Cure Homoeo Chamber

Cure Homoeo Chamber Health Services

স্ত্রী প্রজনন তন্ত্র কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। 1. External ge***al organs বা বহিঃযৌন অঙ্গ 2. Internal ge***al orga...
25/12/2022

স্ত্রী প্রজনন তন্ত্র কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
1. External ge***al organs বা বহিঃযৌন অঙ্গ
2. Internal ge***al organs. বা অভ্যন্তরীণ যৌন অঙ্গ।

1. External ge***al organs গুলো হলো :
- L***a majora (লাবিয়া মেজোরা) : va**na এর প্রবেশ মুখে একটু বাইরের দিকে সামান্য উঁচু, নরম, মাংসের তৈরি ঠোঁটের মতো অংশ কে L***a majora বলে। এ অংশটি চামড়া দিয়ে আবৃত থাকে।
- L***a minora(লাবিয়া মাইনোরা) : L***a majora এর ভেতরের দিকের অংশকে L***a minora বলে। এর উপরে Mucous membrane এর আবরণ থাকে।
- cl****is (ক্লিটোরিস) : L***a minora এর উপরের সংযোগ স্থানে একটা পিন্ডের মত থাকে একে cl****is বলে।
- va**nal or***ce (ভ্যাজাইনাল অরিফিস)
- H***n (হাইমেন ) : কুমারী দের va**na এর নিচের অংশে এবং Va**nal or***ce এর শুরুতে একটি পাতলা Mucous membrane এর আবরণ কে H***n বা সতীচ্ছদ বলে।
- Monos p***s (মনোস পিউবিস) : Va**na এর একেবারে উপরের যে অংশে P***c hair থাকে।

Interal ge***al organs গুলো হলো :
- Va**nal canal (ভ্যাজাইনাল ক্যানাল) : এটি একটি fibrio muscular canal যা Va**nal or***ce থেকে uterus পর্যন্ত বিস্তৃত। এখানে প্রচুর blood vessels ও nerve supply থাকে।
- Uterus (ইউটেরাস): Uterus বা জরায়ু কে womb বা গর্ভ বলা হয়। কারণ গর্ভাবস্থায় জরায়ুর মধ্যেই ভ্রুণ অবস্থান করে।
আকৃতি : Uterus একটি Thick muscular organ. Uterus বা জরায়ু দেখতে অনেকটা ফাঁপা পেয়ারা বা উল্টানো কলসির মতো। এর ওজন প্রায় ৩০ থেকে ৪০ গ্রাম হয়। Uterus সাধারণত ৩ ইঞ্চি লম্বা, ২ ইঞ্চি চওড়া এবং এক ইঞ্চি পুরু।
গঠন: Fundus : Uterus এর উপরের দিকের ছড়ানো অংশকে Fundus এবং Body : Fundus এর নিচে প্রায় ২ ইঞ্চি পর্যন্ত অংশকে Body বলা হয়।
Cervix: Body এর নিচের সরু অংশকে cervix বলে। cervix এর নিচের মুখ এসে va**na তে মিলিত হয়েছে।
Os : cervix এর ভেতরের মুখকে Internal os এবং বাইরের মুখ কে external os বলে।
অবস্থান : Uterus মহিলাদের pelvic cavity তে urinry bladder এর পেছনে এবং re**um এর সামনে অবস্থিত।

এবং এর প্রান্তে Ligament দ্বারা যুক্ত দুটি O***y থাকে।

- Fallopian tube (ফ্যালোপিয়ান টিউব): Uterus এর উপরের অংশে অর্থাৎ Fundus এর দুপাশে দুটি Fallopian tube থাকে। এর শেষ প্রান্ত দেখতে অনেকটা ফানেল এর মত।
- O***y(ওভারী): Fallopian tube এর শেষ প্রান্ত লে ফানেলের মত দেখতে অংশের নিচে Ligament দ্বারা যুক্ত দুটি গ্ল্যান্ড থাকে। যাকে O***y বলা হয়।
O***y থেকে প্রতি ২৮ দিন পরপর একটি করে পূর্ণাঙ্গ ডিম্ব বা O**m বের হয়ে Fallopian tube এ আসে এবং প্রায় তিনদিন অবস্থান করে। এই সময়ে পুরুষের শুক্রাণু বা s***m ও যদি Fallopian tube এ আসে তাহলে O**m টি s***m এর সাথে মিশে Fertilized হয় । এবং পরে uterus এ এসে অবস্থান করে এবং ধীরে ধীরে সেখানে foetus এ পরিণত হয়।

Ovulation : O***y থেকে O**m নিঃসরণের প্রক্রিয়া কে Ovulation বলা হয়। Ovulation হয় menstrual cycle এর ১৪ তম দিন। LH hormone এই Ovulation এ সাহায্য করে।

Female s*x hormones :
1. Oestrogen (এস্ট্রজেন)
2. Progesterone (প্রজেস্টোরন)

এই হরমোনগুলো Menstrual cycle, pregnancy ইত্যাদিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।

🔥🔥 হাঁপানী বা অ্যাজমার হোমিও চিকিৎসা 🔥🔥হাঁপানী বা অ্যাজমা একটি দুরারোগ্য ব্যাধি, এ্যাজমা হচ্ছে ক্রনিক এবং জীবনসংশয়ী মারা...
12/11/2022

🔥🔥 হাঁপানী বা অ্যাজমার হোমিও চিকিৎসা 🔥🔥
হাঁপানী বা অ্যাজমা একটি দুরারোগ্য ব্যাধি, এ্যাজমা হচ্ছে ক্রনিক এবং জীবনসংশয়ী মারাত্মক একটি ফুসফুসের রোগ, আমাদের দেশে হাঁপানি রোগ হিসেবে পরিচিত, এই রোগে সাধারণত কাশির সঙ্গে বুকে ঘড়ঘড় শব্দ এবং শ্বাসকষ্ট অনুভূত হয়ে থাকে।
আমাদের দেশের হাঁপানির সঠিক কোনো পরিসংখান জানা না থাকলেও আমেরিকায় প্রায় ২০ মিলিয়ন মানুষ অ্যাজমায় ভুগছেন। তাদের মধ্যে ১০ মিলিয়নই (এর মধ্যে তিন মিলিয়ন শিশুও আছে) ভুগছেন অ্যালার্জিজনিত অ্যাজমায়। তাই বলা যায় আমাদের দেশেও অ্যাজমার প্রকোপ কম নয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, সঠিক ও নিয়মিত চিকিৎসা ও পরিকল্পিত জীবনযাপনের মাধ্যমে এ রোগীরা অ্যাজমার তীব্রতা থেকে রক্ষা পেতে পারেন।
হাঁপানী এমন একটি দুরারোগ্য ব্যাধি যাতে একবার আক্রান্ত হলে দুঃসহ যন্ত্রণা নিয়ে রোগীকে সারা জীবন কাটাতে হয়, হাঁপানী রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি কখনো সামাজিক বা পারিবারিক আনন্দ উল্লাসে যোগদান করতে পারে না, পারে না কোনো পরিশ্রমের কাজে অংশ নিতে, তাকে অনেক সময় গৃহবন্দী অবস্থা দিন কাটাতে হয়।
অধিকাংশ রোগীর ক্ষেত্রে এই ঠান্ডা আবহাওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক। বর্ষার ঠান্ডায়, শীতের ঠান্ডায় রোগ বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে ব্রংকিয়াল হাঁপানী শীতকালে বাড়ে। শীতের ঠান্ডা রোগীর অসহ্য। শীতকালে নাকে একটুখানি ঠান্ডা বাতাস বা কুয়াশা প্রবেশ করলেই প্রথমে হাঁচি নাকঝরা ও পরে শ্বাসকষ্ট দেয়া দেয়। বর্ষা কালে দু এক ফোটা বৃষ্টির পানি গায়ে পড়লে, খোলা জানালার পাশে রাতে ঘুমালে, ভেজা বাতাসে ভ্রমণ করলে রোগ লক্ষণ বৃদ্ধি পায়

★ এ্যাজমার ২ প্রকার
(১) একিউট এ্যাজমা: তীব্রতা অনুসারে এ্যাজমা- তীব্র হাঁপানি এতে ফুসফুসের বায়ুবাহী নালীসমূহ আকস্মিকভাবে সংকুচিত হয় ও শ্বাস প্রশ্বাসে কষ্টের সৃষ্টি করে।
(২) ক্রনিক এ্যাজমা: দীর্ঘমেয়াদী হাঁপানি এতে ঘন ঘন এ্যাজমায় আক্রান্ত হয় এবং রোগ নিয়ন্ত্রণে ও প্রতিরোধে চিকিৎসার প্রয়োজন পড়ে।
কারণ: এলার্জিক এ্যাজমা সাধারণত কোনো এলার্জেন বা এন্টিজেন নিঃশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে ঢুকলে আমাদের ইমিউন সিস্টেম-এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে।

★ বিভিন্ন প্রকারের এ্যাজমা
মিশ্র এ্যাজমা: এক্ষেত্রে রোগী পূর্বোক্ত এলার্জিক ও নন-এলার্জিক দু’ধরনের এ্যাজমাতেই ভোগেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রকোপ বেড়ে যায়।
রাত্রিকালীন এ্যাজমা: এ ধরনের হাঁপানি রাতের বেলা, বিশেষতঃ রাত ২ টা থেকে ৪ টার মধ্যে আক্রমণ করে। রোগীর শারীরিক দুর্বলতার জন্য রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ে। এমনকি দিনের বেলায় স্বল্পকালীন নিদ্রা যায়। রাত্রিকালীন এ্যাজমা গুরুত্বের সহিত নেয়া উচিত কারণ এ ক্ষেত্রে রেসপিরেটরী এরেস্ট হয়ে রোগীর মৃত্যু ঘটে।
ব্রঙ্কিয়াল এ্যাজমা: এটি মূলত; এক ধরনের এলার্জিক রিএ্যাকশন যাতে শ্বাসকষ্ট ও বুকে সাঁই সাঁই শব্দ হয়। শ্বাসনালীর চারপাশের পেশী ও মিউকাস মেমব্রেনসমূহের সংকোচন দেখা দেয়। শ্বাসনালীর সংক্রমণ, বায়ুবাহিত এলার্জেন, খাদ্যের এলার্জেন ও অত্যধিক মানসিক চাপ এর প্রধান কারণ।
কার্ডিয়াক এ্যাজমা: হৃদপিন্ড যখন তার স্বাভাবিক রক্ত সংবহন হারিয়ে ফেলে তখন পালমোনারি ইডিমা বা ফুসফুসে পানি জমে বায়ুনালীকে সংকুচিত করে ফেলে এবং হাঁপানি সৃষ্টি হয়। এটি অত্যন্ত মারাত্মক। ঘুমানোর কয়েক ঘণ্টা পর এটি আক্রমণ করে কারণ শুয়ে থাকলেই ফুসফুসে পানি জমে। শ্বাসকষ্টে রোগীর ঘুম ভেঙ্গে যায় এবং কিছুক্ষণ বসে থাকার পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়।
ব্যায়ামজনিত এ্যাজমা: এ ধরনের এ্যাজমা ব্যায়ামকালীন সময়ে অথবা ব্যায়ামের কিছুক্ষণ পর থেকে শুরু হয়। বিশেষতঃ শীতকালে এ ধরণের সমস্যা বেশি হয়।
পেশাগত এ্যাজমা: অকুপেশনাল বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল এ্যাজমা সাধারণত: চাকরি নেবার কয়েক মাস থেকে শুরু করে কয়েক বছরের মধ্যে দেখা দেয়। সাধারণত কর্মস্থল ত্যাগ করার সঙ্গে সঙ্গে বা ছুটিতে থাকাকালীন সময়ে লক্ষণসমূহ কমে যায়। ‘স’ মিলের গুড়া, রাসায়নিক ধোঁয়া, সর্বদা ধুলাবালিযুক্ত পরিবেশ, সিমেন্ট কারখানা, গার্মেন্টস ফ্যাক্টরী, আটা ও মসলার মিল, রাইস মিল, জুট মিল, স্পিনিং মিল, রংয়ের কারখানা, রাসায়নিক সার কারখানা, ফটোকপি মেশিন, ড্রাইভিং, পোল্ট্রি ফার্ম, বেডিং স্টোর ইত্যাদিতে কর্মরত শ্রমিকরা এ ধরনের হাপানিতে বেশি আক্রান্ত হন।
মৌসুমি অ্যাজমা: মৌসুমি এ্যাজমা সাধারণত; বিশেষ ঋতুতে দেখা দেয়। যেমন- কারো কারো গরমে এ্যাজমা বাড়ে, কারো ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ফুল বাগানে এ্যাজমা বাড়ে। গাছ, ঘাস, ফুলের রেণু ইত্যাদিতেও এ্যাজমা বাড়ে।
নীরব অ্যাজমা: এ ধরনের হাঁপানির আক্রমণ অত্যন্ত ভয়াবহ ও জীবনের জন্য হুমকি স্বরূপ। কোনোরূপ পূর্ব লক্ষণ ছাড়াই বা বুকে হালকা শব্দ করেই আক্রমণ করে।
কফ ভেরিয়েন্ট অ্যাজমা: এ ধরনের এ্যাজমা দীর্ঘমেয়াদী ও বিরক্তিকর কাশিযুক্ত হয়ে থাকে।

★ অ্যাজমা রোগীকে কিছু পরামর্শ মেনে চলতে হবে
(১) বিছানা ও বালিশ প্লাস্টিকের সিট দিয়ে ঢেকে নিতে হবে বা বালিশে বিশেষ ধরনের কভার লাগিয়ে নিতে হবে।
(২) ধুলো ঝাড়াঝাড়ি করা চলবে না।
(৩) ধোঁয়াযুক্ত বা খুব কড়া গন্ধওয়ালা পরিবেশে থাকা চলবে না।
(৪) আলো-হাওয়া যুক্ত, দূষণমুক্ত খোলামেলা পরিবেশ থাকা দরকার। কারণ স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় ফাঙ্গাল স্পোর অনেক সময় হাঁপানির কারণ হয়।
(৫) হাঁপানি রোগীর আশেপাশে ধূমপান বর্জনীয় ও মশার কয়েল জ্বালানো যাবে না।
(৬) অতিরিক্ত পরিশ্রমের জন্যও হাঁপানি রোগীরা শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। তাই নিজের শরীরের অবস্থা বুঝে পরিশ্রমের ঝুঁকি নেয়া উচিত।
(৭) হালকা খাওয়া-দাওয়া করা উচিত যাতে হজমের কোনো অসুবিধে না হয়। কারণ, বদহজম এবং অম্বল থেকেও হাঁপানি হতে পারে। যে খাবারে এ্যালার্জি আছে তা বর্জন করে চলতে হবে।
(৮) প্রয়োজনে স্থান ও পেশা পরিবর্তন করতে হবে। শুধু নিয়ম মেনে চললেই এই ধরনের রোগীর শতকরা পঞ্চাশ ভাগ ভাল থাকেন।

★ হোমিও সমাধান
এজমা চিকিৎসা হোমিওপ্যাথিতে সবচেয়ে জনপ্রিয় চিকিৎসা পদ্ধতি। সামগ্রিক উপসর্গের ভিত্তিতে ওষুধ নির্বাচনের মাধ্যমে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা করা হয়। এটিই একমাত্র চিকিৎসা পদ্ধতি যার মাধ্যমে রোগীর কষ্টের সমস্ত চিহ্ন এবং উপসর্গগুলো দূর করে সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যের অবস্থা পুনরুদ্ধার করা যায়।
প্রচারে কিওর হোমিও চেম্বার
পাগলা কানাই মোড়, ঝিনাইদহ
মোবাইল ঃ০১৭১০-৮১৬৫৪৫

  (লিউকোরিয়া) **nal_Acrid_and_Discharge (যোনিতে হাজাকর শ্বেত প্রদর/ সাদাস্রাব):মেয়েদের এমন অনেক কথাই আছে, যা অনেক সময়...
04/11/2022

(লিউকোরিয়া)
**nal_Acrid_and_Discharge (যোনিতে হাজাকর শ্বেত প্রদর/ সাদাস্রাব):

মেয়েদের এমন অনেক কথাই আছে, যা অনেক সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হলেও ডাক্তারকে দেখাতে হবে ভেবে লুকিয়েই রাখা হয়। সাদা স্রাব বা লিউকোরিয়া তেমনি একটি বিষয়। মেয়েদের জীবনের কোনো না কোনো সময় তাদেরকে এই সমস্যায় পড়তেই হয়। তাই কিছুটা জেনে রাখুন এখনি। বলা যায় না কখন আপনার জীবনে, আপনার বোন, মেয়ে অথবা বান্ধবী কিংবা আত্মীয় স্বজনের কাজে লেগে যায়। আগে জানতে হবে স্বাভাবিক সাদা স্রাব দেখতে কেমন হয়।

নারীদের যোনি এবং জরায়ুর শ্লৈষ্মিক আবরণী, অভ্যন্তর ও জরায়ু মুখ থেকে একপ্রকার অনিয়মিত শ্লেষ্মা, রস, পূঁজ প্রভৃতি যে ক্লেদ স্রাব নির্গত হয়, এই স্রাবকে লিউকোরিয়া বা সাদাস্রাব বলে। এটা একটা স্ত্রী যৌন উপসর্গ।

সাদা স্রাব বা লিউকোরিয়া হলুদ, সাদা পিচ্ছিল ও আঠালো রঙের নিঃসরণ, যা শুকালে হালকা বাদামি-হলুদ রঙের বর্ণ ধারণ করে। যে সব মেয়েরা বয়ঃসন্ধিকালের শুরুতে, তাদের জন্য বলছি নিজের অজান্তে যদি কাপড়ে এমন দাগ পড়ে তবে ঘাবড়ে যাওয়ার কিছু নেই। এটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার জন্য হতে পারে। নারীর রিপ্রোডাক্টিভ এইজে (১৪-৫০) যোনি দেয়াল পুরু থাকে।

#সাদাস্রাব_বা_শ্বেতপ্রদর_কেন_বলা_হয়?
শ্বেতপ্রদর বা সাদাস্রাব প্রথম নিঃসরণের সময় সাদা থাকে, তাই একে শ্বেতপ্রদর বা সাদাস্রাব; ইংরেজিতে Leucorrhoea (লিউকোরিয়া) বলে। কিন্তু পরে এটা হরিদ্রাভ, সবুজাভ বা মিশ্রিত রংয়ের হয়। অতিরিক্ত শ্বেত কণিকা থাকে বলে একে সাদা দেখায়। এটা অনুত্তেজক হতে পারে, আবার বিদাহী উত্তেজক হতে পারে।

সাধারণ যোনি স্রাবটিও লিউকোরিয়া হিসাবে পরিচিত, এটি পাতলা, পরিমাণ মতো ছোট, সাদা / স্বচ্ছ / স্বচ্ছ / গন্ধহীন (বা মাঝে মাঝে সামান্য গন্ধ) স্রাব যা কোনও মহিলার যৌনাঙ্গে অঙ্গগুলির নিঃসরণ ছাড়া কিছুই নয় যা যোনি অঞ্চল পরিষ্কার, আর্দ্র এবং মারামারি রাখে keeps সংক্রমণ। সাধারণ যোনি স্রাব মহিলার cycleতুচক্রের মাধ্যমে পরিবর্তিত হতে পারে তবে বর্ণের কোনও পরিবর্তন (সবুজ, ধূসর, পুঁস জাতীয়, হলুদ বর্ণের), গন্ধ (অপ্রীতিকর), জমিন, চুলকানি, লালভাব, যোনি জ্বলন, রক্তযুক্ত স্রাব স্বাভাবিক নয় যোনি স্রাব এবং উপস্থিতিতে চিকিত্সা করা উচিত।

#শ্বেতপ্রদর বা সাদাস্রাব (Leucorrhoea) এর #কারণ সমূহঃ
১। স্ক্রফুলা বা গণ্ডমালা ধাতু এবং শ্লেষ্মা প্রধান ধাতুকে এর পূর্ববর্তী কারণ হিসেবে গণ্য করা হয়।
২। গণোরিয়া বা প্রমেহ রোগ, গণোরিয়া জীবাণু দ্বারা সার্ভিক্স, ভ্যাজাইনা আক্রান্ত হয়।
৩। ট্রাইকোমোনাস ভ্যাজাইনালিস নামের জীবাণু দ্বারা ভ্যাজাইনা আক্রান্ত হওয়া, জননযন্ত্রে নানা জীবাণু দূষণের জন্য এটা হতে পারে।
৪। গর্ভস্রাব বা প্রসবের পর জরায়ু দূষিত হওয়া।
৫। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাব ও উপযুক্ত পরিবেশের অভাব এর প্রধান কারন।
৬। দেহে বা জরায়ুর কোন অসুস্থতা যথা রক্তহীনতা, যক্ষা, ক্রণিক নেফ্রাইটিস, ক্রণিক প্যাসিভ কনজেশসন প্রভৃতি।
৭। ঋতুকালে তলপেটে ঠাণ্ডা লাগানো বা অন্য কোন কারণে জননেন্দ্রিয়ের প্রদাহ।
৮। জরায়ু মুখে বা প্রসব পথে ক্যান্সার। গর্মির ঘা, টিউমার বা অন্য কোনো রোগ হওয়া।
৯। অজীর্ণ, আমাশয়, পুরাতন ম্যালেরিয়া জ্বর, কালাজ্বর, যক্ষা প্রভৃতি পীড়ায় স্বাস্থ্যভঙ্গ হওয়া।
১০। যোনি দ্বারে ক্ষুদ্র কৃমির উপদ্রব।
১১। হস্তমৈথুন, অতিরিক্ত রতিক্রিয়া, পুনঃ পুনঃ গর্ভধারণ বা পুনঃ পুনঃ গর্ভস্রাব।

#শ্বেতপ্রদর_বা_সাদাস্রাব এর লক্ষণাবলী কি কি?
১। জরায়ু থেকে অনিয়মিত ভাবে সাদা স্রাব বা ডিমের শ্বেতাংশের মতো স্রাব বের হতে থাকে।
২। মাঝে মাঝে তার সঙ্গে লালচে স্রাব বা দুই এক ফোঁটা রক্ত বের হয়।
৩। ইনফেকশন থাকলে যোনির চুলকানি হয়।
৪। প্রস্রাব ঘন ঘন হয় এবং প্রস্রাবে জ্বালা থাকে। মূত্রনালীর প্রদাহ সৃষ্টি হয়।
৫। স্রাব সাধারণতঃ ঋতুর পূর্বে বা পরে প্রকাশ পায়।
৬। কোমরে বেদনা হয়। তলপেট ভারী হয়, রোগিনী ক্রমে ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়ে।
৭। ক্ষুধামন্দা, কোষ্ঠকাঠিন্য, অম্ল, হৃদস্পন্দন প্রভৃতি উপসর্গ দেখা দেয়।
৮। মাথাধরা ও মাথাব্যথা থাকে।
৯। যোনি থেকে নির্গত শ্বেতপ্রদর ঝাঁঝালো বা হাজাকর হয়। যেখানে লাগে সে স্থানটি হেজে যায়।
১০। স্রাব অস্বচ্ছ, কটু, যন্ত্রণাদায়ক হয়। যোনি মধ্যে উষ্ণতা এবং সংকোচন বোধ হয়।

#হোমিওপ্যাথিক_চিকিৎসা:
সাড়া দেশে অনেক ধরনের চিকিৎসা ব্যবস্হা রয়েছে। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় যে কোন রোগ সম্পূর্ণ আরোগ্য হওয়া সম্ভব। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা যেহেতু লক্ষন সাদৃশ্য, তাই ঔষধের নামে মূলত চিকিৎসা করা হয় না।

-হোমিও ঔষধের বিবরন দেওয়া হল:
1. Alumina
2. Arsanic .Alb
3. Borax
4. Carbonic .Su
5. Chamomilla
6. Ferrum .phos
7. Acid .Flour
8. Graphyties
9. Kreosotum
10. Lycopodium
11. Marc .Sol
12. Acid .Nit
13. Phosphorus
14. Sepia
15. Silicea
16. Pulsatilla

#প্রচারেঃ
কিওর হোমিও চেম্বার
প্রয়োজনে: 01710-816545

🔥 কা‌শির হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা 🔥ফুসফুসের বাতাস যখন কোনো কারণে প্রচণ্ড বেগে স্বরযন্ত্র দি‌য়ে তীক্ষ্ণ শব্দসহ বেরিয়ে আসে, তখ...
01/11/2022

🔥 কা‌শির হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা 🔥

ফুসফুসের বাতাস যখন কোনো কারণে প্রচণ্ড বেগে স্বরযন্ত্র দি‌য়ে তীক্ষ্ণ শব্দসহ বেরিয়ে আসে, তখন তা‌কে কাশি ব‌লে। এ‌টি বি‌ভিন্ন ধর‌ণের বা‌হ্যিক কো‌ন বস্তু বা উত্তেজক কো‌ন বস্তু ‌থে‌কে শ্বাসনা‌লীকে রক্ষা ক‌রে।‌ যেমন- খাদ্যবস্তু গলাদকর‌ণের সময় বা শ্বাস গ্রহ‌ণের সময় কো‌ন কিছু শ্বাসনা‌লি‌তে ঢুক‌লেই কাশি হ‌য়ে তা প্র‌তি‌রোধ ক‌রে বের ক‌রে দেয়। তাই এ‌টিকে ফুসফুসের একটি আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থাও বলা যায়।

🔥 এ‌টি ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও অন্যান্য অস্বস্তিকর-উ‌ত্তেজক বস্তুকে ফুসফুস থে‌কে বের করে দিয়ে ফুসফুসকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। মা‌ঝে মা‌ঝে স্বল্প সম‌য়ের জন্য কষ্টবিহীন কা‌শি ফুসফুসের সাধারণ স্বাস্থ্য রক্ষা করার জন্য প্রয়োজন। কিন্তু ঘন ঘন বির‌ক্তিকর-কষ্টদায়ক কাশি সাধারণত কোনও রোগের উপস্থিতি নির্দেশ করে।
ফুসফু‌সের ও শ্বাসনালীর প্রদাহ, স্বরভঙ্গ, হৃদ‌পি‌ন্ডের সমস্যার জন্য ফুসফুস প্রদাহ, স্বরয‌ন্ত্রের প্রদাহ, পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা, চাপা-পড়া এলা‌র্জি, যক্ষ্মা‌ ইত্যা‌দি রো‌গের উপসর্গ হি‌সে‌বে কা‌শি দেখা দি‌তে পা‌রে। আল‌জিহ্বার বৃ‌দ্ধির ফ‌লে কা‌শি হ‌তে পা‌রে।
এ‌টি ফুসফুসের রোগ ব্যতীত অন্যান্য রো‌গের কারণেও হ‌তে পা‌রে।‌ এ‌টি যে কোন বয়সের যে কো‌নো মানু‌ষের হ‌তে পা‌রে। এ‌টি সম্প‌র্কে সক‌লেরই কম-বে‌শি ধারণা ও অভিজ্ঞতা আ‌ছে।
🔥বি‌ভিন্ন ধর‌ণের কা‌শির বর্ণনা ও কারণ এবং লক্ষণঃ
কা‌শি ১-২ সপ্তাহ ব্যা‌পী স্থায়ী হলে তাকে স্বল্পস্থায়ী কাশি বা এ‌কিউট কফ বলে। এই কাশি সাধারণত সর্দি-জ্বর, ইনফ্লুয়েঞ্জা বা নিউমোনিয়ার কারণসহ অন্যান্য কার‌ণেও হ‌তে পা‌রে। স‌র্দি জ্ব‌রে অল্প কা‌শি হ‌তে পা‌রে।‌ নিউ‌মো‌নিয়া‌র কা‌শিতে যে শ্লেষ্মা উ‌ঠে তা‌ কখনো সাদা, কখনো হালকা-হলুদ এবং এক পর্যায়ে কফের মধ্যে ই‌টের গুড়ার মত বা মরিচার মতো লাল রং মিশ্রত থাকে।
তিন দিন থেকে সপ্তাহকাল পর্যন্ত যে কাশি থাকে, তাকে সাব-অ্যাকিউট কাশি বলে। ফুসফুসে জীবাণু সংক্রমণ-পরবর্তী কাশি বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা ছাড়াই সেরে যায়।

দুই সপ্তাহের অধিক কাশি হলে তাকে দীর্ঘস্থায়ী কাশি বলে। কা‌শি তিন সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে তাকে পুরোনো কাশি (Chronic Cough) বলে। এ‌টি সাধারণত অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস, ফুসফুসের টিউমার, ফুসফুসের এবসেস বা ফোড়া, পোস্ট ন্যাজাল ড্রিপ রাইনাইটিস, সাইনোসাইটিস, সিওপিডি, আইএলডি, ক্যান্সার ও যক্ষ্মার জন্য হ‌তে পা‌রে। য‌দি পুরাতন কাশির সঙ্গে রক্তমিশ্রিত শ্লেষ্মা বা কফ বের হয় , সেটি যক্ষ্মা বা ফুসফুস ক্যানসারের কারণেও হতে পারে। ফুসফুসের ক্যান্সারের কফে ছিঁড়ে ছিঁড়ে রক্ত যায় এবং বুকে প্রচণ্ড ব্যথা থাকে। এ ধরনের রোগের শেষের দিকে অথবা ভোকাল কর্ডে ইনফেকশন হলে কাশিতে আর জোর থাকে না, তখন রোগীর কাশি অনেক সময় ভিন্ন শব্দে শুনতে পাওয়া যায়, যাকে বভাইন কা‌ফ (BovineCough) বলে।

কাশির সা‌থে কফ বা শ্লেস্মা বের না হলে তাকে শুকনো কাশি ব‌লে। সাধারণত হাঁপানি বা অ্যাজমা, পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা, শ্বাসতন্ত্রে ভাইরাসজনিত সংক্রমণ ও তার পরবর্তী জটিলতা, সাইনোসাই‌টিস ও অ্যালার্জিক রাইনাই‌টিস এর পরবর্তী জটিলতা, আবহাওয়ার পরিবর্তন, বিভিন্ন রকমের ওষুধ সেবন, যেমন- কিছু ওষুধ এসিই ইনহিবিটর (ACE inhibitors) বা বিটা ব্লকার সেবন, ইত্যাদি কারণে শুষ্ক বা খুসখুসে কাশি হয়ে থাকে। খুসখুসে কাশির আরো একটি অন্যতম কারণ হলো ধুমপান।এছাড়াও ব্লাড প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপের জন্য কোনো ওষুধ দীর্ঘদিন সেবনের কারণে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে তীব্র শুকনো কাশি হতে পারে।

সাধারণত কাশির সঙ্গে প্রচুর শ্লেষ্মা নির্গমন ফুসফুসের ফোড়া বা ইন‌ফেকশনের জন্য হয়ে থা‌কে। কিছু কা‌শি শ্বাসতন্ত্রের উপরের অংশ, যেমন-শ্বাসনালির সমস্যা, ফ্যারিনজাইটিস ও ল্যারিনজাই‌টিস এর জন্য হ‌য়ে থা‌কে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে বা শুয়ে থাকলে অথবা কো‌নো প্রকার খাবার খাওয়ার প‌রে যদি কাশি হয়, সেটি পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা কার‌ণে হয়। কাশি দিলে বুকের মাঝখানে প্রচণ্ড ব্যথা হলে, তা শ্বাসনালি বা ট্রাকিয়া আক্রান্ত কা‌শি। য‌দি শীতে, ঠান্ডায়, গরমে, বর্ষায় বা ধুলাবালিতে কা‌শির মাত্রা বেড়ে যায়, তা হ‌লে সে‌টি অ্যালার্জিজনিত কা‌শি।

ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত রোগীর জ্বর-সর্দি ভালো হয়ে গেলেও সাধারণত কাশি ভালো হতে চায় না বা কয়েক সপ্তাহব্যাপী কাশি লেগেই থাকে। হাঁপানি, অ্যালার্জি বা সাইনোসাইটিস না থাকলেও এমনটি ঘটতে পারে। এ‌কে ভাইরাস সংক্রমণ-পরবর্তী কাশি ব‌লে।

ব্রঙ্কিএকটেসিস (Bronchiectasis) নামক রোগটিতে পাকা পাকা হলুদ দুর্গন্ধযুক্ত শ্লেষ্মা নির্গত হয়। ফুসফুসে এনএরোবিক জীবাণু সংক্রমণের ফলে এই দুর্গন্ধ হয়ে থাকে। এ রোগের অন্যতম লক্ষণ হলো কফের সঙ্গে নিয়মিত রক্ত যাওয়া। প্রচুর সংখ্যক এ ধরনের রোগীকে যক্ষ্মা ভেবে ভুল করে অ‌নেক সময় যক্ষ্মার ওষুধ খাওয়ানো হয়ে থাকে।

ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস এমন একটি রোগ যা পরিবেশ দূষণ এবং মূলত ধূমপানের জন্য হয়ে থাকে। এ রোগে শ্বাসকষ্ট হলো অন্যতম প্রধান লক্ষণ। তবে কাশির সমস্যা লেগেই থাকে। কফ প্রথমে অল্প আঠালো এবং পিচ্ছিল হয়ে থাকে। পরে জীবাণু সংক্রমিত হয়ে কফ বের হতে চায় না। একটু কফ বের হয়ে গেলে রোগী শ্বাস যন্ত্রণা থেকে আরাম পায়।

ফুসফুসের ফোঁড়া বা Lung Abscess হলে কফ পেকে হলুদ হয়ে যায় এবং অনেক সময় কফে দুর্গন্ধ থাকে। শীতকালে অনেকে কাশিতে ভুগে থাকেন, যাকে Winter Cough বলে। যারা ‌লেকচারার, ক্যানভাসার কিংবা যারা উচ্চঃস্বরে বক্তৃতা করেন তাদের গলায় সব সময় ফেরিনজাইটিস হয়ে কাশি লেগেই থাকে।

🔥 হোমিওপ্যাথিক চি‌কিৎসাঃ
হো‌মিওপ্যা‌থি চি‌কিৎসায় রো‌গের না‌মের ওপর কো‌নো ওষুধ প্র‌য়োগ করা যায়না,‌ কেউ কর‌লেও তা‌তে ভাল ফল পাওয়া যায়না। কারণ এই চি‌কিৎসায় রো‌গ ও রোগীর লক্ষণসম‌স্টির মাধ্য‌মে ওষুধ নির্বাচন করে চি‌কিৎসা দি‌তে হয়। তাই যে কার‌ণেই যে প্রকা‌রের কা‌শি হোকনা কেন, তা স‌ঠিক ওষুধ নির্বাচ‌নের মাধ্য‌মে চি‌কিৎসা দি‌তে পার‌লে অতি দ্রুত ও স্বল্প সম‌য়ে কা‌শি আ‌রোগ্য করা সম্ভব।

এ্যাজমা বা হাঁ পানি হলো শ্বাস নালির প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদি একটি রোগ। এই প্রদাহের ফলে শ্বাস নালি ফুলে যায় এবং অতিমাত্রায় ...
27/10/2022

এ্যাজমা বা হাঁ পানি হলো শ্বাস নালির প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদি একটি রোগ। এই প্রদাহের ফলে শ্বাস নালি ফুলে যায় এবং অতিমাত্রায় সংবেদনশীল/সরু হয়ে পড়ে। এতে হাঁ পানির বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন-হা চিঁ-কা শি,অক্সি জেন এর লেভেল কমে গিয়ে-শ্বাস কষ্ট/বু কে চাপ চাপ অনুভব করা/দম নিতে কষ্ট হওয়া, বাঁশির মতো শোঁ শোঁ আওয়াজ হওয়া ইত্যাদি। এ অবস্থায় শ্বাস নালিতে যদি ধুলা,ঠান্ডা বা গরম বাতাস প্রবেশ করে তাহলে রোগের মাত্রা বেড়ে যায়।অনেকের গলায় সারাক্ষণ কফ/শ্লেষ্মা জমে থাকায় নাক বন্ধ হয়ে থাকে।

এ্যা জমা/হাঁ পানি যে কোন বয়সেই হতে পারে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এ রোগ বেশি দেখা যায়। দেখা গেছে, কারও কারও বংশগত কারণে বা পরিবেশগত কারণেও এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া ধুলোবালির মধ্যে থাকা মাইট নামের ক্ষুদ্র কীট, ফুলের পরাগরেণু,পশুপাখির পালক, ছত্রাক,মল্ট,ইস্ট,প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সিগারেট/যান্ত্রিক ধোঁয়ার মধ্যে যারা প্রতিনিয়ত থাকে তাদের এ রোগ হতে পারে।

তাছাড়া দীর্ঘদিন যাবত এলা-র্জী এর সমস্যায় ভুগলে তা এ্যা-জমায় রূপান্তর হয়।

এছাড়া মানসিক চাপে থাকলে হাঁ পানি/শ্বাস কষ্টের তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে।কারও কারও বিভিন্ন সুগন্ধি,মশার কয়েল বা কারও কারও কীটনাশকের গন্ধ থেকেও শ্বাস কষ্ট বেড়ে যেতে পারে।বাংলাদেশে শীতকালে এ্যা জমার প্রকোপ বেশি দেখা দেয়।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগীরা যে ভুলটা করে, তারা শুরুতে রোগ টাকে সাধারন মনে করে অবহেলা করে।ধীরে ধীরে সমস্যা বেগতিক মনে হলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়।আর ডা ক্তার মেডি সিন/ইন হেলার দিয়ে থাকলেও সেগুলো ক্যা-মিকেল/স্টে-রয়েডযুক্ত হওয়ায় সমস্যাকে সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণ রাখতে সক্ষম হয়।ফলে রোগ শরীরের মধ্যে থেকে যায় এবং
বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই সমস্যা আরো মারাত্মক আকার ধারন করে। সেই জন্য এই রোগ থেকে মুক্তি জন্য যোগাযোগ করুন বিশ্বস্ত এবং নির্ভর যোগ্য একটি প্রতিষ্ঠান

কিওর হোমিও চেম্বার
ডাঃআর.কে.এম.
ডি.এইচ.এম.এস.(ঢাকা)
বি.এস.এস.(অনার্স)
পাগলা কানাই মোড়, ঝিনাইদহ
মোবাইল ঃ০১৭১০-৮১৬৫৪৫

সংকোচ ভেঙ্গে সচেতন হোন জরায়ু ক্যান্সারের রোগী দেশে হু হু করে বাড়ছে।বাংলাদেশেও এটি মৃত্যুহারের জন্য দায়ী রোগগুলোর তালিকায়...
23/10/2022

সংকোচ ভেঙ্গে সচেতন হোন

জরায়ু ক্যান্সারের রোগী দেশে হু হু করে বাড়ছে।

বাংলাদেশেও এটি মৃত্যুহারের জন্য দায়ী রোগগুলোর তালিকায় রয়েছে। আমাদের দেশের অনেক নারীই জানেন না, বিনামূল্যে জরায়ু মুখের পরীক্ষা করানো যায়।

সব সদর হাসপাতালে এবং সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ সেবা পাওয়া যায়।

বয়স ত্রিশ পার হলে কোনো লক্ষণ ছাড়াই জরায়ু মুখ পরীক্ষা করানো উচিত।

ক্যান্সার শুধু নিজেকে নয়, একটি পরিবারকে পথে বসিয়ে দেয়।

আশার কথা পূর্ব লক্ষণ ধরা পড়লে ক্যান্সার থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
সচেতনতায় কিওর হোমিও চেম্বার
পাগলা কানাই মোড়, ঝিনাইদহ
ডাঃআর.কে.এম.
ডি.এইচ.এম.এস.(ঢাকা)
বি.এস.এস.(অনার্স)
এম.এস.এস.(অধ্যায়নরত)

সতর্ক থাকুন!নীরবে মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়েছে চোখ উঠা' বা 'ভাইরাল কনজাংটিভাইটিস'।বাহিরে বের হলে অবশ্যই চশমা ব্যাবহার করুন! ...
08/10/2022

সতর্ক থাকুন!
নীরবে মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়েছে চোখ উঠা' বা 'ভাইরাল কনজাংটিভাইটিস'।
বাহিরে বের হলে অবশ্যই চশমা ব্যাবহার করুন! এবং অপরিস্কার হাত চোখের সংস্পর্শে থেকে বিরত রাখুন!!!
এবং সঠিক পরামর্শ জন্য যোগাযোগ করুন
কিওর হোমিও চেম্বার
ডাঃআর.কে.এম
ডি.এইচ.এম.এস.(ঢাকা)
বি. এস.এস.(অনার্স)
এম.এস.এস.(মাস্টার্স) (অধ্যায়নরত)
যোগাযোগ ঃ০১৭১০-৮১৬৫৪৫

21/08/2022
16/08/2022

কিওর হোমিও চেম্বার

প্রতিদিন নিয়মিত রোগী দেখছেন
ডাঃআর কে.এম.
ডি.এইচ.এম.এস. (ঢাকা)
বি.এস.এস.(অনার্স)

যে সকল রোগের সু চিকিৎসা করা হয়

*থ্যালাসেমিয়া,
*গলগণ্ড, টিউমার,
*পিত্ত ও কিডনী পাথর,
* নাকে পলিপাস,
*পড়াশোনা অমনোযোগী,
*ADHD(শিশু রোগ)
*মানসিক রোগ,
*খাবারে অরুচি,
*গ্যাস্টিক সমস্যা,
*পাইলস,
*ফিস্টুলা,
*লিভার সিরোসিস,
*বাত ব্যাথা
*গনরিয়া,
*সিফিলিস,
*চর্ম ও যৌন,
*স্তন টিউমার,
*অনিয়মিত মাসিক,
*বন্ধ্যাত্ব,শারীরিক মিলনে অক্ষমতা,
রোগের সু চিকিৎসা করা হয়!
রোগী দেখার সময় ঃ
প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত!
যোগাযোগ ঃ০১৯৭৫-৮১৬৫৪৫
পাগলা কানাই মোড়, ঝিনাইদহ!!
(অনলাইনের মাধ্যমে চিকিৎসা প্রদান করা হয়,
কুরিয়া সার্ভিস এর মাধ্যমে মেডিসিন পাঠানো হয়)

আজকের আলোচনা মহিলাদের সাদা স্রাব বা লিউকোরিয়া কেন হয় এবং এর করনীয় কি?সাদা স্রাব বা লিউকোরিয়া নিয়ে অনেক নারী চিন্তিত থাকে...
07/08/2022

আজকের আলোচনা মহিলাদের সাদা স্রাব বা লিউকোরিয়া কেন হয় এবং এর করনীয় কি?

সাদা স্রাব বা লিউকোরিয়া নিয়ে অনেক নারী চিন্তিত থাকেন। অনেক নারীর ধারণা, সাদা স্রাবের ফলে শারীরিক দুর্বলতা দেখা দেয় এবং স্বাস্থ্য ভেঙে পড়ে।

এ ব্যাপারে বলা যেতে পারে , সাদা স্রাব বা লিউকোরিয়া নারীদের একটি সাধারণ ও স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। অন্য কোনো রোগের আশঙ্কা ছাড়াই যোনি থেকে এটি নির্গত হয়। একজন নারীর মাসিকের ওপর নির্ভর করে তার স্বাভাবিক স্রাব, রঙ, পরিমাণ ও ঘনত্ব। স্রাব একটি স্বচ্ছ তরল, যা যোনিকে আর্দ্র ও পিচ্ছিল রাখে এবং যোনিতে জীবাণুর সংক্রমণে বাধা দেয়। যৌন আর্দ্র রাখার জন্যই স্রস্টা প্রাকৃতিকভাবে সাদা স্রাব দিয়েছেন। একজন নারীর বয়ঃসন্ধিকাল থেকে মেনোপোজ পর্যন্ত প্রাপ্তবয়স্কদের জীবনে হরমোনের মাত্রার তারতম্যের ওপর স্রাব হয়।

এবং নারীদের মাসিকের প্রথম দিন থেকে পরবর্তী মাসিকের আগ পর্যন্ত তার মানসিক অবস্থার ওপর স্রাবের পরিমাণ, মান ও ধরনে পরিবর্তন আসে। এ হিসেবে একেক সময় একেক ধরনের সাদা স্রাব হয়। সুতরাং লিউকোরিয়া নারীদের একটি স্বাভাবিক অবস্থা। এর জন্য আলাদা চিকিৎসার প্রয়োজন নেই।

তবে কারও অধিক বা অস্বাভাবিক মাত্রায় স্রাব হচ্ছে এবং দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে— এমন হলে চিকিৎসকদের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। আমরা চিকিৎসার ক্ষেত্রে সাধারণত কিছু বিষয় জেনে থাকি। এর মধ্যে রয়েছে, সাদা স্রাবের ফলে খারাপ কোনো উপসর্গ দেখা দিচ্ছে কিনা, রঙ কেমন, তরলের পরিমাণ, ঘনঘন প্রস্রাবের বেগ ও প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া হয় কিনা ইত্যাদি। এসব প্রশ্নে রোগীর উত্তরের উপর নির্ভর করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

তবে আবারো বলছি, লিউকোরিয়া নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। কিছু ব্যতিক্রম বাদে এটি খুবই প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া। প্রত্যেক মানুষের জিনগত বৈশিষ্ট্য একই রকম হয় না। ফলে স্রাবও কমবেশি হতে পারে। এ নিয়ে ভয়ের কিছু নেই।
কিওর হোমিও চেম্বার
ডাঃআর.কে.এম.
ডি.এইচ.এম.এস.(ঢাকা)
বি.এস.এস.(অনার্স)
মোবাইল ঃ০১৯৭৫-৮১৬৫৪৫
পাগলা কানাই মোড় ঝিনাইদহ

শুধু মাসিকের যন্ত্রণা নয়, বিভিন্ন রকমের জটিল রোগ থেকে বাঁচার উপায় হোমিওপ্যাথির কাছে আছে।
06/08/2022

শুধু মাসিকের যন্ত্রণা নয়, বিভিন্ন রকমের জটিল রোগ
থেকে বাঁচার উপায় হোমিওপ্যাথির কাছে আছে।

Address

Pagla Kanai Mor
Jhenaidah
7300

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cure Homoeo Chamber posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Cure Homoeo Chamber:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram