Dr. Niloy Kumar Mondal

Dr. Niloy Kumar Mondal Dr.Niloy Kumar Mondal. MBBS(RpMC), MPH (Dhaka),
PGT (MEDICINE & ORTHOPAEDICS)
CCD(BIRDEM), CMU (Ultra)

18/01/2026

মাঝ রাতে হঠাৎ বুক ব্যথা??
বুকে ভীষণ চাপ ধরে আছে??
এটা কি হার্ট অ্যাটাক?
নাকি গ্যাস্ট্রিক?
সাধারণ মানুষ কি করে বুঝবেন?
কি করনীয়?
কখন হাসপাতালে নিতেই হবে?

🟠১। রোগীর বুক চেপে ধরে আছে,
বয়স চল্লিশের উপর-- হার্টঅ্যাটাক
হতে পারে ।
🟠২. বুকে চাপের কারনে রোগী
বারবার উঠে বসছে।
শুইয়ে থাকলে দম বন্ধ হয়ে আসছে।
বসে থাকলে কিছুটা ভালো লাগে।
- হার্ট অ্যাটাক বা হাঁপানী হতে পারে ।
🟠৩। নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে।
--হার্ট এটাক এর সম্ভাবনা বেশি।
🟠৪। রোগীর শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, ঘরের দরজা জানালা খুলে রোগী ঘরের বাইরে যেতে চায়--হার্ট এটাক (হাঁপানি বা খুব বেশি "হাই প্রেসারে" ও হতে পারে।)
🟠৫. বুক ব্যথা টি বাম বাহুতেও চলে যাচ্ছে বা বাম বাহুও ব্যথা করছে - অবশ্যই হার্ট অ্যাটাক এর সম্ভাবনা বেশি ।
🟠৬। কিছু দিন ধরে দুশ্চিন্তা,ব্যবসায় লোকসান হচ্ছে। মেয়ের বিয়ে হচ্ছে না। এনিয়ে চিন্তার শেষ নেই - হার্টএটাক।
🟠৭। প্রচন্ড মানুষিক চাপ, স্ত্রীর সাথে ঝগড়া, এরপর বুক ব্যথা- হার্ট এটাক হতে পারে ।
🟠৮। আগে থেকেই ডায়াবেটিস বা হাই প্রেসারের রোগী, এখন বুক ব্যথা
- হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি ।
🟠৯। মারাত্মক ধুমপায়ী। একটার পর একটা খেতেই থাকেন। -হার্ট এটাক হতে পারে তবে গ্যাস্ট্রিকও হতে পারে ।
🟠১০। শারীরিক পরিশ্রম/ব্যায়াম করেন না, খুব মোটা।- হার্ট এট্যাক।
🟠১১। এন্টাসিড, এলজিন, হাইসোমাইড, সেকলো ক্যাপসুলে ব্যথা কমছে না,
আধা- শোয়া অবস্থায় কিছুটা ব্যাথা কমে। আপনি রোগীকে বারবার শুইয়ে দিচ্ছেন কিন্তু রোগী বারবার উঠে বসছেন -
হার্ট অ্যাটাক।
🟠 রোগী আগে থেকে বহুতল ভবনে তিন তলায় উঠতেই প্রচন্ড হাঁপিয়ে ওঠেন,এখন বুক চাপ ধরে আছে।
-- হার্ট এ্যাটাক।

🧧এবারে আসি গ্যাস্ট্রিকের লক্ষনে🧧

🟠১২. রোগী রাতে অতিরিক্ত ঝাল, মরিচ,লেবু, ভর্তা, ভাজা,পোড়া খেয়েছেন।- গাস্ট্রিক হতে পারে।
🟠১৩..রোগীর কোস্ট কাঠিন্য আছে। ----গ্যাস্ট্রিক
🟠১৪. আগে থেকেই একটু খেলেই পেট ভরে ওঠে,মনে হয় গলা পর্যন্ত খাবার আটকে আছে, খাবার নীচে নামছে না।
-গ্যাস্ট্রিক।
🟠 রোগী বলেন যে বুকে "খিল" লেগে আছে। সামনে হেলতে পারছি না -গ্যাস্ট্রিক
🟠 রংপুরে রোগীগন বলেন - বাবা
"মোর সুনপুটি বিষ্যায়চল"- মানে হচ্ছে পিঠ ব্যথা করছে।

🧧 করনীয় -🧧

🟠১৫।অবিলম্বে রোগী কে হাসপাতালে
নিন।
🟠১৬। হার্টের ক্ষেত্রে - যদি পাওয়া যায় - রোগী কে Tab..Angist SR 2.6mg এবং Tab Ecosprin 75mg চারটি বড়ি এক সাথে এবং সংগে Cap. Seclo 20mg দুইটি খাওয়ান।
এবং Nitromint inhelar, শ্বাসে নিবেন।
যদি থাকে -অক্সিজেন দিন।
অক্সিজেন যুক্ত এম্বুলেন্স ডাকুন। এম্বুলেন্সের বেডেও রোগীকে আধাশোয়া অবস্থায় রাখুন বা মাথার নীচে দুইটি বালিশ দিন।
🟠১৭। নবীন, জুনিয়র ও জরুরী বিভাগের ডাক্তার দের বলবো--
গাস্ট্রিকের রোগীকে ভুল করে
হার্টঅ্যাটাক মনে করা বড় অপরাধ নয়।
🟠১৮। কিন্তু হার্ট অ্যাটাকের রোগীকে গ্যাস্ট্রিকের রোগী ভেবে ভুল চিকিৎসা/ ব্যবস্থাপনা করা ভয়াবহ অপরাধ।
🟠১৯। আমি এই পোস্টে ভুল কিছু লিখে থাকলে তা যে কেউ সংশোধন বা
সংযোজন করলে খুশি হবো।

কক্সবাজার, সেইন্ট মার্টিনে যাবেন?তাহলে এই কয়েক লাইন না পড়ে এক পা-ও বালিতে দেবেন না।সমুদ্রের নরম বালু, খালি পা, ছবি আর রি...
10/01/2026

কক্সবাজার, সেইন্ট মার্টিনে যাবেন?
তাহলে এই কয়েক লাইন না পড়ে এক পা-ও বালিতে দেবেন না।

সমুদ্রের নরম বালু, খালি পা, ছবি আর রিল—
এটাই সবচেয়ে নিরাপদ মুহূর্ত।
কিন্তু ওই বালুর ভেতরেই লুকিয়ে থাকে এমন একটা জিনিস,
যা কয়েক দিনের মধ্যে আপনার পায়ের ওপর আঁকিবুঁকি শুরু করতে পারে।
প্রথমে ছোট লালচে গুটি।
তারপর তীব্র চুলকানি।
রাতে ঘুম ভাঙে।
হাঁটলে বাড়ে।
দাগটা জায়গা বদলায়, বেঁকে বেঁকে এগোয়—
ঠিক যেন ত্বকের নিচে কিছু একটা হেঁটে যাচ্ছে।
এটা কোনো অ্যালার্জি না।
এটা ছত্রাকও না।
খালি পায়ে বালুতে হাঁটার সময়
কুকুর বা বিড়ালের মলের সাথে থাকা কৃমির লার্ভা
ত্বকের ভেতরে ঢুকে পড়ে।
মানুষের শরীরে তারা বড় হতে পারে না,
কিন্তু আটকে গিয়ে ত্বকের নিচে চলাফেরা করে।
রোগটার নাম Cutaneous Larva Migrans।
যা করবেন না
খোঁচাবেন না
নিজে নিজে মলম বা স্টেরয়েড লাগাবেন না
“এমনিতেই সেরে যাবে” ভেবে বসে থাকবেন না
করণীয়
দ্রুত চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ দেখাবেন
সঠিক ওষুধে কয়েক দিনের মধ্যেই সমস্যা শেষ
দাগ পড়ে না

যা করলে একদমই হবে না:-

সমুদ্র সৈকতে খালি পায়ে হাঁটবেন না
বালুতে বসলে তোয়ালে বা ম্যাট ব্যবহার করবেন
শিশুদের খালি পায়ে খেলতে দেবেন না
ছুটি সুন্দর হোক।
স্মৃতি থাকুক, দাগ না।
এই লেখাটা শেয়ার করুন।
কারো এক পা বাঁচলেও, লেখা
📝

দুধ চা, নাকি রং (লাল) চা.....চা খায় না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বিরল। দুধ চা আর লাল চা (দুধ-চিনি ছাড়া) – কাছাকাছি মনে হলেও ...
05/01/2026

দুধ চা, নাকি রং (লাল) চা.....

চা খায় না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বিরল। দুধ চা আর লাল চা (দুধ-চিনি ছাড়া) – কাছাকাছি মনে হলেও এদের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব

জার্মানির বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা বলছে, লাল চা রক্তনালির প্রসারণ ঘটায় যা হৃদযন্ত্রের জন্য ভালো। কিন্তু দুধ চা এটা করতে পারে না, কারণ দুধের প্রোটিন চায়ের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টকে বাধা দেয়।

কোন চা পান করবেন?

যারা ডায়েট করেন, যাদের ওজন কমানো দরকার, যাদের দুধ খেলে সমস্যা হয়, যাদের হার্টের সমস্যা আছে- তাদের জন্য রং চা ভালো।

দুধ চা

যারা আরাম, আয়েশ করে আড্ডা দিতে দিতে খেতে চান, যার ওজন বেশি না, যার হার্টে কোন সমস্যা নেই, ডায়াবেটিস নেই তারা দুধ চা খেতে পারেন।

সতর্কতা: বেশি জ্বাল দেওয়া চা এড়িয়ে চলা উচিত।

প্রতিদিন কয় কাপ চা খাওয়া যেতে পারে?

সাধারণ ভাবে দৈনিক ২-৩ কাপ চা খাওয়া যেতে পারে। তবে কাপ কত বড় এটাও বিবেচ্য বিষয়, কেউ যদি মগের মতো বিশাল কাপে দৈনিক ২-৩ বার চা খায় তাহলে তার ক্ষতি হওয়াই স্বাভাবিক।

তবে আমার একটা টেকনিক আছে যা চা লাভারদের কাজে লাগতে পারে, তা হলো হাফ কাপ চা দিনে ৪ বার, তাহলে মোটামুটি ২ কাপ চায়ের পরিমাণ দিয়ে হয়ে যায়। আর ৪ বারের মধ্যে একবার খাই চাফি (সামান্য কফি দিয়ে), আর একবার গ্রীন টি।

Disclaimer: বেশি চিন্তা ভাবনা করে লাভ নাই, চা ছাড়া বাঁচবো না। তাই যত দিন বেঁচে আছি তত দিন দুধ চা খেতে চাই।

#লালচা #দুধচা #চা #স্বাস্থ্য #তুলনা

27/12/2025

আমাদের অনেকেরই ধারণা, আমরা যখন এন্টিবায়োটিক এর ডোজ অসম্পূর্ণ রাখি (মানে ধরেন, ১০ দিনের কোর্স শেষ না করে ৫ দিন খেয়ে বাদ দেই) তখন, শরীরে বেঁচে যাওয়া প্যাথোজেনিক ব্যাকটেরিয়াগুলো এই এন্টিবায়োটিক-কে চিনে রাখে। এবং এই এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে ডিফেন্স মেকানিজম ডেভেলপ করে। ফলে রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়। একই এন্টিবায়োটিকে আর পরবর্তীতে কাজ হয় না।

❌ না, এটা ঠিক এভাবে হয় না।

⭕ তাহলে, আসলে একটা অরগানিজম কিভাবে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্ট হয়?

(আলোচনার সুবিধার্থে শুধু 'ব্যাকটেরিয়া' এবং 'এন্টিবায়োটিক' নিয়ে কথা বলবো)

☘️ ব্যাকটেরিয়া খুব কম সময়ে reproduce করে। মানে, তাদের cell division খুব দ্রুত হয়। অনেক অনেক পরিমাণে হয়। খুব সামান্য সময়ের মধ্যে মিলিয়ন, বিলিয়ন পরিমাণ হয়ে যায়। এখন এই যে এত পরিমাণ সেল ডিভিশন, এত এত DNA replication হয়, তাতে তো কিছু ভুল হয়েই যায়। মানে, কিছু Mutation হয়ে যায়।

এটা একটা স্বাভাবিক ব্যাপার। প্রাকৃতিক, স্বতঃস্ফূর্ত ঘটনা। (এই যে আমি, আপনি আমরা মানুষ, আমাদেরও সেল ডিভিশন এর সময় কিছু মিউটেশন হয়, যার রেট খুব কম। কিন্তু হয়)।

এখন এই ন্যাচারাল, স্পনটেনাস মিউটেশন- অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হয় হার্মলেস। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এই মিউটেশন এর ফলে ব্যাকটেরিয়া এমন কোনো বৈশিষ্ট্য অর্জন করে, যেটা তাকে কোনো নির্দিষ্ট এন্টিবায়োটিক এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধী ক্ষমতা দেয়।

ধরা যাক, আপনার শরীরে একটা infection এর সময় ১টা নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া আছে ১০ মিলিয়ন।
এই ব্যাকটেরিয়াগুলোর মধ্যে ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯০ টা ব্যাকটেরিয়া মোটামুটি একইরকম।

বাকি ১০ টা ব্যাকটেরিয়াতে এমন কিছু মিউটেশন হইছে, যেগুলোর ফলে সে একটা নতুন এনজাইম তৈরি করতে পারতেছে। যে এনজাইম penicillin antibiotic কে ডেস্ট্রয় করার ক্ষমতা রাখে।

[এখানে উল্লেখ্য যে, আপনি হয়তো জীবনে কোনোদিন পেনিসিলিন ছুঁয়েও দেখেন নি, খাওয়া তো দূরের কথা!]

এখন, এই মাত্র দশটা আলাদা ব্যাকটেরিয়ার এমনিতে আপনার তেমন কোনো ক্ষতি করার সক্ষমতা নাই।

এখন, আপনি যদি পেনিসিলিন খাওয়া শুরু করেন, ধরেন আপনি তিন দিন খাইলেন। সেক্ষেত্রে যারা সবচেয়ে বেশি সেনসিটিভ সেই ব্যাকটেরিয়াগুলো আগে মারা যাবে। যারা আরেকটু টাফ, তারা হয়তো ৫ দিন এন্টিবায়োটিক খেলে মারা যাবে, যারা আরো টাফ তাদেরকে মারতে হয়তো ৭ দিন লাগবে!

আপনি ৫ দিন ওষুধ খেয়ে সিম্পটম কমে গেল (কারণ, মোস্ট সেনসিটিভ ব্যাকটেরিয়াগুলো মারা গেছে)। তাই ওষুধ ছেড়ে দিলেন। এরফলে এখন ধরেন ওই ১০ টা ব্যাকটেরিয়া, যারা নতুন এনজাইম পেয়েছে। তাদের ওপর তো পেনিসিলিন কাজ করবে না।

এতদিন ওই ১০ টা ব্যাকটেরিয়ার কম্পিটিটর ছিল মাঠে। তাদেরকে আরো অনেকের সাথে নিউট্রিশন এর জন্য যুদ্ধ করতে হতো।

কিন্তু এখন মাঠ ফাঁকা। এই রেজিস্ট্যান্ট ১০ টা ব্যাকটেরিয়া এখন সমানে বংশবিস্তার করবে। তখন আপনার শরীরে যা থাকবে, সব পেনিসিলিন রেজিস্ট্যান্ট ভ্যারিয়েন্ট!

এইটাকে ব্যাখ্যা করা যায়, ডারউইন এর ন্যাচারাল সিলেকশন এবং সারভাইভাল অব দ্য ফিটেস্ট দিয়ে।

এই যে ব্যাকটেরিয়া গুলো, যারা এখন বেঁচে আছে ( মিউটেশন এর কারণে), তারা ন্যাচারালি সিলেক্ট হইছে [লটারির মতো অনেকটা]। এটাই হচ্ছে ন্যাচারাল সিলেকশন।
এবং এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে (এন্টিবায়োটিক দ্বারা সৃষ্ট প্রতিকূল পরিবেশে) এরাই বেঁচে থাকবে, কারণ এরা এই পরিবেশের জন্য ফিট!

⭕ তাহলে ব্যাপারটা দাঁড়াল এই-
এন্টিবায়োটিক খাওয়ার আগেই রেজিস্ট্যান্স ডেভেলপ করে। এটা পুরাটাই একটা ন্যাচারাল জিনিস।

🏵️ এখন সম্পূরক প্রশ্ন হতে পারে, যদি এন্টিবায়োটিক না খেলেও রেজিস্ট্যান্স হয়, তাহলে এই যে এন্টিবায়োটিক এর ফুল কোর্স খাওয়া নিয়ে, বা র‍্যাশনাল ইউজ নিয়ে এত কথা হয়, এগুলোর দরকার কী?
না খাইলেও যদি হয়, সেক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক খাওয়া না খাওয়ার সাথে তো রেজিস্ট্যান্সের সম্পর্ক নাই।

🍁 উঁহু! সম্পর্ক আছে।

এই যে আপনি ৭ দিনের জায়গায় ৪ দিন এন্টিবায়োটিক খেয়ে সেন্সিটিভ, দুর্বল ব্যাকটেরিয়াগুলো মেরে ফেলে একটু টাফ ব্যাকটেরিয়ার জন্য মাঠ ফাঁকা করে দিলেন, এটাই আপনার দোষ।

এটাকে বলে selection pressure.

মানে, রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়া ছিল ১০ টা। তারা বাকি ৯৯ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯০ টার ভিড়ে কিছু করে উঠতে পারছিল না। আপনি এন্টিবায়োটিক খেয়ে ওই ১০ টার কাজ সহজ করে দিলেন। এখন তারা পুরো জায়গাটা দখল করে নেবে।

⭕ আর ফুল ডোজ এন্টিবায়োটিক শরীরে এমন এক কনসেন্ট্রেশন তৈরি করে যা অনেক সময় ওই অল্প মিউটেটেড 'টাফ' ব্যাকটেরিয়াকেও মেরে ফেলতে পারে, কিন্তু ডোজ মিস দিলে সেই সুযোগটা থাকে না।

☘️ আপনি যদি ভাইরাল ফিভারে হুদাই এন্টিবায়োটিক খান, সেক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটে। এতে আপনার ভাইরাস তো মরেই না, উল্টো শরীরের ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলো মরে গিয়ে কিছু মিউটেটেড খারাপ ব্যাকটেরিয়ার জন্য জায়গা করে দেয়।
©

🕺বর্তমানে ট্রেন্ড চলছে খেজুর বাগানে গিয়ে কাঁচা খেজুরের রস খাওয়া।কাঁচা খেজুরের রস খেলে হতে পারে নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ।⚕️...
25/12/2025

🕺বর্তমানে ট্রেন্ড চলছে খেজুর বাগানে গিয়ে কাঁচা খেজুরের রস খাওয়া।
কাঁচা খেজুরের রস খেলে হতে পারে নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ।
⚕️নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণে মৃত্যু হার প্রায় ৭১%।

আসুন নিপাহ ভাইরাস সম্পর্কিত কিছু সংক্ষিপ্ত তথ্য জেনে নেই--
🏥নিপাহ ভাইরাস:
নিপাহ ভাইরাস একটি অত্যন্ত মারাত্মক ও প্রাণঘাতী রোগ। এটি প্রধানত ফলভুক বাদুড় থেকে মানুষে ছড়ায় এবং আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শেও সংক্রমিত হতে পারে।

🏥সংক্রমণের উপায়:
১. নিপাহ ভাইরাস প্রধানত ফলভুক বাদুড় থেকে মানুষের শরীরে ছড়ায়।
২. বাদুড়ে দূষিত কাঁচা খেজুরের রস পান করলে মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।
৩. বাদুড়ে কামড়ানো বা আধখাওয়া ফল খেলে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।
৪. আক্রান্ত ব্যক্তির লালা, শ্বাসনালীর নিঃসরণ বা রক্তের সংস্পর্শে এলে রোগ ছড়াতে পারে।

🏥রোগের লক্ষণ:
১. হঠাৎ জ্বর দেখা দিতে পারে।
২. তীব্র মাথাব্যথা ও শরীর ব্যথা হতে পারে।
৩. বমি, দুর্বলতা ও অতিরিক্ত ঘুম ভাব দেখা যায়।
৪. খিঁচুনি, অচেতনতা ও কোমা হতে পারে।
৫. শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে।

🏥করণীয়:
১. কাঁচা খেজুরের রস খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
২. ফল ভালোভাবে ধুয়ে খেতে হবে।
৩. বাদুড়ে কামড়ানো বা আধখাওয়া ফল খাওয়া যাবে না।
৪. অসুস্থ ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে।
৫. নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।
৬. জ্বর বা স্নায়বিক লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যেতে হবে।

🏥বিশেষ সতর্কতা:
নিপাহ ভাইরাসের নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই।
প্রতিরোধই এই রোগ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায়।
সবাই সচেতন হোন।
— জনস্বার্থে প্রচারিত।।
ডা: নিলয় কুমার মন্ডল
MBBS(rpmc), MpH(Dhaka)
Research Medical Officer ,

বাংলাদেশের সমাজের অন্যতম একটা ডার্ক-সাইড কী জানেন?এদেশের ছেলে-মেয়েরা সচরাচর নিজেদের বাবা-মাকে অন্য কারো বাবা-মার সাথে তু...
03/10/2025

বাংলাদেশের সমাজের অন্যতম একটা ডার্ক-সাইড কী জানেন?

এদেশের ছেলে-মেয়েরা সচরাচর নিজেদের বাবা-মাকে অন্য কারো বাবা-মার সাথে তুলনা করে না; চিন্তাও করে না। নিজের অভিভাবকের উপার্জন যেমনই হোক না কেন, সেটা অন্যের অভিভাবকের উপার্জন স্কেলের সাথে তুলনা করে না; ওনাদের সামর্থ্যের বাইরে এমন কিছু স্বপ্ন দেখে হয়তো, কিন্তু সাধারণত আবদার করে না কখনো।
কিন্তু এদেশের বাবা-মারা সবসময় দেখা যায় তাদের সন্তানদের সাথে অন্যের তুলনা করে; ৪-৫ বছরের সন্তান হোক বা ৩৫-৪০ বছরের। অন্যের ছেলে পরীক্ষায় জিপিএ ফাইভ পেয়েছে, গোল্ডেন এ+ পেয়েছে, মেডিক্যালে-বুয়েটে-পাবলিকে চান্স পেয়েছে, ৯৫%-৯৮% মার্ক পেয়েছে; অমুকের ছেলে মাসে এতো টাকা ইনকাম করে ঘরের হাল ধরেছে, অমুকের ছেলে বিসিএস ক্যাডার, ব্লা ব্লা ব্লা। বিশ্বাস করেন, সামান্য সামান্য ভুলের কারণে অথবা মর্জি মতো না চলার কারণে সন্তানের মৃত্যু পর্যন্ত কামনা করে এমন অভিভাবকও আছেন।

মানুষ যদি নিজের সন্তানদের প্রতিই এই বিশ্বাস না রাখে যে সে কিছু না কিছু পারবে, আপনিই যদি বিশ্বাস না করেন যে তার দ্বারা সম্ভব, তাহলে তো দুনিয়ার কেউই বিশ্বাস করবে না। ইমাজিন করতে পারেন, ৫-১০ বছরের একটা ছেলেকে যখন বলা হয় যে "তোর দ্বারা কিছুই সম্ভব না," তার উপর কেমন প্রভাব পড়ে?

শারীরিক স্বাস্থ্যের প্রতি এতো লোক-দেখনো যত্ন, মানসিক স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে দেখেছেন? নিচে কিছু ঘটনার উদাহরণ দিচ্ছি, যেখানে আমাদের সমাজের এই “ডার্ক-সাইড” তুলে ধরা হয়েছে:

২০২৪ এ, Aachol Foundation এর একটি রিপোর্ট বলেছে যে ২০২৪ সালে আত্মহত্যা করার শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৪৯.৪% স্কুল-ছাত্রী/ছাত্রী ছিল, এবং পরিবারের উচ্চ শিক্ষা ও সাফল্য প্রত্যাশার চাপ একটি প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আরও একটি রিসার্চ "Understanding complex causes of suicidal behaviour among graduates in Bangladesh" (২০২৪) বলেছে, বাংলাদেশে পিতৃতান্ত্রিক সামাজিক প্রত্যাশা (যেমন “ভালো চাকরি করো, পরিবারের মর্যাদা রক্ষা করো”) তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সিরাজগঞ্জ জেলার একটি স্টাডি "Proportion of mental health problems in adolescents in Bangladesh", অক্টোবর ২০১৯ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২০ পর্যন্ত, ১৩-১৯ বছর বয়সী ১২৯ জন কিশোর-কিশোরীর মধ্যে Depression-Anxiety -Stress (DASS-21) মডেল প্রয়োগে দেখা গেছে: ৪২.৬% কিশোরদের মধ্যে বিষণ্ণতা ছিল, ৫৫.৮% উদ্বেগ, ৪৪.২% স্ট্রেস। এই গবেষণায় পারিবারিক সম্পর্ক (parent-child relationship) মানসিক সমস্যার সঙ্গে significantly রিলেটেড। অর্থাৎ, সন্তান ও পিতামাতা সম্পর্কের বৈশিষ্ট্য, যেমন অত্যধিক নিয়ন্ত্রণ, তুলনা, শ্রদ্ধাহীন ব্যবহার বিপজ্জনক হতে পারে।

২০২২ সালে প্রকাশিত একটি স্টাডি "Overparenting's Consequences in Bangladeshi Society Child's Intelligence, Growth, and Creativity" বলেছে, বাংলাদেশে “overparenting” (অর্থাৎ অভিভাবকদের অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ, আবদার ও উচ্চ প্রত্যাশা) সন্তানের সৃজনশীলতা, বুদ্ধিমত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্যকে বিরূপভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

The Business Standard এ প্রকাশিত একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, Raihan নামের একজন কিশোর ১৬ বছর বয়সে “নিজের ঘরে অদৃশ্য” বোধ করতেন। HSC পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় তার উদ্বেগ এবং বিভিন্ন মানসিক চাপ এত বেড়ে যায় যে তিনি একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি বলেন, “ভয় আমাকে ঘিরে ধরে রাখে, যদি আমি ভালো রেজাল্ট দিতে না পারি, আমি পরিবারের ও সমাজের কাছে মূল্যহীন হয়ে পড়ব।” এই গল্পটি চোখ খোলে দেয় যে একটি কিশোরের মনোজগতে “পরীক্ষার ফল” ও “পরিবারের প্রত্যাশা” কতটা ভয়ঙ্করভাবে উত্তপ্ত হতে পারে।

“Understanding the Social Determinants of Mental Health of the Undergraduate Students in Bangladesh” নামক একটি রিসার্চ দুই ধাপে ৩৮ জন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর সঙ্গে সেমি-স্ট্রাকচারড সাক্ষাৎকার নিয়েছিল।
একজন শিক্ষার্থী বলেছিলেন, “পারিবার থেকে একটা নিরব আকাঙ্ক্ষা থাকে, তুমি ভালো হও, সার্বিকভাবে শ্রেষ্ঠ হও, কিন্তু তারা কখনো বলেনি, ‘তুমি কেমন অনুভব করছ?’

এগুলো সিম্পলি কোনো কৈফিয়ত নয়, এগুলো স্পষ্টভাবে দেখায় যে, পিতামাতার তুলনা, অতিরিক্ত প্রত্যাশা ও মানসিক চাপ অনেক সময় বাস্তব জীবনকে বদলে দিতে পারে। এসবের পরিবর্তন প্রয়োজন; সংস্কার প্রয়োজন। একটা কথা বলেই শেষ করি:

We often forget that children have their own strengths and passions. Instead of nurturing their uniqueness, we push them to fit a mold that may not suit them, treating success like a rigid formula. The greatest injustice on earth is not giving a child a life of peace.

Dr. Niloy Kumar Mondal
MBBS(RpMC), MpH(Dhaka)
CCD, MCGP, CMU(ultra)

এক অত্যাশ্চর্য আবিষ্কার ঘটেছে চিকিৎসা বিজ্ঞানে !  বিজ্ঞানীরা মানুষের গলার গভীরে লুকিয়ে থাকা একটি অজানা অঙ্গ খুঁজে পেয়ে...
19/09/2025

এক অত্যাশ্চর্য আবিষ্কার ঘটেছে চিকিৎসা বিজ্ঞানে ! বিজ্ঞানীরা মানুষের গলার গভীরে লুকিয়ে থাকা একটি অজানা অঙ্গ খুঁজে পেয়েছেন। এই নতুন অঙ্গ, নাকের পিছনে উপরের গলার কাছে অবস্থিত এক জোড়া লালা গ্রন্থি বলছেন বিজ্ঞানীরা।

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে, মেডিকেলের অ্যানাটমি বইয়ে কেবল তিনটি প্রধান লালা গ্রন্থির জোড়ার কথা বলা ছিল, প্যারোটিড, সাবম্যান্ডিবুলার এবং সাবলিঙ্গুয়াল । এই লুকানো গ্রন্থিকে "টিউবারিয়াল গ্রন্থি " নাম দেয়া হয়েছে । এই আবিস্কার মানবদেহ সম্পর্কে আমাদের ধারণায় একটি সম্পূর্ণ নতুন অংশ যোগ করেছে। এই গ্রন্থিগুলি উপরের গলা এবং নাকের পথগুলিকে পিচ্ছিল করতে এবং সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন ।

এই অসাধারণ আবিষ্কার প্রমাণ করে এই একবিংশ শতাব্দীতেও, মানুষের শারীরে এখনও অনেক কিছু গোপন রহস্য রয়ে গেছে। এটি আরো আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে মহান স্রষ্টা মানবদেহ পূর্বের ধারণার চেয়েও জটিল এবং রহস্যময় করে সৃষ্টি করেছেন আমাদেরকে শ্রেষ্ঠ মাখলুকাত হিসেবে তৈরীতে ! আরো গবেষনা ও মেধাবী মানুষের প্রচেষ্টায় চিকিৎসা বিজ্ঞান আরো নতুন দিগন্ত ফিরে পাবে এটাই আগামীর প্রত্যাশা ।

18/06/2025
11/06/2025

এফসিপিএস মেডিসিনে গোল্ড মেডেল পাওয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক Dr. Khairul Islam (MBBS,MCPS,FCPS) ভাই। ভাই শুধু ডিগ্রীধারী বিশেষজ্ঞই নন, ক্লিনিসিয়ান হিসেবেও খুবই ভালো। একাডেমিক ও মানবিক একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। ভাইয়ের সাথে দেখা হলে সবসময় বিভিন্ন কেইস নিয়ে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। কেইস নিয়ে কৌতুহল থাকায় শুনতে/জানতে ভালো লাগে এবং থিংকিং ক্যাপাবিলিটি বাড়ানোর চেষ্টা করি। সেদিন ভাইয়া একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।

মহিলার বয়স মাত্র ২৯ বছর। সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে বাচ্চা জন্ম দেয়ার কয়েকদিন পর গাইনী ডিপার্টমেন্টে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন জ্বর নিয়ে এবং এর সাথে তখনই/পরবর্তীতে Diarrhoea দেখা দেয়।

ঐ সময় জ্বরের কারণ হিসেবে underlying Infection চিন্তা করে পেশেন্ট কে হসপিটালে ভর্তির পরামর্শ দেয়া হয়। সেলাইয়ের জায়গার একটা অংশ কিছুটা আদ্র থাকায় সেখানে ইনফেকশন চিন্তা করা হয়। প্রথমে এম্পেরিয়াল এন্টিবায়োটিক শুরু করা হয় কিন্তু রোগীর তেমন উন্নতি নেই। বরং শরীরের গলার নিচে-বুকে-পিঠে বিভিন্ন জায়গায় Rash দেখা। গাইনোকলজিস্ট Antibiotic এর Drug Reaction চিন্তা করে Antibiotic বন্ধ করেন।

পরবর্তীতে আদ্র জায়গা থেকে Swab নিয়ে কালচারের জন্য পাঠানো হয় কিন্তু কালচারে কোন গ্রোথ ছিল না। পরবর্তীতে কয়েক দফায় এন্টাবায়োটিক পরিবর্তন করা হয়। এর পাশাপাশি ব্লাড কালচার করা হয় সেখানেও কোনো গ্রোথ পাওয়া যায় নি। এছাড়া জ্বরের কারণ খোঁজার জন্য টিবি সহ সম্ভাব্য অন্যান্য পরীক্ষাও করা হয় কিন্তু কোনো ক্লু পাওয়া যায়নি।

যেহেতু ডেঙ্গু সিজন চলছে ডেঙ্গু টেস্টও করা হয়েছিল ডেঙ্গু টেস্ট নেগেটিভ, Platelet count নরমাল।

এর মধ্যে মেডিসিন ডিপার্টমেন্টে কল দেয়া হয় মেডিসিনের সিনিয়র ডাক্তার এসেও কোনো ক্লোজ খুঁজে পাচ্ছেন না।
এন্টিবায়োটিক পরিবর্তন করা হল কিন্তু উন্নতি নেই।

এর মধ্যে রোগীর CBC পরীক্ষায় দেখা যায় যে wbc কাউন্ট দিন দিন কমে যাচ্ছে। জন্ডিস দেখা দিয়েছে, বিলিরুবিন বেশি। এলবুমিন ও কমে যাচ্ছে।

Procalcitonin level, HBsAg, Anti HCV সহ অনেক টেস্ট করা হয়েছিল সব নরমাল। এদিকে Albumin দিয়েও Albumin লেভেল নরমালে রাখা যাচ্ছে না বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ট্রাই করেও রোগীর কোন উন্নতি হচ্ছে না
কিন্তু কেন এমন হলো তার কোন ব্যাখ্যা ও দিতে পারছেন না ডাক্তাররা।

সবশেষে উনারা বলেন যে, Septicemia থেকে Multiorgan failure এর দিকে যাচ্ছে পেশেন্ট।

ঐ মুহূর্তে ডা. খাইরুল ভাইয়ার ডাক পড়ে। ভাইয়া ওয়ার্ডে গিয়ে পেশেন্ট কে দেখেন। একেবারে শুরু থেকে হিস্ট্রি নেন এবং প্রশ্ন করে পাওয়া একটা ক্লু থেকে ডায়াগনোসিস করেন। সেই মুহূর্তে ভাইয়া মোবাইলে থাকা পেশেন্টের Rash এর ছবি টা আমাকে দেখান।

পেশেন্টের হিস্ট্রি + Rash এর ছবি টা দেখে আমার মনে পড়ে যায় ১/২ বছর আগে বিশিষ্ট হেমাটোলজিস্ট Prof. Dr. Akhil Ranjon Biswas স্যারের শেয়ার করা দুটি কেইস হিস্ট্রি পড়েছিলাম Haematology Society of Bangladesh এর ওয়েবসাইটে। এবং এই পেশেন্টের Rash ও স্যারের শেয়ার করা পেশেন্টের Rash এর ছবির সাথে মিলে যাচ্ছে।

তখন ভাই কে জিজ্ঞেস করলাম, উনার ডায়াগনোসিস কি Blood Transfusion Associated GVHD(Graft Versus Host Disease)?

তখন ভাই জানালেন যে পেশেন্টের সিজারের সময় ব্লাড ডোনেট করে তার আপন ভাই। কেউ আসলে সেই হিস্ট্রি টা নেন নি। সবাই আসলে সিজার পরবর্তী জ্বরের কারণ হিসেবে Infective cause চিন্তা করছিলেন। তাই কোনো কনক্লুসনে আসতে পারছিলেন না কেইস টি নিয়ে। যেহেতু অনেক টেস্ট অলরেডি করা হয়ে গেছে এবং ভাইয়াও অতীতে এমন কেইস দেখেছেন তাই উনি আগ বাড়িয়ে ব্লাড ট্রান্সফিউসন হিস্ট্রি নিয়েছেন এবং ডায়াগনোসিস করতে পেরেছিলেন। আর বাইরে থেকে এলবুমিন দেয়া সত্ত্বেও পেশেন্টের এলবুমিন লেভেল কমে যাচ্ছিল তার কারণ হিসেবে ভাইয়া বললেন এক্ষেত্রে Protein loosing Enteropathy হয়।

কিন্তু GVHD এর মর্টালিটি রেইট যেহেতু অনেক বেশি, এই পেশেন্ট আসলে সার্ভাইভ করার সম্ভাবনা খুব কম ছিল। (আমি পূর্বে যে দুটো কেইস পড়েছিলাম সেই দুজনই মারা যান। একজনের ক্ষেত্রে ব্লাড ডোনার ছিলেন আপন ভাই, আরেকজনের ক্ষেত্রে আপন ছেলে।)

এই মহিলার শেষ CBC তে WBC count ছিল মাত্র ২৩০/মাইক্রো লিটার (!!!)। Neutrophil 08%, Lymphocyte 90%. ESR= 45.

পরবর্তীতে তাকে হেমোটলজি ওয়ার্ডে ট্রান্সফার করা হয়। ভাইয়া আমাকে নিয়ে যান হেমোটলজি ওয়ার্ডে ভর্তি এই পেশেন্ট দেখানোর জন্য এবং ঐ সময় অধ্যাপক ডা. আখিল রন্জন বিশ্বাস স্যারও ওয়ার্ডে রাউন্ড দিচ্ছিলেন। কিন্তু এই পেশেন্টের বেডে গিয়ে পেশেন্ট কে পাওয়া যায় নি। কারণ উনিও GVHD এর মত একটি Grievous condition এর নিকট হার মেনে মৃত্যুবরণ করেছেন।

আল্লাহ মেহেরবানী করে রোগী কে বেশেহত নসীব করুন।
ডা. খাইরুল ভাইয়া কে অসংখ্য ধন্যবাদ কেইস টি শেয়ার করার জন্য। এর আগে TA-GVHD এর সেইম আরেকটি কেইস ভাইয়া ডায়াগনোসিস করেন যেখানে Open Heart Surgery এর পর পেশেন্টের জ্বর এবং Rash দেখা দেয়। সার্জারীর সময় নিকটাত্মীয় থেকে রক্ত নেন ঐ পেশেন্ট এবং কয়েকদিনের মধ্যেই মরণঘাতী এই রোগে মৃত্যুবরণ করেন।

বি: দ্র: ইংরেজিতে একটা কথা আছে,, Knowledge increases by Sharing, not by Saving! এই সিরিজের সবগুলো লিখাই একাডেমিক আলোচনার জন্য। প্রাসঙ্গিক কোনো তথ্য/অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাইলে করতে পারেন।
Dr. Fahim Uddin
Khulna Medical College
Session: 2012-2013

:
নিকটাত্মীয় থেকে রক্ত নেয়া থেকে বিরত থাকুন। নিকটাত্মীয়ের রক্ত মৃত্যুর কারণ হতে পারে। সাধারনত Blood Transfusion এর ২ দিন থেকে ৩০ দিন পর এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। Immunocompromised গ্রহীতার ক্ষেত্রে রিস্ক সবচেয়ে বেশি থাকে, তবে দৃশ্যত সুস্থ গ্রহীতার ক্ষেত্রেও Rarely এমনটা ঘটে থাকে।

এর বিস্তারিত ব্যাখা দিতে গিলে অনেক বড় হয়ে যাবে লেখা। সংক্ষেপে বললে, নিকটাত্মীয়ের সাথে আপনার HLA matching থাকায় আপনার রক্তে থাকা T cell(প্রতিরক্ষা কোষ) ডোনারের রক্তে থাকা T cell কে নিজের/Self হিসেবে মনে করবে, তাই তাকে কিছু করবে না। কিন্তু ডোনারের T cell আপনার শরীরে প্রবেশের পর আপনার দেহ কোষগুলো কে Non self/Foreign হিসেবে মনে করবে এবং বিভিন্ন অঙ্গের কোষ গুলো ধ্বংস করতে শুরু করবে। যাতে মৃত্যুর সম্ভাবনা উন্নত বিশ্বেই ৯০% এর বেশি। তবে মাত্র ১% এরও কম কেইসে এটা ঘটে থাকে, অর্থাৎ খুব রেয়ার। কিন্তু হলে যেহেতু রক্ষা নেই, তাই নিকটাত্মীয়ের রক্ত এভয়েড করাই যুক্তিযুক্ত।

বোঝার সুবিধার্থে সাধারন ভাষায় বললে,
বাইরের রাষ্ট্রের কেউ বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে গেলে বিজিবি তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। কিন্তু ধরুন বাংলাদেশ বিজিবির পোশাক পরে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের সৈনিকরা এদেশে প্রবেশ করল এবং বাংলাদেশ বিজিবি ঐ সকল সৈনিক কে নিজেদের লোক মনে করে কিছুই করল না। এই সুযোগে ঐ সৈনিকরা এদেশে বংশবৃদ্ধি করলো এবং বাংলাদেশের সাধারন মানুষ দের মারতে থাকলো। ঠিক এটাই ঘটে TA-GVHD তে।
*বিজিবি= গ্রহীতার রক্তের T cell(প্রতিরক্ষা কোষ)
*সৈনিক= দাতার রক্তের T cell(প্রতিরক্ষা কোষ)

♦বিশেষ করে আপন ভাই/বোন, বাবা /মা, ছেলে/ মেয়ে, ভাতিজা/ভাতিজি, ভাগিনা/ভাগিনী থেকে রক্ত নেয়া থেকে বিরত থাকুন। আপন ভাতিজা থেকে রক্ত নিয়ে TA-GVHD হয়ে মারা গেছেন এমন কেইসও আছে।

♣যদি ইমার্জেন্সি সিচুয়েশনে কোনো ডোনার খুঁজে না পাওয়া যায় তখন নিকটাত্মীয় থেকেও বাধ্য হয়ে ব্লাড নিতে হয়, তবে সেক্ষেত্রে ডোনারের ব্লাড Irradiation করে গ্রহীতার শরীরে দেওয়া হয়।

পড়াশেষে Done লিখুন এবং জনস্বার্থে শেয়ার করুন।

©

এই ছেলের উপর বিশ্বের কোনো এন্টিবায়োটিক এখন আর কাজ করবে না। এর বড় কারণ এন্টিবায়োটিক পুরো না খাওয়া ‼️ নরমাল পেট খারাপেও এই...
11/06/2025

এই ছেলের উপর বিশ্বের কোনো এন্টিবায়োটিক এখন আর কাজ করবে না। এর বড় কারণ এন্টিবায়োটিক পুরো না খাওয়া ‼️ নরমাল পেট খারাপেও এই ছেলে মা/রা যেতে পারে বিনা ওষুধে‼️ কারণ ওষুধ বাকি নেই আর!

তোমরা যে একটু পেট খারাপ হলেই Flagyl, Filmet, Dirozyl, Metryl (Metronidazole) খাও। একটু জ্বর হলেই Zimax, Azithrocin, Azimex (Azithromycin) খাও। ৭ দিন ডাক্তার খেতে বললে ৩ দিন খেলে পেট-জ্বর একটু ভালো হলে আর খাও না।

দেখো, এভাবেই এই ছেলের দেহ দুনিয়ার সকল এন্টিবায়োটিকের প্রতি প্রতিরোধী হয়ে গেছে। ফলে সামান্য ডায়রিয়া, কাশিতেও এই ছেলে বিনা ওষুধে মা/রা যাবে কারণ কোনো ওষুধ কাজ করবে না।

🎯 কীভাবে হলো⁉️

এন্টিবায়োটিক সোজা বাংলায় ব্যাকটেরিয়া মা/রে। রোগ ঘটাতে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ ব্যাকটেরিয়া লাগে। ধরো,
১ কোটি। এন্টিবায়োটিক একবার-দুইবার খেলে কিছু ব্যাকটেরিয়া মা/রা যায় (ধরি ২০ লাখ), ফলে মোট ব্যাকটেরিয়া ১ কোটির চেয়ে কমে যায়। যেহেতু ১ কোটির কম হলে আমরা ফিল করবো না, তাই আমাদের মনে হয় রোগ সেরে গেছে কিন্ত ৮০ লাখ ব্যাকটেরিয়া কিন্ত দেহেই রয়ে গেছে। এবার যেহেতু ওষুধ আর খাচ্ছো না, ওই ৮০ লাখ ব্যাকটেরিয়াগুলো এই এন্টিবায়োটিক নিয়ে গবেষণা করে এবং এই এন্টিবায়োটিক যাতে আর ওদের উপর কাজ না করে সেই ব্যবস্থা করে। ফলে দেখা যায়, এরপর সারাজীবন এই ৮০ লাখ ব্যাকটেরিয়াকে এন্টিবায়োটিক দিয়ে মা/রা যায় না।

শুধু তাই না, এই ব্যাকটেরিয়াগুলো শুধু তোমার শরীরেই থাকবে না, তোমার বাসা,এলাকা, এমনকি দেশ, মহাদেশেও তোমার শরীর থেকে ছড়াবে। ফলে তোমার দেশের কারো উপরই এন্টিবায়োটিক কাজ করবে না। মানে পুরো দেশেই আর এন্টিবায়োটিক কাজ করবে না।

তাই এন্টিবায়োটিক খেলে পুরো ডোজ খাবে, দুইদিন খেয়ে ফেলে দিবে না।
Dr.Niloy Kumar Mondal

🦠 আবার করোনা: এবার জ্বর নেই, কাশি নেই--সোজা ফুসফুসে আঘাত করছে XBB! নতুন করে শুরু হয়েছে করোনার আরেকটি ঢেউ।নতুন রূপ -- XB...
04/06/2025

🦠 আবার করোনা: এবার জ্বর নেই, কাশি নেই--সোজা ফুসফুসে আঘাত করছে XBB!

নতুন করে শুরু হয়েছে করোনার আরেকটি ঢেউ।
নতুন রূপ -- XBB -আগের মতো নয়।
এই ভাইরাসে সাধারণভাবে জ্বর বা কাশি হয় না,
তবে শরীরের ভেতরে নীরবে চলতে থাকে ভয়াবহ সংক্রমণ।

রোগীরা মাথাব্যথা, গলা ব্যথা, জয়েন্টে ব্যথা, ক্ষুধামান্দ্য, পিঠে অস্বস্তি--এসব উপসর্গ নিয়ে আসেন।
অনেক সময় নাকের সোয়াব পরীক্ষায় রিপোর্ট নেগেটিভ আসে,
কিন্তু এক্স-রেতে ধরা পড়ে নিউমোনিয়া।

XBB ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় অন্তত ৫ গুণ বেশি সংক্রামক এবং
সরাসরি ফুসফুসে আঘাত করে--তাই উপসর্গ হালকা হলেও ঝুঁকি অনেক বেশি।

🔍 লক্ষণ যেগুলো দেখা যাচ্ছে:
• মাথা ব্যথা
• গলা ও জয়েন্টে ব্যথা
• পিঠে চাপ
• ক্ষুধা হ্রাস
• ক্লান্তি
• এক্স-রেতে নিউমোনিয়া

শরীরের বাইরে থেকে ধরা না পড়লেও ভিতরে আক্রান্ত হচ্ছে শ্বাসতন্ত্র।

⚠️ এই রূপ আরও ছলনাময়, আরও নীরব।
তাই সময় থাকতে সতর্ক হওয়া জরুরি।

✅ করণীয়:
• মাস্ক ব্যবহার করা
• জনসমাগম এড়িয়ে চলা
• ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখা
• নিয়মিত হাত ধোয়া
• উপসর্গ থাকলে প্রয়োজনে এক্স-রে বা HRCT করানো

📢 ব্যক্তিগত অনুরোধ:
এই বার্তাটি ছড়িয়ে দিন।
পরিবার, সহকর্মী, বন্ধুবান্ধব -- সবার সঙ্গে শেয়ার করুন।

সতর্ক থাকলে সুরক্ষা সম্ভব।

Address

Dhaka
6500

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Niloy Kumar Mondal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram