Bio Lab Diagnostic & Consultation Center

Bio Lab Diagnostic & Consultation Center সঠিক রোগ নির্ণয়ের নিশ্চয়তায় আমরা আছি আপনাদের পাশে।

• খুলনায় ২৫০ বেড হাসপাতাল গেট এর বিপরীতে বায়ো ল্যাব ডায়গনেস্টিক এন্ড কনসালটেন সেন্টার অবস্থিত। এটি একটি স্বাস্থ্য সেবা ও রোগ নির্ণয়কারী প্রতিষ্ঠান। এখানে সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করা হয় এবং সঠিক রিপোর্ট প্রদান করা হয়। বিশেষজ্ঞ ডাক্তারগন দ্বারা চিকিৎসা প্রদান করা হয় । এটি একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।

আমাদের এইখানে নিয়মিত যে সমস্ত ডাক্তারগণ বসেন
04/05/2024

আমাদের এইখানে নিয়মিত যে সমস্ত ডাক্তারগণ বসেন

হাড় ক্ষয় রোগ (Osteoporosis)>বিশেষত্ব : রিউমাটোলজি, অর্থোপেডিক্স>লক্ষণ     : হাড় ভাঙ্গার ঝুঁকি বৃদ্ধি >জটিলতা : দীর্ঘস...
01/02/2024

হাড় ক্ষয় রোগ (Osteoporosis)

>বিশেষত্ব : রিউমাটোলজি, অর্থোপেডিক্স

>লক্ষণ : হাড় ভাঙ্গার ঝুঁকি বৃদ্ধি

>জটিলতা : দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা

>রোগের সূত্রপাত : বৃদ্ধাবস্থা

>ঝুঁকির কারণ : মদ্যাসক্তি, অ্যানোরেক্সিয়া, হাইপারথাইরয়েডিজম, গ্যাসট্রোইন্টেস্টাইনাল ডিজিজ সমূহ, শল্যচিকিৎসা দ্বারা ডিম্বাশয় অপসারণ, কিডনীর অসুখ, ধূমপান, কিছু ওষুধের প্রভাব

>রোগনির্ণয়ের পদ্ধতি : বোন ডেনসিটি স্ক্যান

>চিকিৎসা : পুষ্টিকর খাদ্য, ব্যায়াম, ফল প্রিভেনশন, ধূমপান বন্ধ করা

> কারণ :
দেহে খনিজ লবণ বিশেষ করে ক্যালসিয়াম এর ঘাটতির কারণে এ রোগটি হয়।মহিলাদের মেনোপস হওয়ার পর অস্থির ঘনত্ব ও পুরুত্ব কমতে থাকে।

> লক্ষণ ও উপসর্গ :

1. অস্থি ভংগুর হয়ে যায়,পুরুত্ব কমতে থাকে।
2. পেশির শক্তি কমতে থাকে।
3. পিঠের পিছনে ব্যথা অনুভব হয়।
4. অস্থি তে ব্যাথা অনুভব হয়।

>>> চিকিৎসা :
(1)রোগ নির্ণয়
>ঘনত্বমাপক যন্ত্রের সাহায্যে অস্থির খনিজ পদার্থের এই রোগটি নির্ণয় করা হয়।রোগের প্রাথমিক অবস্থায় তেমন কোনো উপসর্গ দেখা যায় না।হঠাত করেই সামান্য আঘাতে কোমরের বা অন্য কোনো হার ভেংগে যায়।

(2)প্রতিকার
>পঞ্চাশোর্ধ পুরুষ ও মহিলাদের দৈনিক ১২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম গ্রহণ করা উচিত।
>ননী তোলা দুধ ও দুগ্ধযাত দ্রব্য গ্রহণ করা।
>কমলার রস, সবুজ শাকসবজি, সয়া দ্রব্য ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া

(3)প্রতিরোধ
>ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া।
>নিয়মিত ব্যায়াম করা।
>সুষম আশ যুক্ত খাবার গ্রহণ করা।

আর এভাবেই এই খনিজ লবনের অভাব জনিত রোগটি প্রতিরোধ করা সম্ভব।

হাঁপানি:(Asthma)হাঁপানির লক্ষণ ও উপসর্গ:হাঁপানিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সাধারণত সুস্পষ্ট লক্ষণ থাকে। এই লক্ষণ এবং উপসর্গগু...
01/02/2024

হাঁপানি:(Asthma)

হাঁপানির লক্ষণ ও উপসর্গ:

হাঁপানিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সাধারণত সুস্পষ্ট লক্ষণ থাকে। এই লক্ষণ এবং উপসর্গগুলি অনেক শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের অনুরূপ:

• বুকে চাপ, ব্যথা বা চাপ।

• কাশি (বিশেষ করে রাতে)।

• নিঃশ্বাসের দুর্বলতা।

আপনি প্রতিটি হাঁপানির আক্রমণের সাথে এই সমস্ত লক্ষণগুলি অনুভব করতে পারবেন না। দীর্ঘস্থায়ী হাঁপানি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উপসর্গ এবং সূচক সৃষ্টি করতে পারে। হাঁপানির আক্রমণের মধ্যে, লক্ষণগুলিও পরিবর্তিত হতে পারে।

রোগ নির্ণয়:

সাধারণত রোগীর দেওয়া ইতিহাস এবং স্পিরোমেট্রিক মূল্যায়ন দ্বারা তৈরি করা হয়।

চিকিৎসা:

হাঁপানির আক্রমণ প্রতিরোধ করা এবং দীর্ঘমেয়াদী নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা অপরিহার্য। আপনার ট্রিগারগুলি চিনতে শেখা, সেগুলি এড়াতে চেষ্টা করা এবং আপনার ওষুধগুলি আপনার লক্ষণগুলি নিয়ন্ত্রণে রাখছে তা নিশ্চিত করার জন্য আপনার শ্বাস-প্রশ্বাসের তালিকা তৈরি করা সবই চিকিত্সার অংশ।

মেডিকেশন:

দীর্ঘ মেয়াদী হাঁপানি নিয়ন্ত্রণের ওষুধ- এগুলি হাঁপানির চিকিত্সার ভিত্তি এবং সাধারণত প্রতিদিন নেওয়া হয়। এই ওষুধগুলি দৈনিক ভিত্তিতে হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং হাঁপানির আক্রমণের সম্ভাবনা কমায়। দীর্ঘমেয়াদী নিয়ন্ত্রণের ওষুধের প্রকারের মধ্যে রয়েছে:

• ইনহেলড কর্টিকোস্টেরয়েড- তারা তাদের সর্বোচ্চ সুবিধা পৌঁছানোর আগে কয়েক দিন থেকে সপ্তাহের জন্য ব্যবহার করা প্রয়োজন।

• লিউকোট্রিন মডিফায়ার। এই মৌখিক ওষুধগুলি হাঁপানির লক্ষণগুলি উপশম করতে সহায়তা করে।

• মন্টেলুকাস্ট অন্যান্য বিষয়গুলির মধ্যে আন্দোলন, সহিংসতা, হ্যালুসিনেশন, বিষন্নতা এবং আত্মহত্যার ধারণার সাথে সম্পর্কিত। আপনার যদি এই প্রতিক্রিয়াগুলির কোনটি থাকে তবে অবিলম্বে চিকিৎসা সহায়তা নিন।

• কম্বিনেশন ইনহেলার। এই ওষুধগুলিতে কর্টিকোস্টেরয়েড সহ একটি দীর্ঘ-অভিনয় বিটা-অ্যাগোনিস্ট রয়েছে।

• থিওফাইলাইন। এটি একটি দৈনিক বড়ি যা শ্বাসনালীর চারপাশের পেশীগুলিকে শিথিল করে শ্বাসনালীকে খোলা রাখতে সাহায্য করে। এটি অন্যান্য হাঁপানির ওষুধের মতো প্রায়শই ব্যবহৃত হয় না এবং নিয়মিত রক্ত পরীক্ষার প্রয়োজন হয়।

তথ্য সূত্র :কেয়ার হসপিটাল....

জলপাই ( Olive) জলপাই আমাদের দেশের একটি জনপ্রিয় ফল। টক স্বাদের এই ফলটি প্রচুর পরিমাণ পুষ্টিগুণে ভরা। জলপাই ফল খাওয়ার উপযো...
01/02/2024

জলপাই ( Olive)

জলপাই আমাদের দেশের একটি জনপ্রিয় ফল। টক স্বাদের এই ফলটি প্রচুর পরিমাণ পুষ্টিগুণে ভরা। জলপাই ফল খাওয়ার উপযোগী হয়ে ওঠে শরৎ-হেমন্তে। গবেষণায় দেখা গেছে, এই ফল খনিজ, ভিটামিন, ফাইবার এবং মূল্যবান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। একটি জলপাই ফলের ওজন হয়ে থাকে ১৫.৭৮ থেকে ২২.৪৬ গ্রাম। প্রতি ১০০ গ্রাম জলপাই ফলে রয়েছে ভিটামিন সি, ক্যালরি, শর্করা ও ক্যালসিয়াম। আমাদের দেশে জলপাইয়ের আচার বেশ জনপ্রিয় এবং সুস্বাদু। শুধু আচারই নয় এটি কাচা বা রান্না করেও খাওয়া হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক জলপাইয়ের আরও কিছু পুষ্টিগুণ ও উপকারিতার কথা-

পুষ্টিগুণ

১.জলপাইয়ের তেলে কোনো চর্বি বা কোলেস্টেরল নেই। তাই রক্তে চর্বি বা লিপিড জমে যাওয়ারও কোনো ভয় নেই। অন্যদিকে রক্তের চর্বি বা ফ্যাটের পরিমাণও কমায় এই জলপাই।

২.অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এজেন্ট জলপাইতে রয়েছে উচ্চহারে। এই উপাদানের জন্য দেহের রোগ-জীবাণুগুলো মারা যায় এবং অতিবেগুনি রশ্মি থেকেও ত্বক রক্ষা পায়।

৩.জলপাইয়ের খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ বা ডায়াটরি ফাইবার, যা পাকস্থলীর বিভিন্ন অংশ যেমন ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদান্ত্র, কোলনের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে এবং এই আঁশ খাবার সঠিকভাবে হজমে সহায়তা করে।

৪.দেহের রক্ত চলাচল ঠিক রাখতে অবদান রাখে। ফলে দেহের জন্য ক্ষতিকর লাইপোপ্রোটিনের পরিমাণ কমে যায়। হৃৎপিন্ড কাজ করে সঠিকভাবে।

৫.এই ফলে থাকা উচ্চমাত্রার ভিটামিন ‘সি’ ও ‘এ’চোখের বিভিন্ন রোগকে দূরে রাখতে সহায়তা করে। ত্বক, চুল, দাঁত, হাড়কে রাখে মজবুত।

৬.নিয়মিত জলপাই খেলে গলব্লাডার বা পিত্তথলিতে পাথর, বাতের ব্যথা কিংবা রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের পরিমাণ কমে যায়।

৭.জলপাইয়ে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে, যা দেহের ক্যানসারের জীবাণুকে ধ্বংস করে এবং রোগ প্রতিরোধ শক্তিকে বাড়ায় দ্বিগুণ পরিমাণে।

৮.রাতকানা, চোখ ওঠা, চোখের পাতায় ইনফেকশন জনিত সমস্যাগুলো দূর করে এই জলপাই।

উপকারিতা:

১.হৃদযন্ত্রের যত্নে জলপাই :
যখন কোনো মানুষের রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায় তখন হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি থাকে। জলপাইয়ের তেল হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। জলপাইয়ের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ফলে কমে যায় হৃদ্রোগের ঝুঁকি।

২.ক্যানসার প্রতিরোধে জলপাই:
কালো জলপাই ভিটামিন-ইয়ের বড় উৎস। যা ফ্রি র‌্যাডিকেল ধ্বংস করে। ফলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। জলপাইয়ের ভিটামিন-ই কোষের অস্বাভাবিক গঠনে বাধা দেয়। ফলে ক্যানসারের ঝুঁকি কমে।

৩.ওজন কমাতে জলপাই:
যখন জলপাইয়ের মোনো-স্যাচুরেটেড ফ্যাট অন্য খাবারে বিদ্যমান স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বদলে গ্রহণ করা হয় তখন তা শরীরে ভেতরের ফ্যাট সেলকে ভাঙতে সাহায্য করে। জলপাইয়ের তেলেও রয়েছে লো কোলেস্টেরল যা ওজন এবং ব্লাডপ্রেশার কমাতে সহায়ক।


৪.পরিপাকক্রিয়ায় সাহায্য করে:
নিয়মিত জলপাই খেলে গ্যাস্ট্রিক ও আলসার কম হয়। বিপাকক্রিয়া ঠিকভাবে হয়।


৫.চোখের যত্নে:
জলপাইতে ভিটামিন-এ পাওয়া যায়। ভিটামিন-এ চোখের জন্য ভালো। যাদের চোখ আলো ও অন্ধকারে সংবেদনশীল তাদের জন্য ওষুধের কাজ করে জলপাই।

৬.পিত্তথলিতে পাথর :
নিয়মিত জলপাই খেলে পিত্তথলির পিত্তরস ঠিকভাবে কাজ করে। পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার প্রবণতা কমে যায়।

৭.কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে:
জলপাইতে যে খাদ্যআঁশ আছে তা মানুষের দেহের পরিপাক ক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং হজমে সহায়তা করে।

৮.ত্বক ও চুলের যত্নে :
জলপাইয়ের তেলে রয়েছে ফ্যাটি অ্যাসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ত্বক ও চুলের যত্নে কাজ করে। জলপাইয়ের তেল চুলের গোড়ায় লাগালে চুলের গোড়া মজবুত হয়। এতে চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা দূর হয়।

কাশি >চিকিৎসা :>বাচ্চাদের কাশির চিকিৎসা করা হয় অন্তর্নিহিত কারণের উপর ভিত্তি করে। শিশুদের মধ্যে অর্ধেক ক্ষেত্রে ১০ দিনে...
01/02/2024

কাশি

>চিকিৎসা :

>বাচ্চাদের কাশির চিকিৎসা করা হয় অন্তর্নিহিত কারণের উপর ভিত্তি করে। শিশুদের মধ্যে অর্ধেক ক্ষেত্রে ১০ দিনের মধ্যে চিকিৎসা ছাড়াই কাশি চলে যায় এবং ২৫ দিনের মধ্যে চলে যায় ৯০% ক্ষেত্রে।

> আমেরিকান একাডেমি অফ পেডিয়াট্রিক্স অনুসারে কাশির লক্ষণগুলি দূর করতে কাশির ওষুধ ব্যবহার খুব কম প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত এবং সেগুলো বাচ্চাদের কাশির লক্ষণগুলি চিকিৎসার জন্য প্রস্তাবিত নয়।

> সম্ভাব্য প্রমাণ রয়েছে যে কাশি হ্রাসে কোনও চিকিৎসা বা ডিফিনহাইড্রামিনের চেয়ে মধুর ব্যবহার আরও ভাল।

> এটি ডেক্সট্রোমথোরফানের মতো কাশির উপশম করে না তবে এটি কাশির সময়কাল প্লেসবো এবং সালবুটামলের চেয়ে কমিয়ে দেয়।

> দীর্ঘস্থায়ী কাশিযুক্ত বাচ্চাদের মধ্যে যথাক্রমে দীর্ঘায়িত ব্যাকটেরিয়াল ব্রঙ্কাইটিস বা হাঁপানির চিকিৎসা চেষ্টায় অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যারোসোল কর্টিকোস্টেরয়েডগুলির একটি চেষ্টা করা যেতে পারে।

> ইনহেলড অ্যান্টি-কোলিনার্জিক্সে দিয়ে শিশুদের কাশির চিকিৎসা করার পরামর্শ দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত প্রমাণ নেই।

> যেহেতু কাশি সংক্রামক বাতাসের ফোঁটাগুলির মাধ্যমে রোগ ছড়াতে পারে, কাশি করার সময় নিজের মুখ এবং নাকটি সামনের অংশ, কনুইয়ের অভ্যন্তর, একটি টিস্যু বা একটি রুমাল দিয়ে ঢেকে নেবার পরামর্শ দেওয়া হয়।

নাকের পলিপাস(Nose polyps)আমাদের মাথার খুলির মধ্যে নাকের হাড়ের আশেপাশে কিছু বায়ুপূর্ণ স্থান থাকে। এদের প্যারান্যাসাল সা...
01/02/2024

নাকের পলিপাস(Nose polyps)

আমাদের মাথার খুলির মধ্যে নাকের হাড়ের আশেপাশে কিছু বায়ুপূর্ণ স্থান থাকে। এদের প্যারান্যাসাল সাইনাস বলা হয়। অবস্থান অনুযায়ী এদের বিভিন্ন নাম আছে। যেমন- ফ্রন্টাল ম্যাক্সিলারি, ইথময়ডাল, স্ফেনয়েড ইত্যাদি।
পলিপাস হলো এই নাক এবং প্যারান্যাসাল সাইনাস এর মধ্যকার মিউকাস টিস্যুর অতিরিক্ত বৃদ্ধি।

পলিপাস তিন ধরনের-
১। সাধারণ মিউকাস পলিপাস- পলিপাস এর মধ্যে এটি সবচেয়ে বেশি দেখা যায় এবং এলার্জি জনিত কারণে হয়।

২।ফাংগাল পলিপাস- রাইনো স্পোরিডিয়াম সিবেরি নামক একটি ফাংগাল ইনফেকশনের কারণে হয়।

৩। নেওপ্লাস্টিক- নাকের মধ্যে টিউমার বা ক্যান্সার জনিত কারণে সৃষ্টি হয়। যেহেতু পলিপাস বলতে আমরা সাধারণত মিউকাস পলিপাস কেই বুঝি তাই আমাদের আলোচনা এই ধরনের পলিপাস এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখব।

পলিপাসের কারণ কি?

মিউকাস পলিপাস এর কারণ মূলত এলার্জি। যার ফলে নাক এবং সাইনাসের নিউকাছে জল জমে মিউকাস ফুলে ওঠে ও নাকের মধ্যে শ্বাস চলাচলে বাধার সৃষ্টি হয়। অনেক সময় এই ফুলে ওঠা মিউকাছের ওপর ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস সংক্রমণ হয়। সুতরাং এলার্জির জন্য প্রথমে ফুলে উঠলেও পরে মিউকাছের উপর অভিকর্ষের টান, ইনফেকশন ও নাক বন্ধ হওয়ার জন্য নিঃশ্বাসের চাপের স্পর্শে সাইনাসের মিউকাস টিস্যুগুলো আরো স্পষ্টভাবে ফুলে ওঠে। একেই ন্যাসাল পলিপাস বলা হয়।

ইথময়ডাল সাইনাসে এই ঘটনা ঘটলে পলিপাসগুলো নাকের ফুটো দিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে বা নাকের ভেতরে টর্চ ফেললে দেখা যায়। একে বলে ইথময়ডাল পলিপাস।

ম্যাক্সিলারি সাইনাস এর দ্বারা যেহেতু পেছন দিকে তাই এই সাইনাসের পলিপ নাকের পেছনের দিকে বৃদ্ধি পায়। হা করলে মুখের পেছনের দিকে পোস্টেরিয়র ন্যাসল ক্যাভিটিতে ঝুলতে দেখা যায়। এর নাম অ্যান্ট্রো কোয়ানাল পলিপাস।

প্রাথমিকভাবে নাকের পলিপাস শনাক্ত হলে ঘরোয়া তিন উপায়েই তার সমাধান করতে পারেন। জেনে নিন কীভাবে-

১.হলুদ
হলদে রঙা এই মশলাটিই পারে পলিপাসের সমস্যার সমাধান ঘটাতে। কারণ এতে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানসমূহ। যা শারীরিক বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে বাঁচায়। এক গবেষণার তথ্যমতে, হলুদ এলার্জির সমস্যা সমাধান করতে পারে। এজন্য প্রতিদিনের খাবারে এক থেকে দুই চা চামচ হলুদের গুঁড়া মিশিয়ে খান। এর পাশাপাশি হলুদের চা ও পান করতে পারেন। এছাড়াও হলুদের গুঁড়া পানিতে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে অতঃপর মধু দিয়ে পান করুন।

২.রসুন
এই ছোট্ট উপাদানে রয়েছে অনেক ওষুধি গুণ। গবেষণায় দেখা গেছে, পাকস্থলীর কার্যক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবেও কাজ করে রসুন। যে কোনো ধরনের প্রদাহ কমাতেও সাহায্য করে এটি। নাকের পলিপাসের সমস্যায় এটি বেশ কার্যকরী এক উপাদান। রান্নায় রসুন ব্যবহারের পাশাপাশি প্রতিদিন কাঁচা খাওয়ার অভ্যাস গড়ুন। রসুনের গুঁড়া হালকা গরম পানিতে মিশিয়েও প্রতিদিন পান করতে পারেন।

৩.আদা
রসুনের মতো আদাতেও উপকারী সব উপাদান রয়েছে। ‘এসএ ২০১৩’ এর গবেষণায় জানা যায়, আদায় রয়েছে অ্যান্টিমাক্রোবিয়াল ও সংক্রমণবিরোধী উপদানসমূহ। নাকের পলিপাস সমস্যার সমাধানে রান্নায় নিয়মিত আদার গুঁড়া ব্যবহার করুন। এছাড়াও আদার চা পান করুন প্রতিদিন।

লাউ (Calabash, Bottle Gourd)উপকারিতা :1. লাউয়ে প্রচুর জল থাকে, যা দেহের জলের পরিমাণ ঠিক রাখতে সাহায্য     করে। ডায়রিয়...
01/02/2024

লাউ (Calabash, Bottle Gourd)

উপকারিতা :

1. লাউয়ে প্রচুর জল থাকে, যা দেহের জলের পরিমাণ ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ডায়রিয়া জনিত জলশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে।

2. লাউ খেলে ত্বকের আর্দ্রতা ঠিক থাকে।
প্রস্রাবের সংক্রমণজনিত সমস্যা দূর হয়। কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

3. উচ্চ রক্তচাপবিশিষ্ট রোগীদের জন্য এটি আদর্শ সবজি।
এই সবজি দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ইনসমনিয়া বা নিদ্রাহীনতা দূর করে পরিপূর্ণ ঘুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

4.লাউয়ে রয়েছে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস, যা দেহের ঘামজনিত লবণের ঘাটতি দূর করে। দাঁত ও হাড়কে মজবুত করে।

5.ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও লাউ যথেষ্ট উপকারী। ডায়েটিং কালেও লাউ ভালো ফল দেয়।

6.চুলের গোড়া শক্ত করে এবং চুল পেকে যাওয়ার হার কমায়।
কোষ্ঠকাঠিন্য, অর্শ, পেট ফাঁপা প্রতিরোধে লাউয়ের রয়েছে সহায়ক গুণাবলি।

অতিপ্রতিক্রিয়া:(Allergy)অতিপ্রতিক্রিয়ার উদাহরণ হিসেবে জ্বর, খাদ্যে অতিপ্রতিক্রিয়া, অতিপ্রতিক্রিয়াজনিত ত্বকপ্রদাহ (এটপিক...
01/02/2024

অতিপ্রতিক্রিয়া:(Allergy)

অতিপ্রতিক্রিয়ার উদাহরণ হিসেবে জ্বর, খাদ্যে অতিপ্রতিক্রিয়া, অতিপ্রতিক্রিয়াজনিত ত্বকপ্রদাহ (এটপিক ডার্মাটাইটিস), অতিপ্রতিক্রিয়াজনিত হাঁপানি ও বিষম অতিপ্রতিক্রিয়া (অ্যানাফাইল্যাক্সিস)। লক্ষণগুলো হলো চোখ লাল হয়ে যাওয়া, চুলকানিযুক্ত ফুসকুড়ি, রাইনোরিয়া বা নাক দিয়ে অনবরত পানি পড়া, শ্বাসকষ্ট অথবা ফুলে যাওয়া। খাবার সহ্য না হওয়া ও খাদ্য বিষক্রিয়া দুটি আলাদা বিষয়।

এলার্জি এর উপসর্গ :

ধূলা থেকে এলার্জি:

★ সর্দি বা বন্ধ নাক হাঁচি।

★ চোখ লাল হয়ে জল পড়া এবং চুলকানি/কাশি, বুকে ঘড়ঘড় আওয়াজ, দম বন্ধ বোধ
হওয়া।
অ্যালার্জিক রাইনাইটিস:

★ সর্দি বা বন্ধ নাক।

★চোখে এবং ত্বকে চুলকানি,হাঁচি।

★ক্লান্তি এবং নাক বন্ধ থাকার কারণে ঘুমের ব্যাঘাত জনিত দুর্বলতা।

ত্বকের এলার্জি:

★ত্বকের এলার্জির রগগুলি হল লাল হয়ে যাওয়া, চুলকানি এবং ফুলে যাওয়া। কিছু ক্ষুদ্র পার্থক্য রয়েছে যা ত্বকের অবস্থার নির্ণয়ে সহায়তা করতে পারে।

• একজিমা এবং কন্টাক্ট ডারমাটাইটিস:

যাদের একজিমা আছে তাদের ত্বক প্রায়ই শুষ্ক হয়। চুলকানি হয় এবং ত্বক শক্ত হয়ে যায়। কারুর ক্ষেত্রে চুলকাতে গেলে শক্ত ত্বক ফেটে গিয়ে রস বেরোতে থাকে। এতে বোঝা যায় যে সংক্রমণ হয়েছে। বাচ্চাদের মুখে, শরীরের জোড়গুলিতে বা কানের পিছনে একজিমা হতে পারে। বড়দের ক্ষেত্রে এই গুলি ছাড়াও হাত এবং পায়ে হতে পারে। কন্টাক্ট ডারমাটাইটিসের ক্ষেত্রে এই রকমের উপসর্গ দেখা দিতে পারে যে জায়গা এলার্জেন বা ধাতুর সংস্পর্শে এসেছে।

• ছুলি:

ছুলি হলে ত্বক লাল হয়ে ফুলে যায়। কিছু জায়গা লাল হয়ে বিভিন্ন আয়তনে উঁচু হয়ে যায় এবং শরীরের যে কোন জায়গায় হতে পারে। এই রোগের একটি অবস্থার নাম হল এনজিয়োডিমা, যেখানে ত্বকের নিচের স্তরগুলিও প্রভাবিত হয়।

খাদ্যের এলার্জি:

খাদ্যের এলার্জি'র উপসর্গ খাওয়ার ঠিক পরে অথবা কয়েক ঘণ্টা পরে হতে পারে। এর উপসর্গগুলি হল ত্বক লাল হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে চুলকানি, বন্ধ নাক, বমির ভাব, বমি করা, সংকোচন এবং উদরাময়। কোনও কোনও ক্ষেত্রে খাদ্যের এলার্জি থেকে আর একটি গুরুতর রোগ হতে পারে, যার নাম এনাফাইল্যাক্সিস যার উপসর্গগুলি হল:

• দম বন্ধ লাগা।

• জিভ, গলা এবং ঠোঁট ফুলে যাওয়া।

কীট-পতঙ্গ এবং পোষ্য থেকে এলার্জি:

পোষ্য থেকে এলার্জির উপসর্গগুলি ধূলা থেকে এলার্জির মতন। পোষা জন্তুর সংস্পর্শে এলে এদের দেখা পাওয়া যায়। কীট-পতঙ্গ থেকে যে এলার্জিগুলি হয়, সেগুলির উপসর্গ হল:

মুখ মণ্ডল, ঠোঁট, গলা এবং জিহ্বা ফুলে যায়।

নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়।

• যেখান কীট-পতঙ্গ কামড়ায় বা হুল ফোটায় সেখানে চুলকানি, ছুলি এবং অবশেষ ছোট ফোসকা পড়ে যার ভিতরে পুঁজের মতন বস্তু থাকে।

বমি করার ইচ্ছে, বা বমি করা।

পেটে সংকোচন হওয়া।

এলার্জি এর চিকিৎসা :

এলার্জির চিকিৎসা নির্ভর করে রোগের ইতিহাস, উপসর্গগুলি কতটা গুরুতর এবং এলার্জির পরীক্ষার ফলাফলের উপরে। চিকিৎসার ধাপগুলি হল:

এলার্জেনগুলিকে এড়ানো:

এলার্জি এড়ানোর সব চেয়ে উত্তম পন্থা হচ্ছে যে বস্তু থেকে এলার্জি হয় সেগুলিকে যত দূর সম্ভব এড়িয়ে চলা। এতে ওষুধ-পত্র কম লাগে এবং উৎস সরানোর প্রয়োজন হয় না। নিয়মিত ভাবে "জল নেতি" করে নাক পরিষ্কার রাখলে বাতাসে বয়ে আনা এলার্জানগুলিকে এড়িয়ে চলতে পারবেন।

ওষুধ-পত্র:

এলার্জিতে ফুলে যাওয়া কমাতে এলার্জি- বিরোধী ওষুধগুলি, যেমন এন্টিহিস্টামাইনস'এর সাথে ডিকনজেস করে। হিস্টামাইন নামক রাসায়াণকার্ট এলার্জির সময় শরীরে নিঃসৃত হয়। এন্টিহিস্টামাইনস এই নিঃসরণকে ব্যাহত করে এবং নাক থেকে জল পড়া এবং বন্ধ নাক থেকে মুক্তি দেয়।

• ইমিউনোথেরাপি:

কোনও কোনও রোগীর ক্ষেত্রে ইমিউনোথেরাপির পরামর্শ দেওয়া হয়। এই ধরণের রোগীদের এলার্জি হয় ফুলের পরাগ থেকে, পোষ্য থেকে, কীট-পতঙ্গ এবং হাঁপানি থেকে। এই চিকিৎসা রোগীকে এলার্জেনগুলির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে সহ্য করার মত ক্ষমতা যোগায়; ফলে উপসর্গগুলি কম থাকে। খাদ্য থেকে যে এলার্জিগুলি হয়, ইমিউনোথেরাপি এখনও তাদের প্রতিরোধ করতে পারে না। তবে, এর কার্যক্ষমতা যাচাই করার জন্য অনেক গবেষণা চলছে বলে জানা গিয়েছে।

জীবনধারার নিয়ন্ত্রণ:

সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এলার্জিকে এড়ানোই সঠিক উপায়। ডাক্তারবাবুর সাথে নিয়মিত পরামর্শ করে চললে এলার্জির ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এলার্জেনগুলিকে এড়িয়ে চললে উৎস কমে গিয়ে এলার্জি কম হবে।

তথ্য সূত্র :উইকিপিডিয়া ও myupchar.

মস্তিষ্কের টিউমার বা ব্রেইন টিউমার ( Brain tumor) মস্তিষ্কের টিউমার হচ্ছে এমন একটি অবস্থা যখন মানুষের মস্তিষ্কে অস্বাভাব...
01/02/2024

মস্তিষ্কের টিউমার বা ব্রেইন টিউমার ( Brain tumor)

মস্তিষ্কের টিউমার হচ্ছে এমন একটি অবস্থা যখন মানুষের মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক কোষ তৈরি হয়। এই টিউমার দুই প্রকারের হয় যার একটি হচ্ছে ম্যালিগ্যান্ট বা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী টিউমার এবং অপরটি হচ্ছে বেনাইন টিউমার।

বাচ্চাদের ব্রেন টিউমারের লক্ষণ :

১.মাথা ব্যথা : ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত অনেক শিশু তাদের রোগ নির্ণয়ের আগে মাথা ব্যথা অনুভব করে। যদিও অনেক বাচ্চার মাথাব্যথার সমস্যা থাকে এবং তা বলে সকলেরই ব্রেন টিউমার হয় না। কখনও কখনও সকালের দিকে মাথা ব্যথা বাড়ে। এর অংশ হিসাবে বলা যেতে পারে আপনি যখন শুয়ে থাকেন তখন মানসিক চাপ বৃদ্ধি পায় এবং টিউমার ব্যথা আরও বাড়াতে পারে।

২.বমি বমি ভাব এবং বমি :বমি বমি ভাব এবং বমি ফ্লু বা ফ্লু-এর মতো অসুস্থতার সাধারণ লক্ষণ। যদিও, ব্রেন টিউমারের ক্ষেত্রে এই লক্ষণ দেখা দিতে পারে, যা মস্তিষ্কের ভিতরে চাপ বাড়ায়। যদি এই লক্ষণ ক্রমাগত হতে থাকে, তাহলে আপনার শিশুকে ভাল কোনও বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যান।

৩.অনিদ্রা বা ঘুম না হওয়া : ভাল ঘুম বাচ্চাকে অনেক বেশি প্রাণবন্ত রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু যদি তেমনটা না হয় তাহলে আপনি আপনার শিশুর দিকে খেয়াল রাখুন। যদি আপনার শিশু কোনও কারণ ছাড়াই অলস বোধ করে বা কোনও কারণ ছাড়াই অতিরিক্ত ঘুমায়, তাহলে তার স্বাস্থ্যের বিযয়ে আরও বেশি করে নজর দিতে হবে, আপনি চাইলে এই বিষয়ে ডাক্তারের পরামর্শও নিতে পারেন।

৪.দেখতে, শুনতে এবং কথা বলতে সমস্যা : রোগীর শারীরিক অসুবিধা টিউমারের অবস্থানের উপর নির্ভর করে। এটি কখনও কখনও দেখা, শোনা এবং কথা বলার ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। অবশ্য ব্রেন টিউমারের সমস্যা নয় অথচ বাচ্চাদের মধ্যে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। যাইহোক আপনার সন্তানের দৃষ্টিশক্তি, শ্রবণশক্তি এবং কথা বলায় হঠাৎ কোনও পরিবর্তন লক্ষ্য করলেই ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

৫.ব্যক্তিত্ব পরিবর্তন : শিশুর ব্যক্তিত্ব পরিবর্তন তার পালন-পোষণ কীভাবে হচ্ছে তার উপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করে। তবে কিছু ক্ষেত্রে, সেরিব্রাল কর্টেক্সকে প্রভাবিত করে মস্তিষ্কের টিউমারের কারণে এমনটা হতে পারে। যদি আপনার সন্তানের মেজাজ হঠাৎ পরিবর্তন হয় বা যদি সেটা গুরুতর বলে মনে হয় তবে কোনও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞকে দেখান।

৬.ভারসাম্যের সমস্যা : যদি টিউমার ব্রেন স্টেমের কাছে থাকে তবে এটি ভারসাম্যের সমস্যা তৈরি হতে পারে। ছোট সন্তানের হঠাৎ করে ভারসাম্য বজায় রাখতে অসুবিধা হয়, তাহলে ডাক্তার আপনাকে কেন এমনটা হচ্ছে তা নির্ধারণ করতে সাহায্য করতে পারেন।

৭.খিঁচুনি : যখন ব্রেন টিউমার মস্তিষ্কের পৃষ্ঠে থাকে, তখন এর কারণে খিঁচুনি হতে পারে। যদি আপনার সন্তানের খিঁচুনি হয়, তাহলে ডাক্তারকে অবশ্যই দেখাবেন। কারণ টিউমার বা অন্য কিছু হতে পারে, তবে খিঁচুনি সবসময় পরীক্ষা করা উচিত।

৮.মস্তিষ্কের আকার বৃদ্ধি : বাচ্চারা যখন ছোট থাকে তাদের মাথার খুলির হাড়গুলি নরম থাকে, ব্রেন টিউমারের কারণে তাদের মাথার আকার অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে। ঠিক কাজ থেকে এগিয়ে যাওয়ার কারণ হতে পারে। যদি আপনি আপনার শিশুর মাথার আকারে কোনও গুরুতর পরিবর্তন লক্ষ্য করেন অবশ্যই ডাক্তারের সঙ্গে আলোচনা করুন।

ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা:

১.সার্জারি : ম্যালিগন্যান্ট ব্রেন টিউমারের জন্য এটি সর্বোত্তম চিকিৎসা। সার্জন সুস্থ মস্তিষ্কের টিস্যুর ক্ষতি না করে যতটা সম্ভব ক্যান্সার কোষ অপসারণ করে। রক্তপাত এবং সংক্রমণ অস্ত্রোপচারের 2 সম্ভাব্য পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া। বিনাইন ব্রেন টিউমারও অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ করা যেতে পারে।

২.ন্যূনতম আক্রমণাত্মক অস্ত্রোপচার : নিউরো সার্জনরা এই ব্রেন টিউমার সার্জারির জন্য ক্যান্সার কোষ অপসারণের জন্য ন্যূনতম আক্রমণাত্মক কৌশল ব্যবহার করেন। এই কৌশল ব্যবহারের ফলে আপনাকে হাসপাতালে কম সময় থাকতে হবে এবং দ্রুত আরোগ্য কামনা করতে পারবেন।

৩.বিকিরণ থেরাপি : এই ধরনের ব্রেন টিউমার চিকিৎসায়, বিকিরণ, যেমন এক্স-রে বা প্রোটন বিম, টিউমার কোষকে মেরে ফেলার জন্য ব্যবহার করা হয়। এই বাহ্যিক রশ্মি বিকিরণ দ্বারা করা যেতে পারে, যেখানে আপনি একটি মেশিনের সামনে বসেন এবং একটি প্রতিরক্ষামূলক আবরণ পরেন, শুধুমাত্র টিউমার এলাকাটি উন্মুক্ত থাকে। এই থেরাপিটি ব্র্যাকিথেরাপির মাধ্যমেও করা যেতে পারে – একটি ডিভাইস যা আপনার মস্তিষ্কের ভিতরে টিউমারের কাছে স্থাপন করা হয় যা টিউমার কোষগুলিকে মেরে ফেলার জন্য বিকিরণ করা হয়। এই থেরাপির পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াগুলির মধ্যে রয়েছে ক্লান্তি, স্মৃতিশক্তি হ্রাস, মাথাব্যথা এবং মাথার ত্বকে জ্বালা।

৪.কেমোথেরাপি : এতে, ওষুধগুলি শরীরে ইনজেকশন দেওয়া হয় বা মৌখিক রূপে নেওয়া হয় এবং তারা টিউমার কোষকে লক্ষ্যে করে এবং মেরে ফেলে। কেমোথেরেপির কারণে চুল পড়া, বমি, বমি বমি ভাব এবং ক্লান্তির মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়।

৫.লক্ষ্যযুক্ত ড্রাগ থেরাপি : কিছু ধরনের মস্তিষ্কের টিউমারকে ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা হয় যা টিউমার কোষগুলিতে উপস্থিত নির্দিষ্ট অস্বাভাবিকতাগুলিকে ব্লক করে লক্ষ্য করে। এটি ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলে।

৬.রেডিও সার্জারি : অস্ত্রোপচারের অনুরূপ, এই চিকিৎসা টিউমার কোষগুলিকে মেরে ফেলার জন্য মস্তিষ্কের টিউমারে বিকিরণের বিভিন্ন রশ্মিকে ফোকাস করে। রৈখিক অ্যাক্সিলারেটর এবং গামা ছুরির মতো বিভিন্ন কৌশল বিকিরণ সহ মস্তিষ্কের টিউমারের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়।

টমেটো (Tomato)পুষ্টি :একটি টমেটো ৯৫% পানি, ৪% শর্করা এবং ১% এর কম স্নেহ এবং আমিষ (টেবিল) রয়েছে। ১০০ গ্রাম কাঁচা টমেটো ১...
01/02/2024

টমেটো (Tomato)

পুষ্টি :
একটি টমেটো ৯৫% পানি, ৪% শর্করা এবং ১% এর কম স্নেহ এবং আমিষ (টেবিল) রয়েছে। ১০০ গ্রাম কাঁচা টমেটো ১৮ কিলো ক্যালোরি সরবরাহ করে এবং এটি ভিটামিন সি (দৈনিক মানের ১৭%) এর একটি মাঝারি উৎস, কিন্তু এছাড়া কোন উল্লেখযোগ্য পুষ্টি উপাদান নেই (টেবিল)।

আসুন দেখে নেওয়া যাক টমেটোর ৭টি আশ্চর্যজনক গুণ

1. ওজন কমানো

অনেক গবেষণায় দেখা গিয়েছে টমেটো খেলে বাড়তি ওজন কমে। দেহের অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে ডায়েটে টমেটোকে রাখতেই হবে। এর মধ্যে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড মেদ ঝরাতে সাহায্য করে থাকে।

2. চোখের জন্য উপকারি

টমেটোতে থাকা ভিটামিন-সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যেমন বাড়ায় পাশাপাশি আমাদের চোখের দৃষ্টি শক্তি বাড়াতেও এটি খুবই উপকারি। এর ফলে সহজে চোখের সমস্যা হয় না।

3. হজমশক্তি বাড়ায়

আপনার যদি থাকে হজমের সমস্যা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা তাহলে রোজকার পাতে টমেটো খেতেই হবে। টমেটোর মধ্যে প্রচুর মাত্রায় থাকা ফাইবার হজমে সাহায্য করে। খাবারে রোজ টমেটোকে স্যালাড হিসেবে ব্যবহার করুন।

4. ক্যানসার প্রতিরোধ

টোমেটোতে লাইকোপিন নামে একটি পিগমেন্ট পাওয়া যায়। এছাড়া এতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা কোষের অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি রোধ করে ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।

5. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, টমেটোতে পাওয়া অ্যান্টি-অক্সিডেন্টগুলি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে অনেক কার্যকর। এটি আপনার ট্রেস কমাতে সাহায্য করে।

6. হার্টকে সুস্থ রাখে

টমেটোতে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ কমাতে এবং লাইকোপিন-সহ অন্যান্য উপাদানগুলি রক্ত জমাট বাঁধতে দেয় না যা হার্টের জন্য ভালো।

7. টমেটো হাড়ের জন্য উপকারি

টোমেটোতে থাকা প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ও ভিটামিনকে হাড়ের ক্ষয় রোধ করে হাড়কে মজবুত রাখে। তাই নিয়মিত টমেটো খেলে হাড়ের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

শুধু খাবার হিসেবে নয় এটি স্বাস্থ্যের জন্যও খুবই উপযোগী। আজ থেকে প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় টমেটোকে অবশ্যই রাখুন। স্যালাড, জুস অথবা তরকারি হিসেবে, যেমন করে আপনার মন চায়। তবে যদি আপনার স্বাস্থ্যে কোনও বড় সমস্যা থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গ্যাসট্রিক ( Gastric)গ্যাসট্রিক থেকে দূরে থাকার কিছু টিপসকেউ নিয়মিত আবার কেউ বা মাঝে মধ্যে গ্যাসট্রিক বা গ্যাস্ট্রাইটিসে...
01/02/2024

গ্যাসট্রিক ( Gastric)

গ্যাসট্রিক থেকে দূরে থাকার কিছু টিপস

কেউ নিয়মিত আবার কেউ বা মাঝে মধ্যে গ্যাসট্রিক বা গ্যাস্ট্রাইটিসের সমস্যায় ভোগেন। কেন এই সমস্যা হয় এবং খাওয়ার পর গ্যাস বা অম্বলকে কীভাবে এড়ানো যায় – তারই কিছু সহজ উপায় দেওয়া হলো-

তিন বেলার খাবার ছয় বেলায় খান:

আপনি তিন বেলার খাবারকে ভাগ করে ছয়বার খান। তেলে ভাজা খাবার, অতিরিক্ত ঝাল, চর্বি, মসলা, মিষ্টি, অর্থাৎ যেসব খাবার হজম করতে সমস্যা হয়, সেগুলো খাবার তালিকা থেকে আস্তে আস্তে কমিয়ে দিয়ে হালকা খাবার খান। যেমন আপনার খাবারের তালিকায় থাকতে পারে মাছ, অল্প মাংস, সবজি, আলু ইত্যাদি।

এছাড়া খালি পেটে ফলের রস বা টক জাতীয় খাবার একেবারেই নয়।

খাবার উপভোগ করুন:

পরিমাণে অল্প খাবার একটু ধীরে ধীরে ভালো করে চিবিয়ে খান। দুপুরে খাওয়ার পর পরই ঘুমানো উচিত নয়, কারণ এতে খাবার আবার পাকস্থলীতে ফিরে আসতে পারে। বরং হাতে সময় থাকলে খাবার পর একটু হাঁটা যেতে পারে, যা খাবার হজম এবং মলত্যাগে সহায়তা করে থাকে।

বুঝে পান করুন :

পিপাসা মেটাতে পানি এবং হালকা চা পান করতে পারেন। তবে দিনে কম পক্ষে দুই লিটার পানি পান করা উচিত, যাতে খাবার পাকস্থলীতে ভালো করে মিশে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে পারে। কফি বা অ্যালকোহল যতটা সম্ভব কম পান করলেই ভালো। তবে শুধু খাবার নয়, পানি পান করার দিকেও কিছুটা গুরুত্ব দিতে হবে।

ঢিলেঢালা পোশাক:

খুব টাইট জিন্স বা কোমরের বেল্ট বেশি টাইট করে বাঁধবেন না। কারণ টাইট বেল্ট পেটে চাপ দেয়, যার ফলে টক ঢেকুর উঠতে পারে। কাজেই একটু আরামদায়ক বা একটু ঢিলে কাপড়-চোপড় পরাই স্রেয়।

নিয়মিত হাঁটাচলা করুন:

‘হাঁটা-চলার কোনো বিকল্প নেই’ – এ কথা কম-বেশি আমরা সকলেই জানি। অতিরিক্ত ওজনের কারণে পেটে চাপ পড়ে এবং হাঁটাচলা না করায় মলত্যাগ করার পথে বাঁধা সৃষ্টি হয়।

তাছাড়া পেটে খাবার জমে থাকা মানেই অস্বস্তি বোধ এবং সে কারণে ওজন কমানো বা ওজন ঠিক রাখাও সম্ভব হয় না। ব্যায়াম এবং হাঁটাচলা করলে শরীর হালকা থাকে, অন্ত্রও থাকে সক্রিয় আর গ্যাসও হয় কম।

বালিশটা একটু উঁচু করে ঘুমাবেন:

গ্যাসট্রিক বা অম্বলের সমস্যা সাধারণত রাতে বেলায় হয়। তাই বালিশটা একটু উঁচু করে এবং শরীরের ওপরের দিকটাও একটু উঁচুতে তুলে ঘুমাবেন। এতে গ্যাসট্রিক অ্যাসিড ওপরে উঠতে পারে না। বাঁদিকে কাত হয়ে ঘুমালেও পেটে চাপ কম পড়ে। তাছাড়া রাতের খাবার ঘুমাতে যাওয়ার তিন ঘণ্টা আগে খেলে খাবার হজম করতে আর কোনো সমস্যা হয় না।

আঁশযুক্ত খাবার:

ডাক্তারি ভাষায় টক খাবার বলতে বোঝায় মুরগির মাংস, মাছ, ভাত, মসুরের ডাল ইত্যাদি। এ ধরনের খাবার খাওয়ার পর অ্যাসিড হতে পারে। তাই আলু, রুটি, সিম, মটরশুটি, মুগের ডাল, কলাইয়ের ডাল ইত্যাদি খাবার ‘টক’ খাবারের সাথে মিশিয়ে খেলে অম্বলের সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। এছাড়া প্রতিদিন খাবারের তালিকায় সামান্য আলু সেদ্ধ বা আলুর তরকারি থাকতে পারে। আঁশযুক্ত খাবারের কথা অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে।

স্ট্রেসকে দূরে রাখুন:

‘‘স্ট্রেস বা মানসিক চাপের সাথে রয়েছে পেটের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। তাই যে কোনো সংঘাত এড়িয়ে যতটা সম্ভব ‘স্ট্রেস’ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার চেষ্টা করুন। হালকা খাবার, যথেষ্ট হাঁটাচলা, কিছুটা বিশ্রাম – এভাবেই পেট বা অন্ত্রকে রক্ষা করতে, গ্যাসট্রিককে প্রতিরোধ করতে পারেন।’’ এ পরামর্শ কোলনের ইন্টারনাল মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ ডা. ইয়োর্গেন স্ল্যুইটারের।

ধূমপান নয়:

স্ট্রেস বা মানসিক চাপের ফলে পেটে অ্যাসিড প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় – সেকথা আমরা অনেকেই জানি। স্ট্রেসের কারণে অনেকে ধূমপান করেন। কিন্তু নিকোটিন অন্ত্রের খাবার মলদ্বারের রাস্তায় যে পথ দিয়ে যায়, সেটিকে দুর্বল করার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে। এছাড়া স্ট্রেস হরমোন হজম শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করে। শরীরের ভারসাম্য রক্ষায় অসুবিধার কারণে পেটে অ্যাসিড উৎপাদন হয়, কাজেই আর ধূমপান নয়।

জ্বর:  শারীরিক অসুস্থতার অন্যতম প্রধান লক্ষ্মণ, যা শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার সীমার ৩৬-৩৭.২ °সে (৯৬.৮-৯৯.০ °ফা) অধিক তা...
01/02/2024

জ্বর:

শারীরিক অসুস্থতার অন্যতম প্রধান লক্ষ্মণ, যা শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার সীমার ৩৬-৩৭.২ °সে (৯৬.৮-৯৯.০ °ফা) অধিক তাপমাত্রা নির্দেশ করে।

শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি সত্ত্বেও সাধারণত ঠান্ডা অনুভূত হয়। উচ্চ নির্দিষ্ট সূচক (set point) থেকে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হলে গরম অনুভূত হয়।

> লক্ষ্মণ:

জ্বরের সাথে সাধারণত অসুস্থ ভাব যেমন অবসন্নতা, ক্ষুধামান্দ্য, ঘুম ঘুম ভাব, শরীরে ব্যাথা, মনোযোগ দিতে না পারা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়।

> বিভিন্ন রোগ নির্ণয়:

জ্বর থেকে বিভিন্ন প্রকার রোগ নির্ণয় করা যায়, যেমন

• সংক্রমণ রোগ - ইনফ্লুয়েঞ্জা, HIV,ম্যালেরিয়া, ইবোলা, আন্ত্রিক রোগ।

• ত্বকে সংক্রমণ

• প্রতিরক্ষাজনিত (Immunological) রোগ - সারকয়ডসিস, অটোইম্যুন হেপাটাইটিস।

• টিস্যু ক্ষয়ে যাওয়া -হিমোলাইসিস, সার্জারি, মস্তিষ্ক রক্তক্ষরণ।

• ক্যান্সার-বৃক্কে ক্যান্সার, লিউকেমিয়া।

তথ্য সূত্র:উইকিপিডিয়া

Address

Madrasa Road, Opposite Khulna Medical College Hospital Gate
Khulna
9100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bio Lab Diagnostic & Consultation Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram