গুলশান হোমিও হল, হরিনাচালা রোড, কোনাবাড়ী,গাজীপুর।

  • Home
  • Bangladesh
  • Gazipura
  • গুলশান হোমিও হল, হরিনাচালা রোড, কোনাবাড়ী,গাজীপুর।

গুলশান হোমিও হল, হরিনাচালা রোড, কোনাবাড়ী,গাজীপুর। Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from গুলশান হোমিও হল, হরিনাচালা রোড, কোনাবাড়ী,গাজীপুর।, Family doctor, হরিনাচালারোড, কোনাবাড়ী, গাজিপুর, Gazipura.
(40)

হামকে অবহেলা করলে এটি প্রাণঘা*তী হতে পারে, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এর ভয়াবহতা সারা দেশকে আতঙ্কের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। হ...
30/03/2026

হামকে অবহেলা করলে এটি প্রাণঘা*তী হতে পারে, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এর ভয়াবহতা সারা দেশকে আতঙ্কের মধ্যে ফেলে দিয়েছে। হাম নিয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছি। মন দিয়ে পড়ুন, জনস্বার্থে শেয়ার করুন।

★ হাম (Measles) কী?
হাম একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা অত্যন্ত দ্রুত ছড়ায়। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি যদি টিকা না নেওয়া মানুষের মধ্যে যায়, তাহলে প্রায় সবাই সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে।

★ কিভাবে ছড়ায়?
১) কাশি, হাঁচির মাধ্যমে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে
২) শ্বাসের মাধ্যমে খুব সহজেই শরীরে প্রবেশ করে
৩) ভাইরাস বাতাস বা বস্তুতে প্রায় ২ ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকে
৪) একই ঘরে থাকলে টিকা না নেওয়া প্রায় ৯০% মানুষ আক্রান্ত হতে পারে
৫) একজন রোগী গড়ে ১০–১৮ জনকে সংক্রমিত করতে পারে
অর্থাৎ একজন রোগী পুরো একটি পরিবার বা শ্রেণিকক্ষকে আক্রান্ত করতে পারে

★ উপসর্গঃ
সংক্রমণের ৭–১৪ দিনের মধ্যে লক্ষণ শুরু হয়—
১) উচ্চ জ্বর
২) কাশি
৩) নাক দিয়ে পানি পড়া
৪) চোখ লাল ও পানি পড়া
৫) মুখের ভেতরে সাদা দাগ
৬) র‍্যাশ
মুখ থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে
র‍্যাশ ওঠার আগের ৪ দিন এবং পরের ৪ দিন এই সময়টাই সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ছড়ায়

★ কারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে?
১) টিকা না নেওয়া শিশু
২) ৫ বছরের নিচের শিশু
৩) অপুষ্টিতে ভোগা শিশু
৪) দুর্বল ইমিউনিটির ব্যক্তি
৫) গর্ভবতী নারী

★ জটিলতাঃ
১) নিউমোনিয়া — সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর কারণ
২) কানের সংক্রমণ — স্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাস হতে পারে
৩) এনসেফালাইটিস — খিঁচুনি, মানসিক বিকলতা, এমনকি মৃত্যু
৪) মারাত্মক অপুষ্টি ও দীর্ঘমেয়াদী দুর্বলতা
৫) SSPE — কয়েক বছর পর ধীরে ধীরে মস্তিষ্ক নষ্ট করে দেয়, প্রায় নিশ্চিত মৃত্যু
একটি সাধারণ হাম থেকেই একটি শিশুর জীবন স্থায়ীভাবে বদলে যেতে পারে

★ করণীয়ঃ
১) রোগীকে অবশ্যই আলাদা রাখুন
২) জ্বর নিয়ন্ত্রণে প্যারাসিটামল ব্যবহার করুন
৩) পর্যাপ্ত পানি, ওরস্যালাইন, তরল খাবার দিন
৪) সহজপাচ্য পুষ্টিকর খাবার দিন (খিচুড়ি, স্যুপ, ফল)
৫) ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী Vitamin A ক্যাপসুল দিন
৬) শ্বাসকষ্ট, খিঁচুনি, খাওয়া বা পানি সম্পূর্ণ বন্ধ, অস্বাভাবিক ঝিমুনি বা অচেতন ভাব, কান দিয়ে পুঁজ বা তীব্র ব্যথা হলে দ্রুত হাসপাতালে নিন।

★ প্রতিরোধঃ
১) হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো টিকা
২) MR/MMR ভ্যাকসিন অবশ্যই সম্পূর্ণ নিতে হবে
বাংলাদেশে—
১) ১ম ডোজ: ৯ মাসে
২) ২য় ডোজ: ১৫ মাসে
৩) দুই ডোজ সম্পূর্ণ করলে প্রায় ৯৭% সুরক্ষা পাওয়া যায়
৪) ৯৫% মানুষ টিকা নিলে পুরো সমাজ সুরক্ষিত হয়

★ সবার জন্য সতর্কতা
১) আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন
২) নিয়মিত হাত ধোয়া ও মাস্ক ব্যবহার করুন
৩) টিকা না নেওয়া শিশুদের ভিড় থেকে দূরে রাখুন

27/03/2026
27/03/2026
26/03/2026

ঘুরে বেড়ানোর দিনগুলোতে

26/03/2026
26/03/2026

থ্যালাসেমিয়া রোগের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
ডাঃ মোঃ এখলাছ উদ্দিন আকন্দ
গুলশান হোমিও হল
কোনাবাড়ী ,গাজীপুর। ০১৭১১৭০২৯৮৭

থ্যালাসেমিয়া রোগ অত্যন্ত মারাত্মক বিপদজনক ও আশঙ্কা জনক হলেও হোমিওপ্যাথিতে লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসার মাধ্যমে এই রোগের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব ।
যথাযথ আন্তরিকতার সাথে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার মাধ্যমে এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া খুব সহজ।
থ্যালাসেমিয়া সাধারণত: পিতা-মাতার রক্তের কারণে বাচ্চাদের জন্মগত রোগ যা থ্যালাসেমিয়া। থ্যালাসেমিয়া রোগের লক্ষণ রোগী ক্ষেত্রে ভিন্ন রকম। প্রকৃতভাবে থ্যালাসেমিয়া রোগীর রক্ত শরীরের মধ্যে তৈরী না হওয়ার প্রবনতাটা বেশী। এছাড়াও সহজে ঠান্ডা লাগা, হাত পা কামড়ানি ব্যাথা, চোখ হলুদ ভাব, পায়খানা-প্রস্রাব হলুদ, মুখের আকৃতি পরিবর্তন, নাক বিকৃতি, শীর্ণতা, মাথার আকৃতি পরিবর্তন, চুল লালচে হয়ে যাওয়াসহ পেট বড় হওয়া ও বিভিন্ন প্রকার লক্ষণ প্রকাশ পায়।

থ্যালাসেমিয়া এটি একটি ল্যাটিন নাম। নামটি দুভাগ করে পাওয়া যায় থ্যালাসা ও মিয়া। থ্যালাসা অর্থ সাগর এবং মিয়া অর্থ রক্ত। এরোগের চিকিৎসায় অতিরিক্ত রক্তের প্রয়োজন হয় বলেই হয়তো এর নাম রক্তসাগর। থ্যালাসেমিয়ার প্রধান পরিচায়ক লক্ষণ হল- শিশুর রক্তে লোহিত কণিকা নির্দিষ্ট সময়ের আগেই ধ্বংস হতে শুরু করে ফলে রক্তশুণ্যতা দেখা দেয়।

থ্যালাসেমিয়া রক্তের এমন একটি মারাত্মক রোগ যা শিশুরা বংশগতভাবে তাদের পিতা-মাতা থেকে পেয়ে থাকে। বিজ্ঞানীদের মতে, সাধারণত: চাচাত ভাই-বোনদের মধ্যে বিয়ে হলে সন্তানদের থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এই রোগীদের রক্তের লাল কণিকা (RBC) তাড়াতাড়ি ধ্বংস হয়ে যায়। ফলে তাদের রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কম থাকে এবং আয়রণের পরিমাণ বেড়ে যায়। একারণে এদেরকে ২০/৩০ দিন পর পর রক্ত দিতে হয় ও শরীর থেকে অতিরিক্ত আয়রন বের করার জন্য ঔষধ খেতে হয়। খুব ছোট শিশুদের মধ্যে রক্তশূণ্যতা, জ্বর, শারীরিক বৃদ্ধি না হওয়া, প্লীহা বড় হয়ে যাওয়া, ইত্যাদি লক্ষণ দেখে থ্যালাসেমিয়া রোগ সন্দেহ করা এবং রক্তের বিশেষ মাইক্রোস্কোপিক পরীক্ষার মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।

পরিসংখ্যাণ অনুযায়ী বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় এক লাখ শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্ম গ্রহণ করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)'র মতে, সারা বিশ্বে প্রায় দশ কোটির বেশি লোক বিভিন্ন ধরনের বিটা থ্যালাসেমিয়ার জিন বহন করে। ফলে প্রতি বছর প্রায় ১ লাখ শিশুর জন্ম হচ্ছে জটিল থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ে। আজ পর্যন্ত বাংলাদেশে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সঠিক কোনো পরিসংখ্যাণ নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব মতে, বিশ্বে ৬.৫ শতাংশ মানুষ থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত৷ আর বাংলাদেশে ৪ থেকে ৮ শতাংশ মানুষ থ্যালাসেমিয়া ও হিমোগ্লোবিন ডিজঅর্ডার- যা থ্যালাসেমিয়ার কাছাকাছি অবস্থা সেটি বহন করছে। প্রতি বছর ৭ হাজার শিশু এই রোগ নিয়ে জন্ম নিচ্ছে। থ্যালাসেমিয়া ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমানে দেশে প্রায় ষাট হাজার থ্যালাসেমিয়া রোগী রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ২০০৯ সালের হেলথ বুলেটিন অনুযায়ী, সরকারি হাসপাতালে ভর্তি ৫-১৪ বছর বয়সী রোগীদের মধ্যে এই রোগের অবস্থান দশম।

স্বাভাবিক রক্তের হিমোগ্লোবিনে মোট আট জোড়া জিনের মধ্যে আলফা, বিটা ও গামা বা ডেল্টা চেইন থাকে। যখনই কোন চেইনের ঘাটতি হয়, তখনই এই রোগের সৃষ্টি হয়। স্বাভাবিক রক্তে আলফা ও বিটা চেইন থাকে শতকরা ৯৭ ভাগ। শিশুদের ক্ষেত্রে এই চেইন থাকে শতকরা ৭০-৯০ ভাগ। তিন প্রকার হিমোগ্লোবিনের মধ্যে অন্যতম হল ফিটাল হিমোগ্লোবিন। শিশুর জন্মের পর এক মাস বয়সে তা কমে ২৫%এ দাঁড়ায় এবং ছয় মাস বয়সে তা নেমে আসে শতকরা পাঁচ ভাগে। ফিটাল হিমোগ্লোবিন কমে যেয়ে এডাল্ট হিমোগ্লোবিন বেড়ে ৯০-৯৫%এ উন্নীত হয়। এই যে পরিবর্তন তা সুস্থ শিশুতে দেখা যায়। কিন্তু কোন কারণে এর ব্যতিক্রম ঘটলে সৃষ্টি হয় থ্যালাসেমিয়া।

রক্তের লোহিত কণিকার আয়ুকাল তিন মাস। লোহিত কণিকা অস্থিমজ্জায় অনবরত তৈরি হচ্ছে এবং তিন মাস শেষ হলেই প্লীহা লোহিত কণিকাকে রক্ত থেকে সরিয়ে নেয়। থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রে লোহিত কণিকার আয়ুকাল অনেক কমে যায়। তাদের হিমোগ্লোবিন ঠিকমতো তৈরি না হওয়ায় লোহিত কণিকাগুলো সহজেই ভেঙে যায় এবং একই হারে লোহিত কণিকা তৈরি সম্ভব হয়ে ওঠে না। এর ফলে একদিকে যেমন রক্তশূণ্যতা সৃষ্টি হয়, অন্যদিকে প্লীহা আয়তনে বড় হতে থাকে। পরবর্তী সময়ে অতিরিক্ত আয়রণ জমা হয়ে হৃৎপিন্ড, প্যানক্রিয়াস, যকৃত, অন্ডকোষ, ইত্যাদি অঙ্গের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।

থ্যালাসেমিয়া হয়েছে কিনা বোঝার কিছু উপায় হচ্ছে-
মারাত্মক রক্ত শূণ্যতা, উৎসাহহীনতা, সামান্য পরিশ্রমে হাঁপিয়ে ওঠা, মাথা ঘোরা, বুক ধড়ফড় করা অর্থাৎ রক্তশূন্যতার যাবতীয় লক্ষণ প্রকাশ পাওয়া, অতিরিক্ত আয়রন, সংক্রমণ, অস্বাভাবিক অস্থি, প্লীহা বড় হয়ে যাওয়া, অবসাদ অনুভব, দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট, মুখ-মন্ডল ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া, অস্বস্তি, মুখের হাড়ের বিকৃতি, ধীরগতিতে শারীরিক বৃদ্ধি, পেট বাইরের দিকে প্রসারিত হওয়া বা বৃদ্ধি পাওয়া, গাঢ় রঙের প্রস্রাব, হৃৎপিণ্ডে সমস্যা, খাওয়ায় অরুচি এবং ঘন ঘন ডায়ারিয়া ও জ্বর হওয়া, যৌনাঙ্গের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত, দেহের আকৃতি স্বাভাবিকের চেয়ে ছোট, ইত্যাদি।

এছাড়াও পরীক্ষার মাধ্যমে বোঝার কিছু উপায় হচ্ছে-
ক/ রক্ত পরীক্ষায়:
১/ সিরাম বিলিরুবিন লেভেল খুব বেশি থাকে।
২/ প্লাজমা হেপাটোগ্লোবিন লেভেল খুব কমে যায়।
৩/ প্লাজমা হিমোপেক্সিন লেভেল কমে যায়।
৪/ প্লাজমা ফ্রী-হিমোগ্লোবিন, মেথেম এলবুমিন লেভেল বেড়ে যায়।
৫/ পেরিফেরাল রক্ত পরীক্ষায় লোহিত কণিকার সংখ্যা কমে যায় ও রেটিকিউলোসাইটের সংখ্যা খুব বেড়ে যায়। রক্তে সিকেল সেল, স্ফেরোসাইট, এলিপটোসাইট ও টার্গেট সেল, ইত্যাদি পাওয়া যায়।
৬/ পেপার-ইলেকট্রোফোরেসিস পরীক্ষার দ্বারা জানা যায় হিমোগ্লোবিন পিকের অস্বাভাবিকতা।
খ/ প্রস্রাবে ইউরো বিলিনোজেন লেভেল বেড়ে যায়।
গ/ মলে ষ্টারকো বিলিনোজেন লেভেল বেড়ে যায়।
ঘ/ মাথার হাড়ের ডিপ্লোয়িক স্পেস বৃদ্ধি পায়।

যে অঙ্গ দিয়ে সমস্যাযুক্ত হিমোগ্লোবিন তৈরি হচ্ছে, সে অঙ্গ মানে বোনম্যারো বা অস্থিমজ্জা সংযোজনের মাধ্যমে একে সম্পূর্ণ নিরাময় করা সম্ভব তবে আমাদের দেশে এটা এখনো চালু হয়নি। হোমিওপ্যাথিতে সকল প্রকার জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা করা সম্ভব, যা এ্যালোপ্যাথিতে কোনো দিনই সম্ভব না। হোমিওপ্যাথি লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা তাই রোগীর লক্ষণকে সামনে রেখে ঔষধ প্রয়োগ করলে রোগীর সে কষ্টকর লক্ষণগুলি চলে যাবে এবং রোগী রোগ মুক্ত হয়ে যাবে।

যেহেতু এই রোগের চিকিৎসায় প্রচুর টাকা খরচ হয়,সেহেতু মধ্যবিত্ত বা দরিদ্ররা এই রোগে আক্রান্ত হলে ভিখারী হতে বেশী সময় লাগে না। এতো পয়সা খরচ করেও এসব শিশুদেরকে সাধারনত বিশ- এিশ বছরের বেশী বাঁচানো যায় না। আর এটি একটি মারাত্মক genetic disease বিধায় খুব একটা নিরাময় হয় না বলে সবাই বিশ্বাস করত। তবে ইদানীং বিভিন্ন দেশের অনেক হোমিও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অগণিত থ্যালাসিমিয়া রোগীকে সম্পূর্ণরূপে আরোগ্য করার দাবী করেছেন যাদের ডিসচার্জ করার ৫-৬ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। হোমিওপ্যাথির দুইশ বছরের ইতিহাসে দেখা গেছে এমন সব কঠিন রোগও খুব সহজে নিরাময় হয়ে যায় যা অন্যান্য চিকিৎসা বিজ্ঞানে একেবারে অবিশ্বাস্য মনে করা হয়ে থাকে। হোমিও স্পেশালিষ্টদের মতে, আল্লাহর রহমতে শতকরা পঞ্চাশভাগ থ্যালাসেমিয়া রোগীকে হোমিও চিকিৎসার মাধ্যমে পুরোপুরি রোগ মুক্ত করা সম্ভব। অবশিষ্ট থ্যালাসেমিয়া রোগীরা সম্পূর্ণ রোগমুক্ত না হলেও অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের মাধ্যমে চিকিৎসা নিলে মাসে বা বছরে একবার রক্ত নিলেই চলে।

থ্যালাসেমিয়া রোগটি দুই পর্যায়ের হতে পারে প্রাথমিক এবং মাঝারি থেকে মারাত্মক। দুই পর্যায়ের থ্যালাসেমিয়ার জন্য আলাদা ধরণের চিকিৎসা রয়েছে।

ধৈর্য্য ধরে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিলে ইংশা-আল্লহ সুফল পাওয়া যাবে। প্রাথমিক থ্যালাসেমিয়ার ক্ষেত্রে লক্ষণ ও উপসর্গ খুবই কম থাকে। ফলে খুবই অল্প চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। ব্যতিক্রম কিছু ঘটলে যেমন- কোন বড় অপারেশন করা হলে কিংবা গর্ভবতী মা সন্তান প্রসবের পর অথবা অন্য কোনো কারণে রক্ত দেয়ার প্রয়োজন
পড়তে পারে।

মাঝারি বা মারাত্মক পর্যায়ের থ্যালাসেমিয়ার ক্ষেত্রে রোগের পর্যায় অনুসারে বছরে বেশ কয়েকবার রোগীকে রক্ত দেয়ার প্রয়োজন হতে পারে ও ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ধৈর্য্য ধরে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে।

26/03/2026

লেবু খান প্রতিদিন।
জেনে নিন লেবু খাওয়ার কি কি উপকারিতা রয়েছে।

টকস্বাদের, রসালো এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ লেবুকে একটি সুপারফুড হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
যা বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য সুবিধা দিয়ে থাকে।
এই সাইট্রাস ফল বিশ্বের প্রতিটি রান্নাঘরের একটি প্রধান জিনিস। এই ফল উপভোগ করার বিভিন্ন উপায় রয়েছে। যদিও এর টক স্বাদের কারণে খালি খাওয়া যায় না। তবে কোনোকিছুর সঙ্গে যোগ করে খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে প্রায় সবারই।

এক চিমটি লবণের সঙ্গে লেবু খেলে তা আপনার বমি বমি ভাব নিয়ন্ত্রণ করতে এবং হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করবে। এই সাইট্রাস ফল একটি দুর্দান্ত স্বাদ বর্ধক। লেবু খেলে তা মুখের রুচি ফিরিয়ে দিতে কাজ করে। আপনি কি নিয়মিত লেবু খান? তাহলে লেবু খেলে শরীরে কী ঘটে তা জেনে নেওয়া জরুরি।

লেবু খাওয়ার উপকারিতা কী?

এই ছোট্ট ও সবুজ সাইট্রাস ফলটি সহজে পাওয়া যায়, উপকারে ভরপুর এবং এতে ক্যালোরি কম। লেবুতে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি৬, পটাসিয়াম, জিঙ্ক, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং জিঙ্ক। চলুন জেনে নেওয়া যাক প্রতিদিন লেবু খাওয়ার উপকারিতা-

১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে

টক স্বাদের ফল লেবু আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দারুণ কাজ করে। লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করতে কাজ করে। সেইসঙ্গে সর্দি ও ফ্লুর লক্ষণ সৃষ্টিকারী জীবাণুর বিরুদ্ধেও লড়াই করে। এক গ্লাস হালকা গরম পানির সঙ্গে সামান্য লেবুর রস ও এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন। এই পানীয় সর্দি ও কাশি দূর করতে সাহায্য করবে।

২. কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়

প্রতিদিন লেবু খাওয়ার অভ্যাস আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। জার্নাল অফ চিরোপ্রাকটিক মেডিসিন দ্বারা পরিচালিত একটি গবেষণা অনুসারে, ভিটামিন সি এলডিএল বা ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে কাজ করে। এছাড়া লেবুতে ফ্ল্যাভোনয়েডও রয়েছে, যা ট্রাইগ্লিসারাইড এবং এলডিএল-এর মাত্রা কমাতে প্রমাণিত।

৩. হজমের উন্নতি করে

এই সাইট্রাস ফলের মধ্যে দ্রবণীয় ফাইবার রয়েছে যা নিয়মিত অন্ত্রের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে এবং হজমে সহায়তা করে। লেবুতে থাকা প্রধান ফাইবার পেকটিন, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্যকে সহায়তা করে এবং চিনি ও স্টার্চের হজমের হারকে ত্বরান্বিত করে।

৪. ওজন কমাতে সাহায্য করে

এক গ্লাস পানিতে মধুর ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে তা শরীরের জন্য বিস্ময়কর ভাবে কাজ করে। লেবুতে থাকা ফাইবার খাওয়ার পরে প্রসারিত হয়, যা আপনাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য তৃপ্ত রাখে। এটি আপনাকে অপ্রয়োজনীয় খাবার থেকে বিরত রাখবে, ফলে ওজন বৃদ্ধির ভয় থাকবে না।

৫. কিডনিতে পাথর প্রতিরোধ করে

আপনি যদি কিডনিতে পাথরের সমস্যায় ভোগেন বা এ ধরনের কোনো ঝুঁকিতে থাকেন, তাহলে লেবু আপনাকে সেই সমস্যা থেকে বাঁচতে সাহায্য করতে পারে। এই সাইট্রাস ফলে প্রচুর সাইট্রিক অ্যাসিড উপস্থিত রয়েছে যা কিডনিতে পাথর প্রতিরোধে সাহায্য করে। লেমনেড বা লেবুর রস মূত্রনালী সাইট্রেট গঠন করে যা পাথরের স্ফটিক বিকাশ রোধ করতে সাহায্য করে।

প্রতিদিন কতটা লেবু খাওয়া নিরাপদ?

প্রতিদিন দুই থেকে তিনটি লেবু (প্রায় চার থেকে ছয় টেবিল চামচ) খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। অন্য সব খাবারের মতো এই সাইট্রাস ফলও পরিমিতভাবে খাওয়া উচিত। প্যান আফ্রিকান মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, অতিরিক্ত লেবু খেলে এর উচ্চ মাত্রার সাইট্রিক অ্যাসিডের কারণে এনামেল ক্ষয় হতে পারে। এছাড়া লেবুতে টাইরামিনও থাকে, যা মাইগ্রেনের রোগীর ক্ষেত্রে মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।

26/03/2026

আসুন আমরা খাদ্যাভাসে সতর্ক হই

26/03/2026

ইসবগুলের ভুসির ৫ উপকারিতা
অনেকেই দীর্ঘদিন যাবৎ পেটের নানা ধরনের সমস্যায় ভুগছেন। বিশেষ করে, যারা কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন; তারা বেশিরভাগ সময়ই লজ্জায় এ মারাত্মক সমস্যার কথা শেয়ার করতে চান না। কিন্তু তিনি নিজের পায়ে কুড়াল মারছেন। এসব সমস্যার সমাধান করবে ইসবগুলের ভুসি।

আসুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক ইসবগুলের ভুসির গুণাগুণসমূহ সম্পর্কে-

কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে: ইসবগুলের ভুসি কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে দারুণ কাজ করে। এতে উপস্থিত অদ্রবণীয় ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য রোগীদের মল নরম করে দেয়। ফলে খুব সহজেই ইলিমিনেশন সম্ভব হয়। তাই প্রতিদিন ঘুমানোর আগে ২ চামচ ইসবগুলের ভুসি ও ১ গ্লাস কুসুম গরম দুধ পান করতে পারেন। কেউ যদি রোগটি পুষে রাখেন, তাহলে কোলন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

রক্তে কোলেস্টেরল কমায়: এ ভুসি খেলে আমাদের অন্ত্রে একধরনের স্তর তৈরি হয়। যা কোলেস্টেরল শোষণে বাধা দান করে। ফলে আমাদের রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। তাই হৃদরোগীদের জন্য দারুণ একটি খাবার এটি।

ডায়রিয়া প্রতিরোধ: অনেকেই ডায়রিয়ায় ভুগে থাকেন। তাদের জন্য দারুণ টনিক হলো ইসবগুলের ভুসি ও দই। এ দুটি একসাথে মিশিয়ে খেলে ডায়রিয়া থেকে মুক্তি পাবেন সহজেই।

ওজন কমায়: এতে ফাইবার উপস্থিত থাকায় হজম প্রক্রিয়া অনেক ধীরগতিতে হয়। তাই ক্ষুধা লাগে অনেক কম। এটি খেলে ওজন কমানো অনেক সহজ হয়ে যায়।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ: ইসবগুলের ভুসিতে রয়েছে জিলাটিন নামক একটি উপাদান। যা দেহে গ্লুকোজের শোষণ ও ভাঙার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। ফলে রক্তে সহজে সুগারের পরিমাণ বাড়তে পারে না। তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এ ভুসি খুবই উপযুক্ত।

অ্যাসিডিটি কমায়: ভুসিতে উপস্থিত ফাইবার পাকস্থলীতে একটি স্তর তৈরি করে। যা আমাদের অ্যাসিডিটির হাত থেকে রক্ষা করে। এছাড়া হজম প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এ ভুসি।

Advertisement

কোষ্ঠকাঠিন্যসহ অন্যান্য রোগ থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত ইসবগুলের ভুসি খান, সুস্থ-সবল জীবনযাপন করুন।

লেখক: শিক্ষার্থী, ফলিত পুষ্টি ও খাদ্যপ্রযুক্তি বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

এসইউ/এমএস

Address

হরিনাচালারোড, কোনাবাড়ী, গাজিপুর
Gazipura
1700

Telephone

+8801611702987

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গুলশান হোমিও হল, হরিনাচালা রোড, কোনাবাড়ী,গাজীপুর। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to গুলশান হোমিও হল, হরিনাচালা রোড, কোনাবাড়ী,গাজীপুর।:

Share

Category