বিশেষত হঠাৎ চমকে উঠলে পেটের পেশি সংকুচিত হয় ও গর্ভস্থ ভ্রূণের ওপর চাপ পড়ে। পরবর্তী কালে এটাই শিশুর জন্মগত হৃদরোগের কারণ হতে পারে।
 বেশি বয়সে ও ১৬ বছরের নীচে গর্ভবতী হওয়া উচিত নয়।
 গর্ভাবস্থার শুরু থেকে ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত যৌন মিলন বন্ধ রাখা উচিত। কারণ তখন ভ্রূণটা জরায়ুর গায়ে দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত হয় না, তাই ঐ সময় অতিরিক্ত চাপে গর্ভপাত হয়ে যেতে পারে। ১২ থেকে ২৪ সপ্তাহ পর্যন্ত শারীরিক মিলন হতে পারে, তবে পেটে যেন বেশি চাপ না পড়ে সেদিকে নজর রাখতে হবে এবং দেখতে হবে মিলনের সময় গর্ভবতী যেন বেশি নড়াচড়া না করে । ২৪ সপ্তাহ থেকে শিশুর জন্ম পর্যন্ত যৌন মিলন একদম বন্ধ থাকবে।
 বিশেষত মধ্যবিত্ত বা নিম্নমধ্যবিত্ত মহিলাদের মধ্যে দেখা যায় যে, অবাঞ্ছিত গর্ভলাভ হলে সেই ভ্রূণ নষ্ট করার জন্য অনেকে হাতুড়ে ডাক্তার ও কবিরাজের শরণাপন্ন হন এবং ওষুধ খান। এরপর যদি ভ্রূণ নষ্ট না হয় তবে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের সাহায্য নিয়ে অবশ্যই গর্ভপাত করানো দরকার; না হলে ভূমিষ্ঠ শিশুর জন্মগত হৃদরোগ দেখা দিতে পারে। এসব ছাড়াও কিছু কিছু ক্ষেত্রে জিন ঘটিত গোলমাল থাকে। যার চিকিৎসা এদেশে সহজলভ্য নয়।

জন্মগত হৃদরোগ প্রতিরোধ করার জন্য গর্ভবতী মা ও তার পরিবারের সকলকে প্রথম থেকেই সতর্ক থাকতে হবে। ঠিক ঠিক ভাবে মেনে চলতে হবে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের নির্দেশ। ‘কপাল খারাপ হলে এটাই হয় বা পূর্বজন্মের পাপের ফল ছাড়া আর কি-ই বা বলবো; না হলে অবোধ শিশুর এমনটি বা হবে কেন?’ -এসব বলে বাস্তবকে এড়িয়ে গেলে এ সমস্যার সমাধান হবে না। দ্বিতীয়ার দূর্বা-চন্দনে নয়, স্বাস্থ্য সম্বন্ধে স্বচ্ছ ধারণা ও তার প্রয়োগের মধ্য দিয়েই যম দুয়ারে পড়বে কাঁটা।

23/02/2021

শিশুর মেধা বৃদ্ধিতে করণীয়?

সব মা বাবাই চায় তার সন্তান যেন বুদ্ধিমান হয়, স্বাস্থ্যবান হয় এবং সুস্থভাবে বেচেঁ থাকে। শিশুর বুদ্ধিমান হওয়ার জন্য শিশুর খাবারের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের করণীয় কি সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে অধ্যাপক ড. এস. কে. রায় সিনিয়র সাইন্টিস্ট স্যারের পরামর্শ শুনতে ক্লিক করুন
https://www.facebook.com/Breast.Feeding.Foundation

https://www.youtube.com/channel/UChT77HNsi2EInrT9YiXV_Ow/

Address

PROVAT SUTRADHAR ADITYA (PSA) TANGAIL
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গয়হাটা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র, নাগরপুর,টাঙ্গাইল। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share