22/02/2026
📌রোজা রাখলে করণীয় : গর্ভবতী যদি রোজা পালন করেন, তাকে অবশ্যই বিশ্রামের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে হবে, দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে হবে, বেশি হাঁটা যাবে না, অতিরিক্ত পরিশ্রম করা যাবে না, ভারী কিছু বহন করা যাবে না। সেহরি, ইফতার ও রাতের খাবারের প্রতি মনোযোগী হতে হবে। রাত জাগা যাবে না। পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে ও পানি পান করতে হবে।
গর্ভাবস্থায় রোজার সময় স্বাস্থ্যকর খাবার:-
✅সেহরি (ভোরের খাবার)
জটিল কার্বোহাইড্রেট (ওটস, লাল আটার রুটি, ব্রাউন রাইস) – দীর্ঘ সময় শক্তি যোগাবে।
প্রোটিন (ডিম, দই, বাদাম, ডাল) – ক্ষুধা কমাবে।
ফল ও সবজি (কলার, খেজুর, শসা) – ভিটামিন ও পানি সরবরাহ করবে।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন – শরীর হাইড্রেট রাখবে।
✅ইফতার (রোজা ভাঙার খাবার)
খেজুর ও পানি দিয়ে শুরু করুন – দ্রুত শক্তি বাড়ায়।
প্রোটিন (মুরগি, মাছ, গরুর মাংস, ডাল) – শিশুর বৃদ্ধির জন্য জরুরি।
স্বাস্থ্যকর চর্বি (অ্যাভোকাডো, অলিভ অয়েল, বাদাম) – শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়ক।
আয়রন সমৃদ্ধ খাবার (পালং শাক, লাল মাংস, ডাল) – রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ করবে।
ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার (দুধ, দই, পনির) – শিশুর হাড় গঠনে সহায়ক।
📌রোজা শুরুর পূর্বে একজন পুষ্টিবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ডায়েট প্ল্যান তৈরি করে রাখতে পারলে ঐ সময়ে গর্ভবতী মায়ের শরীরে পুষ্টি মান অটুট থাকে।
📌রমজান শুরুর পূর্ব থেকেই কফি, চা (এমনকি গ্রিন টি) এবং চকোলেট খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে। কারণ এগুলোতে ক্যাফেইন থাকে, যার ফলে গর্ভবতী মায়েরা রোজার সময় পানি শূন্যতায় ভুগতে পারেন।