Rudra Medical Hall

  • Home
  • Rudra Medical Hall

Rudra Medical Hall সৃষ্টির সেবায় স্রষ্টার সন্তুষ্টি,
™"রুদ্র মেডিকেল হল "
নিউ হ্যামস্ ফ্যাশন গেট, শ্রীপুর, গাজীপুর।
https://whatsapp.com/channel/0029VawPEsMI7Be70CuOm11m

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Md. Arif, Soma Islam Islam, Rasel Rana, Sheuli Zaman
22/11/2025

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Md. Arif, Soma Islam Islam, Rasel Rana, Sheuli Zaman

04/11/2025

Celebrating my 3rd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

✨শাসন নাকি আদর❓নিউরোসায়েন্স বলছে—শিশুর মস্তিষ্ক চিৎকার (নেগেটিভ স্টিমুলাস) আর আদর (পজিটিভ স্টিমুলাস)-এর প্রতি সম্পূর্ণ ভ...
06/09/2025

✨শাসন নাকি আদর❓

নিউরোসায়েন্স বলছে—শিশুর মস্তিষ্ক চিৎকার (নেগেটিভ স্টিমুলাস) আর আদর (পজিটিভ স্টিমুলাস)-এর প্রতি সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে সাড়া দেয়।

❌ চিৎকার বা ভয় দেখানো হলে শিশুর ব্রেইনে কর্টিসল নামক স্ট্রেস হরমোন বেড়ে যায়। এতে অ্যামিগডালা (ভয়ের কেন্দ্র) অতিরিক্ত সক্রিয় হয়। ফলাফল—শিশু আতঙ্কগ্রস্ত হয়, নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়, আত্মবিশ্বাস কমে যায়, এমনকি শেখার ক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

✅ ভালোবাসা, আদর ও সহানুভূতি পেলে শিশুর ব্রেইনে ডোপামিন ও অক্সিটোসিন নিঃসৃত হয়। এগুলো নিরাপত্তা, আত্মবিশ্বাস, শেখার আগ্রহ এবং ইতিবাচক আচরণ তৈরি করে। একই সঙ্গে নিউরনের মধ্যে নতুন সংযোগ গড়ে ওঠে, যা শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে অত্যন্ত জরুরি।

শিশুর মনে ভয় নয়, ভালোবাসাই গেঁথে দিন। আজকের স্নেহময় আচরণই গড়ে তুলবে আগামী দিনের আত্মবিশ্বাসী, জ্ঞানপিপাসু ও ইতিবাচক মানুষ। 🌱

👉 বিরক্ত হলে চিৎকার নয়, ধৈর্যই হোক আমাদের ভরসা।

#শিশুর_মানসিক_স্বাস্থ্য 💙

💉মেডিসিনের প্রকার থেকে আজকে আমরা জানবো Parenteral Route – ইনজেকশনের মাধ্যমে ওষুধ প্রয়োগ:(According to Route of Administr...
06/08/2025

💉মেডিসিনের প্রকার থেকে আজকে আমরা জানবো Parenteral Route – ইনজেকশনের মাধ্যমে ওষুধ প্রয়োগ:

(According to Route of Administration)

ওষুধ প্রয়োগের বিভিন্ন পথের মধ্যে Parenteral Route হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে ওষুধ সরাসরি শরীরের টিস্যু বা রক্তে ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রবেশ করানো হয়। এই পদ্ধতিটি দ্রুত কার্যকারিতা চায় এমন পরিস্থিতিতে বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।

---

🔍 Parenteral Route-এর বৈশিষ্ট্য:

✅ ওষুধ সরাসরি সিস্টেমিক সার্কুলেশনে প্রবেশ করে।
✅ দ্রুত কাজ করে (Emergency ক্ষেত্রে উপকারী)।
✅ First-pass metabolism এড়ানো যায়।
✅ নিখুঁত ডোজ কন্ট্রোল সম্ভব।
✅ অসুস্থ বা অজ্ঞান রোগীকেও প্রয়োগযোগ্য।

---

🩺 Parenteral Route-এর প্রকারভেদ:

1. Intravenous (IV):

➡️ ওষুধ সরাসরি শিরায় (vein) প্রবেশ করানো হয়।
➡️ দ্রুত কাজ করে।
➡️ উদাহরণ: IV fluids, antibiotics, chemotherapy

2. Intramuscular (IM):

➡️ ওষুধ পেশিতে (muscle) ইনজেক্ট করা হয়।
➡️ ধীরে ধীরে শোষিত হয়।
➡️ উদাহরণ: Vitamin B12, Diclofenac, Vaccines

3. Subcutaneous (SC):

➡️ চামড়ার নিচে ফ্যাটি টিস্যুতে প্রবেশ করানো হয়।
➡️ ধীর শোষণ, দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা।
➡️ উদাহরণ: Insulin, Heparin

4. Intradermal (ID):

➡️ চামড়ার সবচেয়ে উপরের স্তরে প্রয়োগ।
➡️ অল্প পরিমাণে ওষুধ প্রয়োগ করা হয়।
➡️ উদাহরণ: Tuberculin test, Allergy test

5. Intra-articular / Intra-cardiac / Intra-thecal:

➡️ বিশেষ প্রয়োজনে সরাসরি জোড়, হৃদযন্ত্র বা স্পাইনাল ফ্লুইডে প্রয়োগ।
➡️ শুধুমাত্র বিশেষজ্ঞ দ্বারা প্রয়োগযোগ্য।

---

💊 কিছু গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ যেগুলো Parenteral Route-এ দেওয়া হয়:

💉 Adrenaline

💉 Insulin

💉 Antibiotics (e.g., Ceftriaxone, Meropenem)

💉 Chemotherapy drugs

💉 Painkillers (e.g., Diclofenac, Ketorolac)

💉 Vaccines

---

⚠️ সতর্কতাসমূহ:

🔸 সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত পরিবেশে ইনজেকশন দিতে হবে।
🔸 ডোজ ও রুট নির্ভুল হতে হবে।
🔸 ইনজেকশনের আগে ও পরে এসেপটিক টেকনিক মেনে চলা বাধ্যতামূলক।
🔸 ইনজেকশন রিলেটেড রিঅ্যাকশন বা কমপ্লিকেশন বুঝতে পারা জরুরি।

---

🎯 এমন বাস্তবভিত্তিক পোস্ট নিয়মিত পেতে ফলো করুন 👉 Rudra Medical Hall

---

29/07/2025
😷 বর্তমান পরিস্থিতি: ভয়াবহ সর্দিজ্বর, শরীর ব্যথা, গলা ব্যথা ও ওমিক্রনের XBBভেরিয়েন্ট⚠️ সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে সর্দিজ্...
05/07/2025

😷 বর্তমান পরিস্থিতি: ভয়াবহ সর্দিজ্বর, শরীর ব্যথা, গলা ব্যথা ও ওমিক্রনের XBBভেরিয়েন্ট

⚠️ সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে সর্দিজ্বর, গলা ব্যথা, প্রচণ্ড শরীর ব্যথা, দুর্বলতা এবং কিছু ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ ব্যাপকভাবে দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি সাধারণ ভাইরাসজনিত জ্বর হলেও এর মধ্যে ওমিক্রনের নতুন ভেরিয়েন্ট সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে। তাই সচেতনতা ও চিকিৎসা দুইটাই জরুরি।

---

🩺 আপনার করণীয়:

✅ হাঁচি-কাশির সময় টিস্যু বা রুমাল ব্যবহার করুন।

✅ বাইরে গেলে মাস্ক পরুন, ভিড় এড়িয়ে চলুন।

✅ নিয়মিত সাবান-পানি দিয়ে হাত ধুয়ে নিন বা স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।

✅ বেশি পানি পান করুন ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন।

✅ শরীরের ব্যথা বা প্রচণ্ড জ্বর হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

✅ শিশু ও বয়স্কদের আলাদা যত্ন নিন।

---

🩺 চিকিৎসা গাইডলাইন অনুযায়ী:

☑️ জ্বর: প্রয়োজন অনুযায়ী Paracetamol ৫০০ মি.গ্রা.

☑️ সর্দি/নাক বন্ধ: নরমাল স্যালাইন দিয়ে নাক পরিষ্কার, প্রয়োজনে Fexofenadine/Loratadine।

☑️ গলা ব্যথা/কাশি: গরম পানি দিয়ে গার্গল, আদা-লেবু চা, প্রয়োজনে গলার জন্য লজেন্স।

☑️ শরীর ব্যথা/দুর্বলতা: পর্যাপ্ত পানি ও বিশ্রাম।

☑️ ডায়রিয়া বা বমি: ওআরএস বা তরল খাবার।

☑️ শ্বাসকষ্ট বা অক্সিজেন কমে গেলে: অবিলম্বে হাসপাতালে যোগাযোগ।

⚠️ এন্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড বা অপ্রয়োজনীয় ওষুধ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাবেন না।

---

🌿 স্লোগান:

সচেতনতা ও নিয়ম মেনে চলুন, নিজেকে ও পরিবারকে সুস্থ রাখুন। অবহেলা নয়, সতর্কতাই বাঁচার পথ।

#সর্দিজ্বর #ওমিক্রন #চিকিৎসাগাইডলাইন #স্বাস্থ্যসচেতনতা

🏥 রুদ্র মেডিকেল হলহাসম ফ্যাশন গার্মেন্টস সংলগ্ন, মাস্টার বাড়ি রোড, শ্রীপুর, গাজীপুরমোবাইল: ০১৬৩৭২৬৩৬৭৭---✅ আধুনিক প্রযুক...
30/06/2025

🏥 রুদ্র মেডিকেল হল

হাসম ফ্যাশন গার্মেন্টস সংলগ্ন, মাস্টার বাড়ি রোড, শ্রীপুর, গাজীপুর
মোবাইল: ০১৬৩৭২৬৩৬৭৭

---

✅ আধুনিক প্রযুক্তিতে সাশ্রয়ী ও নিরাপদ চিকিৎসা এখন হাতের কাছে!

💠 তিল (Mole), আঁচিল (Skin Tag), মেজ (Wart)
👉 অত্যাধুনিক লেজার রশ্মির মাধ্যমে নিরাপদ ও ব্যথামুক্ত অপসারণ।
👉 দ্রুত এবং নিশ্চিত চিকিৎসা।

💠 নাকের পলিপাস, মাংস বৃদ্ধি ও পাইলস চিকিৎসা
👉 কোনো অপারেশন ছাড়াই সফল চিকিৎসা।
👉 বারবার ঠান্ডা লাগা, হাঁচি, মাথা ব্যথা, নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট — এইসব সমস্যার স্থায়ী সমাধান।

---

🎯 কেন রুদ্র মেডিকেল হল?

✔️ আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি
✔️ ব্যথামুক্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা
✔️ অভিজ্ঞ ও রেজিস্টার্ড প্যারামেডিকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা
✔️ দ্রুত সেবা, কম খরচ

---

🩺 পরিচালনায়:

রাজীব আহমেদ
রেজিস্টার্ড প্যারামেডিক (রেজি নং: ৪৫২৭)

সন্তান জন্মের পর আমাদের দেশের বেশীরভাগ স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কেই ভাটা পড়ে। ২ জন বা ৩ জন বাচ্চা হলে তো কথাই নেই। স্বামী স্...
14/02/2025

সন্তান জন্মের পর আমাদের দেশের বেশীরভাগ স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কেই ভাটা পড়ে। ২ জন বা ৩ জন বাচ্চা হলে তো কথাই নেই। স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক হয়ে যায় ভাইবোনের মতো। বাচ্চার পিছনে দৌড়ে দৌড়ে, সংসারের কাজ করে করে স্বামীর সাথে রোমান্টিক সম্পর্কের মুড আর থাকেনা। সম্পর্কে শুরু হয় তিক্ততা। এদিকে দেশীয় কালচারে বাচ্চা নিয়ে ঘুমানো প্রায় সব পরিবারেই দেখা যায়। বাচ্চার বয়স ৫/৬/৭, কিন্তু মা বাবার সাথে শোয়। যেখানে আড়াই বা তিন হলেই বাচ্চাকে আলাদা করে দেয়া উচিত। কারন এরপর বাচ্চারা বুঝতে পারে অনেককিছুই। রাতে ঘুম ভেংগে সে মা-বাবাকে অপ্রস্তুত অবস্থায় দেখলে তার মনে যেমন প্রশ্নের উদ্রেক হবে, তেমনি উল্টোদিকে বাচ্চার সাথে একসাথে শোবার কারনে দাম্পত্যে বিঘ্ন তৈরি হয়।

বাচ্চার বয়স আড়াই বা তিন হলেই তাকে আলাদা করে দিন। বাচ্চা কিন্তু কষ্ট পাবেনা, কষ্ট পাবেন আপনি, বাচ্চা দূরে সরে যাবে মনে হবে। কিন্তু না, আসলে বাচ্চা দূরে সরে যায়না। এটা বাচ্চার ভালোর জন্য, আপনাদের স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক ভালো থাকার জন্য অত্যাবশ্যকীয়। বাচ্চার জন্য আলাদা বিছানা রেডি করুন। ওর রুমটাকে ওর পছন্দ মতো সাজিয়ে দিন। রাতে গল্প শুনিয়ে বা বই পড়িয়ে ওকে ঘুম পাড়ান। ঘুমিয়ে গেলে চলে আসুন আপনার রুমে। ও আপনার অনুপস্থিতি টেরও পাবেনা। রাতে ও উঠতে পারে এই ভয় থাকলে একটা বেবি মনিটর কিনে নিন, দাম বেশি নয়। ওর মাথার কাছে মনিটর রেখে রিসিভার আপনার নিজের বালিশের কাছে রাখুন। রাতে উঠলে আপনি সাথে সাথে টের পাবেন, যেমনটা পেতেন আপনার সাথে ঘুমালে। আপনি তো জানেনই সকালে কখন উঠে। তার একটু আগে গিয়ে ওর সাথে শোবেন। ও ঘুম হতে উঠেও আপনাকে পাবে। রাতে যে আপনি ছিলেন না, তা ও বুঝবেইনা।

দ্বিতীয় সন্তান হলে বেশীরভাগ মায়েরা প্রথম সন্তানকে অবহেলা শুরু করে। সব আদর যেন ছোটজনের জন্য, অথচ সে আদরের কিছুই বোঝেনা। আর যে বোঝে সেই বড়জনকে কথায় কথায় ডাক দেয়া, বকা দেয়া চলতে থাকে। মা/ রে*র কথা তো বাদই দিলাম। স্বাভাবিকভাবেই তার মনে ছোট বাচ্চাটার প্রতি বি- দ্বেষ সৃষ্টি হয়। ভাবে, ও না থাকলেই ভালো হতো, মা আদর করতো। অথচ মায়ের উচিত এই সময়ে বড়জনকে বেশি করে সময় দেয়া, আদর করা। বড়জনকে বোঝানো তোমার প্রতি আমার ভালোবাসা একটুও কমেনি। আপনি আর আপনার স্বামী দুজনেরই দায়িত্ব এটা।

দু বাচ্চার মাঝে তুলনা করবেন না। কারন তারা দুজনই সম্পুর্ন আলাদা মানুষ। দুই বাচ্চার জন্য আলাদা নিয়ম বানাবেন না। একজনকে মোবাইল দেখিয়ে খাওয়াবেন, আরেকজনকে বলবেন খাওয়ার সময় নো ডিভাইস, তাহলে তো হবেনা। দুজনের বেডটাইম যেন এক হয়। কোনো জিনিস কিনলে একজনের জন্য নয়, দুজনের জন্যই কিনবেন।

ছোটটির বয়স যখন আড়াই হবে তখন ওকেও আলাদা করে দিন, বড়জনের সাথে। দুজন একসাথে ঘুমুবে বা একই রুমে দুটো বিছানায়।

দিনে এক হতে দেড়ঘন্টা আলাদা করে রাখুন যখন পরিবারের সবাই মিলে সময় কাটাবেন। হাসি আনন্দ করবেন। বাচ্চাদের সাথে স্বামী স্ত্রী একসাথে খেলবেন। নিজের পার্টনারের দিকে ভালোবাসার দৃষ্টিতে তাকাবেন। মেজাজ যদি বেশি খারাপ থাকে অকারণে, সরে যান প্রিয় মানুষগুলোর কাছ হতে তাদের আ*ঘাত করার আগেই। আলাদা রুমে বা বারান্দা বা ছাদে গিয়ে মেডিটেশন করুন। নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন যে কারনে আপনার মেজাজ খারাপ তা কতটা যুক্তিযুক্ত। গভীর নিঃস্বাস নিন। মন খারাপকে ছড়িয়ে দিন বাতাসে।

সংসার তৈরি হয় স্বামী স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে। সংসারের কাজ করতে করতে এই মানুষগুলোই যেন অবহেলিত না হয় সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব কিন্তু আমাদেরই। ভালোবাসার সম্পর্কগুলো অটুট থাকুক

(❤️)

03/02/2025

সহ:বাসের টাইম, তৃপ্তি এবং লি:ঙ্গের সাইজ ও সেঃক্সের পজিশন এবং সপ্তাহে কত সঃহঃবাঃস করা বার উত্তম।।

শেষ পর্যন্ত বিস্তারিত পড়েন ধৈর্য ধরে।

মূলত স:হবাসের সময় ও তৃপ্তি সবার এক না।। ব্যক্তিভেদে সময়, তৃপ্তি ভিন্ন ও আলাদা।

কারও ৫ মিনিট, কারও ১০ মিনিট, কারও ১৫ মিনিট, কারও ২০ থেকে ২৫ মিনিট +/- লাগে।

এটা নির্ভর করে বয়স, ওজন, উচ্চতা ও মানসিক সম্পর্কের উপর।।

মানুষের রুচি, চাহিদা, বয়স, শারীরিক গঠন সবার এক না, তাই সবাই একই সময়ে তৃপ্তি পাবে এমন না।

তবে, একজন ব্যক্তির নূন্যতম চাহিদা ৫ থেকে ৭ মিনিট ধরাই যায়। এর কম হলে বেশির ভাগ নারী-পুরুষের চাহিদা পূরন হয় না।।

অর্থাৎ অতৃপ্ত থেকে-ই যায়।।।

সে-ক্সের কসের সময় স্বামী, স্ত্রীর মাঝে নিহিত সম্পর্কের উপর বেশি নির্ভর করে।

নিজেদের মাঝে সম্পর্ক ভালো থাকলে, বোঝাপড়া ভালো থাকলে সেঃক্সেও সময় বৃদ্ধি পায়।

সে:ক্সের সময় শারীরিক ও মানসিক উভয়ের উপর নির্ভর করে। তাছাড়া সুস্থ পরিবেশ, উন্নত মানের খাবার, উত্তম লাইফ স্টাইল এসবের উপরও অনেকটা নির্ভর করে।

তাছাড়া স,হবাসের জন্য অনুকূল পরিবেশ দরকার। সুন্দর পরিবেশ থাকলেও স,হবাস দীর্ঘ হয়।

তৃপ্তির জন্য লি*ঙ্গের সাইজ কতটুকু লাগে?

সাধারণত উত্তে,জিত অবস্থায় লি,ঙ্গ নূন্যতম ৩ ইঞ্চি থেকে ৩.৫ ইঞ্চি হলেই হয়। টাইমিং আসল বিষয়।

হাতির সুড় বা কলা গাছের মত হতে হবে এমন না। মুখ রুচক বিজ্ঞাপন গুলো ১০০০০০% ভুয়া, প্রতারানা, বাটপারি।

মূলত অ-তৃপ্তি থাকে তারা যারা বেশি বেশি প,র্নোগ্রাফি দেখে, প,র্নো তারকাদের সাথে নিজেকে তুলনা করে, সারা দিন সে,ক্স নিয়ে কল্পনা করে করে, হ,স্তমৈ থুন, ঘষাঘষি করে ধ্বঃজঃভঃঙ্গে পরিনত করে তারাই অতৃপ্তিতে থাকে।।।।

তৃপ্তির জন্য সাইজ কোন বিষয় না। আল্লাহ আপনাকে যা দিয়েছে শরীর, স্বাস্হ্যে, উচ্চতা, ওজন অনুযায়ী সেটা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন।।। লিঃঙ্গ মোটা হিসাবে আপনার হাতের বৃদ্ধা আঙুলের মত হলেই হয়।।

প,র্নো,গ্রাফির তারকাদের সাথে নিজেকে মিলাবেন না প্লিজ। অনেক কিছুই অভিনয় ও এডিট থাকে।

আল্লাহ আপনাকে শারীরিক গঠনের উপর নির্ভর করে যতটুকু দরকার ততটুকু দিয়েছে।

পজিশন:- পজিশন সবার এক না। ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন পজিশনে তৃপ্তি আসে। বিয়ের পর খোঁজে বের করুন কোন পজিশন আপনার জন্য উত্তম।

গর্ভধারণের জন্য কোন পজিশন নেই। বী:র্যে শুক্রানো ঠিক থাকলে, জরায়ুতে সমস্যা না থাকলে যে কোন পজিশনে গর্ভধারন সম্ভব।

*** পোস্ট ভালো লাগলে লাইক ও কমেন্ট করে জানিয়ে দিন এবং শেয়ার করে অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন।

゚viralシfypシ゚





Rudra Medical Hall

#রুদ্র_মেডিকেল_হল

সহ-বাসের কারণেও সংসার ভেঙ্গে যাচ্ছে! 💔সংসারের সাথে মনোমালিন্য যেন মাসতুতো ভাই। তবে, মনোমালিন্য থেকেও অনেক সময় সম্পর্কে ট...
27/01/2025

সহ-বাসের কারণেও সংসার ভেঙ্গে যাচ্ছে! 💔
সংসারের সাথে মনোমালিন্য যেন মাসতুতো ভাই। তবে, মনোমালিন্য থেকেও অনেক সময় সম্পর্কে টানাপোড়েন পড়তে পারে। সে থেকে অনেক সময় ডিভোর্সও হয়ে যায় অনেক স্বামী স্ত্রীর। তন্মধ্যে অন্যতম একটি বিষয় হচ্ছে সহ-বাসের সময় নিয়ে।

দেখা যায় স্বামীর যখন সহ-বাসের ইচ্ছে হচ্ছে তখন স্ত্রীর ইচ্ছে হচ্ছে নাহ। স্বামী যদি জোরাজুরি করতে যায় তখন সেটা বাড়াবাড়ির পর্যায়ে পড়ে যায়। অপরদিকে স্ত্রী যখন সহ-বাসে আগ্রহী থাকে, তখন স্বামী হয়তো সহ-বাসে আগ্রহী নয়। এর ফলে দুজনের মাঝে একটি সুক্ষ্ম একটি দুরত্বের সৃষ্টি হয় যা সময়ের পরিক্রমায় বাড়তেই থাকে।
এর প্রেক্ষিতে দেখা যায়, অনেক স্বামী/স্ত্রী তার পার্টনারকে ইচ্ছে করেই সহ-বাসের সময় ইগনোর করে কারণ আগের বার সে হয়তো সহ-বাস করতে পারেনি ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও।
মানে বিষয়টা দাড়ালো, আমার স্ত্রী গতবার আমাকে সহ-বাস করতে দেয়নি, এবার আমিও তার ডাকে সাড়া দিবোনা।

এমনটা হলে আসলে করণীয় কি?
আসলে সংসার করতে চাইলো (ইগো) বা অহংকারকে দূরে রাখতে হবে। সহ-বাসে পরষ্পরের সময় মিলছে না, এর প্রধান কারণ হলো স্বামী স্ত্রীর মাঝে বোঝাপড়ার অভাব। স্বামী স্ত্রীর মাঝে ভালোবাসা কমে যাওয়ার একটি লক্ষন হলো, পরষ্পর একে অপরের সাথে থাকা সত্ত্বেও তাদের মাঝে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ তথা সহ-বাস হবেনা।
ভালোবাসা বাড়াতে হলে যে জিনিসটি বন্ধ করতে হবে তা হলো অন্যের সাথে নিজের পার্টনারকে তুলনা করা। নিজের স্বামী বা স্ত্রীর চেহারা যেমনই হোক, অন্য পুরুষ বা মহিলার সাথে তা তুলনা করতে যাবেন নাহ। এতে করে নিজের মাঝে একধরনের অতৃপ্তি কাজ করবে। মনে হবে, ইশ! আমার স্ত্রী/ স্বামী যদি এর মতো হতো! অর্থাৎ বাহ্যিক দিকটাকেই প্রাধান্য পায় এমন চিন্তায়।
আসলে এ ধরণের চিন্তা যারা মনে বারংবার আনেন তারা সত্যিই অপরিষ্কার মনে অধিকারী।

এছাড়াও বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে একাধিক নারী/পুরুষের সাথে অহেতুক কথা বলার কারণেও স্বামী স্ত্রী একে অপরের প্রতি ভালোবাসা কমে যাচ্ছে। দেখা যাচ্ছে কথিত ফেসবুকের বন্ধুর সাথে সখ্যতা গড়ে উঠার জন্য নিজের পার্টনারের প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে ফেলছেন অনেকেই। এ থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

যদি সংসার সুখের পেতে চান, যদি সংসারে ব্যালেন্স রাখতে চান তাহলে প্রথম এবং প্রধান প্রাধান্যই হতে হবে আপনার স্বামী বা আপনার স্ত্রী। অন্যকোন পুরুষ বা মহিলা নয়।
Rudra Medical Hall
ভালো লাগলে লাইক ও কমেন্ট করে জানাবেন।

Address

Sreepur

1740

Opening Hours

Monday 08:00 - 22:00
Tuesday 08:00 - 22:00
Wednesday 08:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Friday 16:00 - 21:00
Saturday 08:00 - 22:00
Sunday 08:00 - 22:00

Telephone

+8801637266377

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rudra Medical Hall posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Rudra Medical Hall:

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram