Ruqyah Zone

Ruqyah Zone জ্বীন-যাদু, বদনজর, হাসাদ এবং এগুলোর কারনে সৃষ্ট শারীরিক ও মানসিক রোগের শরঈয়াহ সম্মত চিকিৎসার বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।

17/03/2026

যে হাদীস জ্বীন-যাদুতে আক্রান্ত রোগীদের অন্তরে আশা জাগায়...

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

মুসলিমকে যে কোন ক্লান্তি, অসুখ, চিন্তা, শোক এমনকি (তার পায়ে) কাঁটাও লাগে, আল্লাহ তাআলা এর মাধ্যমে তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন।”

-(রিয়াদুস সালেহীন: ৩৮; সহীহ বুখারী-৫৬৪২)

17/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ সুম্মা আলহামদুলিল্লাহ

পবিত্র রমাদানে একটা সুসংবাদ গ্রহণ করুন...

★আমাদের কাছে একজন পেশেন্ট যাদুকর ধ্বংসের রুকইয়াহ করেছিলেন... আজকে আমাদের জানালেন যাদুকর মারা গেছে...আলহামদুলিল্লাহ★

রমাদান মাস দুআ কবুলের মাস..এই পবিত্র মাসে যাদুকরের বিরুদ্ধে আপনার বদদুআ জারি রাখুন।

ভাবতেছি ২৯ রমাদান বেলা ১১ টায় একটা ম্যাস সেশন করবো...

💬রমাদান প্রজেক্টের ৩য় অফার- ১১০ টাকায় যাদুকর ধ্বংসের রুকইয়াহ সেশন।

★পেমেন্ট সিস্টেম- ১১০ টাকা (সেন্ড মানি) এডভান্স করে পেইজের ইনবক্সে শেষ ৪ ডিজিট জানাবেন।

01313613898 Personal (bkash/nagad/rocket)

রেফারেন্সে CAM লিখবেন।

✅ গুগল মিটে সেশন অনুষ্ঠিত হবে।

🕜সময়- ২৯ রমাদান বেলা ১১:০০ টায়

বিঃ দ্রঃ -- আমাদের সেশনের রেকর্ডও গ্রুপে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।

17/03/2026

যাদুগ্রস্থ ব্যক্তিদের একটা কমন সমস্যা হচ্ছে বিভিন্ন ওকেশনে(উৎসবের দিনগুলোতে) অসুস্থ হয়ে যাওয়া।

যেমন: ঈদ,দাওয়াত,বিবাহ,পারিবারিক গ্যাদারিং ইত্যাদির সময়।

যাদুগ্রস্থ ব্যক্তিরা অনেক নিয়ামত থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকেন।

আল্লাহ সেইসব জালিমদের ধ্বংস করুন যারা মানুষকে যাদু করে।

16/03/2026

اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

আল্লাহুম্মা ইন্নাকা 'আফুউন,তুহিব্বুল 'আফওয়া,ফা'ফু আন্নি।

হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আপনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; তাই আমাকে ক্ষমা করে দিন।

পবিত্র এই রজনী গুলো তে দুয়ায় শামিল রাখবেন একে অপরকে।

16/03/2026

ইয়া আল্লাহ...

- যাদের বিয়ে হচ্ছে না, তাদের দ্রুত বিয়ের ব্যবস্থা করে দিন।
- যাদের সন্তান হচ্ছে না, তাদের নেককার সন্তান দান করুন।
- যারা পেরেশানিতে আছেন, তাদের পেরেশানি দূর করুন।
- যারা ঋণগ্রস্ত, তাদের ঋণ পরিশোধের তাওফিক দিন।

15/03/2026

পরীক্ষিত হাদিসের আমল
★সন্তান হচ্ছে না
★রিজিকের অভাব

➡️এই আমলটা করুন ইনশাআল্লাহ সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে

اللَّهُمَّ أَكْثِرْ مَالِي وَوَلَدِي، وَبَارِكْ لِي فِيمَا أَعْطَيْتَنِي
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আকসির মা-লী ওয়া ওয়ালাদী, ওয়া বারিক লী ফীমা আ'তাইতানী
সূত্র: সহীহ বুখারী ৭/১৫৪

অর্থ:
হে আল্লাহ! আমার ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বাড়িয়ে দিন এবং আপনি যা আমাকে দিয়েছেন তাতে বরকত দিন।

আল্লাহ যেন আমাদের সকলকে হালাল রিজিক ও নেক সন্তানের মাধ্যমে দুনিয়া ও আখেরাতে সফলতা দান করেন। আমিন।

তুষার ভাই

14/03/2026

আরব বেদুঈনরা ছিলো সোজাসাপটা স্পষ্টভাষী মানুষ। তাদের অন্তরে যে কোনো কিছু উঁকি দিলেই তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে দ্বিধাবোধ করতেন না। তেমনই এক বেদুঈন রাসূলের কাছে এসে বলল:

হে আল্লাহর রাসূল! আমি কুরআন শেখার চেষ্টা করেছি। কিন্তু পারিনি। কঠিন লাগে। আপনি আমাকে এমনকিছু শেখান যা কুরআনের বদলে আমার জন্য যথেষ্ট হবে।

রাসূল তাকে শেখালেন। বললেন:

বলো: সুবহানাল্লাহ - আলহামদুলিল্লাহ - লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ - আল্লাহু আকবার।

বেদুঈন আঙুলের কড়ায় গুণল এক এক করে। শেষে বলল:

ইয়া রাসূলাল্লাহ! এগুলো তো সব আল্লাহর জন্য পড়লাম। এখানে আমার ফায়দা কী? আমি কী পাবো?

খুব চমৎকার প্রশ্ন। সাধারণের মুখে অসাধারণ বচন। আসলেই তো। এগুলো সব আল্লাহরই নাম পড়লাম। আমার জন্য কী আছে তার মধ্যে।

আল্লাহর রাসূল এবার তাকে আবার বলতে বললেন:

اللهمَّ اغفرْ لي وارحمْني وعافني وارزقْني

আল্লাহুম্মাগফিরলি ওয়ারহামনি ওয়া আফিনি ওয়ারযুক্বনি।

মাওলা! আমাকে মাফ করে দাও। আমার উপর রহম করো। আমাকে সুস্থতার নিআমত দাও। আমাকে রিযক দান করো।

বেদুঈন খুশী হয়ে চলে গেলো। বেদুঈনের গমন পথের পানে চেয়ে চেয়ে বললেন:

ذهب الأعرابيُّ وقد ملأَ يديه خيرا

বেদুঈনটা গেলো। অথচ যেতে যেতে হাত ভরে কল্যাণ নিয়ে গেলো। [সুনানে আবি দাউদ ৮৩২]

আল্লাহর কাছে মাফ চাওয়া ও সেই মালিকের কাছেই দুনিয়ার সমস্ত কিছু চাওয়ার তাওফিককে নবি আলাইহিস সালাম হাতভর্তি কল্যাণ বলেছেন। কি সুন্দর না!

আরেক বেদুঈন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর কাছে এসে জিজ্ঞেস করেছিলো:

আচ্ছা! আমি যদি মারা যাই আমার হিসাব নিকাশ কে করবেন?

আব্বাস বললেন: আর কে? আল্লাহ তায়ালাই তো করবেন।

লোকটা মহা খুশী হয়ে গেলো। বলতে লাগলো: কাবার রবের শপথ! আমি তো বেঁচে গেলাম।

আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু অবাক হয়ে জানতে চাইলেন: আল্লাহ বিচার করবেন তুমি তা ভয় পাওনা?

সাধাসিধা লোকটা বলে: আমি গুনাহগার ভুল করে ফেলি। নাফরমান বান্দা আমি। আর আমার মাওলা গফুরুন রহিম ও আমার জন্য যথেষ্ট। আমার মত এক তুচ্ছ বান্দাকে তিনি বিচার করে জাহান্নামে দেবেন তা কী হয়!

আল্লাহ তায়ালা কত বড় জাত! কত বড় রহমান! বান্দাকে কখনো তিনি ভয় দেখান না। দেখান রহমতের বাগানের ফল। হাদিসে কুদসীতে এসেছে:

وعزتي لا أجمع على عبدي خوفين وأمنين إذا خافني في الدنيا أمنته يوم القيامة وإذا أمنني في الدنيا أخفته يوم القيامة

আমার ইজ্জতের শপথ! আমি আমার বান্দার জন্য দুইটা ভয় ও দুইটা নিশ্চয়তা একত্র করি না। বান্দা যদি আমাকে দুনিয়াতে ভয় পায় আমি তাকে কিয়ামতের দিন নিশ্চয়তা দিই। আর যদি বান্দা দুনিয়াতেই নিশ্চিত থাকে আমাকে ভয় না করে তবে কিয়ামতের দিন তাকে ভীতিতে ফেলব।

[শুআবুল ঈমান - বায়হাকী]

আম্মারুল হক্ব ভাই

13/03/2026

➡️যেসব বাচ্চারা কুরআন হিফজ করতে চায় তাদের একটি কমন সমস্যা এবং এর সহজ সমাধান:-

আমরা যারা নিয়ত করেছি আমাদের সন্তানদেরকে হাফেজ আলিম বানাবো...তাদের অনেক বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন। আপনারা জেনে থাকবেন যে হিফজখানার বাচ্চারা প্রচুর পরিমাণে প্যারানরমাল সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকে।

বিশেষ করে ১০-১৫ পারা মুখস্ত করার পর থেকে বেশি প্রবলেম শুরু হয়। যেমন....

-অতিরিক্ত ভয় পাওয়া
-পড়া মনে না থাকা
-বারবার অসুস্থ হয়ে যাওয়া (বিশেষ করে মাদ্রাসায় গেলে)
-খাবার খেলে বমি করে দেয়া
-রাতে ঘুমাতে না পারা
-পড়তে গেলে মাথা ব্যথা করা
-প্রচুর পরিমাণে দুষ্টুমি ও বেয়াদবি করা
-মাদ্রাসায় যেতে না চাওয়া
-আবার কেউ কেউ সরাসরি জ্বীন দ্বারা পজেসড হয়ে যাওয়া সহ ইত্যাদি সমস্যা...

এর প্রধান কারণ হচ্ছে ইলমের উপর থাকা শাইত্বনের আইন হাসাদ..একজন ছেলে/মেয়ে কোরআনের হাফিয হবে,সিনার মধ্যে ৩০ পারা কোরআন ধারণ করবে, নিজে জান্নাতের দিকে যাবে এবং মানুষকে জান্নাতের দিকে আহবান করবে...শাইত্বন এইটা কখনোই সহ্য করবে না...তাই সে চায় বদনজর-হাসাদ দিয়ে ইলমের লাইন থেকে সরিয়ে দিতে।

তাই যাদের নিয়্যাত আছে সন্তানকে হাফিয-আলিম বানাবেন...তারা ছোট বেলা থেকেই বাচ্চাদেরকে মাসনুন দোয়া(সকাল-সন্ধ্যার আমল,ঘুমানোর আগের আমল,খাওয়া,টয়লেট,জামা-কাপড় পরিধানের দোয়া) শিখিয়ে অভ্যাসে পরিনত করে দিবেন।

তাই যারা হিফয শুরু করবে এবং যারা অলরেডি প্রবলেমের শিকার তাদের উভয়ের জন্য সাজেশন হচ্ছে....

১- মাসনুন আমল করা
২-অযুর পানির গোসল

*সন্তান যদি নাবালেগ হয় সে ক্ষেত্রে বাচ্চার মা এবং বাচ্চার অজুর পানি দিয়ে বাচ্চাকে গোসল করাবেন।

*সন্তান যদি বালেগ হয় সেক্ষেত্রে শুধু তার নিজের ওযুর পানি দিয়ে গোসল করে নিবে।

(অজুর পানির গোসলের নিয়ম হচ্ছে.. ট্যাপের নিচে বল বা বালটি দিয়ে ট্যাপ ছেড়ে অজু করবে
অজুতে ব্যবহৃত পানিগুলো বল বা বালটিতে জমা হবে....এরপর জমাকৃত পানি প্রথমে শরীরে ঢালবে এরপর ফ্রেশ পানি দিয়ে গোসল করে নিবে)।

যারা সমস্যায় আক্রান্ত তারা সমস্যা অনুযায়ী ৩-৭ দিন অযুর পানির গোসল করবে এবং যতদিন ইলমের লাইনে থাকবে ততদিন সপ্তাহে দুই একবার এভাবে গোসল করে নিবে... ইনশাআল্লাহ তার ইলমের পথে চলা অনেক সহজ হয়ে যাবে।

12/03/2026

লাইলাতুল কদরের দো'আ ।

মা আয়েশা(রা:) নবী ﷺ কে জিজ্ঞাসা করেনঃ হে আল্লাহর রাসূল ﷺ! যদি আমি লাইলাতুল কদর লাভ করি, তাহলে কি দুআ করবো? তিনি বলেনঃ বলবে,

اللهم إنك عفو تحب العفو فاعف عنا

আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল্ আফওয়া ফা'ফু আন্নী।

অর্থ- হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাশীল। ক্ষমা করতে পছন্দ কর, তাই আমাকে ক্ষমা করে দাও"।

[আহমদ,৬/১৮২]

12/03/2026

“যদি লাইলাতুল কদরের তালাশকৃত বিজোড় রাতটি জুম’আর রাতের মাঝে পরে যায়,তাহলে অন্যান্য বিজোড় রাতের তুলনায় এই রাতে লাইলাতুল কদর সংঘটিত হওয়ার বেশি আশা করা যায়।”

- ইমাম ইবনু রজব আল হাম্বলী (রহমাতুল্লাহ আলাইহি)

[লাতায়িফুল মা’আরিফ, ইবনু রাজাব পৃ.২০৩]

আজকে কিন্তু জুম'আর রাত...হতে পারে সম্ভাব্য কদরের রাত।

10/03/2026

এই মূহুর্তে যারা ইবাদতের উদ্দেশ্যে জেগে আছেন...তারা দুআ করার সময় আমাদেরও স্মরণ রাখবেন প্লিজ।

আমাদের পেইজের রাক্বি এবং মডারেটরদের জন্য দুআ'র দরখাস্ত।

10/03/2026

শুনবেন এবং দুআর সাথে সাথে আমিন বলবেন।

Address

Demra
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruqyah Zone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram