মারুফ হোমিও কেয়ার

মারুফ হোমিও কেয়ার Homoeopathy সদৃশ বিধান
(1)

হোমিও ঔষধ সেবন করার সময় সম্ভব হলে সুগন্ধিযুক্ত দাঁতের মাজন ও টুথপেষ্ট ব্যবহার করা বন্ধ করুন অথবা ঔষধ সেবনের কমপক্ষে ১/২ ...
20/09/2025

হোমিও ঔষধ সেবন করার সময় সম্ভব হলে সুগন্ধিযুক্ত দাঁতের মাজন ও টুথপেষ্ট ব্যবহার করা বন্ধ করুন অথবা ঔষধ সেবনের কমপক্ষে ১/২ ঘন্টা পূর্বে বা পরে ব্রাশ করুন।

23/07/2025

https://www.facebook.com/share/16xaUQGRHS/নতুন শিক্ষার্থীদের জন‍্য গুরুত্বপূর্ণ ঔষধের তালিকা ও ঔষধ অধ‍‍্যয়নের লক্ষ‍্যে কিছু পরামর্শ।
__________________________________

নতুন শিক্ষার্থীদের জন‍্য গুরুত্বপূর্ণ ঔষধের তালিকা যা ভাজা ভাজা করে স্টাডি করতে হবে।এখানে প্রায় সবগুলো ঔষধই ডিপএকটিভ।এগুলো ক্রণিক ও একিউট উভয় ধরণের কেসে কাজে লাগবে ইনশাআল্লাহ।সংগ্রহ করার সুবিধার্থে ঔষধের নামের পাশে পোটেন্সিও উল্লেখ করলাম।তালিকার শেষে কিছু পরামর্শও প্রদান করেছি।-💓
1. Acidum phosphoricum (Acid Phos) 30, 200
2. Aconite 200
3. Alumina 30, 200
4. Ammonium carbonicum 200
5. Anacardium 200
6. Antimonium crud 30, 200
7. Antimonium tart 30, 200
8. Apis mellifica 200
9. Argentum nitricum 200, 1M
10. Arnica 200, 1M, 50M
11. Arsenicum album 30, 200
12. Aurum metallicum 1M
13. Badiaga 200, 1M
14. Bacillinum 200, 1M
15. Baryta carbonica 200, 1M, 50M, CM
16. Belladonna 200, 1M
17. Bellis perennis 200, 1M
18. Berberis vulgaris 200
19. Bryonia 200, 1M
20. C.C. (Calcarea Carb) 30, 200, 1M, 50M, CM
21. Calcarea fluorica 200, 1M, 50M, CM
22. Calcarea phosphorica 1M, 50M, CM
23. Cantharis 30, 200
24. Carbo animalis 200, 1M
25. Carbo vegetabilis 30, 200, 1M, 50M, CM
26. Carcinosin 1M
27. Causticum 200, 1M
28. China 6, 30, 200
29. Cina 30, 200
30. Cocculus 200
31. Coffea cruda 200
32. Colchicum 200
33. Colocynth 200
34. Conium 200, 1M
35. Drosera 30, 200
36. Dulcamara 200
37. Ferrum metallicum 200
38. Gelsemium 30, 200
39. Glonoinum 200
40. Graphites 200, 1M
41. Hecla lava 200, 1M
42. Hepar sulph 30, 200
43. Hydrastis canadensis 200
44. Hydrophobinum 1M, 50M
45. Hypericum 200, 1M, 50M
46. Hyoscyamus 30, 200, 1M, 50M, CM
47. Ignatia 1M
48. Iodum 1M
49. Ipecac 200
50. Kali carbonicum 200
51. Kali iodatum 200
52. Kreosotum 200, 1M
53. Lachesis 30, 200, 1M
54. Lac defloratum 200
55. Ledum 200
56. Lycopodium 30, 200, 1M, 50M, CM
57. Medorrhinum 1M, 50M, CM
58. Mercurius solubilis 200, 1M, 50M
59. Mezereum 200
60. Natrum muriaticum 30, 200, 1M, 50M, CM
61. Naja 200
62. Nitric acid 200, 1M
63. Nux vomica 30, 200
64. O***m 30, 200
65. Petroleum 200, 1M, 10M
66. Platina 30, 200, 1M, 50M
67. Podophyllum 200
68. Psorinum 200
69. Pulsatilla 30, 200, 1M, 50M, CM
70. Rhus tox 200, 1M
71. Ruta 1M, 50M
72. Sabina 200
73. Secale cornutum 200
74. Selenium 200, 1M, 10M
75. Sepia 200, 1M
76. Silicea 200, 1M
77. Spigelia 200
78. Spongia 200
79. Staphysagria 200, 1M
80. Stramonium 30, 200, 1M, 50M
81. Sulphur 30, 200, 1M
82. Syphilinum 1M, 50M, CM
83. Tuberculinum 200, 1M
84. Thuja Oxi 1M,50M,CM
85. Zincum metallicum 200

ঔষধগুলো প্রথমে ছোট ছোট বই থেকে পড়বেন।যেমন- এলেন, বোরিক, ন‍্যাশ,নরেন্দ্রনাথ বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়,বিজয় কুমার বসু, রাধারমণ বিশ্বাস, এসকে ডুবে, মরিসনের ডেক্সটপ গাইড, রাজন শংকরণের সোল অব রেমিডিজ,কেএন মাথুর,মহিমারঞ্জন মুখোপাধ‍্যায়,চিরসুখ চন্দ্র,পারাবার মেটিরিয়া মেডিকা- আবদুস সামাদ খান, ডা মুহম্মদ আবদুল গণি ইত্যাদি।

স্থির মস্তিষ্কে প্রতিটা শব্দ, প্রতিটা বাক‍্য খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে (বুঝে বুঝে)- সময় নিয়ে পড়বেন।কিছু না বুঝলে নোট রাখবেন, পরে শিক্ষকদের কাছ থেকে জেনে নিবেন অথবা ইন্টারনেটে সার্চ দিবেন,প্রয়োজনে চ‍‍্যাটজিপিটির হেল্প নিবেন।যেভাবে হোক আপনার শেখা যেন গতিশীল থাকে।জানায় যেন কোন ধরণের ফাঁক না থাকে।

ছোট বইগুলো থেকে ড্রাগ পিকচার রপ্ত করার পর আস্তে বড় বড় লিটারেচারগুলো ঘাঁটবেন।
সময় যত গড়াবে আপনি তত সমৃদ্ধ হবেন ইনশাআল্লাহ।-🌷

একটি ঔষধের যা যা আপনার জানতেই হবে-
ঔষধটির পূর্ণনাম ও সমনাম
উৎস
ঔষধটি গভীরতা (হালকা গভীর, মধ‍্যম গভীর,সুগভীর)
কাতরতা
সাইড
মায়াজম
কনিস্টিটিউশন (শারীরিক গঠন, রোগ প্রবণতা,বিশেষ মানসিক অবস্থা)।
টেম্পারমেন্ট
ক্রিয়াস্থল
মানসিক লক্ষণ
সার্বদৈহিক/ শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলী সংক্রান্ত লক্ষণ
পার্টিকুলার/আঙ্গিক লক্ষণ
আনকমন (অদ্ভূত, সুস্পষ্ট,বিরল ও একক)-লক্ষণ
রুব্রিক (রেপার্টরী থেকে)
হ্রাস
বৃদ্ধি
অনুপূরক/পরিপূরক
ক্রিয়ানাশক (ঔষধ,পথ‍্য,আচরণ,লাইফ স্টাইল)
শত্রুসন্ধধীয় ঔষধ
কেস হিস্ট্রি।

আশা করছি টিপসগুলো আপনাদের বিশেষ কাজে লাগবে।সবার জন‍্য অফুরন্ত ভালোবাসা রইলো।-💓

হে আল্লাহ!
যারা জ্ঞান অর্জনের পথে চলছে—
তাদের হৃদয় উদার করো,
তাদের বুদ্ধিকে প্রখর করো,
তাদের মনে অধ্যবসায়ের আলো জ্বেলে দাও।

তাদের ঘুমকে হালকা করো জ্ঞানের জন্য,
তাদের ক্লান্তিকে করো অর্থবহ ইবাদতের মত।
তাদের পাঠ যেন হয় দীনের পথের পাথেয়,
আর জ্ঞান যেন হয় মানবতার সেবায় নিবেদিত।

হে রব্বুল আলামিন!
তাদের হিফজ শক্তিকে বরকত দাও,
পরীক্ষায় দাও সঠিক অনুধাবন,
সময়ের সঠিক ব্যবহারে দাও কৌশল।

তাদের করে তোলো সত্য ও ন্যায়ের পথিক।
তাদের জ্ঞান হোক উপকারের,
আর আমল হোক আন্তরিক।

-আমিন।

[জ্ঞাতার্থে :
"ভালো হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হতে চাইলে"-শিরোনামের এই তিনটি পর্বে মেটেরিয়া মেডিকা আয়ত্বের কৌশল উল্লেখ করেছি।

পর্ব-১৮
https://www.facebook.com/share/p/16iKv9rBqV/

পর্ব-৩৪
https://www.facebook.com/share/p/16umaimWpR/

পর্ব-৩৮
https://www.facebook.com/share/p/1Arg9FPCYE/ ]

🌷
ডা মুহাম্মদ ফায়েক এনাম।
চট্টগ্রাম।
01848-144199

 #হোমিওপ্যাথি_নিবন্ধহোমিওপ্যাথি দিবস ও হোমিওপ্যাথির জনক স্যার স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের ২৭০ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে  #হ্যানি...
21/07/2025

#হোমিওপ্যাথি_নিবন্ধ
হোমিওপ্যাথি দিবস ও হোমিওপ্যাথির জনক স্যার স্যামুয়েল হ্যানিম্যানের ২৭০ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে #হ্যানিম্যান_আশ্রম-এ এক বর্ণিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান উপলক্ষে
#নিবন্ধ_প্রতিযোগিতা

বিষয়: #হোমিওপ্যাথির_বৈজ্ঞানিক_ব্যাখ্যা।

✍🏼 #ভূমিকা:

হোমিওপ্যাথি হল একটি বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি যা প্রায় দুই শতাব্দী ধরে মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। যদিও অনেকের মতে এটি একটি ভিন্নধর্মী পদ্ধতি, তবুও এর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি এবং কার্যকারিতা প্রমাণিত।
এই নিবন্ধে আমরা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করব।

✍🏼 #বিজ্ঞানঃ
চেম্বার্স অব ডিকশনারীতে বিজ্ঞানের সংঙ্গায় বলা হয়েছে পরীক্ষা নিরীক্ষায় নিরুপীত,যুক্তি তর্ক মিমাংসিত এবং মৌলিক বিধানে বিধিবদ্ধ জ্ঞানকে বিজ্ঞান বলে।
#একমাত্র_হোমিওপ্যাথি_এই_তিনটি শর্ত পূরণ করছে।পৃথিবীতে অন্য প্যাথিতে মৌলিক নীতি নাই।
তাই ঐ প্যাথিগুলো পরিবর্তনশীল এবং কমপ্লিট সাইন্স নয়।
#হোমিওপ্যাথিক_মেডিকেল_সাইন্স_৭টি_মৌলিক নীতির আওতায় #২৯১টি নীতিমালার উপর প্রতিষ্ঠিত।অর্থাৎ হোমিওপ্যাথিতে একটি সংবিধান আছে।অন্য কোন প্যাথিতে সংবিধান নাই।

✍🏼 #সংবিধানঃ
হোমিওপ্যাথির সংবিধান হলো #অর্গানন_অব_মেডিসিন ' হোমিওপ্যাথির যে বিজ্ঞান তাহাই 'অর্গানন অব মেডিসিন ' বা চিকিৎসাপদ্ধতির বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা। 'অর্গাননে ' জ্ঞান-বিজ্ঞানের এমন মূল্যবান তত্ত্ব-তথ্য-সংকেত লিপিবদ্ধ আছে যেগুলি আধুনিক বিজ্ঞানের আলোকে অসত্য বলে প্রমাণিত হয় নাই,অধিকন্তু কোন কোন তত্ত্ব পর্যন্ত বিজ্ঞান এখনও পৌঁছাতে পারে নাই।
#এটা_বিজ্ঞানীদের_ব্যর্থতা তাই বলে হোমিওপ্যাথিকে অবৈজ্ঞানিক বলা যাবে না।
সুতরাং বিজ্ঞানসম্মত আরোগ্যকলা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিধানকে সম্যকভাবে আয়ত্ত করিতে হইলে 'অর্গানন'শুধু পাঠ করিলেই চলিবে না, ইহা যথার্থভাবে হৃদয়ঙ্গম করিতে হবে।
" #হোমিওপ্যাথির_বৈজ্ঞানিক__ব্যাখ্যার_ক্ষেত্রেও_মূল____ভিত্তি_অর্গানন"

✍🏼 #হোমিওপ্যাথি_সংজ্ঞা_ও_মূলনীতি
হোমিওপ্যাথি শব্দটি গ্রিক শব্দ “হোমোস” (homoeos) অর্থাৎ সদৃশ এবং “প্যাথোস” (pathos) অর্থাৎ দুর্ভোগ বা অনুভূতি থেকে উদ্ভূত।
এর মূলনীতি “Similia Similibus Curentur” বা “যে বস্তু রোগ সৃষ্টি করে, সেই বস্তুই রোগ নিরাময় করতে পারে”।

#সংজ্ঞা:
যে চিকিৎসা পদ্ধতি সুস্থ মানবদেহে ঔষধ পরীক্ষণ দ্বারা যে, রূপ লক্ষণ সমষ্টির উৎপত্তি হয় সেই রূপ লক্ষণ সমষ্টি বিশিষ্ট রোগীর সাদৃশ্য উক্ত ঔষধে শক্তিকৃত অংশ সুক্ষ্ম মাত্রা এককভাবে প্রয়োগ করে রোগীকে বিনা কষ্টে, দ্রুত ও স্থায়ীভাবে আদর্শ আরোগ্যের ব্যবস্থা করতে পারে সে চিকিৎসা পদ্ধতিকে হোমিওপ্যাথি বিজ্ঞান বা হোমিওপ্যাথি বলে।

#মূলনীতিঃ
হোমিওপ্যাথি এমন এক আরোগ্যকলা যা সম্পন্ন রূপে প্রাকৃতিক বিধানের উপরে প্রতিষ্ঠিত।
(১)প্রাকৃতিক সদৃশ নীতি;(২) ঔষধ পরীক্ষণ নীতি;
(৩) ঔষধের শক্তিকরন নীতি;(৪) একক ঔষধ নীতি;
(৫) শক্তিকৃত ঔষধ ব্যবহার নীতি;(৬) ক্ষুদ্রতম মাত্রানীতি এবং (৭) রোগীর ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্য ও ঔষধের স্বত্তা স্বাতন্ত্র্য নীতি।
#প্রাকৃতিক_সদৃশ_নীতি:- প্রধান এই নীতির মূল কথা হল, রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী এজেন্ট (অনুজীব, রাসায়নিক,পদার্থ ইত্যাদি) সেই রোগ নিরাময়ের ক্ষমতা রাখে। সোজা বাংলায় কাটা দিয়ে কাটা তোলা।

#ক্ষুদ্রতম_মাত্রানীতি:- সক্রিয় ঔষধের মাত্রা (ঘনত্ব) যত কম হবে, ঔষধের কার্যকরীতা (ক্ষমতা) তত বেশি বৃদ্ধি পাবে।

ীতি;:- একসাথে একাধিক রেমেডি ব্যবহার না করে মাত্র একটি রেমেডি ব্যবহার।

:- #প্রধান_নীতি Like Cures like হলেও দুরারোগ্য রোগের ক্ষেত্রে এখানে মূলত হোমিওপ্যাথিক নিয়মে রোগীর DNA তে বিদ্যমান প্রিডোমিন্যান্ট True Diseases কে রেসিসিভ বা নিস্তেজ করা হয়ে থাকে। এর ফলে সেটি কর্তৃক সৃষ্ট শরীরে যাবতীয় জটিল লক্ষণ উপসর্গ বা রোগ-ব্যাধি স্থায়ীভাবে দূর হয়ে যায়।

#হোমিওপ্যাথির_উৎপত্তি_ও_ইতিহাস
হোমিওপ্যাথির আবিষ্কারক ছিলেন জার্মান চিকিৎসক ডক্টর স্যামুয়েল হ্যানিম্যান। ১৭৯৬ সালে তিনি প্রথম এই চিকিৎসা পদ্ধতির মূলনীতি প্রকাশ করেন। তিনি লক্ষ্য করেছিলেন যে, কোনো পদার্থ বড় মাত্রায় গ্রহণ করলে যেসব উপসর্গ সৃষ্টি হয়, ক্ষুদ্রমাত্রায় সেই পদার্থই সেসব উপসর্গ নিরাময়ে সাহায্য করতে পারে। তার এই পর্যবেক্ষণ থেকেই হোমিওপ্যাথির মূলনীতি “সদৃশ সদৃশ্যকে নিরাময় করে” উদ্ভূত হয়। তিনি বিভিন্ন উদ্ভিদ, খনিজ এবং প্রাণিজ উপাদানের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার পদ্ধতির ভিত্তি স্থাপন করেন

#হোমিওপ্যাথিক_চিকিৎসার_বৈজ্ঞানিক_ভিত্তি:

কোনকিছু দেখা না গেলেই যে তার অস্ত্বিত্ব নেই তা ভাবা ঠিক নয়। এই বিশ্বে এমন অনেক কিছুই অছে যা কোন এক সময়ে আবিষ্কৃত ছিলনা । কিন্তু পরবর্তীতে তা আবিষ্কৃত হয়েছে এবং বিজ্ঞান স্বীকৃতি দিয়েছে । হোমিওপ্যাথি একটি বিজ্ঞান সম্মত চিকিতসা ব্যবস্থা ।হোমিওপ্যাথি বিজ্ঞানসম্মত এবং লোককল্যাণকর চিকিৎসা ব্যবস্থা । হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় রোগ সমূলে আরোগ্য হয়ে থাকে।

#প্রমাণভিত্তিক_গবেষণা
বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে যে হোমিওপ্যাথি কার্যকর এবং এর কার্যকারিতা কেবল Placebo Effect নয়। উদাহরণস্বরূপ:

জার্নালের একটি গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে হোমিওপ্যাথি দীর্ঘস্থায়ী রোগের চিকিৎসায় কার্যকর।

(BMJ)-এ প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে, হোমিওপ্যাথি নির্দিষ্ট রোগের ক্ষেত্রে আলোপ্যাথির তুলনায় বেশি ফলপ্রসূ।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার কার্যকারিতা নিশ্চিত করার জন্য এখনও অনেক গবেষণা চলছে।

সবচেয়ে বিখ্যাত গবেষণাগুলির মধ্যে,১৯৯১ সালে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল ২৫ বছর ধরে প্রদত্ত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার একটি বৃহৎ বিশ্লেষণ প্রকাশ করে।

এই প্রকল্পে রক্তনালী রোগ, শ্বাসকষ্ট, সংক্রমণ, পেটের সমস্যা, অ্যালার্জি, অস্ত্রোপচার থেকে আরোগ্য, আর্থ্রাইটিস, ট্রমা, মানসিক সমস্যা, ডায়াবেটিস এবং অন্যান্য সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের উপর ১০০ টিরও বেশি গবেষণা জড়িত ছিল। গবেষণায় বেশিরভাগ শ্রেণীর সমস্যার ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার উন্নতি দেখা গেছে এবং এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে "কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণের জন্য হোমিওপ্যাথিকে নিয়মিত চিকিৎসা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ" রয়েছে।

#ন্যানো_সায়েন্স_ও_হোমিওপ্যাথি

কিছুদিন পূর্বে ভারতের একদল গবেষক ন্যানো টেকনোলজির মাধ্যমে এটি প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে যে, একাধিক বার ডাইলুশনের পরেও হোমিওপ্যাথিক ঔষধের উপাদান থেকে যায়। এতদিন বিজ্ঞান এটা প্রমাণ করতে পারেনি। তাঁর মানে হলো বিজ্ঞান তখন সেই পর্যন্ত যেতে সক্ষম হয়নি। আজ চির সত্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছে। তাঁর মানে এতদিন হোমিওপ্যাথিকে জানতে বিজ্ঞানের দুর্বলতা ছিল।
বর্তমান ন্যানো-প্রযুক্তির গবেষণা অনুযায়ী, হোমিওপ্যাথিক ওষুধে ন্যানো-কণার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এই ন্যানো-কণা কোষের সঙ্গে ক্রিয়া করে রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে। এটি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করে।

#মানবদেহে_প্রমাণকরণ(Proving)

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, এর ওষুধগুলো মানুষের ওপর প্রমাণকরণ (Proving) করা হয়। এর মানে, হোমিওপ্যাথিক ওষুধ প্রয়োগ করার আগে সেগুলোর কার্যকারিতা এবং উপযোগিতা মানব শরীরে পরীক্ষা করা হয়।

#অন্যদিকে_আধুনিক_চিকিৎসা_পদ্ধতিতে_____________ওষুধগুলোকে ইঁদুর, গিনিপিগ, বা এ জাতীয় ইতর প্রাণীর ওপর প্রয়োগ করে পরীক্ষা করা হয়।
ফলে, হোমিওপ্যাথিক ওষুধের কার্যকারিতা এবং মানবদেহে এর উপযোগিতা অধিকতর গ্রহণযোগ্যভাবে নিরূপণ করা সম্ভব হয়। এ কারণেই হোমিওপ্যাথি অনেক ক্ষেত্রে মানব শরীরের জন্য আরও উপযোগী চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত।

সুতরাং বুঝতেই পারছেন, হোমিওপ্যাথির রয়েছে নির্দিষ্ট নিয়মনীতি যা বিশ্বের আর কোন চিকিৎসা পদ্ধতির নেই। আর হোমিওপ্যাথির নির্দিষ্ট নিয়মনীতি অনুসরণ করে ঔষধ প্রয়োগ করলে রোগ সেরে যাচ্ছে। কিন্তু ঔষধটি ঠিক কিভাবে রোগ সারাচ্ছে অর্থাৎ ভেতরে এর মেকানিজম কি? আধুনিক বিজ্ঞান আজ পর্যন্ত সেটা পুরুপুরি উদ্ঘাটন করতে পারেনি অর্থাৎ আবিষ্কার করতে পারেনি।

তবে আজ পর্যন্ত যেটুকু উদ্ঘাটিত হয়েছে, এক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি এর ব্যাখ্যা হল দ্রাবক দ্রবীভূত পদার্থের বৈশিষ্ট্যগুলি পুনরুউৎপাদন করার ক্ষমতা রাখে। অর্থাৎ কোন দ্রাবক (পানি বা আ্যলকোহল) এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে যেখানে দ্রাবক তাতে পূর্বে দ্রবীভূত যেকোন দ্রাবের বৈশিষ্ট্য, ধর্ম অর্জন করে নিজের কাঠামোগত পরিবর্তন করে দীর্ঘদিন তা ধারন করে যা Memory of water নামে পরিচিত।

দ্রাবকে দ্রাবের পরিমান যা কম এবং পর্যায়ক্রমিক লঘুকরনের সময় মূল রেমেডির যত বেশি ঝাকানো হবে দ্রবীভূত দ্রাবের বৈশিষ্ট্য তত বেশি দ্রাবকে ট্রান্সফার হয়ে মেমোরি তত তীব্র করে রেমেডির শক্তিমাত্রা বৃদ্ধি করে। বর্তমানে Memory of water নিয়ে সুক্ষ্ম রিসার্চ চলছে। ২০০৮ সালে মেডিসিনে নোবেল বিজয়ী মন্টাগনিয়ার বিজ্ঞানীদের স্তম্ভিত করেছিলেন যে ডিএনএ দুর্বল তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ নির্গত করে যা পানিতে কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটায় যা তীব্র লঘুতায় ও স্থায়ী থাকে।

#লর্ড বেকনের প্রবর্তিত বৈজ্ঞানিক গবেষণার আরোহনীতি এবং #আধুনিক_বিজ্ঞানের জনক স্যার আইজ্যাক নিউটন এর আবিষ্কৃত তৃতীয় গতি সূত্রের উপর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিজ্ঞানের বৈজ্ঞানিক সূত্রটির সমতুল্য।

✍🏼গতি সূত্রটিঃ "প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত ধর্মী প্রতিক্রিয়া আছে।"

বিজ্ঞানের প্রশ্ন আসলে ওষুধের মধ্যে মেটেরিয়ালস খোঁজা শুরু করে, হোমিওপ্যাথরাও তাই করে।মেটেরিয়ালস পাওয়া না পাওয়াই বিজ্ঞানের সর্ত নয়।তাছাড়া ৬ পাওয়ার পর্যন্ত মেটেরিয়ালস এর ঘাটতি নাই।
পৃথিবীর একমাত্র বিজ্ঞানী হ্যানিম্যান,যিনি একক ভাবে পৃথিবীকে ৭টি মৌলিক নীতি উপহার দিয়ে,রবার্ট এইচ হার্ট এর পৃথিবীর এযাবৎকালের সেরা ১০০ জনের তালিকায় হ্যানিম্যান ২৯ নম্বরে স্হান পেয়েছেন।মৌলিক নীতি আবিষ্কারের দ্বিতীয় অবস্থানে নিউটন,একা ৩টি মৌলিক নীতি উপহার দিয়েছেন।

✍🏼বিশ্বের বিখ্যাত পদার্থ বিজ্ঞানী নিকোলাস টেসলা বলেছেন - পৃথিবীর গোপন রহস্য কেউ বুঝতে চাইলে সে যেন শক্তি (Energy), কম্পন (Vibration) এবং কম্পাঙ্ক (Frequency) নিয়ে পড়াশোনা করে। তার কথার সত্যতা উপলব্ধি করা যায় হোমিওপ্যাথিক বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করলে। প্রতিটি হোমিও ঔষধই হলো শক্তিকৃত যেখানে রয়েছে কম্পন আর কম্পাঙ্কের সমন্বয়। নির্দিষ্ট মাত্রায় ঝাকি দিয়ে হোমিও ঔষধের শক্তি বৃদ্ধি করা হয়ে থাকে আর শক্তিকৃত ঔষধই মানব দেহে প্রয়োগ করা হয়ে থাকে।

✍🏼হ্যানিমান শক্তিকরণে আনেন যুগান্তকারী বৈজ্ঞানিক পরিবর্তন- স্থুল মাত্রার চেয়ে সূক্ষ্ম মাত্রাতেই ঔষধের আরোগ্যকারী ক্ষমতা অধিক নিহিত। এরুপে ঔষধের মাত্রার পরিমাণ কমাতে গিয়ে হ্যানিম্যান শক্তিকরণ বা Principle of Potentization আবিষ্কার করেন।

✍🏼বিজ্ঞানী ডালটন এর মতে - পদার্থকে ভেঙ্গে ভেঙ্গে যে সূক্ষ্মতম স্তরে উপণীত হওয়া যায় তা পারমাণবিক স্তর (Atomic)। তার ধারণা পরমাণু (Atom) অবিভাজ্য। এই অখন্ডনীয় পরমাণুর সমন্বয়ে পদার্থ গঠিত হয়। প্রত্যেক পরমাণু এক একটি শক্তিকেন্দ্র।

✍🏼বিজ্ঞানী স্যার উইলিয়াম ব্রকস পরীক্ষা করে প্রমাণ করেন যে, পরমাণুকে বৈদ্যুতিক শক্তির দ্বারা আরও সূক্ষ্ম অংশে বিভক্ত করা যায়। হোমিওপ্যাথি শক্তিকরণে তিনটি সত্য প্রকট-
বিভাজিত ঔষধ যতো সূক্ষ্ম হোক-না-কেন তার জড় পদার্থ অবিনশ্বর থাকবে।
ঔষধ যতো বেশি সূক্ষ্ম হবে ততোবেশি শক্তিশালী হবে।
বাঞ্জিত শক্তি লাভের প্রয়োজনে ঔষধ ইচ্ছামত বিভাজিত করা যায়।

✍🏼প্রফেসর জর্জ ভিথোলকাস
হোমিওপ্যাথিক ঔষধের ক্রিয়াশীলতা বা সক্রিয়তা নিয়ে শতাব্দী ধরে তর্ক-বিতর্ক বিদ্যমান। মূলত উচ্চশক্তির হোমিওপ্যাথিক ঔষধে মূল দ্রব্যের কোনো মলিকিউল না পাওয়ায় প্রচলিত বিজ্ঞান যেমন এর ঔষধী ক্রিয়ার ব্যাপারে দ্বিধাগ্রস্ত। অন্যদিকে, হোমিওপ্যাথদের দাবি ছিল এটি বায়ো-এনার্জেটিক মেডিসিন, যেখানে মূল ঔষধী দ্রব্যকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় শক্তিতে রূপান্তর করা হয়। এই শত বৎসরের চিরায়াশ্র দ্বন্দের অবসান ঘটেছে- অতি সাম্প্রতিক একটি গবেষণার ফলাফলে। অতি সম্প্রতি international Academy of Classical Homeopathy (IACH) এর রিসার্চ টিম সম্প্রতি "Ultra-high dilutions analysis: Exploring the effects of potentization by electron microscopy, Raman spectroscopy and deep learning" শিরোনামে একটি গবেষণা সম্পাদন করেন এবং Journal of Molecular Liquids এ সেটা প্রকাশিত হয়। যেখানে ধাতব সোনা থেকে প্রস্তুত অরাম মেটালিকাম নামের একটি ঔষধকে 6C, 30C ও 200C শক্তিতে প্রস্তুত করা হয় এবং ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপ, রমন স্পেক্ট্রোস্কোপ ও ডিপ-লার্নিং এলগরিদমের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়। তাতে ভিন্ন ভিন্ন শক্তিতে প্রস্তুত ঔষধগুলোর গঠন-বিন্যাস ও বৈশিষ্ট্যে পার্থক্য ধরা পড়ে, যার দ্বারা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তাদের প্রত্যেককে আলাদা আলাদাভাবে শনাক্ত করা ও শ্রেণিকরণ করা সম্ভব। গবেষণাটি প্রমাণ করে যে, হোমিওপ্যাথিক প্রক্রিয়ায় উচ্চশক্তিতে প্রস্তুত ঔষধ তাদের শক্তি অনুযায়ী বিভিন্ন প্রকারের সক্রিয় বৈশিষ্ট্য ও ক্রিয়াশীলতাকে ধারণ করে। এককথায়, উচ্চশক্তির হোমিওপ্যাথিক ঔষধ একটি সক্রিয় উপাদান হিসাবে এবার বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত হলো।

হোমিওপ্যাথিক ঔষধের ব্যাপারে সমালোচক মহলের মূলত আপত্তি ছিলো যে- এভোগাড়ো নাম্বারের উপর কোনো দ্রব্যের মলিকিউলই কোনো দ্রবণে অবশিষ্ট থাকে না, কাজেই হোমিওপ্যাথির উচ্চশক্তিগুলো সক্রিয় কোনো উপাদান হতে পারে না। কিন্তু প্রফেসর ভিথোলকাসের তত্ত্বাবধানে ও ডা. ক্যামেলিয়া গ্রোসানের নেতৃত্বে গবেষক দল এভোগাড্রো নাম্বারের উপরের উচ্চশক্তিতেই তাদের পরীক্ষা সম্পাদন করেন এবং

ইতিবাচক ফলাফলকে নিশ্চিত করেন। গবেষকদলের মতে, বিগত ২০০ বৎসর ধরে বিগত ২০০ বৎসর ধরে যে প্রশ্নটি সকলের মধ্যে দ্বিধার সৃষ্টি করে রেখেছিল- এই গবেষণার মাধ্যমে সেই দ্বন্দ্বের অবসান হলো এবং হোমিওপ্যাথি যে একটি বৈজ্ঞানিক চিকিৎসাপদ্ধতি সেটাও এর দ্বারা প্রমাণিত হলো।

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা দ্বারা স্বকৃীত একটি চিকিৎসা পদ্ধতি।

✍🏼👉হোমিওপ্যাথি বনাম আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি

✅হোমিওপ্যাথি: ইহার ভিত্তি হলো প্রকৃতিকে নির্ভুলভাবে অনুসরণ করা অর্থাৎ প্রকৃতির ক্রিয়াধারার পর্যবেক্ষণ, সর্তক, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিশুদ্ধ অভিজ্ঞতা যা পুরাপুরি ভাবে বিজ্ঞানের সংজ্ঞাকে অনুসরণ করে।

✅এলোপ্যাথি: হোমিওপ্যাথির বিপরীত পদ্ধতিতে এমন ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা করা হয় যে,সেই সব ঔষধ সুস্থদেহে এমন রোগ লক্ষণ সৃষ্টি করে যার সঙ্গে রুগ্নব্যক্তির রোগ লক্ষণের কোন সাদৃশ্য থাকে না।ইহা অনুমান, আন্দাজ, ইতর প্রাণীর উপর গবেষণার ফল মাত্র।

হোমিওপ্যাথি সদৃশনীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যা দেশ, কাল ও পাত্রভেদে তার পরিবর্তন হয় না। কিন্তু এ্যালোপ্যাথিতে নীতির স্থিরতা নাই। যে ঔষধ অভ্রান্ত ও অমোঘ বলিয়া প্রচার ও নির্বিকারে প্রয়োগ করা হয় কিছুদিন পর তা ভ্রান্ত ও ক্ষতিকর বলে পরিত্যাক্ত হয়।

✍🏼উপসংহার: ডা.হ্যানিম্যান তার 'অর্গানন অব মেডিসিন ' গ্রন্থের ৫৩ নং সূত্রে বলেছেন,"বিশুদ্ধ সদৃশ আরোগ্যে কলাই একমাত্র সঠিক পদ্ধতি। মানব শিল্পের মধ্যে ইহা অন্যতম। ইহা আরোগ্যে লাভের সহজ পদ।দুইটি নির্দিষ্ট বিন্দুর মধ্যে একটি সরল রেখার মতো ইহা সুনিশ্চিত "

সুতরাং উপরোক্ত আলোচনা পর্যালোচনা করে সুনিশ্চিত ভাবে বলা যায় হোমিওপ্যাথি একটি বিজ্ঞান ভিত্তিক চিকিৎসা। হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল সাইন্স জন্ম থেকেই প্রমানীত এবং বিজ্ঞান জার্নালে প্রকাশিত কমপ্লিট মেডিকেল সাইন্স।
হোমিওপ্যাথি অল্টারনেটিভ মেডিসিন নয়।
কমপ্লিট কেন বল্লাম। বল্লাম এ জন্য যে,বিজ্ঞানের সঙ্গার সব কয়টি সর্ত একমাত্র হোমিওপ্যাথি পূরণ করেছে।
পরিশেষে ডা.হ্যানিম্যানের উক্তিটিকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরে হোমিওপ্যাথিকে জানতে হবে।
উক্তি: ‘‘আমি বৃথা জীবন ধারণ করিনি, সমস্ত কিছুই প্রমাণ করব যা ভাল তা শক্ত করে ধরব”

ডা. মোঃ শহিদুল ইসলাম
ডি.এইচ.এম.এস(ঢাকা)
রেঃজিঃ ৩৮৯০৭
চেম্বারঃ মারুফ হোমিও কেয়ার
০১৪০১-২৭১০৯৫

বিভিন্ন আর্টিকেল থেকে সংগ্রহীত

সালটা 1999 অথবা 2000। আমি তখন রহনপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে অধ্যাপনার পাশাপাশি, স্থানীয় একটি প্রতিষ্ঠানে 6 মাস মেয়াদ...
29/06/2025

সালটা 1999 অথবা 2000। আমি তখন রহনপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে অধ্যাপনার পাশাপাশি, স্থানীয় একটি প্রতিষ্ঠানে 6 মাস মেয়াদী এলএমএএফপি ক্লাস নিতাম। সেটি ছিল একটি এ্যালোপ্যাথি ট্রেনিং সেন্টার যেখানে আমাকে এনাটমী, ফিজিওলজী, ফার্মাকোলজী (এ্যালোপ্যাথি ঔষধ এবং তাদের ইন্ডিকেশন্স, কন্ট্রাইন্ড্রিকেশন্স ইত্যাদি), প্র্যাকটিস অব মেডিসিন এবং সবশেষে হাতে কলমে সামান্য কিছু সার্জারীর ধারণা দিতে হতো।

ডিএইচএমএস অনেক শিক্ষার্থী যেমন হোমিওপ্যাথি কলেজে ভর্তি হবার বহুবছর আগে থেকেই হোমিওপ্যাথি প্র্যাকটিস করেন এবং একটা সার্টিফিকেট নেয়ার জন্য কলেজে ভর্তি হন - এখানে, এই এলএমএএফপি ট্রেনিং সেন্টারেও অবস্থাটা অনেকটা সেরকমই ছিল। অর্থাৎ, অনেক বয়স্ক বয়স্ক পল্লীচিকিৎসক এখানকার ছাত্র ছিলেন।

একদিন আমি এলএমএএফপি ক্লাসের ছাত্রদের প্রশ্ন করলাম, “বলুন তো রেনিটিডিন, ফেমোটিডিন, সেমিটিডিন - এরা কিভাবে হাইপার এসিডিটি কন্ট্রোল করে?” সবাই চুপ থাকলেও একজন ছাত্র দাঁড়িয়ে উত্তর দিলো “এগুলো হচ্ছে H2 receptor blocker, আমরা যখন এই ঔষধগুলো খাই তখন পাকস্থলীর প্যারাইট্যাল সেল - যেগুলো থেকে হাইড্রোক্লোরিক এসিড নিঃসরণ হয়, তাদের নিঃসরণের পথ বন্ধ (ব্লক) করে দেয়, ফলে হাইড্রোক্লোরিক এডিস নিঃসরণ হতে পারে না এবং আমাদের হাইপারএসিডিটি নিয়ন্ত্রনে আসে।”

চমৎকার উত্তর।

এরই ধারাবাহিকতায়, আমি আমার কয়েকজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক বন্ধুদের নিয়ে বের হলাম একটা জরিপ করার উদ্দেশ্যে যে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকরা তাঁদের চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে কতটা ধারণা রাখেন এবং জেলার প্রায় শতাধিক হোমিওপ্যাথিকে প্রশ্ন করলাম “আচ্ছা বলুন তো - হোমিওপ্যাথি ঔষধ কিভাবে কাজ করে?

সবাই চুপ থেকে ছিল !! তাঁদের মধ্যে কয়েকজন মাত্র বলেছিলেন যে, হোমিওপ্যাথিক ঔষধ জিবনীশক্তিকে (Vital force) উদ্পিপ্ত করে রোগী আরোগ্য করে।

অদ্ভৎ ব্যাপার !! আমরা রোগীকে হোমিওপ্যাথি ঔষধ দিই অথচ হোমিওপ্যাথি ঔষধের Mode of action জানি না। যেখানে 6 মাস মেয়াদী সাধারণ পল্লী চিকিৎসকরাও জানে যে, প্যারাসিটামল কিভাবে জ্বর কমায়, সেমিটিডিন কিভাবে গ্যাস কমায়, ডেসলোরাটেডিন কিভাবে এ্যালার্জী নিয়ন্ত্রন করে, সেখানে ডিএইচএমএস, বিএইচএমএস, এতো বড়বড় ডিগ্রী অথচ সহজ একটা কথাকে সহজভাবে না বলে আরো কঠিন থেকে কঠিনতর এবং দূর্বোধ্যভাবে বলা হয়। এটা আমাদের জন্য সত্যিই খুব দুঃখজনক।

ডা. স্যামুয়েল হানেম্যান তাঁর অর্গানন অফ মেডিসিনের 29 নং Aphorism এ বলছেন, "Every agent that acts upon the vitality, every medicine, deranges more or less the vital force, and causes a certain alteration in the health of the individual for a longer or shorter period. This is termed the primary action." অর্থাৎ, প্রত্যেকটি ঔষধ, যা জীবনীশক্তির উপর ক্রিয়া করে, তা কমবেশি জীবনীশক্তিকে বিপর্যস্ত করে এবং একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ব্যক্তির স্বাস্থ্যে এক ধরনের পরিবর্তন সৃষ্টি করে। এই পরিবর্তনকেই বলা হয় প্রাথমিক ক্রিয়া বা ‘primary action’। অর্থাৎ ঔষধ (বা ভেষজ) প্রয়োগ পরবর্তী এই primary action টিই হলো একটি কৃত্রিম রোগ অবস্থা।"

26 নম্বর Aphorism এ তিনি বলছেন, This depends on the following homoeopathic law of nature which was sometimes, indeed, vaguely surmised but not hitherto fully recognized, and to which is due every real cure that has ever taken place. অর্থাৎ “এই বিষয়টি একটা প্রাকৃতিক নিয়মের ওপর নির্ভর করে, যেটা অনেক আগেই অনেকে আন্দাজ করেছিলেন, কিন্তু সঠিকভাবে বোঝেননি। আসলে এই নিয়মটাই হচ্ছে সব সত্যিকারের রোগ সারানোর মূল চাবিকাঠি।"

27 নং Aphorism এ আবারও তিনি বলছেন যে, The curative power of medicines, therefore, depends on their symptoms, similar to the disease but superior to it in strength, so that each individual case of disease is most surely, radically, rapidly and permanently annihilated and removed only by a medicine capable of producing (in the human system) in the most similar and complete manner the totality of its symptoms, which at the same time are stronger then the disease. (একটি ওষুধ তখনই রোগ আরোগ্য করতে পারে, যদি সেই ওষুধে এমন সব গুণ থাকে যা রোগের মতোই কিন্তু রোগের চেয়ে বেশি শক্তিশালী। তখনই সেই ওষুধটি রোগকে পুরোপুরি, দ্রুত এবং স্থায়ীভাবে দূর করতে পারে)।

অর্থাৎ, Homeopathic medicine creates an artificial disease, which, when resembling and surpassing the original ailment in potency, suppresses and eradicates the natural disease. (হোমিওপ্যাথিক ঔষধ একটি কৃত্রিম রোগ সৃষ্টি করে যা প্রকৃত রোগের সাথে সাদৃশ্য এবং অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী হলে, প্রাকৃতিক রোগকে দমন এবং নির্মূল করে দেয়)।

মোটকথা, ঔষধের কৃত্রিম রোগ সৃষ্টিকারী শক্তিই অনুরূপ (প্রাকৃতিক) রোগ আরোগ্যকারী শক্তি।

আর, এতো ত্বত্ত্বকথার সবচেয়ে বড় প্রামান্য দলিল তো আমাদের হোমিওপ্যাথির জনক ডা. স্যামুয়েল হানেম্যান নিজেই, যখন তিনি ডা. উইলিয়াম কালেন এর বই অনুবাদ করার সময় পড়েছিলেন যে, সিঙ্কোনা বার্ক (Cinchona bark) কম্পজ্বর আরোগ্য করে, তিনি এ বিষয়ে সন্দিহান হয়ে সিঙ্কোনা বার্ক সেবন করেন এবং কম্পজ্বরে আক্রান্ত হন। তিনি পুনরায় সিঙ্কোনা বার্ক অল্পমাত্রায় সেবন করেন এবং কম্পজ্বর থেকে মুক্ত হন। এটা 1790 সালের ঘটনা। এরপর তিনি দ্বিতীয় যে ঔষধটি প্রুভিং করেন সেটি 1796 সালে, আর্সেনিকাম এল্বাম। তৃতীয় ঔষধ (নাক্স ভোমিকা), প্রুভিং করেন 1797 সালে এবং পরে ইগ্নেশিয়া এ্যামেরা 1797 থেকে 1798 সালের মাঝামাঝি। ডা. কন্সট্যান্টাইন হেরিং (Dr.Constantine Hering) ল্যাকেসিস মুটা (Lachesis muta) এভাবেই প্রুভিং করেছিলেন এবং সেটাকে শক্তিকৃত করে (1c) সেবন করে নিজের প্রানরক্ষা করেছিলেন।

এত প্রমানাদি থাকার পরেও আমরা রোগ আরোগ্যের জন্য “ভাইটাল ফোর্স, ভাইটাল ফোর্স” করে চেঁচিয়ে জগৎ মাথায় করি। আরে ভাই, ভাইটাল ফোর্স রোগ আরোগ্য করে না, রোগ আরোগ্যে সহায়তা করে মাত্র। “In the healthy condition of man, the vital force (autocracy) which animates the material body, rules with unbounded sway, and retains all the parts of the organism in admirable, harmonious vital operation.”

এতো এতো অনলাইন ক্লাস, এতো এতো হোমিওপ্যাথি কলেজ, এতো শিক্ষক কিন্তু নতুন ছাত্রছাত্রীদের তারা এই অতি সহজসরল হোমিওপ্যাথির ব্যখ্যাটা দেন না কেন - এটা আমার মস্তিস্কে আসে না। এটা কি তাদের অজ্ঞতা ? তাঁরা বিষয়টি জানেন না ? অর্গানন অফ মেডিসিন হৃদয়ঙ্গম না করে, তোতাপাখির মতো ছাত্রছাত্রীদের সামনে বুলি আওড়ে (ভুল) জ্ঞানদান করেন ? নাকি অন্যকিছু ? কি লাভ তাতে ?

হোমিওপ্যাথি ঔষধ প্রথমে রোগীর শরীরে একটি কৃত্রিম রোগ সৃষ্টি করে (ঔষধটি সাদৃশ্য অথবা বৈশাদৃশ্য যেমনই হোক না কেন), কৃত্রিম রোগটি প্রাকৃতিক রোগের সাদৃশ্য হলে - যেহেতু একই শরীরে দুইটি রোগলক্ষন (কৃত্রিম এবং পূর্বাবস্থিত প্রাকৃতিক) সৃষ্টি হয়, সেকারণে রোগটির “প্রাথমিক বৃদ্ধি” দেখা দেয়। যেটাকে আমরা শুভলক্ষন হিসাবে গন্য করি।

“হোমিওপ্যাথি ঔষধ কৃত্রিম রোগসৃষ্টির মাধ্যমে প্রাকৃতিক রোগ আরোগ্য করে।” একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক অথবা একজন ছাত্র এটা জানলে, তিনি কখনোই ১, একসাথে একাধিক ঔষধ ব্যবহার করবেন না। ২. অবশ্যই একক এবং সাদৃশ্য ঔষধ নির্বাচনের জন্য রোগীর পরিপূর্ণ এবং পূর্ণাঙ্গ কেইস টেকিং করবেন। ৩. ঔষধ নির্বাচনে ব্যর্থ হয়ে এদিক সেদিক বিচলিত হয়ে পেটেন্ট নির্ভর হবে না এবং ৪. ভুল বা বিসদৃশ্য ঔষধ প্রয়োগ করে ফেললে তা প্রতিষেধ করার একটা সুচিন্তা তাদের থাকবে। আর সর্বোপরি, তারা সাদৃশ্য ঔষধও ঢালাওভাবে, বিষমাত্রায় প্রয়োগ না করে - খুব অল্পমাত্রায় প্রয়োগ করার প্রয়াস পাবেন। এটা তো খুব সহজ কথা !!!

লেখাটির সাথে আপনি ইচ্ছা করলে ভিন্ন মত পোষন করতে পারেন।

লেখার লিঙ্কটি সেভ করে রাখুন। পরবর্তী আলোচনায় আমি এরই ধারাবাহিকতায় আরো সহজ করে, সহজ কিছু আলোচনা করবো। সহজ কথা সহজভাবেই বলবো, তাতে কেউ মানলে মানবেন না মানলে আরো একবার অর্গানন অফ মেডিসিনটা পড়ে নেবেন দয়া করে। হোমিপ্যাথিতে সহজ কথা এতো জটিলভাবে বলা হয় কেন বলুন তো !!!

অনেক ধন্যবাদ। শুভরাত্রি।

ডা. রাতুল মাহমুদ সজল
বিএইচএমএস
প্রাক্তন প্রভাষক, রহনপুর হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
28/06/25
https://www.facebook.com/share/1CARxgVMAm/

https://www.facebook.com/share/12KEwvHSX3C/ব্যথা এবং রুটা,রুটার সহজ ব্যবহার।রুটা ঔষধটি যতটা ব্যবহার যোগ্য হওয়ার কথা ততটা...
31/05/2025

https://www.facebook.com/share/12KEwvHSX3C/ব্যথা এবং রুটা,
রুটার সহজ ব্যবহার।

রুটা ঔষধটি যতটা ব্যবহার যোগ্য হওয়ার কথা ততটা ব্যবহার এর হয়না বললেই চলে।

হ্যানিম্যানের বহু আগে থেকেই রুটা গার্হস্থ ঔষধ হিসাবে ব্যবহার হতো কিন্তু সেটি আঘাতের ঔষধ হিসাবে নয় অন্যান্য ক্ষেত্রে,
প্রুভিং এ এর আঘাত, বিশেষত হাড়ের আঘাত, শরীর পেশীর অতিরিক্ত ব্যবহার জনিত ব্যথা ইত্যাদি বিষয়গুলো উঠে আসে।
কব্জিতে ব্যথাযুক্ত গুটি তৈরি (গ্যাংলিয়ন) হলে ঔষধরির ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে,
একই সাথে হাতের তালুতেও এর নোডোসিটি বা গুটি তৈরির প্রবনতা আছে।
ন্যাট মিউ,ন্যাট কার্ব এর মতো হাতের তালুতে এর আঁচিল তৈরির প্রবনতা আছে,
এর আচিল ফেরাম পিক এর মতো চ্যাপ্টা "দাদ" এর মতো ছড়িয়ে যাওয়া সদৃশ।
সচরাচর শততমিক উচ্চ শক্তি।

চোখের যারা ব্যাপক ব্যবহার করেন-
(মোবাইল, কম্পিউটার চালানো, ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশের মেকানিক সেলাই এর কাজ করা)
এদের মাথা ব্যথা,চোখের ব্যথা,দৃষ্টি জনিত সমস্যা সহ যেকোনো স্নায়ু বা পেশীর দীর্ঘদিনের অতিরিক্ত ব্যবহার জনিত সমস্যায় এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ।
তাই-
ছাত্র -ছাত্রীদের মাথা ব্যথায় ক্যাল ফস,ন্যাট মিউ বেশি ব্যবহার হলেও এর উপযোগীতা বেশি,
কখন?
যাদের দৃষ্টির সমস্যা এসে গেছে,যারা মাথা ব্যথার জন্য অলরেডি চশমা নিয়েছে, যাদের বই অনেক কাছে এনে পড়তে হয় অথবা দূরে সরিয়ে পড়তে হয়।
ইউফ্রেশি এবং রুটিয়েসি প্লান্ট হিসাবে ব্যাপক চোখের সমস্যা তৈরি করে -
তাই-
এদের চোখ অস্বাভাবিক গরম,এদের চোখের স্রাব গরম,যখন চোখ রগড়ায় তখন মনে হয় যেন চোখে একটা অঙ্গারের দলা নড়াচড়া করছে।

রেপার্টরীতে ঔষধটির ব্যথার বহু অনুভূতি যুক্ত আছে এবং আরও বহু বহু রুব্রিকে এটাকে সংযুক্ত করতে হবে,
বিশেষত এর মন এবং স্টিফনেস বা আরস্টতা,টেনে ধরা,খিচে ধরা ইত্যাদি জেনারেল অংশের বাইরে পার্টিকুলারলি ঔষধটির অন্তর্ভুক্তি খুবই অপ্রতুল।

ব্যথায় ঔষধটির মূল অনুভূতি হলো দুটি-
এক,আর্নিকা,রাস,কলো,ব্রায়ো,সিমিসি,ইত্যাদির মতো স্টিফনেস বা টেনে ধরা খিচে ধরা।
দুই,রাস,ইউপেট পার্ফ,হ্যামা,পাইরোজেন,কস্টি, ব্যাপ্টি,ফাইটো, সর্বোপরি আর্নিকার মতো-থেতলে যাওয়া, যেন ভেঙ্গে গেছে,যেন পিষে দিয়েছে,যেন পিটাইছে কেউ এমন অনুভূতি।

স্পাইনাল কর্ড বা ডিপার নার্ভে বেলিস এর মতোই এর উপযোগিতা এরও ব্যথা বেলিস এর মতোই নীচে, ওপরে,চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে।
যেখানে লিডাম ওপর দিকে ধাবমান ক্যালমিয়া নিম্নগামী এবং হাইপেরিকাম সেন্ট্রাল থেকে আঙ্গুলের ডগায় আসতে চায়।
তবে-
ব্যথার জায়গা থেকে নিচের দিকে বা অন্যদিকে ব্যথা ছড়িয়ে পড়া বেলিস এর প্রধান ইনডিকেশন।
সমস্ত আঘাতের পর সম্ভাব্য সেকেন্ড প্রেসক্রিপশনের দৌড়ে প্রায় এটি সবার ওপরে থাকে অধিকাংশ সময়,
সেই জন্য লিডাম,রাস,আর্নি সবার পর এটির উপযোগীতা তৈরি হয়।
সমস্ত ফ্রাকচার,ফ্রাকচার পরবর্তী বেদনা,পেশি টান খাওয়া,ভারোত্তোলন জনিত ব্যথা,
আর্নি,রাস,সিম্ফাই এর পর এর উপযোগিতা তৈরি হয়।

এর মডালিটি গুলো সচরাচর -রাস টক্স সদৃশ।
রাস,রুটা, ফেরাম মেট,এবং ক্যালি আয়োড মডালিটির দিক দিয়ে অনেক সদৃশ ঔষধ,
ক্যালি আয়োড আরও গভীর ক্রিয়াশীল।
তাই রাস,রুটা ব্যবহারের পর " ডিপ সিটেড" প্যাথোলজি গুলোতে ক্যালি আয়োড আরোগ্যে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে।

শুয়ে পড়লে,হেলান দিলে এদের সব ব্যথার সাধারণ উপশম রয়েছে বিশেষত মাজা ব্যথা,
রজার মরিসন সায়াটিকাকেও এর অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
তবে-শুলে বিশেষত রাতে শুলেই এর সায়াটিকার যন্ত্রণা বেশি বৃদ্ধি পায় ঠিক ক্যালি কার্বের মতো বা কিছু ক্ষেত্রে রাসের মতো।
দীর্ঘক্ষণ বসা অবস্থায় ভ্যালেরিয়ানা,কস্টি,এগারি এবং রাসের মতোই ব্যথার বৃদ্ধি হয়।
এর রোগীরা অনেকটা সালফ,বা বার্বেরিস এর রোগীর মতোই একটু দাড়িয়ে থাকলে বসার জায়গা খুজতে থাকে,
বেশিক্ষণ দাড়িয়ে থাকা অসম্ভব।

ব্যথাযুক্ত পাশে শয়নে বা চাপে ব্রায়োর রোগী আরাম পায়,প্লাটিনার রোগীর একটুও চাপ সহ্য হয়না,
আর রুটার রোগীর মাজা ব্যথা এবং সায়াটিকা চাপে উপশম হলেও অন্য সব ব্যথার জায়গা চাপ এমনকি টাচও সহ্য করতে পারেনা।
তাহলে -
ব্যথাযুক্ত পাশে শয়নে রুটা ব্রায়োর বিপরীত।

ফেরাম মেট,আয়োড এবং রাসের মতো সব ব্যথার লক্ষণ এর ক্রমাগত চলাফেরা এবং হালকা চলাফেরায় উপশম,
তবে-
মনে রাখা দরকার ব্রায়ো এবং রাসের মতো প্রথম সঞ্চালনে এই ঔষধটিতে ব্যাপক বৃদ্ধি রয়েছে।

আবার -
রুটার পায়ের ব্যথা চলা ফেরায় মারাত্মক বৃদ্ধি পায়,অক্ষম হয়ে পড়ে এবং রোগী চলতেই চায়না।
শক্ত বিছানায় চিৎ হয়ে থাকলে, কিছুটা শক্ত বিছানায় থাকলে এর মাজা ব্যথা উপশমিত হয়।
ব্যথার জায়গায় এর রোগীরা ঠান্ডা প্রয়োগ করলে, বরফ দিলে ব্যথা বৃদ্ধি পায়,
থুজা,ডালকা,রাস,ন্যাট সালফ,এরানিয়া,এর রোগীর মতোই রুটার ব্যথার রোগীরা ঠান্ডায় মারাত্মক বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়,
সেটা যেকোনো ঠান্ডা -
আবহাওয়া, বাতাস,(যদিও খোলা হালকা বাতাস পছন্দ করে) বর্ষা বাদল,সব আদ্র আবহাওয়া এদের অসহ্য।

রাসের রোগীদের সচরাচর বসা থেকে দাড়াতে ধরলে ব্যথায় কুকিয়ে ওঠে রুটার রোগীদের এটা খাট থেকে বা চেয়ার থেকে নামতে ধরলে বেশি পরিলক্ষিত হয়।

সচরাচর রুটার রোগীদের ব্যথা দিনে একটু আরাম থাকে,গরমে এবং গরম প্রয়োগ ব্যাপক না হলেও কিছুটা আরাম থাকে,
বিছানা থেকে নামতে কিছুটা খারাপ থাকলেও
সকালে কিছুটা ভালো থাকে,
তারপর দিনের কাজকাম শুরু হয়,
দিন গড়াতে থাকে,
শেষ বেলায় আবার অতিরিক্ত সঞ্চালন জনিত যন্ত্রণায় কষ্ট পেতে থাকে,
তখন আবার নেতিয়ে পড়ে।
ঔষধটি ব্যথা যন্ত্রণায় রাসের মতোই অস্থির যার কারণে এরাও বারবার এপাশ ওপাশ করতে থাকে,
কিন্তু এদের ব্যথার ফিলিংটা আর্নিকার মত থেতলে যাওয়া, পিষে যাওয়া।
আঘাতের পর যখনই পরবর্তী সময়ে সেই জায়গাটা দীর্ঘদিন শক্ত হয়ে থাকে গুটির মতো হয়,
তখন এর জায়গা আসে।
হোক সেটা-
গোড়ালি, আঙ্গুল,কনুই,কব্জি, পা,হাটু,হাটুর মাংসপেশি টান খাওয়া,
জয়েন্ট সন্ধি,কোনো কিছু ওপরে তোলার কারনে,
আঘাতের জায়গায় কিছুদিন পর পর নতুন করে টান খাওয়া,আঘাত পরবর্তী ক্রাম্প,

এখনকার সময়ের সবচেয়ে বড় সমস্যা -
ফাইব্রোমায়েলজিয়াতে এটি ব্যবহার হতে পারে,
কারণ হলো-
এর রোগীরা ব্যাপক অবসাদ গ্রস্ত,দূর্বলতা যুক্ত, ঠান্ডা সহ্য করতে না পারা,
নিস্তেজ, সামান্য টাচে বারবার ঘুম ভেঙ্গে যাওয়া,
অস্থির, নার্ভাস,উদ্বিগ্নতা যুক্ত,ঔষধটিতে অনেক ভয় এবং আতংক রয়েছে, মৃত্যু ভীতি রয়েছে।
বিকালের পর লাইকোর মতো রোগের বৃদ্ধি এবং দুশ্চিন্তার বৃদ্ধি রয়েছে।
এরা নিজের ব্যাপারে এবং অন্য কারও ব্যাপারেই সন্তোষ্ট নয়।

বাত,আঘাত,হাড়ের আঘাত, হাড়ের ওপরের আবরণে আঘাত, সন্ধিচ্যুতির পরবর্তী অবস্থা (ক্যাল ফস,সিম্ফাই)মাথা ব্যথা,নিউরালজিয়া,এংজাইটি নিউরোসিস,সায়াটিকা,মেরুদণ্ড বেঁকে যাওয়া, জয়েন্ট এবং লিগামেন্ট এর দীর্ঘদিনের দূর্বলতায় এটি সফলভাবে ব্যবহার করা যায়।

আজ ব্যথা টুকুই থাক।
আল্লাহ হাফেজ।
৩০-০৫-২৫.

Address

Khulna
9200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মারুফ হোমিও কেয়ার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to মারুফ হোমিও কেয়ার:

Share

Category