আমার ডাক্তার-My doctor

আমার ডাক্তার-My doctor স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সঠিক তথ্য ও পরামর্শ পেতে আমাদের পেইজটি লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন।

Get accurate health-related information and suggestions right here.
(1)

Stay connected by liking our page!

জুলাই বিপ্লবের “গাজী” আমাদের বীর সেনানী ছয় বছরের মুসা। ১৯ জুলাই ২০২৪ সালে রামপুরায় নিজ বাসা থেকে বাবা ও দাদীর সঙ্গে আইসক...
27/10/2025

জুলাই বিপ্লবের “গাজী” আমাদের বীর সেনানী ছয় বছরের মুসা। ১৯ জুলাই ২০২৪ সালে রামপুরায় নিজ বাসা থেকে বাবা ও দাদীর সঙ্গে আইসক্রিম কিনতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয় সে। ঘাতক বুলেট তার মাথার এক দিক দিয়ে ঢুকে অন্য দিক দিয়ে বের হয়ে পাশে থাকা দাদীর পেটে লাগে। দাদী শহীদ হয়ে যান, কিন্তু অলৌকিকভাবে বেঁচে যায় মুসা।
আমাদের জুলাই — এরকম অজস্র বীরত্বগাঁথা ও কোরবানির বিনিময়ে অর্জিত। এই ত্যাগ ও কোরবানি বৃথা যেতে দেবে না এ জাতি, ইনশাআল্লাহ। 🇧🇩

— তাজুল ইসলাম

23/10/2025
16/10/2025

HSC 2025 - গড় পাশের হার ৫৮.৮৩%!

একজীবনে সবকিছু পেতে নেই:জীবন বড়ো অদ্ভুত। কখনো এক সকালে ঘুম ভেঙে মনে হয়—আজ যদি না উঠতাম! বালিশের কোণে রাত্রির ক্লান্ত স্ব...
15/10/2025

একজীবনে সবকিছু পেতে নেই:

জীবন বড়ো অদ্ভুত। কখনো এক সকালে ঘুম ভেঙে মনে হয়—আজ যদি না উঠতাম! বালিশের কোণে রাত্রির ক্লান্ত স্বপ্নগুলো তখনো উষ্ণ, অথচ ভোরের আলো সেগুলোকে নগ্ন করে ফেলে। সকালের ভাত গিলতে গিয়ে হঠাৎ মনে হয়—আক্ষেপেরও একটা গন্ধ আছে। নোনা কান্না মিশে ভাতের দানাগুলো তেতো লাগে। তখন বোঝা যায়, একজীবনে সবকিছু পেতে হয় না, পাওয়া মানেই পূর্ণতা নয়।

যে মানুষ একদিন বলেছিল “তুমি ছাড়া আমি বাঁচব না,” আজ সে গটগট করে হেঁটে যায়, কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই। তুমি শুধু তাকিয়ে থাকো, দেখো—ভালোবাসা কত সহজে পিঠ ঘুরিয়ে চলে যায়। বুকের ভেতরটা তখন ধীরে ধীরে ফাঁকা হয়ে ওঠে, যেমন কোনো আগুন নিভে যাওয়ার আগে শেষ ঝলক দেয়।

মানিব্যাগ খুলে টাকাগুলো গুনো, ভাবো—সুখ কি টাকায় কেনা যায়? নাকি সুখ মানে সেই মুহূর্ত, যখন কারো আঙুল চুপিচুপি তোমার চুল সরিয়ে দেয়, নিঃশ্বাসের ভেতর তোমার গন্ধ মিশে যায়? বয়স বাড়ার সাথে সাথে রাতগুলো দীর্ঘ হয়, অথচ ঘুম কমে যায়। একফালি ছাদের নিচে দাঁড়িয়ে বাতাসে নিজের নিঃসঙ্গতার গন্ধ পাওয়া যায়। ছোটোবেলায় শেখা জেদ এখন জায়গা দিয়েছে নরম ক্ষমাকে। একসময় রাগ ছিল জীবনের স্বাদ, এখন নীরবতাই সব থেকে কড়া।

ফোনের স্ক্রিনে একটা নাম জ্বলে ওঠে—আঙুল থেমে যায়। চোখ ঝাপসা হয়ে আসে। এতদিন পরও ওই নামটার পাশে শরীরের উষ্ণতা টের পাওয়া যায়। দূরে কারো গলায় হালকা সুর ভেসে আসে—
“নিজের ছায়ার পিছে ঘুরে ঘুরে মরি মিছে…”
তুমি চুপ করে শুয়ে পড়ো। নিঃশব্দে একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলো। জানো, তুমি এখনো খুঁজছো—নিজেকে, তোমার হারিয়ে যাওয়া শান্তিটাকে।

সবশেষে, খুব নিঃশব্দে, নিজের মনেই উচ্চারণ করো—“একজীবনে সবকিছু পেতে নেই।”

✍️ আমার ডাক্তার-My doctor

দেশের আকাশ প্রতিরক্ষায়  নতুন যুগের সূচনা! ✈️আধুনিক প্রযুক্তি আর অদম্য শক্তিতে সজ্জিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী। অন...
15/10/2025

দেশের আকাশ প্রতিরক্ষায় নতুন যুগের সূচনা! ✈️
আধুনিক প্রযুক্তি আর অদম্য শক্তিতে সজ্জিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী। অন্তর্বর্তী সরকার নিচ্ছে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ—আকাশ নিরাপত্তা হবে আরও অপ্রতিরোধ্য, আরও দুর্ভেদ্য।

ইতালির তৈরি ইউরোফাইটার টাইফুন আনছে ইউরোপীয় গতি ও নিখুঁত নিশানার নিশ্চয়তা।
চীনের আধুনিক জে-১০সি দেবে শক্তি, গতি ও প্রযুক্তির এক অনন্য মেলবন্ধন।
পাকিস্তানের জেএফ-১৭ থান্ডার যোগ হবে বাংলাদেশ আকাশবাহিনীর গর্বিত বহরে, বাড়াবে আকাশে প্রতিরোধের ক্ষমতা।
আর আকাশযুদ্ধের নতুন অধ্যায় রচনায় যুক্ত হচ্ছে তুরস্কের তৈরি বিশ্বখ্যাত টি-১২৯ অ্যাটাক হেলিকপ্টার, যা বাংলার আকাশে গর্জে উঠবে অদম্য বীরের মতো।

বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা এখন শুধু শক্তিশালী নয়—এবার হবে আধুনিক, স্মার্ট ও আকাশজয়ী। 🌤️🇧🇩

প্রতি বছর ১৫ অক্টোবর পালিত বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস (Global Handwashing Day) একটি আন্তর্জাতিক সচেতনতা অভিযান, যার উদ্দেশ্য হ...
15/10/2025

প্রতি বছর ১৫ অক্টোবর পালিত বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস (Global Handwashing Day) একটি আন্তর্জাতিক সচেতনতা অভিযান, যার উদ্দেশ্য হলো মানুষের মধ্যে সাবান ও পানি ব্যবহার করে সঠিকভাবে হাত ধোয়ার গুরুত্ব প্রচার করা এবং অভ্যাসকে মজবুত করা। এ দিবসটি ২০০৮ সালে Global Handwashing Partnership (GHP) নামক একটি আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর উদ্যোগে প্রথম শুরু হয়, যার প্রথম দিনের কার্যক্রমে ৭০টি দেশ জুড়ে ১২০ মিলিয়নেরও বেশি শিশু হাত ধোয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল। বিশ্বব্যাপী, এই দিবসটি সরকারের, স্কুল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এনজিও ও সামাজিক স্তরে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে উদযাপিত হয়।

এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো:

সমাজে একটি “হাত ধোয়ার সংস্কৃতি” গড়ে তোলা, যেখানে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধোয়া স্বাভাবিক অভ্যাস হবে।

দেশগুলোর অবকাঠামো ও নীতিমালা পর্যায়ে নজর দেওয়া, যাতে হাত ধোয়ার জন্য পর্যাপ্ত সুবিধা ও সুযোগ সবাই পায়।

সাবান ব্যবহার ও সঠিক হাত ধোয়ার পদ্ধতির ব্যাপারে মানুষের মধ্যে সচেতনতা এবং তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া।

বিশ্ব স্বাস্থ্য ও প্যাক্ট তথ্য অনুযায়ী, মোট জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় ৩ ভাগ মানুষ – অর্থাৎ প্রায় ২.৩ বিলিয়ন ব্যক্তি — তাদের বাড়িতে সাবান ও পানি সহ মৌলিক হাত ধোয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৪১৮ মিলিয়ন ছাত্রছাত্রী এমন স্কুলে পড়াশোনা করে যেখানে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা নেই। স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর অনেকটাই এমন স্থান যেখানে রোগী বা স্বাস্থ্যকর্মীর হাতে হাতে ধোয়ার নির্ধারিত সুবিধা নেই। এছাড়া, শিশুরা ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াসহ শ্লেষ্মা ও শ্বাসজনিত রোগে বেশি আক্রান্ত হয় — প্রতীতে ৫ বছরের নিচের প্রায় ১.৮ মিলিয়ন শিশু এসব কারণে মারা যায়। তবে হাত ধোয়ার সঠিক অভ্যাস বজায় রাখলে diarrheal রোগের সংখ্যাকে এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত, এবং শ্বাসযন্ত্রের রোগকে প্রায় এক পাঁচমাংশ কমানো যেতে পারে।

প্রত্যেক বছরের জন্য একটি নির্দিষ্ট থিম (প্রতিপাদ্য) নির্ধারিত হয়, যা সেই বছরের প্রচারণাকে নির্দেশনা দেয়। উদাহরণস্বরূপ, ২০২৪ সালের থিম ছিল “Why Are Clean Hands Still Important?” — অর্থাৎ “পরিশুদ্ধ হাত কেন এখনো গুরুত্বপূর্ণ?” ২০২৫ সালের থিম হিসেবে “Clean Hands are Within Reach” নির্ধারণ করা হয়েছে — অর্থাৎ “পরিষ্কার হাত সবার নাগালের মধ্যে”

সার্বিকভাবে, এই দিবসটি শুধু একটি স্মরণ তথ্যকেন্দ্রিক দিবস নয় — এটি একটি মাধ্যম, যাতে মানুষের নিত্যজীবনে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা যায়। সঠিক প্রচারণা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সচেতনতা ও সমন্বিত নাগরিক অংশগ্রহণের মাধ্যমেই “পরিষ্কার হাত” কে শুধু এক দিন নয়, প্রতিদিনের অভ্যাসে পরিণত করা সম্ভব।

No Bra Day: নারীর স্বাধীনতা ও স্তন ক্যান্সার সচেতনতার প্রতীক-প্রতি বছর ১৩ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে পালিত হয় No Bra Day, যা মূলত...
13/10/2025

No Bra Day: নারীর স্বাধীনতা ও স্তন ক্যান্সার সচেতনতার প্রতীক-

প্রতি বছর ১৩ অক্টোবর বিশ্বজুড়ে পালিত হয় No Bra Day, যা মূলত স্তন ক্যান্সার সচেতনতা বৃদ্ধির একটি প্রতীকী দিন। অক্টোবর মাসটি পুরোপুরি “Breast Cancer Awareness Month” হিসেবে পরিচিত, আর এই দিনের মাধ্যমে মানুষকে স্তনের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করা হয় এবং নারীর শারীরিক স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা হয়।

এই দিনের সূচনা হয় ২০১১ সালে, যখন সামাজিক মাধ্যমে “No Bra Day” নামটি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হতে শুরু করে। প্রথমদিকে এটি নারীর শরীর নিয়ে সমাজের কুসংস্কার ও ট্যাবুর বিরুদ্ধে প্রতিবাদের একটি মাধ্যম হিসেবে দেখা হলেও, পরবর্তীতে দিনটি স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ ও সচেতনতার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত হয়ে পড়ে। বর্তমানে এটি কেবল একটি সামাজিক আন্দোলন নয়, বরং একটি মানবিক উদ্যোগ হিসেবে স্বীকৃত।

এই দিনে অনেক নারী ব্রা না পরে প্রতীকীভাবে জানান দেন যে, তাদের শরীর নিয়ে লজ্জা বা গোপনীয়তা নয়—গর্ব ও গ্রহণযোগ্যতাই হওয়া উচিত মূল বার্তা। এটি কোনো অশালীনতা বা যৌন ইঙ্গিতের প্রতীক নয়, বরং নারীর শরীরকে স্বাভাবিক ও সম্মানের চোখে দেখার আহ্বান। অনেক সময় স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত নারীরা অস্ত্রোপচারের পর শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। “No Bra Day” সেই নারীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশেরও একটি দিন।

তবে এই দিনটি কেবল প্রতীকী পোশাকের স্বাধীনতা নিয়ে নয়; এর পেছনে রয়েছে স্বাস্থ্য সচেতনতার একটি গভীর বার্তা। চিকিৎসকরা বলেন, নিয়মিত স্তন পরীক্ষা করা, প্রয়োজনীয় সময়ে ম্যামোগ্রাম করা, এবং যেকোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন দ্রুত শনাক্ত করাই জীবন রক্ষার মূল উপায়। অনেকেই এই দিনে সামাজিক মাধ্যমে স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে তথ্য, পরিসংখ্যান ও প্রতিরোধের উপায় শেয়ার করেন, গোলাপি রিবন ব্যবহার করেন এবং ক্যান্সার রোগীদের সহায়তায় দান করেন।

যদিও “No Bra Day” নিয়ে কিছু বিতর্কও রয়েছে—কেউ কেউ মনে করেন, এটি যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ হয়ে পড়ছে—তবুও এর মূল উদ্দেশ্য কখনোই তা নয়। বরং এই দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, নারীর শরীরকে কেবল সৌন্দর্যের বস্তু হিসেবে নয়, বরং জীবনের, সংগ্রামের ও আত্মসম্মানের প্রতীক হিসেবে দেখতে হবে।

শেষ পর্যন্ত, “No Bra Day” আমাদের শেখায় সচেতনতা, আত্মবিশ্বাস ও সম্মানের গুরুত্ব। এটি একদিকে যেমন স্তন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বার্তা দেয়, অন্যদিকে নারীর দেহ ও পরিচয়ের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের একটি শক্তিশালী সামাজিক প্রতীক হয়ে উঠেছে।

✍️ আমার ডাক্তার-My doctor

12/10/2025

পর্যাপ্ত ঘুম ঘুমান।
প্রতিদিন অন্তত ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম শরীরকে বিশ্রাম দেয়, মানসিক চাপ কমায় এবং মনোযোগ বাড়ায়। নিয়মিত ঘুম না হলে ক্লান্তি, বিরক্তি ও নানা শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

অবহেলায়ও মানুষ মরে:অবহেলায়ও কি মানুষ মরে? মরে— নিঃশব্দে, ধীরে ধীরে, চোখে না দেখা এক অদ্ভুত মৃত্যুর মতো। বাইরে থেকে সবক...
12/10/2025

অবহেলায়ও মানুষ মরে:

অবহেলায়ও কি মানুষ মরে? মরে— নিঃশব্দে, ধীরে ধীরে, চোখে না দেখা এক অদ্ভুত মৃত্যুর মতো। বাইরে থেকে সবকিছু আগের মতোই থাকে, শরীরের ভঙ্গি, চোখের চাহনি, এমনকি হাসিটাও। কিন্তু ভিতরের আমি কেমন যেন নরম হয়ে যায়, টলমল করে ওঠে। তোমার সামনে দাঁড়ালে নিজেকে বড় অসহায় মনে হয়— এক মুহূর্তেই যেন সমস্ত দৃঢ়তা ভেঙে গিয়ে আমি ভেতরে ভেতরে গুঁড়িয়ে যাই।

জানি, আমাদের সম্পর্কের শেষটা সুনিশ্চিত। তবুও প্রতিদিন তোমার সঙ্গে কথা বলার অভ্যাস থেকে নিজেকে আলাদা করতে পারি না। এই কথা বলার অভ্যাসটা আমার মধ্যে এমনভাবে গেঁথে গেছে, যেন নিঃশ্বাসের মতো— অজান্তেই চলে আসে। পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর অভ্যাস বোধহয় এটিই। একবার এই অভ্যাসের ফাঁদে পড়লে, তার থেকে মুক্তি পাওয়া ভালোবাসা ভুলে যাওয়ার চেয়েও কঠিন।

আমার বুকের ভেতর নানান ধরনের অসুখ বাসা বাঁধতে পারতো। হয়তো কোনোদিন শ্বাস নিতে কষ্ট হতো, কফ জমে থাকতো, ইনহেলার কাজ করতো না— তখন অন্তত নিজেকে বোঝাতে পারতাম যে আমি শ্বাসকষ্টে মরে গেছি। কিন্তু না, আমি তো মরে গেছি কথার অভ্যাসে। যেটা শুরু হয়েছিল ভালোবাসা দিয়ে, শেষ হয়েছে নীরব অবহেলায়।

একসময় বুঝতেই পারিনি, তোমার কাছে আমি কেমন করে অবহেলায় পরিণত হয়ে গেলাম। হয়তো খুব বেশি কথা বলেছি, হয়তো খুব বেশি ভেবেছি, বা হয়তো খুব বেশি চেয়েছি তোমার উপস্থিতি। বিচ্ছেদ আসবে জেনেও, আমার ভেতরটা প্রতিদিন এক অদৃশ্য ঝড়ে তোলপাড় হয়ে যায়। ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে গেছে আমার ভেতরের মানুষটা— যে হাসত, যে বাঁচত, যে বিশ্বাস করত।

আজকাল সম্পর্ক ভাঙার গল্পগুলো খুব সাধারণ হয়ে গেছে। এক বিচ্ছেদের দুঃখ মুছতে না মুছতেই কেউ নতুন কারও হাত ধরে নতুন গল্প শুরু করে ফেলে। সমাজ বলে, এটাই জীবনের নিয়ম। কিন্তু আমি পারিনি। এই শহরের রঙচটা ভিড়ে নিজের মুখোশ বদলে নিতে পারিনি। এখনও অপেক্ষা করি, হয়তো কোনোদিন এই গল্পটারও সুন্দর একটা সমাপ্তি হবে— ঠিক রূপকথার মতো। ভাবি, একদিন সব কষ্ট মুছে যাবে, সমস্ত হতাশা আলো হয়ে ফিরে আসবে।

কিন্তু বাস্তব এতটা কোমল নয়। অবহেলার প্রতিশোধ নেয় খুব ধীরে— প্রতিদিন একটু একটু করে। এখন আর কথাগুলো শুধু শব্দ নয়, সেগুলো ব্যথা হয়ে বাজে। প্রতিটি বাক্যের পেছনে লুকিয়ে থাকে অপার ক্লান্তি, অব্যক্ত আক্ষেপ। আর এই ব্যথার কোনো ওষুধ নেই, কোনো পেইনকিলার কাজ করে না।

সম্পর্ক পুরোনো হলে নাকি যত্ন হারিয়ে যায়, কদরও কমে যায়। হয়তো তাই এখন অবহেলাই আমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উপস্থিত। তবুও একদিন আমিও শিখে যাবো নিজেকে বদলে নিতে। ব্যস্ততার অজুহাতে নিজেকে গুটিয়ে রাখব, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কঠিন হবো। আকাশের দিকে তাকিয়ে একদিন নিজেকে বলব— “তুমি না থাকলেও আমি বাঁচতে পারি।” হয়তো তখন তোমাকে ঘৃণা করার সাহসও হবে, কিংবা অন্তত ঘৃণা করার ভান করতে পারবো।

একদিন পুরোনো সব অভ্যাস থেকে নিজেকে মুক্ত করব— কথা বলার অভ্যাস, অপেক্ষা করার অভ্যাস, ভালোবাসার অভ্যাস। ভুলে যাবো তোমার সব স্মৃতি, নিজেকে বিশ্বাস করাবো যে ভালোবাসা বলে কিছুই ছিল না, নেইও। তবুও মাঝেমধ্যে বুকের ভেতর থেকে এক দীর্ঘশ্বাস উঠবে, নিঃশব্দে মনে করিয়ে দেবে— আমি বেঁচে থেকেও বহুবার মরে গেছি অবহেলায়।

হ্যাঁ, অবহেলায়ও মানুষ মরে। প্রতিদিন, নিঃশব্দে, অদৃশ্যভাবে।

✍️ আমার ডাক্তার-My doctor

নারীর ভরসা ও বিশ্বাস: প্রেমের গভীরতা-একজন নারী যখন নিজের সব লজ্জা, ভয় ও দ্বিধা সরিয়ে কারো কাছে আসে, তখন এটি কেবল প্রেমে...
12/10/2025

নারীর ভরসা ও বিশ্বাস: প্রেমের গভীরতা-

একজন নারী যখন নিজের সব লজ্জা, ভয় ও দ্বিধা সরিয়ে কারো কাছে আসে, তখন এটি কেবল প্রেমের পরিচয় নয়। এটি হয় গভীর ভরসা, নির্ভরতা এবং আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ। সেই মুহূর্তে সে অর্ধেক থাকে না; সে পুরো হয়ে ওঠে, কারণ সে তার হৃদয়, শরীর ও আত্মার প্রতিটি অংশকে বিশ্বাসের মাধ্যমে আপনার কাছে সমর্পণ করছে।

নারীর এই আসা কোনও দুর্বলতা নয়, বরং এক বিশাল সাহস। সে জানে একজন পুরুষের কাছে নিজেকে তুলে দেওয়া মানে শুধুমাত্র তার হৃদয় নয়, তার শরীরের প্রতিটি স্পন্দন, প্রতিটি নিশ্বাস এবং প্রতিটি আবেগও সেই পুরুষের হাতে তুলে দেওয়া। এই বিশ্বাসের সঙ্গে সে চায় তার শরীরের প্রতিটি ক্ষুধা এবং হৃদয়ের প্রতিটি শূন্যতা সেই মানুষটি পূর্ণ করুক।

যখন নারী আপনার বুকে মাথা রাখে, তখন এটি শুধু শান্তির আশ্রয় নয়। সেখানে থাকে জ্বলন্ত আকাঙ্ক্ষা এবং গভীর অনুরোধ। তার চোখে বলা থাকে, “আমাকে আগলে রাখো, আমার শরীরকে স্পর্শে জাগিয়ে তোলো, এবং আমার মনকে নিখাদ ভালোবাসায় ভরিয়ে দাও।” তার চুম্বনে লুকানো থাকে এক নিঃশব্দ প্রতিজ্ঞা, তার আলিঙ্গনে থাকে আত্মার উষ্ণতা ও সমর্পণ।

পুরুষের ভূমিকা কেবল গ্রহণ করার নয়। নারী যখন তার বিশ্বাস আপনার হাতে দেয়, তখন সে আপনার সদয় এবং দায়িত্বপূর্ণ মনোভাবের ওপর নির্ভর করে। যদি সেই বিশ্বাসকে সম্মান করা হয় এবং ভালোবাসা দিয়ে ঘিরে রাখা হয়, তবে নারী প্রস্ফুটিত হয় এক নতুন রূপে। তার চোখে জ্বলে ওঠে আনন্দের জ্যোতি, তার মুখে ফুটে ওঠে আনন্দময় হাসি, এবং তার শরীর নতুন উদ্দীপনায় জেগে ওঠে।

কিন্তু যদি পুরুষ তা অবহেলা করে এবং নারীর আসা কেবল ভোগের জন্য হয়ে যায়, তবে সেই নারী নিঃশব্দে ভেঙে পড়ে। বাইরে থেকে শক্ত দেখালেও, ভেতরে তার বিশ্বাস, আশা এবং আবেগ নিঃশেষ হয়ে যায়।

একজন নারী যখন নিজেকে পুরোপুরি সমর্পণ করে, তখন সে বলছে: “আমার সবটুকু তোমার হাতে, তুমি আমাকে ভাঙবে না, গড়ে তুলবে।” এটি এক অদৃশ্য চুক্তি, যেখানে তার শরীর ও মন একসাথে আপনার ওপর নির্ভর করে। আর যদি পুরুষ দায়িত্ব, যত্ন এবং ভালোবাসা দিয়ে এই উপহার গ্রহণ করে, তবে নারী হয়ে ওঠে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর সৃষ্টি—শরীর, মন ও আত্মার পূর্ণতায় উজ্জ্বল।

✍️ আমার ডাক্তার-My doctor

12/10/2025

প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন।
হাঁটা, দৌড়ানো, যোগব্যায়াম বা হালকা শরীরচর্চা শরীরকে সক্রিয় রাখে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং মন ভালো রাখে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আমার ডাক্তার-My doctor posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram