08/03/2026
ফাংশনাল ফুডকে সাধারণত তাদের উৎস ও কার্যকারিতার ভিত্তিতে কয়েকটি প্রধান শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। পুষ্টিবিজ্ঞানের বিভিন্ন গবেষণা ও International Food Information Council এবং Food and Agriculture Organization-এর ব্যাখ্যা অনুযায়ী ফাংশনাল ফুডের প্রধান ধরনগুলো হলো—
১. Conventional Functional Foods-
এগুলো প্রাকৃতিকভাবেই পুষ্টি ও বায়োঅ্যাকটিভ উপাদানে সমৃদ্ধ।
অর্থাৎ কোনো অতিরিক্ত প্রসেসিং ছাড়াই এগুলো স্বাস্থ্য উপকারিতা দেয়।
উদাহরণ:
ওটস (বিটা-গ্লুকান)
রসুন
টমেটো (লাইকোপিন)
বেরি জাতীয় ফল
দই (প্রোবায়োটিক)
২. Modified / Fortified Functional Foods-
এই খাবারগুলোতে অতিরিক্ত পুষ্টি উপাদান যোগ করা হয় যাতে স্বাস্থ্য উপকারিতা বাড়ে।
উদাহরণ:
ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ দুধ
আয়রন বা ফোলিক অ্যাসিড যুক্ত আটা
ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ ডিম
৩. Probiotic Foods-
যেসব খাবারে উপকারী জীবাণু (good bacteria) থাকে এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নত করে।
উদাহরণ:
দই
কেফির
ফারমেন্টেড খাবার
৪. Prebiotic Foods-
এই খাবারগুলো অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়ার খাদ্য হিসেবে কাজ করে এবং তাদের বৃদ্ধি বাড়ায়।
উদাহরণ:
কলা
পেঁয়াজ
রসুন
ওটস
চিকোরি রুট
৫. Synbiotic Foods-
যেখানে প্রোবায়োটিক এবং প্রিবায়োটিক—দুটোই একসাথে থাকে, ফলে অন্ত্রের স্বাস্থ্য আরও ভালোভাবে উন্নত হয়।
উপসংহার
ফাংশনাল ফুডের মূল লক্ষ্য হলো খাদ্যের মাধ্যমে শরীরকে এমন পুষ্টি দেওয়া যা শুধু শক্তি বা পুষ্টি সরবরাহই করে না, বরং রোগ প্রতিরোধ, মেটাবলিক স্বাস্থ্য উন্নত করা এবং দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
Source:
FAO, IFIC Functional Food Research Reports.
ব্যক্তিগত ডায়েট লাইনের জন্য যোগাযোগ করুন 01712-634077 Wellness with Tilottama.