আপনার চিকিৎসক আপনি

আপনার চিকিৎসক আপনি Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আপনার চিকিৎসক আপনি, South Damodya. shariatpur, Dhaka.

18/04/2020
লজ্জা নয় জানতে হবে丨Medical Scienceপ্রতিদিন ডিম খেলে যে ১২টি উপকার পাবেনপ্রতিদিন ডিম খেলে যে ১২টি উপকার পাবেনআজকালঅনেকেই ...
09/10/2019

লজ্জা নয় জানতে হবে丨Medical Science
প্রতিদিন ডিম খেলে যে ১২টি উপকার পাবেন
প্রতিদিন ডিম খেলে যে ১২টি উপকার পাবেনআজকাল
অনেকেই ডিম খান না। কেউ ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে, কেউ আবার রক্তে চর্বির পরিমাণ কম রাখতে, কেউ আবার হৃদরোগকে ভয় পেয়ে। কিন্তু আসলেই কি ডিম এগুলো বাড়ায়? বরং চিকিৎসকেরা আজকাল বলেন উল্টো কথা। তারা বলেন, সকালে নাস্তায় একটি ডিম মাসে প্রায় ৩ পাউনড পর্যন্ত ওজন কমাতে পারে! আসুন, তাহলে জেনে নেয়া যাক ডিমের ১২টি উপকারিতা, যেগুলোর কারণে রোজ ডিম খাওয়া উচিত আপনার!
১)ছোট্টো একটা ডিম হাজারো ভিটামিনে ভরা। এর
ভিটামিন বি ১২ আপনি যা খাচ্ছেন সেই খাবারকে
এনার্জি বা শক্তিতে রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে।
২)এর মধ্যে আছে ভিটামিন এ। যা দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে। ডিমের কেরোটিনয়েড, ল্যুটেন ও জিয়েক্সেনথিন
বয়সকালের চোখের অসুখ ম্যাকুলার ডিজেনারেশন
হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। এই একই উপাদান চোখের ছানি কমাতেও সাহায্য করে।
৩)কেবলমাত্র ডিমেই রয়েছে ভিটামিন ডি। যা পেশীর
ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
৪)আছে ভিটামিন ই। এটি কোষ এবং ত্বকে উত্পন্ন ফ্রি
র্যাডিক্যাল নষ্ট করে দেয়। এবং স্কিন ক্যানসার
প্রতিরোধ করে।
৫)ডিমের সবচেয়ে বড়ো গুণ এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে। ব্রেকফাস্টে রোজ একটি ডিম মানে সারাদিন আপনার ক্ষুধা কম হবে, খাওয়া হবে কম। গবেষণায় দেখা যায় শরীর থেকে দিনে প্রায় ৪০০ ক্যালোরি কমাতে পারে সকালে একটি ডিম খাওয়া। তার মানে মাসে ওজন কমার পরিমাণ প্রায় তিন পাউন্ড। সমীক্ষা বলছে, ৬৫% বডি ওয়েট, ১৬% বডি ফ্যাট, ৩৪% কোমরে জমে থাকা মেদের পরিমাণ কমাতে পারে ডিম!
৬)ডিমে আছে আয়রন, জিঙ্ক, ফসফরাস। মেনস্ট্রুয়েশনের
জন্য অনেক সময় অ্যানিমিয়া দেখা দেয়। শরীর
তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ডিমের মধ্যে থাকা আয়রন
এই ঘাটতি মেটাতে পারে সহজেই। জিঙ্ক শরীরের ইমিউন
সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। আর
ফসফরাস হাড় ও দাঁত মজবুত করে।
৭)প্রত্যেক নারীর শরীরে রোজ কমপক্ষে ৫০ গ্রাম
প্রোটিনের দরকার। একটি ডিমে থাকে ৭০-৮৫ ক্যালোরি
বা ৬.৫ গ্রাম প্রোটিন। সুতরাং চাঙা থাকতে রোজ ডিম
খেতেই পারেন।
৮)২০০৩ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় একটি সমীক্ষায়
দেখিয়েছে অ্যাডোলেশন পিরিয়ডে বা পরবর্তী কালে
সপ্তাহে ৬টি করে ডিম নিয়মিত খেলে প্রায় ৪৪% ব্রেস্ট
ক্যানসার প্রতিরোধ করা সম্ভব৷ সঙ্গে এটাও
জানিয়েছে, ডিম হৃৎপিণ্ডে রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না।
ফলে স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনাও
অনেকটাই কম থাকে।
৯)শরীর সুস্থ রাখার আরও একটি জরুরি উপাদান কোলাইন। কোলাইনের ঘাটতি ঘটলে অনেক সময় কার্ডিওভাসকুলার, লিভারের অসুখ বা নিউরোলজিক্যাল ডিজ-অর্ডার দেখা দিতে পারে। একটি ডিমে প্রায় ৩০০ মাইক্রোগ্রাম
কোলাইন থাকে। যা কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেম, স্নায়ু,
যকৃত্ ও মস্তিষ্ককে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
১০)নতুন সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ডিম কোলেস্টেরল
বাড়ায় না। দিনে দুটো ডিম শরীরের লিপিড প্রোফাইলে
কোনও প্রভাব ফেলে না। বরং ডিম রক্তে লোহিতকণিকা তৈরি করে।
১১)প্রোটিন শরীর গঠন করে। আর প্রোটিন তৈরিতে
সাহায্য করে অ্যামিনো অ্যাসিড। একুশ ধরনের
অ্যামিনো অ্যাসিড এই কাজে প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু
আমাদের শরীর অতি প্রয়োজনীয় নয়টি অ্যামিনো
অ্যাসিড তৈরি করতে পারে না। তার জন্য আমাদের
প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট নিতে হয়। খাবারের মধ্যে এই
প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট হল ডিম। যা ঝটপট শরীরে প্রোটিন
উত্পাদন করতে পারে।
১২)নখ ভেঙে যাচ্ছে চটপট? নাকি চুলের স্বাস্থ্য
একেবারেই বেহাল? চোখ বন্ধ করে রোজ ডিম খেয়ে যান। ডিমের মধ্যে থাকা সালফার ম্যাজিকের মতো নখ আর চুলের মান উন্নত করবে।
লেখাটি পছন্দ হইলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
নিয়মিত সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ এ অ্যাক্টিভ থাকুন।

03/05/2019

অতিরিক্ত গরমে এলার্জি ও ফুসকুরি সমস্যা? বিদায় জানান চিরদিনের জন্য, একদম বিনা পয়সায়!

ঘরের ধুলাবালি পরিষ্কার করছেন? হঠাৎ করে হাঁচি এবং পরে শ্বাসকষ্ট অথবা ফুলের গন্ধ নিচ্ছেন বা গরুর মাংস, চিংড়ি, ইলিশ ও গরুর দুধ খেলেই শুরু হলো গা চুলকানি বা চামড়ায় লাল লাল চাকা হয়ে ফুলে ওঠা। এগুলো হলে আপনার এলার্জি আছে ধরে নিতে হবে।

মানব জীবনে এলার্জি কতটা ভয়ংকর সেটা ভুক্তভোগীরাই জানে। উপশমের জন্য কতজন কত কি না করেন। এবার প্রায় বিনা পয়সায় এলার্জিকে গুডবাই জানান আজীবনের জন্য। যা করতে হবে আপনাকে –

১) ১ কেজি নিম পাতা ভালো করে রোদে শুকিয়ে নিন।

২) শুকনো নিম পাতা পাটায় পিষে গুড়ো করুন এবং সেই গুড়ো ভালো একটি কৌটায় ভরে রাখুন

৩) এবার ইসব গুলের ভুষি কিনুন। ১ চা চামচের তিন ভাগের এক ভাগ নিম পাতার গুড়া ও এক চা চামচ ভুষি ১ গ্লাস পানিতে আধা ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন।

৪) আধা ঘন্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন।

৫) প্রতি দিন সকালে খালি পেটে, দুপুরে ভরা পেটে এবং রাত্রে শোয়ার আগে খেয়ে ফেলুন। ২১ দিন একটানা খেতে হবে।

৬) কার্যকারীতা শুরু হতে ১ মাস লেগে যেতে পারে। ইনশাআল্লাহ ভালো হয়ে যাবে এবং এরপর থেকে এলার্জির জন্য যা যা খেতে পারতেন না যেমন- হাঁসের ডিম, বেগুন, গরু, চিংড়ি সহ অন্যান্য খাবার খেতে পারবেন।তবে অনেক দিন যাবৎ চুলকানি এবং এলার্জির সমস্যায় ভুগতে থাকলে অভিজ্ঞ এবং নিবন্ধনকৃত হোমিও ডাক্তারের পরামর্শ মত কিছুদিন প্রপার ট্রিটমেন্ট নিতে পারেন। আশা করি আপনার এলার্জির সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

24/01/2019

স্বাস্থ্য সুরক্ষায় খেতে পারেন আদা

আদা সর্দি-কাশি সারাতে দারুন কাজ করে এটা অনেকেরই জানা।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদায় এমন সব ঔষধি গুণ রয়েছে যা একাধিক রোগ-ব্যাধি মোকাবেলায় সাহায্য করে। প্রতি ১০০ গ্রাম আদায় ৮০ ক্যালরি এনার্জি, ১৭ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ০.৭৫ গ্রাম ফ্যাট, ৪১৫ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম এবং ৩৪ মিলিগ্রাম ফসফরাস রয়েছে। নিয়মিত আদা খেলে যেসব সমস্যা দুর করা যায়-

১. হজমের সমস্যা, বুক জ্বালা কিংবা গ্যাস কমানোর জন্য আদা অত্যন্ত কার্যকরী।
২. শরীরের নানা ধরনের ব্যথা নিরাময়ে আদা দারুনভাবে প্রভাব ফেলে। আদার রসে থাকা জিঞ্জেরল ব্যথার অসুখের মতোই কাজ করে।
৩. মার্কিন গবেষকরা বলছেন, আর্থ্রাইটিস সমস্যা কমাতেও আদা কার্যকরী।
৪. যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান ইউনিভার্সিটির গবেষকদের মতে, ক্যানসারের কোষগুলির অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি রুখে দিতে পারে আদার রস।
৪. মাইগ্রেনের সমস্যার নিরাময়েও আদা দারুনভাবে কাজ করে। এতে থাকা অ্যান্টিহিস্টামাইন, অ্যান্টিনসিয়া উপাদান মাথা-ধরার অস্বস্তি থেকে মুক্তি দেয়।
৫. ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও দারুন কার্যকরী আদা। এটি ক্যালরি পোড়াতে ভাল কাজ করে। তাছাড়া আদার রস কার্বোহাইড্রেট দ্রুত হজম করাতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে বিপাকক্রিয়া এবং ইনসুলিনের নিঃসরণ বাড়ায়। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে আদার বেশ ভূমিকা থাকে।
৬. ঠান্ডা-গরমে খুসখুসে কাশি বা সর্দির সমস্যা দূর করতে আদার রস খুবই কার্যকরী। খুসখুসে কাশিতে গলার ভেতরের অস্বস্তি কমাতে আদার জুড়ি নেই।
৭. একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যাকটেরিয়াজনিত যে কোনও সংক্রমণ ঠেকাতে আদার রস খুবই কার্যকরী।
৮. বমি বমি ভাব কমাতে আদার কুচি মুখে রাখলে উপকার পাওয়া যায়।

19/01/2019

যে খাবারগুলো বাড়াবে শিশুর মস্তিষ্কের ক্ষমতাঃ-
নিয়মিত বিভিন্ন পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার শিশু দৈহিক ও মানসিক বিকাশে সাহায্য করে। তবে এটাও ঠিক, একেক খাবারে থাকা পুষ্টি বেশি কাজে লাগে শরীরের একেক অংশে। বড়দের পাশাপাশি বিশেষ করে শিশুদের বেড়ে ওঠায় এসব খাবার অনেক বেশি ভূমিকা রাখে।
মস্তিষ্ক মানবদেহের অন্যান্য অংশের বিকাশ ও সঠিক পরিচালনা অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণ করে। তাই শিশুকালেই এই অতি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির উপযুক্ত বিকাশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
চলুন জেনে নেই মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে সন্তানকে কোন খাবারগুলো খেতে দেয়া বেশি দরকার-
ব্রেকফাস্ট সিরিয়াল বা কর্নফ্লেকস: শিশুদের দিন শুরু করার ভাল একটি উপায় হলো এক বাটি সিরিয়াল দেওয়া। তবে সাবধান হতে হবে কারন বাচ্চারা যে সব সিরিয়াল পছন্দ করে বা খায় তার উপাদানের প্রায় ৫০ শতাংশ জুড়েই থাকে চিনি।
এই সিরিয়ালগুলো অনেক বেশি প্রসেসিংয়ের মধ্য দিয়ে যায়। যার ফলে এগুলোতে ফাইবার, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকে খুবই কম আর লবণ থাকে প্রচুর। ওইসব ক্ষতিকর সিরিয়াল বাদ দিয়ে কর্নফ্লেকস, উইটাবিক্স, গ্র্যানোলা, মিউজলি এবং পরিজের মতো সিরিয়ালগুলো খাওয়া অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর।
আপনার সন্তান যদি তার এই সিরিয়ালের বাটিতে আলাদা চিনি মেশায়, তাও ওই চিনিভরা সিরিয়ালগুলোর চেয়ে অনেক অনেক কম চিনি থাকবে।
ডিম:ডিম খাওয়া নিয়ে প্রায় শিশুদেরই নাই থাকে। তবে না খেতে চাইলেও শিশুকে প্রতিদিন অন্তত একটি ডিম খাওয়াতে চেষ্টা করতে হবে। কারণ গবেষণায় দেখা যায়, যারা প্রতিদিন অন্তত একটি ডিম খায় তাদের স্মৃতিশক্তি অন্যদের তুলনায় অন্তত ৭০% বেশি ভালো থাকে।ডিমে রয়েছে প্রচুর আয়রন। যা লোহিত কণিকা তৈরি করে রক্তের উপাদানে সঠিক মাত্রা বজায় রাখে। এতে মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ হয়। যা চিন্তাশক্তি ও বুদ্ধিমত্তা বাড়াতেও সাহায্য করে।
কিউই: একটি কিউইতে একটি কমলার প্রায় দ্বিগুণ ভিটামিন সি থাকে, যা পূর্ণবয়স্ক একজন মানুষের একদিনের ভিটামিন সি’র চাহিদা পূরণে সক্ষম। ভিটামিন সি খাদ্য থেকে দেহে আয়রন শোষণের ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ভিটামিন সি দেহে জমা থাকতে পারে না। তাই শিশুদের প্রতিদিনই কিউই বা ভিটামিন সি’তে ভরপুর অন্য খাবার খেতে দিতে হবে।
কলা: কলা এমন একটি ফল, যাতে আছে প্রচুর পরিমাণে বলকারক কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা। সকালে নাস্তার কিছু সময় পর হালকা স্ন্যাক হিসেবে একটি কলা খেলে আপনার বাচ্চাটি পুরোটা সকাল জুড়েই তার শক্তি ধরে রাখতে পারবে। ফলে যে কোনো কাজে তার মনোযোগ দেয়ার ক্ষমতাও বাড়বে। তাই টুকিটাকি স্ন্যাক হিসেবে সন্তানের ব্যাগে চিপস বা বিস্কিটের প্যাকেটের বদলে একটি কলা দিয়ে দিন।
শুকনো ফল: যে সব ফল শুকিয়ে রাখা যায় সেগুলোতে থাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। এগুলো হলো ব্যাপক শক্তির উৎস। তাই শিশুদের শুকনো ফল খাওয়ানোর অভ্যাস করতে হবে। তাহলে শিশুর মেধা বিকাশে অনেক প্রসারতা লাভ করবে। তাই মাদের উচিত চকলেট খেতে না দিয়ে শুকনা ফল দেওয়ার অভ্যাস করানো। এতে শিশুর দাঁতও ভাল থাকবে।
পনির: ফ্যাট কম, ফাইবার বেশি – এ ধরণের খাদ্য গ্রহণের গাইডলাইন বড়দের জন্য, ছোটদের জন্য নয়। শিশুদের বর্ধিষ্ণু দেহের জন্য দরকার তুলনামূলক বেশি ফ্যাট ও কম শর্করা। এতে তারা দেহে বেশি শক্তি পায় এবং বিভিন্ন কাজ অনেক ভালোভাবে করতে পারে।
বাদাম: শিশুকে প্রতিদিনই কয়েকটি করে বাদাম খেতে দিন। কারণ বাদামে রয়েছে ভিটামিন ‘ই’ যা মস্তিষ্কের সমন্বয় সাধনের ক্ষমতা বাড়ায়। কাজুবাদাম, পেস্তা বাদাম, চীনাবাদামসহ যে কোনো ধরনের বাদামই শিশুর মানসিক বৃদ্ধিতে সহায়ক।
আখরোট: মস্তিষ্কের জন্য আখরোট খুবই উপকারী। এতে বাদামের তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। এটি শিশুসহ সব বয়সীদেরই মস্তিষ্কের যে কোনো রোগ থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে।
ব্লু বেরি এবং স্ট্রবেরি: ব্লুবেরি এবং স্ট্রবেরি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস বাচ্চাদের দক্ষতা ও চিন্তা করার ক্ষমতা উন্নত করে। এই খাদ্য মেমরি ক্ষমতা উন্নত করতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি ভিটামিন সি এর উপস্থিতি ইমিউন সিস্টেম উন্নত করে থাকে। এককথায় বুদ্ধির তীক্ষ্ণতা বাড়াতে ব্লু বেরির জুড়ি নেই। তাই ব্লু বেরিকে ব্রেইনের জন্য সবচেয়ে কার্যকর খাবার বলে ধরা হয়। সুতরাং শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এই খাবারগুলো দেওয়া উচিত।
ডার্ক চকলেট: অভিভাবকরা সাধারণত শিশুদের চকলেট খাওয়া নিয়ে চিন্তিত থাকে। কিন্তু সব চকলেটই শিশুর জন্য ক্ষতিকর নয়। ডার্ক চকলেটে থাকে ৭৫% কোকো যা শিশুর মেধা ও বুদ্ধি বিকাশের জন্য উপকারী। ডার্ক চকলেট মস্তিষ্কে নিউরন তৈরি করে যা নতুন বিষয় মনে রাখতে সাহায্য করে। এটি শিশুর পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়ায় এবং মস্তিষ্ক সতেজ রাখে।
জাম ও জামজাতীয় ফল: শিশুর প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন জাম, লিচু, স্ট্রবেরি বা আঙ্গুরের মতো ফলগুলো। কারণ ফলগুলোতে রয়েছে এন্টি-অক্সিডেন্ট যা ব্রেইনের কোষের অক্সিডেশন এবং ক্রমাগত ক্ষয়ে যাওয়া রোধ করে ব্রেইনের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।
মায়ের দুধ: শিশুকে অন্তত ছয় মাস বুকের দুধ খাওয়ানো উচিত। কারণ মায়ের দুধ পান করলে শিশুর বুদ্ধিমত্তা বাড়ে। ব্রাজিলের একদল গবেষক সাড়ে ৩ হাজার শিশুর ওপর দীর্ঘদিন নজর রাখার পর এ সিদ্ধান্তে আসেন।
শাকসবজি: কিছু কিছু শাকসবজিও রয়েছে যেগুলো শিশুর মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। পাতা কপি ও পালং শাকে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন কে এবং বিটা ক্যারোটিন। যা শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। পুষ্টিগুণে গুণান্বিত টমেটো। এটি মস্তিষ্কের শক্তি বৃদ্ধি ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। তাই এখন থেকে প্রতিদিন শিশুকে রান্না, সালাদ নানাভাবে টমেটো খাওয়াতে চেষ্টা করতে হবে।
সামুদ্রিক মাছ ও মাছের তেল:মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সামুদ্রিক মাছ কার্যকরী ভূমিকা রাখে। মস্তিষ্কে থাকা ফ্যাটি এসিডের ৪০% হচ্ছে ডিএইচএ, যা সামুদ্রিক ও মাছের তেলে পাওয়া যায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড হিসেবে। এই ধরনের যৌগিক উপাদান অন্য খাবারে পাওয়া সম্ভব নয়। তাই শিশুর বয়স এবং দেহের গঠন অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণে সামুদ্রিক মাছ ও মাছের তেল সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন খাওয়াতে চেষ্টা করতে হবে।
গম: গমে রয়েছে ভিটামিন-ই ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস যা মস্তিষ্কের ক্ষয় প্রশমন করে ও হার্টকে ভালো রাখে। এর মধ্যে থাকা ফাইবার রক্ত থেকে ক্ষতিকারক কোলেস্ট্রেরল কমিয়ে দেয়। তাই প্রায় শিশুর জন্য গম দিয়ে খাবার তৈরি করে দেওয়া উচিত।
আভোকাডো: আভোকাডো আমাদের দেশে সম্পূর্ণ নতুন একটি ফল। বিদেশি ফল হলেও এর বর্তমান প্রাপ্তি বেশ সুলভ বটে। এই ফল খেলে হার্ট ও মস্তিষ্ক, দুটিরই উপকার করে। মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন ঠিক রেখে তার মেধার বিকাশ তীক্ষ্ণ করে তোলে। সুতরাং এই ফলটি শিশুর জন্য কম উপকারি নয়।
আমলকি: আমলকিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস। ভিটামিন-সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এছাড়া হার্ট ও মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখে। তাই দিনে ১-২টা করে আমলকী শিশুকে খেতে দেওয়া ভালো।
পেঁয়াজ: এটি আমরা প্রায় সকলেই রোজ খাবারের সাথে রান্না করে বা কাঁচা খেয়ে থাকি। পেঁয়াজ হার্ট ও মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালনকে বাড়িয়ে দেয়। তাই শিশুর খাবারে পেঁয়াজ দিয়ে রান্না করতে চেষ্টা করবেন।
কালোজিরা: কালোজিরাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস যা হার্ট বা মস্তিষ্ককে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায়। উচ্চ রক্তচাপ কমাতে, মনোযোগ বাড়াতে কালোজিরা সাহায্য করে। যদি কালোজিরা শুধু না খেতে চাই, তাহলে কিছু বিস্কুট আছে যেগুলো কালোজিরা দিয়ে তৈরি সেইগুলো খেতে দিতে চেষ্টা করবেন।
কালোজাম: কালোজামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস যা প্রবল ক্ষতির হাত থেকে হার্ট ও মস্তিষ্ককে বাঁচায়। একইসাথে হার্টে রক্ত সঞ্চালনও বাড়িয়ে দেয় এই ফলটি। তাই শিশুর প্রতিদিন ১-২টা করে কালোজাম খেতে দিতে চেষ্টা করবেন।
লাল আপেল: আপেলের খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস। এছাড়া এতে রয়েছে এমন উপাদান যা মস্তিষ্ককে ক্ষুরধার করার পাশাপাশি হৃদরোগের সম্ভাবনা কমায়। আপেল অনেক শিশু খেতে ভালবাসে, তাই শিশুকে আপেল খেতে দিবেন বেশি করে।
কুমড়োর বীজ: কুমড়ো যেমন উপকারী তেমনই এর বীজে রয়েছে নানা খনিজ ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড যা কোলেস্ট্রেরলের মাত্রা কমায় ও মস্তিষ্ককে ক্ষুরধার করে তোলে। সুতরাং কুমড়োর বীজ না ফেলে দিয়ে শিশুকে ভেজে দিতে চেষ্টা করবেন।
মধু: স্বাস্থ্য সংক্রান্ত উপকারিতায় কোনও খাবার সম্ভবত মধুকে টেক্কা দিতে পারবে না। সব রোগের নিরাময় করতে মধু প্রয়োজন হয়। এতে রয়েছে নানা ধরনের ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, পটাশিয়াম, ফসফরাস, ম্য়াগনেশিয়াম ইত্যাদি। ফলে হার্ট ও মস্তিষ্কের জন্যও মধু একইরকম প্রয়োজনীয়।

ফ্রিজে রেখে খাবেন না যেসব ফলঃ-ফল স্বাস্থ্যের জন্য দারুন উপকারী। কিন্তু এই ফলই বিষাক্ত হয়ে যায় যদি তা দীর্ঘদিন ফ্রিজে রেখ...
15/10/2018

ফ্রিজে রেখে খাবেন না যেসব ফলঃ-
ফল স্বাস্থ্যের জন্য দারুন উপকারী। কিন্তু এই ফলই বিষাক্ত হয়ে যায় যদি তা দীর্ঘদিন ফ্রিজে রেখে খাওয়া হয়। এমনিতে ফল বেশিদিন তাজা থাকে না। না খেলে দ্রুতই অনেক ফল পেকে যায় বা কালো হয়ে যায়। এজন্য অনেকে ফল ফ্রিজে রেখে দেন। তাদের ধারনা ফ্রিজে থাকলে নিশ্চয়ই সেগুলো টাটকা থাকবে। কিন্তু অতিরিক্ত মজে কিছু কিছু ফল আরও বিষাক্ত হয়ে উঠতে পারে। যেমন-১. যেকোনও লেবু জাতীয় ফলে অ্যাসিডের পরিমাণ খুব বেশি থাকে৷ অতিরিক্ত ঠান্ডায় সেগুলো খারাপ হয়ে বিষাক্ত হয়ে উঠতে পারে ৷ ঠান্ডায় লেবুর খোসাও শুকিয়ে যায়। একারণে কমলা, লেবু এসব ফল ফ্রিজে রাখা ঠিক নয়।২. পাকার জন্য পেঁপে ফ্রিজে রাখলে তা পাকতে আরও দেরি হবে৷ বরং বাইরে রাখলে এটি তাড়াতাড়ি পেকে যাবে।৩. কলা যেহেতু গরম তাপমাত্রায় ফলে তাই গরমেই এটি ভাল থাকে । স্বাভাবিক তাপমাত্রায় থাকলে পাকেও তাড়াতাড়ি৷ আর ফ্রিজে কলা রাখলে পাকতে দেরি হয়। সেই সঙ্গে কলার কোষের গঠনও নষ্ট হয়ে সেটি বিষাক্ত হতে পারে।৪. অতিরিক্ত ঠান্ডায় শশার খোসা নষ্ট হয়ে যায়৷ শশা অতিরিক্ত গরমে রাখা যেমন ঠিক নয় তেমনি ফ্রিজে রাখাও উচিত নয়৷ আলো নেই, ঠান্ডা এরকম কোনও জায়গায় শশা রাখা উচিত ৷ এতে অন্তত ১ সপ্তাহ এটি তাজা থাকবে।৫. বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্রিজে রাখলে তরমুজের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়৷ তরমুজ তাই যতক্ষণ না কাটা হচ্ছে ততক্ষণ ফ্রিজের বাইরে রাখাই ভাল৷৬.আপেল ফ্রিজে রাখলেই শুকিয়ে গিয়ে সব খাদ্যগুণ নষ্ট হয়ে যাবে৷ বরং বাইরে রাখলে এটি ২ সপ্তাহ পর্যন্ত ভাল থাকে।৭. ফ্রিজে রাখলে নাশপাতি নরম হয়ে মজে যেতে পারে। যা খেলে পেটের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এ কারণে এটি স্বাভাবিক তাপমাত্রাতেই রাখুন।সূত্র : নিউজ এইট্টিন

রক্তশূন্যতা কমায় লাল শাকঃ-মার্কিন কৃষি দফতরের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত লাল শাক খেলে দেহে ভিটামিনের ঘাটতি ...
15/10/2018

রক্তশূন্যতা কমায় লাল শাকঃ-
মার্কিন কৃষি দফতরের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত লাল শাক খেলে দেহে ভিটামিনের ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে শরীরের অভ্যন্তরে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়ামসহ এমন কিছু উপাদানের ঘাটতি দূর হয়, যা ডায়াবেটিস এবং ক্যান্সারের মতো রোগ দূরে রাখে। নিয়মিত লাল শাক খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-১. লাল শাকে উপস্থিত কিছু উপাদান শরীরে প্রবেশ করা মাত্র বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, যার প্রভাবে ক্ষিদে কমে যায়। এ কারণে এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।২. বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন লাল শাক খেলে শরীরের ভিতরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি-এর ঘাটতি দূর হয়। এতে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়।৩. লাল শাকে উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন ই, পটাশিয়াম এবং ভিটামিন সি শরীরে উপস্থিত একাধিক টক্সিক উপাদানের ক্ষতি করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে ক্যান্সার সেল যাতে জন্ম নিতে না পারে, সেদিকেও খেয়াল রাখে।৪. এই শাকে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে যা হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া এটি গ্যাস্ট্রিকের জন্যও উপকারী।। ৫. লাল শাকে উপস্থিত ভিটামিন সি দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।৬. একাধিক সমীক্ষায় দেখা গেছে, নিয়মিত লাল শাক খেলে একদিকে যেমন কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়ে, তেমনি রক্তে উপস্থিত একাধিক ক্ষতিকর উপাদান শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে রক্ত পরিশুদ্ধ হয়।৭. লাল শাকের মূল দিয়ে দাঁত মাজার পর লবণ পানি দিয়ে কুলকুচি করলে দাঁতের হলুদ ভাব কেটে যায়।৮. লাল শাকে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এ কারণে এটি অ্যানিমিয়া রোগীদের জন্য উপকারী। সূত্র : বোল্ড স্কাই

খাবো কী?ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল হোসেনের ল্যাব-টেস্ট মোতাবেক ব্রয়লার মুরগির মাংসে ২০০০ মাক্রোগ...
21/07/2018

খাবো কী?
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল হোসেনের ল্যাব-টেস্ট মোতাবেক ব্রয়লার মুরগির মাংসে ২০০০ মাক্রোগ্রাম, কলিজায়-৬১২ মাইক্রোগ্রাম, এবং মগজে-৪০০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যান্সার সৃষ্টকারী বিষাক্ত ক্রোমিয়াম পাওয়া গেছে । WHO-এর গাইডলাইন অনুসারে মানুষের শরীরে ক্রোমিয়ামের সহনশীয় মাত্রা ২৬-৩৫ মাইক্রোগ্রাম। ফার্মের মুরগির ডিমেও আছে সহনীয় মাত্রার চেয়ে ৬-৭ গুণ বেশি ক্রোমিয়াম। এর কারণ হচ্ছে বাংলাদেশে মুরগী ও মাছের ফিড তৈরিতে ক্রোমিয়াম মিশ্রিত টেনারির বর্জ্য ব্যবহার হয় যা পুরান ঢাকার টেনারিগুলো থেকে আসে। হাইকোর্টের একটি নিষেধাজ্ঞা আছে এই ক্রোমিয়াম মেশানো নিয়ে।চাষের মাছগুলোতে আছে উচ্চমাত্রার নাইট্রোফোরন ও আর্সেনিক। ক্রোমিয়াম, নাইট্রোফোরন ও আর্সেনিক ১ম সারির ক্যান্সার সৃষ্টিকারী বিষাক্ত ক্যামিক্যাল। আর্সেনিক দিয়ে তো ইঁদুর মারার বিষ বানানো হয়।এখন বলুন, সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রোটিন যোগান দেবে কোন খাবারটি? গত সপ্তাহেমলা-ঢেলা মাছ কিনলাম ৪৫০ টাকা কেজি দরে। নদী ও সামুদ্রিক মাছের দাম আকাশচুম্বী! সহজলভ্য তেলাপিয়া, পাংগাস ও অন্যান্য মাছের শরীর নাইট্রোফোরন, ক্রোমিয়াম ও আর্সেনিকে ঠাসা, কারণ এই মাছগুলো ক্ষতিকর মাত্রার আর্সেনিকযুক্ত সেচের পানিতে চাষ হয় ও চাষে টেনারির বর্জ্য দিয়ে প্রস্তুত ফিড ব্যবহার করা হয়।কোরবানির পশুর চামড়ার পশম পুড়তে ব্যবহৃত হয় ক্রোমিয়াম ও নাইট্রোফোরনযুক্ত ক্যামিক্যাল। চামড়া প্রসেজের পর উপজাত হিসেবে প্রাপ্ত হাজার-হাজার টন বর্জ্য পোল্ট্রি ও মাছের ফিড বানাতে ব্যবহার করা হয়।কার্বোহাইড্রেটের পরেই শরীরের জন্য বেশি দরকার আমিষ।সাধারণ মানুষ কোথা থেকে পাবে নির্মল আমিষ?এসব খাবার বর্জন কতটা টেকসই সমাধান হতেপারে?কেবল বোবা কান্নায় বুকটা ভার হয়ে থাকে!এদেশের ঘরে ঘরে এখন ক্যান্সার ও কিডনি রোগী। হঠাতকরেই মারা যাচ্ছে অল্পবয়সী তরুণ-তরুণী!কেউ কি বলতে পারেন, বিশ্বে এদেশের মতো আর কোথায় এমন ধরনের নৈরাজ্য হয়? কোন দেশের শিক্ষিত সচেতন সমাজ নিরবে এধরনের নৈরাজ্য বছরের পর বছর সহ্য করে যায়? #সংগৃহীত

যারা বাচ্চাকাচ্চাদেরহরলিক্স, কমপ্ল্যান, বুস্ট,মালটোভা ইত্যাদি খাওয়ান তাদের জন্যে এই লেখাটা পড়া জরুরী বলে মনে করছি।ইন্ডিয়...
02/07/2018

যারা বাচ্চাকাচ্চাদেরহরলিক্স, কমপ্ল্যান, বুস্ট,মালটোভা ইত্যাদি খাওয়ান তাদের জন্যে এই লেখাটা পড়া জরুরী বলে মনে করছি।ইন্ডিয়া তে হরলিক্স এর “টলার,স্টংগার, শার্পার” বিজ্ঞাপন চরম তুঙ্গে । একই হরলিক্স এর বিজ্ঞাপন প্রচারকরছিল নেপালী এক চ্যানেল। নেপালী সেই চ্যানেল ব্রডকাস্ট হচ্ছিল লন্ডনের কিছু নেপালী পাড়ায়।লন্ডনের এক এডভোকেট তো সেই বিজ্ঞাপন দেখে আকাশ থেকে পড়লেন। কারন ব্রিটেনে “ঘুমের পিল” এইড হিসেবে খাওয়ানো হয় হরলিক্স মল্টেড দুধকে । সেটা কিভাবে টলার স্ট্রংগার শার্পার করে সেটা জানতে আইনী নোটিশ পাঠিয়ে দেন। পরে সেই দেশে এই বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করা হয় সরকারী ভাবে। তারা তখন মস্করা করেই বলেছিল- “দক্ষিন এশিয়ানরাই এই সব জিনিস খাবার হিসেবে খাবে”। তাইহচ্ছে আজকাল আমাদের দেশে ।আমাদের দৈনিক খাবারের আইডিয়াল মেনু কে “RDA” বলে । আর ব্যালেন্সড ডায়েট হইতে যা যা লাগে তার খুব সামান্যই আছে এইসব খাবারে । আসল কথা হলো- হরলিক্স অথবা কমপ্লান এর মত খাবার US FDA এপ্রুভড না। তবুও সবাই খাচ্ছে মুড়ির মত। আর বিজ্ঞাপনের প্যাচে পড়ে – সব পুষ্টি গুনের আশায়ভাত মাছ বাদ দিয়া হরলিক্স আর কমপ্লান নিয়া পইড়া থাকে মায়েরা।“বর্নভিটা” নামক আরেক দুধ কোম্পানী দাবী করে – তাদের দুধে দৈনিক চাহিদার ৪০% ভাগ প্রোটিন চাহিদা পুরণ করে।অথচ তাদেরি ফাইন প্রিন্টে লেখা আছে বর্নভিটার দুধে খুব সামান্যই প্রোটিন আছে। খাড়ার উপ্রে কেমনে কথা ঘুরায়ালায় এরা।হরলিক্স এবং কমপ্লান দুইটা কোম্পানীই দাবী করে তাদের দুধে সুষম পরিমানে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট,ফ্যাট, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে। কিন্তু কমপ্লানে প্রতি ১০০ গ্রামে এদের পরিমান যথাক্রমে ১৮ গ্রাম, ৬২ গ্রাম, ১১ গ্রাম, ৮০০ মিগ্রা ও ৭৮০ মিগ্রা । আর সেখানে হরলিক্সে প্রতি ১০০ গ্রামে এদের পরিমান যথাক্রমে – ১১গ্রাম, ১৪ গ্রাম, ২ গ্রাম , ৭৪১ মিগ্রা ও ২৮০ মিগ্রা । এদের তুলনায় বর্নভিটা ওবুস্টে এদের পরিমান অনেক কম থাকে।তাহলে এখন বলুন কোনটা আসলে সুষম। দামের হিসাবে কিন্তু সবাই একই সমান প্রায়। সুতরাং আপনার শিশুর পুষ্টি চাহিদা ডায়েটিশিয়ানের কাছে গিয়ে করুন। বিজ্ঞাপনে মুগ্ধ হয়ে ভুল বুঝে না।যাই হোক- জীবনের প্রথম ৬ মাস মায়ের দুধের কোনো বিকল্প নাই। কিন্তু বছরের পর বছর যদি বাচ্চা কে সাপ্লিমেন্টারি ফুড না দিয়ে দুধের উপর নির্ভরশীল করে ফেলেন , তাহলে “মিল্ক ইঞ্জুরি” নামক রোগের শিকার হতে পারে আপনার বাচ্চা। সেই বাচ্চা ফুলাফাপা থাকবে (edematous) প্রোটিনের অভাবে। কিন্তু ভিতর দিয়া সব ধরনের নিউট্রিশনাল ডেফিসিয়েন্সি তে ভুগবে। তখন কই যাইবো গিয়া টলার স্ট্রংগার শার্পার। # বিজ্ঞাপন মানুষের মাথায় ভুত হিসেবে ঢুকছে। আপনার বিবেচনা ও বিবেককে নষ্ট করে দিচ্ছে। সচেতনহোন নিজের জন্য ।
জনস্বার্থের জন্য সংগ্রহ করা হলো

23/06/2018

sobai kemon asen?

05/06/2018

স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপসঃ
অসুখ নিরাময়ে বেশ কার্যকরী পেয়ারা। পেয়ারা মৌসুমি ফল হলেও এখন প্রায় সারাবছরই পাওয়া যায়। পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ও স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হওয়ায় এটিকে ‘সুপার ফুড’ বলা হয়। বিভিন্ন অসুখ নিরাময়ের জন্য পেয়ারা বেশ কার্যকরী।রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে ফাইবার অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। সেই সঙ্গে ফাইবার হজমশক্তি বাড়ায় এবং শরীরে হজম পদ্ধতি ঠিক রাখে। পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। এ কারণে এটি ডায়বেটিস রোগীদের জন্য যেমন উপকারী তেমনি যাদের হজমে সমস্যা হয় তাদের জন্যও কার্যকরী।ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় উপাদান। আর পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ থাকে। এজন্য চোখের দৃষ্টি বাড়াতে নিয়মিত পেয়ারা খাওয়া উচিত।পেয়ারায় বিদ্যমান পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। একটা কলা এবং পেয়ারায় প্রায় সম পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে।পেয়ারায় থাকা ম্যাগনেশিয়াম মাংসপেশী ও স্নায়ু শিথিল হতে সাহায্য করে। ভিটামিন বি ৩ এবং বি ৬ থাকায় পেয়ারা মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।পেয়ারা রস কোষ্টকাঠিন্য এবং ডায়রিয়া চিকিৎসায় দারুন কার্যকরী। এটি কান্সারের ক্ষতিকর সেল নষ্ট হতেও সাহায্য করে।বর্ষাকালে সাধারণত ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। ভিটামিন সি যেকোন ধরনের ফ্লু প্রতিরোধ করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।পেয়ারাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায় । এ কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত পেয়ারার রস খেতে পারেন।এছাড়া স্কার্ভি নামক চর্মরোগ, ডেঙ্গু জ্বর এবং দাঁতব্যথার জন্যও পেয়ারা বেশ উপকারী।

31/03/2018

বজ্রপাতের সময় ভুলেও করবেন না এই ৭টি কাজ-
সাধারণত মার্চ থেকে মে এবং অক্টোবর থেকে নভেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বজ্রঝড় হয়েথাকে।বজ্রপাতের সময় বাসা-বাড়ির মধ্যে থাকলে এর প্রভাব থেকে কিছুটা বাঁচা যায়। তবে রাস্তায় কিংবা খোলা মাঠে থাকাকালীন এমন পরিস্থিতি সামনে পড়লে কীভাবে সুরক্ষিত থাকবেন? বজ্রপাতের সময় ভুলেও করবেন না এই ৭টি কাজ ;-
১. বজ্রপাতের সময় উঁচু গাছপালার কাছাকাছি থাকবেন না। কারণ ফাঁকা জায়গায় কোনো যাত্রী ছাউনি বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই গাছ থেকে কমপক্ষে ৪ মিটার দূরত্বে অবস্থান করতে হবে।
২. ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা, উঁচু জায়গায় কিংবা টিনশেডের বাড়িতে না থাকাই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয় যদি কোনো পাকা বাড়িতে আশ্রয় নেওয়া যায়।
৩. বজ্রপাতের সময় রাস্তায় গাড়িতে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব গাড়ি থেকে বেরিয়ে পাকা কোনো বাড়ির ছাউনি কিংবা বারান্দায় অবস্থায় নেওয়া।
৪. বজ্রপাতের সময় মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, টিভি, ফ্রিজসহ সকল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির সুইচ বন্ধ রাখা। বজ্রপাতের আভাস পেলে আগেই এগুলোর প্লাগ খুলে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করুন।
৫. বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না। এমনকি ল্যান্ড লাইন টেলিফোনও স্পর্শ করবেন না। বজ্রপাতের সময় এগুলোর সংস্পর্শ এসে অনেকে আহত হন।
৬. নদীতে নৌকায় অবস্থান করলেও পানিথেকে সরে আসতে হবে এবং নৌকার ছাউনিতে ঢুকে পড়তে হবে।
৭. বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই বৈদ্যুতিক খুঁটি বা তার আছে এসব জায়গায় যাবেননা বা কাছাকাছি থাকবেন না।

Address

South Damodya. Shariatpur
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আপনার চিকিৎসক আপনি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share