DR K M NAHID UL HAQUE

DR K M NAHID UL HAQUE ডাঃ কে.এম. নাহিদ-উল-হক
চীফ কনসালটেন্ট
ডায়াবেটোলজি এন্ড এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ
ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও হরমোন কেয়ার
(3)

28/02/2026

অল্প পরিশ্রমে হাঁপিয়ে যাওয়া বা হাত-পা কাঁপা কি থাইরয়েডের লক্ষণ? জেনে নিন বিস্তারিত।

অনেকেই হয়তো জানেন না, হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ক্লান্তি বা বুক ধড়ফড় করা হতে পারে হাইপার থাইরয়েডিজমের লক্ষণ। সজীব মোল্লার অভিজ্ঞতার মাধ্যমে জেনে নিন এই রোগের উপসর্গ এবং সঠিক চিকিৎসা সম্পর্কে।

✅ সুস্থ থাকতে সচেতনতাই প্রথম ধাপ। ভিডিওটি শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন!

🏥 আমাদের ঠিকানা
৩য় তলা, লুৎফা টাওয়ার
নিলটুলি, মুজিব সড়ক, ফরিদপুর।
আরগ্য সদন হসপিটালের উল্টা দিকে ও সমরিতা হাসপিটালের পাশে।
সিরিয়ালঃ 01771 99 44 55
01706 84 85 22

19/02/2026

সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে এক গ্লাস ঠান্ডা শরবত সবারই কাম্য! কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীদের তো চিনি খাওয়ায় বাধা। তাই বলে কি তৃপ্তিতে কোনো ঘাটতি থাকবে? একদমই না! 🧊✨

ডায়াবেটিস রোগীদের ইফতারের জন্য দারুণ একটি স্বাস্থ্যকর ও পেট ঠান্ডা করা মেন্যু হতে পারে:
🍹 চিনি ছাড়া বিশেষ শরবত: ইউসুবগুলের ভুষি, তোকমারদানা, লেবু, মাল্টার রস ও বিটলবণ দিয়ে তৈরি।
🥣 উপাদেয় খাবার: ২টা খেজুর দিয়ে ইফতার করে টকদই, লাল চিড়া, কলা, বেদানার কোয়া ও আঙ্গুর।

এই খাবারগুলো রক্তে হঠাৎ গ্লুকোজের মাত্রা বাড়তে দেয় না, আবার সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে শরীরকে করে প্রশান্ত। বিস্তারিত জানতে ভিডিওটি দেখুন এবং শেয়ার করে অন্যকেও সচেতন করার সুযোগ করে দিন।

রমজানে আপনার ডায়াবেটিস সংক্রান্ত যেকোনো পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন:
🏥 ডায়াবেটিস থাইরয়েড ও হরমোন কেয়ার, ফরিদপুর
📞 01771994455
01706848522

#রোজা_ও_ডায়াবেটিস #ডায়াবেটিস_রোগীর_ইফতার #স্বাস্থ্যকর_ইফতার #সুগার_ফ্রি_শরবত #রমজান #ডায়াবেটিস_নিয়ন্ত্রণ

17/02/2026

১ দিনের বিশেষ অফার: রোজা ও ডায়াবেটিস বই ⏳ 🎁 বিশেষ উপহার: বইটির সাথে থাকছে ১০০০ টাকার একটি "ফ্রি কনসালটেশন কুপন"!অফারটি শুধুমাত্র আজকের জন্য! দেরি না করে এখনই সংগ্রহ করুন।

ডায়াবেটিস রোগীরা রোজা রাখুন নিশ্চিন্তে। বইয়ের মূল্য: ২০০ টাকা (সাথে থাকছে ১০০০ টাকার ফ্রি কনসালটেশন কুপন)। 📖

ডায়াবেটিস নিয়ে রোজা রাখা এখন আর দুশ্চিন্তার নয়।
বইটিতে যা থাকছে:
✅ IDF-DAR গাইডলাইন অনুযায়ী রিস্ক ক্যালকুলেটর।
✅ রোজা রাখা নিয়ে শরীয়াহ ও চিকিৎসা বিজ্ঞানের সমন্বয়।
✅ ইফতার সেহরি-মেনু
✅ কাদের জন্য রোজা রাখা নিরাপদ ও কাদের জন্য ঝুকিপূর্ন।
✅ Diabetes Risk Calculator.
✅ রোজায় কখন ড্যাবেটিস পরিমাপ করবেন

অর্ডার করতে সরাসরি কল করুন বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন:
📞 01771-994455
📞 01706-848522
(হোয়াটসঅ্যাপে আপনার নাম ও ঠিকানা লিখে পাঠিয়ে দিন)

নিরাপদ রোজার প্রস্তুতি নিন আজই!"

"ইবাদত যখন বিজ্ঞানের হাত ধরে: অপেক্ষার অবসান ও একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন"রমজান মানেই কি শুধু সংযম? নাকি আত্মশুদ্ধির এক দীর...
13/02/2026

"ইবাদত যখন বিজ্ঞানের হাত ধরে: অপেক্ষার অবসান ও একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন"

রমজান মানেই কি শুধু সংযম? নাকি আত্মশুদ্ধির এক দীর্ঘ যাত্রা? একজন চিকিৎসক হিসেবে আমি দেখেছি, এই পবিত্র মাসটি আসার আগে আমার রোগীদের চোখেমুখে এক অদ্ভুত আকুতি ফুটে ওঠে।

সেখানে ভয়ের ছায়া থাকে— "ডাক্তার সাহেব, আমি কি রোজা রাখতে পারব না? ইনসুলিন নিয়ে কি রোজা হয়?"

তাদের সেই কম্পিত কণ্ঠস্বর আর অসহায় প্রশ্নগুলো আমাকে ঘুমাতে দেয়নি। আমি অনুভব করেছি, তাদের শুধু ওষুধের প্রেসক্রিপশন নয়, প্রয়োজন এমন এক জীবনসঙ্গীর—যা তাদের সাহস দেবে, পথ দেখাবে।

আমার এই বই 'রোজা ও ডায়াবেটিস'—কোনো সাধারণ চিকিৎসাবিদ্যা বা পাতার সমষ্টি নয়। এটি আমার নির্ঘুম রাতের ফসল, এটি আপনাদের প্রতি আমার ভালোবাসার উপহার।

📚 বইটির ভেতরে যা বিশেষ কিছু:
এই বইয়ের প্রতিটি শব্দে আমি মিলিয়েছি ধর্ম আর বিজ্ঞানকে। এখানে আপনি পাবেন:

✨ ইসলামের আলোকে রোজা ও ডায়াবেটিস: শরীয়ত কী বলে? অসুস্থ অবস্থায় রোজা রাখার বিধান কী?
✨ রোজায় শরীরবৃত্তীয় পরিবর্তন: রোজা রাখলে আপনার শরীরের ভেতরে আসলে কী ঘটে?
✨ রোজা রাখার উপকারিতা: ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য রোজা কীভাবে আশীর্বাদ হতে পারে।
✨ খাবারের প্লেট সাজানো: সাহরি থেকে ইফতার—কী খাবেন, কতটুকু খাবেন?
✨ ঔষধ ও ইনসুলিন: রোজা রেখে ইনসুলিন বা ওষুধের ডোজ কখন ও কীভাবে বদলাবেন?
✨ জরুরি মুহূর্ত: রোজা রেখে হঠাৎ শরীর খারাপ লাগলে কী করবেন?
✨ ঈদের দিন করণীয়: দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদের দিনটিতে কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

🤔 দেরি কেন হলো?
অনেকেই প্রশ্ন করেছেন, বইটি আরও আগে কেন এলো না? সত্যি বলতে, ভালো জিনিসের জন্য একটু অপেক্ষা করতেই হয়।
বিগত কয়েক মাস ধরে গভীর রিসার্চ, দেশের নির্বাচনকালীন পরিস্থিতি, টেকনিক্যাল জটিলতা এবং প্রকাশনা সংক্রান্ত কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে কিছুটা সময় লেগেছে। আমি চেয়েছি তাড়াহুড়ো করে যেনতেন কিছু না দিয়ে, আপনাদের হাতে এমন একটি উপহার তুলে দিতে—যা নির্ভুল এবং মানসম্মত। দেরি হলেও, কথা দিচ্ছি—হাতে পাওয়ার পর বুঝবেন, এই অপেক্ষা সার্থক ছিল।

🔗 আপনি কি রোজা রাখতে পারবেন?
বইটি হাতে পাওয়ার আগেই জেনে নিন আপনার ঝুঁকি কতটুকু। নিচের লিংকে ক্লিক করে খুব সহজেই চেক করে নিন:
👉 https://nahidulhaque.com/ #/calculator

ছবিতে যে বইটা আমার হাতে দেখছেন, তা আসলে আপনাদেরই বিশ্বাসের প্রতিচ্ছবি। এই রমজানে বইটি পৌঁছে যাক প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি ডায়াবেটিস যোদ্ধার হাতে।

আসুন, ভয়ের বদলে জ্ঞান দিয়ে বরণ করি এবারের রমজানকে।

সংগ্রহ করতে যোগাযোগ করুন:
01771-994455, 01706-848522 (What's App)

কর্মব্যস্ততার মাঝে একটু প্রশান্তি আজকের বিকেলটা ছিল একটু ভিন্ন রকম। ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও হরমোন কেয়ার-এর পুরো টিম মিলে...
13/02/2026

কর্মব্যস্ততার মাঝে একটু প্রশান্তি আজকের বিকেলটা ছিল একটু ভিন্ন রকম। ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও হরমোন কেয়ার-এর পুরো টিম মিলে আমরা মেতে উঠেছিলাম অনাবিল আনন্দে। হাসপাতালের সেই সাদা অ্যাপ্রন আর সিরিয়াস চেহারার বাইরে আমরা সবাই আসলে একটি বড় পরিবারের সদস্য।

কেন মাঝে মাঝে এমন ঘোরাঘুরি প্রয়োজন?
১. একঘেয়েমি দূর করা: প্রতিদিন রোগী দেখা আর চিকিৎসার ব্যস্ততার মাঝে মন যখন ক্লান্ত হয়ে পড়ে, তখন প্রকৃতির সান্নিধ্য আর মুক্ত বাতাস নতুন করে কাজ করার শক্তি যোগায়।
২. টিম স্পিরিট বা বন্ধন: একসাথে হাসাহাসি, নৌকা ভ্রমণ আর আড্ডার মাধ্যমে আমাদের একে অপরের প্রতি বোঝাপড়া আরও দৃঢ় হয়। আর এই সুসম্পর্কই আমাদের পেশাগত জীবনে রোগীদের আরও ভালো সেবা দিতে অনুপ্রাণিত করে।
৩. মানসিক প্রশান্তি: সুস্থ থাকার জন্য শুধু ওষুধ নয়, মনের প্রশান্তিও জরুরি। আজকের এই বিকেলটা আমাদের সবার জন্য ছিল এক চমৎকার রিফ্রেশমেন্ট।

সবাইকে নিয়ে এই আনন্দযাত্রা আমাদের মনে করিয়ে দিল—আমরা শুধু সহকর্মী নই, আমরা একটি নিবিড় পরিবার। এই ঐক্য আর ভালোবাসাই আমাদের পথচলার শক্তি।

07/02/2026

কৈশোরের প্রাণশক্তি কেড়ে নিচ্ছে স্থূলতা! ওজন কমাতে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ।

বর্তমানে অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা একটি নীরব মহামারির মতো ছড়িয়ে পড়ছে। কিশোর থেকে মধ্যবয়সী—সবাই আজ এই সমস্যায় জর্জরিত। অতিরিক্ত ওজনের কারণে অনেকে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলছেন এবং লোকলজ্জার ভয়ে নিজেকে গুটিয়ে নিচ্ছেন।

এই ভিডিওতে ডাঃ কে এম নাহিদ উল হক আলোচনা করেছেন কেন ওজন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এর থেকে পরিত্রাণের উপায় কী। বিশেষ করে শিশুদের খাদ্যাভ্যাস এবং লাইফস্টাইল পরিবর্তনের গুরুত্ব সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করেছেন তিনি।

ভিডিওতে যা যা থাকছে:

✅ ওজন বৃদ্ধির কারণ ও প্রতিকার।

✅ শিশুদের খাদ্যাভ্যাসে অভিভাবকদের ভূমিকা।

✅ ভুল তথ্যের ভিত্তিতে বাজারজাত করা পণ্যের ঝুঁকি।

✅ ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও হরমোন কেয়ারের ঠিকানা ও সেবা।

চেম্বার/লোকেশন: (ডা. কে. এম. নাহিদ উল হক) ডায়েবেটিস থাইরয়েড ও হরমোন কেয়ার।
স্থান: আরোগ্য সদন প্রাইভেট হাসপাতালের উল্টো দিকের বিল্ডিং (৩ তলায়)। মুজিব সড়ক, নীলটুলী, ফরিদপুর। (সমরিতা হাসপাতালের ঠিক পাশেই)

03/02/2026

মাত্র ভূমিকম্প। আল্লাহ সবাইকে রক্ষা করুন।

01/02/2026

৭ কেজি ওজন কমালেন জোহরা! | ওজন কমানোর সহজ উপায় | Weight Loss Journey

হেদায়েতুজ জোহরা, যার ওজন ছিল ৭৫ কেজি এবং তিনি অতিরিক্ত ওজন, ক্লান্তি এবং হরমোনজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। অনেকেই মনে করেন ওজন কমাতে হলে না খেয়ে থাকতে হয়, কিন্তু জোহরা প্রমাণ করেছেন সঠিক গাইডলাইন এবং জীবনযাত্রার সামান্য পরিবর্তন করেই সুস্থ হওয়া সম্ভব। তিনি বর্তমানে ৬৮ কেজি ওজনে আছেন এবং নিজেকে সম্পূর্ণ ফিট মনে করছেন।

এই ভিডিওতে আরও জানতে পারবেন, কেন অতিরিক্ত মেদ বা চর্বি ক্যান্সারের চেয়েও ক্ষতিকর হতে পারে এবং কীভাবে ফাস্টফুড ও ডিভাইসের আসক্তি থেকে দূরে থেকে সুস্থ জীবনযাপন করা যায়।

ভিডিওর মূল আলোচ্য বিষয়:
✅ ৭৫ থেকে ৬৮ কেজিতে আসার বাস্তব গল্প।
✅ ওজন কমাতে কি না খেয়ে থাকতে হয়?
✅ হরমোন ও অবাঞ্ছিত লোম বা পিসিওএস (PCOS) সমস্যার লক্ষণ।
✅ অতিরিক্ত ওজনের ক্ষতিকর দিক নিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ।
✅ ফরিদপুরে সঠিক চিকিৎসার সন্ধান।

চেম্বার/লোকেশন: ডায়েবেটিস থাইরয়েড ও হরমোন কেয়ার (ডা. কে. এম. নাহিদ উল হক)
স্থান: আরোগ্য সদন প্রাইভেট হাসপাতালের উল্টো দিকের বিল্ডিং (৩ তলায়)। মুজিব সড়ক, নীলটুলী, ফরিদপুর। (সমরিতা হাসপাতালের ঠিক পাশেই)

31/01/2026

১৮ কেজি ওজন কমালেন দীপ রয়! অবিশ্বাস্য পরিবর্তন | Weight Loss Journey.

আজকের ভিডিওতে দেখাবো দীপ রয়ের অবিশ্বাস্য পরিবর্তনের গল্প। মাত্র ৫-৬ মাসের ব্যবধানে তিনি ৭৭ কেজি থেকে ৫৯ কেজিতে এসেছেন। প্রায় ১৮ কেজি ওজন কমিয়ে তিনি এখন সম্পূর্ণ সুস্থ এবং ফিট।

একসময় অতিরিক্ত ওজনের কারণে সমাজের মানুষের কটু কথা শুনতে হতো, কিন্তু এখন সেই মানুষগুলোই তার প্রশংসা করছে। ফাস্টফুড বর্জন, সঠিক নিয়ম মেনে চলা এবং হরমোন বিশেষজ্ঞের পরামর্শে কিভাবে তিনি এই অসাধ্য সাধন করলেন, জানুন আজকের ভিডিওতে।

ানোর_উপায়

ফরিদপুর জিলা স্কুলের ১৮৫ বছর পূর্তির উৎসবকে ঘিরে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলো, তা আমাদের সমাজের আয়নায় অনেকগুলো রূঢ় সত্য তুল...
27/12/2025

ফরিদপুর জিলা স্কুলের ১৮৫ বছর পূর্তির উৎসবকে ঘিরে যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলো, তা আমাদের সমাজের আয়নায় অনেকগুলো রূঢ় সত্য তুলে ধরলো। বর্তমানে ফেসবুকে যে 'ভিকটিম ব্লেমিং' চলছে, তা দেখে একটি বিষয় পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

কল্পনা করুন, বহু বছর পর আপনার পরিবারের সব ভাই-বোন এবং আত্মীয়-স্বজন মিলে বাড়ির উঠোনে একটি ঘরোয়া আড্ডার আয়োজন করেছেন। উদ্দেশ্য—শৈশবের স্মৃতিচারণ, হাসি-কান্না ভাগ করে নেওয়া এবং একান্ত কিছু সময় কাটানো। আপনারা হয়তো ভালো কোনো রাঁধুনি এনেছেন বা গান গাওয়ার জন্য একজন শিল্পী বন্ধুকে ডেকেছেন।

এখন, এই খবর পেয়ে যদি পাড়ার ৫০০ জন প্রতিবেশী এসে গেট ধাক্কাতে শুরু করে এবং বলে— "তোমাদের বাড়িতে গান হচ্ছে, ভালো রান্না হচ্ছে, তাই আমাদেরও ঢুকতে দিতে হবে। আমরাও এলাকার মানুষ, আমাদের অধিকার আছে!"—এটা কি কোনো সভ্য সমাজের আচরণ হতে পারে? নিশ্চয়ই না।
ঠিক তেমনি, জিলা স্কুলের রিইউনিয়ন ছিল প্রাক্তন ছাত্রদের একটি বিশাল পারিবারিক মিলনমেলা। তারা নিজেদের পরিবার-পরিজনকে বাড়িতে রেখে এসেছিল শুধুমাত্র বন্ধুদের সাথে সেই একান্ত সময়টুকু কাটানোর জন্য। সেখানে বহিরাগতদের উপস্থিতি কেবল অনাকাঙ্ক্ষিতই ছিল না, বরং তা ছিল সেই ঘরোয়া পরিবেশের ওপর আঘাত। জেমস সেখানে এসেছিলেন নির্দিষ্ট সেই পরিবারের সদস্যদের (ছাত্রদের) গান শোনাতে, কোনো পাবলিক কনসার্ট করতে নয়।

বিয়ের দাওয়াতে যেমন অনাহুত হয়ে ঢুকে বিরিয়ানি দাবি করা যায় না, তেমনি প্রিয় শিল্পী এলেও অন্যের প্রাইভেট ইভেন্টে জোর করে ঢোকা যায় না। এটা আমাদের নাগরিক শিষ্টাচার -এর চরম অভাব।

আরও সহজভাবে ভাবা যাক। আপনি আপনার প্রিয় নায়কের সিনেমা দেখার জন্য স্টার সিনেপ্লেক্সে বা মধুমিতায় গেলেন। গিয়ে দেখলেন সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে অর্থাৎ 'হাউজফুল'। এখন বাইরে হাজারো দর্শক দাঁড়িয়ে আছে যারা টিকিট পায়নি। তারা কি হলের গ্লাস ভেঙে ভেতরে ঢোকার অধিকার রাখে এই বলে যে— "সিনেমাটি তো দেশের সবার জন্য বানানো হয়েছে, নায়ক তো পাবলিক ফিগার?"

উত্তর হলো—না। একটি হলের নির্দিষ্ট ধারণক্ষমতা আছে। সেখানে আসন নেই মানে নেই। জোর করে লোক ঢোকানো মানে ভেতরে যারা টিকিট কেটে বসেছে, তাদের অধিকার হরণ করা এবং পদদলিত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করা। জিলা স্কুলের ক্ষেত্রেও ঠিক তাই ঘটেছিল। যারা জোর করে ঢুকতে চেয়েছে, তারা মূলত অরাজকতা সৃষ্টি করেছে, কোনো অধিকারের লড়াই করেনি।
আজ জিলা স্কুলের মতো ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানে এমন ন্যাক্কারজনক হামলা হয়েছে। এর ফলে, ভবিষ্যতে ফরিদপুরের অন্য কোনো স্কুল, কলেজ বা সামাজিক সংগঠন বড় কোনো সাংস্কৃতিক আয়োজন করার সাহস পাবে না। তারা দশবার ভাববে— "এত টাকা খরচ করে আয়োজন করব, আর যদি নিরাপত্তা না থাকে বা বহিরাগতরা হামলা করে তবে দায় কে নেবে?"

সবচেয়ে বড় শঙ্কার জায়গাটি হলো—প্রশাসন এখন থেকে আর কোনো বড় অনুষ্ঠানের অনুমতি দিতে দ্বিধাবোধ করবে। নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে তারা কঠোর অবস্থানে যাবে। যখনই কোনো সংগঠন কনসার্ট বা উৎসবের অনুমতি চাইবে, প্রশাসন এই ঘটনার উদাহরণ টেনে ঝুঁকি নিতে চাইবে না। ফলে মুষ্টিমেয় কিছু উশৃঙ্খল মানুষের জন্য পুরো শহরের সুস্থ সংস্কৃতি চর্চার পথটিই হয়তো লাল ফিতায় আটকে যাবে।

গুণী শিল্পীরা ফরিদপুরে আসতে ভয় পাবেন। যারা হামলা করেছে, তারা হয়তো একটি রাত নষ্ট করেছে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা ফরিদপুরের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের আনন্দ-উচ্ছ্বাসের অনেকগুলো দরজা বন্ধ করে দিল।

আসুন আমরা অনুধাবন করি, অন্যের আনন্দ নষ্ট করে পৈশাচিক সুখ খোঁজা কোনো সুস্থ সমাজের লক্ষণ হতে পারে না।

Address

House No-4/22; Nurul Haque Villa
Faridpur
7800

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DR K M NAHID UL HAQUE posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to DR K M NAHID UL HAQUE:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category