Dr. Sahana Razzaque Ali

Dr. Sahana Razzaque Ali ⚕️Doctor 👩‍⚕️
gynaecologist & obsterrician. medical mentor. create awareness on Maternal health , pregnancy 🤰 & motherhood..

Talk on maternal wellness & reply to questions of followers . Share real life moments through🎥 video’s .

😬গর্ভাবস্থায় দাঁত ব্যথা হওয়া 👩‍⚕️****^^^^****^^^^****^^^^এটি অবহেলা করা ঠিক নয়।💥💥গর্ভাবস্থায় দাঁত ব্যথার প্রধান কারণসম...
17/03/2026

😬গর্ভাবস্থায় দাঁত ব্যথা হওয়া 👩‍⚕️
****^^^^****^^^^****^^^^
এটি অবহেলা করা ঠিক নয়।💥💥
গর্ভাবস্থায় দাঁত ব্যথার প্রধান কারণসমূহ
☀️হরমোনের পরিবর্তন: গর্ভাবস্থায় শরীরে হরমোনের (বিশেষ করে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন) মাত্রা বেড়ে যায়। এর ফলে মাড়িতে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং মাড়ি অনেক নরম ও সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। একে 'প্রেগনেন্সি জিনজিভাইটিস' বলা হয়।
📍ক্যালসিয়ামের অভাব: শিশুর হাড় গঠনের জন্য মায়ের শরীর থেকে প্রচুর ক্যালসিয়াম প্রয়োজন হয়। যদি মায়ের খাবারে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম না থাকে, তবে দাঁত ও হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
📍মর্নিং সিকনেস বা বমি: বার বার বমি হওয়ার ফলে পাকস্থলীর অ্যাসিড দাঁতের সংস্পর্শে আসে। এই অ্যাসিড দাঁতের ওপরের শক্ত আবরণ (এনামেল) ক্ষয় করে ফেলে, যা থেকে শিরশিরানি বা ব্যথা হতে পারে।
📍খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন: এই সময় মিষ্টি বা টক জাতীয় খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে, যা দাঁতে ক্যাভিটি বা গর্ত তৈরি করতে পারে।
🎖️ঘরোয়া প্রতিকার-
👩🏻‍🦰লবণ-এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করুন। এটি মাড়ির ফোলাভাব এবং জীবাণু কমাতে সাহায্য করে।
👩🏻‍🦰সেঁক: গালের বাইরে থেকে বরফ বা ঠান্ডা কাপড়ের সেঁক দিলে ফোলা ও ব্যথা কমে।
🎯জরুরি পরামর্শ📌📌
👩‍⚕️ডেন্টিস্টের পরামর্শ নিন: গর্ভাবস্থায় দাঁতের চিকিৎসা করা নিরাপদ ।
💥ব্যথা বেশি হলে নিজে কোনো পেইনকিলার না খেয়ে ডাক্তারকে দেখান।
💫ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার: দুধ, দই, পনির এবং সবুজ শাকসবজি বেশি করে খান।
💫মুখ পরিষ্কার রাখা: দিনে অন্তত দুবার নরম ব্রাশ দিয়ে ব্রাশ করুন এবং বমি করার পর অবশ্যইপানি দিয়ে ভালো করে মুখ ধুয়ে ফেলুন। 😬


.Sahanarazzaqueali

17/03/2026

মাত্রাতিরিক্ত চিনি খেলে কি ডায়াবেটিস হবে ?

🤰🤰গর্ভাবস্থায় পিত্তথলিতে পাথর 💥(Gallstones) হওয়া একটি বেশ পরিচিত সমস্যা।🤷‍♀️ 📍সম্ভাব্য পরিণতি বা প্রভাবগুলো 👇🏾👇🏾👇🏾👇🏾🎆শা...
16/03/2026

🤰🤰গর্ভাবস্থায় পিত্তথলিতে পাথর 💥(Gallstones) হওয়া একটি বেশ পরিচিত সমস্যা।🤷‍♀️
📍সম্ভাব্য পরিণতি বা প্রভাবগুলো 👇🏾👇🏾👇🏾👇🏾
🎆শারীরিক অস্বস্তি ও ব্যথা (Biliary Colic)
সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা হলো পেটের উপরের ডানদিকে তীব্র ব্যথা। এই ব্যথা পিঠের দিকে বা ডান কাঁধ পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে। সাধারণত চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পর এই ব্যথা বাড়ে।
🎆পিত্তথলির প্রদাহ (Cholecystitis)
পাথর যদি পিত্তনালীর মুখে আটকে যায়, তবে পিত্তথলিতে ইনফেকশন বা প্রদাহ হতে পারে। এর ফলে:
🎯তীব্র জ্বর ও কাঁপুনি হতে পারে।
🎯বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
🎯পেটে প্রচণ্ড ব্যথা যা দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী হয়।
🎆জন্ডিস (Jaundice)
পাথর যদি পিত্তথলি থেকে বের হয়ে প্রধান পিত্তনালীতে (Common Bile Duct) আটকে যায়, শরীরে বিলিরুবিন বেড়ে গিয়ে জন্ডিস হতে পারে। এতে ত্বক চুলকাতে পারে।
🎆প্যানক্রিয়াটাইটিস (Pancreatitis)
এটি একটি গুরুতর অবস্থা যেখানে অগ্ন্যাশয়ে প্রদাহ সৃষ্টি হয়।
💫💫মা এবং শিশু উভয়ের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। (👩🏻‍🦰👶)
🤰গর্ভাবস্থায় শিশুর ওপর প্রভাব- 👇🏾
🎖️অকাল প্রসব (Preterm Labor): তীব্র ব্যথা বা ইনফেকশনের কারণে জরায়ুতে সংকোচন শুরু হতে পারে, যা সময়ের আগে বাচ্চা প্রসবের ঝুঁকি বাড়ায়।
🎖️পুষ্টির অভাব: বারবার বমি বা হজমের সমস্যার কারণে মা ও শিশু পর্যাপ্ত পুষ্টি না-ও পেতে পারে।
করণীয় কী?
🎖️খাবার নিয়ন্ত্রণ: চিকিৎসকরা সাধারণত কম চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন।
🎖️পর্যবেক্ষণ: বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ডেলিভারি পর্যন্ত অপেক্ষা করা হয় এবং ব্যথানাশক ওষুধ দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
🎖️সার্জারি: যদি ইনফেকশন খুব বেশি হয় বা মা ও শিশুর জীবন ঝুঁকিতে থাকে।
তবে দ্বিতীয় ট্রাইমেস্টারে (Second Trimester) ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি করা হতে পারে।


.Sahanarazzaqueali

16/03/2026

রাতে ঘুমের মধ্যে প্রচণ্ড পায়ের শিরায় টান অনুভব করেন কি ?
#

15/03/2026

রাতে পায়ের শীরায় টান পড়ে?
গরম পানির শেক দিন 🦵

🎆রাতে ঘুমানোর সময় পায়ে টান লাগা বা 'মাসল ক্র্যাম্প' বেশ যন্ত্রণাদায়ক 🦿হতে পারে। 💥💥💥💥🤷‍♀️🤷‍♀️📌একে 'নকটার্নাল লেগ ক্র্যাম্...
15/03/2026

🎆রাতে ঘুমানোর সময় পায়ে টান লাগা বা 'মাসল ক্র্যাম্প' বেশ যন্ত্রণাদায়ক 🦿হতে পারে। 💥💥💥💥🤷‍♀️🤷‍♀️
📌একে 'নকটার্নাল লেগ ক্র্যাম্পস' 🦵সম্ভাব্য কারণ এবং ঘরোয়া প্রতিকারগুলো : 👇🏾
📌পায়ে টান লাগার সম্ভাব্য কারণ:🤰
১. পানির অভাব (Dehydration): শরীরে পানির পরিমাণ কমে গেলে পেশির কার্যকলাপে ব্যাঘাত ঘটে।
২. খনিজ লবণের ঘাটতি: রক্তে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম বা ম্যাগনেসিয়ামের অভাব থাকলে পেশিতে টান লাগে।
৩. অতিরিক্ত পরিশ্রম: সারাদিন অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা বা পায়ের ওপর বেশি চাপ পড়ে এমন কাজ করা।
৪. রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা: পায়ে রক্ত চলাচল ঠিকমতো না হওয়া।
৫. বসার বা শোয়ার ভঙ্গি: দীর্ঘক্ষণ পা ভাঁজ করে রাখা বা অস্বস্তিকর ভঙ্গিতে ঘুমানো।💤
😇 তাৎক্ষণিক করণীয়:⬇️⬇️
📍স্ট্রেচিং (Stretching): টান লাগা মাত্রই পা সোজা করে পায়ের আঙুলগুলো নিজের দিকে (শরীরের দিকে) টানুন। এটি পেশিকে শিথিল করতে সাহায্য করবে।
📍ম্যাসাজ ও সেঁক: প্রথমে গরম পানির সেঁক দিলে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয় এবং ব্যথা কমে।
📍পর্যাপ্ত পানি পান: দিনে অন্তত ২.৫ থেকে ৩ লিটার পানি পান নিশ্চিত করুন।
📍সুষম খাবার: খাদ্যতালিকায় কলা (পটাশিয়ামের উৎস), দুধ (ক্যালসিয়াম) এবং বাদাম বা সবুজ শাকসবজি (ম্যাগনেসিয়াম) রাখুন।
• শোয়ার আগে ব্যায়াম: ঘুমানোর ১০-১৫ মিনিট আগে পা স্ট্রেচিং করার অভ্যাস করুন।
👩‍⚕️কখন ডাক্তার দেখাবেন?
☀️যদি দেখেন এই সমস্যাটি প্রতিনিয়ত হচ্ছে, পেশি ফুলে যাচ্ছে বা প্রচণ্ড ব্যথার কারণে আপনার ঘুম একেবারেই হচ্ছে না, তবে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।


.Sahanarazzaqueali

15/03/2026

চুল পড়া কমাতে কি করবেন?

14/03/2026

অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন ?

13/03/2026

গর্ভবতী অবস্থায় ৬ মাসের পর
সারা শরীরে চুলকালে
কি সমস্যা

🤰গর্ভাবস্থায় সাধারণ বমি বমি ভাব বা 'মর্নিং সিকনেস' অনেকেরই হয়, কিন্তু হাইপারএমেসিস গ্রাভিডারাম 🤮🤮🔥(Hyperemesis Gravidar...
13/03/2026

🤰গর্ভাবস্থায় সাধারণ বমি বমি ভাব বা 'মর্নিং সিকনেস' অনেকেরই হয়, কিন্তু হাইপারএমেসিস গ্রাভিডারাম 🤮🤮
🔥(Hyperemesis Gravidarum) হলো তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল ও গুরুতর একটি অবস্থা।
⬇️⬇️⬇️⬇️
📍গর্ভাবস্থায় প্রায় ৭০-৮০% মহিলার সাধারণ বমি বমি ভাব হয়।
📍কিন্তু হাইপারএমেসিস গ্রাভিডারাম বা তীব্র বমি হয় মাত্র ০.৩% থেকে ২% মহিলার ক্ষেত্রে। অর্থাৎ, ১০০০ জন গর্ভবতী মহিলার মধ্যে মাত্র ৩ থেকে ২০ জনের এই সমস্যা হতে পারে।
২. কেন হয়? 🤮
📌হরমোনের পরিবর্তন: গর্ভাবস্থায় hCG (human Chorionic Gonadotropin) এবং এস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায়, যা বমির প্রধান কারণ বলে মনে করা হয়।
📌পারিবারিক ইতিহাস: যদি মা বা বোনের এই সমস্যা থেকে থাকে, তবে হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
📌প্রথম সন্তান: প্রথমবার মা হওয়ার সময় ঝুঁকি বেশি থাকে।
📌জমজ সন্তান: একের অধিক সন্তান গর্ভে থাকলে হরমোনের মাত্রা বেশি থাকে, ফলে বমিও বেশি হয়।
📌মানসিক চাপ: অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা অনেক সময় লক্ষণগুলো আরও বাড়িয়ে দেয়।
৩. চিকিৎসা ☀️☀️
এর ব্যবস্থাপনা মূলত লক্ষণ নিয়ন্ত্রণ 💫
📍খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন: অল্প অল্প করে বারবার খাবার খেতে হবে। খালি পেটে থাকা যাবে না। শুকনো খাবার (যেমন: বিস্কুট, মুড়ি) বেশ কার্যকর। আদা চা বা আদা যুক্ত খাবার বমি কমাতে সাহায্য করে।
📍বমির কারণে শরীর থেকে পানি বেরিয়ে যায়, তাই প্রচুর পানি, ওরাল স্যালাইন বা ফলের রস পান করতে হবে।
📍ওষুধ: ডাক্তাররা সাধারণত ভিটামিন বি-৬ (Pyridoxine) এবং নিরাপদ বমি নিরোধক (Anti-emetic) ওষুধ দিয়ে থাকেন।
💥হাসপাতালে ভর্তি: যদি রোগী মুখ দিয়ে কিছুই খেতে না পারে, ওজন কমে যায় এবং পানিশূন্যতা (Dehydration) দেখা দেয়, তবে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে শিরার মাধ্যমে (IV Fluid) স্যালাইন ও ইনজেকশন দেওয়ার প্রয়োজন হয়।
🤰পর্যাপ্ত বিশ্রাম এই সময়ে অত্যন্ত জরুরি।


.Sahanarazzaqueali

13/03/2026

ব‍্যীতিক্রমধর্মী কিছু কথা-

12/03/2026

Is it possible to get pregnant with one o***y ?

Address

Farazi Para
Khulna
9100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Sahana Razzaque Ali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram