রুকইয়াহ শারইয়াহ الرقية الشرعية

  • Home
  • রুকইয়াহ শারইয়াহ الرقية الشرعية

রুকইয়াহ শারইয়াহ  الرقية الشرعية Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from রুকইয়াহ শারইয়াহ الرقية الشرعية, Alternative & holistic health service, .

وَنُنَزِّلُ مِنَ القُرآنِ ما هُوَ شِفاءٌ وَرَحمَةٌ لِلمُؤمِنينَ وَلا يَزيدُ الظّالِمينَ إِلّا خَسارًا

আমি কোরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত।
[১৭:৮২] বনী-ইসরাঈল

23/10/2025

📋 #শুক্রবারের_আমল_চেকলিস্ট

✅ সূরা কাহফ তেলাওয়াত করা
✅ বেশি বেশি দরূদ শরীফ পাঠ করা
✅ গোসল করা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা
✅ সুন্দর পোশাক পরা ও সুগন্ধি ব্যবহার করা
✅ মসজিদে আগে যাওয়া, খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা
✅ দোয়া করা, বিশেষত আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত
✅ সদকা ও নেক কাজ বেশি বেশি করা

23/10/2025

🌿 শুক্রবারের বিশেষ আমল
১. গোসল, সুন্দর পোশাক ও সুগন্ধি ব্যবহার 💝
🔹 হাদিস : রসুল ﷺ বলেছেন—
“যে ব্যক্তি জুম‘আর দিন গোসল করে, সুন্দরভাবে পবিত্রতা গ্রহণ করে, উত্তম পোশাক পরে, তার পরিবারের কারও কাছে থাকা সুগন্ধি ব্যবহার করে, তারপর জুম‘আর নামাজে যায় এবং (অকারণে) দুজনের মাঝে বসে না, তারপর যা লিখে দেওয়া হয় তাই নামাজ পড়ে এবং ইমাম যখন খুতবা দেন তখন চুপচাপ শোনে— তার প্রতিটি কদমের বিনিময়ে এক বছরের রোজা ও কিয়ামুল লাইলের সওয়াব লেখা হয়।”
📖 (সুনান আবু দাউদ ৩৪৫, সহীহ ইবনে খুজাইমা ১৭৭৩)

-২. জুম‘আর নামাজে আগে যাওয়া 💝
🔹 হাদীস: রাসূল ﷺ বলেছেন—
“যে ব্যক্তি জুম‘আর দিন গোসল করে প্রথম সময় মসজিদে যায়, সে যেন আল্লাহর পথে একটি উট কোরবানি করলো। আর যে দ্বিতীয় সময়ে যায়, সে যেন গরু কোরবানি করলো... যে চতুর্থ সময়ে যায়, সে যেন মুরগি কোরবানি করলো, আর যে পঞ্চম সময়ে যায়, সে যেন একটি ডিম সদকা করলো। তারপর যখন ইমাম খুতবার জন্য বের হন, ফেরেশতারা খুতবা শোনার জন্য উপস্থিত হয়।”
📖 (সহীহ বুখারী ৮৮১, সহীহ মুসলিম ৮৫০)

-৩. সূরা কাহফ তেলাওয়াত করা 💝
🔹 হাদীস: “যে ব্যক্তি জুম‘আর দিনে সূরা কাহফ পাঠ করবে, তার জন্য দুই জুম‘আর মাঝখান পর্যন্ত আলোকিত করা হবে।”
📖 (আল-মুস্তাদরাক আলা সহীহাইন ২/৩৬৮, সহীহ বলেছেন হাকিম; ইমাম যাহাবী একমত)

-৪. বেশি বেশি দরূদ শরীফ পড়া 💝
🔹 হাদীস: রাসূল ﷺ বলেছেন—
“তোমরা জুম‘আর দিনে আমার প্রতি অধিক পরিমাণে দরূদ পাঠ করো। কারণ তোমাদের দরূদ আমার নিকট পেশ করা হয়।”
📖 (সুনান আবু দাউদ ১৫৩১, ইবনে মাজাহ ১০৮৫ – সহীহ)

-৫. দোয়া কবুলের বিশেষ সময় 💝
🔹 হাদীস: রাসূল ﷺ বলেছেন—
“জুম‘আর দিনে একটি বিশেষ সময় আছে, যখন কোনো মুসলিম বান্দা নামাজে দাঁড়িয়ে আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করলে আল্লাহ তা তাকে অবশ্যই দান করেন।”
📖 (সহীহ বুখারী ৯৩৫, সহীহ মুসলিম ৮৫২)
❝[অধিকাংশ সাহাবা ও আলেমের মতে এ সময় হলো আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত অথবা ইমামের খুতবা শুরু থেকে নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত।]❞

--৬. সদকা ও নেক আমল বেশি করা 💝
🔹 হাদীস: আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন—
“জুম‘আর দিন হলো সপ্তাহের সেরা দিন ও মুসলিমদের ঈদ।”
📖 (সুনান ইবনে মাজাহ ১০৯৮, সহীহুল জামে ২১৯২)

19/10/2025

একজন রুকইয়াহ চিকিৎসক (রাকি)-এর গুণাবলি ও বৈশিষ্ট্য কি
রুকইয়াহ চিকিৎসা এমন এক আমল যা সরাসরি আল্লাহর কালামের মাধ্যমে হয়। তাই, যিনি রুকইয়াহ করবেন, তার মধ্যে অবশ্যই এমন গুণাবলি থাকতে হবে যা ঈমান, আমল, জ্ঞান ও আন্তরিকতার সমন্বয়ে গঠিত।

যিনি রুকইয়াহ করাবেন, তার মধ্যে যে গুণাবলি থাকা উচিতঃ

১️⃣ বিশুদ্ধ আকিদা ও তাওহিদের উপর দৃঢ় বিশ্বাস,
রাকি অবশ্যই শিরক ও বিদআতমুক্ত পরিশুদ্ধ ইসলামী আক্বিদার অনুসারী হবেন।
তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করবেন যে, শিফা একমাত্র আল্লাহর কাছেই।

২️⃣ ইবাদাতে যত্নবান ও পরহেজগার,
নামাজ, রোযা, যাকাত, মাহরাম-গায়রে মাহরাম বিষয়ে যত্নবান হবেন।
হালাল-হারাম মেনে চলবেন, হারাম উপার্জন বা হারাম কাজে সম্পৃক্ত থাকবেন না।

৩️⃣ আত্মিকভাবে দৃঢ় ও যিকিরে অভ্যস্ত,
অধিক পরিমাণে যিকির-আজকার, তাহাজ্জুদ, নফল রোযা ইত্যাদির মাধ্যমে আত্মিক শক্তি অর্জন করবেন।

৪️⃣ আল্লাহর কালামের প্রভাবের প্রতি দৃঢ় ইয়াক্বীন,
তিনি দৃঢ় বিশ্বাস রাখবেন যে কুরআনের আয়াতসমূহ জ্বিন, শয়তান ও জাদুর ওপর প্রভাব ফেলতে সক্ষম।

৫️⃣ জ্বিন জাতি সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান থাকা,
জ্বিনের প্রকারভেদ, আচরণ, ইতিহাস, মানুষের ওপর প্রভাব ও বের হবার পদ্ধতি সম্পর্কে জানা জরুরি।
এতে চিকিৎসার সময় কৌশলগত সচেতনতা বৃদ্ধি পায়।

৬️⃣ জ্বিনের ধোঁকাবাজি সম্পর্কে সতর্ক থাকা,
জ্বিন জাতি অত্যন্ত মিথ্যাবাদী ও ধোঁকাবাজ—এ বিষয়ে সচেতন থাকা দরকার।
যেমন: ইবনে তাইমিয়া (রহ.) কে জ্বিন বলেছিলো আমি আপনার কথায় চলে যাচ্ছি তখন তিনি জ্বিনকে বলেছিলেন —“না, তুমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ﷺ এর আনুগত্য করে চলে যাও।”
এতে তিনি জ্বিনের ভবিষ্যৎ প্রতারণা ঠেকাতে সক্ষম হন।

৭️⃣ রাসূল ﷺ শেখানো দোয়াগুলোর প্রতি যত্নবান হওয়া,
ঘরে ঢোকা-বের হওয়া, টয়লেটে প্রবেশ, মসজিদে যাওয়া, কাক-কুকুর ডাক শুনে দোয়া পড়া ইত্যাদি বিষয়ে যত্নবান হবেন।
এজন্য সহীহ দোয়ার বই (যেমন: হিসনুল মুসলিম, দু’আ রুকইয়াহ সংগ্রহ) অধ্যয়ন করা উচিত।

৮️⃣ নিজের আত্মিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা,
রাকি নিজে যদি দুর্বল হন, তাহলে অন্যের উপর থাকা শয়তানকে তাড়ানো কঠিন হবে।
এজন্য সকালে-সন্ধ্যায় দু’আ-মাসনুন আজকার, কুরআন তেলাওয়াত ও ইস্তেগফারে অভ্যস্ত থাকা জরুরি।

৯️⃣ শরীয়ত-বিরোধী কোনো পন্থা অবলম্বন না করা,
রুকইয়াহ করার সময় কুফরি তাবিজ, মন্ত্র, জিনের সাহায্য, সংখ্যা, আগুন ব্যবহার করা যাবে না।
সবসময় তাওয়াক্কুল রাখতে হবে — আল্লাহই মুক্তি দানকারী।

⃣ বিবাহিত ও পরিপক্ক হওয়া শ্রেয়,
আবশ্যক না হলেও বিবাহিত হলে মানসিক ও সামাজিকভাবে পরিপক্কতা বৃদ্ধি পায়।
এতে নারী রোগীর সঙ্গে সীমারেখা রক্ষা করা সহজ হয়।

⚜️ রাক্বির আন্তরিকতা,
রাকি মনে রাখবেন, এটি শুধুমাত্র আধ্যাত্মিক চিকিৎসা নয় — বরং একটি বাস্তবিক রোগের চিকিৎসা।

তাই রোগীর প্রতি আন্তরিক, সহানুভূতিশীল ও দোয়াপূর্ণ মনোভাব থাকা আবশ্যক।🤲 শেষ কথা:

> রুকইয়াহ চিকিৎসা একটি আমানত।
এর মাধ্যমে মানুষকে জাদু, জ্বিন, বদনজর ও মানসিক কষ্ট থেকে মুক্ত করতে হয়—
তাই রাকির মধ্যে থাকতে হবে ঈমান, জ্ঞান, সততা ও আত্মিক শক্তি।
আল্লাহ আমাদেরকে হক অনুসরণকারী ও শিরকমুক্ত চিকিৎসক ও রোগী বানান।
#রুকইয়াহ_শারইয়াহ #রুকইয়াহ

17/10/2025

🌿 শুক্রবারের বিশেষ আমল
১. গোসল, সুন্দর পোশাক ও সুগন্ধি ব্যবহার 💝
🔹 হাদিস : রসুল ﷺ বলেছেন—
“যে ব্যক্তি জুম‘আর দিন গোসল করে, সুন্দরভাবে পবিত্রতা গ্রহণ করে, উত্তম পোশাক পরে, তার পরিবারের কারও কাছে থাকা সুগন্ধি ব্যবহার করে, তারপর জুম‘আর নামাজে যায় এবং (অকারণে) দুজনের মাঝে বসে না, তারপর যা লিখে দেওয়া হয় তাই নামাজ পড়ে এবং ইমাম যখন খুতবা দেন তখন চুপচাপ শোনে— তার প্রতিটি কদমের বিনিময়ে এক বছরের রোজা ও কিয়ামুল লাইলের সওয়াব লেখা হয়।”
📖 (সুনান আবু দাউদ ৩৪৫, সহীহ ইবনে খুজাইমা ১৭৭৩)

-২. জুম‘আর নামাজে আগে যাওয়া 💝
🔹 হাদীস: রাসূল ﷺ বলেছেন—
“যে ব্যক্তি জুম‘আর দিন গোসল করে প্রথম সময় মসজিদে যায়, সে যেন আল্লাহর পথে একটি উট কোরবানি করলো। আর যে দ্বিতীয় সময়ে যায়, সে যেন গরু কোরবানি করলো... যে চতুর্থ সময়ে যায়, সে যেন মুরগি কোরবানি করলো, আর যে পঞ্চম সময়ে যায়, সে যেন একটি ডিম সদকা করলো। তারপর যখন ইমাম খুতবার জন্য বের হন, ফেরেশতারা খুতবা শোনার জন্য উপস্থিত হয়।”
📖 (সহীহ বুখারী ৮৮১, সহীহ মুসলিম ৮৫০)

-৩. সূরা কাহফ তেলাওয়াত করা 💝
🔹 হাদীস: “যে ব্যক্তি জুম‘আর দিনে সূরা কাহফ পাঠ করবে, তার জন্য দুই জুম‘আর মাঝখান পর্যন্ত আলোকিত করা হবে।”
📖 (আল-মুস্তাদরাক আলা সহীহাইন ২/৩৬৮, সহীহ বলেছেন হাকিম; ইমাম যাহাবী একমত)

-৪. বেশি বেশি দরূদ শরীফ পড়া 💝
🔹 হাদীস: রাসূল ﷺ বলেছেন—
“তোমরা জুম‘আর দিনে আমার প্রতি অধিক পরিমাণে দরূদ পাঠ করো। কারণ তোমাদের দরূদ আমার নিকট পেশ করা হয়।”
📖 (সুনান আবু দাউদ ১৫৩১, ইবনে মাজাহ ১০৮৫ – সহীহ)

-৫. দোয়া কবুলের বিশেষ সময় 💝
🔹 হাদীস: রাসূল ﷺ বলেছেন—
“জুম‘আর দিনে একটি বিশেষ সময় আছে, যখন কোনো মুসলিম বান্দা নামাজে দাঁড়িয়ে আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করলে আল্লাহ তা তাকে অবশ্যই দান করেন।”
📖 (সহীহ বুখারী ৯৩৫, সহীহ মুসলিম ৮৫২)
❝[অধিকাংশ সাহাবা ও আলেমের মতে এ সময় হলো আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত অথবা ইমামের খুতবা শুরু থেকে নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত।]❞

--৬. সদকা ও নেক আমল বেশি করা 💝
🔹 হাদীস: আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন—
“জুম‘আর দিন হলো সপ্তাহের সেরা দিন ও মুসলিমদের ঈদ।”
📖 (সুনান ইবনে মাজাহ ১০৯৮, সহীহুল জামে ২১৯২)

#রুকইয়াহ_শারইয়াহ #রুকইয়াহ #

17/10/2025

📋 #শুক্রবারের_আমল_চেকলিস্ট

✅ সূরা কাহফ তেলাওয়াত করা
✅ বেশি বেশি দরূদ শরীফ পাঠ করা
✅ গোসল করা – পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা
✅ সুন্দর পোশাক পরা ও সুগন্ধি ব্যবহার করা
✅ মসজিদে আগে যাওয়া – খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা
✅ দোয়া করা – বিশেষত আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত
✅ সদকা ও নেক কাজ বেশি বেশি করা

15/10/2025

⚡️ জ্বিন দ্বারা ক্ষতির কারণ ও প্রতিরক্ষা ⚡️

আমরা মাঝে মাঝে শুনি, মানুষ জ্বিনের দ্বারা আক্রমণ বা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে কেন এবং কীভাবে এটি ঘটে, তা জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

---

🌀 জ্বিন কেন মানুষকে আঘাত করে?

১. যদি কোনোভাবে কোনো জ্বিনকে কষ্ট দেয়া হয়, আঘাত করা হয়
২. যদি কোনো জিনের ওপর গরম পানি ফেলা হয়
৩. অথবা কোনো জিনের গায়ে প্রসাব করা হয়
৪. অথবা বিশেষ কোনো কারণ ছাড়াই অহেতুক কষ্ট দেয়ার জন্য আসর করতে পারে, যেমন অনেক মানুষ অহেতুক জিনদের কষ্ট দেয়
৫. কোনো জিন হয়তো কাউকে পছন্দ করে, এজন্য আসর করতে পারে
৬. আগের কোনো শত্রুতার জেরে আসর করতে পারে, বা ক্ষতি করতে পারে
৭. যদি তাদের কাউকে ইচ্ছাকৃত বা ভুলক্রমে মেরে ফেলা হয়, এজন্য বদলা নিতে ক্ষতি করতে পারে

---

🌙 জ্বিন আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ

আলোচনার সুবিধার্থে পজেসড হওয়ার লক্ষণগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হলো: ঘুম সংক্রান্ত এবং অন্যান্য সময়ের।

🌒 ঘুম সংক্রান্ত লক্ষণ

১. নিদ্রাহীনতা: সারারাত শুধু বিশ্রাম নেয়াই হয়, ঘুম হয় না
২. উদ্বিগ্নতা: রাতে বার বার ঘুম ভেঙে যাওয়া
৩. বোবায়ধরা: ঘুমের সময় কেউ চেপে ধরেছে, নড়াচড়া করতে পারছে না, প্রায়ই এমন হওয়া
৪. ঘুমের মাঝে প্রায়শই চিৎকার করা, গোঙানো, হাসি-কান্না করা
৫. ঘুমন্ত অবস্থায় হাটাহাটি করা (Sleepwalking)
৬. স্বপ্নে কোনো প্রাণিকে আক্রমণ করতে বা ধাওয়া করতে দেখা, বিশেষতঃ কুকুর, বিড়াল, ইঁদুর, উট, সিংহ, শিয়াল, সাপ
৭. স্বপ্নে নিজেকে অনেক উঁচু কোনো যায়গা থেকে পড়ে যেতে দেখা
৮. কোনো গোরস্থান বা পরিত্যক্ত যায়গা, অথবা কোনো মরুভূমির সড়কে হাটাচলা করতে দেখা
৯. বিশেষ আকৃতির মানুষ দেখা, যেমন অনেক লম্বা, খুবই খাটো, খুব কালো কুচকুচে
১০. জ্বিন-ভুত দেখা

> দ্রষ্টব্যঃ যদি স্বপ্নে সবসময় দুইটা বা তিনটা প্রাণী আক্রমণ করতে আসছে দেখে, তাহলে বুঝতে হবে সাথে দুইটা বা তিনটা জ্বিন আছে।

☀️ ঘুম ব্যতীত অন্য সময়ের লক্ষণ

১. দীর্ঘ মাথাব্যথা (চোখ, কান, দাত ইত্যাদি সমস্যার কারণে নয়, এমনিই)
২. ইবাদত বিমুখতা: নামাজ, তিলাওয়াত, যিকির আযকারে আগ্রহ উঠে যাওয়া, দিনদিন আল্লাহর থেকে দূরে সরে যাওয়া
৩. মেজাজ বিক্ষিপ্ত হওয়া, কিছুতেই মন না বসা
৪. ব্যাপক অলসতা; সবসময় অবসন্নতা ঘিরে রাখা
৫. মৃগীরোগ
৬. শরীরের কোনো অংঙ্গে ব্যাথা কিংবা বিকল হয়ে যাওয়া, ডাক্তাররা যেখানে সমস্যা খুঁজে পেতে বা চিকিৎসা করতে অপারগ হচ্ছে

> প্রসঙ্গক্রমে বলা জরুরী, এক বা দুই দিনের জন্য এসব লক্ষণ দেখা মানেই জ্বিন আক্রান্ত হয়েছে ভাবার কারণ নেই। দীর্ঘদিন ধরে থাকলে সমস্যা ভাবা উচিত। শারীরিক রোগের কারণে এসবও হতে পারে।

---

🛡️ খবিস জ্বিনের ক্ষতি থেকে বাঁচার উপায়

১. জামা’আতে নামাজ আদায় করা। তাহাজ্জুদ পড়া। আত্মিক শক্তি বৃদ্ধি পায়।
২. গানবাজনা থেকে বিরত থাকা।
৩. সর্বদা পাকপবিত্র থাকা, বিশেষত ঘুমের আগে অযু করে বিছানায় যাওয়া।
৪. ঘুমের আগে আয়াতুল কুরসি এবং সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়া।
৫. সব কাজে বিসমিল্লাহ বলা, বিশেষত খাবার সময় এবং ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করতে। উঁচু থেকে লাফ দেয়ার সময়, কিছু ফেলার সময়, অন্ধকারে কিছু করার সময়ও বিসমিল্লাহ বলা ভালো।
৬. কুকুর-বিড়াল না মারা; সাপ মারতে চাইলে আগে জোর আওয়াজে ৩বার বলা “জ্বিন হলে চলে যাও।”
৭. কোনো গর্তে প্রসাব না করা (হাদিসে নিষেধ আছে)।
৮. ঘরে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় দোয়া পড়া, দোয়া না জানলে অন্তত বিসমিল্লাহ বলা।
৯. সন্ধ্যার সময় ঘরের জানালা বন্ধ করা, বাচ্চাদের বাইরে বের হতে না দেয়া।
১০. স্ত্রী সহবাসের পূর্বে অবশ্যই দু’আ পড়া। বিয়ের প্রথম রাতের দোয়াটি পড়া।
১১. টয়লেটে ঢোকার সময় দু’আ পড়া।
১২. প্রতিদিন “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা-শারীকালাহ, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হ্ামদ, ওয়াহুওয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর” ১০০ বার পড়া। কমপক্ষে সকাল ও সন্ধ্যায় ১০ বার।
১৩. সকাল ও সন্ধ্যায় অন্যান্য মাসনুন আমল নিয়মিত করা।
১৪. ঘুমের আগে সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস তিনবার করে ফুঁ দিয়ে শরীরে বুলানো।
১৫. ফজর ও মাগরিবের নামাজের পর প্রতিদিন এই তিন সূরা পড়া।

💡এই লক্ষণ ও প্রতিকারগুলো শারীরিক অসুস্থতা থেকে আলাদা। নিয়মিত ইবাদত, মাসনুন আমল ও সতর্কতা আপনাকে জ্বিনের ক্ষতি থেকে রক্ষা করবে।
প্রয়োজন হলে শরীয়তসম্মত রুকইয়াহ শারইয়াহ الرقية الشرعية চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
#রুকইয়াহ_শারইয়াহ

Address


Opening Hours

Monday 08:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Saturday 08:00 - 20:00
Sunday 08:00 - 20:00

Telephone

+8801756695980

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রুকইয়াহ শারইয়াহ الرقية الشرعية posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to রুকইয়াহ শারইয়াহ الرقية الشرعية:

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share