25/02/2026
আপনার বা পরিবারের কারো কি ডায়াবেটিস আছে? কিন্তু রমজানের বরকত থেকে বঞ্চিত হতে চান না?
ডায়াবেটিস নিয়েও রোজা রাখা সম্ভব, তবে এর জন্য প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা এবং কঠোর নিয়ম মেনে চলা। সামান্য অবহেলাও বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।
যাদের জন্য রোজা রাখা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে: যাদের সুগার নিয়ন্ত্রণে নেই, টাইপ-১ ডায়াবেটিস আছে, গর্ভবতী নারী বা যাদের কিডনি/হার্টের সমস্যা আছে। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
যারা রোজা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাদের জন্য এই ৫টি সতর্কতা মেনে চলা ফরজ:
১. ওষুধের সমন্বয়: রোজায় খাওয়ার সময় বদলে যায়, তাই ডাক্তারের পরামর্শে ইনসুলিন বা ওষুধের ডোজ ও সময় পরিবর্তন করা জরুরি। নিজে নিজে ওষুধ বন্ধ বা চালু করবেন না।
২. সুগার মনিটরিং: রোজা অবস্থায় রক্ত পরীক্ষা করলে রোজা ভাঙে না। তাই ভয়ের কিছু নেই। দিনে কয়েকবার, বিশেষ করে বিকেল বা ইফতারের আগে সুগার মাপা খুব জরুরি।
৩. খাদ্যাভ্যাস: সেহরিতে লাল চাল বা আটার মতো জটিল শর্করা বেছে নিন যা দীর্ঘক্ষণ এনার্জি দেয়। ইফতারে চিনিযুক্ত পানীয় বা অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার রক্তে হঠাৎ সুগার বাড়িয়ে দেয়, তাই এগুলো এড়িয়ে চলুন।
৪. হাইপোগ্লাইসেমিয়া (সুগার কমে যাওয়া) সম্পর্কে সতর্ক থাকুন: অতিরিক্ত ঘাম, বুক ধড়ফড়, মাথা ঘোরা বা চোখে ঝাপসা দেখলে সাথে সাথে সুগার মাপুন। সুগার কমে গেলে রোজা ভেঙে ফেলা ওয়াজিব, এতে কোনো গুনাহ নেই। জীবন বাঁচানোই আগে।
#ডায়াবেটিস