FR Fashion shop

গল্প-২তানভীর সবসময় ক্লাসের শেষ বেঞ্চে বসত।শিক্ষকরা তাকে শান্ত ছেলেদের দলে না ধরে—"মনোযোগহীন, দুর্বল ছাত্র" — এই তালিকাতে...
24/12/2025

গল্প-২
তানভীর সবসময় ক্লাসের শেষ বেঞ্চে বসত।
শিক্ষকরা তাকে শান্ত ছেলেদের দলে না ধরে—
"মনোযোগহীন, দুর্বল ছাত্র" — এই তালিকাতেই রাখতেন।
বন্ধুরা মজা করে বলত—
“শেষ বেঞ্চের ছেলেরা জীবনে কিছু করতে পারে না।”
তানভীর হাসত, কিছু বলত না।
কারণ সে জানত—চুপ থাকা মানে হার মানা নয়।
ওর মা সেলাইয়ের কাজ করতেন।
রাতে দেরি পর্যন্ত কাজ করার সময়ও তানভীরের মাথায় হাত রেখে বলতেন—
“বাবা, তুমি একদিন সবার কথা বদলে দেবে।”
সেই কথা তার বুকের ভেতর শক্তির মতো জমে থাকত।
তানভীর পড়াশোনায় তেমন ভালো না হলেও
তার ছিল একটা আলাদা ভালো লাগা — কম্পিউটার।
বন্ধুরা যখন ঘুরতে যেত,
তানভীর তখন পুরনো কম্পিউটার দোকানে গিয়ে বসে থাকত।
দোকানদার কাকা বলতেন—
“শিখতে চাইলে বসে দেখ —
এই জিনিস টাকা দিয়ে শেখা যায়, আর মন দিয়ে শেখা যায়।”
তানভীর মন দিয়ে শিখত।
দিনের পর দিন, মাসের পর মাস…
সে কারও সামনে বড়াই করত না —
কিন্তু নিজের ভুলগুলো ঠিক করতে করতে একসময়
সে পুরো সফটওয়্যার বানানো শিখে গেল।
একদিন স্কুলে আইটি প্রতিযোগিতা হলো।
সবাই ভাবল, প্রথম হবে ফার্স্ট বেঞ্চের ছাত্ররা।
কিন্তু ফল বের হওয়ার পর হলঘর চুপ—
প্রথম হলো সেই তানভীর,
যাকে সবাই শেষ বেঞ্চের ছেলে বলত।
শিক্ষক অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন—
“তুমি এটা করলে কীভাবে?”
তানভীর ধীরে বলে—
“স্যার, আমি শুধু প্রমাণ করেছি—
শেষ বেঞ্চ মানে শেষ নয়…
শুধু শুরুটা অন্য জায়গা থেকে।”
সেদিন থেকে আর কেউ তানভীরকে ছোট করে দেখেনি।

গল্প-১রাশেদ ছোট্ট এক মফস্বল শহরে বড় হয়েছে। বাবা দিনমজুর, মা গৃহিণী — সংসারে টানাপোড়েন লেগেই থাকত। স্কুলে পড়ার সময় বন্ধুর...
24/12/2025

গল্প-১
রাশেদ ছোট্ট এক মফস্বল শহরে বড় হয়েছে। বাবা দিনমজুর, মা গৃহিণী — সংসারে টানাপোড়েন লেগেই থাকত। স্কুলে পড়ার সময় বন্ধুরা নতুন ব্যাগ, নতুন জুতা নিয়ে আসত, আর রাশেদের একটাই ব্যাগ—সেটাও সেলাই করা।
তবুও সে কখনো অভিযোগ করত না।
ওর একটি অভ্যাস ছিল — প্রতিদিন সন্ধ্যায় ঘরের সামনে বসে আকাশের দিকে তাকিয়ে নিজের সাথে কথা বলা।
“একদিন আমিও কিছু হবো… তবে নিজের চেষ্টায়।”
একদিন স্কুলে শিক্ষক বললেন, “যার স্বপ্ন আছে, সে-ই এগিয়ে যায়। কিন্তু স্বপ্নকে কাজে না লাগালে সেটা কেবল গল্প হয়।”
এই কথাটা রাশেদের মনে আগুন জ্বালিয়ে দিল।
রাতে মোমবাতির আলোয় সে পড়াশোনা শুরু করল। দিনে টিউশনি করত, সন্ধ্যায় বাবাকে কাজে সাহায্য করত। মাঝেমাঝে ক্লান্ত হয়ে পড়ত, তবুও মনে সাহস রাখত—
“থামলে হারবো… চেষ্টা করলে পারবো।”
বছর ঘুরল।
বোর্ড পরীক্ষার ফল বের হলো।
পুরো এলাকায় সবাই অবাক—
রাশেদ প্রথম হয়েছে।
যে ছেলেটাকে অনেকে অবহেলা করত, সেই ছেলেকেই আজ সবাই সম্মান করছে।
ফলাফলের দিন বাবা চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিল। কারও সাথে কিছু বলছিল না। শুধু ছেলের দিকে তাকিয়ে চোখ ভিজে উঠেছিল।
রাশেদ বাবার হাত ধরে বলল—
“বাবা, আজ আমার জয় না…
আজ আমাদের পরিবারের জয়।”
তারপর থেকে সে নিজেই ছোট্ট বাচ্চাদের পড়ানো শুরু করল — যেন কেউ স্বপ্ন হারিয়ে না ফেলে।
কারণ রাশেদ শিখেছিল একটি কথা—
ছায়ার মধ্যেও আলো থাকে,
যদি কেউ হাল না ছাড়ে।

30/11/2025

আজ ৩০/১১/২০২৫ ইং রবিবার,আরো একটা দিন ভাল ভাবে জীবন থেকে চলে গেল, আলহামদুলিল্লাহ।

24/05/2025

শুন্য স্থান যেমন সঠিক সংখ্যা ছাড়া পূরণ হয় না তেমনি সঠিক মানুষ ছাড়া ভালো থাকা যায় না।

24/05/2025

এক জন অপেক্ষায় থাকে, আরেকজন অন্যজনকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে।

23/05/2025

গাজীপুরের কাঁঠাল আম জাম লিচুর জন্য বিখ্যাত

23/05/2025

একটা বেলুন শিশুটির জীবন কেড়ে নিল

23/05/2025

বিশ্বাসের মর্যাদা যদি না রাখতে পারো, কাউকে বিশ্বাসের আশ্বাস দিও না

23/05/2025

একটা সময় মনে হয়েছিল আমার সিদ্ধান্তগুলো ভুল ছিল

23/05/2025

বুঝতে শেখো কে সময় নিয়ে কথা বলে, কে সময় পেলে কথা বলে।

23/05/2025

স্বার্থপর মানুষগুলো সুখী হতে পারলেও সফল হতে পারেনা।

23/05/2025

যে তোমার বিশ্বাস ভেঙেছে তাকে ধন্যবাদ জানাও

Address

Hotspots, Projale, Moytapara
Gazipur
1703

Telephone

+8801728886176

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FR Fashion shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to FR Fashion shop:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram