মা ডেন্টাল কেয়ার

মা ডেন্টাল কেয়ার দাঁত এবং স্বাস্থ্য বিষয়ের প্রয়োজনীয় ?

10/02/2023
রক্ত (Blood) হল উচ্চশ্রেণীর প্রাণিদেহের এক প্রকার কোষবহুল, বহু জৈব ও অজৈব পদার্থের সমন্বয়ে গঠিত সামান্য লবণাক্ত, আঠালো,...
05/09/2020

রক্ত (Blood) হল উচ্চশ্রেণীর প্রাণিদেহের এক প্রকার কোষবহুল, বহু জৈব ও অজৈব পদার্থের সমন্বয়ে গঠিত সামান্য লবণাক্ত, আঠালো, ক্ষারধর্মী ও লালবর্ণের ঘন তরল পদার্থ যা হৃৎপিন্ড, ধমনী, শিরা ও কৈশিক জালিকার মধ্য দিয়ে নিয়মিত প্রবাহিত হয়। রক্ত একধরনের তরল যোজক কলা। রক্ত প্রধানত দেহে অক্সিজেন, কার্বন ডাই অক্সাইড এবং অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ পরিবাহিত করে। রক্ত হল আমাদেরে দেহের জ্বালানি স্বরূপ। মানবদেহে শতকরা ৭ ভাগ রক্ত থাকে (গড়ে মানবদেহে ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে)। রক্তের PH সামান্য ক্ষারীয় অর্থাৎ ৭.২ - ৭.৪। মানুষের রক্তের তাপমাত্রা ৩৬ - ৩৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড (গড়ে ৩৭ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড)।

রক্তচাপ কি?

হৃৎপিণ্ডের সংকোচন-প্রসারণের কারণে মানুষের ধমনী ও শিরায় রক্তের চাপ সৃষ্টি হয়। হৃৎপিণ্ডের সংকোচন এর ফলে যে চাপ অনুভূত হয় তাকে সিস্টোলিক চাপ বলে।হৃৎপিণ্ডের প্রসারণের ফলে যে চাপ অনুভূত হয় তাকে ডায়াস্টোলিক চাপ বলে। মানুষের শরীরে ৮০/১২০ হলো আদর্শ রক্তচাপ, ৮০/১৩০ হলো সবচেয়ে অনুকূল রক্তচাপ এবং ৮৫/১৪০ হলো সর্বোচ্চ রক্তচাপ।

বিষফোড়া কেন হয়, প্রতিকার //////////////////////////////////////তীব্র বেদনাসহ ফোলা বা ত্বকে একাধিক ফোঁড়া, যারা সাধারণত স...
05/09/2020

বিষফোড়া কেন হয়, প্রতিকার
//////////////////////////////////////

তীব্র বেদনাসহ ফোলা বা ত্বকে একাধিক ফোঁড়া, যারা সাধারণত স্টাফালোলোকোক্কাস ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রামিত একটি সাংঘাতিক ধরনের ফোড়া। ফোড়ার অনেকগুলি ছোট ছোট মুখ থাকে। একেই মূলত কার্বাঙ্কল বলে। কার্বাঙ্কল সাধারনত কোমর, ঘাড়ে, পিঠে ও কনুইতে বেশী দেখা দেয়।

কয়েক দিনের যন্ত্রণার পর যেমন সেরে যেতে পারে কার্বাঙ্কল, তেমনই তা আবার গুরুতর আকারও নিতে পারে। তাই কার্বাঙ্কল হলে প্রয়োজন বাড়তি সতর্কতা। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা দরকার এবং প্রয়োজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ।


কার্বাঙ্কল কেন হয়?

মূলত, যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, কার্বাঙ্কল তাদেরই হয়ে থাকে। আবার কোনও সুস্থ, স্বাভাবিক মানুষের দীর্ঘ বা জটিল রোগভোগের পর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলেও কার্বাঙ্কল হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। লক্ষ করলে দেখা যায়, কার্বাঙ্কল ত্বকের এক কিংবা একাধিক রোমকূপকে কেন্দ্র করেই হয়ে থাকে। অনেক সময়ে, মানুষের ত্বকে এক ধরনের ব্যাকটিরিয়া (স্ট্যাফিলোকক্কাস অরিউস) জন্ম নেয়। সেই ব্যাকটিরিয়াগুলি ত্বকের রোমকূপের ছিদ্র দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে ইনফেকশন তৈরি করে। এর পর ব্যাকটিরিয়া, শরীরের মৃত কোষ ও ত্বক-কোষ মিশে পুঁজ তৈরি হয়ে ‘সোয়েলিং’ শুরু হয়। যা ত্বকের বাইরে বেরিয়ে আসতে চায়।
পরিচ্ছন্নতার অভাব কিংবা কার্বাঙ্কল হয়েছে এমন ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে ব্যাকটিরিয়া ত্বকে বাসা বাঁধতে পারে। লক্ষ করলে দেখা যায়, কার্বাঙ্কল শরীরের সেই সকল অংশেই বেশি হয়ে থাকে, যে সকল অংশে ঘাম বেশি হয়। যেমন- ঘাড়, পিঠ, কোমর, হাঁটুর পিছন দিকের অংশ, আর্মপিট ইত্যাদি।

উপসর্গ

ব্যাকটিরিয়া ত্বকের কোনও অংশে ইনফেকশন তৈরি করেছে বা করছে, তা আপনি ত্বকের উপর থেকে প্রথমে বুঝতে পারবেন না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, শরীরে কোনও নির্দিষ্ট অংশের ত্বকের উপরিভাগ কিছুটা শক্ত হয়ে যায় এবং জায়গাটি টিপলে ব্যথা লাগে। পরে দেখা যায়, সেই জায়গাতেই হয়েছে কার্বাঙ্কল। প্রসঙ্গত, কার্বাঙ্কল বেশ কষ্টকর এবং সেটি টানা কয়েক দিন আপনাকে ভোগাবে। এমনকি, কার্বাঙ্কলের আকার বড় হলে জ্বরও আসতে পারে। তবে এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। সাধারণ ফোঁড়া এবং কার্বাঙ্কলের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

করণীয়

যদি সম্ভব হয় যে অংশে কার্বাঙ্কল হয়েছে, সেই জায়গাটি খোলা রাখার চেষ্টা করুন। এতে রোগী স্বস্তি বোধ করবেন। তবে আপনাকে যদি পড়াশোনা কিংবা কাজের প্রয়োজনে বাইরে বেরোতেই হয়— চেষ্টা করুন পাতলা এবং ঢিলেঢালা পোশাক পরার। এতে কার্বাঙ্কলের অংশটিতে মোটা এবং ভারী কাপড়ের ঘষা লাগবে না। মনে রাখা দরকার, কার্বাঙ্কল কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই ছোঁয়াচে। ফলে ত্বকের এক অংশ থেকে অন্য অংশে ছড়িয়ে যেতে পারে। তাই একবার ব্যবহার করা পোশাক সাবান দিয়ে না কেচে ফের ব্যবহারের কথা ভাববেন না। আবার কার্বাঙ্কল উপশমের যে যে উপায় রয়েছে, সেগুলি নিজেই প্রয়োগ করার চেষ্টা করুন।
পরিবারের কারও বা প্রিয়জনের সাহায্য না নেওয়াই ভালো। এতে তার শরীরেও কার্বাঙ্কল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে যাবে।
যে ব্যাকটিরিয়া থেকে সাধারণত কার্বাঙ্কল হয়ে থাকে, বিশেষ পরিস্থিতিতে সেটি রক্তের সঙ্গে মিশে গেলে তা হৃদ্যন্ত্র, ফুসফুস এবং শরীরের ‘সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম’-এ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই কয়েক দিনের মধ্যে যদি কার্বাঙ্কল না কমে, তা হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। অনেকের ফোঁড়া বা ফুসকুড়ি খোঁটাখুঁটির অভ্যেস রয়েছে। কার্বাঙ্কলের ক্ষেত্রে তা একেবারেই করবেন না। জোর করে পুঁজ বার করার চেষ্টা করলে ত্বকে গভীর ক্ষত তৈরি হতে পারে।

11/06/2020

Pneumonia vexin

11/06/2020

করোনা আপডেটঃ ১১ জুন ২০২০

গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫,৭৭২ নমুনা পরীক্ষা
শনাক্ত হয়েছেন ৩,১৮৭ জন...
মৃত্যু হয়েছে ৩৭ জনের.

03/06/2020

Replies...

ইতিহাস,৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷  করোনাভাইরাস ১৯৬০-এর দশকে প্রথম আবিষ্কৃত হয়। প্রথমদিকে মুরগির মধ্যে সংক্রামক ব্রঙ্কাইটিস ভাই...
02/05/2020

ইতিহাস
,৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷
করোনাভাইরাস ১৯৬০-এর দশকে প্রথম আবিষ্কৃত হয়। প্রথমদিকে মুরগির মধ্যে সংক্রামক ব্রঙ্কাইটিস ভাইরাস হিসেবে এটি প্রথম দেখা যায়। পরে সাধারণ সর্দি-হাঁচি-কাশিতে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে এরকম দুই ধরনের ভাইরাস পাওয়া যায়। মানুষের মধ্যে পাওয়া ভাইরাস দুটি ‘মনুষ্য করোনাভাইরাস ২২৯ই’ এবং ‘মনুষ্য করোনাভাইরাস ওসি৪৩’ নামে নামকরণ করা হয়। তবে অনেকের সন্দেহ যে এই ভাইরাসটি চীন সরকার তার দেশের গরিব জনগনকে শেষ করে দেওয়ার জন্য নিজেরাই তৈরি করে নিজেরাই ছড়িয়ে ছিলো।[৪] এরপর থেকে বিভিন্ন সময় ভাইরাসটির আরো বেশ কিছু প্রজাতি পাওয়া যায় যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ২০০৩ সালে ‘এসএআরএস-সিওভি’, ২০০৪ সালে ‘এইচসিওভি এনএল৬৩’, ২০০৫ সালে ‘এইচকেইউ১’, ২০১২ সালে ‘এমইআরএস-সিওভি’ এবং সর্বশেষ ২০১৯ সাল চীনে এসএআরএস-সিওভি-২’ পাওয়া যায়(যা বর্তমানে সাধারণত নোভেল করোনাভাইরাস নামেই পরিচিত। এগুলোর মধ্যে অধিকাংশ ভাইরাসের ফলে শ্বাসকষ্টের গুরুতর সংক্রমণ দেখা দেয়।[৫]

29/03/2020

Ankylosing Spondylitis(AS)

করোনা ভাইরাস আক্রান্ত বাংলাদেশের কি করা উচিত ??ধরুন- ‘এ’ অংশে প্রচুর পানি আছে।তা ‘বি’ দিয়ে তা প্রবেশ করে ডানপার্শ্বের অং...
17/03/2020

করোনা ভাইরাস আক্রান্ত বাংলাদেশের কি করা উচিত ??

ধরুন- ‘এ’ অংশে প্রচুর পানি আছে।
তা ‘বি’ দিয়ে তা প্রবেশ করে ডানপার্শ্বের অংশ প্লাবিত করতে পারে।
তবে পানি যতই বেশি হোক, তা ‘সি’ দাগের বেশি হয় না।
এতে যদি ‘ডি’ অংশ প্লাবিত হয়, তবে ১-৪ টি দাগ পানিতে সম্পূর্ণ নিম্মজিত হবে।
কিন্তু ৫-১৩ নম্বর দাগ আংশিক নিম্মজিত হবে, কিন্তু পরিপূর্ণ নিম্মজিত হবে না।
এখন যদি ‘ডি’ অংশকে পানিতে ক্ষয়ক্ষতি বাচাতে চান, তবে কি করতে হবে ?

প্রথম যেটা করতে হবে-
‘বি’ ফুটোকে বন্ধ করতে হবে।
দ্বিতীয় যেটা করত হবে- ১-৪ এর দাগগুলোকে সরিয়ে ফেলতে হবে। কারণ পানি সম্পূর্ণ হলে তাদের মধ্যে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হবে, বাকিরা ক্ষতির সম্মুক্ষিণ হলেও পুরোপুরি ডুববে না।

বাংলাদেশকে করোনা থেকে বাচাতে হলে এই পলিসিটা ফলো করাই আমার কাছে সর্বোত্তম মনে হয়।
অর্থাৎ ‘এ’ অংশে বিদেশে করোনা আক্রান্তরা আছে। তারা ‘বি’ অংশ দিয়ে ঢুকে, সেখানেই তাদের পরীক্ষা করে ঢুকতে হবে। প্রয়োজনে তাদের আইসেলেশনে রাখতে হবে। আর যদি করোনা পুরোপুরি এসেই যায় তবে যাদের ক্ষতির সম্ভবনা বেশি, মানে বৃদ্ধদের (১-৪ নম্বর দাগ) আগে থেকেই সাবধানে রাখতে হবে। তবে বাকিদের (৫-১৩ নম্বর দাগ) যদি হয়ও, তবে তাদের তেমন সমস্যা হবে না। কিন্তু এই উদ্যোগের বেশি কিছু করা কখনই ঠিক হবে না। কারণ এর থেকে যদি বেশি করা হয়, তখনই ঘটবে বিপত্তি, তৈরী হবে ভীতি বা গুজব। যার ফলশ্রুতিতে করোনায় নয়, বরং অন্যভাবে মৃত্যুহার বহুগুন হবে।

একটু বুঝিয়ে বলছি-
করোনা ভাইরাস ছড়ানোর ৪টি পদ্ধতি আছে-
১) প্রথম পর্যায়—বিদেশ থেকে রোগের সংক্রমণ
২) দ্বিতীয় পর্যায়--- লোকাল ট্রান্সমিশন (যেমন: পরিবারের মধ্যে)
৩) তৃতীয় পর্যায়--- কমিউনিটি ট্রান্সমিশন (যখন কোনও ব্যক্তি আক্রান্ত কারও সংস্পর্শে আসেননি বা এমন কোনও দেশে সফর করেননি যেখানে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে, অথচ তাঁর শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গিয়েছে।)
৪) চতুর্থ পর্যায়—যখন মহামারির আকার ধারণ করে

আমাদের প্রথমে যেটা করতে হবে, বিদেশ থেকে যারা আসছে তাদের সঠিক মাত্রায় পরীক্ষা করতে হবে এবং প্রয়োজনে তাদের রাষ্ট্রীয়ভাবে কোরেন্টাইন ব্যবস্থা করতে হবে। ইতিমধ্যে অবশ্য বাংলাদেশে সেটা কিছু করা হয়েছে, যদিও তা যথাযথ নয়। এটা যেন ঠিক মত করা হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।
অর্থাৎ দ্বিতীয় পর্যায়টা ঠেকানোই আমাদের বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় কাজ।
তবে ৩ আর ৪ নম্বর ঠেকানোর সম্ভব না এবং সেটা নিয়ে বেশি চিন্তা করতে গেলেই অতিরিক্ত ভীতি বা গুজব তৈরী হবে, কারণ এই অংশের জনংসংখ্যা অনেক বেশি, যাতে ক্ষয়ক্ষতি আরো বেশি হবে।

এরপর ধরে নিলাম, ভুলের কারণ তা ছড়িয়েই গেলো।
তাহলে কারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ?
পরিসংখ্যান বলছে- এই রোগে বৃদ্ধদের মধ্যে মৃতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
তাহলে প্রত্যেকের পরিবারে যে বৃদ্ধরা আছে, তাদেরকে আগে থেকেই সতর্কতার সাথে রাখুন। তাহলে তারাও আক্রান্ত হলো না, ফলে ক্ষতির পরিমাণও বাড়লো না। হ্যা অন্যরা যদি আক্রান্ত হয়, তবে সেটা সাধারণ ফ্লু এর মত হবে। বাংলাদেশে বিভিন্ন সিজনের জ্বরে মানুষ প্রতিনিয়ত ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে। জ্বর-সর্দি-কার্শিতে তো আর সবাই মারা যাচ্ছে না, ওষুধ খেলে ৭ দিন, না খেলে ১ সপ্তাহ জ্বরে ভুগছে। এটা নিয়ে এত টেনশন বা ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

অর্থাৎ বিদেশ থেকে আগতদের সঠিক মাত্রায় পরীক্ষা করা, সন্দেহ হলে পৃথক করে রাখা।
আর দেশে যে সব অতি বৃদ্ধ আছে তাদের আপাতত সতর্ক অবস্থায় থাকতে বলা।
এই দুইটি বিষয় করা গেলে আমার মনে হয় করোনা নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করার কিছু নেই।
বেশি চিন্তা করতে গেলে আমাদের অন্য সিস্টেমগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি হতে পারে।

যেমন- আমাদের মৌলিক বিষয় হচ্ছে ৫টি। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা।
করোনা ভীতির কারণে ইতিমধ্যে শিক্ষা ব্যবস্থা স্থবির হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যবস্থাও ভীতির কারণে স্থবির হতে চলেছে। যদি তা হয়, তবে শুধূ ভীতির কারণে বহু লোক বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে।
আর বাকি রইলো খাদ্য ব্যবস্থা। যদি মানুষ আতঙ্কিত হওয়া খাদ্য ক্রয় বাড়িয়ে দেয়, তখন ব্যবসায়ীরা খাদ্য মজুদ শুরু করবে, আর ব্যবসায়ীরা খাদ্য মজুদ শুরু করলেই সর্বনাশ হবে। খাদ্যের দাম বহুগুন বৃদ্ধি পেয়ে তৈরী হবে কৃত্তিম দুর্ভিক্ষ।

অনেকেই ইতালির ঘটনা দেখিয়ে বলছে সতর্ক হতে।
আরে ভাই ইতালির সাথে আমাদের মিলালে হবে ?
ইতালিতে জনংখ্যা:
০-১৪ বছর: ১৩.৬%, ১৫-২৪ বছর ৯.৬১%, ২৫-৫৪ বছর, ৪১.৮২%, ৫৫-৬৪ বছর ১৩.২৯% এবং ৬৫ উর্ধ্ব বছর- ২১.৬৯%,
অপরদিকে বাংলাদেশে-
০-১৪ বছর: ২৭.২৯%,১৫-৬৪ বছর: ৬৬.৩%, ৬৫-তদুর্ধ্ব: ৬.৪২%
অর্থাৎ ওদের দেশের সাথে আমাদের বয়সের অনুপাতে জনংসংখ্যার কোন মিল নাই।
এই কথাটা সিএনএন এর ১৬ই মার্চের খবরে আসছে, কেন ইতালিতে মৃত্যু হার এত বেশি অথচ দক্ষিণ কোরিয়াতে মৃত্যু হার কম। কারণ ইত্যালিতে বৃদ্ধের সংখ্যা বেশি তাই ।

বাংলাদেশের জনংখ্যার বিচার করলে প্রায় ২৭% জন্য করোনায় কোন মৃত্যু ভয় নেই বললেই চলে। এটা সাধারণ জ্বর, সর্দি কাশির মত্। বাকি ৭৫% এর মধ্যে ৬৮% এর মধ্যের যাদের হবে তাদের ৫০০-১০০০ জনের মধ্যে মাত্র ১ জনের মৃত্যু ঝুকি আছে। আর মাত্র ৬% জনসংখ্যা অর্থাৎ বৃদ্ধ দের যদি হয়, তখন তাদের মৃত্যু ঝূকি ১০০ জনের মধ্যে আড়াই জনের। অর্থাৎ টোটাল হিসেব যদি করি তবে বাংলাদেশে যদি ১০০০ জনের করোনা হয়, তবে মৃত্যুঝুকি আছে মাত্র ২ জনের। আর যদি ৬৫+ বছরের বৃদ্ধদেরকে সাবধানে রাখা যায়, তবে মৃত্যুঝুকি আছে ১০ হাজার জনের মধ্যে মাত্র ৬ জনের।
লক্ষ্য করুণ বাংলাদেশে ধূমপায়ী বা তামাকজনিত কারণে মৃত্যুহার ১০ হাজার জনের মধ্যে বছরে ২৩ জনের (৭ কোটি তামাক ব্যবহারকারী, বছরে মৃত্যু ১ লক্ষ ৬১ হাজার)। তাহলে ধূমপান নিয়ে যে ভীতি হচ্ছে তার থেকে বেশি ভীতি কি করোনা নিয়ে হচ্ছে না? অথচ হিসেবে করোনা নিয়ে যে ভীতি ছড়ানো হচ্ছে, তার ৪ গুন বেশি ভীতি ছড়ানো উচিত ছিলো সিগেরেট খাওয়ার বিরুদ্ধে।

আমি যে কথাটা আগেও বলেছি, আবারও বলছি-
করোনা ভীতিতে স্কুল, কলেজ বন্ধ, মসজিদ বন্ধ, কলকারখানা,অফিস আদালত বন্ধ এগুলো করা কখনই ঠিক নয়, বরং এতে ভীতি ছড়াবে এবং এতে খাদ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় তৈরী হতে পারে এবং ইতিমধ্যে তা হওয়া শুরু করেছে। যেখানে মৃত্যুর হার অনেক বেশি হবে। ৭৪ সালের দুর্ভিক্ষে খাদ্য ব্যবস্থায় ভেঙ্গে পড়ে মারা গিয়েছিলো ১৫ লক্ষ লোক। অর্থাৎ প্রতি ১০০০ জনে মারা গিয়েছিলো ২১ জন। অথচ যদি বাংলাদেশের সব লোকের করোনা হয়, তবে ১০০০ জনের মধ্যে মারা যাওয়ার সম্ভবনা ২ জন লোক। অর্থাৎ করোনায় গণহারে হলে যে মৃত্যু হবে দুর্ভিক্ষে তার তুলনায় মৃত্যু হবে আরো ১০ গুন বেশি। আর যদি চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে তবে মৃতের সংখ্যা আরো বহুগুণ ছাড়াবে নিঃসন্দেহে।

অনেককে বলতে দেখেছি, “ইতালির মত বাংলাদেশও অবরুদ্ধ করে দেয়া উচিত”।
আরে ভাই ইতালির অবরুদ্ধ হওয়াটা দেখলেন, আর ঐ দেশে খাদ্য সংকটে পড়ে বাংলাদেশী কিভাবে জীবন নিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসছে সেটা দেখলেন না?
ইতালিকে অবরুদ্ধ করার কারণে খাদ্য মজুদ করা হচ্ছে, এতে খাদ্য সংকট তৈরী হয়েছে, খাদ্যের দাম বেড়ে গেছে। অনেক বাংলাদেশী সেটা ক্রয় করতে পারছে না। বাধ্য হয়ে তারা জীবন বাচাতে নিজ দেশে ফিরে আসছে। আপনাদের মুখরোচক কথা শুনে বাংলাদেশেও যদি এমন ভীতিকর পরিস্থিতি হয়, তখন যদি এ ধরনের ঘটনা ঘটে তবে আপনারা কোথায় যাবেন ? ভারতে না মায়ানমারে ? নাকি বঙ্গপোসাগরে ঝাপ দেবেন। গুজব ছড়ানোর আগে নিজেই একবার চিন্তা করে দেখুন।

তথ্যসূত্র:
১) https://cnn.it/2WknTHu
২) https://bit.ly/2Ud8VQP
৩) https://bit.ly/38Y6Y03
৪) https://bit.ly/3a9fU3O
৫) https://bit.ly/39ZZBGD
৬) https://bit.ly/2QkgaW
৭) https://bit.ly/3a0HWys

কতটা ভয়ংকর এই ভাইরাস?শ্বাসতন্ত্রের অন্যান্য অসুস্থতার মতো এই ভাইরাসের ক্ষেত্রেও সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা এবং জ্বরসহ হালকা ...
16/03/2020

কতটা ভয়ংকর এই ভাইরাস?

শ্বাসতন্ত্রের অন্যান্য অসুস্থতার মতো এই ভাইরাসের ক্ষেত্রেও সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা এবং জ্বরসহ হালকা লক্ষণ দেখা দিতে পারে । কিছু মানুষের জন্য এই ভাইরাসের সংক্রমণ মারাত্মক হতে পারে। এর ফলে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট এবং অর্গান বিপর্যয়ের মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। তবে খুব কম ক্ষেত্রেই এই রোগ মারাত্মক হয়। এই ভাইরাস সংক্রমণের ফলে বয়স্ক ও আগে থেকে অসুস্থ ব্যক্তিদের মারাত্মকভাবে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

চোখটা এত লাফায় কেন?শাশ্বতী মাথিন///////////////////////////////////অতিরিক্ত চোখ লাফানো কিন্তু ভালো নয়? অধিকাংশ লোকের জীব...
28/11/2019

চোখটা এত লাফায় কেন?
শাশ্বতী মাথিন
///////////////////////////////////

অতিরিক্ত চোখ লাফানো কিন্তু ভালো নয়?
অধিকাংশ লোকের জীবনেই কোনো না কোনো সময় চোখ লাফানোর সমস্যা হয়। অনেক সময় বাঁ চোখ লাফায়, আবার ডান চোখ লাফায়। তখন হয়তো অনেকে প্রশ্ন করেন, ‘চোখটা এত লাফায় কেন?’ উত্তরে তখন অনেকে বলেন, ডান চোখ লাফালে শুভ ব্যাপার ঘটবে আর বাঁ চোখ লাফালে অশুভ কিছু অপেক্ষা করছে। তবে এসব কথা কিন্তু ঠিক নয়। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলদি ফুড টিম প্রকাশ করেছে এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন।

মূলত চোখ লাফানো একটি শারীরিক সমস্যা। একে সাধারণত আইলিড টিক্স অথবা আই স্পাজম বলা হয়। সাধারণত এটি যেকোনো এক চোখের নিচের অংশকে আক্রান্ত করে। এতে ওপরের অংশও কখনো কখনো লাফানো শুরু করে। এ সমস্যা সাধারণত দ্রুতই চলে যায়। তবে কিছু কিছু সময় সপ্তাহ বা মাসখানেক স্থায়ী হয়। বিভিন্ন কারণে এ সমস্যা হতে পারে।

বেশি কফি গ্রহণ
উজ্জ্বল আলো
মদ্যপান
ক্লান্তি
মানসিক চাপ
চোখের ভেতরের অস্বস্তি
ধূমপান
শারীরিক পরিশ্রম
বাতাস
আই স্পাজম সাধারণত এমনিতেই ঠিক হয়ে যায়। এই স্পাজম ব্যথাযুক্ত নয়, ক্ষতিকর নয়। তবে কিছুটা অস্বস্তিকর। বিশেষ করে বেশি হলে চোখ বন্ধ করতে ও খুলতে সমস্যা হয়।

তবে এটি যদি খুব বেশি হয়, তবে শরীরের বিভিন্ন সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে দিনে কয়েকবার সমস্যাটি হয়, সপ্তাহ বা মাসখানেক থাকে। এর মধ্যে মস্তিষ্কের সমস্যাও রয়েছে, যেমন : ফেসিয়াল পালসি, পারকিন সন ডিজিজ, মাল্টিপাল স্কেলিরোসিস ইত্যাদি। দীর্ঘমেয়াদি এই সমস্যা হলে চোখের ক্ষতিও হতে পারে। তাই যদি দীর্ঘমেয়াদি চোখ লাফানোর সমস্যা থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন

চোখ লাল বা ফোলা হলে; পানি বেরোতে থাকলে।
পাতা বারবার পড়তে থাকলে।
চোখ পুরোপুরি বন্ধ করার সময় বারবার চোখ লাফালে।
চোখ লাফানোর সমস্যা যদি সপ্তাহখানেক থাকে।
চোখ লাফানোর সমস্যা যদি মুখের ওপরও প্রভাব ফেলে।

Address

Dhaka
2326

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মা ডেন্টাল কেয়ার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to মা ডেন্টাল কেয়ার:

Share

Category