Raqi Muhammad Ali

Raqi Muhammad Ali Giving to treatment in quranic way Jinn,Black magic,Evil eye,Eye hasad or physical or mental disease

29/01/2026

সূরা বাকারার ১০২ নম্বর আয়াতের (ইউফাররিকুনা) শব্দের তাফসীরে কাতাদাহ তাফসীর করেছে স্পষ্ট যে, স্বামী ও স্ত্রী বিচ্ছেদ এর যাদুতে আক্রান্ত হলে একে অপরে নিজেকে আঘাত করবে পাশাপাশি ঘৃণা করবে:-

عن قتادة بن دِعامة -من طريق سعيد- في قوله: ﴿فيتعلمون منهما ما يفرقون به بين المرء وزوجه﴾، قال: يُؤَخِّذون(٩٩) أحدهما عن صاحبه، ويُبَغِّضون أحدهما إلى صاحبه(

কাদাতাহ বিন দিয়ামাহ হতে বর্ণনা তিনি সাইদ হতে বর্ননা করেন তিনি বলেন (অত:পর তারা শিক্ষা দিতো তাদের মধ্যে হতে লোকদের যেই(শিক্ষা) বিচ্ছেদ করে ফেলতো আর তা(বিচ্ছেদ হয় এমন যাদু) দিয়ে স্ত্রী আর স্বামীর মাঝে বিচ্ছেদ করা হতো।

এই আয়াতের ব্যাখ্যায় কাতাদাহ বলেন:- তারা(যাদু চর্চাকারীরা) সকলেই উদ্দেশ্য হাসীল করার জন্য (যাদু) চর্চা করতো অথবা স্বামী স্ত্রী একে অপরকে শাস্তি দিতো ও তাদের(স্বামী ও স্ত্রীদের মধ্যে) কেউ তাদের সাথীদেরকে(শাস্তি দিতো) । এবং তারা সকলেই (যারা স্বামী ও স্ত্রী যাদুতে আক্রান্ত হতো) তারা(স্বামী ও স্ত্রী) একে অপরকে ঘৃণা করতো তাদের একজন(অন্য আরেকজনকে) সেই সাথীদেরকে(তথা স্বামী ও স্ত্রী অকে অপরকে ঘৃণা করতো)

🖋️Muhammad Ali

26/01/2026

কিছু বিদআতি বক্তা রুকইয়াহ তালাশ করা রুকইয়াহ অন্যের কাছে চাওয়া যাবে না মর্মে হাদীসের একাংশ শব্দ দ্বারা ভুল অনুবাদ করে ও ভুল ফতওয়া দিয়ে মানুষকে রুকইয়াহ থেকে দূরে সরাচ্ছে, ফলশ্রুতিতে মানুষ ভুল কুরআন ও হাদীস বিরোধী ফতওয়ার প্রভাবে কোনো কোনো রোগী জিন ও যাদুর প্রভাবে রাক্বি দিয়ে ভালো করে চিকিৎসা না নিয়ে ও ভালো গাইডলাইনে রুকইয়াহ করতে না অবশেষে নিজের লাইফ নিজেই ধ্বং*স করতেছে মূলত এরজন্য দায়ভার ওসব বিদআতি আলেমদের (সকল মানুষকে বলব আপনারা এসব বিদআতি আলেমদের পরিত্যাগ করুন যারা স্পষ্ট কুরআন ও হাদীস বক্তব্য বিকৃ,ত করে পাশাপাশি সাহাবীদের বুঝের বাহিরে কথা বলে)।

মূলত হাদীসে থাকা শব্দ ইয়াসতারক্বুন দ্বারা মূলত রুকইয়াহ যারা চেয়ে বেড়ায় সেটা অনুবাদ এ অর্থ আসে পাশাপাশি কিন্ত উক্ত সেই হাদীসে ওইসকল মানুষ বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করবে তারা ওই সকল মানুষ যারা রুকইয়াহ করে না পাশাপাশি ভাগ্যের ভালো মন্দ যেসব গন*করা নির্ধারন করে পাখি দিয়ে এদের কাছে যায় না পাশাপাশি শরীরে জ্বা*লিয়ে কিছু একটা দিয়ে দাগ দেয় না মূলত এই শ্রেনীর ব্যক্তিরা বিনা হিসেবে ৭০ হাজারের সাথে জান্নাতে যেতে পারবে না।

মূলত মুতাকাদ্দিমীন আলেমরা এই হাদীসকে উদ্দেশ্য করেছে যে এখানে শি*রকী রুকইয়াহকে উদ্দেশ্য করা হয়েছে চার মাজহাব এর প্রখ্যত সুন্দরভাবে হাদীসের বুঝটি বুঝতে পেরেছে। আর এই বুঝটি শক্তিশালী ' কারন এখানে সঠিক অনুবাদ হবে যে ব্যক্তি রুকইয়াহ করে পাশাপাশি গন*কের কাছেও (আর সকলেই জানেন গন,কের কাছে যাওয়া শি,রক) আবার পাশাপাশি শরীরে আগু*ন জ্বালিয়ে দাগ নেয় মূলত এই তিন কর্ম যারা একসাথে করবে তখন সেই ব্যক্তির রুকইয়াহ করে এটা বললেও মূলত সেটা রুকইয়াহ হবেনা মূলত সেটা শি,রকী রুকইয়াহ হবে।কারন আপনি রুকইয়াহ করলেন আবার গন*কের কাছেও গেলেন তাহলে সেটা কি শরীয়তসম্মত রুকইয়াহ চর্চা হলে নাকি শি,রীক রুকইয়াহ হলো? জ্বী হ্যা এই বুঝটি মূলত গ্রহন করেছে চার মাজহাবের উলামারা যে, উক্ত হাদীস দ্বারা মূলত শি,রকী রুকইয়াহ উদ্দেশ্য করা হয়েছে। তথা যারা রুকইয়াহও করে আবার গন,কের কাছেও যায় এসব ব্যক্তিদের রুকইয়াহ চর্চা মূলত শরিয়তসম্মত রুকইয়াহ না বরং শি,রকী রুকইয়াহ চর্চা হয়ে থাকে। আরো বিস্তারিত রদ্দ আসবে।

🖋️Muhammad Ali

26/01/2026

অনেক বিদ,আতি রয়েছে যারা রুকইয়াহ সেন্টার এর জন্য স্থান নির্বাচনকে নাজায়েয বলে থাকে 'তাদের জন্য তাবেঈ এর কথা দ্বারা রদ্দ:-(সাহাবীদের বুঝের বাহিরে গিয়ে অসংখ্য গোষ্ঠী ও বাতিল ফিরকা পৃথিবীতে বের হয়ে মানুষকে বিদ,আতি বানিয়ে জাহান্না,মী বানিয়েছে)

সিকাহ তাবেঈ কাত্বাদাহ থেকে ' সূরা বনী ইসরাঈল ৮২ নম্বর আয়াতের তাফসীরে তিনি কুরআন এর আয়াত দিয়ে সামগ্রিক উপকার সহ সকল বিষয় সহ কুরআন এর চিকিৎসার জন্য ওই জামানার মানুষ বসতো একটি জায়গায় এরপর আয়াত তেলাওয়াত করা হতো। ' তো তাবেঈ মুখ থেকেই তো ' জালাসা ' শব্দ প্রমানিত হচ্ছে।

عن قتادة بن دعامة -من طريق عبد الله بن واقد- قال: ما جالس أحدٌ القرآن إلا فارقه بزيادة أو نقصان. قال: ثم قرأ: ﴿وننزل من القرآن ما هو شفاء ورحمة للمؤمنين ولا يزيد الظالمين إلا خسارا﴾

ক্বাতাদাহ বিন দিয়ামাহ হতে তিনি আব্দুল্লাহ বিন ওয়াকিদ হতে বর্ণনা করেন :- তিনি বলেন সেসকল মানুষদের কেউই বসত না কুরআন এর জন্য তবে তারা বসতো(কুরআন এর শিফা পাওয়ার জন্য) যেখানে দুই ধরনের প্রার্থক্য দেখা যায়(মানুষের) এক ধরনের মানুষের বসার জায়গায় প্রচুর মানুষ ছিলো অথবা আরেকটি বসার জায়গায় কিছু মানুষ ছিলো (যারা কুরআন এর শিফা পাওয়ার জন্য অথবা চিকিৎসার জন্য বসতো) অত:পর ক্বাতাদাহ ' ওয়া নুনাযযিলু মিনাল কুরআন ' আয়াতটি পাঠ করলেন সিকাত তাবেঈ।

🖋️Muhammad Ali

25/01/2026

✅হাদীসে সুবহানাল্লাহ বলার মাধ্যমে চিকিৎসকরা রোগীদেরকে চিকিৎসা করার জন্য ক্লিনিকগুলোতে(বা বিশাল একটি স্থানে) রোগীদের দেখতো এবং তাদেরকে চিকিৎসা দিতো ইমাম নববী(৬৭৬ হিজরী) হাদীস নিয়ে এসেছে:- (ইলাহি তথা আল্লাহর দেওয়া যেকোনো চিকিৎসা বিশেষ করে রুকইয়াহ এবং যিকির দিয়ে চিকিৎসা রোগীদের দেওয়ার জন্য ক্লিনিক পর্যন্ত ভাড়া করা জায়েয)

قَوْلُهُ عَادَ رَجُلًا مِنَ الْمُسْلِمِينَ قَدْ خَفَتَ مِثْلُ الْفَرْخِ أَيْ ضَعُفَ وَفِي هَذَا الْحَدِيثِ النَّهْيُ عَنِ الدُّعَاءِ بِتَعْجِيلِ الْعُقُوبَةِ وَفِيهِ فَضْلُ الدعاء باللهم آتنا في الدنيا حسنة وفي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ وَفِيهِ جَوَازُ التَّعَجُّبِ بِقَوْلِ سُبْحَانَ اللَّهِ وَقَدْ سَبَقَتْ نَظَائِرُهُ وَفِيهِ اسْتِحْبَابُ عِيَادَةِ الْمَرِيضِ وَالدُّعَاءِ لَهُ وَفِيهِ كَرَاهَةُ تَمَنِّي الْبَلَاءِ لِئَلَّا يَتَضَجَّرُ مِنْهُ وَيَسْخَطُهُ وَرُبَّمَا شَكَا وَأَظْهَرُ الْأَقْوَالِ فِي تَفْسِيرِ
الْحَسَنَةِ فِي الدُّنْيَا أَنَّهَا الْعِبَادَةُ وَالْعَافِيَةُ وَفِي الْآخِرَةِ الْجَنَّةُ وَالْمَغْفِرَةُ وَقِيلَ الْحَسَنَةُ تَعُمُّ الدُّنْيَا وَالْآخِرَةَ

তিনি বলেন ব্যপক পুরুষদের গননা হিসেবে সংশ্লিষ্ট মুসলিমদের উদ্দেশ্য অবশ্যই সেই(বলা কথা গুরুত্বহীন) অনুরুপ যেখানে (কথার কোনো) কোনো কিছুই থাকে না :এর দ্বারা মূলত বুঝায় :- দুর্বল বলেছে অনেকেই (উক্ত কথাকে)। এবং এই হাদীসের মধ্যে যেখানে নির্দিষ্ঠভাবে নিষেধ করা হয়েছে ' সেসব ব্যক্তিদের দ্রুত দোয়া করা হতে ও নির্দিষ্ঠ (শাস্তির) পরিনাম হতে এবং তাদের(ব্যক্তিদের) মধ্যে রয়েছে এমন যারা উত্তমভাবে দোয়া করে থাকে আল্লাহর বিষয়ে যে ' আল্লাহুমা আতিনা ফিদ দুনিয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাও ওয়া কিনা আযা'বান নার '। এবং তাদের (উত্তম দোয়া চর্চাকারীদের) বিষয়ে এমন দোয়া করা জায়েয রয়েছে নির্দিষ্ঠ সেসব (দোয়াকারী) ব্যক্তিদের দোয়া তখন বিষ্ময়কর ভাবে(দোয়া করে থাকে অনবরত) সেসব ব্যক্তির ' সুবহানাল্লাহ ' বলার মাধ্যমে বিষ্ময়কর ও আশ্চর্যতা অনুভব করে থাকে। এবং সেসব ( সুবহানাল্লাহ পড়া ব্যক্তিরা) এমন কিছু অতিক্রম করেছে যা দেখার মত বা সূক্ষদর্শীর মত ব্যপক বিষয় এবং তার(সুবহানাল্লাহ পড়ার মধ্যে রয়েছে) পছন্দনীয় চলমান এক কর্ম যা রোগীদের ক্লিনিকগুলোতেও অথবা রোগী পরিদর্শনে ডক্টররাও(সুবহানাল্লাহ বলার মাধ্যমে রোগীদের দেখে থাকে) এবং তাদের(রোগীদের জন্য) সেসব ডক্টররা(সুবহানাল্লাহ) পড়ার মাধ্যমে দোয়াও করে থাকে। এবং তাদের(রোগীদের) মধ্যে অপছন্দনীয় বিষয় থাকে তখন সেসব ডক্টররা আশা করে থাকে যে, বিপদগুলো যেনো তাদের(রোগীদের) মধ্যে না থাকে এবং সেসব বিরক্তির বিষয়গুলো যেনো তাদের মধ্যে না থাকে(রোগীদের) মধ্যে এবং রাগের সমস্যাগুলোও যাতে না থাকে তাদের উপর। এ সত্বেও তখন সন্দেহমূলক বিভিন্ন সমস্যা থাকে সেগুলোও যাতে না থাকে তাদের মধ্যে। এবং সেসব ডক্টরদের বিভিন্ন কথাগুলো (যেগুলো রোগীদের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য সুবহানাল্লাহ তারা পড়তো) সেগুলো তাফসীরে এসেছে নির্দিষ্ঠ উত্তম হিসেবে যেখানে দুনিয়ার মধ্যে নিশ্চয় তা (সুবহানাল্লাহ) বলার মাধ্যমে(ডক্টররা) ইবাদতও করতে পারবে এবং সুস্থতাও পাবে (অথবা ডক্টররা সুবহানাল্লাহ বলার মাধ্যমে রোগীদের সুস্থতার জন্যেও চিকিৎসা করতে পারবে) এবং আখেরাতে জান্নাত পাবে এবং তাদেরকে মাফ করা হবে এবং তাদেরকে বলা হবে ব্যপক উত্তম বিষয় সম্পর্কে যা দুনিয়া ও আখেরাতে তারা পাবে।

১৭/১৩ পৃষ্ঠা

الكتاب: المنهاج شرح صحيح مسلم بن الحجاج
المؤلف: أبو زكريا محيي الدين يحيى بن شرف النووي (ت ٦٧٦هـ)
الناشر: دار إحياء التراث العربي - بيروت
الطبعة: الثانية، ١٣٩٢
عدد الأجزاء: ١٨ (في ٩ مجلدات)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

বই:- আল মানহাজ শারহুন সহিহী মুসলিম বিন আল হাজ্জাজ।
লেখক:- আবু যাকারিয়া মুহয়ীউদ্দীন ইয়াহিয়া বিন শারাফ আন নববী (৬৭৬ হিজরী)
প্রকাশক:- দারুন ইহইয়া আত তুরাছুল আরাবী - বৈরুত।
মুদ্রন:- দ্বিতীয়, ১৩৯২(হিজরী)
সংখ্যার দিক দিয়ে খন্ড:- বইটি ১৮ খন্ডে রয়েছে(যা ৯ টি পুস্তিকা দ্বারা সংকলন করা হয়েছে)।

🖋️Muhammad Ali

25/01/2026

জান্নাতের বিশেষ কক্ষ

- إن فى الجنة لعمدًا من ياقوت عليها غرف من زبرجد لها أبواب مفتحة تضىء كما يضىء الكوكب الدرى قيل يا رسول الله من ساكنها قال المتحابون فى الله والمتجالسون فى الله والمتلاقون فى الله (ابن أبى الدنيا فى كتاب الإخوان، والبيهقى فى شعب الإيمان، وابن عساكر، وابن النجار عن أبى هريرة)

যদিও নির্দিষ্ঠ জান্নাতের মধ্যে রয়েছে ব্যপক খুটিসমূহ যেগুলো রুবি রত্নভান্ডার দিয়ে তৈরি আর তার উপর রয়েছে কক্ষসমূহ যেগুলো সংশ্লিষ্ট সবুজ রঙ এর মনিবিশেষ রত্নভান্ডার দিয়ে তৈরি তাদের(জান্নাতীদের)জন্য। সেসকল (জান্নাতের এই ঘরের) অসংখ্য দরজাগুলো খুলে দেওয়া হবে আলোকিত করার মাধ্যমে যেমনটা আলোকিত করতে থাকে তারকাগুলো 'নির্দিষ্ঠ সেই (তারকার)উজ্জল সম্পর্কে বলা হয়, ইয়া রাসূলুল্লাহ কোন ব্যক্তি তাতে(এই ঘরে)বসবাস করবে? তিনি(নবী স.)বলেন তারা হচ্ছে ওই সকল ব্যক্তি যারা আল্লাহর জন্যেই একে অপরকে ভালোবেসেছিলো এবং আল্লাহর জন্যেই তারা একে অপরে বসেছিলো একটি স্থানে এবং আল্লাহর জন্যেই একে অপরে সাক্ষাৎ করেছিলো। (ইবনে আবিদ দুনিয়া তার কিতাবুল ইখওয়ান এ বর্ননা করেছে এবং বায়হাকী তার শুয়াবুল ঈমানে বর্ণনা করেছে উক্ত হাদীসটি এবং ইবনে আসাকির সহ এবং ইবনে আন নায'যার তিনি আবু হুরায়রা হতে বর্ণনা করেন উক্ত হাদীসটি)

جامع الأحاديث
ويشتمل على جمع الجوامع للإمام السيوطى
والجامع الأزهر وكنوز الحقائق للمناوى، والفتح الكبير للنبهانى

জামিউল আহাদীস ওয়া ইয়াশতামাল আলা জামিউল জাওয়ামায়ি লিল ইমামি আস সূয়তী ওয়াল জামিয়ুল আযহার ওয়া কুনুযুল হাকায়িক লিল মুনাভি ওয়াল ফাতহিল কাবির লিল নাবাহানি।
লেখক:- আব্দুর রহমান বিন আবি বকর জালালুদ্দিন আস সূয়তী রহ(৯১১)
পৃষ্ঠা (৪৪১৩)

🖋️Muhammad Ali

22/01/2026

যাদু'কর ও শি,রকী রাক্বি যেভাবে চিনে সতর্ক হবেন:-

🔴এটা কি রুকইয়াহ শরইয়্যাহতে শর্তসমূহ রয়েছে যে, একজন রাক্বির পবিত্রতা(মূলত পবিত্রতা বলতে অনেকগুলো বিষয় চলে আসে) হওয়া আবশ্যক।আর আপনার মন্তব্য কি তাদের(রাক্বীদের ব্যপারে) যারা রুকইয়াহ তে অসংখ্য পদ্ধতি চর্চা করে যেটার মধ্যে রয়েছে রুকইয়াহ, আর তারা এই বিষয়ে দাবি করে:- সালেহ আল ফাউজান হাফি:- বলেন-

هل يشترط في الرقية الشرعية أن يكون الراقي على طهارة؟ وما هو تعليقكم حول الرقى الشرعية في هذا الوقت الذي كثر فيه الرقاة ولكنهم يدَّعون في ذلك؟

واب: الرقية الشرعية لا تحتاج إلى طهارة إلا إذا كان سيقرأ من القرآن فيكون متطهرًا من الجنابة طهارة من الحدث الأكبر، لا يقرأ شيئًا من القرآن لا في رقية ولا في غيرها وهو عليه جنابة وأما الرقية الشرعية فهي ما توفرت فيها الشروط: أن تكون من كتاب الله ومن سنة رسوله - صَلَى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ- أو من الأدعية الشرعية. وأن يكون الراقي ذا عقيدة صحيحة ما يكون مبتدعًا أو مشركًا أو ساحرًا أو كاهنًا، يكون عقيدته سليمة. ثالثًا: أن يعتقد أن الشفاء من الله وليس من الرقية وإنما الرقية سبب من الأسباب إن شاء الله نفعت وإن شاء لم تنفع. ورابعًا: أن تكون بألفاظ عربية تفهم لا تكون بتمتمات أو بألفاظ أعجمية لا تفهم لا بد أن تكون بلغة عربية واضحة.
রুকইয়াহ শরইয়্যাহ তে পবিত্রতা হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না(সাধারনত যখন কেউ রুকইয়াহ করবে না তখন তার জন্য পবিত্রতা হওয়া জরুরি নয়,অর্থাৎ:- যখন কেউ রুকইয়াহ করবে না সেটা রাক্বি হোক বা রোগী হোক উভয়ের জন্য তখন এটা শর্ত নই যে,তাকে তখন পবিত্র হতে হবে(নাপাক থাকা অবস্থা থেকে),তথা রাক্বী যখন রুকইয়াহ চর্চা করবে তখন তারজন্য পবিত্রতা হওয়াটা আবশ্যক শর্তসমূহের মধ্যে একটি শর্ত।), [এটা শুধু রুকইয়াহ সম্পৃক্ত অবস্থার জন্য করা ফতওয়া তে বলা হয়েছে,অবশ্যই - ফরজ ইবাদত সহ সর্ব প্রকার নাপাক থেকে একজন মুসলিমকে সাথে সাথে পবিত্র হতে হবে] তবে অনেক মহিলা যারা দীর্ঘস্থায়ী অপবিত্রতায় থাকে,সেসব জিনের রোগী যখন তেলাওয়াত করবে কুরআন থেকে তখন (চিকিৎসার মূলনীতি থেকে উক্ত মহিলা তেলাওয়াত করতে পারবে রুকইয়াহ তে)

তবে যখন সেসময়ে কুরআন থেকে আয়াত পড়বে রুকইয়াহ এর জন্য, তখন অবশ্যই পবিত্র হতে হবে সকল ধরনের অপবিত্রতা থেকে, যেগুলো অপবিত্রতার অন্তর্ভুক্ত। তেলাওয়াত করাই যাবে না,কুরআন থেকেই কিছুই রুকইয়াহ চর্চা করার মধ্যে এবং এর বাহিরেও রুকইয়াহ তে কোনোরকম গয়রি(তেলাওয়াত ব্যতীত কিছু পড়া যাবে না) যখন তাদের উপর জানাবাত(অপবিত্র বিষয় লক্ষনীয় থাকবে)। এবং যখন সেসব শর্তসমূহ যেগুলো রুকইয়াতে রয়েছে সেগুলোর মধ্যে পালন করলে :- তখন (একজন রাক্বির জন্য) রুকইয়াহ বৈধ হবে:-

১.রুকইয়াহ হতে হবে 'আল্লাহর কিতাব দিয়ে এবং রাসূল সাঃ সুন্নাতের মাধ্যমে। (রাসূল স. যেগুলো করে গিয়েছে জিন ও যাদু সহ রুকইয়াহ চর্চা করার ক্ষেত্রে সেগুলো হচ্ছে রুকইয়াহ এর শর্ত)।
২.আর রুকইয়াহ চর্চা করার মধ্যে স্পষ্ট সেটা দোয়া হতে হবে যেটা শরীয়তসম্মত বা শরীয়তে বর্নিত দোয়াগুলো।
৩.এবং একজন রাক্বির (আকিদ্বা বিশ্বাস:- অবশ্যই সর্বক্ষেত্রে সহীহ হতে হবে)।
৪.একজন রাক্বি (মুশ রিক - তথা শিরককারী হতে পারবে না) [ওসব জিন পূজা,রী যারা জিনের সাহায্যে চিকিৎসা করে বা আল্লাহর সাথে যেকোনো বিষয়ে শিরক করে থাকে মূলত সেসব রাক্বিরা রাক্বি নয় বরং তারা মুশ-রিক এজন্য ফাউজান হাফি: বলেছেন 'মুশ-রিক রাকি হতে পারবে না'।
৫.একজন রাক্বি বিদআতি হতে পারবে না। [যেসব রাক্বি বিদআত করে,পাশাপাশি রুকইয়াহ করে এটাও বলে থাকে মূলত ওসব রাক্বি মূলত রাক্বি নয় মূলত ওসব রাক্বি মূলত বিদআতি রাক্বি যেই রাক্বিকে ইসলাম সমর্থন করে না] এজন্য যেসব রাক্বি কুরআন ও হাদীসের বাহিরে যেকোনো কর্ম করবে যেগুলো বিদআত সেসব রাক্বি মূলত রাক্বি নয় বরং সেসব রাক্বি লকবধারিরা মূলত (বিদআতি)।
৬. একজন রাক্বি যাদু,কর হতে পারবে না(একজন রাক্বি সে রুকইয়াহ করে থাকে এটা দাবি করে, অথচ সেই রাক্বি কুরআন এর আয়াত তেলাওয়াত করে না বা হাদীসের দোয়া পড়ে না - এবং যাদু কর্ম সংঘটিত করার কাজে রাক্বি নাম দেওয়া ব্যক্তিূদেরর মিল পাওয়া যায় : যেমন:- যাদু চর্চা করা,জোড়ে জোড়ে মন্ত্র পড়া,তাবিজ দেওয়া,নকশা দেওয়া,ফেরেশতার কাছে সাহায্য চায়,অপবিত্র অবস্থায় কুরআন এর অব,মাননা করা হয় শরীয়ত বিরোধী অনেক কর্মের সাথে লিপ্ত যেগুলো কু,ফরীর সাথে সামন্জ্যপূর্ন সেসব যাদু,কররা মূলত রাক্বি হতে পারবে না।
৭.একজন রাক্বি গনকের মত ভবিষ্যৎ বানী বা অদৃশ্যের কথা বলতে যাবে না. [যারা গনকবাদী চর্চা করে এমন বিস্তৃত কর্ম যেসব ব্যক্তির মধ্যে আছে অথচ সেসব ব্যক্তি নিজেকে রাক্বি দাবি করে মূলত সে রাক্বি নয় মূলত সে ব্যক্তি গনক যার কাছে গেলে ৪০ দিন সালাত কবুল হবে না। (যেমন গনকরা বলে থাকে রোগীদের ব্যপারে:- তোমাকে কালি দিয়ে বান মারা হয়েছে,তোমার উপর অমুক সমস্যা আছে তমুক সমস্যা আছে' এরকম অদ্ভুত অদ্ভুত সমস্যা গনকরা আগেই বলে দিবে রোগীদের 'মূলত যারা এরকম বলে তারা রাক্বি নয় বরং তারা গনক) আর গন*কদের কাছে ইসলামে হারাম।

-বরং একজন রাক্বির আকিদা সর্বক্ষেত্রে নিরাপদ থাকতে হবে (যেরকমটা রাসূল সাঃ এর ছিলো এবং সাহাবীদের রা: ছিলো সেরকম থাকতে হবে)

৮. একজন রাক্বিকে এই বিশ্বাস অবশ্যই রাখতেই হবে সবসময় যে, সকল সুস্থতা কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে, রুকইয়াহ তে না(মানে একজন রোগী এই বিশ্বাস করবে না যে,তাকে রুকইয়াহ সুস্থ করতেছেন বরং রোগী এই বিশ্বাস করবে যে, তাকে আল্লাহই সুস্থতা দান করেছে)বরং সুস্থ হওয়ার ক্ষেত্রে রুকইয়াহ একটি উপায় বা পদ্ধতি মাত্র। যেটার মাধ্যমে মহান আল্লাহর ইচ্ছায় তোমাদের কাউকে সুস্থতা লাভ করে আবার কেউ সুস্থতা লাভ করে না। (মূলত আল্লাহ এটা সর্বোচ্চ ভাবে বুঝিয়েছে যে, সুস্থতা এটা আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে সেরকম যেরকমটা সাধারণত হয়ে থাকে। এখন একজন মুমূর্ষু ব্যক্তি যার মৃত্যু নির্ধারিত কোমো এক রোগের মাধ্যমে মূলত সে ব্যক্তির তো মৃত্যু হবেই, যদি সে ব্যক্তি যতই চিকিৎসা করুক না কেনো - কারন প্রত্যেকের জন্য মৃত্যু নির্ধারিত। তবুও ব্যক্তি চেষ্টা করে যাবে আল্লাহর উপর ভরসা করে রুকইয়াহ করার মাধ্যমে যাতে আল্লাহ সুস্থতা দান করে, তখন অনেক ব্যক্তিতার তাক্বদির অনুযায়ী সুস্থ হবে আর অনেক ব্যক্তি তাক্বদির অনুযায়ী মৃত্যুবরন করবে,মূলত একজন রাক্বি এবং রোগী এই আকিদ্বা বা বিশ্বাস রাখবে যে 'মহান আল্লাহই সুস্থতা দাতা এবং তিনিই সুস্থতা দান করেন এবং তিনিই যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন")।

৯.আর রাক্বি যেই শব্দ তেলাওয়াত করবে সেটা স্পষ্ট আরবী ভাষা হতে হবে। কোনোরকম অনারবী ভাষায় হতে পারবে না। কারন আরবী লফজ(শব্দ)রুকইয়াহ তে হতে হবে, এটা স্পষ্ট বিষয়।

[আর মূলত আরবী ভাষার মূলে রয়েছে রুকইয়াহ চিকিৎসার অন্তর্ভুক্ত যেটা স্পষ্ট নির্দেশ করে যে, সেটা কুরআন এর আয়াত এবং হাদীসের দোয়া,কারন এটাই কুরআন ও হাদীস দ্বারা স্পষ্ট বিষয়]

বুঝার স্বার্থে সংযুক্তি:-[রুকইয়াহ শরই্যায়হ তে পবিত্র হওয়ার প্রয়োজন নেই,(এটা দ্বারা বিস্তৃত বিষয়কে বুঝানো হয়েছে)।

১.যখন একজন ব্যক্তি নাপাক অবস্থায় থাকবে, তখন সেই ব্যক্তি যদি রোগী থাকে,তখন তাকে চিকিৎসার মূলনীতি থেকে কয়েকটি বিষয় আসবে:-

-নাপাক ব্যক্তি যাদের ঘনঘন জিন ও যাদুর প্রভাবে ওযু ভেঙ্গে যায় (মূলত সেসব পেশেন্ট মুখস্থ তেলাওয়াত করতে পারবে ইনশাআল্লাহ, সেই পেশেন্ট এর রুকইয়াহ করারত অবস্থায় বারবার পবিত্রতা হওয়ার প্রয়োজন দরকার নেই)। কারন রোগের কারনে বারবার ওযু ভেঙ্গে গেলে সেটার দায়ভার রোগী নিবে না, কারন রোগীর কন্ট্রোল অনুযায়ী স্বাভাবিক অবস্থায় রোগীর শরীর থেকে অস্বাভাবিক - আনকন্ট্রোল বিষয় নির্ঘত হলে যেখানে পবিত্রতা জরুরি[তখন চিকিৎসা কেন্দ্রীল বিষয়ে,পবিত্রতা হওয়া জরুরি নয়]।

আরো অনেক উদ্দেশ্য আছে (ওসব রোগীদের জন্য যারা নিজে নিজে রুকইয়াহ চর্চা করে ] তাদের উপর গোপন অনেক রোগ যেগুলোর প্রভাবে বারবার নাপাক হয়,সেসব মাসআলাতে রোগীর চিকিৎসার প্রয়োজনে (কুরআন এর আয়াত তেলাওয়াত করা প্রয়োজনীয়, সেখানে পবিত্রতা হওয়া শর্ত নয়) মূলত তখন সুস্থতার জন্য মূল হচ্ছে, 'তেলাওয়াত করে যাওয়া'

দ্বিতীয় :- পয়েন্টে যেটা সালেহ আল ফাউজান হাফি : বলেছেন:-

১.যখন কেউ ক্বুরআন থেকে তেলাওয়াত করবে তখন বড় ধরনের সকল নাপাক থেকে পবিত্র হতে হবে। [পবিত্র হওয়া এক বিষয় আর ওযু করে পবিত্র হয়ে সালাত পড়া বা ফরজ ইবাদত করা আরেক বিষয়)।

এমন অপবিত্রতা যেটার উপস্থিতিতে সকল ফরজ সালাত বাদ হয়ে যায়।যেমন :- ছেলেদের স্বপ্নদোষ, মেয়েদের পিরিয়ড, সহবাস ইত্যাদি। এসব বিষয় হলে তখন সেগুলো বড় ধরনের অপবিত্রতার অংশ।তখন একজন মুসলিম এসব নাপাকি থেকে পবিত্র হতে হবে, এই পবিত্র হওয়াকে একজন মুসলিম এর জন্য আম বিষয়, যেটা সকলের হতে হবে।।

-পক্ষান্তরে সালাত পড়তে গেলে ওযু লাগবে,ক্বুরআন পড়তে গেলে ওযুর প্রয়োজন রয়েছে (মূলত ওযু হচ্ছে পবিত্রতা সেসব আমল সম্পাদনা করার জন্য যেগুলো ওযু ব্যতীত কবুল হবে না)।

-আর রুকইয়াহ তে একজন রাক্বি বা রোগী যে রুকইয়াহ চর্চা করে মূলত তাকেই শরঈ পরিভাষায় রাক্বি বলা হয় (মূলত ওসব রোগী বা রাক্বির বড় ধরনের অপবিত্রতা থাকতে পারবে না:- বিশেষ করে রাক্বির ওরুপ অপবিত্রতা যেটার ফলে পবিত্রতা হওয়াকে বাঁধাগ্রস্থ করে মূলত তখন সে ব্যক্তি মূল রাক্বি না হয়ে মূলত রোগীর কাতারে পড়বেন)। আর রোগীদের জন্য ক্ষেত্রবিশেষে নাপাকি রোগকে দূর করার জন্য রুকইয়াহ করার সময় 'জরুরত এর বিধান অনুযায়ী পবিত্রতা হওয়া ছাড়াও তেলাওয়াত করতে পারবে ইনশাআল্লাহ।

২.এজন্য যারা রাক্বি(চিকিৎসক হবে) তাদের জন্য এটা আবশ্যকীয় শর্ত যে, রাক্বিকে সর্বদায় পবিত্র থাকতে হবে এবং বড় ধরনের জানাবাত(অপবিত্রতা হতে) যেগুলো করলে গোসল ফরজ হয়, সেসব বিষয় থেকে পবিত্র থাকতে হবে সর্বদায়। যাতে করে রাক্বি যখন ক্বুরআন থেকে তেলাওয়াত করবে তখন, রাক্বীর মধ্যে নাপাকির কোনো কিছুই অবশিষ্ট না থাকে।

রাক্বী হওয়ার অন্যতম শর্ত হচ্ছে 'সর্বধরনের অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাকা।

Founder & CEO Quranic Healing Bd
Founder & CEO Raqi Muhammad Ali

🖋️Muhammad Ali

22/01/2026

♦️রোগীর শরীরে থাকা জিনের সাথে রাক্বির কথা বলা সালাফ থেকে প্রমানিত নয় এবং রাসূল স. এর হাদীস থেকেও প্রমানিত নয় এবং জিন হ,ত্যার বিষয়টিও সালাফ ও রাসূল স থেকে প্রমানিত নয়, বরং রাক্বি কুরআন তেলাওয়াত করা ও রাসূল স এর সুন্নাহ অনুসরণ করে রুকইয়াহ করবে :-

🔴এটার হুকুম কি জিন হ,ত্যার ব্যপারে যেখানে তারা(জিন শরীর থেকে বের হতে প্রত্যাহার করেছিলো এবং ভঙ্গ করেছিলো পরবর্তী সেই অঙ্গীকার এর মুহূর্তে, যেটার মাধ্যমে (তারা রাক্বিরা যে জিনকে বের করার দিকে নিয়ে যায় এবং যখন জিন বের হয়না তখন কি সে জিনকে হ,ত্যা করতে পারবে?

ما حكم قتل ((الجن)) بعد نقضهم العهد بأن يخرجوا وإذا لم يخرج فالقتل

هذا راقي يسأل .... ؟؟!
يقول: إني أعاهد الجني أو الجنية إذا قرأت على المريض وإذا رجع فسوف أقتله!
وكيفيت القتل؟ يقول: أقرأ و أكرر من الآيات التي فيها عذاب وإحراق ... ثم يموت،،،
ويقول: وهل فيه فرق بين المسلم والكافر؟؟
أفتونا مأجورين

এটা মূলত রাক্বি প্রশ্ন করতেছিলো?
তিনি বলেন, নিশ্চয় আমি জিনরা যখন রোগীদের শরীরে থেকে যেতে অঙ্গীকার এর মুহুর্তে অথবা যখন জিনদের সামনে তেলাওয়াত করা হয় যেটা মূলত রোগীর উপর করা হয়(কারন রোগীর শরীরের মধ্যেই জিন থাকে) এবং যখন এই জিনগুলো রোগীর শরীর থেকে অঙ্গিকার এর কথা বলে পুনরায় আবার রোগীর শরীরে ফিরে আসে তখন কি আমি জিনকে হ,ত্যা করতে পারবো দ্রুত?

এবং জিন যে হ,ত্যার স্বীকার হবে সেই হ,ত্যার ধরন বলতে কেমন? তারা(রাক্বি) বলল সেটা হলো তেলাওয়াত করা এবং বারবার পড়া যেটা তেলাওয়াত এর অন্তর্ভুক্ত যেসব তেলাওয়াত গুলো জিনকে কষ্টের মধ্যে ক্রমাগত অবস্থান করে দেয় এবং শাস্তিও চলমান করে দেয়,এবং আ,গুনে পুড়ি,য়ে ফেলতে থাকে ' অত:পর এভাবে রোগীর শরীরে থাকা জিন মা,রা যায়। [অর্থাৎ, রাকি যখন প্রশ্ন করেছিলো এক আলেমকে যে, জিন হ,ত্যার ব্যপারটা এটা জায়েয কিনা ইসলামে তখন আলেমরা বলেছিলো জিন যে, হ,ত্যার স্বীকার হয় সেই হ,ত্যার ধরন কেমন? রোগীর শরীরে জিন কিভাবে হ,ত্যার স্বীকার হয়েছে এটা প্রশ্ন করায় রাকি বলল 'কুরআন এর আয়াত তেলাওয়াত এর মাধ্যমে, আযাব সংক্রান্ত আয়াত এবং যেসব আয়াত পড়লে জিনরা কষ্ট পায় এবং কষ্ট পেতে পেতে আ,গুনে পুড়ে যায় মূলত এভাবে জিনরা মা,রা যায়]

ويقول: وهل فيه فرق بين المسلم والكافر؟؟
أفتونا مأجورين،،،،،،،
এবং তারা বলল আর তার মধ্যে কি পার্থক্য রয়েছে যেটা মুসলিম আর কা,ফেরের মাঝে পার্থক্য তৈরি করে? আর এ বিষয়ে কি ফতওয়া রয়েছে সেটা সম্পর্কে আমাদের বলুন যেই বিষয়ে জানা জরুরি একটি বিষয়। [অর্থাৎ,জিন হ,ত্যার বিষয়টি এটা তাদের কাছে ঘটমান একটি বিষয় অতএব এটার মাধ্যমে মুসলিম আর কা,ফিরের মাঝে মূলত কি পার্থক্যগুলো তৈরি করে সে বিষয়ে জানা প্রয়োজনীয় একটি বিষয়]

أمور الجن مما غيب عنا، والقول إن الراقي الفلاني قتل الجن الفلاني أو إنه أحرقه حتى شم رائحة الحرق!! هذا كله مما لا دليل عليه، وما يدريه أنه قتله أو أحرقه؟!!

জিনের আদেশ বা নির্দেশের ব্যপকতা যেটা মূলত গায়েবের(অদৃশ্যের অন্তর্ভুক্ত) আমাদের নিকট। এবং রাক্বি যদি বলে এই বিষয়ে এবং অমুক আরো অনেক রাক্বিও যদি বলে যে, জিনকে হ,ত্যা করা হয়েছে আর সেটা করেছে অমুক ব্যক্তি অথবা যদি এমন ব্যক্তি যে নিজেকে রাক্বি হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকে সেও যদি এই কথা বলে যে, জিনকে পু,ড়ানো হয়েছে, এবং পুড়ানোর পর সেই ঘ্রানশক্তি পাওয়া যায় 'সেই আগুনের প্রকাশ হওয়ার মাধ্যমে '। মূলত এই প্রত্যেকটা কথা যেগুলোর কোনো দলিলের অন্তর্ভুক্ত নয় তাদের(রাক্বিদের জিন পুড়া,নোর বা হ,ত্যার বিষয়ের উপর) আর তারা রাক্বিরা এই জিনের হ,ত্যার বিষয় সম্পর্কে জানেই না এবং সেটা জিনের পুড়ানো সম্ভব এই ব্যপারেও তারা জানে না যে, জিনকে পু,ড়ানো যায় এ স্বপক্ষে কুরআন ও হাদীসে কোনো দলিল নেই। [অর্থাৎ জিনদের কথা বলা,জিনরা যেই বিষয়ে রোগীদের শরীরে অবস্থান করে রাক্বিকে এমন বিষয়ে নির্দেশ করল আর রাক্বি জিনের সেই কথাকে বিশ্বাস করল তখন রাক্বির করা বিশ্বাস করার এই কর্মটা মূলত অদৃশ্য গায়েবে থাকা জিনের কথা, আদেশকে সেই রাক্বি মেনে নিলো। রোগীর শরীরে থাকা জিন রাক্বিকে বলল রোগীর এই সমস্যা, সেই সমস্যা, অমুক সমস্যা, এরকম বিভিন্ন নির্দেশমূলক কথা বলে রোগীর শরীরে থাকা জিন রাক্বিকে এসব কথা বলল আর রাক্বি জিনের কথা বিশ্বাস করে সেটাকে সত্যা হিসেবে বিশ্বাস করল তখন এই রাক্বির এই বিশ্বাস করার প্রবনতার ব্যপারে কোনো দলিল নেই কুরআন ও হাদীসে। রোগীর শরীরে থাকা জিন বলল 'আমরা শতশত জিন,আমরা অমুক জিন,রুকইয়াহ করার ফলে এতএত জিন হ,ত্যার স্বীকার হয়েছে,অথবা আমাদের বংশের অনেক জিন হ,ত্যার স্বীকার হয়েছে,এবং অনেক জিন পু,ড়ে গিয়েছে, যখন রোগীর শরীরে থাকা জিনগুলো রাক্বিকে এসব কথা বলল আর রাক্বি জিনগ্রস্ত রোগীর শরীরে থাকা জিনের কথা বিশ্বাস করল তখন মূলত ওই রাক্বি এমন কর্ম করেছে জিনদের কথা বিশ্বাস করে যেটার স্বপক্ষে মূলত কুরআন ও হাদীসের কোথায়ও কোনো দলিল নেই]

وهذا من الأمور التي لم يفعلها السلف ولم تثبت عن النبي صلى الله عليه وسلم، والمشروع فقط أن يقرأ القرآن أو الرقى السنية ولا يكثر الحديث مع

আর এই বিষয়টি যেটা জিনদের বলা কথার আদেশ বা নির্দেশের সাথে সম্পর্কিত মূলত। সেসকল কর্মগুলো(জিন হ,ত্যার বিষয়গুলো) সঠিক নয় এবং সালাফরা এমন কর্ম করেননি কোনোক্রমেই এবং তা (জিন হ,ত্যার)বিষয়টি রাসূল সাঃ থেকে প্রমানিত কোনোক্রমেই হয়না এবং প্রসিদ্ধ হিসেবে শুধু এটাই করা যায় যে, কুরআন তেলাওয়াত করা জিনগ্রস্ত রোগীর উপর যেটা রাক্বি করবে এবং রাক্বি এই কাজও করবে যেটা সুন্নাহের মধ্যে বর্ণনা রয়েছে। এবং অধিকাংশ হাদীসে বর্ণনা নেই জিন হ,ত্যা ব্যপারে(জিন হ,ত্যার বিষয়টি হাদীসে এমন কোনো বর্ণনা নেই যেটা দ্বারা প্রমানিত হয় জিনগ্রস্থ রোগীর শরীরে থাকা জিন হ,ত্যার স্বীকার হয়) [অর্থাৎ, জিনদের কোনো কথা, আদেশ নিষেধ যেটা রোগীর শরীরে থাকা জিনগুলো বলে থাকে রাক্বিকে উদ্দেশ্য করে মূলত জিনদের ওসব কর্মগুলো কোনো রাক্বি যদি বিশ্বাস করে, তবে রোগীর শরীরে থাকা জিনদের কথা বিশ্বাস করার বিষয়টি সালাফ(পূর্বসূরী উলামা) থেকে প্রমানিত নয় এবং আরো বড় ব্যপার হচ্ছে রাসূল সাঃ থেকেও এই বিষয়টি প্রমানিত নয়। তথা জিনগ্রস্ত রোগীর শরীরে থাকা 'জিন যেকোনো ধরনের কথা বলবে যেটা আদেশ এবং ব্যপক কথার অন্তর্ভুক্ত থাকবে' আর রাক্বি যদি সেই জিনদের কথাগুলো বিশ্বাস করে, রাক্বি যদি বিভিন্ন অদ্ভুত সব কথাবার্তা বলে। যেমন : জিন হ,ত্যার স্বীকার হয়েছে,জিন আ,গুনে পু,ড়ে গিয়েছে মূলত রোগীর শরীরে থাকা জিনরা যদি এমনটা বলেও যে, আমি ম,রে গেলাম আমার অনেক বংশ রুকইয়াহ এর মাধ্যমে মা,রা গিয়েছে তবুও ওসব জিনদের কোনো কথা বিশ্বাস করা যাবে না। আর যেসব রাক্বি জিনদের কোনো কথা বিশ্বাস করবে মূলত ওসব রাক্বিদের কর্মগুলোর ব্যপারে 'কুরআন ও হাদীসে কোনো দলিল নেই, সালাফ থেকেও দলিল নেই এবং রাসূল সাঃ থেকেইও কোনো দলিল নেই।

আহমাদ আল ইউসুফ।

বুঝার জন্য সংযুক্তি:-
সুরত(আকৃতি) সহ জিনের প্রকাশ হওয়ার পর জিনকে 'হ,ত্যার কথা এক বিষয় আর মানুষের শরীরে জিন বসবাস কারী সুরত না দেখা যাওয়ার পরেও 'জিনকে হ,ত্যা করা যায় এটা বলা আরেক বিষয়।

-মাসসুশ জিন (জিন শরীরে প্রবেশ করে রোগ তৈরি করার জন্য, জিন রোগীর শরীরে প্রকাশ ঘটানো এক বিষয় আর সাহাবীরা রা: সাপের সুরতে প্রকাশ পাওয়া বাহিরের পরিবেশে উপস্থিতি জানান দেওয়ার জিনকে হ,ত্যা করা সেটা আরেকটি বিষয়। কারন সাপের সুরতে প্রকাশ হওয়া জিন যাকে সাহাবী হ,ত্যা করেছিল সেই 'জিন সাহাবীর বিছানায় অবস্থান করেছিলো সেই জিন মোটেও কোনো কাউকে পজেসড করেনি বরং সাহাবীর রা: এর ঘরে বিছানায় অবস্থান করেছিলো,ফলে যেই সাপ সুরত প্রকাশ পেয়েছিলো, ওই সুরত প্রকাশ পাওয়া জিনকে সাহাবী হ,ত্যা করেছিল।

বায়তুল মালের পাহাড়া দেওয়া খাদ্য চুরি করা সেই জিনের সুরত ছিলো মানুষের মত, তাই আবু হুরাইরা রা: তাকে দুইদিন ধরার পড়েও শেষ তৃতীয় দিন ধরে ফেলেছিল এবং শেষ ওটা জিন ছিলো এটা সনাক্ত করে ছে রাসূল সাঃ। এছাড়া বাহিরে চলাচলকারী জিন তার সুরত(আকৃতি) ধারন করলে, সেটা তখন জিনগ্রস্ত রোগীর সাথে সম্পৃক্ত বিষয় নয় বরং ওই জিন বাহিরে চলাচলকারী জিন 'বাহিরে চলাচল কারী ' জিনের আকৃতি ধারন করাকে 'মাস'সুছ জিন তথা জিন দ্বারা আক্রান্ত রোগীর শরীরে থাকা যেই জিন রয়েছে যার আকৃতি প্রকাশ পায় না ' তো সেখানে জিনের রোগীদের শরীরে থাকা জিনদের আকৃতি দেখা যায় না তবুও সেই জিনকে 'হ,ত্যা করা যায় ' সেক্ষেত্রে দলিল হিসেবে টানা হয় 'আকৃতি থাকা জিনের ওসব হাদীস যেসব ঘটনায় জিনের আক্রান্ত রোগীদের উপর এরকম কোনো বর্ণনা নেই হাদীসে' বরং আমভাবে, বাহিরে চলাচল কারী জিনের আকৃতি সহ যেই হাদীসগুলোতে সুরাত সাব্যস্ত হয়েছে 'সেই আকৃতি থাকার পর 'সাহাবী রা: জিনকে হ,ত্যা করেছে এরকম হাদিস পাওয়া যায় ।

কিন্তু যেখানে 'মানুষের শরীরের ভিতর জিনের সুরত(আকৃতি প্রকাশ পায় না) জিনের কোনো চেহারা সাব্যস্ত হয়না জিনের রোগীর উপর, সেখানে জিন হ,ত্যা করা সম্ভব এই দাবি প্রমান করার জন্য 'জিন পজেসড এর হাদীস না এরকম জিনের সুরত(আকৃতি ধরা) হাদীসগুলো সামনে এনে 'জিন দ্বারা আক্রান্ত রোগী মানুষের ভিতরে থাকা জিনের সুরত(আকৃতি) বুঝা যায় না 'তবুও নাকি রুকইয়াহ তে জিন হ,ত্যার স্বীকার হয়।

এজন্য পূর্বের রুকইয়াহতে জিন হ,ত্যার মাসয়ালায় 'একজন উলামা বলেছিল রুকইয়াহ তে জিন হ,ত্যার স্বাকীর হয়? এই হ,ত্যা কিভাবে সংঘটিত হয় এটা রাকিরা কেউই জানে না।মানে জিন কিভাবে মা,রা গেলো,জিনের সুরত প্রকাশ পেলো না অথচ জিন হ,ত্যার স্বীকার হয়েছে এটা কিভাবে হয়েছে 'এই বিষয়টাই জানে না একজন রাক্বি'।

আরশীফ মুলত্বাকা আহলুল হাদীস (৬৯/৪০০ পৃষ্ঠা)

🖊️Muhammad Ali

18/01/2026

শরীরে থাকা জিন ও যাদু সবথেকে বেশি বের হয় টয়লেট এর মাধ্যমে :-

বিচ্ছেদ এর যাদু বা সকল ধরনের যাদুতে আক্রান্ত হলে রুকইয়াহ করার পর রিয়্যাকশন যত বেশি শরীরে তৈরি করা যাবে তত বেশি যাদুর আলামতগুলো দ্রুত শরীর থেকে বের হবে, পাওয়ারফুল আয়াত দিয়ে রুকইয়াহ করার পরপরই টয়লেটে চাপ দিবে, প্রথম দিকে প্রচুর টয়লেট হবে এরপর প্রায়ই পাওয়ারফুল আয়াত দিয়ে রুকইয়াহ করার পরপরই টয়লেট হবে বেশি।

মূলত টয়লেট হওয়ার মাধ্যমেই জিন ও যাদুগুলো বেশি বের হয়ে থাকে।তাই রিয়্যাকশন হওয়া এটা যত বেশি হবে তত সুস্থতার দ্বারপ্রান্তে দ্রুত চলে যেতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। পাশাপাশি বিয়ে বন্ধের ক্ষেত্রে রাগের যাদুগুলো যখন শরীর থেকে ধ্বং*স হওয়া শুরু করবে তখনও প্রচুর টয়লেট এর হওয়ার মাধ্যমে জিন ও যাদুগুলো বের হতে থাকবে। এভাবে পুরোপুরি শরীরে একের পর এক রিয়্যাশন হওয়ার মাধ্যমে জিন ও যাদুগুলো পুরোপুরি বের হতে হতে একজন পেশেন্ট স্থায়ী সুস্থ হয়ে যায়।

🖋️Muhammad Ali

17/01/2026

জিন দ্বারা আক্রান্ত বলতে (সূরা বাকারার ২৭৫ নম্বর আয়াতের 'মাছ- স্পর্শ করার ব্যাখ্যায়) সাহাবী ও তাবেঈরা ' পাগল হওয়া' বুঝিয়েছে:-

فسر المس المذكور في الآية وهو قوله: {ويتخطبه الشّيطان من المس} بالجنون. وهكذا فسره الفراء ومجاهد والضّحّاك وابن أبي نجيح وابن زيد.

মাস(স্পর্শ বা আক্রান্ত করার) তাফসীরে আলোচনা করা হয়েছে উক্ত আয়াতটির ব্যপারে:- তাফসীরকারক বলেন( শয়তান তাদের(মানুষদের) পাগল বানিয়ে দিতে থাকে তার স্পর্শ দিয়ে)।

এর মূল অর্থ হচ্ছে:- জুনুন(পাগল করে দেওয়া)।

এবং হুবহু একই তাফসীর তখন আরো যারা করেছে তারা হলো ' আল ফার্রায়ু, এবং মুজাহিদ এবং দহহাক এবং ইবনে আবি নাজিহ এবং ইবনে যায়েদ (মাস- শয়তা৷ স্পর্শ করে এর ব্যাখ্যায় পাগল হওয়াকে বুঝিয়েছ)

🖋️Muhammad Ali

16/01/2026

ইবনে তায়মিয়াহ রহ তার কিতাবে তিনি আবু হানিফা রহ. এর উক্তি এনে বলেছে, ইমাম আবু হানিফা ওসব ব্যক্তিকে কা,ফের বলেছে যেসব ব্যক্তি 'আল্লাহ আরশের উপর রয়েছে ' এটাকে অস্বীকার করত:-

قال المؤلف رحمه الله تعالى: [قال: وذكر الكلام في قتل الخوارج والبغاة إلى أن قال: قال أبو حنيفة عمن قال: لا أعرف ربي في السماء أم في الأرض، فقد كفر؛ لأن الله يقول: ﴿ الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى ﴾ [طه:٥] وعرشه فوق سبع سموات].

ومن أنكر أن الله فوق العرش فقد كفر.

লেখক বলেন(আল্লাহ তার উপর রহমত করুন). তিনি বলেন, এবং তিনি আলোচনা করেছেন সেসব নির্দিষ্ঠ কথার ব্যপারে যেখানে খারেজী ও বিদ্রোহীদের হ,ত্যার বিষয় নিয়ে ও সেই বিষয়ে ব্যপারে তিনি বলেছেন যে, আবু হানিফা রহ. বলেন সে ব্যক্তির ব্যপারে যে ব্যাক্তি এমনটা বলে যে আমি জানি না আমার রব আকাশে নাকি জমিনের মধ্যে আছে? অত:পর অবশ্যই সে ব্যক্তি কা,ফের হয়ে যাবে(আল্লাহ সম্পর্কে উক্ত কথা বলার কারনে)। এর জন্য অবশ্যই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তিনি বলেন, রহমান(আল্লাহ) আরশের উপরে ইস্তাওয়া করেছে (ত্বহা:-০৫) এবং তার আরশ রয়েছে সাত আকাশের উপরে।

এবং যে ব্যক্তি অস্বীকার করতে থাকবে যে আল্লাহর আরশের উপর আছেন অত:পর অবশ্যই সে ব্যক্তি কা,ফের হয়ে যাবে।

قال: [قلت: فإن قال: إنه على العرش استوى ولكنه يقول لا أدري العرش في السماء أم في الأرض؟ قال: هو كافر؛ لأنه أنكر أن يكون في السماء؛ لأنه تعالى في أعلى عليين وأنه يدعى من أعلى لا من أسفل].

তিনি বলেন নিশ্চয় তিনি(আল্লাহ) আরশের উপরে ইস্তাওয়া করেছে এবং সে ব্যক্তিরা কিন্তু এ কথা বলে যে, আমি জানি না আরশ আকাশের মধ্যে নাকি জমিনের মধ্যে? তিনি(আবু হানিফা)বলেন, সে ব্যক্তি কা,ফের হয়ে গিয়েছে(আল্লাহর সম্পর্কে এমন কথা বলার কারনে)।এরজন্য যে, নিশ্চয় সে ব্যক্তি অস্বীকার করেছেন যে, আকাশের মধ্যে অবস্থিত অস্তিত্বকে, এর জন্য নিশ্চয় তিনি(আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা) অধিক উপরে রয়েছে যা ইল্লিনের উপরে এবং নিশ্চয় তিনি আহবান করেই সেই উপর থেকে। তিনি(আল্লাহ) নিচ থেকে কখনোও আহবান করেন না।

وفي لفظ ـ سألت أبا حنيفة عمن يقول: لا أعرف ربي في السماء أم في الأرض.
قال: قد كفر؛ لأن الله تعالى يقول: ﴿ الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى ﴾ [طه:٥] وعرشه فوق سبع سماوات، قال: فإنه يقول: ﴿ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى ﴾ ولكن لا يدري العرش في الأرض أو في السماء.

এবং উক্ত লাফয(শব্দের ব্যপারে) আমি জিজ্ঞেস করলাম আবু হানিফাকে সে ব্যক্তির ব্যপারে যে ব্যক্তি বলে থাকে যে, আমি জানি না 'আমার রব আকাশে অথবা জমিনে। এরপর তিনি (আবু হানিফা রহ.)বলেন সে ব্যক্তি(এ কথা বলার কারনে) কা,ফের হয়ে গেলো।এর জন্য নিশ্চয়, আল্লাহ তায়ালা বলেন 'রহমান আরশের উপর ইস্তাওয়া করেছে। (ত্বহা:-০৫ নম্বর আয়াত)। এবং তার(আল্লাহর)আরশ হচ্ছে সাত আকাশের উপরে। তিনি বলেন, অত:পর নিশ্চয় তিনি এব্যপারে বলেন যে, 'আলাল আরশি'ছ তাওয়া ' এব্যপারে তবে যে ব্যক্তি জানে না আরশ সম্পর্কে যে,(আরশ) তা জমিনে নাকি নাকি আসমানে।

قال: إذا أنكر أنه في السماء فقد كفر.
[تكفير أبي حنيفة لمن توقف ولم يجزم هل الله في السماء أم في الأرض] :
ففي هذا الكلام المشهور عن أبي حنيفة عند أصحابه أنه كَفَّر الواقف الذي يقول: لا أعرف ربي في السماء أم في الأرض؛ فكيف يكون الجاحد النافي الذي يقول: ليس في السماء [أو ليس في الأرض ولا في السماء؟] واحتج على كفره بقوله تعالى: ﴿ الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى ﴾ [طه:٥] قال: وعرشه فوق سبع سماوات.

তিনি(আবু হানিফা রহ.)বলেন, যখন কোনো ব্যক্তি অস্বীকার করবে নিশ্চয় (আল্লাহ আকাশে) এ ব্যপারটিতে তখন সে ব্যক্তি কা,ফের হয়ে যাবে। কা,ফের বলেছে আবু হানিফা রহ. সে ব্যক্তির জন্য যে ব্যক্তি অবস্থান নিয়েছে (আল্লাহ)আসমানে এটা অস্বীকার করার ব্যপারে। এবং যে ব্যক্তি এব্যপারে সিদ্ধান্ত নেয়নি যে, আল্লাহ কি আকাশে নাকি জমিনে আছেন?।
[তথা যে ব্যক্তি এটা অস্বীকার করবে যে, আল্লাহ আকাশে নয় তখন সে ব্যক্তি সাথে সাথে কা,ফের হয়ে যাবে এমনটিই মত দিয়েছে আবু হানিফা রহ.। এছাড়া ওসব ব্যক্তিও যারা এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজেদের অবস্থানও পরিষ্কার করেনি যে, আল্লাহ কোথায় আছে, আল্লাহ আকাশে আছে নাকি জমিনে আছে এই বিষয়টি সম্পর্কে যে ব্যক্তি সিদ্ধান্ত এখন পর্যন্ত নিতে পারেনি মূলত ওসব ব্যক্তিও কা,ফের। কারন আল্লাহ কোথায় আছে আছে এটা একজন ব্যক্তি না জানলে সে মুসলিম হবে কিভাবে? এই একটা কারনেই তো অনেক বিধর্মী আজকের যুগে কা,ফের, তার কারন হচ্ছে বিধর্মীরা জানেই না যে, এক আল্লাহ কোথায় রয়েছে 'এজন্য আবু হানিফা রহ. ওসব ব্যক্তিকেও কা,ফের বলেছে যারা এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি যে আল্লাহ কোথায় রয়েছে।

وبَيَّنَ بهذا أن قوله تعالى: ﴿ الرَّحْمَنُ عَلَى الْعَرْشِ اسْتَوَى ﴾ يبين أن الله فوق السماوات، فوق العرش، وأن الاستواء على العرش دل على أن الله نفسه فوق العرش، ثم أردف ذلك بتكفير من قال إنه على العرش استوى
ولكن توقف في كون العرش في السماء أم في الأرض؟ قال: لأنه أنكر أنه في السماء؛ لأن الله في أعلى عليين، وأنه يُدعَى من أعلى لا من أسفل، وهذا تصريح من أبي حنيفة بتكفير من أنكر أن يكون الله في السماء، واحتج على ذلك بأن الله تعالى في أعلى عليين، وأنه يدعى من أعلى لا من أسفل

এবং সে ব্যক্তিদের স্পষ্ট বিষয় এটার দ্বারা যে, আল্লাহ সুবহানাহু তার ব্যপারে বলেন, (আর রহমান আলাল আরশি'স তাওয়া- অর্থা আল্লাহ আরশের উপর ইস্তাওয়া করেছেন), তিনি(আবু হানিফা রহ) স্পষ্ট করে বলেছেন যে, আল্লাহ আকাশের উপর রয়েছে ও আর আরশ রয়েছে আকাশের উপর, এবং এক্ষেত্রে তিনি (আল্লাহ) ইস্তাওয়া করেছেন আরশের উপর
আর এর উপর দলিল রয়েছে যে, আল্লাহ তার নিজের জন্য আরশের উপর থাকাকে সাব্যাস্ত করেছে। অত:পর তিনি অনুসরণ করতে থাকলেন সেটির অস্বীকার করার ব্যপারে,যে ব্যক্তি বলে যে, নিশ্চয় আল্লাহ আরশের উপর ইস্তাওয়া করেছে।এবং তবে সে ব্যক্তিরা এটা অবস্থান নিয়েছে যে, 'আরশের অবস্থান তা আকাশে মধ্যে অবস্থিত নাকি নাকি জমিনের মধ্যে অবস্থিত? তিনি বলেন এরজন্য নিশ্চয় তারা অস্বীকার করবে যে, নিশ্চয় তিনি(আল্লাহ) আকাশে আছেন।, আর নিশ্চিতভাবে আল্লাহ ইল্লিয়ন(সকল কিছুর উপরে) তথা সকল কিছুর উপরে অবস্থান করতেছেন। এবং তিনি(আল্লাহ) আহবান করতে থাকেন সেই উপর থেকে 'তিনি(আল্লাহ) নিচ থেকে কখনোও আহবান করেন না।এবং এটা স্পষ্ট বিষয় আবু হানিফা থেকে তাকফির(কু,ফরীকারীদের) এর বিষয়ে যে, যে ব্যক্তি অস্বীকার করবে যে, আল্লাহ আকাশের মধ্যে আছেন, আী এটা প্রমান বহন করে যে, তার(আল্লাহর) উপরে থাকার বিষয়টি যে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা তিনি সকল কিছুর উপরে আছেন।এবং তিনি আহবান করতে থাকেন উপর থেকে তিনি(আল্লাহ) নিচ থেকে আহবান করেন না।

وكل من هاتين الحجتين فطرية عقلية، فإن القلوب مفطورة على [الإقرار] بأن الله في العلو، وعلى أنه يدعى من أعلى لا من أسفل، وقد جاء اللفظ الآخر صريحًا عنه بذلك، فقال: إذا أنكر أنه في السماء فقد كفر.

এবং প্রত্যেক সেই দুটি বিষয়ে দুটি প্রমান রয়েছে ' এর একটি হচ্ছে, ফিতরিয়াত(স্বাভাবিক প্রকৃতি ও স্বভাব বৈশিষ্ট্য) আর অন্যটি হচ্ছে আকলিয়্যাহ(জ্ঞানের বৈশিষ্ট্য)।তবে নিশ্চয় যারা বিভ্রান্ত সৃষ্টি করে 'আলাল ইক্বরাহ' (উপর নির্ধারন)এর ব্যপারে। আর আল্লাহ তিনি উলু(উপরে) এবং তিনি উপর থেকেই নিশ্চয় তিনি(আল্লাহ) আহবান করতে থাকেন উপর থেকে, তিনি(আল্লাহ)নিচ থেকে কখনোও আহবান করেন না। এবং নিশ্চয় এই শব্দ এসেছে শেষে ও তা স্পষ্ট তার ব্যপারে সেটিতে যে, তবে তিনি(আবু হানিফা রহ.) বলেন, যখন কেউ অস্বীকার করবে নিশ্চয় তিনি(আল্লাহ) আকাশে, তখন ওসব ব্যক্তি কা,ফের হয়ে গেলো।
[অর্থাৎ, যেসব ব্যক্তি এটা বিশ্বাস করবে যে, আল্লাহ আকাশের উপরে নয় তখন ওসব ব্যক্তি কা,ফের হয়ে যাবে, এবং এটা স্পষ্ট মানুষের জ্ঞানের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য যে, আল্লাহ তিনি আকাশের উপরেই রয়েছেন, কেননা মানুষ হাত তুলে উপরের দিকেই দেয়া করতে থাকে আর উক্ত উদ্ধৃতিতে আল্লাহ তিনি সবকিছুর উপর থেকেই আহবান করতে থাকেন।আর তাই এখানে স্পষ্ট প্রমান হিসেবে ফিতরাতী জ্ঞান তথা মানুষের মধ্যে এটা স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য যে, আল্লাহ উপরে রয়েছে, কেননা মানুষ যখন কোনো কিছু চাওয়ার আহবান করে নিজের অজান্তেই আকাশের দিকে মুখ ফিরিয়ে থাকে এবং তার নিকট ফিরে দোয়া আকুতি জানিয়ে থাকে এবং মানুষের 'ফিতরাত এর জ্ঞানে রাসূলের যুগে 'এক দাসি তিনিও আল্লাহকে উপরে থাকাকে সাব্যাস্ত করেছে'। আর দ্বিতীয় আরেকটি দলিল হলো (জ্ঞান) তথা কুরআন ও হাদীসের জ্ঞানগুলো আরো স্পষ্ট করে দেয় যে, মহান আল্লাহ তিনি আরশের উপর রয়েছে এবং সকল কিছুর উপরে তিনি রয়েছে]

الكتاب: الفتوى الحموية الكبرى

المؤلف: تقي الدين أبو العَباس أحمد بن عبد الحليم بن عبد السلام بن عبد الله بن أبي القاسم بن محمد ابن تيمية الحراني الحنبلي الدمشقي (المتوفى: ۷۲۸هـ)

المحقق: د. حمد بن عبد المحسن التويجري

الناشر: دار الصميعي - الرياض

الطبعة: الطبعة الثانية ۱٤۲٥هـ / ۲۰۰٤م

বই:-আল ফতওয়াতুল হামইয়্যাতুল কুবরা।
লেখক:- তাক্বিউদ্দিন আবুল আব্বাস আহমাদ বিন আব্দুল হালিম বিন আব্দুস সালাম বিন আব্দুল্লাহ বিন আবুল কাসেম বিন মুহাম্মদ ইবনে তায়মিয়াহ আর হাররানিউ আল হাম্বলি আদ দিমাশক। (মৃত্যু:- ৮২৭ হিজরী)
তাহক্বিক করেছেন:- হামাদ বিন আব্দুল মুহছিন আত তুওয়াইজিরি।
প্রকাশনি:- দারুছ ছমিইয়াই আর রিয়াদ।

পৃষ্ঠা :-১৪৬-১৪৮

🖊️Muhammad Ali

Address

Gazipur
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Raqi Muhammad Ali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram