13/03/2026
➡️যেসব বাচ্চারা কুরআন হিফজ করতে চায় তাদের একটি কমন সমস্যা এবং এর সহজ সমাধান:-
আমরা যারা নিয়ত করেছি আমাদের সন্তানদেরকে হাফেজ আলিম বানাবো...তাদের অনেক বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন। আপনারা জেনে থাকবেন যে হিফজখানার বাচ্চারা প্রচুর পরিমাণে প্যারানরমাল সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকে।
বিশেষ করে ১০-১৫ পারা মুখস্ত করার পর থেকে বেশি প্রবলেম শুরু হয়। যেমন....
-অতিরিক্ত ভয় পাওয়া
-পড়া মনে না থাকা
-বারবার অসুস্থ হয়ে যাওয়া (বিশেষ করে মাদ্রাসায় গেলে)
-খাবার খেলে বমি করে দেয়া
-রাতে ঘুমাতে না পারা
-পড়তে গেলে মাথা ব্যথা করা
-প্রচুর পরিমাণে দুষ্টুমি ও বেয়াদবি করা
-মাদ্রাসায় যেতে না চাওয়া
-আবার কেউ কেউ সরাসরি জ্বীন দ্বারা পজেসড হয়ে যাওয়া সহ ইত্যাদি সমস্যা...
এর প্রধান কারণ হচ্ছে ইলমের উপর থাকা শাইত্বনের আইন হাসাদ..একজন ছেলে/মেয়ে কোরআনের হাফিয হবে,সিনার মধ্যে ৩০ পারা কোরআন ধারণ করবে, নিজে জান্নাতের দিকে যাবে এবং মানুষকে জান্নাতের দিকে আহবান করবে...শাইত্বন এইটা কখনোই সহ্য করবে না...তাই সে চায় বদনজর-হাসাদ দিয়ে ইলমের লাইন থেকে সরিয়ে দিতে।
তাই যাদের নিয়্যাত আছে সন্তানকে হাফিয-আলিম বানাবেন...তারা ছোট বেলা থেকেই বাচ্চাদেরকে মাসনুন দোয়া(সকাল-সন্ধ্যার আমল,ঘুমানোর আগের আমল,খাওয়া,টয়লেট,জামা-কাপড় পরিধানের দোয়া) শিখিয়ে অভ্যাসে পরিনত করে দিবেন।
তাই যারা হিফয শুরু করবে এবং যারা অলরেডি প্রবলেমের শিকার তাদের উভয়ের জন্য সাজেশন হচ্ছে....
১- মাসনুন আমল করা
২-অযুর পানির গোসল
*সন্তান যদি নাবালেগ হয় সে ক্ষেত্রে বাচ্চার মা এবং বাচ্চার অজুর পানি দিয়ে বাচ্চাকে গোসল করাবেন।
*সন্তান যদি বালেগ হয় সেক্ষেত্রে শুধু তার নিজের ওযুর পানি দিয়ে গোসল করে নিবে।
(অজুর পানির গোসলের নিয়ম হচ্ছে.. ট্যাপের নিচে বল বা বালটি দিয়ে ট্যাপ ছেড়ে অজু করবে
অজুতে ব্যবহৃত পানিগুলো বল বা বালটিতে জমা হবে....এরপর জমাকৃত পানি প্রথমে শরীরে ঢালবে এরপর ফ্রেশ পানি দিয়ে গোসল করে নিবে)।
যারা সমস্যায় আক্রান্ত তারা সমস্যা অনুযায়ী ৩-৭ দিন অযুর পানির গোসল করবে এবং যতদিন ইলমের লাইনে থাকবে ততদিন সপ্তাহে দুই একবার এভাবে গোসল করে নিবে... ইনশাআল্লাহ তার ইলমের পথে চলা অনেক সহজ হয়ে যাবে।